আয় করুন
$50000
বন্ধুদের আমন্ত্রণ করার জন্য
ইন্সটাফরেক্স থেকে স্টার্টআপ
বোনাস নিন
কোন বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই!
কোনো বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি
ছাড়াই ট্রেডিং শুরু করতে
গ্রহণ করুন নতুন স্টার্টআপ
বোনাস $1000
বোনাস নিন
৫৫%
ইন্সটাফরেক্স থেকে
প্রতিবার অর্থ জমাদানে
+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
ফলাফল দেখাচ্ছে 1 হইতে 2 সর্বমোট 2

প্রসংগ: প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৭ শতাংশ

  1. #1
    Senior Member HELPINGHAND's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Apr 2015
    অবস্থান
    Bangladesh
    মন্তব্য
    180
    সঞ্চিত বোনাস
    33.00 USD
    Thanks
    0
    11 টি পোস্টের জন্য 12 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন

    প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৭ শতাংশ

    এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বলেছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে চলেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তথা জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) উচ্চতর সোপানের দিকে যাচ্ছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগে আস্থাহীনতাসহ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তারপরও এসব বাধা অতিক্রম করে চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার হবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। 'এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক ২০১৫' এডিবির হালনাগাদ বার্ষিক প্রতিবেদনে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়।


    গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এডিবির ঢাকা অফিসে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর কাজুহিকো হিগুচি বক্তব্য রাখেন। এ সময় এডিবির ঢাকা কার্যালয়ে সংস্থার প্রধান অর্থনীতিবিদ মোহাম্মদ পারভেজ ইমদাদ প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ বছর জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্পর্কে যে পূর্বাভাস দিয়েছে এডিবি, তা সরকারের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির চেয়ে দশমিক ৩ শতাংশ কম। গত ৪ জুন চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার সময় জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৭ শতাংশ। এডিবির প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতির সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। চলতি অর্থবছর মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে মনে করে এডিবি। এ বছর মূল্যস্ফীতির হার কমে ৬ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলেও ধারণা ম্যানিলাভিত্তিক বহুজাতিক দাতা সংস্থাটির। গত বছর যা ছিল ৬ দশমিক ৪ শতাংশ।


    এর আগে গত জুন মাসে ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের 'গ্গ্নোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস' প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় চলতি অর্থবছর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ করে দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে এবার প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৩ শতাংশের বেশি হবে না। রাজনৈতিক সহিংসতাসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও গত অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন ছিল ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ।


    প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৭ শতাংশ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে কাজুহিকো হিগুচি বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। বেসরকারি খাতে গতি বেড়েছে। পোশাক খাতের অবস্থাও অনেক ভালো। পরিবহন, শিক্ষা ও বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নও অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা মনে করছি, চলতি অর্থবছর জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকা, সরকারি-বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রফতানি আয় ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় বাংলাদেশে উলি্লখিত হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।


    চলতি অর্থবছর কৃষি প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩ দশমিক ২ হবে। শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার গত অর্থবছর ছিল ৯ দশমিক ৬ শতাংশ। এ অর্থবছর তা ৯ দশমিক ২-এ পেঁৗছাবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।


    এডিবির প্রধান অর্থনীতিবিদ মোহাম্মদ পারভেজ ইমদাদ বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রশংসনীয় দৃঢ়তা দেখিয়ে প্রতি বছর গড়ে ৬ দশমিক ২ শতাংশ হারে বেড়েছে। গত পাঁচ বছরে এই হার ছিল গড়ে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। তিনি বলেন, অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলো ইতিবাচক। কৃষি, শিল্পসহ সেবা খাতের প্রবৃদ্ধিও বাড়ছে। তা ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের বিচক্ষণ মুদ্রানীতি বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে গতি এনেছে। এসব বিবেচনায় বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতি সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলের কারণে মূল্যস্ফীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। কেননা, বাড়তি টাকা বাজারে এলে তখন অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন বাড়বে। এর আগে সপ্তম পে স্কেলের পর থেকে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। পাশাপাশি জাতীয় আয় বেড়েছে ৭০-৭৫ শতাংশ।


    সার্বিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ব্যবস্থা খুবই ভালো। এসব উদ্যোগের ফলে এ বছর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর আরও বলেন, ঢাকা শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থারও অনেক উন্নতি হয়েছে। অনেক ফ্লাইওভার তৈরি হয়েছে এবং বেশক'টি বাস্তবায়নাধীন। পরিবহন খাতও উন্নতি করছে। বিশেষ করে রেলওয়ে, সড়ক, আঞ্চলিক যোগাযোগ, ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেন সড়ক ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনেও বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

  2. <a href="https://www.showfxworld.com">Forex Spain</a>
  3. #2
    Senior Member yasir arafat's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Dec 2014
    মন্তব্য
    800
    সঞ্চিত বোনাস
    194.35 USD
    Thanks
    0
    6 টি পোস্টের জন্য 6 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    Quoteপ্রকৃত পোস্টকারী View Post
    এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বলেছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে চলেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তথা জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) উচ্চতর সোপানের দিকে যাচ্ছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগে আস্থাহীনতাসহ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তারপরও এসব বাধা অতিক্রম করে চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার হবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। 'এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক ২০১৫' এডিবির হালনাগাদ বার্ষিক প্রতিবেদনে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়।


    গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এডিবির ঢাকা অফিসে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর কাজুহিকো হিগুচি বক্তব্য রাখেন। এ সময় এডিবির ঢাকা কার্যালয়ে সংস্থার প্রধান অর্থনীতিবিদ মোহাম্মদ পারভেজ ইমদাদ প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ বছর জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্পর্কে যে পূর্বাভাস দিয়েছে এডিবি, তা সরকারের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির চেয়ে দশমিক ৩ শতাংশ কম। গত ৪ জুন চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার সময় জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৭ শতাংশ। এডিবির প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতির সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। চলতি অর্থবছর মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে মনে করে এডিবি। এ বছর মূল্যস্ফীতির হার কমে ৬ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলেও ধারণা ম্যানিলাভিত্তিক বহুজাতিক দাতা সংস্থাটির। গত বছর যা ছিল ৬ দশমিক ৪ শতাংশ।


    এর আগে গত জুন মাসে ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের 'গ্গ্নোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস' প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় চলতি অর্থবছর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ করে দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে এবার প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৩ শতাংশের বেশি হবে না। রাজনৈতিক সহিংসতাসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও গত অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন ছিল ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ।


    প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৭ শতাংশ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে কাজুহিকো হিগুচি বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। বেসরকারি খাতে গতি বেড়েছে। পোশাক খাতের অবস্থাও অনেক ভালো। পরিবহন, শিক্ষা ও বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নও অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা মনে করছি, চলতি অর্থবছর জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকা, সরকারি-বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রফতানি আয় ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় বাংলাদেশে উলি্লখিত হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।


    চলতি অর্থবছর কৃষি প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩ দশমিক ২ হবে। শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার গত অর্থবছর ছিল ৯ দশমিক ৬ শতাংশ। এ অর্থবছর তা ৯ দশমিক ২-এ পেঁৗছাবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।


    এডিবির প্রধান অর্থনীতিবিদ মোহাম্মদ পারভেজ ইমদাদ বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রশংসনীয় দৃঢ়তা দেখিয়ে প্রতি বছর গড়ে ৬ দশমিক ২ শতাংশ হারে বেড়েছে। গত পাঁচ বছরে এই হার ছিল গড়ে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। তিনি বলেন, অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলো ইতিবাচক। কৃষি, শিল্পসহ সেবা খাতের প্রবৃদ্ধিও বাড়ছে। তা ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের বিচক্ষণ মুদ্রানীতি বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে গতি এনেছে। এসব বিবেচনায় বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতি সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলের কারণে মূল্যস্ফীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। কেননা, বাড়তি টাকা বাজারে এলে তখন অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন বাড়বে। এর আগে সপ্তম পে স্কেলের পর থেকে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। পাশাপাশি জাতীয় আয় বেড়েছে ৭০-৭৫ শতাংশ।


    সার্বিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ব্যবস্থা খুবই ভালো। এসব উদ্যোগের ফলে এ বছর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর আরও বলেন, ঢাকা শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থারও অনেক উন্নতি হয়েছে। অনেক ফ্লাইওভার তৈরি হয়েছে এবং বেশক'টি বাস্তবায়নাধীন। পরিবহন খাতও উন্নতি করছে। বিশেষ করে রেলওয়ে, সড়ক, আঞ্চলিক যোগাযোগ, ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেন সড়ক ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনেও বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
    এই নিউজগুলোর প্রভাব কোন কারেনন্সি পেয়ারে পড়ে।সেটা বিস্তারিত বললে ভাল হয়।কারণ আমরা নিউজ দেখি বা অ্যানালাইসিস করি ।কিন্তু প্রভাব সর্ম্পকে তেমন বুঝি না।সেজন্য কারেন্সি পেয়ার সহ বিস্তারিত বললে ভাল হয়।

+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর

মন্তব্য নিয়মাবলি

  • আপনি হয়ত নতুন পোস্ট করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত মন্তব্য লিখতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত সংযুক্তি সংযুক্ত করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত আপনার মন্তব্য পরিবর্তনপারবেন না
  • BB কোড হলো উপর
  • Smilies are উপর
  • [IMG] কোড হয় উপর
  • এইচটিএমএল কোড হল বন্ধ
বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম উপস্থাপন
ফোরাম সেবায় আপনাকে স্বাগতম যেটি ভার্চুয়াল স্যালুন হিসেবে সকল স্তরের ট্রেডারদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ প্রদান করছে। ফরেক্স হলো একটি গতিশীল আর্থিক বাজার যেটি দিনে ২৪ঘন্টা খোলা থাকে। যে কেউ ব্রোকারেজ কোম্পানির মাধ্যমে এখানে কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। এই ফোরামে আপনি কারেন্সি মার্কেটে ট্রেডিং এবং মেটাট্রেডার ফোর ও মেটাট্রেডার ফাইভের মাধ্যমে অনলাইন ট্রেডিং সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ পাবেন।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম ট্রেডিং আলোচনা
ফোরামের প্রত্যেক সদস্য বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, যার মধ্যে ফরেক্স সম্পর্কিত ও ফরেক্সের বাইরের বিভিন্ন বিষয়ও রয়েছে। ফোরাম বিভিন্ন মতামত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি অভিজ্ঞ ও নতুন উভয় ধরণের ট্রেডারদের জন্য উন্মুক্ত। পারস্পরিক সহায়তা এবং সহনশীলতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনি যদি অন্যদের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান অথবা ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে ট্রেডিং সম্পর্কিত আলোচনা "ফোরাম থ্রেড" এ আপনাকে স্বাগত।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম ব্রোকার এবং ট্রেডারদের মধ্যে আলোচনা (ব্রোকার সম্পর্কে)
ফরেক্সে সফল হতে চাইলে, যথেষ্ট কৌশলের সাথে একটি ব্রোকারেজ কোম্পানি বাছাই করতে হবে। আপনার ব্রোকার সত্যিই নির্ভরযোগ্য সেটি নির্ধারণ করুন! এভাবে আপনি অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন এবং ফরেক্সে লাভজনক ট্রেড করতে পারবেন। ফোরামে একজন ব্রোকারের রেটিং উপস্থাপন করা হয়; এটি তাদের গ্রাহকদের রেখে যাওয়া মন্তব্য নিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যে ব্রোকার কোম্পানির সাথে কাজ করছেন সে কোম্পানি সম্পর্কে আপনার মতামত দিন, এটি অন্যান্য ট্রেডারদের ভুল সংশোধন করতে সাহায্য করবে এবং একজন ভালো ব্রোকার বাছাই করতে সাহায্য করবে।

অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম
এই ফোরামে আপনি শুধু ট্রেডিং এর বিষয় সম্পর্কেই কথা বলবেন না, সেইসাথে আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন। বিশেষ থ্রেডে অফটপিং ও করা যায়! আপনার পছন্দের যে কোন হাস্যরস, দর্শন, সামাজিক সমস্যা বা বাস্তব জ্ঞান সম্পর্কিত কথাবার্তা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন, এমনকি আপনি যদি পছন্দ করেন তাহলে ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কেও লিখতে পারবেন!

যোগদান করার জন্য বোনাস বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরামে
যারা ফোরামে লেখা পোষ্ট করবে তারা বোনাস হিসেবে অর্থ পাবে এবং সেই বোনাস একটি অ্যাকাউন্টে ট্রেডিং এর সময় ব্যবহার করতে পারবে. ফোরাম অর্থ মুনাফা লাভ করা নয়, অধিকন্তু, ফোরামে সময় ব্যয় করার জন্য এবং কারেন্সি মার্কেট ও ট্রেডিং সম্পর্কে মতামত শেয়ারের জন্য পুরষ্কার হিসেবে ফোরামিটিস অল্প কিছু বোনাস পায়।