PDA

View Full Version : Gbp/usd: ট্রেডের অ্যানালাইসিস- ২০২৬



SaifulRahman
2026-01-05, 04:09 PM
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3469 লেভেল টেস্ট করছিল, যেটি স্বাভাবিকভাবেই GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। এই কারণেই আমি পাউন্ড ক্রয় করিনি। ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর গ্রেফতারের পরও ব্রিটিশ পাউন্ডের উপরে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হয়নি। এই ঘটনাগুলোর কারণে এই পেয়ারের উপর সীমিত মাত্রার প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, যার মূল কারণ হচ্ছে—কিছু বিনিয়োগকারী তাদের বিনিয়োগ 'নিরাপদ' খাতে সরিয়ে নিতে তৎপর হয়েছেন। তবে সামগ্রিকভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে এই ঘটনার প্রভাব খুব বড় পরিসরে পড়বে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, ভেনেজুয়েলা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বড় কোনো ভূমিকা পালন করে না, এবং এর প্রভাব কেবল আঞ্চলিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে। তারপরও, এই ঘটনাগুলো আবারও মনে করিয়ে দেয় যে ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি কত দ্রুত গোটা অর্থবাজার ও অর্থনীতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আজ সকালের মধ্যে যুক্তরাজ্য থেকে যে প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে: অনুমোদিত বন্ধকী ঋণের সংখ্যা, ভোক্তাদের ব্যক্তিগত ঋণপ্রদান ও M4 মানি সাপ্লাইয়ের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। এই সূচকগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের আর্থিক ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা এবং ভোক্তাদের আস্থা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব। বিশেষভাবে, M4 মানি সাপ্লাইয়ের গতিশীলতা বিশ্লেষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ, যদি M4 মানি সাপ্লাইয়ের শক্তিশালী বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়, অথচ সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তেমনভাবে গতিশীল না থাকে, তাহলে এটি উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস দিতে পারে। যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড, তাদের মুদ্রানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই প্রতিবেদনের ফলাফলগুলোকে অতিরিক্ত সহায়ক নির্দেশক হিসেবে বিবেচনায় রাখে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/856133819.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3454-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3435-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3454-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ পাউন্ডের খুব বেশি মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3420-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3435 এবং 1.3454-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/2070517041.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3420-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3399-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের নেতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3435-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3420 এবং 1.3399-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/434571

Montu Zaman
2026-01-06, 07:24 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৬ ডিসেম্বর।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3445 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলস্বরূপ, GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3424–এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিচে নেমে আসে। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের মাঝামাঝি সময়ে, 1.3461 লেভেল টেস্ট করার সময় MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে অগ্রসর হতে শুরু করেছিল—যার মাধ্যমে পাউন্ড কেনার সুযোগ পাওয়া যায়। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য ৩০ পয়েন্টেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। আজ সকালে GBP/USD পেয়ারের মূল্য সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ লেভেলের কাছাকাছি কনসোলিডেশন করছে এবং একটি সংকীর্ণ রেঞ্জের মধ্যেই অবস্থান করছে। ট্রেডাররা এখন 'অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের' পদ্ধতির অবলম্বন করছে এবং ভবিষ্যত পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছে। গতকাল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট বেশ শক্তিশালী ছিল, তবে এই মূল্য বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নতুন কোনো শক্তিশালী মৌলিক চালকের প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে মার্কেটের ট্রেডাররা যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র—উভয় দেশের আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রকাশের দিকে নজর দিচ্ছে। আজ সকালে যুক্তরাজ্যে পরিষেবা খাতে PMI এবং কম্পোজিট PMI প্রকাশিত হবে। এই সূচকগুলো দেশটির অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থা বোঝার জন্য এবং পাউন্ডের মূল্যের ভবিষ্যত মুভমেন্ট পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সূচকগুলোর মাধ্যমে ব্যবসায়িক মনোভাব এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন ঘটে। যদি এই সূচকগুলোর মূল ফলাফল প্রত্যাশিত ফলাফলের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে তা পাউন্ডকে সহায়তা করতে পারে, এবং এটি যুক্তরাজ্যে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সংকেত হিসেবে দেখা যেতে পারে—ফলে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সুদের হার হ্রাসে বিরতি দেওয়ার বিষয়ে আরও অনুপ্রাণিত হতে পারে। অন্যদিকে, প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে তা ব্যবসায়িক সতর্কতা এবং মন্থর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত দিতে পারে, যার প্রেক্ষিতে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড আরও নমনীয় মুদ্রানীতি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিতে পারে—যা পাউন্ডের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের উপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1018454869.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3600-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3563-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3600-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্যের শক্তিশালী বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3542-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3563 এবং 1.3600-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3542-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3507-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের নেতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3563-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3542 এবং 1.3507-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/434693

DhakaFX
2026-01-07, 07:01 PM
৭ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/1521309877.jpg
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার GBP/USD পেয়ারের সামান্য দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, যদিও ব্রিটিশ কারেন্সির ক্ষেত্রে এর জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য মৌলিক কারণ ছিল না। মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, ইউরোর দরপতনের মূল কারণ হিসেবে জার্মানির মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিবেচিত হচ্ছে, যা ২০২৬ সালে ইসিবির মুদ্রানীতি নমনীয়করণ কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে এই অনুমানের সত্যতা সম্পর্কে আজ উত্তর পাওয়া যাবে, যখন ইউরোপীয় ইউনিয়নে ডিসেম্বর মাসের মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যেকোনো অবস্থাতেই, জার্মানির মূল্যস্ফীতি ব্রিটিশ পাউন্ডের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তবুও, ইউরো ও পাউন্ডের পুরনো আন্তঃসম্পর্কের ভিত্তিতে মার্কেটে এমন একটি প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। যখন একটি কারেন্সির মূল্য হ্রাস পায়, তখন প্রায়শই অন্যটির ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা দেয়। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে, যা EUR/USD পেয়ারের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে না। তবে আমরা মনে করি না, ইউরোর মূল্যের এই নিম্নমুখী প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদি হবে—বরং আমরা আশা করছি শীঘ্রই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ফিরে আসবে এবং ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ড উভয় কারেন্সির মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হবে। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.3529–1.3543 লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়, এবং মার্কিন সেশনে একই লেভেল থেকে নিচের দিকে রিবাউন্ড করে। অর্থাৎ, নতুন ট্রেডারদের জন্য শর্ট পজিশন ওপেন করার যুক্তিযুক্ত সুযোগ তৈরি হয়। দিনের শেষে এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ২০ পয়েন্ট হ্রাস পায়, যদি স্টপ লস ব্রেকইভেনে সেট করা হতো তাহলে এই সেল ট্রেডটি সহজেই ওপেন রাখা যেত। বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ড লাইনের নিচে কনসোলিডেট করলেও, আমরা এখনো বাস্তবিক অর্থে কোনো নিম্নমুখী প্রবণতা দেখতে পাচ্ছি না। মধ্যমেয়াদে ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সৃষ্টির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো মৌলিক কারণ নেই, তাই আমরা শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশাই করছি। পাশাপাশি, আমরা এখনও মনে করি যে ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে GBP/USD পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 লেভেলে নিয়ে যেতে পারে। বুধবার, নতুন ট্রেডাররা মঙ্গলবার গঠিত দুটি সেল সিগন্যালের ভিত্তিতে শর্ট পজিশন হোল্ড করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3437–1.3446 লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি আবার 1.3529–1.3543 লেভেল থেকে রিবাউন্ড ঘটে, তাহলে তা নতুন করে শর্ট পজিশন ওপেন করার আরেকটি সংকেত হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে যদি এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেলের উপরে কনসোলিডেট করে, তাহলে লং পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3574–1.3590 লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে নিম্নলিখিত লেভেলগুলো থেকে ট্রেড করা যেতে পারে: 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3437–1.3446, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682, 1.3763। বুধবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তবে যুক্তরাষ্ট্রে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, সেগুলো হচ্ছে ADP শ্রমবাজার–সংক্রা ্ত প্রতিবেদন, JOLTs চাকরির শূন্যপদসংক্রান্ত প্রতিবেদন, এবং ISM পরিষেবা খাতের PMI সূচক। এই তিনটি প্রতিবেদনের ফলাফলই মার্কেটে উল্লেখযোগ্য অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/434795

SUROZ Islam
2026-01-08, 05:04 PM
GBP/USD পেয়ারের পর্যালোচনা, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
http://forex-bangla.com/customavatars/1269776246.jpg
বুধবার GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের তুলনামূলকভাবে দুর্বল ট্রেডিং কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয়েছে, যা নির্ধারিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় যথেষ্ট গ্রহণযোগ্য ছিল। মনে করিয়ে দেওয়া ভালো যে, এ সপ্তাহে মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও শ্রমবাজার নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উৎপাদক মূল্য সূচক, মূল মুদ্রাস্ফীতি, সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি, এবং পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার মূল্য সূচক। বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনের মধ্যে রয়েছে বেকারত্ব হার ও সাপ্তাহিক প্রাথমিক বেকারভাতা আবেদন। আর শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের মধ্যে রয়েছে JOLTS থেকে চাকরির শূন্যপদ, ADP থেকে বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান, এবং নন ফার্ম পেরোল সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। উপরোক্ত অধিকাংশ প্রতিবেদনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত হবে। এখানে আমরা যে বিষয়টি বোঝাতে চাচ্ছি তা একটু পরিষ্কার করা যাক—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির হার যথার্থভাবে মূল্যায়ন করা যায় কেবলমাত্র ভোক্তা মূল্য সূচকের মাধ্যমে। মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত বাকি অন্যান্য প্রতিবেদন মূলত মূল সূচকের সহ-সূচক। ঠিক তেমনি, বেকারত্ব পরিস্থিতি বিশ্লেষণের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সূচক হলো বেকারত্ব হার। আর শ্রমবাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণে সবচেয়ে প্রকৃত ও কার্যকরী তথ্য প্রদান করে ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদন। এটা কোনো গোপন বিষয় নয় যে ADP থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল প্রায়শই সঠিক তথ্য প্রতিফলিত করে না এবং মার্কিন শ্রমবাজারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাতের পরিসংখ্যান অন্তর্ভুক্তই থাকে না। JOLTS থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন মূলত চাকরির শূন্যপদের সংখ্যা নির্দেশ করে, কিন্তু এতে মার্কিন জনগণের কর্মসংস্থানের বাস্তব পরিবর্তন প্রতিফলিত হয় না। তাছাড়া, এই প্রতিবেদন সাধারণত দুই মাস বিলম্বে প্রকাশিত হয়। সুতরাং, কেবলমাত্র ননফার্ম পেরোল, বেকারত্ব হার, এবং ভোক্তা মূল্য সূচকের উপর ভিত্তি করে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব। এর মধ্যে প্রথম দুটি প্রতিবেদন শুক্রবার প্রকাশিত হবে, আর মার্কিন ভোক্তা মূল্য সূচক আগামী সপ্তাহে প্রকাশ করা হবে। এখন চলুন ফেডের সদস্যদের মতবিরোধের কথায় ফিরে যাই। এটিকে "আনুষ্ঠানিক মতবিরোধ" বলা হয় কেন? কারণ, কমিটির মাত্র তিনজন সদস্য—স্টিভেন মিরান, মিশেল বোম্যান এবং ক্রিস্টোফার ওয়ালার—মূল সুদের হার হ্রাস করার পক্ষে অবস্থান করছেন এবং এই তিনজনই, কোনো না কোনোভাবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ট্রাম্প বিগত এক বছর ধরেই ফেডারেল রিজার্ভের কাছে আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। অপরদিকে, ফেডের বাকি সদস্যরা ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখে দুটি প্রধান ম্যান্ডেট—মূল্যস থিতি ও পূর্ণ কর্মসংস্থান—এই দুই লক্ষ্যমাত্রার ব্যাপারে সমান গুরুত্ব প্রদান করছেন। ফলস্বরূপ, ফেডের ৯ জন ভোটার মূলত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের ভিত্তিতে সুদের হার পরিবর্তন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেন। যেহেতু 'ট্রাম্প সমর্থিত' এই তিনজন সদস্য ব্যালট প্রক্রিয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ নন, তাই তাদের অবস্থান বর্তমানে কোনো কার্যকর প্রভাব ফেলছে না। আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে তাই বলাই যায়—এখানে প্রকৃত অর্থে কোনো স্বার্থের সংঘাত নেই। ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল গত ডিসেম্বরে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি 'বিরতি' দরকার। ফলে জানুয়ারিতে ফেডের আর্থিক নীতিমালায় বড় কোনো পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে এর মানে এই নয় যে, শ্রমবাজার, বেকারত্ব এবং মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছে। বরং এই প্রতিবেদনগুলোর মাধ্যমেই ভবিষ্যত নীতিমালা সংক্রান্ত পরিবর্তনের ব্যাপারে ট্রেডারদের প্রত্যাশা বা পূর্বাভাস গঠিত হয়। এবং ট্রেডাররা চিরকালই আগেভাগে এই প্রত্যাশাগুলো 'মূল্যায়ন' করে নেয়, যাতে করে সর্বোচ্চ মুনাফা আদায় করা যায়।
http://forex-bangla.com/customavatars/549126490.jpg
এখন পর্যন্ত ব্রিটিশ পাউন্ড চমৎকার প্রযুক্তিগত ও মৌলিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এটির মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা বজায় রয়েছে। গত পাঁচ দিনের ট্রেডিংয়ে GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের গড় ভোলাটিলিটি হচ্ছে ৮০ পয়েন্ট, যা ব্রিটিশ পাউন্ড/মার্কিন ডলার পেয়ারের জন্য "গড়" হিসেবে বিবেচনা করা যায়। সুতরাং, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি আমরা GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3393 এবং 1.3553 লেভেলের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করবে বলে প্রত্যাশা করছি। সিনিয়র লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে, যা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে। গত কয়েক মাসে CCI ইনডিকেটর ছয়বার 'ওভারসোল্ড' জোনে প্রবেশ করেছে এবং একাধিক বুলিশ ডাইভারজেন্স গঠিত হয়েছে, যা ধারাবাহিকভাবে ট্রেডারদেরকে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার বিষয়ে আগেভাগেই সতর্কবার্তা দিচ্ছে। নিকটতম সাপোর্ট লেভেল: S1 – 1.3428S2 – 1.3306S3 – 1.3184 নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল: R1 – 1.3550R2 – 1.3672R3 – 1.3794 ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য আবারও ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু করার চেষ্টা করছে এবং এই পেয়ারের মূল্যের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রাগুলো এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক গৃহীত নীতিমালা এখনও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির উপর নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করছে, তাই আমরা মার্কিন ডলারের শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধির আশা করছি না। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে যতক্ষণ মূল্য মুভিং অ্যাভারেজ লাইনের উপরে অবস্থান করছে ততক্ষণ GBP/USD পেয়ারে লং পজিশন ওপেন করা প্রাসঙ্গিক রয়ে যাবে, যেখানে মূল্যের 1.3550 এবং 1.3672 লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য মুভিং অ্যাভারেজ লাইনের নিচে চলে আসে, তাহলে টেকনিকাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে মূল্যের 1.3393 লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। মাঝেমধ্যে বৈশ্বিক পর্যায়ে মার্কিন ডলারের মূল্য কিছু কারেকশনাল মুভমেন্ট প্রদর্শন করে থাকে, তবে প্রবণতা-ভিত্তিক শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির জন্য বাণিজ্যযুদ্ধের অবসান বা অন্য কোনো বৈশ্বিক ইতিবাচক ঘটনার লক্ষণ স্পষ্টভাবে উদ্ভূত হতে হবে। চিত্রের ব্যাখা:

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/434892

SaifulRahman
2026-01-09, 04:22 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৯ জানুয়ারি
http://forex-bangla.com/customavatars/2130333133.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই পেয়ারের মূল্য 1.3435 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা ব্রিটিশ পাউন্ড বিক্রি করার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য ২০ পয়েন্ট হ্রাস করেছিল। আজ, যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে কোনো অর্থনৈতিক সূচক বা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ার ফলে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে। ফলে, মার্কেটের ট্রেডারদের দৃষ্টি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে নিবদ্ধ থাকবে—বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিতব্য শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন ওপর। তাই ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় GBP/USD পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কম। ব্রিটিশ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের অনুপস্থিতি পাউন্ডের জন্য এক ধরনের "বিরতি" নিয়ে আসবে, যার ফলে সাম্প্রতিক বিক্রির প্রবণতার পর এই পেয়ারের মূল্য স্থিতিশীল হওয়ার সুযোগ পেতে পারে। তবে এই স্থিতিশীল পরিস্থিতি বেশিক্ষণ বজায় থাকবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তখন মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন প্রতিবেদন—বিশেষ করে কর্মসংস্থান ও মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল—বৈশ্বিক কারেন্সি মার্কেটে প্রবল প্রভাব ফেলতে পারে, যার আওতা থেকে ব্রিটিশ পাউন্ডও বাদ পড়বে না। এই কারণেই, পাউন্ডের ট্রেডারদের বাড়তি সতর্কতা ও পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেয়ার সক্ষমতা বজায় রাখা প্রয়োজন। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং পরিকল্পনা ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/879694687.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3475-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3438-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3475-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ পাউন্ডের উল্লেখযোগ্য মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3422-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3438 এবং 1.3475-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3422-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলের নিচে নেমে যাওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3386-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। নতুন নিম্নমুখী প্রবণতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে আজ পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3438-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3422 এবং 1.3386-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435037

Montu Zaman
2026-01-12, 06:41 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১২ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/882028849.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি স্পষ্টভাবেই শূন্যের বেশ উপরে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3420 লেভেল টেস্ট করে—ফলে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে। মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশের পরেও ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। এটি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে মার্কিন শ্রমবাজার এখন পরস্পরবিরোধী সংকেত দিচ্ছে, যা ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে। এখন বিনিয়োগকারীরা ভাবছেন, ফেড কীভাবে এই অস্পষ্ট ফলাফলের প্রতিক্রিয়া জানাবে? তারা কি ধীরগতিতে সুদের হার কমানোর পথেই অটল থাকবে, নাকি নতুন প্রতিবেদন বিশ্লেষণে কিছুটা অপেক্ষার অবস্থানে যাবে? আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা নেই—ফলে সকালের দিকে পরিলক্ষিত পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের কর্মকর্তাদের যেকোনো বক্তব্যের দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া উচিত—কারণ নীতিগত দৃষ্টিকোণের দিক থেকে যেকোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত, বিশেষ করে মুদ্রানীতি নমনীয়করণের দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত পাওয়া গেলে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পাউন্ড ক্রয়ের আগ্রহ দ্রুত কমে যেতে পারে। আজকের দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।

বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3475-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3439-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3475-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র সকালের প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3420-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3439 এবং 1.3475-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1387944045.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3420-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3388-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্যের নতুন নিম্নমুখী প্রবণতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে আজ পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3439-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3420 এবং 1.3384-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435181

SumonIslam
2026-01-13, 04:10 PM
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে—যার পেছনে মূল কারণ ছিল ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বিরুদ্ধে অপরাধ তদন্ত শুরুর খবর। পরিস্থিতি নিয়ে জেরোম পাওয়েল নিজেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং একে তিনি হোয়াইট হাউজ কর্তৃক ফেডকে চাপে রাখার ধারাবাহিক ফলাফল বলে অভিহিত করেছেন। এই খবরের প্রভাবে মার্কেট মার্কিন ডলার ব্যাপকভাবে বিক্রির প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে—যা মার্কিন ডলারের দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতার আরেকটি উপাদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে; বিশেষ করে যেহেতু এই প্রবণতা গত এক বছরে ক্রমান্বয়ে অব্যাহত থাকতে দেখা গেছে। গত কয়েক সপ্তাহে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের তুলনামূলকভাবে ফ্ল্যাট বা সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে, নিম্নমুখী বা ঊর্ধ্বমুখী নয় বললেই চলে। তবে সামগ্রিকভাবে এখনো এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা মার্কিন ডলারের ওপর ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলবে। এমনকি তার ভূরাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাও "নিরাপদ বিনিয়োগ" হিসেবে মার্কিন ডলারকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবে না। উল্লেখ্য, বছরের শুরুতেই ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালায়। বর্তমানে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা করছেন এবং কিউবা ও মেক্সিকোতে 'শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার' ঘোষণা দিয়েছেন। এসব ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে সোমবার সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের কোনো ধরনের প্রভাব দেখা যায়নি।
http://forex-bangla.com/customavatars/1440843696.jpg
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি বাই ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়, যা মঙ্গলবারও প্রাসঙ্গিক থাকবে। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য কার্যকরভাবে 1.3437–1.3446 এরিয়া ব্রেক করায় নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পান। এই মুভমেন্টের লক্ষ্যমাত্রা 1.3529–1.3543 এরিয়ায় নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আমরা মনে করিয়ে দিতে চাই—মার্কেটে তুলনামূলকভাবে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করবে, যদি না ব্যতিক্রমধর্মী কোনো খবর প্রকাশ পায়। যেমনটি গতকাল ঘটেছিল।
http://forex-bangla.com/customavatars/1443246966.jpg
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইনের নিচে অবস্থান করলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হয়নি। বরং, এখানে আরেকটি ফ্ল্যাট রেঞ্জ গঠিত হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ আপাতত দৃশ্যমান নয়—সে কারণে, আমরা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতারই পূর্বাভাস দিচ্ছি। সার্বিকভাবে, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা রাখছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই GBP/USD পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 লেভেলে নিয়ে যেতে পারে। মঙ্গলবার, নতুন ট্রেডাররা যদি দেখতে পান যে এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়ার নিচে স্থিতিশীলও হয়েছে, তাহলে শর্ট পজিশনের কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3319–1.3331 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, সোমবার যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এর উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.3529–1.3543 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3437–1.3446, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682, 1.3763। মঙ্গলবার, যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর মাসের মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা ফেডের জানুয়ারি মাসের বৈঠকের ফলাফল এবং মূল সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435275

Tofazzal Mia
2026-01-15, 06:26 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৫ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/634105654.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3442-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে। কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয়বারের মতো 1.3442 লেভেলের টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে ছিল, যা পাউন্ডের বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা নং 2 বাস্তবায়নের সুযোগ করে দিয়েছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 20 পিপসের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের নভেম্বরের মার্কিন উৎপাদক মূল্যস্ফীতি সম্পর্কিত প্রতিবেদনের ফলাফল ডলারের জন্য সহায়ক ছিল। উৎপাদক স্তরের মুদ্রাস্ফীতি ত্বরান্বিত হলে সেটি সাধারণত ভোক্তা মূল্য সূচকের বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়, যা সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতির হার উর্ধ্বমুখী করতে পারে। ট্রেডাররা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করেছে—ডলারের দর পাউন্ডের বিপরীতে বৃদ্ধি পেয়েছে। ডলারের এই মূল্য বৃদ্ধি এই কারণে হয়েছে যে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যাওয়ায় সুদের হারের বিষয়ে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণ অবস্থান গ্রহণের প্রত্যাশা বেড়েছে। যুক্তরাজ্যে প্রকাশিতব্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল পাউন্ড স্টারলিংয়ের মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। যুক্তরাজ্যের জিডিপি দেশটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণে মূল সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়, যা উৎপাদিত পণ্য ও পরিষেবার মোট মূল্যকে প্রতিফলিত করে। জিডিপিতে আরও একটি পতন ঘটলে সেটি অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা বাড়াতে পারে এবং পাউন্ডকে দুর্বল করতে পারে। শিল্প উৎপাদনের পরিবর্তনও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক; শিল্প উৎপাদনে বৃদ্ধি মূলত ভোক্তা চাহিদা ও কার্যক্রম বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়, যা সাধারণত জাতীয় মুদ্রাকে সহায়তা করে, আর সূচকটি হ্রাস পেলে তা ভোক্তা চাহিদা ও কার্যক্রমের হ্রাস নির্দেশ করতে পারে। বাণিজ্য উদ্বৃত্ত সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল সম্ভবত GBP/USD পেয়ারের মূল্যের খুব বেশি মুভমেন্ট ঘটাতে সক্ষম হবে না, তবে উদ্বৃত্ত কমলে তা পাউন্ডের দরপতন হওয়ার একটি কারণ হিসেবে দেখা যেতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 ও নং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1209892873.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3460-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3435-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3460-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র আসন্ন জিডিপি প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3422-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3435 এবং 1.3460-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3422-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3397-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যুক্তরাজ্যে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3435-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3422 এবং 1.3397-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435529

Montu Zaman
2026-01-19, 06:59 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৯ জানুয়ারি
http://forex-bangla.com/customavatars/973582868.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3395-এর লেভেল টেস্টটি করেছিল, যা পাউন্ড বিক্রির সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলে এই পেয়ারের 25 পিপস দরপতন হয়েছে। গত শুক্রবার পাউন্ডের বিপরীতে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রেডাররা যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, যেখানে উৎপাদন খাতে পুনরুদ্ধার পরিলক্ষিত হচ্ছে এবং এতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতার উদ্বেগ কমে গেছে। ফেডের কর্মকর্তাগণ তাদের বক্তব্যে বলেছেন যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করার জন্য এবং মুদ্রাস্ফীতির হার লক্ষ্যমাত্রায় ফিরিয়ে আনার জন্য বর্তমানে সুদের হার কার্যকর পর্যায়ে রয়েছে। তারা শ্রমবাজার পরিস্থিতির স্থিতিশীলতা এবং শক্তিশালী ভোক্তা চাহিদাকেও অর্থনীতিকে সমর্থনকারী বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এসব বক্তব্য মার্কেটে প্রবলভাবে এই প্রত্যাশা জোরদার করেছে যে ফেড সুদের হ্রাসের পদক্ষেপের ক্ষেত্রে বিরতি নিতে পারে। আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ায় ট্রেডারদের দৃষ্টি গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতির দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন আগ্রহ কেবল অঞ্চলটির সমৃদ্ধ খনিজ সম্পদের প্রতি—বিশেষত পরিবেশবান্ধব-জ্বালানির জন্য প্রয়োজনীয় বিরল ধাতুর প্রতি সীমাবদ্ধ নয়—বরং দ্বীপটির কৌশলগত অবস্থানও সমুদ্রপথ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সুবিধা প্রদান করে। আরেকটি ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, এবং ট্রেডাররাও ইতোমধ্যেই এ রকম সম্ভাব্য ঝুঁকির ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 এবং 2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1758082950.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3445-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3412-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3445-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র সকালের প্রবণতার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3389-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3412 এবং 1.3445-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3389-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3354-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো সময় পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3412-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3389 এবং 1.3354-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435756

DhakaFX
2026-01-20, 06:43 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২০ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/1077013440.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.3414-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। 1.3414-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারবট এরিয়ায় ছিল এবং এর ফলে সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা নং ২ বাস্তবায়নের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল; তবুও বাস্তবে পাউন্ডের দরপতন হয়নি। গতকাল অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের মতোই পাউন্ডের উচ্চ চাহিদা বজায় ছিল—বিশেষত মার্কিন ডলারের বিপরীতে, যা গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র হওয়ায় দুর্বল হতে থাকে। আজ সকালে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচকের প্রকাশের আশা করা যাচ্ছে, যা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করতে পারে। যুক্তরাজ্যে বেকারভাতা আবেদন বৃদ্ধি পেলে তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতা এবং কর্মসংস্থান হার পতনের ইঙ্গিত দিতে পারে, যা পাউন্ডের মূল্যকে প্রভাবিত করবে। এরপর বেকারত্ব হার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। বেকারত্বের হার হ্রাস পেলে তা শ্রমবাজারের ইতিবাচক পরিস্থিতি নির্দেশ করে এবং মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলায় ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডকে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে অনুপ্রেরণা দিতে পারে; উল্টোদিকে উচ্চ বেকারত্বের হার প্রতিফলিত হলে সেটি দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অর্থনীতিকে উৎসাহিত করার জন্য পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করতে পারে। একই সময়ে গড় মজুরির হার প্রকাশিত হবে, যা মুদ্রাস্ফীতির চাপ মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি মজুরি বৃদ্ধির হার উৎপাদনশীলতার হার বৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে যায়, তবে তা মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির দিকে নিয়ে যেতে পারে এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দিনের প্রথমার্ধে ব্যাংক অভ ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি বক্তব্য দেবেন। বিনিয়োগকারীরা ভবিষ্যৎ আর্থিক নীতিমালা ব্যাপারে ইঙ্গিত খোঁজার জন তাঁর মন্তব্য বিশ্লেষণ করবেন। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি প্রধানত পরিকল্পনা নং ১ ও নং ২ বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1300712004.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3481-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3451-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3481-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র সকালের প্রবণতার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3427-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3451 এবং 1.3481-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3427-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3395-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো সময় পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3451-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3427 এবং 1.3395-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435872

BDFOREX TRADER
2026-01-21, 06:45 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২১ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/709105368.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3463-এর লেভেল টেস্ট করে, যা পাউন্ড বিক্রি করার সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নিশ্চিত করেছিল। ফলশ্রুতিতে, এই পেয়ারের 20 পিপস দরপতন ঘটেছে। যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল দিনের প্রথমার্ধে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছিল, কিন্তু পরবর্তীতে মার্কেটের ট্রেডাররা গ্রিনল্যান্ড পরিস্থিতির দিকে মনোযোগ দেওয়ায় সেই প্রভাব ম্লান হয়ে যায়। মনে রাখা উচিত যে যুক্তরাজ্যও দ্বীপটির ওপর মার্কিন দাবির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি তুচ্ছ একটি ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা মনে হওয়া সত্ত্বেও দ্রুতই এটি কারেন্সি মার্কেটের মুভমেন্ট নির্ধারণকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত হয়েছে। সাধারণত অর্থনৈতিক সূচকের উপর দৃষ্টিপাত করে থাকে এমন বিনিয়োগকারীরাও এখন আর্কটিক অঞ্চল থেকে আসা খবরগুলো ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করছেন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর এর সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করার চেষ্টা করছেন। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের হস্তক্ষেপ অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে সংঘাতের তীব্রতার বিষয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র করেছে। এর আগে মনে হচ্ছিল বাণিজ্য-সংঘাত মূলত শুল্কযুদ্ধের ওপর কেন্দ্রীভূত রয়েছে, কিন্তু এখন বিষয়টিতে ভূখণ্ডীয় দাবি ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপকেও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর ফলে মার্কেটের ট্রেডাররা সামগ্রিক ঝুঁকি পুনর্মূল্যায়ন করতে হচ্ছে এবং তারা নিরাপদ বিনিয়োগ খুঁজতে শুরু করেছে, যা অনিবার্যভাবে ব্রিটিশ কারেন্সির এক্সচেঞ্জ রেটের উপর প্রভাব ফেলছে। সামষ্টিক প্রতিবেদনের বিষয়ে বলতে গেলে, আজ দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্যের ভোক্তা মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যদি দেশটির মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হয়, তাহলে তা স্বল্পমেয়াদে পাউন্ডকে সহায়তা দিতে পারে, কারণ এটি ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড কর্তৃক আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে সামগ্রিক অনিশ্চয়তা ও গ্রিনল্যান্ড-সংক্রান্ত ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির প্রতি বাড়তি মনোযোগের মাঝে বিনিয়োগকারীরা কেবল ব্রিটিশ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদী সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে হচ্ছে না। বিপরীতভাবে, যদি মুদ্রাস্ফীতির হার পূর্বাভাসের চেয়ে কম হয়, তাহলে পাউন্ড চাপের সম্মুখীন হতে পারে, তবে দরপতনের মাত্রা সীমিত থাকারই সম্ভাবনা রয়েছে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং পরিকল্পনা 2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/481094907.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3478-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3445-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3478-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3430-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3445 এবং 1.3478-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3430-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3402-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি তীব্রভাবে হ্রাস পেলে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3445-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3430 এবং 1.3402-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436000

SaifulRahman
2026-01-22, 04:05 PM
২২ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/1751780170.jpg
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার বেশ অস্থিরতার সাথে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনের মধ্যে ট্রেডাররা কোন দিকের উপর ভিত্তি করে পাউন্ডের ট্রেড করবেন তা নির্ধারণ করতে পারেননি এবং প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সংবাদগুলোও বারবার বিভিন্নভাবে মার্কেটকে প্রভাবিত করেছে। দিনের শুরুতে যুক্তরাজ্যে ডিসেম্বরের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যেটির ফলাফল পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে প্ররোচনা দেওয়ার কথা ছিল। উল্লেখ্য যে যুক্তরাজ্যের ভোক্তা মূল্য সূচকের হার বৃদ্ধি পেয়ে পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের আসন্ন বৈঠকে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাব্যতা হ্রাস পেয়েছে। ফলে দিনের প্রথমার্ধে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট পাউন্ডের জন্য অনুকূল ছিল, তবু আমরা পাউন্ডের দরপতন হতে দেখেছি। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে অস্থিরতা শুরু হয়। ডাভোস ফোরামে ট্রাম্প দেরিতে উপস্থিত হন, জার্মান চ্যান্সেলরসহ অন্যান্য ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠেয় একটি বৈঠক বাতিল করতে হয়, কিন্তু ন্যাটোর সেক্রেটারি-জেনারেল মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত একটি চুক্তির ঘোষণা দেন এবং যুক্তরাজ্য ও ইইউ-এর অন্যান্য দেশের ওপর পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হতে যাওয়া শুল্ক তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন।
http://forex-bangla.com/customavatars/1729735127.jpg
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়, যেগুলো বেশ অনিশ্চিত ছিল। সকালে ইউরোপীয় সেশনের প্রায় অর্ধেক সময় এই পেয়ারের মূল্য স্থবির ছিল, তারপর হঠাৎ করে দরপতন শুরু হয়। এই মুভমেন্টকে কাজে লাগিয়ে 1.3437–1.3446 এরিয়াকে কেন্দ্র করে ট্রেড করে লাভ করা যেত। মার্কিন সেশনে এই পেয়ারের মূল্য আরও একবার ওই এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে, কিন্তু সেটিও অত্যন্ত বিশৃঙ্খল মুভমেন্ট ছিল।

বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। মধ্যমেয়াদে ডলারের শক্তিশালী হওয়ার জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না, তাই 2026 সালে আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে বলে আশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই মার্কিন ডলারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3403–1.3407-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়ার ওপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হলে নতুন লং পজিশন ওপেন করা যৌক্তিক হবে, যেখানে মূল্যের 1.3484–1.3489-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ: 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3365, 1.3403–1.3407, 1.3437–1.3446, 1.3484–1.3489, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না কোনো ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৃতীয় প্রান্তিকের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আজ সম্ভবত মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে, এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ওই স্বাভাবিক স্তরটিও যথেষ্ট কম ছিল।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436096

Tofazzal Mia
2026-01-23, 03:53 PM
২৩ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/894301944.jpg
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার শুধুমাত্র মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে জানা যায় যে মার্কিন অর্থনীতি গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে 4.4% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা পূর্বাভাস অতিক্রম করেছে। ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক বাতিলের ঘোষণা দেয়ার পর ডলারের দর বৃদ্ধির কথা ছিল; কিন্তু ট্রেডাররা উক্ত প্রতিবেদন কিংবা শুল্ক বাতিলের ঘটনার প্রতি তেমন গুরুত্ব দেয়নি। যেমনটি আগে বলেছি, আমরা মনে করি 2026 সালে ডলার আরও দরপতনের শিকার হবে। ট্রাম্পের সুরক্ষাবাদী নীতি বিনিয়োগকারীদের এবং মার্কেট মেকারদের ডলারে ট্রেডিং করার ইচ্ছাকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে—যা একসময় 'নিরাপদ বিনিয়োগ' হিসেবে বিবেচিত হত। নিঃসন্দেহে এটি এখন আর বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ নয়। টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনের উপরে কনসোলিডেট করেছে, ফলে এই কারণেও এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির আশা করা যায়।
http://forex-bangla.com/customavatars/1703639230.jpg
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, যেগুলোর প্রত্যেকটি নতুন ট্রেডাররা সহজেই কাজে লাগাতে পারতেন। মার্কিন সেশনের মধ্যভাগ পর্যন্ত এই পেয়ারের মূল্য কেবল 1.3403-1.3407 এবং 1.3437-1.3446 এরিয়ার মধ্যে বাউন্স করছিল; যেখানে মোট 7টি বাউন্স পরিলক্ষিত হয়। এই প্রতিটি সিগন্যাল থেকেই 10–15 পিপস লাভ করা যেতে পারত। পরে 1.3437-1.3446 রেঞ্জের উপরে কনসোলিডেশন ঘটায় নতুন লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যায়। এই পেয়ারের মূল্য নিকটস্থ লক্ষ্যমাত্রা 1.3484-1.3489-এ পৌঁছায় এবং এমনকি তা অতিক্রমও করে।

শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। মধ্যমেয়াদে ডলারের শক্তিশালী হওয়ার জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না, তাই 2026 সালে আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে বলে আশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই মার্কিন ডলারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শুক্রবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3484-1.3489 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3437-1.3446-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3437-1.3446 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন করলে পূর্বের লং পজিশন হোল্ড করে রাখা যেতে পারে বা নতুন লং ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে, এক্ষেত্রে মূল্যের 1.3529-1.3543-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, এবং 1.3682। শুক্রবার যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জানুয়ারি মাসের সার্ভিস এবং ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচক প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। যুক্তরাজ্যে রিটেইল সেলস প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশিত হবে। প্রতিটি প্রতিবেদনের ফলাফলই এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436211

Montu Zaman
2026-01-26, 04:21 PM
২৬ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/2091613129.jpg
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে, যা মূলত মৌলিক পটভূমির কারণে হয়েছে। মনে রাখা দরকার যে গত সপ্তাহে গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে উত্তেজনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ-এর মধ্যে সম্ভাব্য নতুন বাণিজ্যযুদ্ধ সম্পর্কিত চাপ চূড়ান্ত মাত্রায় পৌঁছায়। ট্রাম্প এই আর্কটিক দ্বীপটি জবরদখল করার বা কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত 10% শুল্ক আরোপ করার হুমকি দিয়েছিলেন। তবে বুধবার ডাভোসে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক ফোরামে সংকটের সমাধান হয়েছে। ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুট ট্রাম্পকে একটি সমাধান প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তবে এই চুক্তির বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনও জানা যায়নি। যাইহোক, শুল্ক প্রত্যাহার করা হচ্ছে এবং ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের ব্যাপারে তার পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করেছেন। সপ্তাহের শুরুতে ডলারের দরপতন হয় এবং সপ্তাহের শেষ দিকে এই দরপতন আরও ত্বরান্বিত হয়। এর কারণ হলো মার্কেটের ট্রেডাররা মার্কিন প্রেসিডেন্টের ধারাবাহিক সাম্রাজ্যবাদী হুমকি ও আল্টিমেটামের প্রতি প্রতিক্রিয়া দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে, এবং এখন প্রায়শই হোয়াইট হাউজ থেকে আসা খবরগুলোতে ডলার বিক্রি করে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। একই সময়ে কিছু মার্কিন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফলও উপেক্ষা করা হচ্ছে, যদিও টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনও বিদ্যমান রয়েছে। অতএব, যেকোনো দৃষ্টিকোণ থেকে 2026 সালে ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
http://forex-bangla.com/customavatars/327071870.jpg
GBP/USD GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে শুক্রবার বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। সবই বাই সিগন্যাল ছিল। সকালে এই পেয়ারের মূল্য 1.3484–1.3489 এরিয়া থেকে দুইবার বাউন্স করার ফলে প্রথম সিগন্যালটি গঠিত হয়েছিল। ফলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন। পরবর্তীভাবে এই পেয়ারের মূল্য 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590 এবং 1.3643–1.3652 এরিয়াগুলো অতিক্রম করে। সুতরাং সবচেয়ে সংযত ধারণা অনুযায়ী একটি মাত্র লং পজিশন থেকে 120–130 পিপস মুনাফা অর্জন করা সম্ভব ছিল।

সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। মধ্যমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যায়ে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি নেই, তাই ২০২৬ সালে ২০২৫ সালের শুরু থেকে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হলে এই পেয়ারের মূল্য শিগগিরই 1.4000-এর দিকে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালার এখনও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে বাঁধা সৃষ্টি করছে। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3643–1.3652 এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3574–1.3590-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3643–1.3652 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে বা 1.3682 লেভেলের উপরে কনসলিডেশন করলে লং পজিশন হোল্ড করা যাবে বা নতুন লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানের মূল্যের 1.3763-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, 1.3682, 1.3763, and 1.3814-1.3832। সোমবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা তুলনামূলকভাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবু বর্তমান পরিস্থিতিতে মৌলিক পটভূমিই মার্কেটে বেশি অগ্রাধিকার পাচ্ছে, যা মার্কিন ডলারের শক্তিশালী দর বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে না।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436378

SumonIslam
2026-01-27, 06:35 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৭ জানুয়ারি
http://forex-bangla.com/customavatars/2000361262.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3682 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করেছিল। এজন্য আমি পাউন্ড কিনিনি। যদিও মার্কিন ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে তারপর পাউন্ডের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ ইয়েনের দর স্থিতিশীল করতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সহায়তা নিয়ে জল্পনা ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। মার্কেটে এমন গুঞ্জন রয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে কারেন্সি মার্কেটে হস্তক্ষেপ করে ইয়েনকে শক্তিশালী করতে পারে। তবে বর্তমান মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করলে, যেখানে মুদ্রাস্ফীতি ঝুঁকি এবং মাঝারি হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হচ্ছে, সেক্ষেত্রে ইয়েনকে সহায়তা করা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ বলে মনে হচ্ছে। এই ধরণের কোনো পদক্ষেপ মার্কিন অর্থনীতি ও মুদ্রানীতির ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে সে সম্পর্কে সতর্ক বিশ্লেষণ ছাড়া এটি নেওয়া উচিত নয়। আজ দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্য থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা নেই, ফলে ট্রেডাররা মার্কেটের বর্তমান পরিস্থিতি ও টেকনিক্যাল সূচকের উপর নির্ভর করবে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পাউন্ডের মূল্য বেশ স্থিতিশীলতা দেখিয়েছে, এবং মৌলিক চালিকাশক্তির অনুপস্থিতিতে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ মূল ভূমিকা পালন করবে। প্রধান রেজিস্ট্যান্স ও সাপোর্ট লেভেলগুলো ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের দর নির্ধারণ করবে।দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/32188586.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3735-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3693-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3735-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। চলমান প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3669-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3693 এবং 1.3735-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3669-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3626-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ পাউন্ডের বিক্রেতাদের খুব বেশি সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3693-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3669 এবং 1.3626-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436510

Tofazzal Mia
2026-01-28, 06:35 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৮ জানুয়ারি।
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3708-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি পাউন্ড ক্রয় করিনি। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন ভোক্তা আস্থা সূচকের তীব্র পতন ট্রেডারদের কাছে অপ্রত্যাশিত ও হতাশাজনক ছিল, কারণ তাঁরা মার্কিন অর্থনীতির ব্যাপারে ইতিবাচক সংকেতের প্রত্যাশা করেছিল। এই সূচকটি অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ভোক্তাদের আশাবাদ ও ব্যয় করার ইচ্ছাকে প্রতিফলিত করে, এবং এটির ফলাফল পূর্বাভাসের নিচে থাকায় দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এই সূচকের নেতিবাচক ফলাফল ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে এবং এটিকে তুলনামূলকভাবে কম আকর্ষণীয় করে তুলেছে। মার্কিন ডলারের দরপতনের প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, কারণ বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগ ডলার থেকে পাউন্ডে স্থানান্তর করতে শুরু করেছেন। আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তাই বিদ্যমান প্রবণতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে GBP/USD-এর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। অতিরিক্তভাবে, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখা উচিত — যেকোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা, যেমন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে বা নতুন করে অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হলে, বিনিয়োগকারীরা ডলার বিক্রি করতে প্ররোচিত হতে পারে এবং মার্কিন মুদ্রার ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/2090392570.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3849-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3810-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3849-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। চলমান প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3786-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3810 এবং 1.3849-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/723933934.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3786-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3752-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ পাউন্ডের বিক্রেতাদের খুব বেশি সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3810-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3786 এবং 1.3752-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436618

SaifulRahman
2026-01-30, 02:51 PM
৩০ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/1285913574.jpg
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট না থাকায় ও কোনো সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ায় GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত রেখেছিল। এই পেয়ারের মূল্য 450 পিপস বৃদ্ধি পরে প্রায় 100 পিপসের নিম্নমুখী কারেকশন হয়েছে। গত দুই দিনে 1.3751-1.3833-এর ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের কনসোলিডেশন হতে দেখা গেছে। তবে এই স্থিতিশীলতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম...আজ বা আগামীকাল ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নির্দেশ দিতে পারেন, যা মার্কিন ডলারের চাহিদা সামান্য বাড়াতে পারে। মনে রাখা উচিত যে বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে বিরল সময়ে হলেও ডলার কিছুটা সহায়তা পেতে পারে। পুরনো অভ্যাস দ্রুত মুছে যায় না। যাইহোক, আমরা ডলারের উল্লেখযোগ্য দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি না। উল্লেখ্য, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে একটি তথাকথিত "জ্বালানি শান্তিচুক্তি" হয়েছে এবং পূর্ণমাত্রার যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে। একমাত্র প্রশ্ন হলো—ডনবাস। কয়েক বছর পর প্রথমবারের মতো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার বাস্তব অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1326893992.jpg
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ট্রেডিং সিগন্যাল গঠন হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 রেজিস্ট্যান্স এরিয়া থেকে তিনবার বাউন্স করে এবং অবশেষে 1.3741-1.3751-এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়। আবার এই এরিয়া থেকে বাউন্সের কারণে এই পেয়ারের মূল্য আবার 1.3814-1.3833-এ ফিরে আসে। ফলে নতুন ট্রেডাররা গতকাল তিনটি ট্রেড ওপেন করতে পারতেন: যার মধ্যে দুটি লাভজনক ছিল এবং তৃতীয়টি ব্রেকইভেনে ক্লোজ করা হয়েছে।

শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। মধ্যমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যায়ে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি নেই, তাই আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা এই পেয়ারের মূল্যকে শিগগিরই 1.4000-এর দিকে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা এখনও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে বাঁধা সৃষ্টি করছে। শুক্রবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3741-1.3751 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3643-1.3652-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3643-1.3652 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ সৃষ্টি হবে, যেখানে মূল্যের 1.3814-1.3833-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ: 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, 1.3741-1.3751, 1.3814-1.3832, 1.3891-1.3912, 1.3975। শুক্রবার যুক্তরাজ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটে খুব একটা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। বরং ডোনাল্ড ট্রাম্পই মার্কেটে নতুন "ঝড়" সৃষ্টি করবেন সেই সম্ভাবনা অনেক বেশি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436816

Montu Zaman
2026-02-03, 06:52 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩ ফেব্রুয়ারি।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3686 লেভেল টেস্ট করেছে, যা পাউন্ড বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.3648-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নেমে এসেছে। গতকালের মার্কিন আইএসএম সূচকের ইতিবাচক ফলাফল নতুন করে ডলার ক্রয়ের প্রবণতা বাড়িয়েছে। মার্কেটের ট্রেডাররা সম্ভাব্য ইতিবাচক মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে, যদিও মুদ্রাস্ফীতির বিষয়ে উদ্বেগ চলমান রয়েছে। আইএএসএম সূচক, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক, প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গিয়ে উৎপাদন খাতে প্রবৃদ্ধির সংকেত দিয়েছে এবং এর ফলে মার্কিন ডলার ক্রয়ের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তাই গতকালের দরপতনের পর পাউন্ডের মূল্যের কারেকশন চলমান থাকতে পারে। এর মানে হলো মার্কেটের ট্রেডাররা ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্যের মুভমেন্টের উপর প্রভাব বিস্তারকারী অন্যান্য বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগী হবে। প্রথমত এবং সর্বোপরি, ট্রেডাররা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর প্রতি সামগ্রিক মনোভাব ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। সামষ্টিক প্রতিবেদন না থাকায় ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতাই মূল প্রভাবক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যদি ট্রেডারদের মধ্যে ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা বাড়ে, তাহলে পাউন্ড সহায়তা পেতে পারে, কারণ এটি প্রায়শই মার্কিন ডলার বা জাপানি ইয়েনের চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কারেন্সি হিসেবে বিবেচিত হয়। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাজ্য থেকে যেকোনো অপ্রত্যাশিত রাজনৈতিক খবর বা বিবৃতি পাউন্ডের মূল্যের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। তৃতীয়ত, টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের বিশ্লেষণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আজ পাউন্ড ক্রয় বা বিক্রি করার সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চার্ট ও সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো আরও সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করা অপরিহার্য। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 এবং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1799547689.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3727-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3700-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3727-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র কারেকশনের অংশ হিসেবে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3675-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3700 এবং 1.3727-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1015164701.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3675-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3645-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে অগ্রসর হলে আজ পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3700-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3675 এবং 1.3645-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/437095

SumonIslam
2026-02-10, 04:26 PM
১০ ফেব্রুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/2002064491.jpg
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার মার্কেটে আবারো মার্কিন ডলারের প্রতি চাহিদা হ্রাসের প্রেক্ষাপটে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পাউন্ড স্টার্লিংয়ের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। গতকাল এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে উপরের দিকে যাওয়ায় উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। ফলে আমরা হায়ার টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান উর্ধ্বমুখী প্রবণতার বিপরীতে তাৎপর্যপূর্ণ করেকশন হতে দেখেছি। তাই এখন এই প্রবণতার একটি নতুন ধাপ শুরু হতে পারে। মনে রাখবেন যে গত সপ্তাহে মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত চারটি প্রতিবেদন প্রকাশের কথা ছিল; তার মধ্যে কেবল সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ দুইটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। এসব প্রতিবেদনে শ্রমবাজারের পরিস্থিতির আরও অবনতি পরিলক্ষিত হয়েছে। এই সপ্তাহে বাকি থাকা ননফার্ম পেরোল এবং বেকারত্বের হার সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হবে, যেগুলোর ফলাফল ডলারের উপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। যদি শ্রমবাজার পরিস্থিতি সাম্প্রতিক মাসগুলোর মতো অপরিবর্তিত থেকে যায়, তাহলে ফেডারেল রিজার্ভ পুনরায় সুদের হার হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ফেডের আর্থিক নীতিমালা নতুন করে নমনীয় করা না হলেও ডলার দরপতন ঘটবে; আর নীতিমালা নমনীয় করা হলে তো ডলারের দ্রুত এবং তীব্র দরপতন ঘটবে।
http://forex-bangla.com/customavatars/215860791.jpg
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে গঠিত সিগন্যালগুলো ততটা কার্যকর ছিল না। মার্কিন ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য প্রথমে 1.3643-1.3652 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, এবং পরে সেটি ব্রেক করে। প্রথম সিগন্যালটি স্পষ্টভাবে ভুল প্রমাণিত হয়, তবে দ্বিতীয় সিগন্যাল থেকে নতুন ট্রেডাররা কয়েক ডজন পিপস আয় করার সুযোগ পেয়েছেন। ট্রেন্ডলাইন ব্রেক হওয়ায় লং পজিশনগুলো আজ পর্যন্ত ওপেন রাখা যেতে পারে এবং আরও দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা বজায় রয়েছে।

মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তি ঘটেছে। মধ্যমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি নেই, তাই 2026 সালে আমরা 2025 থেকে শুরু হওয়া বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতার অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করছি, যা অন্ততপক্ষে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্রিটিশ মুদ্রার সার্বিক পরিস্থিতি খুব একটা অনুকূল ছিল না, তবে এখন পাউন্ডের মূল্যের 1.38 লেভেলে ফিরে আসার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3643-1.3652 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3529-1.3543-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3643-1.3652 এরিয়ার ওপর কনসোলিডেশন করলে লং পজিশন হোল্ড করে রাখা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3741-1.3751-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচ্য লেভেলসমূহ: 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3741-1.3751, 1.3814-1.3832, 1.3891-1.3912, এবং 1.3975। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, ট্রেডাররা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে দৃষ্টিপাত করবেন।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/437684

DhakaFX
2026-02-13, 04:06 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৩ ফেব্রুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/1119875982.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3635-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ব্রিটিশ পাউন্ড বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 1.3607-এর লক্ষ্যমাত্রায় নেমে গেছে। গতকালের যুক্তরাজ্যে প্রকাশিত 2025 সালের চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদনের ফলাফল বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। প্রকাশিত ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় সামান্য নিম্নমুখী ছিল, যা আপাতদৃষ্টিতে ব্রিটিশ পাউন্ডের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারত। তবে প্রত্যাশার বিপরীতে পাউন্ডের উপর তেমন উল্লেখযোগ্য চাপ দেখা যায়নি। দুপুরে জবলেস ক্লেইমস এবং মার্কিন আবাসন বাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল মার্কিন ডলারের ক্রেতাদের জন্য কোনো সমস্যার সৃষ্টি করেনি। প্রতিবেদনগুলোতে মূল অর্থনৈতিক খাতগুলোর মন্থরতার ইঙ্গিত থাকলেও ট্রেডাররা অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করেছে। আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো প্রাসঙ্গিক সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা থাকায় ট্রেডাররা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের কর্মকর্তাদের বক্তব্যের দিকে দৃষ্টিপাত করবে। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের আর্থিক নীতিনির্ধারণী কমিটির সদস্য হিউ পিলের বক্তব্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মুদ্রানীতি সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে তার মূল্যায়ন ব্রিটিশ পাউন্ডের এক্সচেঞ্জ রেটে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা পিলের প্রতিটি মন্তব্য গভীরভাবে বিশ্লেষণ করবে, সুদের হারের সম্ভাব্য সমন্বয়ের যেকোনো ইঙ্গিত খুঁজে দেখবে।ব্যাংক অব ইংল্যান্ড থেকে প্রাপ্ত সুদের হার হ্রাসের সম্ভাব্য সংকেত ইতোমধ্যেই কারেন্সি মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করেছে। ব্রিটিশ পাউন্ড সংকটের সম্মুখীন হয়েছে, এবং আজ পিলের বিবৃতি সেই সংকট আরও গভীর করে তুলতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/620318557.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3653-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3619-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3653-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র হিউ পিলের বক্তব্যে মুদ্রানীতির ক্ষেত্রে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত প্রতিফলিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3599-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3619 এবং 1.3653-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3599-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3571-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3619-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3599 এবং 1.3571-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/438052

BDFOREX TRADER
2026-02-17, 06:43 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৭ ফেব্রুয়ারি
http://forex-bangla.com/customavatars/262230624.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্য বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3638-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দিয়েছিল। এই কারণে আমি পাউন্ড বিক্রি করিনি। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রে ছুটি ছিল, ফলে মার্কেটে পরিলক্ষিত সকল মুভমেন্ট বর্তমানে রিট্রেসমেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা যায়। আজ ট্রেডাররা নিশ্চিতভাবেই যুক্তরাজ্যে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের দিকে নজর রাখবে, যেখানে শ্রমবাজার সংক্রান্ত পরিসংখ্যন প্রকাশিত হবে। এই বছরের জানুয়ারিতে বেকারভাতা আবেদনের সংখ্যা ডিসেম্বরের 17,900 থেকে বাড়িয়ে 22,800 হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। যদি এই ফলাফল পূর্বাভাস ছাড়িয়ে যায়, তবে তা অর্থনৈতিক মন্দার আশংকা বাড়িয়ে GBP/USD-এর দরপতন ঘটাতে পারে। বেকারত্ব হার 5.1%-এ অপরিবর্তিত থাকার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, যা পাউন্ডের জন্য যথেষ্ট নেতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে মূল দৃষ্টি থাকবে গড় আয়ের ওপর। এই সূচকের মাত্র 4.6% বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই সূচক মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়: সুতরাং সূচকটির ফলাফল প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেলে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড কর্তৃক হকিশ বা কঠোর অবস্থান গ্রহণের সম্ভাবনা শক্তিশালী হবে, যা পাউন্ডকে সমর্থন দেবে। বিপরীতে, যদি সূচকটির ফলাফল তীব্রভাবে নিম্নমুখী হয় তাহলে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে, যা GBP/USD-এর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতাকে আরও তীব্র করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 ও 2 বাস্তবায়নের উপর বেশি গুরুত্ব দেব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1929648448.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3638-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3618-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3683-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3604-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3618 ও 1.3638-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3604-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3583-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3618-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3604 এবং 1.3583-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/438302

SaifulRahman
2026-02-18, 06:40 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৮ ফেব্রুয়ারি
http://forex-bangla.com/customavatars/1246141195.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3585-এর লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের 100 পিপসেরও বেশি দরপতন ঘটেছে। গতকাল প্রকাশিত যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল পাউন্ডের মূল্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে নিম্নমুখী করেছে। বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকরা উদ্বিগ্ন যে এইরূপ ফলাফল কর্মসংস্থানের হার বৃদ্ধির ধীরগতি এবং সম্ভবত আসন্ন মন্দার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা সরাসরি ব্রিটিশ পাউন্ডের উপর চাপ সৃষ্টি করেছে। গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলো—যেমন বেকারভাতা আবেদনের বৃদ্ধি এবং মজুরি বৃদ্ধির ধীরগতি—প্রত্যাশা চেয়েও নিম্নমুখী ফলাফল প্রদর্শন করেছে। এসব পরিসংখ্যান ইতোমধ্যেই উচ্চমাত্রার মুদ্রাস্ফীতি ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মতো একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি ব্রিটিশ অর্থনীতির উদ্বেগজনক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। আজ এই পেয়ারের ওপর চাপ বজায় থাকতে পারে। যদি দেশটির ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) তীব্র হারে হ্রাস পায়, তবে তা মুদ্রাস্ফীতি চাপ হ্রাসের ইঙ্গিত দেবে, যা ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডকে নীতিমালা নমনীয় করার দিকে প্ররোচিত করতে পারে। খুচরা বিক্রয় সূচকের পতন থেকেও একই ধরনের প্রভাব দেখা যাবে। যদি ব্রিটিশরা ব্যয় কমাতে শুরু করে, তবে এটি ভোক্তা চাহিদার দুর্বলতার সংকেত হবে—যা অর্থনীতি এবং ফলস্বরূপ পাউন্ডের জন্য অনুকূল নয়। উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) সংক্রান্ত প্রতিবেদন থেকে কাঁচামাল ও উপাদানগুলোর মূল্য কতটা বৃদ্ধি পাচ্ছে সে ব্যাপারেও জানা যাবে; যদি এই সূচকটির ফলাফল নিম্নমুখী হয় নেমে আসে, তবে এটি চূড়ান্ত পণ্যের মুদ্রাস্ফীতি হ্রাসের পূর্বাভাস দেবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 ও 2 বাস্তবায়নের উপর বেশি গুরুত্ব দেব।
http://forex-bangla.com/customavatars/698830011.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3585-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3565-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3585-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3552-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3565 এবং 1.3585-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3552-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3534-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3565-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3552 ও 1.3534-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/438420

Rassel Vuiya
2026-02-19, 06:30 PM
১৯ ফেব্রুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/2083664102.jpg
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যেরও নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করেছে। যদিও আমরা ২০২৬ সালে মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে কেবল দরপতনের প্রত্যাশা করছি, তবুও এটা বুঝতে হবে যে প্রতিদিন বা প্রতিসপ্তাহে মার্কিন ডলারের দরপতন হতে পারে না। সম্প্রতি ব্রিটিশ মুদ্রার উপর বেশ কয়েকটি নেতিবাচক কারণ প্রভাব বিস্তার করছে, যার ফলে আরেকটি নিম্নমুখী কারেকশন দেখা গিয়েছে। বর্তমান প্রবণতা বোঝার জন্য দৈনিক টাইমফ্রেমই যথেষ্ট। গতকাল যুক্তরাজ্যে জানুয়ারির মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, এবং এটির ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশটির ভোক্তা মূল্য সূচক কমে 3%-এ নেমে এসেছে, যার ফলে আসন্ন বৈঠকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড মুদ্রানীতি নমনীয় করতে পারে। এর আগের দিন যুক্তরাজ্যের বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনও মূল সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। অতএব, এই সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ড যথাযথ কারণেই দরপতনের শিকার হয়েছে। তবু এর মানে এই নয় যে যুক্তরাষ্ট্রে সবকিছু নিখুঁতভাবে চলছে এবং মার্কিন ডলারের আর দরপতন হবে না।
http://forex-bangla.com/customavatars/443228727.jpg
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মতোই এই পেয়ারেরও দুইটি সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। প্রথমে পাউন্ড স্টার্লিংয়ের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, কিন্তু সেই বাই সিগন্যালটি ফলপ্রসূ হয়নি। প্রায় আধঘণ্টা পরই ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে এবং দিনের শেষে নিকটতম সাপোর্ট এরিয়া 1.3484-1.3489-এ পৌঁছায়। ফলে নতুন ট্রেডাররা প্রথম ট্রেড থেকে লোকসান করতে পারেন, তবে দ্বিতীয় ট্রেড থেকে তা পুষিয়ে নিয়ে সামান্য লাভের সাথে দিনটি শেষ করতে পারতেন।

বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তি ঘটেছে এবং... একটি নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হয়েছে। মধ্যমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি দেখা যাচ্ছে না, ফলে আমরা আশা করছি যে ২০২৬ সালেও ২০২৫ থেকে চলমান বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকবে, যা এই পেয়ারের মূল্যকে অন্তত 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্রিটিশ মুদ্রার সার্বিক পরিস্থিতি বিশেষভাবে অনুকূল ছিল না, এবং এই কারণেই অপ্রত্যাশিতভাবে পাউন্ডের দরপতন হচ্ছে। বৃহস্পতিবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3484-1.3489 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3529-1.3543-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3484-1.3489 এরিয়ার নিচে স্থিতিশীল হলে নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.3437-1.3446-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, 1.3741-1.3751, 1.3814-1.3832, 1.3891-1.3912, 1.3975। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। যুক্তরাষ্ট্রে কেবলমাত্র আনএমপ্লয়মেন্ট ক্লেইমস সংক্রান্ত একটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আজ মার্কেটে অস্থিরতার মাত্রা কমে আসার সম্ভবনা রয়েছে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/438522

DhakaFX
2026-02-24, 06:55 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৪ ফেব্রুয়ারি।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3499-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা আমার মতে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই আমি পাউন্ড বিক্রি করিনি। আজ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন 10% শুল্ক সকল দেশের উপর প্রযোজ্য হয়েছে। এটি মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী শুল্কগুলো বাতিল করার সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া হিসেবে গৃহীত পদক্ষেপ, যা মার্কেটে তীব্রভাবে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে এবং ব্রিটিশ পাউন্ডকে মার্কিন ডলারের বিপরীতে চাপের মুখে ফেলেছে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে আমরা কনফেডারেশন অব ব্রিটিশ ইন্ডাস্ট্রি থেকে খুচরা বিক্রয় সূচক প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছি। ভোক্তা কার্যক্রম নির্ধারণে এই সূচকের ফলাফল ব্রিটিশ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সরাসরি প্রতিফলন ঘটায়; ইতিবাচক ফলাফল পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি ঘটাতে পারে এবং GBP/USD পেয়ার গতকালের দরপতন আংশিকভাবে পুনরুদ্ধার করার সুযোগ পেতে পারে। এরপর ব্যাংক ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে সংসদীয় শুনানী অনুষ্ঠিত হবে। আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণের সম্ভাব্য যেকোনো ইঙ্গিত পাউন্ডের মূল্যের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/810821176.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3524-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3497-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3524-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধিদের বক্তব্যে দৃঢ় অবস্থান প্রতিফলিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3481-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3497 ও 1.3524-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1893072274.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3481-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3462-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধিদের বক্তব্যে নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত পাওয়া গেলে পাউন্ডের বিক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3497-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3481 ও 1.3462-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/438900

Rassel Vuiya
2026-02-25, 04:24 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৫ ফেব্রুয়ারি
http://forex-bangla.com/customavatars/870790873.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3481 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা আমার মতে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই আমি পাউন্ড বিক্রি করিনি। 1.3481-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে অবস্থান করেছিল, যা বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 অনুযায়ী পাউন্ড ক্রয়ের সুযোগ দেয়। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে 1.3535-এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের কারণে মার্কেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল, যা স্পষ্টতই মার্কিন ডলারের ওপর প্রত্যাশিত প্রভাব বিস্তার করতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং মার্কিন ডলার ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে দরপতনের শিকার হয়েছে। মনে হচ্ছে ট্রাম্পের প্রাক-নির্বাচনী স্লোগান, "মেকিং আমেরিকা গ্রেট এগেইন," পূর্বের দৃঢ়তা ও প্ররোচনা সৃষ্টির সক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে। এমন প্রতিশ্রুতি পেতে পেতে বিনিয়োগকারীরা ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, কারণ এগুলো সবসময় বাস্তব কার্যক্রম বা স্পষ্ট পরিকল্পনার দ্বারা সমর্থিত নয়। মার্কিন ডলারকে সহায়তা করতে পারে এমন কোনো ইতিবাচক সংবাদ না থাকায় বা অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না হওয়ায় মার্কেটের ট্রেডাররা তাদের অবস্থান পুনর্মূল্যায়ন করতে বাধ্য হয়েছে এবং তারা অন্যান্য অ্যাসেটকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। আজ দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্যে কোনো নতুন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। অর্থনৈতিক সূচকের প্রকাশের কথা না থাকায় পাউন্ডের মূল্যের ওঠানামা মূলত বাহ্যিক কারণ—যেমন ডলারের মূল্যের মুভমেন্ট—দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে। এই কারণে GBP/USD-এর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে। দৈনিক ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/264610378.jpg
বাই সিগন্যাল: পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3553-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3530-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3553-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। চলমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আজ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3513-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3530 এবং 1.3553-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সেল সিগন্যাল: পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3513-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3492-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ এই পেয়ারের মূল্য নতুন সাপ্তাহিক সর্বোচ্চ লেভেলে পৌঁছালে পাউন্ডের বিক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3530-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3513 এবং 1.3492-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/439002

Montu Zaman
2026-03-02, 07:27 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২ মার্চ।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3476 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই আমি পাউন্ড বিক্রি করিনি। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ পাউন্ড তীব্রভাবে দরপতনের শিকার হয়েছে। যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দেয়া হয়েছিল—ট্রেডারর এই খবরকে মধ্যপ্রাচ্যে আরও অস্থিতিশীলতা বজার থাকার সম্ভাবনা হিসেবে ব্যাখ্যা করে, যা সরাসরি ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের উপর প্রভাব ফেলেছে। জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নতার সম্ভাবনা, বাণিজ্য রুট ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাসহ এসব ঘটনাগুলোর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক পরিণতি নিয়ে উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীরা পাউন্ডে তাদের পজিশন হ্রাস করার পথ বেছে নিয়েছেন। এই কারণগুলো এবং সামগ্রিক অনিশ্চয়তা মিলে পাউন্ডের দ্রুত মূল্যহ্রাসে সহায়তা করেছে, যেটির মূল্য সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম নিম্নতম লেভেলে পৌঁছে গেছে। সামষ্টিক প্রতিবেদনের দিক থেকে, আজ যুক্তরাজ্যের উৎপাদন খাতের কার্যক্রমভিত্তিক PMI সূচক প্রকাশিত হবে, যা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাজ্যের জাতীয় অর্থনীতির একটি স্তম্ভ হিসেবে এই সূচকটি শিল্পক্ষেত্রের বর্তমান পরিস্থিতি, আগত অর্ডারের পরিমাণ এবং খাতটির ভবিষ্যৎ সম্ভাব্যতার ব্যাপারে অন্তর্দৃষ্টি দেবে। সাধারণভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে এই প্রতিবেদনের ফলাফলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে যে ব্রিটিশ শিল্পখাত আগের সমস্যাগুলো মোকাবেলা করতে পেরেছে কি না এবং স্থিতিশীলভাবে উত্তরণ প্রক্রিয়া বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে কি না। অতিরিক্তভাবে ন্যাশনওয়াইড আবাসন মূল্যের সূচকের পরিবর্তন সম্পর্কিত প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে। এই সূচকটির ফলাফল দেশটির রিয়েল এস্টেট খাতের অবস্থা সম্পর্কে প্রাথমিক সংকেত প্রদান করে—মূল্যগত গতিবিধি প্রতিফলিত করে এবং এর ফলে ভোক্তাদের আস্থা ও ক্রয়ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে। এই সূচকের যেকোনো ওঠানামা ভোক্তা ব্যয়ের উদীয়মান প্রবণতা সম্পর্কে ইঙ্গিত দিতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1309443296.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3497-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3446-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3497-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3410-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3446 ও 1.3497-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/436259557.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3410-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3354-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো মুহূর্তে পাউন্ডের বিক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3446-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3410 এবং 1.3354-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/439368

SaifulRahman
2026-03-03, 06:51 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩ মার্চ।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3390-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ড বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 25 পিপস কমেছে। মার্কিন ISM উৎপাদন সূচকের শক্তিশালী ফলাফল মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতনের প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে। ISM উৎপাদন সূচকের হার বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে 52.4 পয়েন্টে ওঠায় মার্কিন উৎপাদন খাতের পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত মিলেছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মার্কিন অর্থনীতির সহিষ্ণুতার বিষয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। আজ যুক্তরাজ্যের বার্ষিক বাজেট প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটে তীব্র অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। বিনিয়োগকারীরা উদ্বিগ্ন ও আগ্রহের সঙ্গে দেশটির বাজেটের প্রতীক্ষায় রয়েছেন, কারণ শিল্প বিশেষজ্ঞরা কর এবং সরকারি ব্যয়ে গুরুতর পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিচ্ছেন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাজ্যের ক্রমবর্ধমান বাজেট ঘাটতি বিষয়ক আলোচনা মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতন ঘটিয়েছে। দুর্বল বাজেটের ক্ষেত্রে আবারও পাউন্ডের দরপতন শুরু হতে পারে এবং এতে গতকাল মার্কিন ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের ঊর্ধ্বমুখী কারেকশনের ফলে যতটুকু দর বৃদ্ধি পেয়েছিল তা সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যেতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/197043346.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3424-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3374-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3424-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3340-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3374 এবং 1.3424-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/2099873122.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3340-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3284-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো মুহূর্তে পাউন্ডের বিক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3374-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3340 এবং 1.3284-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/439474

BDFOREX TRADER
2026-03-04, 06:54 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৪ মার্চ
http://forex-bangla.com/customavatars/1781277000.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3319-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। 1.3319-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারবট জোনে ছিল, যা সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 অনুযায়ী পাউন্ড বিক্রির সুযোগ দিয়েছিল এবং ফলশ্রুতিতে এই পেয়ারের 40 পিপসেরও বেশি দরপতন হয়েছিল। ফেডারেল রিজার্ভের কয়েকজন কর্মকর্তা এ বছর সুদের হার হ্রাস বন্ধ করার সম্ভাবনার বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, যা ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। এই ধরনের অবস্থান তৎক্ষণিকভাবে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধি ঘটিয়েছে। যারা পূর্বে আর্থিক নীতিমালা আরও নমনীয় হওয়ার অপেক্ষা করছিলেন, তারা হঠাৎ করে পুনরায় বর্তমান সুদের হারের স্তরকে বিনিয়োগ পরিবেশের আকর্ষণীয় হিসেবে দেখা শুরু করেছে। এর ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধও যোগ হওয়ায় পাউন্ডের দরপতনের কারণ নিয়ে এখন আর কোনো প্রশ্ন নেই। দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। বিশ্লেষক ও ট্রেডাররা দেশটির অর্থনীতির অন্যতম বৃহত্তম খাত—পরিষেবা খাতের কার্যক্রম প্রতিফলনকারী সূচকটির উপর নজর রাখবেন। যুক্তরাজ্যের সার্ভিস সেক্টরের অ্যাকটিভিটি ইনডেক্স অর্থনৈতিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক, কারণ এই খাত দেশটির জিডিপিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। সূচকটির গতিবিধি কেবল কর্মসংস্থান ও পণ্য ও সেবার যোগানবিস্তারে বিনিয়োগের স্তরই নয়, ভোক্তা চাহিদাকেও সরাসরি প্রভাবিত করে। দুর্বল ফলাফল দ্রুত GBP/USD পেয়ারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1473305274.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3360-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3327-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3360-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3302-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3327 এবং 1.3360-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3302-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3268-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো মুহূর্তে পাউন্ডের বিক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3327-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3302 এবং 1.3268-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/439594

Montu Zaman
2026-03-06, 03:56 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৬ মার্চ।
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3333 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই আমি পাউন্ড বিক্রি করিনি। আজ খুব বেশি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকলেও ট্রেডাররা হ্যালিফ্যাক্স কর্তৃক প্রকাশিতব্য যুক্তরাজ্যের আবাসন মূল্য সূচকের অপেক্ষায় থাকবে। এই সূচকে মর্টগেজ আবেদনের তথ্য ও সাম্প্রতিক লেনদেন বিশ্লেষণ করে আবাসন খরচের পরিবর্তন লিপিবদ্ধ করা হয় এবং সরবরাহ ও চাহিদার বর্তমান ভারসাম্য নির্ধারণে সাহায্য করে। এটি দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্যের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন, তাই পাউন্ড স্টারলিংয়ের এক্সচেঞ্জ রেটের উপর এই প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাব ফেলতে পারে। বাড়তি আবাসন মূল্য নির্দেশকারী ইতিবাচক ফলাফল উচ্চ ভোক্তা আত্মবিশ্বাস ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেবে, যা ব্রিটিশ কারেন্সির জন্য সহায়ক। বিপরীতে, আবাসন মূল্যের স্থবিরতা বা পতন নির্দেশ করে নেতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতার উদ্বেগ বাড়াতে পারে এবং পাউন্ডের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/318126065.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3411-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3373-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3411-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3353-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3373 এবং 1.3411-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/335022908.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3353-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3320-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো মুহূর্তে পাউন্ডের বিক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3373-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3353 এবং 1.3320-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/439830

Rassel Vuiya
2026-03-09, 04:26 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৯ মার্চ।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3342 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ড ক্রয়ের জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলে এই পেয়ারের মূল্য 1.3381-এর লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। যুক্তরাষ্ট্রে নন-ফার্ম সেক্টরে কর্মসংস্থানের সংখ্যা আকস্মিকভাবে 92,000 কমে যাওয়ায় এবং ফেব্রুয়ারিতে বেকারত্ব হার 4.4%-এ বৃদ্ধি পাওয়ায় মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে জন্য। প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল গত শুক্রবার মার্কিন ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে নেতিবাচক এই ফলাফল তাদের জন্য আশা ভঙ্গের মতো ছিল, যারা জানুয়ারিতে কর্মসংস্থান খাতের শক্তিশালী ফলাফলের পর মার্কিন ডলারের আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছিলেন। ট্রেডাররা এই প্রতিবেদনকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে মন্দার স্পষ্ট সংকেত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে, যা অনিবার্যভাবে ডলারের আকর্ষণ কমিয়েছে। বেকারত্বের 4.4%-এ বৃদ্ধি নির্দেশ করে যে মার্কিন শ্রমবাজার পরিস্থিতি ধারণার চেয়েও দুর্বল। আজ যুক্তরাজ্যে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকায় GBP/USD পেয়ারের মূল্য অধিকাংশ সময়ই প্রতিষ্ঠিত রেঞ্জের মধ্যেই থাকতে পারে, এবং নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় থাকার উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। লন্ডন থেকে নতুন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকায় ট্রেডারদের কাছে ব্রিটিশ অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানার জন্য মূল কোনো সূচক নেই। এমন পরিস্থিতিতে মার্কেটের ট্রেডাররা পুরোপুরিভাবে টেকনিক্যাল মডেলের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা সম্পূর্ণরূপে নিম্নমুখী প্রবণতা ইঙ্গিত দেয়। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1548033771.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3381-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3335-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3381-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3310-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3335 এবং 1.3381-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1075180519.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3310-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3268-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো মুহূর্তে পাউন্ডের বিক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3335-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3310 এবং 1.3268-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/439960

BDFOREX TRADER
2026-03-10, 02:39 PM
১০ মার্চ কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/515955202.jpg
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও দিনটি একটি নতুন দরপতনের সাথে শুরু হয়। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার পর তেলের বাজারের পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যাওয়ার কারণে এই দরপতন ঘটেছিল। তেলের দর ব্যারেলপ্রতি $120-এ পৌঁছায়; তবে 'শান্তি স্থাপনকারী' এবং 'মানবতার রক্ষক' ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যাহ্নে ঘোষণা করেন যে তিনি জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করতে চান এবং ইরানের যুদ্ধ শীঘ্রই সমাপ্তির দিকে যাচ্ছে। যেমনই সাধারণত হয়, ট্রাম্প ব্যাখ্যা দেননি কীভাবে ইরানের যুদ্ধ শীঘ্রই শেষ হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র তার নির্ধারিত লক্ষ্যসমূহ অর্জন করবে কি না। মনে রাখা উচিত যে ট্রাম্প দৃঢ়ভাবে ইরানের সমস্ত পারমাণবিক মজুদ ধ্বংস করতে চান যাতে আমেরিকা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র থেকে সুরক্ষিত থাকে। একই সঙ্গে ট্রাম্প ইরানে এমন কোনো সরকারের প্রতিও বিরূপ হবেন না যারা আমেরিকার জন্য অধিক অনুকূল। তবে শুধুমাত্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে এসব লক্ষ্য কীভাবে অর্জিত হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবু, ট্রাম্প যেকোনো সময় পারমাণবিক স্থাপনা ও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করার ঘোষণা করে দিতে পারেন, এবং তাহলেই যে যুক্তরাষ্ট্র নিঃশর্তভাবে জয় অর্জন করবে—এই দাবিটি কে যাচাই করবে?
http://forex-bangla.com/customavatars/1505451692.jpg
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশন ভালো যায়নি কারণ মার্কেট তখনও তেল সংকটের ধাক্কায় স্থবির অবস্থায় ছিল। শুধুমাত্র মার্কিন সেশনে এই সংকট কিছুটা শিথিল হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাওয়ায় স্বাভাবিক মুভমেন্ট দেখা যেতে থাকে, এবং তখন জ্বালানি বাজারে উত্তেজনা কমার মধ্যেই পাউন্ডের মূল্য আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বৃদ্ধি পায়। দিনের শেষে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য 1.3437-1.3446 এরিয়ায় পৌঁছায় এবং আমাদের মতে সম্ভবত অবশেষে উর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হতে পারে।

মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য অব্যাহতভাবে "ভূ-রাজনৈতিক প্রবণতা" অনুসরণ করছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো মৌলিক ভিত্তি নেই, তাই ২০২৬ সালেও আমরা ২০২৫ সাল থেকে শুরু হওয়া বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করছি, যা এই পেয়ারের মূল্যকে অন্ততপক্ষে 1.4000 লেভেলের দিকে নিয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সামগ্রিক পরিস্থিতি প্রায়শই ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য অনুকূল ছিল না, কারণ মার্কেটের ট্রেডাররা পুরোপুরিভাবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের উপর ফোকাস করছে—যা অব্যাহতভাবে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি ঘটাচ্ছে। মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3403-1.3407 এরিয়া থেকে একটি বাউন্স করলে বা 1.3437-1.3446 রেঞ্জের উপরে কনসোলিডেট হলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। এই পেয়ারের মূল্য 1.3403-1.3407 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেশন করলে মূল্যের 1.3319-1.3331-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, এবং 1.3741-1.3751। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, আর যুক্তরাষ্ট্রে কেবল স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন ADP প্রতিবেদন এবং বিদ্যমান আবাসন বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তবুও দিনেরবেলা এই পেয়ারের মূল্যের অস্থির ও বিশৃঙ্খল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/440049

SUROZ Islam
2026-03-11, 06:42 PM
http://forex-bangla.com/customavatars/1548578433.jpg
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১১ মার্চ
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3443 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ড বিক্রয়ের জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.3416-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নেমে যায়। ইরান হরমুজ প্রণালীতে মাইন স্থাপন করার পরিকল্পনা করেছে এমন সংবাদ প্রকাশের পর ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর ওপর পুনরায় চাপ সৃষ্টি হয়, যার ফলে মার্কিন ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এই ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা বিশ্বব্যাপী ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটগুলোকে স্থবির করে দেয়। অনিশ্চয়তার সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগ খোঁজার ঐতিহ্য অনুযায়ী বিনিয়োগকারীরা আবারও স্থিতিশীলতার নিশ্চয়তার জন্য মার্কিন ডলারের দিকে ঝুঁকে পড়ে। পরবর্তী পরিস্থিতি বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করবে—উত্তেজনা প্রশমনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা, ইরানের বাস্তব পদক্ষেপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া, যার মধ্যে রয়েছে "ইরানকে আগের চেয়ে শক্তিশালীভাবে আঘাত করার" প্রতিশ্রুতি। আজ যুক্তরাজ্যে কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকায় GBP/USD পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। নতুন প্রতিবেদন না থাকায় মার্কেটের ট্রেডাররা সম্ভবত পূর্বের সিগন্যাল ও মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতির নির্ভর করবে। যদি ভূ-রাজনৈতিক সংকট প্রশমিত হয়, তবে GBP/USD পেয়ারের মূল্য পুনরায় বৃদ্ধি পেতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3481-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3456-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3481-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। চলমান প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3440-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3456 এবং 1.3481-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/91078814.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3440-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3408-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো মুহূর্তে পাউন্ডের বিক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3456-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3440 এবং 1.3408-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/440181

SaifulRahman
2026-03-13, 04:03 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৩ মার্চ।
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্য লাইনের নিচে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3380 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 1.3355-এর লক্ষ্যমাত্রায় নেমে এসেছে। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার সময় নিরাপদ বিনিয়োগের সন্ধানকারী বিনিয়োগকারীরা ঐতিহ্যগতভাবে মার্কিন ডলারের দিকে ঝুঁকে থাকে। বৈশ্বিক জ্বালানি রুটগুলোর মধ্যে অন্যতম পারস্য উপসাগর ঘিরে সৃষ্ট চাপ বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অনিশ্চয়তা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি তৈরি করে চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলার ব্রিটিশ পাউন্ডের তুলনায় আরও স্থিতিশীলতা ও আকর্ষণীয়তা প্রদর্শন করছে। তবে আজ এই পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। যুক্তরাজ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, যা মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতি নির্ধারণে সিদ্ধান্তমূলক ভূমিকা রাখতে পারে—ফলে বেশ সক্রিয় ট্রেডিং সেশনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ট্রেডাররা মূলত জিডিপি প্রতিবেদনের ফলাফল বিশ্লেষণে করবে, যা যুক্তরাজ্যের অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থা প্রতিফলিত করে। এই প্রতিবেদনে সমস্ত খাতের ফলাফল অন্তুর্ভুক্ত করা হয় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বা সংকোচন এবং এসব প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার কারণ সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের ধারণা দেবে। এর পরে শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। কারখানা ও প্ল্যান্ট কর্মকাণ্ড প্রতিফলিত করে এই সূচক ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবণতা মূল্যায়নের জন্য একটি অগ্রণী নির্দেশক হিসেবে কাজ করতে পারে। সবশেষে বাণিজ্য ঘাটতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে—রফতানি ও আমদানি ব্যবহারের অনুপাত প্রদর্শন করে এই সূচক সরাসরি পাউন্ডের এক্সচেঞ্জ রেটকে প্রভাবিত করতে পারে। ঘাটতি হ্রাস পেলে বা ইতিবাচক ট্রেড ব্যালান্স অর্জিত হলে সাধারণত এটি ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য সহায়ক, আর ঘাটতি বাড়লে পাউন্ড দুর্বল হতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/527945746.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3363-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3338-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3363-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ জিডিপি প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3322-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3338 এবং 1.3363-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/28791378.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3322-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3294-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো মুহূর্তে পাউন্ডের বিক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3338-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3322 এবং 1.3294-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/440411

Montu Zaman
2026-03-16, 06:32 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৬ মার্চ।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3276 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে। সেই কারণে আমি পাউন্ড ক্রয় করিনি। 1.3267-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারবট জোনে ছিল, যার ফলে ইউরোর সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়া যায়। ফলত এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 40 পিপস কমে যায়। গত শুক্রবার, মার্কিন ডলারের মূল্য স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করেছিল এবং আমেরিকান মার্কেট থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যালের অপেক্ষায় ছিল। বিনিয়োগকারীরা সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলের উপর ততোধিক গুরুত্ব না দিয়ে বরং মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির দিকে দৃষ্টিপাত করেছেন। আমেরিকান অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে ভোক্তা ব্যয়ের দুর্বলতা ঐতিহ্যগতভাবে উদ্বেগ সৃষ্টি করে—এবং জানুয়ারির ফলাফল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও মন্থর হওয়ার সম্ভাবনা নিশ্চিত করেছে। মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতা মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা শুরুর আগে থেকেই শুরু হয়েছিল, তাই এই বছরের প্রথম প্রান্তিকে ভালো ফলাফলের আশা করা কঠিন। আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো প্রতিবেদনে প্রকাশিত হবে না, যা এশীয় ট্রেডিং সেশনে পরিলক্ষিত ব্রিটিশ পাউন্ডের দর বৃদ্ধির পর পরবর্তীতে সেশনে একই প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে। যুক্তরাজ্য থেকে নতুন মৌলিক ও সামষ্টিক সূচক প্রকাশের কথা না থাকায় ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্য বৃদ্ধির জন্য নতুন কোনো উদ্দীপক নেই—ফলে সেই সম্ভাবনা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। এই সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি অনেকটাই প্রত্যাশা ও টেকনিক্যাল কারণের উপর নির্ভরশীল ছিল; তবে মৌলিক প্রেক্ষাপটের সমর্থন ছাড়া এই প্রবণতা নাও টেকসই হতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1132666633.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3315-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3276-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3315-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3245-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3276 এবং 1.3315-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/231247385.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3245-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3193-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো মুহূর্তে পাউন্ডের বিক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3276-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3245 এবং 1.3193-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/440540

FXBD
2026-03-24, 06:48 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৪ মার্চ।
http://forex-bangla.com/customavatars/2114652082.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3280 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড ক্রয়ের জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 90 পিপসের বেশি বাড়ে। গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোসমূহে পরিকল্পিত হামলা এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন এবং একই সঙ্গে তেহরানের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপ শুরুর ঘোষণা দেন। এই ঘোষণা মার্কিন ডলারের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে এবং পাউন্ডের দর বৃদ্ধি ঘটায়। তবে আজ দিনের প্রথমার্ধে ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটের পরিস্থিতি ব্যাপকভাবে বদলে যেতে পারে। যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পেতে বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকরা প্রকাশিতব্য সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলোর দিকে নজরে দেবে। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (PMI) প্রকাশিত হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। এই সূচক ঐতিহ্যগতভাবে শিল্প উৎপাদনের নির্দেশক হিসেবে কাজ করে—নতুন অর্ডার, উৎপাদনের স্তর, কর্মসংস্থান এবং স্টক-ইন-হ্যান্ডের মতো প্যারামিটারগুলো তুলে ধরে। ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে ইতিবাচক ফলাফল সাধারণত সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়। একই সঙ্গে সার্ভিস সেক্টরের PMI প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে; যেহেতু সার্ভিস সেক্টর যুক্তরাজ্যের জিডিপিতে বিরাট অবদান রাখে, তাই বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়নে এই সূচকের ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সার্ভিস ইনডেক্সে আর্থিক পরিষেবা, খুচরা, পরিবহন ও সেবাখাত সহ ভোক্তা ব্যয় ও ব্যবসায়িক মনোভাব সম্পর্কিত প্রবণতা প্রতিফলিত হয়। সবশেষে, অর্থনীতির সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা কম্পোজিট PMI সূচকের দিকে নজর রাখতে হবে। কেবল বেশ ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে সেটি পাউন্ডের মূল্যের গতকালের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1446057218.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3445-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3413-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3445-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3389-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3413 এবং 1.3445-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3389-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3350-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের বিক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3413-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3389 এবং 1.3350-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/441420

SumonIslam
2026-03-27, 03:48 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৭ মার্চ।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3343 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নিশ্চিত করে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের 20 পিপসের বেশি দরপতন হয়েছে। দিনের প্রথমার্ধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে যুক্তরাজ্যের রিটেইল সেলস বা খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। জ্বালানি খরচসহ খুচরা বিক্রয়ের গতিবিধি ভোক্তা কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তৃত ধারণা দেয়—এতে বিক্রি হওয়া পণ্যের পরিমাণ ও সেগুলো ক্রয়ের জন্য খরচকৃত অর্থ, বিশেষত জ্বালানি উৎসে হওয়া ব্যয় অন্তর্ভুক্ত থাকে। এ থেকে রিটেইল সেক্টরের সামগ্রিক নগদ প্রবাহ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। অপরদিকে, জ্বালানি ব্যয়কে বাদ দিয়ে হিসাবকৃত সূচকটি ভোক্তা ক্রয়ক্ষমতার জন্য আরও প্রাসঙ্গিক ও সঠিক নির্দেশক হিসেবে কাজ করে। ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে দিনের প্রথমার্ধেই পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা যেতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1122076801.jpg
বাই সিগন্যাল: পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3370-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3348-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3370-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3333-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3348 এবং 1.3370-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1049698299.jpg
সেল সিগন্যাল: পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3333-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3312-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3348-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3333 এবং 1.3312-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/441784

SumonIslam
2026-03-31, 08:00 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩১ মার্চ।
http://forex-bangla.com/customavatars/1793080562.jpg
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3225-এর লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্টকে নিশ্চিত করেছিল। ফলে এই পেয়ারের 1.3196-এর লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত দরপতন হয়। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ পাউন্ডের দর মার্কিন ডলারের বিপরীতে সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কূটনৈতিক পদক্ষেপের ব্যাপারে এই ধরনের বিবৃতি সামান্য হলেও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা হ্রাস করবে বলে মনে করা হচ্ছে, যা ট্রেডাররা প্রাথমিকভাবে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান সমাপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে হলেও বহু বিশ্লেষক এবং বিনিয়োগকারী এ ধরনের প্রতিশ্রুতিকে ব্যাপক সন্দেহের চোখে দেখে থাকেন। আজ দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্যে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের দিকে মনোযোগ নিবদ্ধ থাকবে। যুক্তরাজ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রতিবেদন ট্রেডারদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে। এই সূচকটি দেশটির অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থার একটি নির্দেশক হিসেবে কাজ করে এবং এটি ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের উল্লেখযোগ্য ওঠানামা সৃষ্টি করতে পারে। জিডিপির পাশাপাশি বিনিয়োগের পরিমাণ পরিবর্তন সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই সূচকটি ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পূর্বাভাস দেওয়ার একটি নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয় এবং জাতীয় উন্নয়ন প্রত্যাশায় কর্পোরেট খাতের কতটা আস্থা রয়েছে তা প্রদর্শন করে। এছাড়াও, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স সংক্রান্ত প্রতিবেদনও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই সূচকটি যুক্তরাজ্য ও বিশ্বের বাকি অংশের মধ্যে আগত ও বহির্গামী আর্থিক প্রবাহের একটি সার্বিক চিত্র প্রদান করে—যার মধ্যে পণ্য ও সেবার বাণিজ্য, বিনিয়োগ থেকে আয় ও স্থানান্তর অন্তর্ভুক্ত থাকে। পূর্বাভাসের তুলনায় কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্সের উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতি বৈদিশিক বাণিজ্য বা মূলধন আকর্ষণে সম্ভাব্য ভারসাম্যহীনতার সংকেত দিতে পারে, যা পাউন্ডের মূল্য ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/173974662.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3231-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3210-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3231-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3193-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3210 এবং 1.3231-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3193-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3170-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3210-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3193 এবং 1.3170-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442038

Tofazzal Mia
2026-04-01, 04:42 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১ এপ্রিল।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3217-এর লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড কেনার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.3240-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে বৃদ্ধি পায়। গতকালকের মার্কিন সেশনের মধ্যভাগে খবর আসে যে যুক্তরাজ্য সরকার ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার খরচ মোকাবিলায় জনগণকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করার পরিকল্পনা করছে না—এই সংবাদের প্রভাবে ব্রিটিশ পাউন্ড দরপতনের সম্মুখীন হয়। সরকারের প্রস্তাবিত সীমিত সহায়তামূলক পদক্ষেপই পাউন্ডের মূল্যের নেতিবাচক গতিশীলতার মূল কারণ ছিল। আজ ট্রেডাররা যুক্তরাজ্যের ম্যানুফ্যাকচারিং PMI-এর অপেক্ষা করছে। এই সূচকটি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির নির্ভরযোগ্য নির্দেশক হিসেবে উৎপাদন খাতের বর্তমান অবস্থা প্রতিফলিত করে; এই প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের ফলাফল পাউন্ডের মূল্যের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। এর পরবর্তী পর্যায়ে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকের প্রতিবেদন ও কার্যবিবরণী প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি-সংক্রান্ত ঝুঁকি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কিত মন্তব্যগুলোতে বিশেষ মনোযোগ দেয়া হবে। পূর্ববর্তী সময়ে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল, যা ইতোমধ্যেই মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে; আজকের এই তথ্যগুলো এই প্রত্যাশাগুলোকে নিশ্চিত করবে বা তা সংশোধন করতে হতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1167625614.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3320-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3274-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3320-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3237-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3274 এবং 1.3320-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/2017672339.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3237-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3185-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3274-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3237 এবং 1.3185-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442154

Rakib Hashan
2026-04-02, 07:50 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২ এপ্রিল। গতকালের ফরেক্স ট্রেডের বিশ্লেষণ
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3328 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। 1.3328-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের ফলে পাউন্ডের সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়া যায় এবং এর ফলে এই পেয়ারের প্রায় 1.3294 পর্যন্ত দরপতন ঘটে। গতকালের ট্রেডিংয়ে ব্রিটিশ পাউন্ড পুনরায় দরপতনের শিকার হয়, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরস্পরবিরোধী বিবৃতির সরাসরি প্রতিক্রিয়া ছিল। জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে হোয়াইট হাউস প্রধান প্রথমে ইরানে সামরিক সংঘাত শীঘ্রই সমাপ্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন, কিন্তু সেইসাথে তিনি উল্লেখ করেন যে যুক্তরাষ্ট্র আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানে নতুন হামলা শুরু করার পরিকল্পনা করছে। এ রকম দ্বৈত রূপরেখা বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের আবারও ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ থেকে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনার কারণে বিনিয়োগকারীরা তাঁদের বিনিয়োগ নিরাপদ ইনস্ট্রুমেন্টে সরিয়ে নিতে শুরু করেন, যেমন মার্কিন ডলার—যার ফলে ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতন ঘটেছে। আজকের ট্রেডিং সেশনে সম্ভবত গতকালের প্রবণতা বজায় থাকবে এবং এই পেয়ারের উল্লেখযোগ্য দরপতন ঘটতে পারে। যুক্তরাজ্য থেকে কোনো উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকায় GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নেতিবাচকভাবে গতিশীলতা দেখা যেতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি মনোযোগ দেব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1924920319.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3243-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3219-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3243-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ পাউন্ডের উল্লেখযোগ্য মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3197-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3219 এবং 1.3243-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1119301683.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3197-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3164-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো সময় পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3219-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3197 এবং 1.3164-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442271

Montu Zaman
2026-04-03, 04:36 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩ এপ্রিল।
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করছিল, তখনই এই পেয়ারের মূল্য 1.3209 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড ক্রয়ের জন্য উপযুক্ত এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 1.3243 পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল সত্ত্বেও মার্কিন ডলার কেবল সামান্যই দরপতনের শিকার হয়েছে। প্রচলিতভাবে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের একটি মূল সূচক হিসেবে মার্কিন শ্রমবাজার স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করেছে, তবে তা যথেষ্ট ছিল না। গত বুধবার প্রকাশিত ADP প্রতিবেদনও অদ্ভুতভাবে উপেক্ষিত হয়েছে। এটি স্পষ্ট যে বর্তমানে ইরান সংক্রান্ত পরিস্থিতিই মূল সংকট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কায় তাদের বিনিয়োগ নিরাপদ ইনস্ট্রুমেন্টের দিকে পুনর্বণ্টন করে চলেছেন। এমন পরিস্থিতিতে এমনকি সাধারণত মার্কিন ডলারের জন্য সহায়ক শক্তিশালী মার্কিন সামষ্টিক-অর্থনৈতিক সূচকগুলোর গুরুত্বও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা সংক্রান্ত উদ্বেগের তুলনায় কম প্রভাব বিস্তার করছে। আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে না, তাই গুড ফ্রাইডে ছুটির প্রেক্ষিতে পাউন্ডের মূল্যের তীব্র মুভমেন্টের সম্ভাবনা কম। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি মনোযোগ দেব।
http://forex-bangla.com/customavatars/615079831.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3269-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3244-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3269-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ পাউন্ডের উল্লেখযোগ্য মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3209-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3244 এবং 1.3269-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/969396651.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3209-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3175-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো সময় পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3244-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3209 এবং 1.3175-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442395

Montu Zaman
2026-04-06, 04:45 PM
http://forex-bangla.com/customavatars/1472604045.jpg
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৬ এপ্রিল।
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3220 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 25 পিপসেরও বেশি কমে যায়। গত শুক্রবার প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে যুক্তরাষ্ট্রে মার্চে কর্মসংস্থানের সংখ্যা পুনরুদ্ধার করেছে এবং বেকারত্ব হার অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কমে গেছে, ফলে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে গত মাসে নন-ফার্ম পেরোলের সংখ্যা 178,000 বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ফলাফল বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের (প্রায় 68,000 কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল) তুলনায় ইতিবাচক ছিল। একই সময়ে বেকারত্ব হার ফেব্রুয়ারির 4.4% থেকে নেমে 4.3% হয়েছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে শ্রমবাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীলও রয়েছে, যা সাধারণত অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত। বেকারত্ব হ্রাস পেলে তা মজুরি বৃদ্ধিকে উস্কে দিতে পারে, যার ফলে ভোক্তাদের ব্যয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে। মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত সামষ্টিক-অর্থনৈতিক সূচকগুলোর ইতিবাচক ফলাফল নির্দেশ করে যে ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে, কারণ স্থিতিশীল শ্রমবাজার ফেডের মুদ্রানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে থাকে। আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তাই যেকোনো মুহূর্তে পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি মনোযোগ দেব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1528474614.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3247-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3222-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3247-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ পাউন্ডের উল্লেখযোগ্য মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3208-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3222 এবং 1.3247-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3208-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3182-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো সময় পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3222-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3208 এবং 1.3182-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442533

SumonIslam
2026-04-07, 04:51 PM
http://forex-bangla.com/customavatars/777228195.jpg
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৭ এপ্রিল।
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্য বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3256 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে। 1.3256-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারবট এরিয়ায় ছিল, যা পাউন্ডের সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের সুযোগ দেয় এবং এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য 30 পিপসেরও বেশি কমে আসে। ব্রিটিশ পাউন্ডের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন খাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকের সর্বশেষ ফলাফল প্রকাশের পর লক্ষ্য করা গেচ্ছে। এই সূচকটির ফলাফল মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রতিফলিত করে এবং তা 54.0 পয়েন্টের গুরুত্বপূর্ণ স্তরের উপরে অবস্থান করে দৃঢ় স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করেছে। আজ দিনের প্রথমার্ধে ট্রেডাররা যুক্তরাজ্যের সামষ্টিক প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছে। দেশটিতে মার্চ মাসের পরিষেবা খাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকের ফলাফলের প্রকাশ করা হবে—যা ব্রিটিশ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক। কম্পোজিট PMI সূচকও গুরুত্বপূর্ণ হবে, কারণ এটি উৎপাদন ও পরিষেবা—উভয় খাতের ফলাফল সমন্বিত করে দেশটির অর্থনৈতিক চিত্র আরও পূর্ণাঙ্গভাবে তুলে ধরে। এই সূচকগুলোর যেকোনো একটি অথবা উভয় সূচকের নিম্নমুখী ফলাফল দেখা গেলে ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতন ত্বরান্বিত হতে পারে; অন্যদিকে ফলাফল প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেলে পাউন্ডের দর বৃদ্ধি পেতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3261-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3237-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3261-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3217-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3237 এবং 1.3261-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1367639278.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3217-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3186-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো সময় পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3237-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3217 এবং 1.3186-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442652

SumonIslam
2026-04-10, 05:17 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১০ এপ্রিল।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3417 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ড ক্রয়ের জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। ফলে এই পেয়ারের মূল্য 1.3448-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে বৃদ্ধি পায়। মার্কিন শ্রমবাজার ও জিডিপি প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল মার্কিন ডলারের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করেছে এবং এর ফলশ্রুতিতে ব্রিটিশ পাউন্ডের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। বেকারভাতা আবেদনের সংখ্যা বৃদ্ধি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধির মন্থরতা ট্রেডারদের মধ্যে মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীলতা সম্পর্কে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই নেতিবাচক ফলাফলের প্রভাবে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটে এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের দর বৃদ্ধি পায়। ধারণা করা হচ্ছে অর্থনৈতিক সূচকের এ ধরনের হতাশাজনক ফলাফলের কারণে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়ানোর ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হয়ে উঠতে পারে। আর্থিক নীতিমালা আগ্রাসীভাবে কঠোর করার সম্ভাবনা হ্রাস পেলে ঐতিহ্যগতভাবে জাতীয় মুদ্রা দুর্বল হয় এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে তা কম আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। দুর্ভাগ্যবশত, আজ যুক্তরাজ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। নতুন সামষ্টিক সূচকের অনুপস্থিতিতে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট সম্ভবত সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যে সীমিত থাকবে। এই কনসোলিডেশন পিরিয়ডটিকে বাহ্যিক কারণ বা আসন্ন প্রতিবেদনের প্রভাবে সৃষ্ট মুভমেন্টের আগে একটি বিরতি হিসেবে দেখা যেতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের দিকে বেশি গুরুত্ব দেব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3461-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3428-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3461-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র নির্ধারিত চ্যানেলের মধ্যে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3408-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3428 এবং 1.3461-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3408-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3374-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো সময় পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3428-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3408 এবং 1.3374-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/443013

SaifulRahman
2026-04-13, 04:46 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৩ এপ্রিল।
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3449 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ডের মূল্যের উর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছে। এই কারণেই আমি পাউন্ড ক্রয় করিনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমন ও অন্যান্য অমীমাংসিত বিষয় সমাধানের উদ্দ্যেশ্য অনুষ্ঠিত প্রথম সরাসরি আলোচনা অপ্রত্যাশিতভাবে ব্যর্থ হয়েছে, ফলে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও অচলাবস্থার মধ্যে পর্যবসিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু ব্যর্থ আলোচনার ফলস্বরূপ মূল ইস্যুগুলোতে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি, যা চলমান সংকট দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনায় অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। সব মিলিয়ে এর ফলে পাউন্ডের তীব্র দরপতন এবং মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। স্পষ্টতই বিদ্যমান দ্বন্দ্ব উত্তরণে নতুন, জটিল এবং সম্ভবত দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের প্রয়োজন হবে। আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকায় কারেন্সি মার্কেটে বড় ধরনের ওঠানামার সম্ভাবনা বেশ অনিশ্চিত। ট্রেডারদের মনোভাব প্রভাবিত করতে পারে এমন সর্বশেষ অর্থনৈতিক সূচক না থাকায় মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতনের প্রবণতা বজায় থাকতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/490817834.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3444-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3415-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3444-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র নির্ধারিত চ্যানেলের মধ্যে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3402-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3415 ও 1.3444-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1356331635.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3402-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3381-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো সময় পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3415-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3402 ও 1.3381-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/443165

Rassel Vuiya
2026-04-15, 02:26 PM
১৫ এপ্রিল কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/1313606598.jpg
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল, কারণ মার্কেটে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইতিবাচক খবর আসছে—তবুও আমরা মনে করি এই সংঘাতের মূল বিষয়গুলো অমীমাংসিতই রয়েছে। সুতরাং আশাবাদী হওয়ার জন্য খুব বেশি কারণ নেই। হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে (যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কারণে), তেহরানের পারমাণবিক কার্যক্রম সংক্রান্ত ইস্যু অমীমাংসিত অবস্থায় আছে, এবং যেহেতু ট্রাম্প যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন তা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য—মধ্যপ্রাচ্য র সকল দেশ এতে অন্তর্ভুক্ত নয়—তাই যেকোনো মুহূর্তে উত্তেজনা পুনরায় তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। তবুও মার্কেটে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে এবং বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বন্ধ আছে। জ্বালানি তেলের মূল্য ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হওয়ার সুযোগ রয়েছে, এবং ইউরো ও পাউন্ডের বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য একমাত্র ট্রাম্প কার্ড অর্থাৎ ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব এখন কমে আসছে।
http://forex-bangla.com/customavatars/926899806.jpg
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ঠিক একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়া অতিক্রম করে, যা ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা উদ্দীপিত করেছে এবং নতুন ট্রেডারদের লং পজিশন ওপেন করার একটি চমৎকার সুযোগ দিয়েছে। আজ যুক্তিসঙ্গতভাবে এই পজিশনগুলো হোল্ড করে রাখা যেতে পারে, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3643-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়।

বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নতুন একটি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি নেই, ফলে 2026 সালেও আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত এই পেয়ারের মূল্যের বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। তবে এজন্য বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও প্রশমিত হতে হবে, আরেকটি সম্ভাব্য দৃশ্যপট হল: দুই মাস ধরে প্রধানত ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের উপর ভিত্তি করে ট্রেডিং করার পর ট্রেডাররা প্রাথমিকভাবে এই প্রভাব উপেক্ষা করতে পারে। বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3476-1.3489-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেশন করলে লং পজিশন হোল্ড করে রাখা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3643-1.3652-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3175-1.3180, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3380-1.3386, 1.3476-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, এবং 1.3741-1.3751। যুক্তরাজ্যে আজ ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি একটি ভাষণ দেবেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেবল কয়েকটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। অতএব আজ নতুন ট্রেডাররা ট্রেডিংয়ের টেকনিক্যাল উপাদানগুলোর প্রতি মনোযোগ দিতে পারেন।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/443381

BDFOREX TRADER
2026-04-16, 06:57 PM
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৬ এপ্রিল।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3556 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। তবে 10 পিপস দরপতনের পর এই পেয়ারের ওপর চাপ কিছুটা হ্রাস পেয়েছিল। যদিও মধ্যপ্রাচ্য সংকটের ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে, তবুও ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডাররা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। এটি পরস্পরবিরোধী পরিস্থিতি মনে হতে পারে—কারণ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা সাধারণত বৈশ্বিক ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে অতীতের সমস্যাগুলোর স্থবিরতা এবং নতুন করে অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের প্রত্যাশা বাহ্যিক ইতিবাচক সংকেতকে ছাপিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আজ ট্রেডাররা যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রতিবেদন বিশ্লেষণের জন্য প্রস্তুত রয়েছেন—যা দেশটির অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থাকে প্রতিফলিত করে। পাশাপাশি শিল্পোৎপাদন সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা উৎপাদন খাতের অবস্থা নির্দেশ করে এবং সেইসাথে ট্রেড ব্যালেন্স সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা বৈদিশিক বাণিজ্য কার্যক্রম সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে। এই সূচকগুলোর ফলাফল ব্রিটিশ অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি প্রকাশিত ফলাফল পূর্বাভাসের চেয়ে নিম্নমুখী হয়, তাহলে ব্রিটিশ পাউন্ডের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হতে পারে। জিডিপি প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতা বা সংকোচনের ইঙ্গিত দিতে পারে—যা বিনিয়োগকারীদের কাছে ব্রিটিশ অ্যাসেটের আকর্ষণ কমিয়ে দেবে। একইভাবে উৎপাদন খাতের নেতিবাচক প্রবণতা বা বাণিজ্যের পরিমাণের অবনতি যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/2031714546.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3616-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3580-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3616-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3561-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3580 এবং 1.3616-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/817241382.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3561-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3522-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সামরিক উত্তেজনার মাত্রা বৃদ্ধি পেলে আজ পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3580-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3561 এবং 1.3522-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/443519

Montu Zaman
2026-04-17, 04:10 PM
১৭ এপ্রিল কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?

বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের সামান্য কারেকশন হয়েছে এবং এই পেয়ারের মূল্য 1.3543-এর নিচে কনসলিডেট করেছে। ব্রিটিশ পাউন্ডের এই দরপতন ভূ-রাজনৈতিক, ফান্ডামেন্টাল অথবা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে ঘটেনি। বৃহস্পতিবার তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ভূ-রাজনৈতিক সংবাদ ছিল না, এবং মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাবও ছিল না। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের দুটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেগুলোর ফলাফল পূর্বাভাসের চেয়ে শক্তিশালী ছিল এবং এর ফলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া উচিত ছিল—দেশটির জিডিপি ফেব্রুয়ারিতে 0.5% প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে এবং শিল্প উৎপাদনের হারও 0.5% বেড়েছে। ট্রেডাররা আরও নিম্নমুখী ফলাফলের প্রত্যাশা করেছিল। ফলে এটি মনে হচ্ছে যে ট্রেডাররা এখনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলোর ফলাফল উপেক্ষা করছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কমে যাওয়ার ফলে প্রায় দেড় সপ্তাহ ধরে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, তারপর মার্কেটে ট্রেডিং থেকে বিরতির প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এখন সবকিছুই চলমান যুদ্ধবিরতি কতদিন টিকে থাকে এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা কতটা সফল হয় তার উপর নির্ভর করছে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1524534514.jpg
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটিমাত্র ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। এটি কার্যত 15 ঘণ্টা ধরে গঠিত হয়েছিল। এই পেয়ারের মূল্য গতরাতে 1.3529-1.3543 এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করেছে। তবে এমন একটি বিরোধপূর্ণ সিগন্যালও মূলত সিগন্যালই। আজ ব্রিটিশ পাউন্ডের সম্ভবত আরও দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে; তবুও মার্কেটে অস্থিরতার মাত্রা কম থাকার সম্ভাবনাই বেশি।
http://forex-bangla.com/customavatars/1584921039.jpg
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি দেখা যাচ্ছে না, ফলে 2026 সালেও আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত এই পেয়ারের মূল্যের বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। তবে এজন্য বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও প্রশমিত হতে হবে। তবে আমরা মনে করি যে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির বড় ধরনের অবনতি ছাড়া মার্কিন ডলারের মূল্যের গত দুই মাস ধরে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকার সম্ভাবনা নেই। শুক্রবার, যেহেতু এই পেয়ারের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করেছে, তাই নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন হোল্ড করে রাখতে বা ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3476-1.3489-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেশন করলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3643-1.3652-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3175-1.3180, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3380-1.3386, 1.3476-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, এবং 1.3741-1.3751। শুক্রবার যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না; তাই প্রকাশিতব্য ভূ-রাজনৈতিক সংবাদের ওপরই নির্ভর করা হচ্ছে। চলতি সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কম থাকলে মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করবে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/443629