আয় করুন
$50000
বন্ধুদের আমন্ত্রণ করার জন্য
ইন্সটাফরেক্স থেকে স্টার্টআপ
বোনাস নিন
কোন বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই!
কোনো বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি
ছাড়াই ট্রেডিং শুরু করতে
গ্রহণ করুন নতুন স্টার্টআপ
বোনাস $1000
বোনাস নিন
৫৫%
ইন্সটাফরেক্স থেকে
প্রতিবার অর্থ জমাদানে
+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
পৃষ্ঠা 2 of 2 প্রথমপ্রথম 12
ফলাফল দেখাচ্ছে 11 হইতে 15 সর্বমোট 15

প্রসংগ: বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য বাড়ছে

  1. #11
    প্রবীণ সদস্য Tofazzal Mia's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Feb 2018
    মন্তব্য
    226
    সঞ্চিত বোনাস
    342.21 USD
    ধন্যবাদ
    25
    29 টি পোস্টের জন্য 40 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    চলতি ২০১৮-১৮ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে পণ্য রপ্তানি আয়ে বেশ ভালো করেছে বাংলাদেশ। এ সময়ে তৈরি পোশাক খ্যাতে রপ্তানি আয় বেড়ে ১৩ ভাগের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। আগের বছরের তুলনায় রপ্তানি বৃদ্ধির এ হার স্বস্তিদায়ক। আলোচ্য সময়ে তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, হোম টেক্সটাইল ইত্যাদি পণ্যের রপ্তানি আয় বেড়েছে। তবে দ্বিতীয় প্রধান খাত পাট ও চামড়ার রপ্তানি আয় কমেছে, যদিও ব্যাগ, জুতা ইত্যাদি চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আগের চেয়ে বেশি হয়েছে।

  2. #12
    প্রবীণ সদস্য SUROZ Islam's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Jan 2018
    মন্তব্য
    195
    সঞ্চিত বোনাস
    315.05 USD
    ধন্যবাদ
    50
    27 টি পোস্টের জন্য 38 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলা। গত দশকে বন্দরের কার্যক্রম কিছুটা স্তিমিত থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা আবার চাঙ্গা হতে শুরু করেছে। বন্দরের উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় এর সক্ষমতা বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে বিদেশী জাহাজের আগমনের সংখ্যা। ফেব্রুয়ারিতে এক মাসেই মোংলা বন্দরে ১০০টি জাহাজ ভিড়েছে, যা বন্দরের ৬৯ বছরের ইতিহাসে একটি রেকর্ড। এর আগে কখনই মোংলা বন্দরে জাহাজ আগমনের সংখ্যা তিন অংকে পৌঁছায়নি। সর্বশেষ রেকর্ড হয়েছিল গত নভেম্বরে। ওই মাসে বন্দরে ৯১টি জাহাজ নোঙর করেছিল। পরের দুই মাসে জাহাজ ভিড়েছিল যথাক্রমে ৮২টি ও ৮৭টি।

  3. #13
    প্রবীণ সদস্য SumonIslam's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Nov 2017
    মন্তব্য
    129
    সঞ্চিত বোনাস
    29.63 USD
    ধন্যবাদ
    29
    23 টি পোস্টের জন্য 27 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    বাংলাদেশর বৈদেশিক বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবার কারনে খুলনার মোংলা বন্দরেও গতি ফিরতে শুরু করছে, কেননা সে লক্ষ্যেই বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। ফলে যুক্ত হচ্ছে সাতটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ মোবাইল হারবার ও মাল্টিপারপাস ক্রেন, উচ্চক্ষমতার ফর্কলিফট, রিচ ট্রাক, লো-মাস্ট ফর্ক লিফট ট্রাক, রোড রোলার, ডাম্প ট্রাক ও এম্পটি কনটেইনার হ্যান্ডলার ছাড়াও অন্যান্য সরঞ্জাম। সাতটি ক্রেনের মধ্যে ১৪ সারির কনটেইনার হ্যান্ডলিং উপযোগী তিনটি, পাঁচ মিটার ব্যাসার্ধের ৩০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি মোবাইল হারবার এবং দুটি ১০ মিটার ব্যাসার্ধের ৫০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন মাল্টিপারপাস ক্রেন রয়েছে। পাশাপাশি ১০টি স্ট্রাডেল ক্যারিয়ার, দুটি ৩০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ফর্কলিফট ট্রাক, দুটি ৪০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ভেরিয়েবল রিচ ট্রাক, চারটি পাঁচ টন ক্ষমতাসম্পন্ন লো-মাস্ট ফর্কলিফট ট্রাক, ১৫টি তিন টন লো মাস্ট ফর্কলিফট ট্রাক, চারটি ১০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ডাম্প ট্রাক, ১০-১২ টন ক্ষমতাসম্পন্ন রোড রোলার এবং নয় টন ক্ষমতাসম্পন্ন এম্পটি কনটেইনার হ্যান্ডলার স্থাপন করা হবে। যার ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

  4. #14
    প্রবীণ সদস্য Rassel Vuiya's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Feb 2018
    মন্তব্য
    135
    সঞ্চিত বোনাস
    275.80 USD
    ধন্যবাদ
    45
    37 টি পোস্টের জন্য 56 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আমদানীকৃত ৭ কোটি ৮৫ লাখ টন পণ্য খালাস করেছেন ব্যবসায়ীরা। নথি অনুযায়ী, এর বাজারমূল্য ৩ লাখ ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, সদ্যসমাপ্ত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে খালাস হওয়া ৭ কোটি ৮৫ লাখ টন পণ্যের বিপরীতে সরকার রাজস্ব পেয়েছে ৪২ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে মূসকই (ভ্যাট) আদায় হয়েছে ২১ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা। এছাড়া কাস্টমস ডিউটি (সিডি) ১৪ হাজার ৬৩৯ কোটি টাকা, রেগুলেটরি ডিউটি (আরডি) ৯৪২ কোটি ৭৬ লাখ, এআইটি (অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স) ৬ হাজার ৪২ কোটি ৪৫ লাখ, সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি (এসডি) ৪ হাজার ৯৮৫ কোটি ১১ লাখ ও এটিভি (অ্যাডভান্স ট্রেড ভ্যাট) আদায় হয়েছে ৪ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। এছাড়া ঘোষণা অনুযায়ী পণ্য আমদানি না করায় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৬২ কোটি টাকার জরিমানা আদায় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
    এনবিআরের তথ্যমতে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৫ শতাংশেরও বেশি রাজস্ব এসেছে ১০টি পণ্য আমদানি থেকে পাওয়া শুল্ক বাবদ। সর্বোচ্চ রাজস্ব আহরণকারী এ ১০ আমদানি পণ্যগুলো হলো— ইস্পাত কাঁচামাল, সিমেন্ট ক্লিংকার, মোটরসাইকেল, পরিশোধিত পাম অয়েল, অপরিশোধিত জ্বালানি তেল, পেট্রোলিয়াম অয়েল, গাড়ি, আপেল ও ফিনিশিং সিরামিকস।

  5. #15
    প্রবীণ সদস্য FXBD's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Oct 2017
    মন্তব্য
    151
    সঞ্চিত বোনাস
    20.52 USD
    ধন্যবাদ
    24
    24 টি পোস্টের জন্য 30 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে তথ্য অনুসারে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রফতানি প্রবৃদ্ধি ১৫ শতাংশ হতে পারে। সরকারের ব্যবসাবান্ধব নীতি ও রফতানি বাণিজ্যে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানের ফলেই ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ রফতানির লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে। রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্জিত হয়েছে ৪৬ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় রফতানি প্রবৃদ্ধির হার ১৩ দশমিক ৬ ও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি। সরকারের ২০২১ সালের মধ্যে রফতানি ৬ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে রয়েছে।

+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
পৃষ্ঠা 2 of 2 প্রথমপ্রথম 12

মন্তব্য নিয়মাবলি

  • আপনি হয়ত নতুন পোস্ট করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত মন্তব্য লিখতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত সংযুক্তি সংযুক্ত করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত আপনার মন্তব্য পরিবর্তনপারবেন না
  • BB কোড হলো উপর
  • Smilies are উপর
  • [IMG] কোড হয় উপর
  • এইচটিএমএল কোড হল বন্ধ
বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম উপস্থাপন
ফোরাম সেবায় আপনাকে স্বাগতম যেটি ভার্চুয়াল স্যালুন হিসেবে সকল স্তরের ট্রেডারদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ প্রদান করছে। ফরেক্স হলো একটি গতিশীল আর্থিক বাজার যেটি দিনে ২৪ঘন্টা খোলা থাকে। যে কেউ ব্রোকারেজ কোম্পানির মাধ্যমে এখানে কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। এই ফোরামে আপনি কারেন্সি মার্কেটে ট্রেডিং এবং মেটাট্রেডার ফোর ও মেটাট্রেডার ফাইভের মাধ্যমে অনলাইন ট্রেডিং সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ পাবেন।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম ট্রেডিং আলোচনা
ফোরামের প্রত্যেক সদস্য বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, যার মধ্যে ফরেক্স সম্পর্কিত ও ফরেক্সের বাইরের বিভিন্ন বিষয়ও রয়েছে। ফোরাম বিভিন্ন মতামত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি অভিজ্ঞ ও নতুন উভয় ধরণের ট্রেডারদের জন্য উন্মুক্ত। পারস্পরিক সহায়তা এবং সহনশীলতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনি যদি অন্যদের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান অথবা ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে ট্রেডিং সম্পর্কিত আলোচনা "ফোরাম থ্রেড" এ আপনাকে স্বাগত।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম ব্রোকার এবং ট্রেডারদের মধ্যে আলোচনা (ব্রোকার সম্পর্কে)
ফরেক্সে সফল হতে চাইলে, যথেষ্ট কৌশলের সাথে একটি ব্রোকারেজ কোম্পানি বাছাই করতে হবে। আপনার ব্রোকার সত্যিই নির্ভরযোগ্য সেটি নির্ধারণ করুন! এভাবে আপনি অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন এবং ফরেক্সে লাভজনক ট্রেড করতে পারবেন। ফোরামে একজন ব্রোকারের রেটিং উপস্থাপন করা হয়; এটি তাদের গ্রাহকদের রেখে যাওয়া মন্তব্য নিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যে ব্রোকার কোম্পানির সাথে কাজ করছেন সে কোম্পানি সম্পর্কে আপনার মতামত দিন, এটি অন্যান্য ট্রেডারদের ভুল সংশোধন করতে সাহায্য করবে এবং একজন ভালো ব্রোকার বাছাই করতে সাহায্য করবে।

অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম
এই ফোরামে আপনি শুধু ট্রেডিং এর বিষয় সম্পর্কেই কথা বলবেন না, সেইসাথে আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন। বিশেষ থ্রেডে অফটপিং ও করা যায়! আপনার পছন্দের যে কোন হাস্যরস, দর্শন, সামাজিক সমস্যা বা বাস্তব জ্ঞান সম্পর্কিত কথাবার্তা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন, এমনকি আপনি যদি পছন্দ করেন তাহলে ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কেও লিখতে পারবেন!

যোগদান করার জন্য বোনাস বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরামে
যারা ফোরামে লেখা পোষ্ট করবে তারা বোনাস হিসেবে অর্থ পাবে এবং সেই বোনাস একটি অ্যাকাউন্টে ট্রেডিং এর সময় ব্যবহার করতে পারবে. ফোরাম অর্থ মুনাফা লাভ করা নয়, অধিকন্তু, ফোরামে সময় ব্যয় করার জন্য এবং কারেন্সি মার্কেট ও ট্রেডিং সম্পর্কে মতামত শেয়ারের জন্য পুরষ্কার হিসেবে ফোরামিটিস অল্প কিছু বোনাস পায়।