আয় করুন
$50000
বন্ধুদের আমন্ত্রণ করার জন্য
ইন্সটাফরেক্স থেকে স্টার্টআপ
বোনাস নিন
কোন বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই!
কোনো বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি
ছাড়াই ট্রেডিং শুরু করতে
গ্রহণ করুন নতুন স্টার্টআপ
বোনাস $1000
বোনাস নিন
৫৫%
ইন্সটাফরেক্স থেকে
প্রতিবার অর্থ জমাদানে
+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
Page 1 of 2 12 গতগত
ফলাফল দেখাচ্ছে 1 হইতে 10 সর্বমোট 14

প্রসংগ: ভাসমান মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা

  1. #1
    Senior Member HELPINGHAND's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Apr 2015
    অবস্থান
    Bangladesh
    মন্তব্য
    180
    সঞ্চিত বোনাস
    33.00 USD
    Thanks
    0
    11 টি পোস্টের জন্য 12 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন

    ভাসমান মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা

    ২০০৩ সালে আইএমএফের পরামর্শে বাংলাদেশে ভাসমান মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা চালু হয়। অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হারকে বাজারের উপর ছেড়ে দেয়া হয়। এর আগ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকই ডলার-টাকার বিনিময় হার ‘ঠিক’ করে দিত। সে হার ধরেই লেনদেন হতো। তবে এটা আসলে লোক দেখানো। এখনো মূলত বৈদেশিক মুদ্রার বাজার নেপথ্যে নিয়ন্ত্রণ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকই। ভারতেও একই অবস্থা চালু রয়েছে। ড. ফরাসউদ্দিন আরো বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার অত্যধিক রিজার্ভ ধরে রেখে ঠিক কাজ করছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমানে ১৭ বিলিয়ন ডলারের মতো বড় অংকের রিজার্ভ ধরে রেখে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের কোনো লাভ নেই। একে যে করেই হোক দেশের বিনিয়োগে নিয়ে আসতে হবে। এজন্য সুদের হার কমাতে হবে। তিনি বলেন, মানুষ যাতে খাদ্যের অভাবে না মরে- সে পরিমাণ খাদ্য আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় রিজার্ভ জমা থাকলেই যথেষ্ট। কিন্তু গত কয়েক বছরের বাম্পার ফলনের কারণে আমাদের গুদামগুলোতে ১৫ লাখ টনের বেশি খাদ্য মজুদ আছে। আগামী এক-দেড় বছরে কোনো খাদ্য আমদানির প্রয়োজন পড়বে না। সে হিসাবে বিদেশী ব্যাংকে বেশি রিজার্ভ ধরে রাখা ‘বোকামি’ ছাড়া আর কিছু নয় বলে মনে করেন ফরাসউদ্দিন। তার মতে বাংলাদেশে এখন ডলারের সাথে টাকার মান একশ’ টাকা করা না গেলে অন্তত ৯০ টাকা অবশ্যই করা উচিত। এতে বিদেশী পণ্য আমদানি কমে গিয়ে রফতানি বাড়বে। সেই সাথে রফতানিমুখী বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে। পাশাপাশি বাড়বে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের পরিমাণও। এর ফলে বাংলাদেশের বিদেশী দাতা নির্ভরতাও কমে যাবে। তিনি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান বিচারে চীনা মুদ্রা মার্কিন ডলারের সমান শক্তিশালী। অর্থাৎ প্রকৃতপক্ষে এক মার্কিন ডলারের প্রায় সমানই হবে চীনের এক ইউয়ান। তারপরেও বাস্তবতা হচ্ছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিনিময় হারে এক মার্কিন ডলারের সমান চীনের সাত থেকে আট ইউয়ান। এটা চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকই করে রেখেছে।

    যদিও চীনের মুদ্রার দাম বাড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবল চাপ রয়েছে। কিন্তু চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা না মেনে ইউয়ানকে যথেষ্ট অবমূল্যায়িত করেই রেখেছে। যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা দুনিয়ায় চীনের রফতানি এতো বেড়েছে। এটাই চীনাদের মুদ্রা যুদ্ধের সাফল্য। একই অবস্থা জাপানী মুদ্রা- ইয়েনের ক্ষেত্রেও। বিশ্ববাজারে চীনের প্রতিযোগিতা সমতা এর মুদ্রার মানের ওপরও অনেকটা নির্ভরশীল। দশ বছর আগে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ‘বাগবেয়ার’ হিসেবে অভিষিক্ত হয় চীনা মুদ্রা ইউয়ান। ২০০৩ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের তখনকার ট্রেজারি সেক্রেটারি জন স্নো চীনকে তার মুদ্রানীতি আরো সহজীকরণে উৎসাহিত করেছিলেন। যে নীতির অধীনে এক ডলারের বিপরীতে ইউয়ান ৮ দশমিক ২৮-এ বিক্রি হতো। পরের মাসে চার মার্কিন সিনেটর উত্তেজিত হয়ে স্নোর কাছে একটি চিঠি লেখেন, যেখানে তাকে চীনের ‘কারেন্সি ম্যানিপুলেশন’ বিষয়ে তদন্ত করার আহ্বান জানানো হয়। নিউইয়র্কের ডেমোক্রেট সিনেটর চার্লস শুমার অভিযোগ তুলে বলেন, চীন ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের মুদ্রা অবমূল্যায়িত করে রেখেছে। এক দশক পরও শুমার ও অন্য সিনেটররা ইউয়ানের বিরুদ্ধে তাদের তুবড়ি ছুঁটিয়ে চলেছেন। এদের মধ্যে আটজন সম্প্রতি তাদের সংসদের উচ্চকক্ষ- সিনেটে একটি বিল দাখিল করেছেন, যেখানে কারেন্সি ম্যানিপুলেশনের বিরুদ্ধে শুল্কারোপ করার দাবি জানানো হয়েছে। আর এর পরিণতিতে গত মে মাসে তড়িঘড়ি ডলারের বিপরীতে ইউয়ানের বিনিময় মূল্য ঠিক করা হয় ৬ দশমিক ১২, যা ২০০৩ সালের জুনের হারের চেয়ে ৩৫ শতাংশ শক্তিশালী। জাপানের মুদ্রার বিপরীতেও এর মান বাড়ানো হয়। গত বছরের তুলনায় দুর্বল ইয়েনের বিপরীতে ইউয়ানকে ২০ শতাংশ শক্তিশালী করা হয়। ১০ বছর ধরে চীনের মুদ্রা বড় এক আন্তর্জাতিক বিতর্কে রূপ নিয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতিবিদদের মতে, হয়তো আরো ১০ বছর লাগবে ইউয়ানকে পূর্ণমাত্রায় রূপান্তরযোগ্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা হিসেবে বিরাজ করতে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী সাইদুর রহমান জানান, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (পহেলা জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) একশ কোটি ডলার বাজার থেকে কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাজারে ডলারের চাহিদা কমে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘তা’ কিনে রাখছে বলে জানান তিনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পণ্য আমদানির এলসি খোলার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ডলারের চাহিদা ফের বাড়তে শুরু করেছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে প্রায় ৫শ’ কোটি ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহ জুড়ে প্রতি ডলার ৭৭ টাকা ৭৫ পয়সায় বিক্রি হয়েছে। গত চার মাস ধরে এই একই দামে ডলার বিক্রি হচ্ছে। সাইদুর রহমান বলেন, বেশ কয়েক মাস ধরে টাকা-ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রয়েছে। আর ভারতের মুদ্রাবাজারে বেশকিছু দিন ধরে অস্থিরতা চলছে। আমাদের এখানে সেটা নেই। বাংলাদেশের বাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রবেশ প্রসঙ্গে সাইদুর রহমান বলেন, রুপির দর এখন প্রতিদিনই কমছে। সে কারণে বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে ভারতে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি আরো কমে যাবে। অন্যদিকে বাড়তে থাকবে ভারতীয় পণ্যের আমদানি। এতে দু’ দেশের বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা আরো বেড়ে যাবে।

  2. <a href="https://www.instaforex.com/company_news">Forex Spain</a>
  3. #2
    Senior Member Ekram's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Aug 2015
    অবস্থান
    Chittagong
    মন্তব্য
    618
    সঞ্চিত বোনাস
    118.40 USD
    Thanks
    0
    10 টি পোস্টের জন্য 10 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    Quoteপ্রকৃত পোস্টকারী View Post
    ২০০৩ সালে আইএমএফের পরামর্শে বাংলাদেশে ভাসমান মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা চালু হয়। অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হারকে বাজারের উপর ছেড়ে দেয়া হয়। এর আগ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকই ডলার-টাকার বিনিময় হার ঠিক করে দিত। সে হার ধরেই লেনদেন হতো। তবে এটা আসলে লোক দেখানো। এখনো মূলত বৈদেশিক মুদ্রার বাজার নেপথ্যে নিয়ন্ত্রণ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকই। ভারতেও একই অবস্থা চালু রয়েছে। ড. ফরাসউদ্দিন আরো বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার অত্যধিক রিজার্ভ ধরে রেখে ঠিক কাজ করছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমানে ১৭ বিলিয়ন ডলারের মতো বড় অংকের রিজার্ভ ধরে রেখে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের কোনো লাভ নেই। একে যে করেই হোক দেশের বিনিয়োগে নিয়ে আসতে হবে। এজন্য সুদের হার কমাতে হবে। তিনি বলেন, মানুষ যাতে খাদ্যের অভাবে না মরে- সে পরিমাণ খাদ্য আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় রিজার্ভ জমা থাকলেই যথেষ্ট। কিন্তু গত কয়েক বছরের বাম্পার ফলনের কারণে আমাদের গুদামগুলোতে ১৫ লাখ টনের বেশি খাদ্য মজুদ আছে। আগামী এক-দেড় বছরে কোনো খাদ্য আমদানির প্রয়োজন পড়বে না। সে হিসাবে বিদেশী ব্যাংকে বেশি রিজার্ভ ধরে রাখা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয় বলে মনে করেন ফরাসউদ্দিন। তার মতে বাংলাদেশে এখন ডলারের সাথে টাকার মান একশ টাকা করা না গেলে অন্তত ৯০ টাকা অবশ্যই করা উচিত। এতে বিদেশী পণ্য আমদানি কমে গিয়ে রফতানি বাড়বে। সেই সাথে রফতানিমুখী বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে। পাশাপাশি বাড়বে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের পরিমাণও। এর ফলে বাংলাদেশের বিদেশী দাতা নির্ভরতাও কমে যাবে। তিনি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান বিচারে চীনা মুদ্রা মার্কিন ডলারের সমান শক্তিশালী। অর্থাৎ প্রকৃতপক্ষে এক মার্কিন ডলারের প্রায় সমানই হবে চীনের এক ইউয়ান। তারপরেও বাস্তবতা হচ্ছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিনিময় হারে এক মার্কিন ডলারের সমান চীনের সাত থেকে আট ইউয়ান। এটা চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকই করে রেখেছে।

    যদিও চীনের মুদ্রার দাম বাড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবল চাপ রয়েছে। কিন্তু চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা না মেনে ইউয়ানকে যথেষ্ট অবমূল্যায়িত করেই রেখেছে। যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা দুনিয়ায় চীনের রফতানি এতো বেড়েছে। এটাই চীনাদের মুদ্রা যুদ্ধের সাফল্য। একই অবস্থা জাপানী মুদ্রা- ইয়েনের ক্ষেত্রেও। বিশ্ববাজারে চীনের প্রতিযোগিতা সমতা এর মুদ্রার মানের ওপরও অনেকটা নির্ভরশীল। দশ বছর আগে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাগবেয়ার হিসেবে অভিষিক্ত হয় চীনা মুদ্রা ইউয়ান। ২০০৩ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের তখনকার ট্রেজারি সেক্রেটারি জন স্নো চীনকে তার মুদ্রানীতি আরো সহজীকরণে উৎসাহিত করেছিলেন। যে নীতির অধীনে এক ডলারের বিপরীতে ইউয়ান ৮ দশমিক ২৮-এ বিক্রি হতো। পরের মাসে চার মার্কিন সিনেটর উত্তেজিত হয়ে স্নোর কাছে একটি চিঠি লেখেন, যেখানে তাকে চীনের কারেন্সি ম্যানিপুলেশন বিষয়ে তদন্ত করার আহ্বান জানানো হয়। নিউইয়র্কের ডেমোক্রেট সিনেটর চার্লস শুমার অভিযোগ তুলে বলেন, চীন ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের মুদ্রা অবমূল্যায়িত করে রেখেছে। এক দশক পরও শুমার ও অন্য সিনেটররা ইউয়ানের বিরুদ্ধে তাদের তুবড়ি ছুঁটিয়ে চলেছেন। এদের মধ্যে আটজন সম্প্রতি তাদের সংসদের উচ্চকক্ষ- সিনেটে একটি বিল দাখিল করেছেন, যেখানে কারেন্সি ম্যানিপুলেশনের বিরুদ্ধে শুল্কারোপ করার দাবি জানানো হয়েছে। আর এর পরিণতিতে গত মে মাসে তড়িঘড়ি ডলারের বিপরীতে ইউয়ানের বিনিময় মূল্য ঠিক করা হয় ৬ দশমিক ১২, যা ২০০৩ সালের জুনের হারের চেয়ে ৩৫ শতাংশ শক্তিশালী। জাপানের মুদ্রার বিপরীতেও এর মান বাড়ানো হয়। গত বছরের তুলনায় দুর্বল ইয়েনের বিপরীতে ইউয়ানকে ২০ শতাংশ শক্তিশালী করা হয়। ১০ বছর ধরে চীনের মুদ্রা বড় এক আন্তর্জাতিক বিতর্কে রূপ নিয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতিবিদদের মতে, হয়তো আরো ১০ বছর লাগবে ইউয়ানকে পূর্ণমাত্রায় রূপান্তরযোগ্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা হিসেবে বিরাজ করতে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী সাইদুর রহমান জানান, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (পহেলা জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) একশ কোটি ডলার বাজার থেকে কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাজারে ডলারের চাহিদা কমে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা কিনে রাখছে বলে জানান তিনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পণ্য আমদানির এলসি খোলার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ডলারের চাহিদা ফের বাড়তে শুরু করেছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে প্রায় ৫শ কোটি ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহ জুড়ে প্রতি ডলার ৭৭ টাকা ৭৫ পয়সায় বিক্রি হয়েছে। গত চার মাস ধরে এই একই দামে ডলার বিক্রি হচ্ছে। সাইদুর রহমান বলেন, বেশ কয়েক মাস ধরে টাকা-ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রয়েছে। আর ভারতের মুদ্রাবাজারে বেশকিছু দিন ধরে অস্থিরতা চলছে। আমাদের এখানে সেটা নেই। বাংলাদেশের বাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রবেশ প্রসঙ্গে সাইদুর রহমান বলেন, রুপির দর এখন প্রতিদিনই কমছে। সে কারণে বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে ভারতে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি আরো কমে যাবে। অন্যদিকে বাড়তে থাকবে ভারতীয় পণ্যের আমদানি। এতে দু দেশের বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা আরো বেড়ে যাবে।
    নিঃসন্দেহে অনেক ভাল একটা ডাটা দিয়েছেন। অনেক কিছুই জানার আছে আপনার এই ডাটা থেকে। বিশদ ব্যখ্যা দেওয়া আছে এই লিখা টা তে। চায়না যে ধিরে ধিরে অনেক অগ্রশর হছে তার ই একটা চিত্র উঠে এসেছে। চায়না যে অদুর ভবিস্যতে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে কিছু টা আন্দাজ করা যায়।

  4. #3
    Senior Member yasir arafat's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Dec 2014
    মন্তব্য
    800
    সঞ্চিত বোনাস
    194.35 USD
    Thanks
    0
    7 টি পোস্টের জন্য 7 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    এবার দেখা যাক,খেলাটা কেমন জমে।আমি আশা রাখছি ভাল কিছু হবে।যা আসলে আমরা আগে জানতাম না।এক জিনিস চিন্তা করলে আমরা দেখি যে কারেন্সির ইতিহাস থেকে আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারি এবং যা আমাদের সকলের অবশ্যই জানা দরকার।কারণ এসব জানার কোন শেষ নেই।

  5. #4
    Senior Member dwipFX's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Apr 2016
    মন্তব্য
    939
    সঞ্চিত বোনাস
    198.40 USD
    Thanks
    6
    10 টি পোস্টের জন্য 10 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    ফরেক্স মার্কেটে আসার পর বুঝতে পারলাম সুদের হার বাড়লে বা কমলে কি হয়। এখন আরেকটা সম্পর্কে জানতে পারলাম বৈদেশিক রিজার্ভ দিয়ে কি করা দরকার। আমি মনে করি বৈদেশিক রিজার্ভ রেখে দিলে ভাল হবে কারন দেশের যে কোন ক্রান্তিকাল মুহুর্তে এটা কাজে লাগবে।আপনাদের মতামত আশা করছি।

  6. নিম্নলিখিত দরকারী পোস্টের জন্য dwipFX কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    nbfx (11-02-2016)

  7. #5
    Senior Member Realifat's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Dec 2015
    মন্তব্য
    1,584
    সঞ্চিত বোনাস
    332.80 USD
    Thanks
    0
    10 টি পোস্টের জন্য 12 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    আপনার পোস্টি অনেক যুক্তিসংগত। এমনকি আপনার পোস্টের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক যেটা আমাদের মত শিক্ষার জন্য আগ্রহী ট্রেডাররা বুঝতে পারছি। আপনার পোস্টি অনেক শিক্ষনীয়।অনেককিছুই শেখার আছে এটাতে। এর মাধ্যমে আমরা রিজার্ভ এবং সুদের হার সম্পর্কে জানতে পারলাম এবং চীনের আগ্রাসীভাব বুঝতে পারলাম।

  8. #6
    Senior Member basaki's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Dec 2015
    মন্তব্য
    3,172
    সঞ্চিত বোনাস
    673.00 USD
    Thanks
    0
    36 টি পোস্টের জন্য 36 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    হা ভাই ফরেক্স মার্কেট হচ্ছে ভাসমান মুদ্রার পরিবর্তন অবস্থা। তাই আপনি যদি ফরেক্স মার্কেটে এই পরিবর্তন কে কাজে লাগাতে পারেন তবে আপনি আপনার ভাগ্যকে পরি বর্তন করতে পারেন। তার আগে আপনাকে ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে ভাল জ্ঞান লাভ করতে হবে বলে মনে করি।

  9. #7
    Banned vodrolok's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Sep 2016
    মন্তব্য
    195
    সঞ্চিত বোনাস
    0.00 USD
    Thanks
    0
    2 টি পোস্টের জন্য 2 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    ভাসমান মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা দ্রুতগামী অর্থনীতিতে একটা বিপ্লব এনেছে। এর দ্বারা যে কোনো স্থানে বসে যে কেউ অর্থনৈতিক সেবা গ্রহণ করতে পারছে। এবং তও স্বল্পতম সময়ের মধ্যে। স্টক মার্কেটের জন্য এটা অনেক অনেক বড় আশীর্বাদ। ফ্রিল্যান্সিং জগৎ এর উপর নির্ভর করেই চলছে।

  10. #8
    Senior Member milonkhanfx1993's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Sep 2016
    মন্তব্য
    326
    সঞ্চিত বোনাস
    66.05 USD
    Thanks
    8
    16 টি পোস্টের জন্য 17 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    ডাটাটি আমাদের অনেক কাজ এ দিবে ভাই। কিন্তু আন্তরজাতিক মুদ্রা বাযার কোন সময় এক রকম থাকে না এমন কি আমি নিজেউ মাঝে মাঝে মারকেট এর রুপ পরিবরতন দেখে সন্দিহান হয়ে জাই যে সেই সময় আমার কি করা উচিত। ব্রেক্সিট তার বড় উদাহারন আমার কাছে আমরা এরকম কিছু এনালাইসিস চাই ভাই।
    আপনি নিয়মিত এরকম ডাটা দিলে খুব ভাল হয়।

  11. #9
    Senior Member tarekbsl101's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Oct 2016
    অবস্থান
    Bangladesh
    Gender:
    মন্তব্য
    295
    সঞ্চিত বোনাস
    61.40 USD
    Thanks
    0
    4 টি পোস্টের জন্য 4 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    অনেক অজানা একটি বেপার আপনার মাধ্যমে আমরা শিখলাম। এর মাধ্যমে আমরা রিজার্ভ এবং সুদের হার সম্পর্কে জানতে এবং চীনের আগ্রাসীভাব বুঝতে পারলাম।

  12. PAMM
  13. #10
    Senior Member mithunsarkar's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Aug 2016
    অবস্থান
    jessore,khulna,bangladesh
    মন্তব্য
    511
    সঞ্চিত বোনাস
    106.00 USD
    Thanks
    6
    11 টি পোস্টের জন্য 11 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    হা এখানে সবি বলা আছে ট্রেন্ড মেনে চললে আর ট্রেন্ড এর দিকে মানি ম্যানেজমেন্ট মেনে ট্রেড করে আপনি আপনার সারথকতা খুজে পাবেন,এমন যেন না হয় আপনি প্রথম দিন দিন প্রফিট করলেন আর পরে প্রফিট দেখে লোভে পড়ে বড় লটে ট্রেড করে সন লস করলেন

+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
Page 1 of 2 12 গতগত

মন্তব্য নিয়মাবলি

  • আপনি হয়ত নতুন পোস্ট করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত মন্তব্য লিখতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত সংযুক্তি সংযুক্ত করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত আপনার মন্তব্য পরিবর্তনপারবেন না
  • BB কোড হলো উপর
  • Smilies are উপর
  • [IMG] কোড হয় উপর
  • এইচটিএমএল কোড হল বন্ধ
বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম উপস্থাপন
ফোরাম সেবায় আপনাকে স্বাগতম যেটি ভার্চুয়াল স্যালুন হিসেবে সকল স্তরের ট্রেডারদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ প্রদান করছে। ফরেক্স হলো একটি গতিশীল আর্থিক বাজার যেটি দিনে ২৪ঘন্টা খোলা থাকে। যে কেউ ব্রোকারেজ কোম্পানির মাধ্যমে এখানে কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। এই ফোরামে আপনি কারেন্সি মার্কেটে ট্রেডিং এবং মেটাট্রেডার ফোর ও মেটাট্রেডার ফাইভের মাধ্যমে অনলাইন ট্রেডিং সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ পাবেন।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম ট্রেডিং আলোচনা
ফোরামের প্রত্যেক সদস্য বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, যার মধ্যে ফরেক্স সম্পর্কিত ও ফরেক্সের বাইরের বিভিন্ন বিষয়ও রয়েছে। ফোরাম বিভিন্ন মতামত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি অভিজ্ঞ ও নতুন উভয় ধরণের ট্রেডারদের জন্য উন্মুক্ত। পারস্পরিক সহায়তা এবং সহনশীলতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনি যদি অন্যদের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান অথবা ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে ট্রেডিং সম্পর্কিত আলোচনা "ফোরাম থ্রেড" এ আপনাকে স্বাগত।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম ব্রোকার এবং ট্রেডারদের মধ্যে আলোচনা (ব্রোকার সম্পর্কে)
ফরেক্সে সফল হতে চাইলে, যথেষ্ট কৌশলের সাথে একটি ব্রোকারেজ কোম্পানি বাছাই করতে হবে। আপনার ব্রোকার সত্যিই নির্ভরযোগ্য সেটি নির্ধারণ করুন! এভাবে আপনি অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন এবং ফরেক্সে লাভজনক ট্রেড করতে পারবেন। ফোরামে একজন ব্রোকারের রেটিং উপস্থাপন করা হয়; এটি তাদের গ্রাহকদের রেখে যাওয়া মন্তব্য নিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যে ব্রোকার কোম্পানির সাথে কাজ করছেন সে কোম্পানি সম্পর্কে আপনার মতামত দিন, এটি অন্যান্য ট্রেডারদের ভুল সংশোধন করতে সাহায্য করবে এবং একজন ভালো ব্রোকার বাছাই করতে সাহায্য করবে।

অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম
এই ফোরামে আপনি শুধু ট্রেডিং এর বিষয় সম্পর্কেই কথা বলবেন না, সেইসাথে আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন। বিশেষ থ্রেডে অফটপিং ও করা যায়! আপনার পছন্দের যে কোন হাস্যরস, দর্শন, সামাজিক সমস্যা বা বাস্তব জ্ঞান সম্পর্কিত কথাবার্তা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন, এমনকি আপনি যদি পছন্দ করেন তাহলে ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কেও লিখতে পারবেন!

যোগদান করার জন্য বোনাস বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরামে
যারা ফোরামে লেখা পোষ্ট করবে তারা বোনাস হিসেবে অর্থ পাবে এবং সেই বোনাস একটি অ্যাকাউন্টে ট্রেডিং এর সময় ব্যবহার করতে পারবে. ফোরাম অর্থ মুনাফা লাভ করা নয়, অধিকন্তু, ফোরামে সময় ব্যয় করার জন্য এবং কারেন্সি মার্কেট ও ট্রেডিং সম্পর্কে মতামত শেয়ারের জন্য পুরষ্কার হিসেবে ফোরামিটিস অল্প কিছু বোনাস পায়।