আয় করুন
$50000
বন্ধুদের আমন্ত্রণ করার জন্য
ইন্সটাফরেক্স থেকে স্টার্টআপ
বোনাস নিন
কোন বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই!
কোনো বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি
ছাড়াই ট্রেডিং শুরু করতে
গ্রহণ করুন নতুন স্টার্টআপ
বোনাস $1000
বোনাস নিন
৫৫%
ইন্সটাফরেক্স থেকে
প্রতিবার অর্থ জমাদানে
+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
ফলাফল দেখাচ্ছে 1 হইতে 5 সর্বমোট 5

প্রসংগ: একটি নেতৃত্বহীন মহাদেশের কথা - পল ক্রুগম্÷

  1. #1
    Senior Member HELPINGHAND's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Apr 2015
    অবস্থান
    Bangladesh
    মন্তব্য
    180
    সঞ্চিত বোনাস
    33.00 USD
    Thanks
    0
    11 টি পোস্টের জন্য 12 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন

    Post একটি নেতৃত্বহীন মহাদেশের কথা - পল ক্রুগম্÷

    আমি ইউরোপ নিয়ে সত্যিকার অর্থেই চিন্তিত । আরো সত্য হলো আমি গোটা পৃথিবীটা নিয়েই চিন্তিত । চলমান অর্থনৈতিক মন্দা থেকে গোটা পৃথিবীতে কেউই নিরাপদ স্বর্গে বাস কর*ছে না । তা সত্ত্বেও আমি মার্কিন যুক্তরাস্ট্র অপেক্ষা ইউরোপ নিয়ে বেশি চিন্তিত ।

    এটা প্রথমেই পরিস্কার করে নেয়া ভালো যে আমি এখানে গড়পড়তা আমেরিকানদের মতো ইউরোপের উচ্চ করের হার বা সরকার নিয়ন্ত্রিত সামাজিক সেবাখাত নিয়ে অভিযোগ কর*ছি না । বড় ওয়েলফেয়ার স্টেটগুলো ইউরোপের চলমান অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দায়ি নয় । প্রকৃতপক্ষে আমি ওখানে সরকার নিয়ন্ত্রিত ওয়েলফেয়ার সিস্টেম যে এই সংকটা কাটাতে ভূমিকা রাখছে সেটাই বলার চেষ্টা করবো ।

    ইউরোপের চলমান সংকট রাজস্ব ও মুদ্রানীতির বিভিন্ন দিকেই অত্যন্ত মারাত্মক আকার ধারন করেছে । গুরুত্ব বিচারে এটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তুলনা করা যেতে পারে । তবে ইউরোপিয় ইউনিয়ন এই সংকট মোকাবেলায় গৃহীত পদক্ষেপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে খুব বেশী রকমের পিছিয়ে আছে ।

    প্রথমত রাজস্ব নীতির কথা বলা যায় । এখানে অনেক অর্থনীতিবিদের মতো আমি নিজেও মনে করি পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওবামা সরকারের গৃহীত স্টিমুলাস প্যাকেজ যথেষ্ট নয় । তবে এই স্টিমুলাস প্যাকেজ প্রশ্নটিতে ইউরোপের তুলনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুব দ্রুতই সিদ্ধান্তে আসতে পেরেছে ।

    দ্বিতীয়ত, মুদ্রা নীতিতেও সেই একই পিছিয়ে পড়ার গল্প রয়েছে । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে ইউরোপিয় ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্টতই পিছিয়ে আছে । ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক সুদের হার কমাতে খুব দ্রুতই এগিয়ে এসেছে । অন্যদিকে ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক এটা করতে অনেক গড়িমসি করেছে । এমনকি গত বছরের জুলাইতে তারা এই হার বাড়িয়েছে পর্যন্ত !

    তবে এই চলমান সংকটে ইউরোপিয় ইউনিয়ন তাদের যে বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে থাকবে সেটা হলো তাদের সদস্য দেশগুলোতে সরকার নিয়ন্ত্রিত সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা । এই সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যক্তিপর্যায়ে অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব সীমিত রাখতে সাহায্য করবে । এই সামাজিক নিরাপত্তা খুব ছোট ব্যাপার নয় । সবার জন্য নিশ্চিত স্বাস্থ্য বীমা ব্যবস্থা, চাকরি হারানো সবার জন্য বেকার ভাতা নিশ্চিতভাবেই অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব ব্যক্তিগত পর্যায়ে কমিয়ে আনবে । এবং এই সরকারি সুবিধাগুলো ভোক্তাদের বাজারে অর্থব্যয়ের সুযোগ তৈরী করে দেয় যেটা শেষ বিচারে অর্থনীতিতে সুফল বয়ে আনে ।

    তবে এইসব স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থেকে এই মুহুর্তে যেটা দরকার সেটা হলো সরকারের এগিয়ে আসা । এবং ইউরোপ এদিক দিয়ে পিছিয়ে আছে ।

    প্রশ্ন উঠতে পারে ইউরোপ এভাবে পিছিয়ে পড়লো কেন । অদক্ষ নেতৃত্ব এটার একটা কারন হিসেবে আমরা ধরতে পারি । ইউরোপের ব্যাংকিং সেক্টরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা চলমান অবস্থার গুরুত্ব বুঝতে পুরোটাই ব্যর্থতা দেখিয়ে চলেছেন । নিজেদের সাফল্যের কীর্তি প্রচারেই তাদের আগ্রহ বেশী । জার্মান অর্থমন্ত্রীর জুড়ি মেলা, যিনি এসব বিষয়ে কিছুই জানেন না ও যার কথা শোনা সময় নষ্ট, এই আমেরিকাতে রিপাবলিকানদের মধ্যেই সম্ভব ।

    তবে এর থেকেও বড় সমস্যা রয়ে গেছে । ইউরোপের অর্থনৈতিক একত্রিকরণ তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের একত্রিকরণ থেকে বহুদুর পিছিয়ে আছে । প্রায় গোটা ইউরোপের অর্থব্যবস্থা একই মুদ্রায় চলে এবং তাদের মধ্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক সহজেই আমেরিকার এক প্রদেশ থেকে আরেক প্রদেশের সম্পর্কের সাথে তুলনা করা যায় । তা সত্ত্বেও ইউরোপের নেতারা এই অর্থনৈতিক সুসম্পর্ককে রাজনৈতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন । এই ঐক্যের অভাব বড় বেশী টের পাওয়া যাচ্ছে এই মন্দাসময়ে ।

    এই সমস্যাটাই সংকট মোকাবেলায় রাজস্ব নীতির অচলাবস্থার জন্য দায়ি করা যেতে পারে । কোন সরকারই ইউরোপের সম্মিলিত স্টিমুলাস প্যাকেজে বেশী টাকা ঢালতে রাজি নন । কারন ঐ টাকা তাদের নিজের দেশের নাগরিকদের কোন কাজে নাও লাগতে পারে ।

    অন্যদিকে মুদ্রানীতিতে এতোটা জটিলতা না থাকলেও সেখানেও যথেষ্ট কর্মতৎপরতার অভাব দেখা যায় । ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের মতো সহজেই স্বাধীনভাবে একটি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে পারেনা । সেখানে নীতিনির্ধারক পর্যায়ে সারাক্ষনই ১৬টি দেশের প্রতিনিধিদের বাদানুবাদ লেগে থাকে যার ফলশ্রুতিতে অনিবার্যভাবেই কালক্ষেপন দেখা দেয় ।

    ইউরোপ এসব কারনে এরকম সংকটকালে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল সংগঠন হিসেবে দেখা দিচ্ছে ।

  2. <a href="https://www.instaforex.com/company_news">Forex Spain</a>
  3. #2
    Senior Member Ekram's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Aug 2015
    অবস্থান
    Chittagong
    মন্তব্য
    618
    সঞ্চিত বোনাস
    118.40 USD
    Thanks
    0
    10 টি পোস্টের জন্য 10 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    Quoteপ্রকৃত পোস্টকারী View Post
    আমি ইউরোপ নিয়ে সত্যিকার অর্থেই চিন্তিত । আরো সত্য হলো আমি গোটা পৃথিবীটা নিয়েই চিন্তিত । চলমান অর্থনৈতিক মন্দা থেকে গোটা পৃথিবীতে কেউই নিরাপদ স্বর্গে বাস কর*ছে না । তা সত্ত্বেও আমি মার্কিন যুক্তরাস্ট্র অপেক্ষা ইউরোপ নিয়ে বেশি চিন্তিত ।

    এটা প্রথমেই পরিস্কার করে নেয়া ভালো যে আমি এখানে গড়পড়তা আমেরিকানদের মতো ইউরোপের উচ্চ করের হার বা সরকার নিয়ন্ত্রিত সামাজিক সেবাখাত নিয়ে অভিযোগ কর*ছি না । বড় ওয়েলফেয়ার স্টেটগুলো ইউরোপের চলমান অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দায়ি নয় । প্রকৃতপক্ষে আমি ওখানে সরকার নিয়ন্ত্রিত ওয়েলফেয়ার সিস্টেম যে এই সংকটা কাটাতে ভূমিকা রাখছে সেটাই বলার চেষ্টা করবো ।

    ইউরোপের চলমান সংকট রাজস্ব ও মুদ্রানীতির বিভিন্ন দিকেই অত্যন্ত মারাত্মক আকার ধারন করেছে । গুরুত্ব বিচারে এটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তুলনা করা যেতে পারে । তবে ইউরোপিয় ইউনিয়ন এই সংকট মোকাবেলায় গৃহীত পদক্ষেপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে খুব বেশী রকমের পিছিয়ে আছে ।

    প্রথমত রাজস্ব নীতির কথা বলা যায় । এখানে অনেক অর্থনীতিবিদের মতো আমি নিজেও মনে করি পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওবামা সরকারের গৃহীত স্টিমুলাস প্যাকেজ যথেষ্ট নয় । তবে এই স্টিমুলাস প্যাকেজ প্রশ্নটিতে ইউরোপের তুলনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুব দ্রুতই সিদ্ধান্তে আসতে পেরেছে ।

    দ্বিতীয়ত, মুদ্রা নীতিতেও সেই একই পিছিয়ে পড়ার গল্প রয়েছে । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে ইউরোপিয় ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্টতই পিছিয়ে আছে । ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক সুদের হার কমাতে খুব দ্রুতই এগিয়ে এসেছে । অন্যদিকে ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক এটা করতে অনেক গড়িমসি করেছে । এমনকি গত বছরের জুলাইতে তারা এই হার বাড়িয়েছে পর্যন্ত !

    তবে এই চলমান সংকটে ইউরোপিয় ইউনিয়ন তাদের যে বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে থাকবে সেটা হলো তাদের সদস্য দেশগুলোতে সরকার নিয়ন্ত্রিত সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা । এই সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যক্তিপর্যায়ে অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব সীমিত রাখতে সাহায্য করবে । এই সামাজিক নিরাপত্তা খুব ছোট ব্যাপার নয় । সবার জন্য নিশ্চিত স্বাস্থ্য বীমা ব্যবস্থা, চাকরি হারানো সবার জন্য বেকার ভাতা নিশ্চিতভাবেই অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব ব্যক্তিগত পর্যায়ে কমিয়ে আনবে । এবং এই সরকারি সুবিধাগুলো ভোক্তাদের বাজারে অর্থব্যয়ের সুযোগ তৈরী করে দেয় যেটা শেষ বিচারে অর্থনীতিতে সুফল বয়ে আনে ।

    তবে এইসব স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থেকে এই মুহুর্তে যেটা দরকার সেটা হলো সরকারের এগিয়ে আসা । এবং ইউরোপ এদিক দিয়ে পিছিয়ে আছে ।

    প্রশ্ন উঠতে পারে ইউরোপ এভাবে পিছিয়ে পড়লো কেন । অদক্ষ নেতৃত্ব এটার একটা কারন হিসেবে আমরা ধরতে পারি । ইউরোপের ব্যাংকিং সেক্টরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা চলমান অবস্থার গুরুত্ব বুঝতে পুরোটাই ব্যর্থতা দেখিয়ে চলেছেন । নিজেদের সাফল্যের কীর্তি প্রচারেই তাদের আগ্রহ বেশী । জার্মান অর্থমন্ত্রীর জুড়ি মেলা, যিনি এসব বিষয়ে কিছুই জানেন না ও যার কথা শোনা সময় নষ্ট, এই আমেরিকাতে রিপাবলিকানদের মধ্যেই সম্ভব ।

    তবে এর থেকেও বড় সমস্যা রয়ে গেছে । ইউরোপের অর্থনৈতিক একত্রিকরণ তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের একত্রিকরণ থেকে বহুদুর পিছিয়ে আছে । প্রায় গোটা ইউরোপের অর্থব্যবস্থা একই মুদ্রায় চলে এবং তাদের মধ্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক সহজেই আমেরিকার এক প্রদেশ থেকে আরেক প্রদেশের সম্পর্কের সাথে তুলনা করা যায় । তা সত্ত্বেও ইউরোপের নেতারা এই অর্থনৈতিক সুসম্পর্ককে রাজনৈতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন । এই ঐক্যের অভাব বড় বেশী টের পাওয়া যাচ্ছে এই মন্দাসময়ে ।

    এই সমস্যাটাই সংকট মোকাবেলায় রাজস্ব নীতির অচলাবস্থার জন্য দায়ি করা যেতে পারে । কোন সরকারই ইউরোপের সম্মিলিত স্টিমুলাস প্যাকেজে বেশী টাকা ঢালতে রাজি নন । কারন ঐ টাকা তাদের নিজের দেশের নাগরিকদের কোন কাজে নাও লাগতে পারে ।

    অন্যদিকে মুদ্রানীতিতে এতোটা জটিলতা না থাকলেও সেখানেও যথেষ্ট কর্মতৎপরতার অভাব দেখা যায় । ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের মতো সহজেই স্বাধীনভাবে একটি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে পারেনা । সেখানে নীতিনির্ধারক পর্যায়ে সারাক্ষনই ১৬টি দেশের প্রতিনিধিদের বাদানুবাদ লেগে থাকে যার ফলশ্রুতিতে অনিবার্যভাবেই কালক্ষেপন দেখা দেয় ।

    ইউরোপ এসব কারনে এরকম সংকটকালে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল সংগঠন হিসেবে দেখা দিচ্ছে ।
    সব দিক দিয়ে চিন্তা করলে আমেরিকা অনেক এগিয়ে আছে। ইউরোপ এ একতার বড়ই অভাব লক্ষ করা যায়। সেই তুলনয়ায় আমেরিকা তাদের একক সিদ্ধান্তে যা করছে তাতে বাধা দেওয়ার মত কেহ নাই। ইউরোপ একেকজন নেতার একেক মতামতের কারনে বর্তমানে অনেক ধরনের বিপর্যয় ও দেখা দিচ্ছে সেখানে।

  4. #3
    Senior Member MotinFX's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Aug 2015
    অবস্থান
    CTG
    মন্তব্য
    1,649
    সঞ্চিত বোনাস
    347.68 USD
    Thanks
    15
    19 টি পোস্টের জন্য 19 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    উপরের কথার সাথে আমি একমত উইরোপ সব চেয়ে বিপদের মধ্যে আছে গ্রীস কে নিয়ে। অামেরিকা সক্ত অবস্হানে আছে কননা যেকোন কাজে একক সিদ্ধান্ত নিতে পারে তাকে বাধা দেওয়ার মত কেউ নেই।

  5. #4
    Senior Member yasir arafat's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Dec 2014
    মন্তব্য
    800
    সঞ্চিত বোনাস
    194.35 USD
    Thanks
    0
    7 টি পোস্টের জন্য 7 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    আপনার পোষ্টটা থেকে আমি অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারলাম।আসলে একটা জিনিস লক্ষ্যনীয় যে আপনি যখন একটা দেশের অর্থনীতি নিয়ে পর্যালোচনা করবেন,তখন একটি দেশের সাথে অন্য আরেকটি দেশের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করবেন।যা আমরা প্রায় সময় ফরেক্স মার্কেটে লক্ষ্য করে থাকি।

  6. Options
  7. #5
    Senior Member Md Masud's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Mar 2017
    মন্তব্য
    1,115
    সঞ্চিত বোনাস
    220.90 USD
    Thanks
    0
    35 টি পোস্টের জন্য 35 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    ইউরোপের চলমান সংকট রাজস্ব ও মুদ্রানীতির বিভিন্ন দিকেই অত্যন্ত মারাত্মক আকার ধারন করেছে । গুরুত্ব বিচারে এটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তুলনা করা যেতে পারে । তবে ইউরোপিয় ইউনিয়ন এই সংকট মোকাবেলায় গৃহীত পদক্ষেপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে খুব বেশী রকমের পিছিয়ে আছে ।

+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর

মন্তব্য নিয়মাবলি

  • আপনি হয়ত নতুন পোস্ট করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত মন্তব্য লিখতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত সংযুক্তি সংযুক্ত করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত আপনার মন্তব্য পরিবর্তনপারবেন না
  • BB কোড হলো উপর
  • Smilies are উপর
  • [IMG] কোড হয় উপর
  • এইচটিএমএল কোড হল বন্ধ
বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম উপস্থাপন
ফোরাম সেবায় আপনাকে স্বাগতম যেটি ভার্চুয়াল স্যালুন হিসেবে সকল স্তরের ট্রেডারদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ প্রদান করছে। ফরেক্স হলো একটি গতিশীল আর্থিক বাজার যেটি দিনে ২৪ঘন্টা খোলা থাকে। যে কেউ ব্রোকারেজ কোম্পানির মাধ্যমে এখানে কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। এই ফোরামে আপনি কারেন্সি মার্কেটে ট্রেডিং এবং মেটাট্রেডার ফোর ও মেটাট্রেডার ফাইভের মাধ্যমে অনলাইন ট্রেডিং সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ পাবেন।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম ট্রেডিং আলোচনা
ফোরামের প্রত্যেক সদস্য বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, যার মধ্যে ফরেক্স সম্পর্কিত ও ফরেক্সের বাইরের বিভিন্ন বিষয়ও রয়েছে। ফোরাম বিভিন্ন মতামত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি অভিজ্ঞ ও নতুন উভয় ধরণের ট্রেডারদের জন্য উন্মুক্ত। পারস্পরিক সহায়তা এবং সহনশীলতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনি যদি অন্যদের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান অথবা ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে ট্রেডিং সম্পর্কিত আলোচনা "ফোরাম থ্রেড" এ আপনাকে স্বাগত।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম ব্রোকার এবং ট্রেডারদের মধ্যে আলোচনা (ব্রোকার সম্পর্কে)
ফরেক্সে সফল হতে চাইলে, যথেষ্ট কৌশলের সাথে একটি ব্রোকারেজ কোম্পানি বাছাই করতে হবে। আপনার ব্রোকার সত্যিই নির্ভরযোগ্য সেটি নির্ধারণ করুন! এভাবে আপনি অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন এবং ফরেক্সে লাভজনক ট্রেড করতে পারবেন। ফোরামে একজন ব্রোকারের রেটিং উপস্থাপন করা হয়; এটি তাদের গ্রাহকদের রেখে যাওয়া মন্তব্য নিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যে ব্রোকার কোম্পানির সাথে কাজ করছেন সে কোম্পানি সম্পর্কে আপনার মতামত দিন, এটি অন্যান্য ট্রেডারদের ভুল সংশোধন করতে সাহায্য করবে এবং একজন ভালো ব্রোকার বাছাই করতে সাহায্য করবে।

অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম
এই ফোরামে আপনি শুধু ট্রেডিং এর বিষয় সম্পর্কেই কথা বলবেন না, সেইসাথে আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন। বিশেষ থ্রেডে অফটপিং ও করা যায়! আপনার পছন্দের যে কোন হাস্যরস, দর্শন, সামাজিক সমস্যা বা বাস্তব জ্ঞান সম্পর্কিত কথাবার্তা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন, এমনকি আপনি যদি পছন্দ করেন তাহলে ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কেও লিখতে পারবেন!

যোগদান করার জন্য বোনাস বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরামে
যারা ফোরামে লেখা পোষ্ট করবে তারা বোনাস হিসেবে অর্থ পাবে এবং সেই বোনাস একটি অ্যাকাউন্টে ট্রেডিং এর সময় ব্যবহার করতে পারবে. ফোরাম অর্থ মুনাফা লাভ করা নয়, অধিকন্তু, ফোরামে সময় ব্যয় করার জন্য এবং কারেন্সি মার্কেট ও ট্রেডিং সম্পর্কে মতামত শেয়ারের জন্য পুরষ্কার হিসেবে ফোরামিটিস অল্প কিছু বোনাস পায়।