View Full Version : ট্রেডারদের জন্য ডেইলী টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬
Tofazzal Mia
2026-01-05, 03:56 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৫ জানুয়ারি।
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1750 লেভেল টেস্ট করে, যেকারণে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এই কারণেই আমি EUR/USD পেয়ারের বাই পজিশন ওপেন করনি। ভেনেজুয়েলার উপর যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং দেশটির প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতারের পর মার্কিন ডলার দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠে, এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর মূল্য হ্রাস পায়। অনিশ্চিত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে, ফলে তারা ঐতিহ্যগতভাবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত ডলারে বিনিয়োগ করছে। যদিও ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান সংঘটিত হলেও তেলের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়নি, তবুও এই ঘটনাগুলো ভবিষ্যতে তেল-উৎপাদনকারী দেশগুলোর প্রতি মার্কিন নীতিমালার ক্ষেত্রে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোন থেকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, ফলে ডলারের বিপরীতে ইউরোর আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। যেহেতু মার্কেটে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব থাকবে না — যা সাধারণত ফরেক্স মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করে — তাই এখন ট্রেডাররা বর্তমানে বিদ্যমান বাহ্যিক উপাদানগুলোর ওপর নির্ভর করছে। এই মুহূর্তে মার্কেটে অস্থির ও অনিশ্চিত একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে 'নিরাপদ বিনিয়োগ' হিসেবে মার্কিন ডলারের দর স্বাভাবিকভাবে আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর প্রভাবও উপেক্ষা করা যাবে না। গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ব্রেক করলে ইউরোর দরপতন আরও ত্বরান্বিত হতে পারে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/794203396.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1723-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1697-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1723-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ সামান্য কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1680-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1697 এবং 1.1723-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/1779953388.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1680-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1655-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1697-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1680 এবং 1.1655-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। (https://ifxpr.com/4sv0YG8)
Read more: https://ifxpr.com/4sv0YG8
LIMAFX
2026-01-06, 07:03 PM
EUR/USD পেয়ারের পর্যালোচনা, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
http://forex-bangla.com/customavatars/1708688247.jpg
সোমবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কোনো অপ্রত্যাশিত মুভমেন্ট দেখা যায়নি, যদিও অনেক ট্রেডার এই ধরনের প্রতিক্রিয়ারই প্রত্যাশা করছিলেন। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার রাজধানী করাকাসে সামরিক হামলার নির্দেশ দেন, যার উদ্দেশ্য ছিল দেশটির সামরিক ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা অচল করে দেওয়া। এই হামলার মাধ্যমে মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, যেখানে তাকে "বিশ্বের সবচেয়ে মানবিক আদালতের" সম্মুখীন করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এখানে আমরা এটি যাচাই করব না যে ট্রাম্পের কি এই ধরনের সামরিক আদেশ দেওয়ার অধিকার রয়েছে, কিংবা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ বা অন্যান্য সংস্থা এ ব্যাপারে কী ভাবছে। মূলত, ট্রাম্প বহু আগেই বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে, "আইন তো আইনই... তবে কখনও কখনও এর ব্যতিক্রম হয়।" তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো ঘটা বাকি রয়েছে। পুরো ২০২৫ সাল জুড়েই আমরা দেখেছি—ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই মার্কিন ডলারের দরপতনের মূল কারণ। তাই আমরা বহু আগেই সতর্ক করেছিলাম যে, ২০২৬ সাল ২০২৫ সালের তুলনায় ভালো যাবে—এমনটা ধরে নেওয়া নিরাপদ নয়। বাস্তবতা হলো, ২০২৬ সাল ঠিকমতো শুরু হওয়ার আগেই ট্রাম্প নতুন করে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছেন, যার মাধ্যমে আরেকটি দেশের নেতা গ্রেফতার হয়েছেন; এমনকি তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে গত বছর গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য কোনো রসিকতা ছিল না। সোমবার সকালে অনেক বিশ্লেষক ধারণা করেছিলেন যে, মাদুরো গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় মার্কেটে "ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতা" শুরু হবে এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারে চাহিদা বাড়বে, ফলে ডলারের দর বৃদ্ধির পাবে। তবে আমরা মনে করি, ঐতিহ্যগতভাবে মার্কিন ডলারকে তখনই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ব্যবহার হয়, যখন যুক্তরাষ্ট্র নিজে কোনো ভূরাজনৈতিক সংঘাতে জড়িত থাকে না। এখন পুরো বিশ্ব জানে যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশে ক্ষমতা পরিবর্তন করতে চায় (রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অথবা চীন ছাড়া), তবে তারা সরাসরি সামরিক অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনীতিবিদ কিংবা কর্মকর্তাকে ধরে নিয়ে আসতে পারবে। সেক্ষত্রে, ২০২৫ সালের বাণিজ্যযুদ্ধ ভবিষ্যতের দৃষ্টিতে হয়তো অনেকটাই "শিশুতোষ খেলা" মনে হতে পারে। এখন প্রশ্ন একটাই—এমন একটি মুদ্রার প্রতি ট্রেডারদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত যার রাষ্ট্রপ্রধান এখন আর রক্ষণশীল নীতিমালা নয়, বরং প্রকাশ্যে স্বৈরতন্ত্রের আদর্শ অনুসরণ করছেন? আমাদের মতে, বছরের শুরুতেই মার্কিন ডলার আরও একটি গুরুতর ধাক্কা খেয়েছে। হ্যাঁ, সোমবার ডলারের দর কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছিল, তবে দিন শেষে তা পুরোপুরি হারিয়ে যায়—কারণ ISM ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক প্রকাশিত হয়, এটি এমন একটি সূচক যা ভেনেজুয়েলার ঘটনাগুলোর চেয়েও ডলারের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
http://forex-bangla.com/customavatars/297495087.jpg
ফলে আমাদের পূর্বাভাস এবং প্রত্যাশা অপরিবর্তিত রয়েছে—২০২৬ সালেও মার্কিন ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের মূল্য দৈনিক টাইমফ্রেমে সেনকৌ স্প্যান বি লাইনে এসে পৌঁছেছে এবং এখনও 1.1400–1.1830 রেঞ্জের মধ্যেই সাইডওয়েজ চ্যানেলে অবস্থান করছে। আমরা এখনো অপেক্ষা করছি, মার্কেটে কখন এই "টানাটানি" পরিস্থিতি থেকে শেষ হয়ে এই পেয়ারের মূল্য উক্ত চ্যানেলের উপরের সীমা অতিক্রম করে অবশেষে একটি চূড়ান্ত প্রবণতা শুরু হবে। ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত গত পাঁচ দিনের ট্রেডিংয়ের গড় ভোলাটিলিটি অনুযায়ী গড়ে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মাত্র 46 পয়েন্ট মুভমেন্ট পরিলক্ষুত হয়েছে, যা "নিম্ন" ভোলাটিলিটি হিসেবে বিবেচিত হয়। আমাদের প্রত্যাশা, মঙ্গলবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1670 এবং 1.1762 লেভেলের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করবে। হায়ার লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল ঊর্ধ্বমুখী হলেও, বাস্তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে মার্কেটে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। CCI সূচক গত ডিসেম্বরের শুরুতে ওভারবট জোনে প্রবেশ করেছিল, আর ইতোমধ্যে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের কিছুটা পুলব্যাক দেখতে পেয়েছি। গত সপ্তাহে একটি বুলিশ ডাইভারজেন্সও গঠিত হয়েছিল, যা আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। নিকটতম সাপোর্ট লেভেল: S1 – 1.1658S2 – 1.1597S3 – 1.1536 নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল: R1 – 1.1719R2 – 1.1780R3 – 1.1841 ট্রেডিংয়ের পরামর্শ বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে কনসোলিডেট করেছে, তবে হায়ার টাইমফ্রেমগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো বহাল রয়েছে। দৈনিক টাইমফ্রেমে টানা ছয় মাস ধরে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত আছে । বৈশ্বিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কেটের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি ডলারের জন্য এখনও নেতিবাচক রয়ে গেছে। বিগত ছয় মাসে মার্কিন ডলারের মূল্য মাঝে মাঝে দুর্বল বৃদ্ধি দেখিয়েছে, কিন্তু তা শুধুমাত্র সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। দীর্ঘমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো মৌলিক ভিত্তি এখনো দৃশ্যমান নয়। বর্তমানে এই পেয়ারের মূল্য যদি মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে থাকে, তবে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে মূল্যের 1.1670 এবং 1.1658-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন বিবেচনায় আনা যেতে পারে। অপরদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজ লাইনের উপরে থাকে, তাহলে লং পজিশন এখনো প্রাসঙ্গিক থেকে যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1830-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে — যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমা এবং কার্যত এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যে একবার এখানে পৌঁছেছে। এখন এই পেয়ারের মূল্যের এই দীর্ঘস্থায়ী ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বের হওয়ার সময় এসেছে। চিত্রের ব্যাখা লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল: এই চ্যানেলগুলো চলমান প্রবণতা শনাক্ত করতে সাহায্য করে। যদি উভয় লাইন একই দিকে যায়, তাহলে সক্রিয় প্রবণতা শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত হয়। মুভিং এভারেজ (সেটিংস: 20,0, স্মুথেদ): এটি মুলত স্বল্পমেয়াদী প্রবণতা নির্ধারণ করতে সহায়তা করে এবং এই ভিত্তিতে ট্রেডিংয়ের বর্তমান দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়। মারে লেভেল: এগুলো মূলত মূল্যের মুভমেন্ট ও কারেকশনের জন্য লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে। ভোলাট্যালিটি লেভেল (লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত): কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের সম্ভাব্য চ্যানেল নির্ধারণ করে, যেখানে আগামী ২৪ ঘণ্টা ধরে বর্তমান ভোলাটিলিটির ভিত্তিতে ট্রেড হতে পারে। CCI ইন্ডিকেটর: যখন এটি ওভারসোল্ড (–250-এর নিচে) বা ওভারবট (+250-এর উপরে) জোনে প্রবেশ করে, তখন এটি সম্ভাব্য ট্রেন্ড রিভার্সালের সংকেত দেয়। এই সংকেত সাধারণত বর্তমান প্রবণতার বিপরীত গতিপথে মুভমেন্টের পূর্বাভাস দেয়। (https://ifxpr.com/4bkTDCG)
Read more: https://ifxpr.com/4bkTDCG
BDFOREX TRADER
2026-01-07, 06:47 PM
গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে পাউন্ডের ইতিবাচক পরিস্থিতি
http://forex-bangla.com/customavatars/438503418.jpg
নভেম্বর মাস থেকে শুরু হওয়া ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা মঙ্গলবার কিছুটা মন্থর হয়, যার কারণ হিসেবে ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যের পরিষেবা খাতের PMI প্রতিবেদনকে বিবেচনা করা হচ্ছে। টানা অষ্টম মাসেও দেশটিতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত ছিল, তবে প্রবৃদ্ধির গতি দুর্বল ছিল এবং নভেম্বরের তুলনায় প্রায় অপরিবর্তিত (৫১.৪ বনাম ৫১.৩) ছিল। পাশাপাশি, প্রতিবেদনের চূড়ান্ত ফলাফলের প্রাথমিক পূর্বাভাসের (৫২.১) চেয়ে নিচে ছিল। নতুন অর্ডার ও পণ্য বিক্রির সহ–সূচকগুলো তুলনামূলকভাবে অপরিবর্তিত থাকলেও, কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আরও অবনতি লক্ষ্য করা গেছে—টানা পনেরো মাসের ধরে এই খাতে কর্মসংস্থানের হার হ্রাস পাচ্ছে। সার্বিকভাবে PMI প্রতিবেদনের ফলাফল পাউন্ডের জন্য খুব বেশি ইতিবাচক ছিল না, তাই এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরে পাউন্ডে সামান্য দরপতন হওয়া একেবারেই স্বাভাবিক। তবে কিছু সময় পরই আবার পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়। এর পেছনে সম্ভবত একটি কারণ উল্লেখযোগ্য, সেটি হচ্ছে পরিষেবার খরচ বৃদ্ধির বিষয়টি, যা এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে; মে মাসের পর থেকেই মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বেড়েছে, এবং মূল মুদ্রাস্ফীতিও নভেম্বরের তুলনায় আরও দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। অতএব, সামগ্রিক চিত্রটি ব্যাংক অব ইংল্যান্ড (BoE)–এর দৃষ্টিকোণ থেকে মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়—অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হচ্ছে, কর্মসংস্থান হ্রাস পাচ্ছে, আর মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বহাল রয়েছে; অর্থাৎ অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে উচ্চ মূল্যস্ফীতির হুমকি বিরাজ করছে। গত ডিসেম্বরে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সুদের হার কমিয়ে ৩.৭৫%–এ এনেছে, তবে আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির সদস্যদের ভোট ৪–৫-এ বিভক্ত ছিল, যা স্পষ্ট করে যে নীতিনির্ধারণে ঐকমত্যের অভাব রয়েছে। মূল্যস্ফীতি ত্বরান্বিত হওয়ার সম্ভাবনা হকিশ বা কঠোর অবস্থানধারীরা হালে পানি পেয়েছে, ফলে এখন নীতিমালার ক্ষেত্রে নমনীয় অবস্থান গ্রহণের সম্ভাবনা কিছুটা কমে গেছে—যা পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে, বুধবার সকাল পর্যন্ত পাউন্ড মোটামুটি ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে এবং ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখতে সক্ষম, তবে পরিস্থিতি পুরোটাই অনুকূলে নয়। সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে অস্থিরতার মাত্রা অনেক বেশি বেড়ে যেতে পারে, কারণ আজ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ADP বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন, ISM পরিষেবা খাতভিত্তিক PMI এবং JOLTs চাকরির শূন্যপদ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার পরিস্থিতি নিয়ে অনেক প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে, কারণ অর্থনৈতিক মন্থরতার লক্ষণ দিন দিন বাড়ছে। শুক্রবার প্রকাশিতব্য ডিসেম্বর মাসের অফিসিয়াল কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনই মার্কেটে ট্রেডিং ভলিউমের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির কারণ হতে পারে, কারণ মূল ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় বেশি বা কম আসতে পারে, তাই বড় ধরনের চমক পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাউন্ডের মূল্য দীর্ঘমেয়াদি গড়ের উপরে অবস্থান করছে—যা পাউন্ডের আরও দর বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। পূর্ববর্তী বিশ্লেষণে আমরা উল্লেখ করেছিলাম যে, পাউন্ডের মূল্য 1.3620–1.3640-এর রেজিস্ট্যান্স জোনের দিকে এগোবে—এই পূর্বাভাস এখনও বহাল রয়েছে। ডলারের তুলনায় পাউন্ড অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসের সাথে বছরটি শুরু করেছে এবং তিন মাস পরে এটির মূল্য আবার আগের উচ্চতায় পৌঁছেছে—যে লেভেলে এটি সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ ফেডের বৈঠকের আগমুহূর্তে অবস্থান করছিল। কারেকশনের সম্ভাবনা খুবই কম, কারণ চলতি সপ্তাহে যুক্তরাজ্য থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই GBP/USD পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট পুরোপুরিভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিতব্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পাশাপাশি বৈশ্বিক ভূ–রাজনৈতিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। (https://ifxpr.com/3YXkVaS)
Read more: https://ifxpr.com/3YXkVaS
LIMAFX
2026-01-08, 04:53 PM
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৮ জানুয়ারি
http://forex-bangla.com/customavatars/532255653.jpg
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 156.60 লেভেল টেস্ট করে—যা মার্কিন ডলার ক্রয়ের জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য ২০ পয়েন্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। গতকাল প্রকাশিত ADP প্রতিবেদনের ফলাফল অনুযায়ী, ডিসেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থানের হার নভেম্বরের তুলনায় বেশি ছিল। এই ফলাফল জাপানি ইয়েনের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি ঘটাতে সহায়তা করে। এখন ট্রেডারদের দৃষ্টি শুক্রবার প্রকাশিতব্য নন-ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের দিকে কেন্দ্রীভূত থাকবে। আজ প্রকাশিতব্য জাপানের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানের মধ্যে, ভোক্তা আস্থা সূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সূচকটি জাপানি পরিবারগুলোর বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে এবং এটি ভোক্তাখাতের ব্যয়ের প্রবণতার পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—যা দেশটির মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রধান উপাদান। ট্রেডার এবং বিশ্লেষকরা এই সূচকটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন, কারণ এটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে কাজ করতে পারে এবং ব্যাংক অফ জাপানের মুদ্রানীতিগত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। ভোক্তা আস্থার নিম্নমান জনমনে নিরুৎসাহ ও হতাশার ইঙ্গিত দিতে পারে, যা ব্যয় হ্রাস এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া, বিষয়টি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে—জাপানে ভোক্তা আস্থার উপর বিভিন্ন ধরনের উপাদান প্রভাব ফেলে, যেমন: মুদ্রাস্ফীতির হার, শ্রমবাজারের অবস্থা, ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি, এমনকি প্রাকৃতিক দুর্যোগও। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং পরিকল্পনা ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 157.20-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 156.86-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 157.20-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 156.56-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 156.86 এবং 157.20-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 156.56-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 156.15-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 156.86-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 156.56 এবং 156.15-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। (https://ifxpr.com/4jsrD22)
Read more: https://ifxpr.com/4jsrD22
DhakaFX
2026-01-09, 04:08 PM
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৯ জানুয়ারি।
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠা শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই পেয়ারের মূল্য 156.86 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা মার্কিন ডলার ক্রয়ের জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য ২০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। মার্কিন বেকারভাতা আবেদন এবং বাণিজ্য ঘাটতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রত্যাশার চেয়েও ইতিবাচক ফলাফল USD/JPY পেয়ারে ডলারের আরও এক দফা দর বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রেখেছে। আজ, জাপানের লিডিং ইকোনমিক ইনডেক্সে প্রবৃদ্ধি এবং গৃহস্থালী ব্যয়ের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের তুলনামূলকভাবে ভালো ফলাফল প্রকাশিত হলেও, তা ইয়েনের জন্য সহায়ক হয়নি। বরং ইয়েন, ডলারের বিপরীতে দরপতনের শিকার হচ্ছে। এটি স্পষ্ট যে, মার্কেটের ট্রেডাররা বর্তমানে মূলত শক্তিশালী মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত পরিসংখ্যানের ওপর নির্ভর করে ট্রেড করছেন—যা ডলারের বিপরীতে ইয়েনের আরও দরপতন ঘটাতে পারে। নিকট মেয়াদে USD/JPY পেয়ারে মার্কিন ডলারের মুভমেন্ট অনেকাংশেই নির্ভর করবে আসন্ন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল এবং ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তাদের মন্তব্যের ওপর। এই কারণেই, ট্রেডারদের এই সব বিষয় সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করা উচিত, যাতে USD/JPY পেয়ারের সম্ভাবনাগুলো যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা যায়। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং পরিকল্পনা ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। (https://ifxpr.com/4qO1MUT)
http://forex-bangla.com/customavatars/944994766.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 158.01-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 157.54-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 158.01-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 157.28-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 157.54 এবং 158.01-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 157.28-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলের নিচে নামার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 156.93-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 157.54-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 157.28 এবং 156.93-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। (https://ifxpr.com/4qO1MUT)
http://forex-bangla.com/customavatars/1011374264.jpg
Read more: https://ifxpr.com/4qO1MUT
Tofazzal Mia
2026-01-12, 06:25 PM
একাধিক কারণের সমন্বয়ে স্বর্ণের মূল্য নতুন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে
http://forex-bangla.com/customavatars/120193198.jpg
মার্কিন বিচার বিভাগ ফেডারেল রিজার্ভকে ফৌজদারি অভিযোগে অভিযুক্ত করার পর, স্বর্ণ ও রূপার মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা আবারও মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একইসঙ্গে, ইরানে চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতিও নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বর্ণের মূল্য আউন্স প্রতি $4,600 লেভেলে পৌঁছে গেছে এবং রূপার মূল্য $85-এর কাছাকাছি চলে আসে—এই মূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের ওই মন্তব্য, যেখানে তিনি বলেন, সম্ভাব্য ফৌজদারি মামলাকে আরও বৃহৎ দৃষ্টিকোণে দেখতে হবে; বিশেষ করে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ফেডের ওপর চলমান চাপ ও হুমকির প্রেক্ষাপটে। গত বছর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার সরাসরি ফেডের সমালোচনা করেন এবং তার প্রশাসনের সেই ধারাবাহিক আক্রমণই ডলারের দরপতনের বিশেষ ভূমিকা রাখে। আজকের এশিয়ান ট্রেডিং সেশনে ডলারের দরপতনের বিষয়টি মূল্যবান ধাতুতে বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়, বিশেষ করে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত ইন্সট্রুমেন্টগুল তে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপর সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণে ট্রেডাররা স্বর্ণ ও রূপার প্রতি আস্থাশীল হয়ে উঠেছেন, যার ফলে এগুলোর মূল্য বৃদ্ধির মাত্রা এক নজিরবিহীন স্তরে পৌঁছে যায়। এদিকে, ইরানে প্রাণঘাতী বিক্ষোভ পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাচ্ছে এবং ইসলামিক রিপাবলিকের পতনের সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বর্ণ ও রূপার মতো নিরাপদ বিনিয়োগে মূলধন সংরক্ষণের আকর্ষণ বৃদ্ধি করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার জানান, তিনি ইরান পরিস্থিতি নিয়ে সম্ভাব্য বিভিন্ন পদক্ষেপ বিবেচনা করছেন। এসময় তিনি পুনরায় গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেন এবং ন্যাটো জোটের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এই ঘটনাগুলো এক সপ্তাহ আগেই ভেনেজুয়েলায় নিকোলাস মাদুরোর ক্ষমতা দখলের পরে ঘটেছে।
এটি এখন স্পষ্ট যে মূল্যবান ধাতুগুলো একটি শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কেন্দ্রে রয়েছে, যেখানে একাধিক অনুকূল পরিস্থিতি একসাথে কাজ করছে এবং এর ফলে মার্কেটে চাহিদা বিপুলভাবে বেড়ে গেছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার হ্রাস, তীব্র ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, ডলারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট এবং ফেডের উপর চাপ সৃষ্টির ঘটনা—এসব উপাদান স্বর্ণ ও রূপার মূল্য বৃদ্ধিকে সমর্থন করছে। ইতোমধ্যেই, বেশ কয়েকজন অ্যাসেট ম্যানেজার জানিয়েছেন যে তারা তাদের স্বর্ণ হোল্ড করা থেকে বেরিয়ে আসার চিন্তা করছেন না, বরং এই অ্যাসেটের দীর্ঘমেয়াদি মূল্য বৃদ্ধি ও নিরাপত্তার উপর পুরোপুরিভাবে আস্থা রাখছেন। ভবিষ্যতে মূল্যবান ধাতুর মূল্য বিভিন্ন বিষয়ের দ্বারা নির্ধারিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের অগ্রগতি, মার্কিন বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে ফেডের চেয়ারম্যানকে ঘিরে যেকোনো সম্ভাব্য পদক্ষেপ এবং বিনিয়োগকারীদের সামগ্রিক মনোভাব। তীব্র অনিশ্চয়তার এ প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট কোনো পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন, তবে এটুকু নিশ্চিত যে স্বর্ণ ও রূপা আগামী দিনগুলোতেও বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং মূলধন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে যাবে। স্বর্ণের টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী, ক্রেতাদের জন্য তাৎক্ষণিক লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে স্বর্ণের মূল্যের $4,591-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেলটি ব্রেক করানো। স্বর্ণের মূল্য এই লেভেল অতিক্রম করলে, $4,647-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাবে, যদিও এই লেভেল ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে $4,708 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি স্বর্ণের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য $4,531 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। এই লেভেল ব্রেক করলে সেটি ক্রেতাদের জন্য একটি স্পষ্ট ধাক্কা হবে এবং স্বর্ণের মূল্য দ্রুত $4,531 লেভেলে নেমে যেতে পারে, যেখানে পরবর্তীতে $4,481 লেভেল পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। (https://ifxpr.com/4pDLNrb)
Read more: https://ifxpr.com/4pDLNrb
SaifulRahman
2026-01-13, 03:58 PM
১৩ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/1136904208.jpg
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের এখনো স্পষ্টভাবে নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, যদিও সোমবার এই পেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফেডারেল রিজার্ভের ভবন সংস্কারের সময় অতিরিক্ত খরচের অভিযোগে ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বিরুদ্ধে অপরাধ তদন্ত শুরু হওয়ার খবরেই মার্কিন ডলারের দরপতন শুরু হয়। বাস্তবে অবশ্য, কোনো ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়নি এবং কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠিত হয়নি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফেড চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। ট্রেডাররা বুঝতে পেরেছেন যে, এই তদন্তের পেছনে একটিমাত্র উদ্দেশ্য রয়েছে—সেটি হলো, জেরোম পাওয়েল যেন হোয়াইট হাউজের নির্দেশনা অনুযায়ী মূল সুদের হার হ্রাস করেন—যেখানে আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণের ক্ষেত্রে হোয়াইট হাউজের আসলে কোনো এখতিয়ার নেই। তবুও, ট্রাম্পের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা অসম্ভবও নয়। জেরোম পাওয়েল চার মাস পর ফেড চেয়ারম্যানের পদ ছাড়ছেন—তবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখনও তার উপর চাপ সৃষ্টি করে চলেছেন, যা সম্ভবত ফেডের নতুন চেয়ারম্যান ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের জন্য একটি বার্তা হিসেবেই প্রেরিত হচ্ছে। সোমবার দিনের বাকি সময়টিতে আর কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়নি বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়নি।
http://forex-bangla.com/customavatars/2080069540.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের শুরুতেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া ব্রেক করে, যা নতুন ট্রেডারদের জন্য লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি করে দেয়। বুলিশ মুভমেন্টটি খুব বেশি সময় স্থায়ী হয়নি, তবে দিনের শেষে এই পেয়ারের মূল্য ওই এরিয়ার উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়েছে। সেখান থেকে আবার নতুন একটি বাউন্স ও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। তবে ঘনঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে যে ডাউনওয়ার্ড ট্রেন্ডলাইন গঠিত হয়েছে, সেটি এবার এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যা ট্রেন্ডলাইন দ্বারা নিশ্চিত হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য কার্যকরভাবে 1.1800–1.1830 এরিয়া ব্রেক করতে-পারেনি, যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমা। তাই টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এই পেয়ারের দরপতনের বিষয়টি যথার্থ এবং 1.1400 লেভেল পর্যন্ত দরপতন হতে পারে। সার্বিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারের জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক থাকলেও, দৈনিক টাইমফ্রেমে মার্কেটে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রাধান্য বিস্তার করছে, যার ফলে বিনিয়োগকারীরা কার্যত মৌলিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছেন। মঙ্গলবার, নতুন ট্রেডাররা আবারো 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1745–1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই জোনের নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যাবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ বিবেচনা করা উচিত: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে না কিংবা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, তবে যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। যদি এই প্রতিবেদনে মূল্যস্ফীতির গতি যদি আরও দুর্বল ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাহলে ফেড কর্তৃক মুদ্রানীতি নমনীয়করণ কার্যক্রম আবার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যেতে পারে। (https://ifxpr.com/4pH6frt)
Read more: https://ifxpr.com/4pH6frt
Montu Zaman
2026-01-14, 06:53 PM
১৪ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
http://forex-bangla.com/customavatars/1387162544.jpg
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বুধবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং এর কোনোটিই তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে মনে রাখবেন যে গত সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, তবুও আমরা মার্কেটে কোনো শক্তিশালী, প্রবণতা-ভিত্তিক মুভমেন্ট দেখতে পাইনি। এই সপ্তাহের মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনের প্রভাবেও মার্কেটে প্রায় কোনোই প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। নতুন বছরের প্রথম দুই সপ্তাহেও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে ও ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবে টানা সাত মাস ধরে ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে ইউরোর ট্রেডিং করা হচ্ছে এবং সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পাউন্ডও সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং হচ্ছে। উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের অত্যন্ত স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করছে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1866152555.jpg
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবার বেশ কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। আজ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড এবং ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিগণ বক্তৃতা দেবেন। তবে, তাদের বিবৃতি মার্কেটে স্বল্প মাত্রার প্রভাব ফেলতে পারে - অথবা একেবারেও কোনো প্রভাব নাও ফেলতে। বর্তমানে ট্রেডাররা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রতিও প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না যা সাধারণত যুক্তরাজ্য, ইউরোজোন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের প্রতি প্রায় কোনোই প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অন্যথায়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত পদক্ষেপ ইতোমধ্যেই মার্কিন ডলারের সম্পূর্ণ দরপতনের দিকে পরিচালিত করত, যা বেশ কয়েক মাস ধরেই ঘটছে। মনে রাখবেন যে ডলারকে এখনও বিনিয়োগকারীরা একটি নিরাপদ-বিনিয়োগ হিসাবে বিবেচনা করে - কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট যদি প্রকাশ্যে গ্রিনল্যান্ডকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন বা ইরানের শাসন পরিবর্তনকে সমর্থন করেন তবে কি সেই কারেন্সিকে নিরাপদ বলা যেতে পারে?
উপসংহার: সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারের সম্পূর্ণরূপে বিশৃঙ্খল ট্রেডিং অব্যাহত থাকতে পারে। আজ ইউরো 1.1655–1.1666 রেঞ্জে এবং পাউন্ড স্টার্লিং 1.3437–1.3446 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। তবে, শক্তিশালী ট্রেডিং সিগন্যাল থাকা সত্ত্বেও, আমরা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য মুভমেন্টের আশা করছি না। উভয় পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রাও কম থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। (https://ifxpr.com/4qrnjmo)
Read more: https://ifxpr.com/4qrnjmo
LIMAFX
2026-01-15, 06:12 PM
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৫ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/230189154.jpg
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের থেকে নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 158.70 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ডলার বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট প্রদান করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের 40 পিপস দরপতন ঘটেছে। নভেম্বরের মার্কিন উৎপাদক-মূল্যস্ফীতি সম্পর্কিত প্রতিবেদনের ফলাফল জাপানি ইয়েনের বিপরীতে ডলারকে বিশেষভাবে সহায়তা করতে পারেনি। ইয়েনের এক্সচেঞ্জ রেটে ব্যাংক অফ জাপানের হস্তক্ষেপের সম্ভবনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া চলমান আলোচনা দেশটির জাতীয় মুদ্রার ওপর চাপ কমিয়ে দিয়েছে। আজ প্রকাশিত কর্পোরেট পণ্য মূল্যসূচক ইয়েনের মূল্যের উত্থানকে তেমন সমর্থন দিতে পারেনি। প্রকাশিত পরিসংখ্যানগুলোর কেবল সামান্য বৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে, যা বাস্তবিক অর্থে এক্সচেঞ্জ রেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলার জন্য অপর্যাপ্ত। ট্রেডাররা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের আরও প্রমাণসাপেক্ষ ফলাফল ও মুদ্রাস্ফীতি চাপ বৃদ্ধির আশা করছিল, যা ব্যাংক অফ জাপান কর্তৃক কঠোর অবস্থান গ্রহণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করত। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী ট্রেডাররা জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় আছেন; এ পর্যন্ত তারা কঠোরভাবে সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে। বিনিয়োগকারীরা ব্যাংক অফ জাপানের অবস্থান পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত আছে কিনা তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, কারণ এমন ইঙ্গিত ইয়েনের শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধিকে প্ররোচিত করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 ও নং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/520509646.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 159.29-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 158.70-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 159.29-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 158.39-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 158.70 এবং 159.29-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 158.39-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 157.94-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 158.70-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 158.39 এবং 157.94-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। (https://ifxpr.com/4pzeoOp)
Read more: https://ifxpr.com/4pzeoOp
Montu Zaman
2026-01-16, 02:15 PM
GBP/USD। ব্যাখ্যাযোগ্য অসঙ্গতি: কেন জিডিপি প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল সত্ত্বেও পাউন্ডের দরপতন হচ্ছে?
http://forex-bangla.com/customavatars/661529407.jpg
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রতিবেদনের প্রায় প্রতিটি উপাদান "ইতিবাচক" ছিল, যা বেশিরভাগ বিশ্লেষকের দুর্বল পূর্বাভাসের বিপরীতে শক্তিশালী ফলাফল প্রদর্শন করেছে। কিন্তু এমন একটি স্পষ্ট ও একমুখী মৌলিক সংকেতের পরও GBP/USD পেয়ার চাপের সম্মুখীন হয়েছে। মূলত এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের ক্ষেত্রে ডলার সূচকের মুভমেন্ট বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে, যা নিরাপদ বিনিয়োগের প্রতি স্থিতিশীল চাহিদা ও মার্কিন সামষ্টিক প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফলের কারণে বৃদ্ধি প্রদর্শন করছে। তবুও, বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিকে উপেক্ষা করা উচিত নয় — এটি আবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে, এবং দূর ভবিষ্যতে নয়, বরং ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ফেব্রুয়ারির বৈঠকেই আর্থিক নীতিমালায় পরিবর্তন আনতে পারে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যের জিডিপি মাসিক ভিত্তিতে 0.3% বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে বেশিরভাগ বিশ্লেষক মাত্র 0.1% প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন (যা আগের মাসের সমান)। ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে সূচকটি 0.1% বেড়েছে, যেখানে অক্টোবরে শূন্য প্রবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে 0.2% সংকোচনের প্রত্যাশা করেছিল। অন্যান্য সামষ্টিক সূচকের ফলাফলও ইতিবাচক ছিল। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাজ্যের শিল্প উৎপাদন মাসিক ভিত্তিতে 1.1% বেড়েছে, যেখানে +0.1% বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল; বার্ষিক ভিত্তিতে সূচকটি 2.3%-এ পৌঁছেছে, যা অক্টোবরে +0.4% বৃদ্ধি পেয়েছিল ( এবারও 0.4% বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল)। উৎপাদন খাতেও একই রকম পরিস্থিতি বিরাজ করছে: উৎপাদন মাসিক ভিত্তিতে 2.1% বেড়েছে, যা অক্টোবরে +0.3% বৃদ্ধি পেয়েছিল (+0.5% বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল)। বার্ষিক ভিত্তিতে উৎপাদন 2.1% বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে বেশিরভাগ বিশ্লেষক 0.3% হ্রাসের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন (আগের মাসে 0.4% বৃদ্ধি পেয়েছে)। পরিষেবা খাতের কার্যক্রম সূচক 0.2%-এ উঠে এসেছে (0.0%-এর পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল)। শুধু নির্মাণ খাতের সার্বিক পরিস্থিতি হতাশাজনক রয়ে গেছে। নভেম্বর মাসে নির্মাণ কার্যক্রম মাসিক ভিত্তিতে 1.3% কমেছে, যেখানে 0.3% হ্রাসের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল। বার্ষিক ভিত্তিতে নির্মাণ কার্যক্রম 1.1% হ্রাস পেয়েছে, যা আগের মাসে +0.9% বৃদ্ধি প্রদর্শন করেছিল (পূর্বাভাস ছিল 0.1%)। নভেম্বরের প্রতিবেদনের কিছু বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা উচিত। প্রথমত, অটোমোটিভ খাত উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে: যানবাহন উৎপাদন প্রায় 25% বেড়েছে, যা জাগুয়ার ল্যান্ড রোভারের উপর সাইবার আক্রমণের পরে পুনরুদ্ধারের কারণে হয়েছে (এই খাতের প্রবৃদ্ধির জন্য প্রধান কোম্পানিগুলোর একটি)। পরিষেবা খাতে (প্রধানত আর্থিক পরিষেবা, প্রযুক্তি ও পেশাদার পরিষেবা) ইতিবাচক গতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে। পরিষেবা খাত ঐতিহ্যগতভাবে যুক্তরাজ্যের জিডিপির 70%-এর বেশি অবদান রাখে, তাই এই খাতের প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে নভেম্বর বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সংকোচনের প্রেক্ষাপট বিরাজ করছে। তবু ব্যবসায়িক কার্যক্রম থেমে যায়নি — কোম্পানিগুলো হতাশাজনক পরিস্থিতি প্রত্যাশায় "শীতকালীন ঘুমে" চলে যাননি, বরং তাঁরা নতুন বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, নভেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী 2025 সালের চতুর্থ প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক সম্ভাবনা বেড়েছে (অক্টোবরের সামগ্রিক সূচকের ফলাফল ইতিবাচক ছিল), যা মন্দার ঝুঁকি কমিয়েছে এবং 2026 সালের শুরুতে ইতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। উপসংহার: বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল অনুযায়ী ব্যাংক অব ইংল্যান্ড অন্তত ফেব্রুয়ারির বৈঠকের প্রেক্ষাপটে অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের অবস্থান বজায় রাখার সুযোগ পেয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সদস্যরা এখন "স্বচ্ছ বিবেক" নিয়ে সতর্কভাবে বলতে পারবে যে সাম্প্রতিক জিডিপি প্রতিবেদনের ফলাফল ইতিবাচক ছিল। অন্য কথায়, প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল একরকমভাবে পাউন্ডের পক্ষে কথা বলছে। তবুও প্রত্যাশা অনুযায়ী GBP/USD পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির পরিবর্তে 1.3350-এর সাপোর্ট লেভেলের দিকে (D1 টাইমফ্রেমে বোলিঙ্গার ব্যান্ডের নিম্ন লাইন) নিম্নমুখী হয়েছে। ট্রেডাররা মার্কিন গ্রিনব্যাকের মুভমেন্ট অনুসরণ করছে, যা বৃহস্পতিবার মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শুরুতে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এবং তা কেবল ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে নয় (যা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে), বরং সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণগুলোরও ফলাফল। বিশেষত, বৃহস্পতিবার ডলার বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল থেকে সহায়তা পেয়েছে, যেখানে প্রাথমিকভাবে বেকারভাতা আবেদনের সংখ্যা 198k ছিল — যা ডিসেম্বরের শুরু থেকে সর্বনিম্ন। অন্যান্য সামষ্টিক সূচকগুলোর ফলাফল ইতিবাচক ছিল। উদাহরণস্বরূপ, ফিলাডেলফিয়া ফেড উৎপাদন সূচক জানুয়ারিতে বৃদ্ধি পেয়ে 12.6-এ পৌঁছেছে, যেখানে ?1.6-এ যাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল (ডিসেম্বরে এটি 10.2 ছিল)। সেপ্টেম্বরের পর প্রথমবার সূচকটি ইতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। নিউ ইয়র্ক এম্পায়ার স্টেট উৎপাদন সূচকও ডলারের জন্য সহায়ক ছিল, যা 3.9 থেকে 7.7-এ উঠে এসেছে (পূর্বাভাস ছিল 0.8)। এছাড়া আমদানি মূল্য সূচক (মুদ্রাস্ফীতি প্রবণতার প্রাথমিক সংকেত) আনাকাঙ্খিতভাবে 0.4%-এ পৌঁছেছে, যা গত বছরের জানুয়ারির পর থেকে সর্বোচ্চ। এসব মৌলিক কারণ GBP/USD-এর উপর চাপ সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল এই পেয়ারের ক্রেতাদের কাজে আসেনি। ডলার এখনও ট্রেডিংয়ের পরিস্থিতি নির্ধারণ করছে, আর পাউন্ড সেই "অনুযায়ী" মুভমেন্ট প্রদর্শন করছে। লক্ষ্য রাখুন যে বিক্রেতারা GBP/USD পেয়ারের মূল্যের 1.3350-এর সাপোর্ট (দৈনিক চার্টে বলিঙ্গার ব্যান্ডের নিম্ন লাইন) লেভেল ব্রেক করাতে ব্যর্থ হয়েছে। যদি এই এরিয়ায় নিম্নমুখী প্রবণতা দুর্বল হয়ে যায়, তবে ক্রেতারা সম্ভাব্যভাবে কারেক্টিভ রিবাউন্ড ঘটানোর চেষ্টা করবে যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3440 (H4 ও D1-এ বোলিঙ্গার ব্যান্ডের মিডিয়ান লাইন) ও 1.3470-এর (D1 টাইমফ্রেমে টেনকান-সেন) দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। (https://ifxpr.com/49zEwTu)
Read more: https://ifxpr.com/49zEwTu
LIMAFX
2026-01-19, 06:42 PM
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৯ জানুয়ারি
http://forex-bangla.com/customavatars/1401838345.jpg
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 158.04-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ডলার বিক্রির সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। কিন্তু এই পেয়ারের বড় ধরনের দরপতন ঘটেনি। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প উৎপাদনের হার বৃদ্ধির প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে এবং ফেডের কর্মকর্তাগণ বক্তব্য দিয়েছেন যে বর্তমানে সুদের হার কার্যকর পর্যায়ে রয়েছে—এই পটভূমিতে মার্কিন মুদ্রার দর বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্পখাতে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত প্রদানকারী ইতিবাচক প্রতিবেদন ট্রেডারদের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতা সম্পর্কিত উদ্বেগ ও অতিরিক্ত মুদ্রানীতি নমনীয় করার প্রয়োজনীয়তার আশঙ্কা কমিয়েছে। ফেড কর্মকর্তাদের মন্তব্যে বর্তমান সুদের হার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সমর্থন যোগাতে এবং মুদ্রাস্ফীতির হার লক্ষ্যমাত্রায় নামিয়ে আনতে যথেষ্ট বলে জোর দেওয়া হয়েছে। তবে আজ জাপানে মেশিনারি ও ইকুইপমেন্ট অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদনে 11%-এর তীব্র পতন পরিলক্ষিত হয়েছে, যার ফলে ফলে ইয়েনের ওপর চাপ আবার ফিরে আসে এবং USD/JPY পেয়ারের মূল্যের সামান্য পুনরুদ্ধার দেখা দেয়। এই পেয়ারের মূল্যের ভবিষ্যৎ মুভমেন্ট কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মন্তব্য এবং জাপানের জাতীয় মুদ্রার বিনিময় হারে যেকোনো হস্তক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 এবং 2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1440734754.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 158.80-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 158.16-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 158.80-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 157.75-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 158.16 এবং 158.80-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 157.75-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 157.10-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 158.16-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 157.75 এবং 157.10-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। (https://ifxpr.com/49JdBVs)
Read more: https://ifxpr.com/49JdBVs
SaifulRahman
2026-01-20, 06:29 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২০ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/822147893.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.1635-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত করেছিল। 1.1635-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারবট এরিয়ায় প্রবেশ করে এবং এতে সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা নং ২ বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়া যায়; তবুও বাস্তবে ইউরোর দরপতন হয়নি। আজ সকালে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ডলারের দরপতন অব্যাহত ছিল। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রত্যাশিত ভূ-স্বত্ত্ব দাবি অনিশ্চয়তার ঢেউ উসকে দিয়েছে। সম্ভাব্য ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার তীব্রতা নিয়ে শঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা সক্রিয়ভাবে ডলারভিত্তিক অ্যাসেট বিক্রি করে আরও স্থিতিশীল অ্যাসেটে বিনিয়োগ করতে শুরু করেছেন। ইউরোপীয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে প্রধানত ইউরো ও সুইস ফ্রাঙ্কে বিনিয়োগ প্রবাহ লক্ষ করা গেছে। এছাড়াও স্বর্ণের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অনিশ্চয়তার সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকা প্রয়োজন, এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাড়াহুড়ো করে ডলারের লং পজিশন ওপেন করা উচিত হবে। আজ সকালে বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে জার্মানির উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) এবং জার্মানি ও ইউরোজোনের বিজনেস সেন্টিমেন্ট সূচকসমূহ। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ইউরোপীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সক্ষমতা নির্ধারণের জন্য মূল রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে। জার্মানির উৎপাদক মূল্য সূচক দেশটির অভ্যন্তরীণ মুদ্রাস্ফীতি প্রক্রিয়া এবং শিল্প খাতে চাপের মাত্রা সম্পর্কে ধারণা দেবে; যদি এই সূচকের ফলাফল পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি, তবে সেটি মুদ্রাস্ফীতি হার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিতে পারে। জার্মানি ও ইউরোজোনের ZEW বিজনেস সেন্টিমেন্ট সংক্রান্ত সূচকগুলোর ফলাফল ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের অগ্রণী সংকেত হিসেবে কাজ করবে—সূচকগুলোর ইতিবাচক ফলাফল ইউরোকে সহায়তা করবে, আর হতাশাজনক ফলাফল EUR/USD-এর উপর চাপ সৃষ্টি করবে। দৈনিক কৌশল হিসাবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং ১ এবং ২ বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1591873379.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1716-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1677-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1716-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1649-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1677 এবং 1.1716-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1649-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1613-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1677-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1649 এবং 1.1613-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। (https://ifxpr.com/3NvaBo7)
Read more: https://ifxpr.com/3NvaBo7
LIMAFX
2026-01-21, 06:34 PM
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২১ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/184738661.jpg
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 157.70-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের দরপতনের সম্ভাবনাকে সীমিত করেছে। বর্তমানে সবাই গ্রিনল্যান্ডের পরিস্থিতির দিকে মনোযোগী হওয়ায় গতকাল USD/JPY পেয়ারের মূল্যের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। দিনের প্রথমার্ধে ট্রেডাররা সক্রিয়ভাবে ইয়েন কিনছিলেন, কারণ যদিও ব্যাংক অফ জাপান সম্ভবত এই শুক্রবারের বৈঠকে মূল সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে, জাতীয় মুদ্রার দুর্বলতা ও মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধির ঝুঁকির কারণে আরও আক্রমণাত্মক আর্থিক নীতিমালা প্রণয়নের সম্ভাবনা যথেষ্ট উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিস্থিতিও ডলারের মূল্যের মুভমেন্টের ওপর নির্ভর করবে। ট্রাম্প আরেকটি বাণিজ্যযুদ্ধ উস্কে দিতে পারেন এই ঝুঁকির কারণে ডলারের ওপর চাপ বজায় রয়েছে, যা USD/JPY পেয়ারের এক্সচেঞ্জ রেটে প্রতিফলিত হতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং পরিকল্পনা 2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1068268369.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 158.73-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 158.28-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 158.73-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 158.02-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 158.28 এবং 158.73-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 158.02-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল অতিক্রম করার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 157.63-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 158.28-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 158.02 এবং 157.63-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। (https://ifxpr.com/3NTC9n8)
Read more: https://ifxpr.com/3NTC9n8
LIMAFX
2026-01-22, 03:10 PM
২২ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/1181489460.jpg
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হলেও দিনের মধ্যে মার্কেটের পরিস্থিতি বেশ কয়েকবার পরিবর্তিত হয়েছে। গতকাল কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি; তবে ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম অনুষ্ঠিত হচ্ছিল, যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেশ কয়েকজন ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দিয়েছেন। তৎপর্যপূর্ণভাবে, তখনও গ্রিনল্যান্ড ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়গুলো সমাধান হয়নি, ফলে মার্কেটে স্বভাবতই অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল এবং ট্রেডাররা সম্ভাব্য বাণিজ্য সংঘাত সংক্রান্ত উত্তেজনা কমার আশা করছিল। কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বোঝা গেছে যে সেই প্রত্যাশা অবান্তর ছিল না। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে তিনি ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটের সঙ্গে বেশ ইতিবাচক সংলাপে বসেছেন এবং তারা গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত একটি চুক্তির ব্যাপারে মতৈক্যে পৌঁছেছেন। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি, কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দিয়েছেন যে ডেনমার্কের এই দ্বীপটি ঘিরে তার পরিকল্পনার বিরোধীতাকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর থেকে আরোপিত শুল্ক তুলে নেওয়া হচ্ছে। ফলে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সংঘাত এড়াতে পেরেছে এবং সঙ্গে সঙ্গেই মার্কেটে অনিশ্চয়তা হ্রাস পেয়েছে। ডলারের দর সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং EUR/USD পেয়ারের মূল্য আগামী কয়েক মাস ধরে 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যে অবস্থান করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1706522014.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বুধবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে শুধুমাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন সেশনের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1755 এরিয়া থেকে 1-পিপ মার্জিনে বাউন্স করে এবং এরপর দিনের বাকি সময় ধরে দরপতনের ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। ফলে নতুন ট্রেডাররা সহজেই শর্ট পজিশন ওপেন করে দিনের শেষে অন্তত 40 পিপস মুনাফা করতে পেরেছেন।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে স্বল্পমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্য সম্ভবত 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমার দিকে ফিরে যাবে এবং তা পুনরায় ব্রেক করার চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে যেতে চাইবে। মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়েছে, তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট- রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রাধান্য বিস্তার করছে এবং ট্রেডাররা কার্যত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছে। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন করে লং পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1745–1.1755-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হলে নতুন করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যায়, যেখানে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। আজ ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। যুক্তরাষ্ট্র গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপির তৃতীয় মূল্যায়নসহ কয়েকটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে উৎপাদন মূল্য সূচকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইইউ-এর সঙ্গে মার্কিন বাণিজ্য সংঘাত সৃষ্টির সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় সম্ভবত এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা স্বাভাবিক স্তরে ফিরে আসবে। (https://ifxpr.com/4jOZySK)
Read more: https://ifxpr.com/4jOZySK
LIMAFX
2026-01-23, 03:03 PM
২৩ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/1882316789.jpg
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার প্রায় সারাদিন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনের শেষ নাগাদ ইউরোর দর 1.1754 লেভেল ফিরে আসে, যা সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান সাইডওয়েজ চ্যানেল 1.1400–1.1830-এর উপর সীমার খুব কাছাকাছি অবস্থিত। অনেক ট্রেডারের কাছেই ইউরোর দর বৃদ্ধির কারণ নাও স্পষ্ট হতে পারে। গতকাল জানা যায় যে ট্রাম্প ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যের ওপর আরোপিত শুল্কগুলো বাতিল করেছেন, যা পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের পরিকল্পনার বিরোধিতা করায় এই শুল্ক আরোপের হুমকি দেয়া হয়েছিল। এখন মনে হচ্ছে ভূরাজনৈতিক চাপ হ্রাস পেয়েছে এবং ইইউ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কোনো বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হবে না বলে আশা করা যায়। তবুও, সারাদিনই ডলারের দরপতন হচ্ছে। গতকাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদন একরকম উপেক্ষাই করা হয়েছে — জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার পূর্বাভাস অতিক্রম করেছিল, তবে ট্রেডাররা এটি তেমনভাবে বিবেচনায় নেয়নি। সমস্যা কী? সমস্যা হলো ট্রেডাররা ট্রাম্পকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত "সংবাদগুলোর" প্রতিক্রিয়া দিতে দিতে ক্লান্ত এবং মার্কিন শ্রমবাজারের দুর্বল পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কম সংখ্যক মানুষই বর্তমান মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হারকে সত্যি বলে মনে করে। ট্রাম্পের গৃহীত অবস্থানের কারণে ডলারের দরপতন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ মূলত ট্রেডারদের পক্ষ থেকে মার্কিন ডলারের জন্য একটি উপহার।
http://forex-bangla.com/customavatars/690059865.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। দুর্ভাগ্যবশত, এশিয়ান সেশন জুড়ে এই পেয়ারের মূল্য মাত্র 5 পিপসের জন্য 1.1666 লেভেলে পৌঁছাতে পারেনি; না হলে একটি চমৎকার বাই সিগন্যাল গঠিত হতো। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে স্বল্পমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্য সম্ভবত 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমার দিকে ফিরে যাবে এবং তা পুনরায় ব্রেক করার চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে যেতে চাইবে। মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়েছে, তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট- রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রাধান্য বিস্তার করছে এবং ট্রেডাররা কার্যত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছে। শুক্রবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 এরিয়া ব্রেক করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1800–1.1830-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে মূল্যের 1.1655–1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। আজ ইউরোজোন, জার্মানি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জানুয়ারি মাসের ম্যানুফ্যাকচারিং ও সার্ভিস সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচকসমূহ প্রকাশিত হবে। এছাড়া ইউরোপে ক্রিস্টিনা লাগার্ড ভাষণ দেবেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশিত হবে। (https://ifxpr.com/3M1oidZ)
Read more: https://ifxpr.com/3M1oidZ
LIMAFX
2026-01-26, 04:07 PM
শক্তিশালী মৌলিক প্রেক্ষাপটের সমর্থনে $5,000 পর্যন্ত স্বর্ণের বিস্ফোরক মূল্য বৃদ্ধি
http://forex-bangla.com/customavatars/255824442.jpg
মোমেন্টাম ইন্ডিকেটরগুলোতে উভয় অ্যাসেটেরই শক্তিশালী ওভারবট সিগন্যাল পাওয়া গেলেও, বিশ্লেষকরা এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পেছনে একটি দৃঢ় মৌলিক ভিত্তির বিষয়টি জোর দিয়ে বলছেন। শুধুমাত্র স্পেকুলেশনের উপর ভিত্তি করে স্বর্ণ ও রূপার দর বৃদ্ধি পাচ্ছে সেটি বিবেচনা করা ভুল হবে—বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মূল্যবান ধাতুর জন্য বেশ অনুকূল অবস্থায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো থেকে স্বর্ণের চাহিদা স্থিতিশীল রয়েছে, যা বাজেট শৃঙ্খলার প্রতি আস্থাহীনতার মধ্যে রিজার্ভ বৈচিত্র্যময় করার কাজে স্বর্ণের ভূমিকাকে শক্তিশালী করে: সরকারি ঋণগ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে ও ঋণ বজায় থাকা সংক্রান্ত অনিশ্চয়তার মধ্যে ফিয়াট বা নগদ কারেন্সিগুলো দুর্বল হচ্ছে। কিছুটা প্রশমিত হলেও ভূ-রাজনৈতিক পটভূমিতে এখনও চাপ বিরাজ করছে—ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা পরিত্যাগ করলেও এই আর্কটিক দ্বীপটি অধিগ্রহণের জন্য ইইউ-এর উপর চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছেন। এর ফলে ইউরোপীয় বিনিয়োগ কোম্পানি ও পেনশন ফান্ডগুলো তাদের বিনিয়োগ পুনর্মূল্যায়ন করতে বাধ্য হচ্ছে: উদাহরণস্বরূপ, ডেনমার্কের আকাদেমিকার পেনশন ফান্ড চলতি মাসের মধ্যে $100 মিলিয়ন ডলারের বন্ড বিক্রি করার কথা ঘোষণা করেছে, কারণ মার্কিন সরকারি ঋণের মাত্রা আরও বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে।
বিশ্বব্যাপী পরিস্থিতির সম্ভাব্য রূপান্তরের মধ্যে বিনিয়োগকারীরা তাদের পোর্টফোলিওর দুর্বলতা করতে ফিয়াট কারেন্সির বাইরেও এ বিশ্বের বাইরের কোনো অ্যাসেট দিয়ে সুরক্ষিত থাকতে প্ররোচিত হচ্ছে—যে ধারণার সাথে মূল্যবান ধাতু পুরোপুরিভাবে খাপ খায়। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো কর্তৃক অব্যাহত ক্রয় ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির কারণে স্বর্ণের মূল্য যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা কারেন্সির দরপতনের পটভূমিতে সঙ্গতিপূর্ণ; এটি কোনো স্পেকুলেটিভ বাবল নয় এবং স্বর্ণের মূল্য যতই হোক না কেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সম্ভবত এটি ক্রয় করা অব্যাহত রাখবে। এবং যদিও স্বর্ণের মূল্যের $5,000-এর লেভেলের দিকে বিশেষ নজর দেয়া হচ্ছে, মূল্যবান ধাতুটির আরও মূল্য বৃদ্ধির উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে—নিরাপদ বিনিয়োগের খ্যাতি ও ডলারের দরপতন স্থিতিশীল সুদের হারের মত সুবিধা ছাপিয়ে গেছে। আগামী সপ্তাহের প্রধান ইভেন্ট হিসেবে—ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে—এই বৈঠকে হয়তো কোনো বড় ধরনের চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না: মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির হার স্থিতিশীল থাকায় ও শ্রমবাজারের ইতিবাচক পরিস্থিতির পটভূমিতে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যা নীতিমালা নমনীয় করার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে। CME ফেডওয়াচ টুল নিশ্চিত করছে যে জুন পর্যন্ত সুদের হার হ্রাসের কোনো প্রত্যাশা নেই, এবং সপ্তাহের শুরুতে উৎপাদন ও ভোক্তা মনোভাব সূচক মার্কেটে অস্থিরতার মাত্রা বৃদ্ধি করবে। অতএব, টেকনিক্যাল দিক থেকেও, দৈনিক চার্টে ওভারবট সিগন্যাল থাকা সত্ত্বেও স্বর্ণের মূল্যের বুলিশ প্রবণতা বজায় রয়েছে। (https://ifxpr.com/4rcPTb0)
Read more: https://ifxpr.com/4rcPTb0
SaifulRahman
2026-01-27, 06:23 PM
২৭ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/2048578557.jpg
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছিল, কিন্তু এই পেয়ারের মূল্য 1.1908 লেভেলের উপরে অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি। তবে, এটি কোনো উল্লেখযোগ্য বিষয় নয়। আমরা প্রায় নিশ্চিত যে ইউরোপীয় মুদ্রার দর বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। গতকাল, এই পেয়ারের মূল্য 1.1400-1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেল থেকে বেরিয়ে এসেছে, যেখানে মূল্য 7 মাস ধরে অবস্থান করেছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন বছরে মার্কিন ডলার থেকে বিনিয়োগ দূরে সরিয়ে নেওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের মতে, ডলারের ভাগ্য ইতোমধ্যেই পূর্বনির্ধারিত। ট্রেডাররা গতকাল প্রকাশিত মার্কিন ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের তুলনামূলক ইতিবাচক ফলাফলও উপেক্ষা করেছে। নভেম্বরের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়েও ইতিবাচক ছিল, কিন্তু মার্কেটে কোনো উচ্ছ্বাস দেখা যায়নি। বৈশ্বিক মৌলিক কারণগুলো ব্যাপকভাবে মার্কেটে প্রভাব ফেলছে এবং একারণে এই পেয়ারের মূল্য আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। প্রতি ঘন্টার টাইমফ্রেমে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা এখন ট্রেন্ডলাইন দ্বারা সমর্থিত। বর্তমানে কোনো টেকনিক্যাল বা মৌলিক কারণ নেই যা ইউরোর দরপতনের ইঙ্গিত দেয়।
http://forex-bangla.com/customavatars/574181311.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, সোমবার বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, কিন্তু আমরা কিছু লেভেল সমন্বয় করেছি, তাই আমরা কেবল পুরনো লেভেলে গঠিত সিগন্যালটিই লক্ষ্য করেছি। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময়, এই পেয়ারের মূল্য 1.1908 লেভেল থেকে বাউন্স করেছিল, যা একটি সেল সিগন্যাল ছিল। এর পরে, এই পেয়ারের মূল্য কমপক্ষে ১৫ পিপস কমেছে, এবং আজ আরও দরপতন হতে পারে।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। সোমবার রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800–1.1830 এবং মূলত 1.1400–1.1830-এর এরিয়ার উপরে স্থিতিশীল অবস্থান গ্রহণ করায় এই পেয়ারের মূল্য সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছে বলে ধরা হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই আমরা ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে অথবা 1.1908-এর লেভেল ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করতে পারবেন। গতকাল এই পেয়ারের মূল্য 1.1908 লেভেল থেকে বাউন্স করায় মূল্যের 1.1830-1.1837-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা সম্ভব হয়েছিল। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1908, 1.1970-1.1988। আজ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সাপ্তাহিক ADP প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে এবং ইউরোজোনে ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ড বক্তব্য দেবেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদন বা লাগার্ডের বক্তব্য মার্কেটে খুব একটা প্রভাব বিস্তার করবে না বলে আমরা ধারণা করছি। (https://ifxpr.com/3M9rfJw)
Read more: https://ifxpr.com/3M9rfJw
LIMAFX
2026-01-28, 06:25 PM
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৮ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/1656138429.jpg
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 153.45-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি ডলার বিক্রি করিনি এবং স্বাভাবিকভাবেই নিম্নমুখী মুভমেন্টটি কাজে লাগাতে পারিনি। মার্কিন ভোক্তা আস্থা সূচকের তীব্র পতনের পর জাপানি ইয়েনের দর ডলারের বিপরীতে পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। কনফারেন্স বোর্ড সূচকে নথিভুক্ত ভোক্তা আস্থার পতন বৃহত্তম বিশ্ব অর্থনীতির দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতার উদ্বেগ বেড়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা ডলারের বাইরে অন্য মুদ্রাগুলোর প্রতি ঝুঁকছে—উদাহরণস্ব ূপ জাপানি ইয়েন—যার ফলে ডলারের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। কারেন্সি মার্কেটে ব্যাংক অব জাপানের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের জল্পনা থেকেও ইয়েন বাড়তি সহায়তা পেয়েছে। যদিও জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রেখেছে, তবে তা বর্তমানে ইয়েনকে শক্তিশালী করার জন্য পর্যাপ্ত নয় এবং কারেন্সি মার্কেটে হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত জল্পনা অব্যাহত রয়েছে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/621775768.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 153.60-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 152.89-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 153.60-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 152.41-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 152.89 এবং 153.60-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 152.41-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 151.54-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 152.89-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 152.41 এবং 151.54-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। (https://ifxpr.com/4rjUatw)
Read more: https://ifxpr.com/4rjUatw
BDFOREX TRADER
2026-01-29, 06:08 PM
২৯ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/1334649888.jpg
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের কারেকশন হয়েছে এবং মূল্য নিকটতম সাপোর্ট লেভেল 1.3763-এ পৌঁছেছে। সারাদিন সম্পূর্ণরূপে টেকনিক্যাল কারণে ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতন হয়েছে, কারণ যুক্তরাজ্য বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। সন্ধ্যায় ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক শেষ হওয়ার পর স্পষ্ট হয় যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণভাবে মার্চ মাসেই মুদ্রানীতি নমনীয়করণ কার্যক্রম শুরু করতে পারে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে সম্ভাব্য "শাটডাউনের" সম্ভাবনা এতে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। এক্ষেত্রে বহু সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীকে গত ছয় মাসে দ্বিতীয়বারের মতো ছুটিতে পাঠানো হতে পারে এবং ফেড অনির্দিষ্টকালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন থেকে বঞ্চিত হবে। পাওয়েল সতর্ক করেছেন যে প্রতিবেদন ছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্ধভাবে সিদ্ধান্ত নেবে না। সুতরাং সার্বিক পরিস্থিতি "শাটডাউনের" ওপর নির্ভরশীল, তবুও এতে ব্রিটিশ পাউন্ডের উপর কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। বৃহস্পতিবার সকালে পাউন্ডের মূল্য আবারও গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেভেলের কাছাকাছি অবস্থান করছে।
http://forex-bangla.com/customavatars/301144752.jpg
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি চমৎকার ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 এরিয়া থেকে বাউন্স করেছিল, এরপর মার্কিন সেশনে মূল্য 1.3763 পর্যন্ত নেমে আবারও সেখান থেকে দুইবার বাউন্স করেছে। এই সিগন্যালটি কাজে লাগিয়ে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করে বেশ ভালোই মুনাফা অর্জন করতে পারতেন। 1.3763 লেভেল থেকে দু'বারের বাউন্সের ফলে গঠিত সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে সম্ভবত ট্রেড করা হয়নি, যদিও ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক থাকা সত্ত্বেও ট্রেডিং সিগন্যালটি লাভজনক ছিল।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। মধ্যমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যায়ে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি নেই, তাই আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা এই পেয়ারের মূল্যকে শিগগিরই 1.4000-এর দিকে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা এখনও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে বাঁধা সৃষ্টি করছে। বৃহস্পতিবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3763-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন করলে নতুন লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানের মূল্যের 1.3891-1.3912-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ: 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, 1.3763, 1.3814-1.3832। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তাই আজ ট্রাম্প বিষয়ক সংবাদ ও টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর ওপর দৃষ্টিপাত করা উচিত। (https://ifxpr.com/4pZI9Ip)
Read more: https://ifxpr.com/4pZI9Ip
Montu Zaman
2026-01-30, 02:43 PM
৩০ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/1765705124.jpg
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের দুর্বল মাত্রার নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত ছিল, যা গত কয়েক সপ্তাহের তীব্র মূল্য বৃদ্ধির পর ঘটেছে। গতকাল মার্কেটে মৌলিক অর্থনৈতিক পটভূমির প্রভাব খুব একটা পরিলক্ষিত হয়নি, এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কিছুদিন পর প্রথমবারের মতো নতুন কোনো শুল্ক আরোপ করেননি, কোনো সামরিক অভিযান শুরু করেননি বা কাউকে হুমকি-ধামকিও দেননি। ফলশ্রুতিতে, গত পরশু ফেডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত মার্কেটে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে ফেড কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়নি বা ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতিতে কোনো পরিবর্তন আনার ঘোষণা দেয়নি, তাই ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া জানানোর মতো কিছুই ছিল না। তবুও আগামী ২৪–৪৮ ঘন্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালাতে পারে। বর্তমানে ইরানের উপকূলের কাছে একটি বড় মার্কিন বিমানবাহী নৌবহর অবস্থান করছে, যা একবারে প্রায় 300 টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে সক্ষম। সম্ভবত ইরান পারমাণবিক চুক্তি চূড়ান্ত করতে অস্বীকৃতি জানানোয় ওয়াশিংটন শীঘ্রই তেহরান ও অন্যান্য শহরের ওপর হামলা চালাবে। সেই কারণে মার্কেটের স্থিতিশীল পরিস্থিতি স্পষ্টতই অস্থায়ী হতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/917080051.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি কার্যকর ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1970-1.1980 এরিয়া থেকে তিনবার বাউন্স করেছে এবং শেষ পর্যন্ত নিকটতম লক্ষ্যমাত্রা 1.1908-এ পৌঁছায়। এই তিনটির মধ্যে শেষ দুইটি বাউন্সের ফলে গঠিত সিগন্যাল নতুন ট্রেডাররাও কাজে লাগাতে পারত। 1.1908 লেভেল থেকে সংঘটিত বাউন্সটি নিখুঁত ছিল, যা লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ করে দিয়েছিল। দিনের শেষে এই পেয়ারের মূল্য আবার 1.1970-1.1980 এরিয়ায় ফিরে আসে এবং তৎক্ষণাৎ পুনরায় বাউন্স করে।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। সোমবার রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800-1.1830 এরিয়ার উপরে এবং মূলত 1.1400-1.1830 রেঞ্জের উপরে কনসোলিডেট করায় সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছে বলে ধরা হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই আমরা ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। শুক্রবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1908 লেভেল থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1970-1.1980 এবং 1.2044-1.2056-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1908-এর নিচে কনসোলিডেট করে তাহলে শর্ট পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানের মূল্যের 1.1830-1.1837-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ জার্মানিতে বেকারত্বের হার, গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতিসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ইউরোজোনে গত বছরের চতুর্থ ত্রৈমাসিক প্রান্তিকের জিডিপি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) প্রকাশিত হবে। এসব প্রতিবেদনের প্রভাবে মার্কেটে তুলনামূলকভাবে সংযত প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। একইসাথে রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে হবে (https://ifxpr.com/4rsaMPP)
Read more: https://ifxpr.com/4rsaMPP
BDFOREX TRADER
2026-02-02, 05:54 PM
স্বর্ণের ওপর চাপ তীব্র হচ্ছে
http://forex-bangla.com/customavatars/645331535.jpg
আজও স্বর্ণের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। গত শুক্রবার কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র দরপতনের পর স্বর্ণের মূল্য পুনরায় $5,000-এর নিচে নেমে এসেছে। রূপাও ধ্বংসাত্মকভাবে দরপতনের শিকার হয়েছে, যা রেকর্ড উত্থানের সমাপ্তি ঘটিয়েছে—সার্বিক বিশ্লেষণ অনুসারে এই মুভমেন্ট অনেকটাই তীব্র ও দ্রুত ছিল। স্বর্ণের স্পট মূল্য প্রায় 8% কমে গেছে এবং গত বৃহস্পতিবার অর্জিত রেকর্ড উচ্চতা থেকে প্রায় এক‑পঞ্চমাংশ হ্রাস পেয়েছে আছে। সোমবার রূপার দর আরও 14.6% হ্রাস পেয়েছে, যা আগের সেশনে 23% দৈনিক দরপতনের পরে ঘটেছে—রেকর্ড অনুযায়ী যা সবচেয়ে তীব্র দরপতন ছিল। নতুন করে ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতা মার্কেটে লিকুইডিটি কমিয়ে দিচ্ছে। বহু বিনিয়োগকারীর ধারণা, স্বর্ণ ও রূপার মূল্যের বর্তমান লেভেলেই উল্লেখযোগ্যভাবে ওভারবট কন্ডিশন বিরাজ করছে এবং ক্রেতারা দৃঢ়ভাবে ফিরতে হলে আরও যুক্তিসঙ্গত সাপোর্ট লেভেল দরকার। যেমনটি উপরে উল্লেখ করা হয়েছে, গত সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুগুলোর মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোয় ট্রেডারদেরও বিস্মিত করেছে। জানুয়ারিতে স্বর্ণ ও রূপার মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ত্বরান্বিত হয়েছিল, কারণ বিনিয়োগকারীরা ভূ‑রাজনৈতিক অস্থিরতা, জাতীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতার ওপর হুমকির পুনরুত্থানের মাঝে স্বর্ণ ও রূপায় বিনিয়োগ করা শুরু করেছিল। চীনের স্বর্ণের প্রবণতাও এই উত্থানকে ত্বরান্বিত করেছিল। মার্কেটের অনুমানমূলক গতিবিধি উপেক্ষা করা যায় না। মূল্যের স্বল্পমেয়াদী ওঠানামা কাজে লাগাতে অ্যালগরিদমিক ট্রেডিং ও হেজ‑ফান্ডগুলোর কার্যক্রম অস্থিরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শান্ত থাকা এবং আতংকিত বা অতিরঞ্জিত উদ্দীপিত না হয়েছে মৌলিক বিশ্লেষণের উপর নির্ভর করা অপরিহার্য।নিকটমে াদী দৃষ্টিভঙ্গি বেশ অনিশ্চিত। ভূ‑রাজনীতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন মূল্যবান ধাতুগুলো মূল্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করবে। এছাড়া দরপতনের সময় চীনা বিনিয়োগকারীরা কতটা সক্রিয়ভাবে স্বর্ণে বিনিয়োগ করবে সেটির মার্কেটের পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে।
http://forex-bangla.com/customavatars/978865392.jpg
গত শুক্রবার মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কেভিন ওয়ার্শকে ফেডের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনোয়ন দেয়ার ঘোষণার প্রভাবে স্বর্ণ ও রূপার ব্যাপক দরপতন হয়েছে। সেই সংবাদ প্রতিবেদনের প্রভাবে ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের সেই প্রত্যাশা কমে গেছে যে মার্কিন প্রশাসন দুর্বল জাতীয় মুদ্রার বিষয়টিকে সহনশীল দৃষ্টিতে দেখবে সহ্য করবে।রূপার ক্ষেত্রে, চীনে রূপা ক্রয়ের প্রবণতা অভ্যন্তরীণভাবে সরবরাহ সংকটকে তীব্র করেছিল, তবে মার্কেটে নিম্নমুখী প্রবণতার ফলে বিনিয়োগ চাহিদা কমলে ওই প্রবণতা শিথিল হতে পারে। স্বর্ণের টেকনিক্যাল দৃশ্যপট অনুযায়ী, ক্রেতাদের স্বর্ণের মূল্যকে নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স লেভেল $4,591-এ পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করা উচিত। ওই লেভেল ব্রেক করলে স্বর্ণের মূল্যের $4,647‑এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এবং যা ব্রেক করে ওপরে ওঠা বেশ কঠিন হবে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে আপাতত প্রায় $4,708 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, স্বর্ণের মূল্য $4,481‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ দখল করার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর জন্য বড় ধাক্কা হবে এবং স্বর্ণের মূল্য দ্রুতই $4,432 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, পরবর্তীতে $4,372‑এর দিকেও দরপতন হতে পারে। (https://ifxpr.com/4teebmM)
Read more: https://ifxpr.com/4teebmM
Tofazzal Mia
2026-02-03, 06:33 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩ ফেব্রুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/712902037.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1845 লেভেল টেস্ট করেছে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। ডলার ক্রয়ের প্রবণতা ব্যাপক বৃদ্ধির পেছনে ISM উৎপাদন সূচকের ইতিবাচক ফলাফল কাজ করেছে, যা 50-এর স্তর অতিক্রম করেছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এই ফলাফলকে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সংকেত হিসেবে বিবেচনা করেছে। তবে এই পেয়ারের মূল্যের ভবিষ্যৎ মুভমেন্ট ইউরোজোনে আগত প্রতিবেদনের ফলাফল এবং ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের বক্তব্যের ওপর নির্ভর করবে, যা পরিস্থিতিকে অত্যন্ত অস্থির করে তুলছে এবং এজন্য ট্রেডারদের এই বিষয়গুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। ফ্রান্সের ভোক্তা মূল্য সূচকের (CPI) প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেয়া হবে। যদি প্রকৃত ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি আসে, তাহলে এটি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রানীতি কঠোর করার প্রত্যাশা জোরদার করতে পারে, যা তাত্ত্বিকভাবে ইউরোকে সহায়তা করবে। স্পেনের বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ সূচক না হলেও, বেকারত্বের হার বড় ধরনের হ্রাস পেলে সেটি স্পেনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিতে পারে এবং ইউরোকে সহায়তা করবে; বিপরীতে বেকারত্ব বাড়লে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দৃঢ়তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে পারে। এই দুইটি মূল সূচকের পাশাপাশি বাজার মার্কেটের ট্রেডাররা ইসিবির প্রতিনিধিদের বিবৃতিও ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1754378927.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1849-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1824-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1849-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1801-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1824 এবং 1.1849-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1801-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1778-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1824-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1801 এবং 1.1778-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। (https://ifxpr.com/4ar8Y3I)
Read more: https://ifxpr.com/4ar8Y3I
SaifulRahman
2026-02-05, 05:35 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৫ ফেব্রুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/1066956943.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3695‑এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ড বিক্রির জন্য সঠিক সেল এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলে এই পেয়ারের মূল্য ৩০ পিপসেরও বেশি কমেছে। শ্রমবাজার সংক্রান্ত ADP প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলের প্রভাব ISM পরিষেবা খাতভিত্তিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল দ্বারা আংশিকভাবে প্রশমিত হয়েছে। কিছুটা ইতিবাচক সংকেত সত্ত্বেও শ্রমবাজারে এখনও দুর্বলতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সাধারণত সরকারি কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের পূর্বাভাস হিসেবে বিবেচিত ADP প্রতিবেদনে নিয়োগের হারে কিছুটা মন্থরতা পরিলক্ষিত হয়েছে। তবুও ISM পরিষেবা খাতভিত্তিক প্রতিবেদনের অপ্রত্যাশিতভাবে শক্তিশালী ফলাফল দ্বারা বিনিয়োগকারীদের আশাবাদ সমর্থিত হয়েছে — যা মার্কিন অর্থনীতির অন্যতম মূল উপাদান। আজ যুক্তরাজ্যের নির্মাণ খাতভিত্তিক PMI সূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়াও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটি মূল সুদের হারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে, এর পরে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলির বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে।ব্রিটিশ অর্থনীতির বর্তমান অবস্থার মূল্যায়ন এবং নিকট ভবিষ্যতে মুদ্রানীতি সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা নির্ধারণে এই বৈঠকের ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি ও মন্থর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে। অ্যান্ড্রু বেইলির বক্তব্য নিঃসন্দেহে ঘনিষ্ঠভাবে বিশ্লেষণ করা হবে, কারণ ট্রেডাররা সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার যৌক্তিকতা সম্পর্কে জানতে ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে ধারণা পেতে চাইবে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 ও 2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3649-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3623-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3649-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3597-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3623 এবং 1.3649-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3597-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3566-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে অগ্রসর হলে আজ পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3623-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3597 এবং 1.3566-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে। (https://ifxpr.com/3M3DKq9)
Read more: https://ifxpr.com/3M3DKq9
DhakaFX
2026-02-06, 12:18 PM
মার্কিন শ্রমবাজার থেকে মিশ্র সংকেত পরিলক্ষিত হচ্ছে
http://forex-bangla.com/customavatars/232747754.jpg
গতকাল মার্কিন ডলারের ওপর অল্প সময়ের জন্য চাপ সৃষ্টি হয়। কারণ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে যে জানুয়ারিতে মার্কিন কোম্পানিগুলোতে প্রত্যাশার তুলনায় কম কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে—এটি বছরের শুরুতে শ্রমবাজার পরিস্থিতি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা নির্দেশ করে। বুধবার ADP রিসার্চ জানিয়েছে যে বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের সংখ্যা 22,000 বেড়েছে, যা অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের কাছাকাছিও পৌঁছায়নি। কর্মসংস্থান খাটের এই দুর্বল পরিসংখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে, বিশেষ করে যখন মাত্রই গত বছরের শেষ শ্রমবাজার পরিস্থিতির পুনরুদ্ধারের চিহ্ন দেখা যেতে শুরু হয়েছিল। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এই অপ্রত্যাশিত মন্থরতা এই ইঙ্গিত দেয় যে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক নির্ধারিত উচ্চ সুদের হার মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর বড় আঘাত হানছে। গত কয়েক মাসে স্থিতিশীলতার কিছু লক্ষণ দেখা গেলেও, বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থানের হার বৃদ্ধির মন্থরতা জানুয়ারিতে শ্রমবাজার পরিস্থিতি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনাই নির্দেশ করে। ডাও ইনকর্পোরেটেড ও আমাজন ইনকর্পোরেটেড সহ কয়েকটি বড় কোম্পানি সম্প্রতি কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে, তবু সাম্প্রতিক প্রাথমিক বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনে ব্যাপক মাত্রায় কর্মী ছাটাইয়ের ইঙ্গিত মিলছে না। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মসংস্থানের হার সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। সবমিলিয়ে প্রথমদিকে নিয়োগ কার্যক্রমে অর্থপূর্নভাবে পুনরুদ্ধার থাকলেও কর্মসংস্থানের বৃদ্ধির গতি ধীর হয়েছে। প্রতিবেদন আরও উল্লেখ আছে যে পেশাদার ও ব্যবসায়িক সেবাখাতে জুনের পর থেকে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে। বড় কোম্পানিগুলো কর্মীসংখ্যা কমিয়েছে, আর ৫০ জনের কম কর্মী থাকা ব্যবসাগুলো মোটামুটি বেশিরভাগ কর্মী ধরে রেখেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী চাকরি পরিবর্তনকারী কর্মীদের মধ্যে গড়ে 6.4% জনের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় 1.0 শতাংশ পয়েন্ট কম। যেসকল কর্মী একই চাকরিতে ছিল তাদের বেতনের অগ্রগতিও মাত্রাতিরিক্ত ছিল।
http://forex-bangla.com/customavatars/2024103022.jpg
প্রতিবেদন অনুযায়ী চাকরি পরিবর্তনকারী কর্মীদের মধ্যে গড়ে 6.4% জনের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় 1.0 শতাংশ পয়েন্ট কম। যেসকল কর্মী একই চাকরিতে ছিল তাদের বেতনের অগ্রগতিও মাত্রাতিরিক্ত ছিল। উপরিউক্ত কারণগুলোর জন্য এই প্রতিবেদনটির ফলাফল কারেন্সি মার্কেটে তাৎক্ষণিকভাবে সীমিত মাত্রায় প্রভাব বিস্তার করেছে। EUR/USD‑এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস অনুযায়ী, ক্রেতাদের পুনরায় এই পেয়ারের মূল্যকে 1.183 লেভেলে নিয়ে আসার কথা ভাবা উচিত। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1870 লেভেল টেস্ট করার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1910‑এ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ব্যতীত এই পেয়ারের মূল্যের এই লেভেলের ওপরে অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1950 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। দরপতনের ক্ষেত্রে, সম্ভবত মূল্য 1.1780‑এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে দেখা যাবে। সেখানে ক্রেতারা সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1730‑এ নতুন নিম্ন লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1700 থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। GBP/USD‑এর ক্ষেত্রে, পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3625 লেভেলে নিয়ে যাওয়া উচিত। কেবলমাত্র তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3655-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিয়ে যেতে পারবে; এই লেভেলে ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3690 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3595‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর গুরুতর আঘাত হানবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3565 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখান থেকে পরবর্তীতে প্রায় 1.3540‑এর লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। (https://ifxpr.com/4bDdFsr)
Read more: https://ifxpr.com/4bDdFsr
LIMAFX
2026-02-09, 06:11 PM
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৯ ফেব্রুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/969899362.jpg
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 156.86-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দিয়েছে। এই কারণে আমি ডলার বিক্রি করিনি। জাপানে বাড়তি অস্থিরতার সাথে কারেন্সি মার্কেটে সাপ্তাহিক ট্রেডিং সেশন শুরু হয়েছে, যা গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনের ফলাফলের কারণে পরিলক্ষিত হচ্ছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দল বিজয়ী হওয়ার খবর ইয়েনের বিনিময় হারে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলছে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও প্রত্যাশাকে উস্কে দিচ্ছে। ভোটারদের আস্থায় প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির জয় জাপানের অভ্যন্তরীণ ও বৈদিশিক নীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে বিবেচিত হবে। তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাকাইচির অংশীদারিত্বকে সীমাহীন হিসেবে বর্ণনা করা বক্তব্যটি, যা নিঃসন্দেহে মার্কিন পক্ষের কাছেই ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে—এতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমর্থনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই রাজনৈতিক ঢেউয়ে ইয়েনের মূল্য আরও অস্থির হয়ে উঠে এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হয়। এই দর বৃদ্ধির প্রবণতা সম্ভবত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তাকাইচির নেতৃত্বে আরও পূর্বানুমেয়, স্থিতিশীল অর্থনৈতিক নীতিমালার প্রত্যাশার কারণে দেখা যাচ্ছে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/159723455.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 157.21-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 156.70-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 157.21-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 156.32-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 156.70 এবং 157.21-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 156.32-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 155.88-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 156.70-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 156.32 এবং 155.88-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। (https://ifxpr.com/3ZlRgZg)
Read more: https://ifxpr.com/3ZlRgZg
LIMAFX
2026-02-10, 04:13 PM
১০ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/2078111272.jpg
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের তীব্র উর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। গতকাল কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও ছিল না, শুধুমাত্র চীন থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায় যে দেশটির সরকার চীনা ব্যাংকগুলোকে মার্কিন সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকার "পরামর্শ" দিয়েছে। এই খবরের প্রভাবে মার্কেটে আবারো মার্কিন ডলারের চাহিদা হ্রাস পেতে পারে। তবে এটি ছাড়াও ডলারের দরপতনের যথেষ্ট কারণ ছিল। কয়েক সপ্তাহ আগে এই পেয়ারের মূল্য সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছিল—যা একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল। দীর্ঘমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হয়েছে, তাই আমরা কেবলমাত্র এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধিরই প্রত্যাশা করছি। অবশ্যই করেকশন হবে; গত সপ্তাহে আমরা এমন একটি করেকশন হতে দেখেছি। কিন্তু সামগ্রিকভাবে আমরা শীঘ্রই ইউরোর মূল্যের 1.20 লেভেলের ওপরে যাওয়ার প্রত্যাশা করছি। ২০২৬ সালে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির কোনো সীমা থাকবে না বলে মনে করা হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত সিদ্ধান্ত যতটাই আলোচিত ও বিতর্কিত হবে, বিশ্বমঞ্চে ততটাই ডলারের দরপতন ঘটবে বলে আমরা ধারণা করছি।
http://forex-bangla.com/customavatars/322313133.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের ঠিক শুরুতেই একটি চমৎকার সিগন্যাল গঠিত হয়। এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়, যা নতুন ট্রেডারদের জন্য তুলনামূলকভাবে সহজে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ দিয়েছিল। মার্কিন সেশনের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়া অতিক্রম করে। ফলে ট্রেডাররা তাদের লং পজিশন বেশ ভালো মুনাফার সাথে ক্লোজ করতে পেরেছিল বা আরও বেশি মুনাফার আশায় ওপেন করে রেখেছিল।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী করেকশন অব্যাহত রয়েছে, যা শীঘ্রই আবার উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রূপ নিতে পারে। মনে করিয়ে দেই যে এই পেয়ারের মূল্যের সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। যদি সত্যিই তা হয়ে থাকে, তবে ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরুদ্ধার হয়েছে। অতএব, আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ডলারের দরপতনের প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি বেশ চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে, যা ইউরোর মূল্যের আরও উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা নির্দেশ করে। মঙ্গলবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1830-1.1837-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেশন করলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1970-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে ADP (সাপ্তাহিক) শ্রমবাজার প্রতিবেদন এবং খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল মার্কেটে সামান্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে কিন্তু মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা কম। (https://ifxpr.com/4qo0Hm5)
Read more: https://ifxpr.com/4qo0Hm5
BDFOREX TRADER
2026-02-13, 03:50 PM
১৩ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/41508415.jpg
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ন্যূনতম ওঠানামা পরিলক্ষিত হয়েছে এবং সম্পূর্ণরূপে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক ট্রেডিং করা হয়েছে। মনে হচ্ছে মার্কেটে বুধবার প্রকাশিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রভাব এখনও বজায় রয়েছে। মনে করিয়ে দিচ্ছি যে ঐ দিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেকারত্ব হার 4.3%-এ নেমে গিয়েছিল এবং জানুয়ারিতে নন-ফার্ম পেরোল 130,000 বৃদ্ধি পেয়েছে। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, পুরো ২০২৫ সালের নন-ফার্ম পেরোল পরিসংখ্যানে প্রায় অর্ধ মিলিয়ন কর্মসংস্থান কমিয়ে সংশোধন করা হয়েছিল, যা ইঙ্গিত দেয় যে গত বছর মার্কিন অর্থনীতিতে মাসিক ভিত্তিতে গড়ে মাত্র 19,000টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। আমাদের দৃষ্টিতে, এটি ডলারের দরপতনের আরেকটি কারণ ছিল। প্রত্যেক সপ্তাহে মার্কিন প্রতিবেদনের প্রতি আস্থা কমে যাচ্ছে কারণ পরিসংখ্যানগুলোতে একরকম ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু নির্দেশ করে। যেকোনো ক্ষেত্রে, ডলারের ইতিবাচক প্রবণতা বজায় রয়েছে, মার্কেটের ট্রেডাররা মার্কিন সামষ্টিক প্রতিবেদনের আরেকটি দুর্বল ফলাফল উপেক্ষা করেছে, এবং ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে প্রবণতা নির্ধারণ করা এখন বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।
http://forex-bangla.com/customavatars/655263926.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোন ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। সারাদিন জুড়ে এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে এবং কোনো লেভেলের কাছাকাছি যায়নি। তাই নতুন ট্রেডারদের জন্য পজিশন ওপেন করার কোনো ভিত্তি ছিল না।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী করেকশন এখনও কার্যকর আছে, তবে শীঘ্রই আবার উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হতে পারে। মনে রাখবেন যে এই পেয়ারের মূল্যের সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। যদি সত্যিই তা হয়ে থাকে, তবে ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরুদ্ধার হয়েছে। অতএব, আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ডলারের দরপতনের প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি বেশ চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে, যা ইউরোর মূল্যের আরও উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা নির্দেশ করে। শুক্রবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে বা 1.1899-1.1908 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেশন 1.1830-1.1837 এরিয়া বাউন্স করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1970-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ ইউরোজোনে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। তবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলতি সপ্তাহের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। (https://ifxpr.com/3MuDTTx)
Read more: https://ifxpr.com/3MuDTTx
Montu Zaman
2026-02-16, 06:38 PM
GBP/USD পেয়ারের বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস
http://forex-bangla.com/customavatars/243828585.jpg
GBP/USD পেয়ারের মূল্যের সীমিত গতিশীলতার সাথে নতুন সপ্তাহ শুরু হয়েছে, এই পেয়ার 1.3660 লেভেলের ঠিক নিচে একটি সংকীর্ণ রেঞ্জে ট্রেড করছে। সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট বেশ মিশ্র অবস্থায় রয়েছে, তাই মার্কেটের আগ্রাসী ট্রেডারদের অপেক্ষা ও ধৈর্য ধারণ করা উচিত, কারণ এই সপ্তাহে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং বুধবার সর্বশেষ ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের ভবিষ্যত মুদ্রানীতি সংক্রান্ত পদক্ষেপের ব্যাপারে প্রত্যাশা গঠন করবে, বিশেষত মার্চে সুদের হার 25 বেসিস পয়েন্টের হ্রাস সম্পর্কে পূর্বাভাসের আলোকে। অতএব, উক্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের মুভমেন্টের প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। এছাড়াও বুধবার প্রকাশিতব্য ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠকের কার্যবিবরণীর দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত, যা ফেডারেল রিজার্ভের নীতিমালা নমনীয়করণ সংক্রান্ত পদক্ষেপ সম্পর্কে আরো স্পষ্ট সংকেত দিতে পারে। এটি স্বল্পমেয়াদে মার্কিন ডলার এবং GBP/USD-এর মূল্যের ওঠা-নামার ক্ষেত্রে নতুন গতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে যুক্তরাজ্যের মাসিক খুচরা বিক্রয় সূচক এবং যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ব্যবসায়িক কার্যকলাপ সংক্রান্ত PMI সূচক প্রকাশিত হবে, যা সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে স্বল্পমেয়াদী ট্রেডিং সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত মার্কিন ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতির প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল ফলাফল জুনে ফেড কর্তৃক সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। একই সময়ে, ট্রেডাররা 2026 সালে ফেড কর্তৃক অন্তত দুইবার সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনা মূল্যায়ন করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা সম্পর্কে উদ্বেগ এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের সমন্বয় ঐতিহ্যবাহীভাবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। GBP/USD-এর জন্য আরো একটি সহায়ক কারণ হলো যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনার শিথিলতা, যা আগ্রাসীভাবে শর্ট পজিশন ওপেন করার সম্ভাবনাকে সীমিত করছে এবং শর্ট ট্রেড বা বৃহৎ মাত্রায় দরপতনেরপ্রত্যাশা করার ব্যাপারে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। জেফ্রি এপেস্টেইন সংক্রান্ত কেলেঙ্কারির মধ্যে, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারামার তাঁর ক্যাবিনেট ও লেবার পার্টি এমপিদের প্রতি সমর্থন নিশ্চিত রেখে রাজনৈতিক সমর্থন বজায় রেখেছেন, যা চিফ অব স্টাফ পদ থেকে মর্গান ম্যাকসুইনির পদত্যাগের ঘটনাটির পর ঘটেছে। টেকনিক্যাল দিক থেকে, এই পেয়ারের মূল্য তিনটি মুভিং অ্যাভারেজ এবং 1.3660 লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার চেষ্টা করছে। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স 1.3700-এ অবস্থান করছে। এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেল অতিক্রম করলেই ক্রেতাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে, যদিও দৈনিক চার্টে অসিলেটরগুলো বর্তমানে পজিটিভ জোনে রয়েছে এবং উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা বাড়াবে। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেলগুলো ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হতে ব্যর্থ হয়, তবে মূল্য সম্ভবত 1.3600-এর রাউন্ড লেভেলের দিকে নেমে যাবে। (https://ifxpr.com/4qDwxuW)
Read more: https://ifxpr.com/4qDwxuW
DhakaFX
2026-02-17, 06:27 PM
১৭ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/709877380.jpg
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়নি। গতকাল এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা 30 পিপসেরও নিচে ছিল, এবং ইউরোর মূল্য কচ্ছপগতিতে ঠিক ঐ 30 পিপসই হ্রাস পেয়েছে। দিনের শেষে এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 1.1837-এর কাছাকাছি ছিল। উল্লেখযোগ্য একমাত্র সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন হিসেবে ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা আরও একবার ট্রেডার বা ইউরোর জন্য সন্তোষজনক ফলাফল প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা আগেও বহুবার বলেছি যে এই মুহূর্তে ইউরোপীয় সামষ্টিক প্রতিবেদন থেকে কোনো ধরনের সহায়তার আশা করা যায় না। সমস্যাটা আরও জটিল কারণ মার্কিন সামষ্টিক প্রতিবেদনেও আরও বেশি নেতিবাচক ও পরস্পরবিরোধী ফলাফল পরিলক্ষিত হচ্ছে। ইউরোপীয় অর্থনীতির অন্তত কিছুটা স্থিতিশীল থাকার প্রত্যাশা রয়েছে এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখছে, সেখানে মার্কিন অর্থনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে এবং ফেডারেল রিজার্ভ কোনো না কোনোভাবে আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণের দিকে যাবে। ফলস্বরূপ, মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক প্রেক্ষাপট বেশ দুর্বল রয়ে গেছে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1484300585.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। সারাদিন এই পেয়ারের মূল্য কোনো নির্দিষ্ট লেভেল বা জোনের কাছাকাছি পৌঁছায়নি, তাই নতুন ট্রেডারদের কাছে পজিশন ওপেন করার জন্য কোনো ভিত্তি ছিল না।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত আছে, যা শীঘ্রই পুনরায় উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রূপ নিতে পারে। মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে এই পেয়ারের মূল্যের সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। যদি সত্যিই তাই হয়, তাহলে ২০২৬ সালের শুরু থেকে দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হয়েছে। সুতরাং আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ডলারের দরপতনের প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে, ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও উর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। তবে বর্তমানে মার্কেটে আরেকবার স্থবির পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেশন হলে শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1745-1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1899-1.1908-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ ইউরোজোনে জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি ও ZEW ইকোনোমিক সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশিত হবে। আমরা এই প্রতিবেদনগুলোকে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করছি এবং মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার আশা করছি না। যুক্তরাষ্ট্রে তুলনামূলকভাবে স্বল্প গুরুত্বপূর্ণ সাপ্তাহিক ADP শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রকাশিত হবে। (https://ifxpr.com/3MJdWjn)
Read more: https://ifxpr.com/3MJdWjn
Tofazzal Mia
2026-02-18, 06:25 PM
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৮ ফেব্রুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/1942305149.jpg
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের ওপরে উঠতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 153.17-এর লেভেল টেস্ট করেছিল—যা ডলার কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 153.65-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশ সত্ত্বেও, ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের আরও সতর্ক মন্তব্যের কারণে স্বল্পমেয়াদে মার্কিন মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সদস্য অস্টান গুলসবি মন্তব্য করেছে যে যদি মুদ্রাস্ফীতির হার ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে তাহলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সক্রিয়ভাবে সুদের হার হ্রাসের জন্য প্রস্তুত থাকবে—এ ধরনের বক্তব্য ডলারের ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। ট্রেডাররা এই মন্তব্যকে এমন ইঙ্গিত হিসেবে গ্রহণ করেছে যে যদি মুদ্রাস্ফীতির হার প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুতগতিতে হ্রাস পায় তাহলে ফেড দীর্ঘসময় ধরে সুদের হার উচ্চস্তরে বজায় রাখার পরিকল্পনা করছে না। আগাম ভিত্তিতে মুদ্রানীতি নমনীয় করার ইঙ্গিত দিয়ে গুলসবি আসলে বিনিয়োগকারীদের ডলারভিত্তিক অ্যাসেটের আকর্ষণীয়তা পুনর্মূল্যায়ন করার কারণ দিয়েছেন—বিশেষত জাপানি ইয়েনের বিপরীতে। আজ জাপানে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রসঙ্গে বলা যায় জানুয়ারির বাণিজ্য উদ্বৃত্ত সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল তীব্রভাবে ইয়েন ক্রয়ের প্ররোচনা সৃষ্টি করেনি। বাণিজ্য উদ্বৃত্তের ইতিবাচক ফলাফল অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল, যা মূলত ইয়েনের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে উদ্দীপিত করতে পারত, তবুও ইয়েনের মূল্যে কেবল সামান্য প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 ও 2 বাস্তবায়নের উপর বেশি গুরুত্ব দেব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1022780344.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 153.93-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 153.61-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 153.93-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 153.43-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 153.61 ও 153.93-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 153.43-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 153.12-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 153.61-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 153.43 এবং 153.12-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। (https://ifxpr.com/46Uj22Y)
Read more: https://ifxpr.com/46Uj22Y
Powered by vBulletin® Version 4.1.9 Copyright © 2026 vBulletin Solutions, Inc. All rights reserved.