PDA

View Full Version : এক দিনে তেলের দর ৩১% বেড়ে ব্যারেল প্রতি $119-এ পৌঁছেছে



Rassel Vuiya
2026-03-09, 05:05 PM
http://forex-bangla.com/customavatars/1432360089.jpg
আজ মার্কেটে সেশন শুরু সময় WTI ক্রুড তেলের দর 31% বেড়ে ব্যারেলপ্রতি $119-এ পৌঁছায়। ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইসরায়েলের যুদ্ধ তেলের দর বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, এবং এখন পর্যন্ত এই সংঘাতের প্রশমনের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। উভয় পক্ষ আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মনে হওয়ায় তেলের দাম অনবরতভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দরও 29% বৃদ্ধি পেলে ব্যারেলপ্রতি $119.50-এ পৌঁছে, যা গত সপ্তাহে পরিলক্ষিত 28% উত্থান অব্যাহত রেখেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিত্রজোট ও ইরানের মধ্যে সামরিক সংঘাতের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট তীব্র ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে সরাসরি এর প্রভাব পড়েছে। সংঘাত তীব্র হওয়ায় এবং সরবরাহ সংক্রান্ত অনিশ্চয়তার মুখে ট্রেডাররা তাদের মূলধন কমোডিটির দিকে, প্রধানত তেলের দিকে স্থানান্তর করছে, যেগুলোকে তারা মূলধন সংরক্ষণের নির্ভরযোগ্য উপায়ের বদলে অধিকতর মুনাফার আশায় স্পেকুলেটিভ অ্যাসেট হিসেবে দেখছে। এতে তেলের চাহিদা বাড়ছে এবং ফলশ্রুতিতে এটির মূল্য আরও উর্ধ্বমুখী হচ্ছে। একই সঙ্গে, তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা ও ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি স্টক মার্কেটের ওপর নেতিবাচক চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে যেসব কোম্পানির উৎপাদন প্রক্রিয়া বা লজিস্টিক স্থিতিশীল জ্বালানি মূল্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের ব্যয় বাড়ছে। ফলস্বরূপ, বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট থেকে সরে এসে নিরাপদ বিনিয়োগ ও কমোডিটির দিকে ঝুঁকতে পারে, যা স্টক সূচকের আরও দরপতনের সম্ভাবনা বড়ায়। জ্বালানি মূল্য স্থিতিশীল করতে জি৭ জোটভুক্ত দেশগুলো বাজারে তেলের কৌশলগত মজুদ ছাড়ার বিষয়টি সমন্বয় করার চেষ্টা করছে; তবে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশগুলো এ ধরনের পদক্ষেপে সম্মতি প্রদান করবে কি না তা অনিশ্চিত। কৌশলগত মজুদ থেকে অতিরিক্ত তেল বাজারে ছাড়ার সম্ভাব্যতা তেলের উল্লেখযোগ্য দরপতন ঘটাতে পারে, যা বর্তমান চাপ থেকে সুরক্ষিত থাকতে এবং ভবিষ্যতে মুদ্রাস্ফীতি আরও বৃদ্ধির ব্যাপারে উদ্বেগ লাঘব করতে সহায়ক হতে পারে। কিন্তু তেলের মজুদ ছাড়ের সিদ্ধান্ত বেশ অস্পষ্ট এবং এতে কয়েকটি কৌশলগত বিবেচনা জড়িত রয়েছে। প্রচুর তেলের মজুদ থাকা যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য বৃহৎ অর্থনীতিগুলোর জন্য, এমন পদক্ষেপকে আরও গুরুতর সংকটের ক্ষেত্রে শেষ উপায় হিসেবে দেখা হতে পারে। বৃহৎ পরিসরে তেলের মজুদ ছাড় মার্কেটকে ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখার জন্য বা প্রভাবিত করার অন্য কোনো টুলের অভাবের সংকেত হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে, যা পরিণামে আরও বৃহৎ অনিশ্চয়তা উসকে দিতে পারে। তদুপরি, এমন এককালীন সমাধানের মাধ্যমে চাপ সাময়িকভাবে কমলেও, বাস্তবিক অর্থে সরবরাহ সংকট বা টেকসইভাবে চাহিদা বৃদ্ধির ফলে মূল কারণগুলো সমাধান করা হবে না—এটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয় বলে উদ্বেগ রয়েছে। অতএব, জি৭-ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সক্রিয় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা থাকা সত্ত্বেও কৌশলগত মজুদ থেকে তেল ছাড়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনও ব্যাপক অনিশ্চয়তা রয়েছে।

Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/439972