তালিকাভুক্ত আইপিপিগুলোর বেশির ভাগেরই আয় কমেছে
পুঁজিবাজারে বর্তমানে স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদক (আইপিপি) নয়টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পাঁচ কোম্পানির আয় কমেছে। বিপরীতে দুই কোম্পানির আয় বেড়েছে আর বাকি দুই কোম্পানির কোনো আয় হয়নি। কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এসব তথ্য জানা গেছে। প্রথম প্রান্তিকে বারাকা পাওয়ার লিমিটেড, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড, ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি (ইপিজিএল) ও সামিট পাওয়ার লিমিটেডের আয় কমেছে। অন্যদিকে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ইউপিজিডিসিএল) আয় বেড়েছে। আর খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও জিবিবি পাওয়ার লিমিটেডের কোনো আয় হয়নি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/547579916.jpg[/IMG]
বারাকা পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ২৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৪৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির আয় কমেছে ৪৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ৩৫৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৪১৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির আয় কমেছে ১৪ দশমিক ৫১ শতাংশ।
ডরিন পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ৪৯২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৫২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির আয় কমেছে ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
এনার্জিপ্যাক পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ৬০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৯৩ কোটি ১২ লাখ টাকা। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির আয় কমেছে ৩৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
সামিট পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ৯৪৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১ হাজার ৬৮৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির আয় কমেছে ৪৩ দশমিক ৯০ শতাংশ।
শাহজিবাজার পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ৩৪১ কোটি ৮ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৩০৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির আয় বেড়েছে ১২ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।
ইউনাইটেড পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ৩ হাজার ১৩৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৩ হাজার ১৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির আয় বেড়েছে ৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।