PDA

View Full Version : Eur/usd পেয়ারের অ্যানালাইসিস- ২০২৬



SaifulRahman
2026-01-05, 04:10 PM
আসন্ন সপ্তাহের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডার গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টে পরিপূর্ণ রয়েছে। EUR/USD পেয়ারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সপ্তাহ হতে পারে, বিশেষ করে গত তিন সপ্তাহ ধরে এই পেয়ার যে 1.17-এর রেঞ্জে ট্রেড করা হচ্ছে, সেই রেঞ্জ থেকে এবার মূল্যের বের হয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন মূল প্রশ্ন হলো—এই পেয়ারের মূল্য কোনদিকে যাবে: বিক্রেতাদের অনুকূলে গিয়ে নিম্নমুখী হবে, না কি ক্রেতাদের পক্ষে ঊর্ধ্বমুখী হবে? সপ্তাহের শুরুতে, অর্থাৎ সোমবার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক — ISM উৎপাদন সূচক প্রকাশিত হবে। গত নভেম্বর মাসে এই সূচক কমে 48.2-এ পৌঁছায়, যা জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। পরপর দুই মাস ধরে এই সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। এই সূচকের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য উপ-সূচকের ফলাফলও হতাশ করেছে। বিশেষ করে, নতুন অর্ডার সূচক 49.4 থেকে কমে গিয়ে দাঁড়ায় 47.4-এ (একটানা তিন মাস ধরে নিম্নমুখী হচ্ছে—যা দুর্বল চাহিদা নির্দেশ করে), এবং কর্মসংস্থান সূচক কমে 44.0-এ পৌঁছিয়েছে (আগের মাসে ছিল 46.0)। অর্থাৎ, ISM উৎপাদন সূচকের ফলাফল থেকে এটি স্পষ্ট যে উৎপাদন খাতে চাহিদা কমেছে এবং কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডিসেম্বরে এই সূচক 48.2 থেকে বেড়ে 48.4-এ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে তারপরও সূচকটি এখনো 'সংকোচন' অঞ্চলে থেকে যাবে। ডলার সহায়তা পাবে কেবল তখনই যদি সূচকটির ফলাফল পূর্বাভাসকে অতিক্রম করে ৫০-এর স্তর ছাড়িয়ে যায়—তবে এই সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। বরং বিপরীতমুখী পরিস্থিতির সম্ভাবনাই বেশি। ISM সূচকের জন্য বেশিরভাগ পরোক্ষ সংকেত—দুর্বল অর্ডারের পরিমাণ, কর্মসংস্থান হ্রাস, মূল্যস্ফীতির চাপ, রপ্তানিতে দুর্বলতা ইত্যাদি—এর চেয়েও খারাপ ফলাফলের পূর্বাভাস দিচ্ছে। সেইসঙ্গে ডিসেম্বরে প্রকাশিত বিভিন্ন আঞ্চলিক উৎপাদন সূচকের (FRB নিউইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া এবং রিচমন্ড) নেতিবাচক ফলাফলও ইঙ্গিত দেয় যে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প খাতের সংকোচন অব্যাহত রয়েছে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1866787005.jpg
ISM থেকে পরিষেবা সংক্রান্ত PMI সূচক দু'দিন পর — অর্থাৎ বুধবার, ৭ জানুয়ারি প্রকাশিত হবে। পূর্বাভাস অনুযায়ী সূচকটি সামান্য কমে 52.6 থেকে 52.2-এ নেমে আসতে পারে, তবে তারপরও সূচকটি 'সম্প্রসারণ' অঞ্চলে অবস্থান করবে। তবে যদি এই সূচক উল্লেখযোগ্য হারে কমে গিয়ে ৫০-এর দিকে যায় বা হঠাৎ করে সংকোচন সীমায় পৌঁছে যায়, তাহলে তা মার্কিন ডলারের উপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করবে। ISM সূচক ছাড়াও EUR/USD পেয়ারেওর ট্রেডাররা যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকেও দৃষ্টি দেবে। বুধবার ADP এবং JOLTS থেকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, আর শুক্রবার ডিসেম্বরের ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ADP প্রতিবেদনে দেখা হবে যে বেসরকারি খাতে ৫০,০০০ কর্মসংস্থান যুক্ত হয়েছে, যেখানে আগের মাসে ৩০,০০০ কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছিল। যদিও এটি সরকারি খাতে কর্মসংস্থানের প্রতিবেদন সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত নয়, তবুও এটি EUR/USD মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষ করে যদি এটির ফলাফল আবারও নেতিবাচক আসে। বুধবারই প্রকাশিত হবে নভেম্বরের JOLTS প্রতিবেদন (সংগত অর্থে, এটি আগের মাসের শেষ কার্যদিবস অনুযায়ী চাকরির শূন্যপদ সংক্রান্ত প্রতিবেদন)। অক্টোবর মাসে এই সূচকটি ৭.৬৭ মিলিয়ন ছিল, যা ২০২৫ সালের মে মাসের পর সর্বোচ্চ হার ছিল। পূর্বাভাস অনুযায়ী, নভেম্বরে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং সূচকটি ৭.৭৩ মিলিয়নে পৌঁছাবে। যদিও সূচকটি বেশ আগের সময়ের ফলাফল প্রতিফলিত করে, তবুও সূচকটির নেতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে তা সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের দুর্বল পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিতে পারে। তবে সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হবে ননফার্ম পেরোল (NFP), যা শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি প্রকাশিত হবে। এটি মার্কিন ফেডারেল সরকারি কার্যক্রমে বিরতির পরে প্রথম 'স্পষ্ট' মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন হবে। যেমনটি জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে ফেডারেল সরকারের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় কিছু সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশে ব্যাঘাত ঘটে। বিশেষ করে, অক্টোবর মাসের নিয়োগ প্রতিবেদন আলাদাভাবে প্রকাশ হয়নি, বরং নভেম্বরের প্রতিবেদনের মধ্যে একত্রিত করা হয়। ফলে, প্রতিবেদনে সংগ্রহে ঘাটতি থাকায় কিছু সূচক বিকৃত ফলাফল প্রদর্শন করেছে। এই কারণে ডিসেম্বরের ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদন বর্তমান শ্রমবাজার পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য EUR/USD ট্রেডারদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডিসেম্বরে বেকারত্ব সামান্য কমে ৪.৬% থেকে ৪.৫%-এ নামতে পারে (যা বহু বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল), এবং ননফার্ম পেরোল ৫৫,০০০-এ বৃদ্ধি পেতে পারে, যেখানে নভেম্বর মাসে সূচকটি ৬৪,০০০ ছিল। গড় ঘণ্টাপ্রতি মজুরি বৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী মাসের ৩.৫%-এ অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সামগ্রিকভাবে, প্রতিবেদনটি তুলনামূলকভাবে দুর্বল ফলাফল প্রদর্শন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি যদি প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল পূর্বাভাসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয়, তবুও মার্কিন ডলার সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের চাপের মধ্যে থাকবে। কিন্তু যদি বেকারত্ব হার আবারও বেড়ে যায় এবং পেরোল বৃদ্ধির হার ৫৫,০০০-এর নিচে আসে, তাহলে মার্কেটে ডলারের ব্যাপক দরপতন হতে দেখা যেতে পারে, এবং ফেডের ভবিষ্যৎ নীতিগত পদক্ষেপ নিয়ে 'ডোভিশ বা নমনীয়' অবস্থান গ্রহণের প্রত্যাশা আরও জোরদার হবে। মনে করিয়ে দিই, বর্তমান পরিস্থিতি অনুসারে মার্চে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনাকে ৫০/৫০ হিসেবে দেখা হচ্ছে (CME ফেডওয়াচ অনুযায়ী)। ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল এই অবস্থানকে 'ডোভিশ না নমনীয়করণের' দিকেই সরিয়ে দিতে পারে। এছাড়া আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য: সোমবার মার্কেটে ভেনেজুয়েলায় সংঘটিত ঘটনার প্রতি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, শনিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় একটি বৃহৎ সামরিক অভিযান চালায়, যার ফলে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়। স্বল্পমেয়াদে (সোমবার), এই ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে মার্কিন ডলার 'নিরাপদ বিনিয়োগ' হিসেবে শক্তিশালী হতে পারে। তবে মধ্যমেয়াদে (সপ্তাহজুড়ে), পরিস্থিতি নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক মার্কেটে এই ঘটনার প্রতি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হয় তার ওপর। তেলের সরবরাহের স্থিতিশীলতা, রাষ্ট্রগুলোর প্রতিক্রিয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মতামত—এসবই EUR/USD পেয়ারের মূল্যের দিক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। যদি উত্তেজনার মাত্রা হ্রাস পায় (অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশের পক্ষ থেকে আর কোনো সক্রিয় পদক্ষেপ না নেয়া হয়), তবে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের স্বাভাবিক মৌলিক চালিকাশক্তির প্রভাব আবার শুরু হবে কাছে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, দৈনিক চার্টে এই পেয়ারের মূল্য এখন বলিংগার ব্যান্ডের মধ্যম লাইনে অবস্থান করছে, তবে টেনকান-সেন লাইনের নিচে, তবে কুমো ক্লাউড ও কিজুন-সেন লাইনের উপরে রয়েছে। অর্থাৎ, যদিও সামগ্রিকভাবে 'বিয়ারিশ' প্রবণতা বিদ্যমান, তথাপি কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যাচ্ছে। নিম্নমুখী প্রবণতা থাকা সত্ত্বেও EUR/USD পেয়ারের বিক্রেতারা গত তিন সপ্তাহ ধরে মূল্যের 1.1710–1.1800 রেঞ্জের নিচের সীমা ব্রেক করাতে পারেনি। ফলে, মূল সাপোর্ট লেভেল 1.1690 (D1-এ কুমো ক্লাউডের উপরের সীমা) স্পর্শ করাও হয়নি। যদি 1.17-এর এরিয়ার নিচে নিম্নমুখী মোমেন্টাম 'প্রথাগতভাবে' স্তিমিত হয়ে যায়, তাহলে লং পজিশন বিবেচনায় আনা যেতে পারে, যেখানে প্রথম লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে এই পেয়ারের মূল্য 1.1760-এর (D1-এ টেনকান-সেন লাইন) দিকে যেতে পারে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/434535

Montu Zaman
2026-01-06, 07:39 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৬ জানুয়ারি
http://forex-bangla.com/customavatars/557349761.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের উল্লেখযোগ্য উপরে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1697 লেভেল টেস্ট করে, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে। এই কারণেই আমি ইউরো ক্রয় করিনি। প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন সংক্রান্ত PMI সূচক কমে 47.9-এ এসে পৌঁছেছে, যা ইউরোর বিপরীতে মার্কিন ডলারের বড় ধরনের দরপতন ঘটাত। বিনিয়োগকারীদের এই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ইঙ্গিত দেয় যে, ভবিষ্যতে ফেডারেল রিজার্ভের উপর নীতিনির্ধারণে চাপ আরও বাড়তে পারে—এই আশঙ্কায় মার্কেটের ট্রেডাররা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। আজ বিশেষ করে দিনে প্রথমার্ধে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এজন্য ইউরোজোনের পরিষেবা খাতের কার্যক্রম সূচক এবং কম্পোজিট PMI-এর ইতিবাচক ফলাফল প্রয়োজন। এর পাশাপাশি, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) জন্য জার্মানির ভোক্তা মূল্য সূচকের (CPI) ফলাফল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হবে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে বর্তমানে ব্যবহৃত আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত পদক্ষেপের কার্যকারিতা মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি হবে। যদি মূল্যস্ফীতির হার কমে, তাহলে ইসিবির উপর চাপ কিছুটা হ্রাস পেতে পারে এবং ভবিষ্যতে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা কমে যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, যেকোনো পেয়ারের বিনিময় হার শুধুমাত্র মৌলিক অর্থনৈতিক সূচকের উপর নির্ভর করে না—এর উপর একাধিক বাহ্যিক উপাদান প্রভাব বিস্তার করে। এমনকি অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলেও আকস্মিক কোনো ভূরাজনৈতিক ঘটনা কিংবা বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্ধনের কারণে দরপতন হতে পারে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের উপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/203378941.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1762-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1741-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1762-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1725-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1741 এবং 1.1762-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1725-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1704-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1741-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1725 এবং 1.1704-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/434691

DhakaFX
2026-01-07, 07:03 PM
৭ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/1823677583.jpg
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল এবং এর পেছনে বেশ কিছু কারণ বিদ্যমান ছিল। সার্বিকভাবে, গতকাল ট্রেডাররা মূলত একটি প্রতিবেদনের দিকেই দৃষ্টি দিয়েছে—সেটি হচ্ছে জার্মানির মূল্যস্ফীতি সম্পর্কিত প্রতিবেদন। যদিও আমরা এই প্রতিবেদনটিকে ইউরোর জন্য খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করি না, কারণ ইউরোর জন্য গোটা ইউরোজোনের মূল্যস্ফীতির হার গুরুত্বপূর্ণ—একট সদস্য দেশের প্রতিবেদন নয়। তবুও, জার্মানি যেহেতু ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৃহত্তম অর্থনীতি, তাই এমন প্রতিবেদন পুরোপুরি উপেক্ষা করা উচিতও নয়। ডিসেম্বর মাসে দেশটির ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) ২.৩% থেকে কমে ১.৮%–এ নেমে এসেছে। আপনি নিশ্চয়ই একমত হবেন যে—০.৫% পয়েন্টের এই হ্রাস বেশ তাৎপর্যপূর্ণ এবং অনেকের কাছেই এটি অপ্রত্যাশিত। তাহলে মূল্যস্ফীতি ২%–এর নিচে থাকার বিষয়টি কী ইঙ্গিত দেয়? মূলত, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ECB) আবার মুদ্রানীতি নমনীয়করণ কার্যক্রম শুরু করতে পারে এই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মূল্য সুদের হার হ্রাস যেকোনো কারেন্সির দরপতনের কারণ হিসেবে কাজ করে, যেকারণে আমরা গতকালই ইউরোর দরপতন প্রত্যক্ষ করেছি। এছাড়া, ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখন নিম্নমুখী প্রবণতা বিদ্যমান রয়েছে, তাই টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এই দরপতনকে স্বাভাবিক বলে মনে করা যায়। তবে এই দরপতন দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে আমরা মনে করি না। খুব শিগগিরই, অর্থাৎ আজ থেকেই মার্কিন শ্রমবাজার–সংক্রা ্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে শুরু হবে, যেগুলোর ফলাফল মার্কিন ডলারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1641972956.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট মঙ্গলবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কেবলমাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1755 লেভেল থেকে রিবাউন্ড করে, যার ফলে দিনেরবেলাতেই প্রায় ৫০ পয়েন্টের দরপতন ঘটে। ফলে, যদি নতুন ট্রেডাররা মূল্য লক্ষ্যমাত্রায় পুরোপুরিভাবে না পৌছালেও মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ট্রেডটি ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে থাকেন, তাহলেও তারা বেশ ভালো মুনাফা অর্জন করতে পেরেছেন। বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে পূর্ববর্তী প্রবণতা পরিবর্তিত হয়ে বিয়ারিশে পরিণত হয়েছে, তবে সম্ভবত এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এই পেয়ারের মূল্য 1.1800–1.1830 লেভেল (যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমানা) অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাই টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী যথার্থভাবে এই দরপতন হচ্ছে, এবং সম্ভবত 1.1400 লেভেল পর্যন্ত দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। মার্কিন ডলারের জন্য সার্বিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও নেতিবাচকই রয়ে গেছে। সেজন্য, আমরা প্রত্যাশা করছি যে মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শিগগিরই আবার শুরু হতে পারে। বুধবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1655–1.1666 লেভেল থেকে ট্রেড করতে পারে। এই এরিয়া থেকে এই পেয়ারের মূল্য রিবাউন্ড করলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1745–1.1754 লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই এরিয়ার নিচে কনসোলিডেশন হয়, তাহলে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1584–1.1591–এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যায়: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। বুধবার, ইউরোপীয় ইউনিয়নে মূল্যস্ফীতি সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং যদি এই প্রতিবেদনের ফলাফল অপ্রত্যাশিত হয়, তাহলে মার্কেটে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। এছাড়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ADP, JOLTs, এবং ISM পরিষেবা সংক্রান্ত PMI প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মার্কেটে উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/434793

SUROZ Islam
2026-01-08, 05:05 PM
EUR/USD পেয়ারের পর্যালোচনা, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
http://forex-bangla.com/customavatars/1185035936.jpg
বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য়ের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ইউরোর উপর থেকে চাপ কিছুটা কমেছে। গত পরশুদিন, জার্মানিতে ডিসেম্বরের মূল্যস্ফীতি সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে দেখা গেছে যে দেশটির ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI) বার্ষিক ভিত্তিতে ১.৮%-এ নেমে এসেছে, যেখানে আগের মাসে এটি ২.৩% ছিল। আমরা তখনই বলেছিলাম—এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার সময় এখনো হয়নি, বরং পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করাই ভালো হবে। পরদিনই সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় এবং প্রতিবেদনের ফলাফল অনুযায়ী ইউরোজোনের বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার ২%-এ রয়েছে, যা পূর্বাভাসের সঙ্গে পুরোপুরিভাবে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল। মুদ্রাস্ফীতির হার মন্থর হলে সেটি ইউরোর জন্য কেন ঝুঁকিপূর্ণ? বিষয়টি খুবই সহজ। যদি মূল্যস্ফীতির হার ২%-এর নিচে নেমে যেতে থাকে, তাহলে এটি ইসিবিকে (ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক) আবারও আর্থিক নীতিমালার নমনীয়করণ শুরু করার জন্য যৌক্তিক কারণ দিতে পারে। মনে করিয়ে দেওয়া ভালো যে, পূর্বে ইসিবির আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির কিছু সদস্য ধারণা দিয়েছিলেন যে ২০২৬ সালের মধ্যে হয়তো একাধিকবার মূল সুদের হার বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। কিন্তু যদি মূল্যস্ফীতির হ্রাস ইসিবির লক্ষ্যমাত্রার নিচে নেমে যায়, তাহলে আর্থিক নীতিমালা কঠোর কোনো প্রশ্নই উঠবে না। এই যুক্তিসঙ্গত বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার মার্কেটে ইউরো বিক্রির প্রবণতা দেখা দেয়। তবে বুধবারে দেখা গেছে—সেই সব সংশয় ভিত্তিহীন ছিল: ইউরোপীয় ইউনিয়নে মূল্যস্ফীতির হার এখনো লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ীই রয়েছে। অতএব, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের ক্ষেত্রে বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার, বেকারত্ব এবং মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনই মূল অগ্রাধিকার পাচ্ছে। কারণ এই সমস্ত প্রতিবেদনের ফলাফলই নির্ধারণ করবে আগামী দিনগুলোতে ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালা কোন পথে এগোবে। বুধবারের মধ্যে এই সূচকগুলোর উপর ভিত্তি করে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তবে আমাদের মতে, সঠিক বিশ্লেষণের জন্য শুক্রবার প্রকাশিতব্য নন-ফার্ম পেরোল এবং বেকারত্ব হার সংক্রান্ত প্রতিবেদনকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বুধবার ADP, JOLTs এবং ISM থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এগুলোর ফলাফল মার্কেটে কিছুটা প্রতিক্রিয়াও সৃষ্টি করেছে। তবে যেহেতু এই ধরণের স্থানীয় প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারণে তেমন প্রভাব বিস্তার করে না, তাই এগুলোর প্রভাবে দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের বর্তমান রেঞ্জ-ভিত্তিক মুভমেন্টে বড় কোনো পরিবর্তনের আশা করা যাচ্ছে না। হ্যাঁ, EUR/USD পেয়ারের মূল্য এখনো 1.1400 এবং 1.1830 লেভেলের মধ্যকার রেঞ্জে অবস্থান করছে। এই পেয়ারের মূল্য বিগত ছয় মাস ধরেই এই রেঞ্জে অবস্থান করছে। এই পেয়ারের মূল্য ঠিক কতদিন এই রেঞ্জে থাকবে, তা বলা কঠিন। বছরের শুরুটা বেশ অস্থির ছিল, ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়েছেন। কিন্তু এরপরের দিনগুলোতে দেখা গেল, মার্কেটের ট্রেডাররা ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়নি—যার মূল উদ্দেশ্য ছিল মাদক নিয়ন্ত্রণের ছদ্মাবরণে ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্র দখল করা। মার্কেটের ট্রেডাররা এটিও বিশ্বাস করছে না যে, ট্রাম্প কিউবা, কলম্বিয়া বা ডেনমার্কের অধীনে থাকা গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযান চালাবে। ফলে, ট্রাম্পের অভিযানটি বাহ্যিকভাবে যতটা নাটকীয় ছিল, বাস্তবে এর ভবিষ্যৎ সম্ভবত "ট্রাম্প সবসময় শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে যান" সূত্র অনুযায়ীই চলবে। অনুমান করা যায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চেয়েছিলেন—প্রথমত, ভেনেজুয়েলায় মাদুরো সরকারের পতন নিশ্চিত করা, এবং দ্বিতীয়ত, বিশ্বের সামনে শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান পোক্ত করা। প্রথম লক্ষ্যটি হয়তো অনেকাংশে সফল হয়েছে, কিন্তু দ্বিতীয় লক্ষ্য এখন পর্যন্ত "গড়পড়তা"র বেশি কিছু অর্জন করতে পারেনি।
http://forex-bangla.com/customavatars/820712742.jpg
৭ জানুয়ারি পর্যন্ত গত পাঁচ দিনের ট্রেডিংয়ে EUR/USD কারেন্সি মূল্যের পেয়ারের গড় ভোলাটিলিটি হচ্ছে ৫০ পয়েন্ট, যা "মাঝারি-নিম্ন" হিসেবে বিবেচনা করা যায়। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1640 এবং 1.1740 লেভেলের মধ্যে মুভমেন্ট করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। সিনিয়র লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেলটি এখনো ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে, তবে বাস্তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে রেঞ্জ-ভিত্তিক মুভমেন্টই অব্যাহত রয়েছে। গত ডিসেম্বরে CCI ইনডিকেটরটি ওভারবট জোনে প্রবেশ করেছিল, কিন্তু ইতোমধ্যেই একবার সামান্য রিট্রেসমেন্ট বা কারেকশন দেখা গেছে। গত সপ্তাহে একটি বুলিশ ডাইভারজেন্স গঠিত হয়েছে, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার ইঙ্গিত প্রদান করে। নিকটতম সাপোর্ট লেভেল: S1 – 1.1658S2 – 1.1597S3 – 1.1536 নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল: R1 – 1.1719R2 – 1.1780R3 – 1.1841 ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য এখনো মুভিং অ্যাভারেজ লাইনের নিচে অবস্থান করছে, তবে হায়ার টাইমফ্রেমে (উদাহরণস্বরূপ, ৪-ঘণ্টা, সাপ্তাহিক চার্টে) এখনও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিদ্যমান রয়েছে। অন্যদিকে, দৈনিক টাইমফ্রেমে এখন টানা ছয় মাস ধরে রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট চলমান রয়েছে। বৈশ্বিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনও মার্কেটে জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করছে, এবং মার্কিন ডলারের জন্য তা এখনও নেতিবাচকই রয়ে গেছে। গত ছয় মাসে মার্কিন ডলারের মূল্য মাঝে মাঝে কিছুটা দুর্বল ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট দেখালেও, তা কেবলমাত্র সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। দীর্ঘমেয়াদে ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য এখনও কোনো শক্তিশালী মৌলিক ভিত্তি নেই। যখন এই পেয়ারের মূল্য মুভিং অ্যাভারেজ লাইনের নিচে অবস্থান করে, তখন টেকনিকাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী মূল্যের 1.1658 এবং 1.1640-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য মুভিং অ্যাভারেজ লাইনের উপরে চলে যায়, তাহলে লং পজিশন প্রাসঙ্গিক থাকবে—যেখানে মূল্যের 1.1830-এর (যা দৈনিক চার্টে দৃশ্যমান রেঞ্জের উপরের সীমা) দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যেই একবার এখানে পৌঁছেছে। এখন এই দীর্ঘমেয়াদি রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সমাপ্তি ঘটে একটি স্থায়ী প্রবণতা শুরু হওয়া দরকার।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/434890

SaifulRahman
2026-01-09, 04:21 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৯ জানুয়ারি
http://forex-bangla.com/customavatars/754588149.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1673 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা ইউরো বিক্রি করার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য 1.1647 লেভেলের দিকে নেমে যায়। প্রাথমিক বেকারভাতা আবেদন এবং বাণিজ্য ঘাটতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রত্যাশার চেয়েও ইতিবাচক ফলাফল আরও একবার মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি ঘটিয়েছে। আজ দিনের প্রথমার্ধে, ইউরোজোনে নভেম্বর মাসের খুচরা বিক্রয় এবং জার্মানিতে শিল্প উৎপাদন ও বাণিজ্য ঘাটতির সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল বছরের শেষের দিকে ইউরোপীয় অর্থনীতির সামগ্রিক গতিশীলতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সংকেত প্রদান করবে এবং সম্ভাব্যভাবে ইউরোর মূল্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। খুচরা বিক্রয়, যা ভোক্তা চাহিদার একটি প্রধান উপাদান, জনসাধারনের ব্যয় করার আগ্রহ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কী রকম, তা নির্দেশ করে। একই সময়ে, ইউরোপীয় অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফলও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। উৎপাদন হ্রাস পেলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হওয়ার এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটার ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে। এছাড়াও, ইউরোপের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক হিসেবে জার্মানির বৈদেশিক বাণিজ্য পরিস্থিতি বুঝতে আজকের ট্রেড ব্যালেন্স সংক্রান্ত প্রতিবেদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্য ঘাটতির ইতিবাচক ফলাফল—যেখানে আমদানির তুলনায় রপ্তানি বেশি থাকে—জার্মানির শিল্প খাতের প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সামর্থ্যকে তুলে ধরে। সাধারণভাবে, বাণিজ্য ঘাটতির ইতিবাচক ফলাফল ব্যালান্স জাতীয় মুদ্রাকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে সহায়ক, অন্যদিকে নেতিবাচক ঘাটতি ইউরোর উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং পরিকল্পনা ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/30935726.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1689-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1661-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1689-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1642-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1661 এবং 1.1689-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1642-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1613-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1661-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1642 এবং 1.1613-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435035

Montu Zaman
2026-01-12, 06:39 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১২ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/377701319.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি স্পষ্টভাবেই শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1635 লেভেল টেস্ট করেছিল—ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে। ঠিক এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। শুক্রবার প্রকাশিত মার্কিন নন-ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফল অর্থনীতিবিদদের প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তবে একই সময় বেকারত্ব হার হ্রাস পেয়ে 4.4%-এ নেমে আসার কারণেই স্বল্পমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধি পায়। তবে দৈনিক ভিত্তিতে ডলারের মূল্যের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি—শুরুতে সাময়িক স্থিতিশীলতা দেখা যায়, পরে তা মৃদু দরপতনে পরিণত হয়। বিনিয়োগকারীরা বিবেচনায় নিচ্ছে যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার হ্রাস পাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি প্রবৃদ্ধিও চাপের মুখে পড়তে পারে এবং এর প্রেক্ষিতে ফেডারেল রিজার্ভ মূল সুদের হার হ্রাসের পরিকল্পনাও পিছিয়ে দিতে পারে। নিকটমেয়াদে মার্কেটের ট্রেডাররা নতুন মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন ও ফেডের কর্মকর্তাদের বক্তব্যের দিকে দৃষ্টি দিবে—যেগুলো মুদ্রানীতির ভবিষ্যত সম্পর্কে নির্দেশনা দিতে পারে। অন্যদিকে, ইউরোজোন থেকে আজ শুধুমাত্র সেন্টিক্স বিনিয়োগকারীদের আস্থা সূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও এই সূচক সাধারণত মার্কেটে বড় ধরনের মুভমেন্ট সৃষ্টি করে না, তবে সামগ্রিক বিনিয়োগ আস্থার চিত্র উপস্থাপন করায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হয়। ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি এখনো মার্কেটের উপর প্রভাব বিস্তার করছে। ভেনেজুয়েলা, গ্রীনল্যান্ড এবং কিউবাকে ঘিরে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং এক্ষেত্রে যেকোনো ইতিবাচক বা নেতিবাচক পরিস্থিতি ফিনান্সিয়াল মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। আজ দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।

বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1705-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1677-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1705-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1653-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1677 এবং 1.1705-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/1821042560.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1653-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1624-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1677-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1653 এবং 1.1624-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435179

BDFOREX TRADER
2026-01-14, 07:02 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৪ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/2127513206.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1659-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের 25 পিপসেরও বেশি দরপতন ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত ডিসেম্বরের মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনের ফলাফল আবারও এই প্রত্যাশা নিশ্চিত করেছে যে ফেডারেল রিজার্ভ নিকট ভবিষ্যতে সুদের হার কমানোর পরিকল্পনা করছে না। এই পরিস্থিতি মার্কিন মুদ্রার দর বৃদ্ধি ঘটিয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ওপর স্থায়ীভাবে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি ফেডকে রক্ষণশীল অবস্থান বজায় রাখতে বাধ্য করছে, যার পরিণামে ডলারের দর প্রভাবিত হচ্ছে। এই বিষয়টি স্পষ্টতই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সন্তুষ্ট করবে না; তিনি বিভিন্নভাবে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপর চাপ প্রয়োগ করার চেষ্টা করছেন এবং এমনকি ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার হুমকি দিয়েছেন। আজ ইউরোজোন থেকে কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। ইউরোর জন্য মৌলিক প্রেক্ষাপট থেকে স্পষ্ট কোনো সমর্থন না থাকার কারণে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের ওপর নির্ভর করা গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোর মূল্য প্রধান রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো ব্রেক করলে সেটি নতুন করে ক্রয়ের প্রবণতা সৃষ্টি করে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে সমর্থন করতে পারে। যদি ক্রেতারা নিষ্ক্রিয় থাকে, তাহলে দিনের মধ্যভাগের দিকে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা বেশি। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং 2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1695938899.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1672-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1656-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1672-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র নির্ধারিত চ্যানেলের মধ্যে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1640-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1656 এবং 1.1672-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1640-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1621-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1656-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1640 এবং 1.1621-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435417

Montu Zaman
2026-01-15, 06:29 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৫ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/1687278480.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরে ওঠা শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1656-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো ক্রয়ের জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য মাত্র 7 পিপস বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল প্রকাশিত নভেম্বরের মার্কিন উৎপাদক মূল্য সূচক বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ডলারকে সহায়তা করেছে এবং EUR/USD পেয়ারের উপর আবার চাপ সৃষ্টি করেছে। মার্কিন উৎপাদক মূল্য সূচক পূর্ববর্তী মাসের তুলনায় 0.2% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটি বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অতিক্রম করেছে। ভোক্তা মূল্য সূচকে সাম্প্রতিককালে সামান্য বৃদ্ধি সহ এই নতুন প্রতিবেদনের ফলাফল ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী বৈঠকে সুদের হার হ্রাস সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদনের পরিবর্তন সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশিত হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই সূচক অর্থনীতির বাস্তব খাতের অবস্থা প্রতিফলিত করে এবং সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমের একটি মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়। শিল্প উৎপাদনের লক্ষণীয় বৃদ্ধি ইউরোজোন অর্থনীতির পুনরুজ্জীবনের ইঙ্গিত দিতে পারে এবং ইউরোকে শক্তিশালী করতে পারে। বাণিজ্য উদ্বৃত্ত সংক্রান্ত প্রতিবেদনও গুরুত্বপূর্ণ—বিশ ষ করে নতুন বাণিজ্য শুল্কের প্রেক্ষাপটে। সাধারণত রপ্তানি যদি আমদানির তুলনায় বেশি থাকে (রপ্তানি উদ্বৃত্ত), তাহলে তা জাতীয় মুদ্রাকে সহায়তা করে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থনৈতিক বুলেটিনই প্রকাশিত হবে, যা বিশ্লেষকদের ইউরোজোনের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেবে। বুলেটিনে মুদ্রাস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং অন্যান্য প্রধান সামষ্টিক সূচকের পূর্বাভাস থাকার সম্ভাবনা আছে। বিনিয়োগকারীরা বিশেষভাবে ইসিবির ভবিষ্যৎ সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ব্যাপারে ইঙ্গিতের জন্য এই বুলেটিনের দিকে নজর রাখবেন। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 ও নং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।

বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1665-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1643-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1665-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1631-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1643 এবং 1.1665-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/1849423968.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1631-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1614-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1643-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1631 এবং 1.1614-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435527

SUROZ Islam
2026-01-16, 02:26 PM
১৬ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
http://forex-bangla.com/customavatars/1427436691.jpg
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের স্থিতিশীল মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে এটাই একমাত্র জিনিস যা বর্তমানে সন্তোষজনক। অস্থিরতার মাত্রা এখনও বেশ কম, এবং কার্যত পুরোপুরিভাবে টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের উপরে ভিত্তি করে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট সংঘটিত হচ্ছে। মনে রাখবেন যে দৈনিক টাইমফ্রেমে গত সাত মাস ধরে এই পেয়ারের মূল্য 1.1400–1.1830-এর ফ্ল্যাট রেঞ্জে অবস্থান করছে, এবং সেটিই বর্তমানে আমাদের রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা উচিত। এই পেয়ারের মূল্য যখন এই সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের লাইনে থেকে বাউন্স করেছে, তখনেই নিম্ন লাইনের দিকে একটি মুভমেন্ট শুরু হয়, যার সঙ্গে সামষ্টিক বা মৌলিক পটভূমির তেমন কোনো সম্পর্ক থাকে না। আমরা আবারও গতকালের ট্রেডিং কার্যক্রমে এর প্রমাণ দেখতে পেয়েছি। সকালেই ইউরোপীয় ইউনিয়নে জার্মানির 2025 সালের জিডিপি (নিরপেক্ষ ফলাফল প্রদর্শন করেছে) এবং নভেম্বর মাসের ইউরোপীয় শিল্প উৎপাদন (ইতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করেছে) সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। কিন্তু এসব প্রতিবেদনের ফলাফল ইউরোর সামান্য মূল্য বৃদ্ধিও ঘটাতে পারেনি। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে ডলারের দর বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক বেকারভাতা আবেদন ও ফিলাডেলফিয়া ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রেক্ষিতে যুক্তিযুক্ত বলা যেতে পারত—যদিও এখানে একটি "কিন্তু" আছে: ঐ প্রতিবেদনগুলো প্রকাশের বেশ কয়েক ঘণ্টা আগেই ডলারের মূল্য বৃদ্ধি শুরু হয় এবং প্রতিবেদন প্রকাশের সময়েই এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সমাপ্তি ঘটে।
http://forex-bangla.com/customavatars/230740871.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি, তবে একদিন আগে এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে বাউন্স করেছিল, যা নতুন ট্রেডারদের শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ দিয়েছে। বর্তমানে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা কম থাকায় মূল্যের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে ট্রেডগুলোকে পরবর্তী দিনেও ওপেন করে রাখতে হচ্ছে। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, যা ট্রেন্ডলাইন দ্বারা নিশ্চিত হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য কার্যকরভাবে 1.1800–1.1830 এরিয়া অতিক্রম করতে পারেনি, যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমা। তাই টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এই পেয়ারের দরপতনের বিষয়টি যৌক্তিক এবং 1.1400 লেভেল পর্যন্ত দরপতন হতে পারে। মার্কিন ডলারের জন্য সার্বিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নেতিবাচক রয়ে গেছে, ফলে দৈনিক টাইমফ্রেমে মার্কেটে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রাধান্য বিস্তার করছে, এবং বিনিয়োগকারীরা কার্যত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের দিকে তেমন কোনো মনোযোগ দিচ্ছে না।
শুক্রবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1584–1.1591 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারবেন। এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করলে মূল্যের 1.1655–1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, এবং মার্কেটে দুর্বল মুভমেন্টের কারণে ট্রেডাররা কয়েকদিন ধরে পজিশন ওপেন করে রাখতে বাধ্য হচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য উক্ত এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হলে শর্ট পজিশন প্রাসঙ্গিক হবে, যেখানে মূল্যের 1.1550-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করুন: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নে জার্মানির ডিসেম্বরের মুদ্রাস্ফীতির দ্বিতীয় প্রাক্কলন প্রকাশিত হবে, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বরের শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। উভয় প্রতিবেদনই খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, এবং যাইহোক মার্কেটের ট্রেডাররা প্রকাশিত অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনই উপেক্ষা করছে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435619

Montu Zaman
2026-01-19, 06:58 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৯ জানুয়ারি
http://forex-bangla.com/customavatars/1762043560.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1608-এর লেভেল টেস্ট করে, যা ইউরো বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল এবং ফলস্বরূপ এই পেয়ারের 20 পিপস দরপতন ঘটেছিল। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধির পটভূমিতে ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎপাদন খাতের এই উত্থান সেইসব বিনিয়োগকারীদের জন্য অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ইতিবাচক সংকেত ছিল যারা দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। উৎপাদন সক্ষমতার সম্প্রসারণ মার্কিন অর্থনীতির স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয় এবং তা ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে আশাবাদ জোরালো করেছে। একই সঙ্গে, ফেডের কর্মকর্তাগণ মন্তব্য করেছেন যে সুদের হার হ্রাসের পদক্ষেপে সাময়িকভাবে বিরত নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে — যা ডলারের দর বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে। আজ ইউরোজোনে ডিসেম্বর মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশিত হবে, যেখানে সামগ্রিক ভোক্তা মূল্য সূচক ও মূল মুদ্রাস্ফীতির হার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। অঞ্চলটির মুদ্রাস্ফীতির গতিশীলতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার আশায় অর্থনীতিবিদরা এই প্রতিবেদন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। ভোক্তা মূল্য সূচক বৃদ্ধি পেলে তা ইসিবির মুদ্রানীতির ক্ষেত্রে অব্যাহত সতর্ক এবং অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের অবস্থানকে সমর্থন যোগাতে পারে; বিপরীতভাবে, মুদ্রাস্ফীতি মন্থর হলে তা কৌশল পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত নমনীয় পদক্ষেপের দিকে ধাবিত করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 এবং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1017791559.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1679-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1645-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1679-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1623-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1645 এবং 1.1679-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1623-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1584-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1645-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1623 এবং 1.1584-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435754

BDFOREX TRADER
2026-01-21, 06:46 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২১ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/710932680.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবারের মতো 1.1734-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো কেনার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নিশ্চিত করেছিল। ফলশ্রুতিতে, এই পেয়ারের মূল্য মাত্র 10 পিপস বৃদ্ধির পর বুলিশ মুভমেন্ট শেষ হয়েছে। গতকাল ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো তাঁদের বৃহৎ অংকের মার্কিন ডলারভিত্তিক অ্যাসেট— যা বন্ড ও ইক্যুইটি আকারে রয়েছে—ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য নীতির বিরুদ্ধে চাপের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে বলে উদ্বেগ বাড়ায় ইউরোর প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্ভাব্য ট্রান্সআটলানটিক বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা ডলারের থেকে সক্রিয়ভাবে বিনিয়োগ সরিয়ে ইউরোতে বিনিয়োগ করছেন, যা ইউরোর দর বৃদ্ধি ঘটিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান ও সুরক্ষাবাদী নীতি বিবেচনা এমন পরিস্থিতির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ইউরোপীয় সরকারগুলো তাদের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব অনুভব করলে আর্থিক সম্পদ ব্যবহার করে তারাও পাল্টা ব্যবস্থা নিতেও পারে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সার্বভৌম বন্ডভিত্তিক তহবিলগুলো দ্বারা ধারণকৃত মার্কিন অ্যাসেট বিক্রি করা হলে ডলারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হতে পারে এবং মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থা অস্থিরতার সম্মুখীন হতে পারে। তবু, এমন পদক্ষেপ ইউরোপের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ; ডলারের তীব্র দরপতন ইউরোপীয় রপ্তানি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং অর্থনৈতিক মন্দার উদ্রেক করতে পারে। উপরন্তু, এমন পদক্ষেপ বৈরিতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এবং সংঘাত বাড়িয়ে তুলতে পারে। সামষ্টিক প্রতিবেদনের বিষয়ে বলতে গেলে, আজ ডিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোনে কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না; কেবল ইসিবি প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ড এবং বুন্ডেসব্যাংক প্রেসিডেন্ট জোয়াকিম নাগেলের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে নির্ধারিত আছে। ইসিবির কর্মকর্তারা সম্ভবত গ্রিনল্যান্ডে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন, তবে তাদের মন্তব্যসমূহ সম্ভবত ইউরোর মূল্যের মুভমেন্টকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রভাবিত করবে না। ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে যে মার্কেটের ট্রেডাররা ট্রাম্পের বক্তব্যের জন্য অপেক্ষা করতেই চাইবে, যা মার্কেটের ভারসাম্যের মৌলিক পরিবর্তন ঘটাতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং পরিকল্পনা 2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।

বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1763-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1728-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1763-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজকের বক্তব্যে শুল্ক আরোপের ব্যাপারে ট্রাম্প দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1710-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1728 এবং 1.1763-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/671520518.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1710-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1680-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1728-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1710 এবং 1.1680-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/435998

Tofazzal Mia
2026-01-28, 06:40 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৮ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/1401372782.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1900-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি ইউরো ক্রয় করিনি এবং ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টটি কাজে লাগাতে পারিনি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে ডলারের সাম্প্রতিক দরপতনের তিনি সন্তুষ্ট, এই বিবৃতির পর আমেরিকান মুদ্রার দর তীব্রভাবে হ্রাস পেয়েছে। মার্কিন সামষ্টিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলও মার্কিন ডলারের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। তাত্ত্বিকভাবে ডলারের দরপতনের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে; তবে এতে মুদ্রাস্ফীতির চাপও তৈরি হতে পারে। নিকট ভবিষ্যতে এই দুই দিকের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা ফেডের অগ্রাধিকারে থাকবে, যে সম্পর্কে আমরা নিশ্চিতভাবেই আজকের বৈঠকে জানতে পারব। দিবসের প্রথমার্ধে কেবল জার্মানির ভোক্তা আস্থা সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে হচ্ছে না। সামগ্রিকভাবে আজ মার্কেটে সামষ্টিক প্রতিবেদনের প্রভাব তুলনামূলক দুর্বল থাকবে বলে মনে হচ্ছে। তবে দিনের দ্বিতীয়ার্ধে ফেডের চেয়ারম্যানের বক্তৃতার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত—বিশেষত মূল্যস্ফীতি ও ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির ব্যাপারে তাঁর মন্তব্য মার্কিন ডলারের মূল্যের মুভমেন্টকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1008879513.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.2048-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.2006-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.2048-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। মার্কেটের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1974-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.2006 এবং 1.2048-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1974-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1940-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.2006-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1974 এবং 1.1940-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436616

DhakaFX
2026-01-29, 06:40 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৯ জানুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/799701209.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1944-এর লেভেল টেস্ট করে, যা ইউরো বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের 30 পিপসেরও বেশি দরপতন হয়েছে। গতকাল মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ফেড) মূল সুদের হার 3.75% স্তরে অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, যা ইঙ্গিত দেয় যে তারা নিকট ভবিষ্যতে মুদ্রানীতি পুনর্বিবেচনা করার পরিকল্পনা করছে না। বেশিরভাগ বিশ্লেষকের পূর্বাভাস অনুযায়ী এই পদক্ষেপটি মার্কেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেনি, যদিও অন্যান্য প্রধান মুদ্রাগুলোর তুলনায় ডলারের মূল্য সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সংযুক্ত বিবৃতিতে ফেডের প্রতিনিধিরা জোর দিয়ে বলেছেন যে মূল্যস্ফীতি প্রক্রিয়া এবং শ্রমবাজার পরিস্থিত —যা মাঝারি মাত্রায় হলেও স্থিতিশীল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে—যা পর্যবেক্ষণের মধ্যে রয়েছে। সুদের হার সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন, যেমন মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে। আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোনে বেসরকারি খাতের ঋণ এবং M3 মানি সাপ্লাইয়ের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। এই সূচকগুলো সাধারণত আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কার্যকলাপের নেতৃস্থানীয় নির্দেশক হিসেবে গণ্য করা হয়। বেসরকারি খাতে ঋণের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে তা ব্যবসায়িক ও গৃহস্থালি খাতে চাহিদা বৃদ্ধি নির্দেশ করে, যা বিনিয়োগ ও ভোক্তাব্যয়কে উদ্দীপিত করতে পারে। অন্যদিকে M3 মানি সাপ্লাই বৃদ্ধি পেলে —যার মধ্যে প্রচলিত নগদ, চাহিদা আমানত ও অন্যান্য লিকুইড অ্যাসেট অন্তর্ভুক্ত আছে—মুদ্রা সরবরাহের প্রসার ও সম্ভাব্য মুদ্রাস্ফীতির চাপের ইঙ্গিত দেয়। যথেষ্ট ইতিবাচক ফলাফল পরিলক্ষিত হলে ইউরোর দর আবারও ডলারের বিপরীতে বাড়তে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.2042-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1999-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.2042-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। মার্কেটের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1974-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1999 এবং 1.2042-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/399675310.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1974-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1933-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1999-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1974 এবং 1.1933-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436724

SumonIslam
2026-02-05, 05:57 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৫ ফেব্রুয়ারি।

ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1805‑এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরোর সঠিক সেল এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলে এই পেয়ারের মূল্য 13 পিপস কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পরিষেবা খাতের ইতিবাচক গতিশীলতার কারণে শ্রমবাজার সংক্রান্ত ADP প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশের পরেও মার্কেটে ভারসাম্য বজায় রয়েছে। কারেন্সি মার্কেটে এই অর্থনৈতিক সূচকগুলোর ফলাফলের প্রতি শান্ত প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে এবং মার্কিন ডলারের দর স্থিতিশীল ছিল। আজ ইসিবির বৈঠকের আগে ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছে, যা ইউরোর ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতির হার তীব্রভাবে কমে যাওয়ায় ও অনুকূল অর্থনৈতিক সূচকের প্রেক্ষাপটে ইসিবির সামনে তুলনামূলকভাবে সহজ পদক্ষেপ অপেক্ষা করছে। সম্ভবত সুদের হার অপরিবর্তিত থাকবে, এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রত্যাশার সংক্রান্ত পূর্বাভাসও অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা বেশি। ক্রিস্টিন লাগার্ডের সংবাদ সম্মেলনের প্রতি বিশেষভাবে মনোযোগ দেওয়া হবে। বিশ্লেষক ও বিনিয়োগকারীরা তার বক্তব্য ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন যাতে বোঝা যায় যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করার জন্য ইসিবি কতটা দৃঢ়সঙ্কল্প এবং কতটা ছাড় দিতে প্রস্তুত। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 ও 2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1793426459.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1830-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1800-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1830-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1783-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1800 এবং 1.1830-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/552117199.jpg
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1783-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1758-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1800-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1783 এবং 1.1758-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/437308

SUROZ Islam
2026-02-09, 06:33 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৯ ফেব্রুয়ারি
http://forex-bangla.com/customavatars/277127329.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1806-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরোর মূল্যের উর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দিয়েছে। এই কারণে আমি ইউরো কিনিনি। মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতির প্রত্যাশা সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং ফেডের কর্মকর্তাদের বক্তব্য গত সপ্তাহের শেষ দিকে ডলারের উপর সামান্য চাপ সৃষ্টি করেছিল। মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশার হ্রাসকে প্রায়শই অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি হ্রাসের লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়। এমন পরিস্থিতিতে ফেড গৃহীত আর্থিক নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করতে পারে, বিশেষ করে মার্কিন শ্রমবাজার পরিস্থিতি চলমান চ্যালেঞ্জগুলো বিবেচনা করে। এক দিকে মন্থর মুদ্রাস্ফীতি ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে এবং ব্যবসায়িক ব্যয় কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে যদি মুদ্রাস্ফীতি তীব্রভাবে কমে যায়, তাহলে তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতা বা এমনকি নেতিবাচক মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকির ইঙ্গিত দিতে পারে। তবুও, সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন ডলারের বেশ দ্রুত দুর্বল হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করলে এই ঝুঁকির সম্ভাবনা কম বলেই মনে হয়। আজ আমরা সেন্টিক্স থেকে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সূচকের প্রকাশনা এবং বুন্দেসব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জোয়াকিম ন্যাগেলের বক্তব্যের প্রত্যাশা করছি। প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পরিচালিত মাসিক সেন্টিক্স জরিপ সম্ভবত EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না। তবে সূচকটির বড় ধরনের পতন ঘটলে সেটি মন্থর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার মধ্যে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক মনোভাবের সংকেত দিতে পারে। একই সঙ্গে এই অর্থনৈতিক সূচকের প্রকাশের সময় মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা জোয়াকিম ন্যাগেলের বক্তব্যের দিকে নজর রাখবে। ইউরোজোনের প্রধান অর্থনীতির দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান হিসেবে তাঁর উক্তি প্রায়শই ইসিবির সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নীতিমালার ব্যাপারে ইঙ্গিত দেয়। মূল সুদের হারের সম্ভাব্য পরিবর্তন সম্পর্কে যেকোনো ইঙ্গিত বা মন্তব্য মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
http://forex-bangla.com/customavatars/1354359542.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1894-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1857-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1894-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1830-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1857 এবং 1.1894-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1830-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1793-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1857-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1830 এবং 1.1793-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/437590

SUROZ Islam
2026-02-16, 06:54 PM
১৬ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?

শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের একেবারে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে, সেইসাথে অস্থিরতার মাত্রাও খুবই কম ছিল। উল্লেখযোগ্য যে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমবাজার ও বেকারত্ব সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। এটি বলা যাবে না যে ট্রেডাররা সেগুলোর ফলাফল সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেছে, তবে মার্কেটে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়া বেশ অদ্ভুত ও দ্ব্যর্থভাবাপন্ন ছিল—যেমনটি প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের ক্ষেত্রেও পরিলক্ষিত হয়েছে। যেখানে মাসিক ভিত্তিতে জানুয়ারির বেকারত্ব হার ও ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফলগুলো যথেষ্ট ইতিবাচক ছিল, সেখানে 2025 সালের ননফার্ম পেরোলের বার্ষিক ফলাফল 400,000 কমিয়ে সংশোধন করা হয়েছে। আমাদের দৃষ্টিতে, ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদন বার্ষিক ফলাফল মাসিক ফলাফলের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাই ডলারের দরপতন হওয়াই উচিত ছিল। শুক্রবারে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল এবং তা আপেক্ষিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল প্রদর্শন করেছে। দেশটির মুদ্রাস্ফীতির হার কমে 2.4%-এ নেমে এসেছে, যা খুব শীঘ্রই ফেড কর্তৃক পুনরায় মুদ্রানীতি নমনীয়করণ পদক্ষেপ শুরু হওয়ার প্রত্যাশা বাড়িয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সর্বশেষ বৈঠকে মুদ্রাস্ফীতির হার 3.4% থাকা সত্ত্বেও তা প্রায় সুদের হার হ্রাসের পর্যায়ে গিয়েছিল, এবং বর্তমানে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ও ফেডারেল রিজার্ভের মূল সুদের হার সমান রয়েছে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1410728899.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার 5-মিনিট টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। সারাদিন জুড়ে এই পেয়ারের মূল্য শুধুই সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে এবং কোনো লেভেলের কাছাকাছি যায়নি। ফলে নতুন ট্রেডারদের পজিশন ওপেন করার কোনো ভিত্তি ছিল না।
http://forex-bangla.com/customavatars/390715878.jpg
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন দেখা যাচ্ছে যা শীঘ্রই পুনরায় উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রূপ নিতে পারে। মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে এই পেয়ারের মূল্যের সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। যদি সত্যিই তাই হয়, তাহলে ২০২৬ সালের শুরু থেকে দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হয়েছে। সুতরাং আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ডলারের দরপতনের প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে, ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও উর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 রেঞ্জের নিচে কনসোলিডেশন করে অথবা 1.1899-1.1908 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেশন করে বা 1.1830-1.1837 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1970-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডিসেম্বর মাসের শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা দিনের একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সম্ভবত আজ এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা কম থাকবে এবং সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত থাকবে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/438174

SaifulRahman
2026-02-18, 06:41 PM
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৮ ফেব্রুয়ারি।
http://forex-bangla.com/customavatars/2040153954.jpg
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1835-এর লেভেল টেস্ট করেছিল—যা ইউরো বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের 30 পিপস দরপতন ঘটেছে। গতকাল প্রকাশিত এম্পায়ার ম্যানিফ্যাকচারিং সূচক, যা নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ব্যবসায়িক কার্যক্রম প্রতিফলিত করে, দ্রুত বৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে এবং অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাস ছাড়িয়েছে। এটি ডলারের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত। অনেকেই মনে করছেন যে যদি যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোতে ধারাবাহিকভাবে ইতিবাচক ফলাফল পরিলক্ষিত হয় এবং শক্তিশালী মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত হয়, তাহলে মার্কিন ডলারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। আজ সকালের অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের মধ্যে ফ্রান্সের ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI)-এর দিকে মনোযোগ দেয়া হবে।সাধারণত ট্রেডাররা ফ্রান্সের ভোক্তা মূল্য সূচকের দিকে দৃষ্টি দিয়ে থাকে, তবে এই সূচকের ফলাফল প্রায়শই কারেন্সি মার্কেটে তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না। কেবলমাত্র পূর্বাভাসের তুলনায় ভিন্ন ফলাফল প্রকাশিত হলে—তা পূর্বাভাসের অতিক্রমও হতে পারে বা পূর্বাভাসে পৌঁছাতে ব্যর্থও হতে পারে—তাহলে কারেন্সি মার্কেটে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। যদি মুদ্রাস্ফীতির হার প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যায়, তবে পুনরায় ইউরোজনের মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। বিপরীতে, ফ্রান্সের ভোক্তা মূল্য সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার নিচে থাকলে, যে সম্ভাবনাই বেশি, তাহলে এটি সুদের হারের ব্যাপারে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 ও 2 বাস্তবায়নের উপর বেশি গুরুত্ব দেব।
http://forex-bangla.com/customavatars/691450333.jpg
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1879-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1854-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1879-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1835-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1854 এবং 1.1879-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।

সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1835-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1813-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ার চাপের সম্মুখীন হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1854-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1835 এবং 1.1813-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/438418