Montu Zaman
2025-10-20, 04:56 PM
http://forex-bangla.com/customavatars/1362802401.jpg
দেশের অন্যতম পর্যটন স্থান প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। তবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে সেখানে নয় মাসের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয় পর্যটক ভ্রমণ। এর প্রভাব পড়ে দ্বীপের পর্যটন খাতে। সেন্ট মার্টিন আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অবশ্য সেখানে রাতযাপন করা যাবে কিনা, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। সচিবালয়ে গতকাল সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারবেন পর্যটকরা। তবে সেখানে পর্যটকরা রাতযাপন করতে পারবেন কিনা, সেই বিষয় পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে।’
সরকারের পক্ষ থেকে এর আগে জানানো হয়েছিল, সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতেই ভ্রমণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। এটিকে স্থানীয় জনগণকেন্দ্রিক পর্যটন কেন্দ্রে রূপ দেয়া হবে। এর পর থেকে সেন্ট মার্টিনে বন্ধ রয়েছে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল। দ্বীপের অর্থনীতি ও মানুষের জীবিকাও চরম সংকটে পড়ে। স্থানীয়রা বলছেন, পর্যটক যেতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় হোটেল-রিসোর্ট, শুঁটকি মাছ, ডাব বিক্রেতা থেকে শুরু করে দ্বীপের এক-তৃতীয়াংশ মানুষের জীবিকা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। কেননা সাগরে মাছ ধরা আর পর্যটন ব্যবসা ছাড়া দ্বীপের বাসিন্দাদের দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য নেই। অনেকে ছোট মুদি কিংবা চায়ের দোকান করে কোনো রকমে সংসার চালায়। দেশের আবহাওয়া ও ছুটির দিন মিলিয়ে নভেম্বর ও ডিসেম্বরকে পর্যটনের পিক টাইম বলা হয়। তাই দ্বীপবাসী ও ব্যবসায়ীদের দাবি, পর্যটকদের ভ্রমণের উপযুক্ত এ সময়ে রাতযাপনে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে পর্যটকরা বিকল্প গন্তব্য বেছে নেবে। এতে সেন্ট মার্টিনের পর্যটননির্ভর অর্থনীতি ভেঙে পড়বে।
দেশের অন্যতম পর্যটন স্থান প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। তবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে সেখানে নয় মাসের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয় পর্যটক ভ্রমণ। এর প্রভাব পড়ে দ্বীপের পর্যটন খাতে। সেন্ট মার্টিন আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অবশ্য সেখানে রাতযাপন করা যাবে কিনা, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। সচিবালয়ে গতকাল সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারবেন পর্যটকরা। তবে সেখানে পর্যটকরা রাতযাপন করতে পারবেন কিনা, সেই বিষয় পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে।’
সরকারের পক্ষ থেকে এর আগে জানানো হয়েছিল, সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতেই ভ্রমণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। এটিকে স্থানীয় জনগণকেন্দ্রিক পর্যটন কেন্দ্রে রূপ দেয়া হবে। এর পর থেকে সেন্ট মার্টিনে বন্ধ রয়েছে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল। দ্বীপের অর্থনীতি ও মানুষের জীবিকাও চরম সংকটে পড়ে। স্থানীয়রা বলছেন, পর্যটক যেতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় হোটেল-রিসোর্ট, শুঁটকি মাছ, ডাব বিক্রেতা থেকে শুরু করে দ্বীপের এক-তৃতীয়াংশ মানুষের জীবিকা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। কেননা সাগরে মাছ ধরা আর পর্যটন ব্যবসা ছাড়া দ্বীপের বাসিন্দাদের দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য নেই। অনেকে ছোট মুদি কিংবা চায়ের দোকান করে কোনো রকমে সংসার চালায়। দেশের আবহাওয়া ও ছুটির দিন মিলিয়ে নভেম্বর ও ডিসেম্বরকে পর্যটনের পিক টাইম বলা হয়। তাই দ্বীপবাসী ও ব্যবসায়ীদের দাবি, পর্যটকদের ভ্রমণের উপযুক্ত এ সময়ে রাতযাপনে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে পর্যটকরা বিকল্প গন্তব্য বেছে নেবে। এতে সেন্ট মার্টিনের পর্যটননির্ভর অর্থনীতি ভেঙে পড়বে।