SumonIslam
2025-11-06, 02:07 PM
http://forex-bangla.com/customavatars/1399280562.jpg
প্রতিদ্বন্দ্বীদে তুলনায় বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি (ইভি) নির্মাণে পিছিয়ে থাকা টয়োটা সম্প্রতি করোলা ইভি কনসেপ্ট কার উন্মোচন করেছে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পণ্যসম্ভারে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার ইঙ্গিত দিয়েছে। জাপান মোবিলিটি শোতে সম্প্রতি মডেলটি উন্মোচন হয়েছে, যাকে করোলার ৫০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রূপান্তরের পূর্বাভাস বলে মন্তব্য করেছেন অনেক বিশ্লেষক। বাজারে আনা করোলার সর্বশেষ গাড়িগুলো হলো ১২তম প্রজন্মের। বলা হচ্ছে, ১৩তম প্রজন্ম দিয়ে পুরোপুরি নতুন ডিজাইন ও প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করবে টয়োটা। করোলা কনসেপ্ট বিজেড সিরিজের নকশা আগের মডেলগুলোর তুলনায় বেশি তীক্ষ্ণ, স্পোর্টি ও ফিউচারিস্টিক। গাড়ির সামনের অংশে রাখা হয়নি অতিপ্রচলিত গ্রিল। এর পরিবর্তে রয়েছে অ্যাকটিভ এয়ার শাটারসহ ইন্টেক। তিন-বক্স সেডান নয় এটি। মডেলটি হবে ফাস্টব্যাক ডিজাইনের, যেখানে ছাদের ঢাল সামনের দিক থেকে পেছনে মসৃণভাবে নেমে যায় এবং পেছনের জানালা ও ট্রাঙ্কের মধ্যে কোনো স্পষ্ট আলাদা রেখা থাকে না। এর পেছনের অংশে রয়েছে র*্যাপ-অ্যারাউন্ড লাইট বার। ২১ ইঞ্চির বড় চাকা ও সূক্ষ্ম ডাকটেল স্পয়লার গাড়িটিকে অ্যাডভেঞ্চারধর্ম লুক দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, জ্বালানির ধরন অনুসারে টয়োটা করোলা নতুন গাড়ি পাঁচটি সংস্করণে আনতে পারে, যা প্রতিদ্বন্দ্বীদে তুলনায় জাপানি এ অটোমেকারকে অনেকটাই এগিয়ে রাখবে। এ সংস্করণগুলো কম্বাসশন, হাইব্রিড, প্লাগ-ইন হাইব্রিড, পুরোপুরি বিদ্যুচ্চালিত এবং সম্ভবত হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে (এফসিইভি) চলবে। এ উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সম্পূর্ণ নতুন প্লাটফর্ম ব্যবহার করছে টয়োটা, যেখানে সব ধরনের পাওয়ারট্রেন নিয়ে কাজ করা যাবে। নতুন গাড়িটি হবে টয়োটার প্রথম মডেল যেখানে কম্বাসশন ইঞ্জিন ও ইভি সংস্করণ একসঙ্গে থাকবে। বরাবরের মতোই নতুন মডেলের ক্ষেত্রে অঞ্চল ভেদে নকশা ও ইঞ্জিনে ভিন্নতা বজায় রাখবে করোলা। টয়োটা বলছে, নতুন উদ্ভাবনে ভরপুর মডেলটি এমনভাবে তৈরি হবে যাতে সবাই পছন্দ করে। সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষিত না হলেও ধারণা করা হচ্ছে আগামী বছর বা ২০২৭ সাল নাগাদ নতুন গাড়িটি সড়কে নামবে।
প্রতিদ্বন্দ্বীদে তুলনায় বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি (ইভি) নির্মাণে পিছিয়ে থাকা টয়োটা সম্প্রতি করোলা ইভি কনসেপ্ট কার উন্মোচন করেছে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পণ্যসম্ভারে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার ইঙ্গিত দিয়েছে। জাপান মোবিলিটি শোতে সম্প্রতি মডেলটি উন্মোচন হয়েছে, যাকে করোলার ৫০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রূপান্তরের পূর্বাভাস বলে মন্তব্য করেছেন অনেক বিশ্লেষক। বাজারে আনা করোলার সর্বশেষ গাড়িগুলো হলো ১২তম প্রজন্মের। বলা হচ্ছে, ১৩তম প্রজন্ম দিয়ে পুরোপুরি নতুন ডিজাইন ও প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করবে টয়োটা। করোলা কনসেপ্ট বিজেড সিরিজের নকশা আগের মডেলগুলোর তুলনায় বেশি তীক্ষ্ণ, স্পোর্টি ও ফিউচারিস্টিক। গাড়ির সামনের অংশে রাখা হয়নি অতিপ্রচলিত গ্রিল। এর পরিবর্তে রয়েছে অ্যাকটিভ এয়ার শাটারসহ ইন্টেক। তিন-বক্স সেডান নয় এটি। মডেলটি হবে ফাস্টব্যাক ডিজাইনের, যেখানে ছাদের ঢাল সামনের দিক থেকে পেছনে মসৃণভাবে নেমে যায় এবং পেছনের জানালা ও ট্রাঙ্কের মধ্যে কোনো স্পষ্ট আলাদা রেখা থাকে না। এর পেছনের অংশে রয়েছে র*্যাপ-অ্যারাউন্ড লাইট বার। ২১ ইঞ্চির বড় চাকা ও সূক্ষ্ম ডাকটেল স্পয়লার গাড়িটিকে অ্যাডভেঞ্চারধর্ম লুক দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, জ্বালানির ধরন অনুসারে টয়োটা করোলা নতুন গাড়ি পাঁচটি সংস্করণে আনতে পারে, যা প্রতিদ্বন্দ্বীদে তুলনায় জাপানি এ অটোমেকারকে অনেকটাই এগিয়ে রাখবে। এ সংস্করণগুলো কম্বাসশন, হাইব্রিড, প্লাগ-ইন হাইব্রিড, পুরোপুরি বিদ্যুচ্চালিত এবং সম্ভবত হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে (এফসিইভি) চলবে। এ উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সম্পূর্ণ নতুন প্লাটফর্ম ব্যবহার করছে টয়োটা, যেখানে সব ধরনের পাওয়ারট্রেন নিয়ে কাজ করা যাবে। নতুন গাড়িটি হবে টয়োটার প্রথম মডেল যেখানে কম্বাসশন ইঞ্জিন ও ইভি সংস্করণ একসঙ্গে থাকবে। বরাবরের মতোই নতুন মডেলের ক্ষেত্রে অঞ্চল ভেদে নকশা ও ইঞ্জিনে ভিন্নতা বজায় রাখবে করোলা। টয়োটা বলছে, নতুন উদ্ভাবনে ভরপুর মডেলটি এমনভাবে তৈরি হবে যাতে সবাই পছন্দ করে। সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষিত না হলেও ধারণা করা হচ্ছে আগামী বছর বা ২০২৭ সাল নাগাদ নতুন গাড়িটি সড়কে নামবে।