-
ট্রেডারদের জন্য ডেইলী ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬
৫ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/122669724.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার খুবই কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, কেবলমাত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, আর সেটা হলো যুক্তরাষ্ট্রের ISM উৎপাদন সংক্রান্ত সূচক। প্রতিবেদনটি মাসে একবার প্রকাশিত হয় এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সূচকের ফলাফল ৫০.০-এর নিচেই থাকবে, যা নেতিবাচক ফলাফল হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে যদি এই সূচকের মান পূর্বাভাসকৃত 48.3-এর তুলনায় বেশি আসে, তাহলে এটি সাময়িকভাবে মার্কিন ডলারকে কিছুটা সহায়তা দিতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1296847456.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। বিভিন্ন দেশের সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখনো বড়দিন ও নতুন বছরের ছুটির পর থেকে কার্যকরভাবে চালু হয়নি, তাই উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ইভেন্ট কিছুটা দেরিতে অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে বর্তমানে মার্কেটে একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় নিয়ে সক্রিয়ভাবে আলোচনা করা হচ্ছে — সেটি হচ্ছে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর গ্রেফতার এবং গ্রিনল্যান্ড ও কিউবায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা। রাতারাতি এসব ঘটনা ও পরিকল্পনার ওপর মার্কেটের ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে, তাই ট্রাম্পের পররাষ্ট্র নীতির উপর ভিত্তি করে স্বল্পমেয়াদে মার্কিন ডলারের বিনিময় হারে পরিবর্তন ঘটার সম্ভাবনা অব্যাহত রয়েছে। সবকিছু নির্ভর করবে ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের উপর। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে EUR/USD এবং GBP/USD — উভয় কারেন্সি পেয়ারেই দরপতন হতে দেখা যেতে পারে, কারণ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। তবে পুরো সপ্তাহজুড়ে, মার্কিন ডলারের জন্য পরিস্থিতি বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, কারণ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে যেগুলোর ফলাফল মূলত মার্কিন মুদ্রার জন্য নেতিবাচক হতে পারে — যেমন ব্যবসায়িক কার্যক্রম, শ্রমবাজার এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন। EUR/USD পেয়ারের জন্য 1.1655–1.1666 এরিয়া ট্রেডিংয়ের জন্য একটি উপযুক্ত জোন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, আর GBP/USD পেয়ারের জন্য 1.3437–1.3446 এরিয়া কার্যকর ট্রেডিং লেভেল হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।
Read more: https://ifxpr.com/4bgjg7x
-
৬ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/137008868.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা মঙ্গলবার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে এসব প্রতিবেদনের প্রায় কোনোটিই তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর মাসের S&P ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকের দ্বিতীয় মূল্যায়ন প্রকাশিত হবে। তবে দ্বিতীয় মূল্যায়ন খুব কম সময়েই প্রথম মূল্যায়নের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য প্রদর্শন করে করে এবং যুক্তরাষ্ট্রে তো খুব কম কেউ S&P থেকে প্রকাশিত সূচকের প্রতি গুরুত্ব দেয়। এই সূচকের তুলনায় ISM সূচক ট্রেডারদের জন্য বহুগুণ বেশি প্রাসঙ্গিক। জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি বিষয়ক প্রতিবেদন কিছুটা মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারতো, যদি না সাম্প্রতিক ফলাফলগুলো তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকতো। জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের উভয় ক্ষেত্রেই ভোক্তা মূল্যের সূচক (CPI) দীর্ঘদিন ধরেই ২%–এর কাছাকাছি অবস্থান করছে, যা ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা। ফলে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির হার ইসিবির নীতিনির্ধারণে প্রায় কোনোই প্রভাব ফেলছে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1773778707.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ মঙ্গলবারের ক্যালেন্ডারে কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তবে সেগুলোও স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে ফেডের প্রতিনিধি থমাস বারকিনের একটি ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির সদস্যদের অবস্থানের বিশেষ কোনো পরিবর্তন শুধুমাত্র তখনই আসবে, যখন ডিসেম্বরে মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং শ্রমবাজার–সংক্রা ্ত দাপ্তরিক প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হবে। তার আগে, জানুয়ারি মাসে ফেডের পক্ষ থেকে সুদের হার হ্রাসে বিরতি দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বর্তমানে মার্কেটে আলোচিত একটি বিষয় হলো: নিকোলাস মাদুরোর গ্রেপ্তার এবং গ্রিনল্যান্ড ও কিউবায় "শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার" উদ্দেশ্যে ট্রাম্পের পরিকল্পনা। আমরা ইতোমধ্যেই গত রাতেই মার্কেটে এর প্রতিক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেছি। মার্কিন ডলারের দর কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছিল, কিন্তু তারপর খুব দ্রুতই দরপতন শুরু হয়, কারণ লাতিন আমেরিকায় ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়লেও এর কোনোটিই মার্কিন ডলার ক্রয়ের যথেষ্ট কারণ তৈরি করতে পারেনি। উপসংহার চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। চলতি সপ্তাহজুড়েই, মার্কিন ডলার কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে—যার কারণ হিসেবে আসন্ন সামষ্টিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলকে বিবেচনা করা যায়। সোমবারের ট্রেডিং থেকেই বোঝা গেছে, এই আশঙ্কাগুলো অমূলক নয়। ইউরোর ক্ষেত্রে 1.1745–1.1754 -এর একটি চমৎকার ট্রেডিং এরিয়া রয়েছে, অন্যদিকে 1.3529–1.3543 লেভেল থাকা পাউন্ডের ট্রেড করা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4jtTEX8
-
মার্কিন সুদের হার সম্ভবত নিরপেক্ষ স্তরের কাছাকাছি বজায় রয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1672095311.jpg[/IMG]
যেখানে অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলের প্রভাবে মার্কিন ডলার চাপের মধ্যে রয়েছে, সেখানে মিনিয়াপলিস ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নীল কাশকারি গতকাল মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমানে সুদের হার সম্ভবত নিরপেক্ষ স্তরের কাছাকাছি রয়েছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তগুলো সম্পূর্ণভাবে আগত অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে। সোমবার CNBC–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাশকারি বলেন, "সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা ধারাবাহিকভাবে মনে করেছিলাম যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে সার্বিক পরিস্থিতি আমার প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি সহনশীল রয়েছে।" চলতি বছরে তিনি আবারও ফেডারেল রিজার্ভের ভোটাধিকারপ্রাপ্ত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার এই বক্তব্য ফেডের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির গতিপথ নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মাঝে মার্কিন অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মূলত কাশকারির মন্তব্য ফেডারেল রিজার্ভের আসন্ন নীতিমালার নমনীয়করণ সংক্রান্ত পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তার উদ্রেক ঘটিয়েছে। যদি সত্যিই সুদের হার বর্তমানে নিরপেক্ষ স্তরের কাছাকাছি থাকে, তাহলে অতিরিক্ত কোনো পরিবর্তন মূল্যস্ফীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। মার্কেটের ট্রেডাররা বিষয়টিকে একটি সতর্ক সংকেত হিসেবে বিবেচনা করে ফেডের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে তাদের পূর্বাভাস সংশোধন করেছে। কাশকারি আরও বলেন, "এটি আমাকে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বর্তমান মুদ্রানীতি অর্থনীতির ওপর নিচের দিক থেকে খুব একটা চাপ প্রয়োগ করছে না। আমি মনে করি সুদের হার এখন নিরপেক্ষ স্তরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছি।" বর্তমানে প্রায় সকল বিশ্লেষকের ধারণা হচ্ছে, ফেডারেল রিজার্ভ এই মাসে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে—২০২৫ সালের শেষভাগে টানা তিনবার সুদের হার হ্রাসের পরে এটি একটি বিরতির ইঙ্গিত। ফেডের বেশিরভাগ কর্মকর্তার ধারণা, মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেলে ভবিষ্যতে সুদের হার কমানো হতে পারে, তবে কখন এবং কতটা কমানো হবে—এই বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত ফেডের বৈঠকের পর প্রকাশিত অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরে বেকারত্বের হার বেড়ে ৪.৬%–এ পৌঁছেছে—যা ২০২১ সালের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, ভোক্তা মূল্যস্ফীতির হার প্রত্যাশার চেয়ে কম বৃদ্ধি পেয়েছে—যা এখন সুদের হার হ্রাসের পক্ষে আরও যৌক্তিকতা তৈরি করছে। তবে একই সঙ্গে, ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে মার্কিন অর্থনীতি গত দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ছিল, যা মূল্যস্ফীতির পুনরাগমনের আশঙ্কাকে আবার সামনে এনেছে। কাশকারি বলেন, "আমাদের আরও তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, যেন বুঝতে পারি কোন দিকটা শক্তিশালী রয়েছে—মূল্যস্ফীত না শ্রমবাজার—যার ভিত্তিতে আমরা নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারি।" তিনি আরও যুক্ত করেন, "মূল্যস্ফীতির বড় ঝুঁকি হলো এর দীর্ঘস্থায়ীতা—শু ্কের প্রভাব হয়তো কয়েক বছর পর সিস্টেমে প্রকটভাবে দেখা যাবে, তবে আমি মনে করি যে বেকারত্ব হঠাৎ করে বৃদ্ধির ঝুঁকি ইতোমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে।"
EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট এই পেয়ারের ক্রেতাদের এখন মূল্যকে 1.1750 লেভেলের দিকে নিয়ে যাওয়ার উচিত। এই লেভেলে যাওয়ার পরই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1780–এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে। এরপরের লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1810, যদিও মার্কেটের বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া সেখানে পৌঁছানো মূল্যের পক্ষে কঠিন হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1840 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। যদি এই ইন্সট্রুমেন্টটির মূল্য 1.1715 রেঞ্জে নেমে আসে, তাহলে মার্কেটের বড় ক্রেতারা পক্ষ সক্রিয় হতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য সেই লেভেলে থাকা অবস্থায় ক্রেতারা বেশি সক্রিয় না হয়, তাহলে পুনরায় 1.1685 পর্যন্ত দরপতনের অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত হবে অথবা 1.1660 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। GBP/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট পাউন্ডের ক্রেতাদের জন্য তাত্ক্ষণিক লক্ষ্য হবে এই পেয়ারের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল 1.3560 ব্রেক করানো। এই লেভেল অতিক্রমের পরই 1.3590–এর দিকে যাওয়ার সুযোগ আসবে, যদিও এ লেভেলের উপরে গিয়ে আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখা বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3625 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য হ্রাস পেলে মূল্য 1.3530 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা সফল হয় এবং এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হয়, তাহলে সেটি ক্রেতাদের জন্য ধাক্কা হতে পারে, এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য কমে 1.3500 এবং পরবর্তীতে 1.3470–তে পৌঁছাতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4spYqJj
-
৮ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1860097751.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা বৃহস্পতিবার সীমিত সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, এবং এর কোনোটিই খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে এই বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন যে—গতকাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয় অঞ্চলেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু সেসব প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রেক্ষিতে মার্কেটে কার্যত কোনো দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। আজ ট্রেডাররা স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন কিছু প্রতিবেদন হাতে পারে, যেমন ইউরোজোনের বেকারত্ব এবং উৎপাদক মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। আমাদের মতে, এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের ভিত্তিতে মার্কেটে কোনো তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1385393844.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ বৃহস্পতিবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও অনুষ্ঠিত হবে না। নতুন বছরে ইতোমধ্যেই ফেডের বেশ কয়েকজন সদস্য মন্তব্য করেছেন, তবে এই বিবৃতিগুলো বাস্তবিক অর্থে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেনি—বিশেষত যখন ডিসেম্বর মাসে ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের নীতিগত অবস্থান এবং ফেডারেল রিজার্ভের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। এর সঙ্গে আরও যুক্ত হয়েছে—বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি এবং শ্রমবাজার সংক্রান্ত নতুন কোনো প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি। এই বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে, ফেডারেল রিজার্ভের বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে, জানুয়ারির বৈঠকে আর্থিক নীতিমালার নমনীয়করণ বন্ধ রাখা হবে এবং সার্বিকভাবে পুরো বছরের মধ্যে মাত্র একবার মূল সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা ব্যক্ত করা হয়েছে—ফেডের সর্বশেষ ডট-প্লট চার্ট এটিই নির্দেশ করছে। অতএব, ফেডের কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য অথবা পুরো কমিটির অবস্থান ভবিষ্যতে শুধুমাত্র তখনই পরিবর্তিত হতে পারে, যখন নতুন ননফার্ম পেরোল, বেকারত্ব হার এবং ভোক্তা মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। উপসংহার চলতি সপ্তাহের চতুর্থ দিনের ট্রেডিংয়ে, EUR/USD এবং GBP/USD উভয় কারেন্সি পেয়ারেরই দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। ইউরোর মূল্যের সক্রিয় নিম্নমুখী প্রবণতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যও একই পথে অনুসরণ করতে পারে। তবে, আমরা ট্রেডারদেরকে বাই সিগন্যাল উপেক্ষা না করার পরামর্শ দিচ্ছি, কারণ মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য নতুন কোনো কারণ এখনো সৃষ্টি হয়নি, এবং ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতাটিও খুব একটা নির্ভরযোগ্য বলে মনে হচ্ছে না। ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত। ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন। MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত। নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন। স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।
Read more: https://ifxpr.com/3Z793D6
-
৯ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1110163226.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং এর মধ্যে কয়েকটি প্রতিবেদনকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। প্রথমেই ইউরোজোনের প্রতিবেদনগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা যাক—যার মধ্যে রয়েছে জার্মানির শিল্প উৎপাদন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের খুচরা বিক্রয়) সংক্রান্ত প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ না হলেও, তাত্ত্বিকভাবে ইউরোর মূল্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, আমরা নতুন ট্রেডারদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, বর্তমানে টেকনিক্যাল কারণে EUR/USD পেয়ারের দরপতন চলমান রয়েছে—যেখানে এই পেয়ারের মূল্য সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমা থেকে নিচের সীমার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই মুহূর্তে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কেটে খুব একটা প্রভাব ফেলছে না। যুক্তরাষ্ট্রে আজ যেসব প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, সেগুলো একেবারেই উপেক্ষা করার মতো নয়। তবে, আমরা এই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছি না যে—এই প্রতিবেদনগুলো প্রকাশের পরও মার্কেটে খুব বেশি শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া নাও দেখা যেতে পারে, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে মার্কেটে অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় ও দুর্বল ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। নন-ফার্ম পেরোল ও বেকারত্ব হারের প্রতিবেদনের ফলাফল সরাসরি ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালার ওপর প্রভাব ফেলে। ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রাখতে খুব বেশি শক্তিশালী ফলাফলের প্রয়োজন নেই; তবে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমনকি নিরপেক্ষ বা সামঞ্জস্যপূর্ণ ফলাফলের প্রত্যাশাও বেশ কঠিন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/947522135.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ শুক্রবার বেশ কিছু ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত রয়েছে—যেমন: ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফিলিপ লেন, এবং ফেডারেল রিজার্ভের দুই সদস্য নীল কাশকারি ও থমাস বারকিন-এর বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। অবশ্য এ বছর ফেডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির অনেক সদস্যই বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন, তবে ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের ডিসেম্বর মাসের অবস্থান এবং সামগ্রিকভাবে ফেডের নীতিমালার ভিত্তিতে এই সদস্যদের মন্তব্যগুলো খুব একটা বাস্তব গুরুত্ব বহন করে না—বিশেষত তখন, যখন নতুন কোনো প্রতিবেদন নেই যেমন: বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি বা শ্রমবাজার সংক্রান্ত। আজ শ্রমবাজার ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে খুব সম্ভবত ফেড কর্মকর্তাদের এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ করার এবং তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করার মতো পর্যাপ্ত সময় থাকবে না। যাই হোক না কেন, জানুয়ারি মাসে ফেডের মূল সুদের হার কমানো হবে—এমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে না। একইভাবে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক-ও ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে সুদের হারে পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হয় না। উপসংহার সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে EUR/USD এবং GBP/USD এই দুটি কারেন্সি পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। বর্তমানে স্পষ্টভাবে ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যেরও প্রায় একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তবে, আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। তাই, মার্কিন সেশনের সময় উভয় পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট অনেকটাই অনিশ্চিত এবং অপ্রত্যাশিত হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/49teEbE
-
১২ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1449023706.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। এই বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন যে, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোজোনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু EUR/USD ও GBP/USD — এই দুটি প্রধান কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা অত্যন্ত দুর্বল ছিল। সাম্প্রতিক দিন ও সপ্তাহগুলোতে মার্কিন ডলারের দর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে মার্কেটে সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বর্তমানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের উপর নির্ভর করে মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। এবং সেই টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে ইউরোর মূল্যের ছয় মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ। এই নির্দিষ্ট ফ্ল্যাট রেঞ্জের কারণেই ইউরো এবং পাউন্ড — উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্য নিম্নমুখী হচ্ছে, যদিও কিছু ট্রেডার ও বিশ্লেষক এখনো মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনীতিক দৃষ্টিকোণ থেকে উভয় কারেন্সি পেয়ারের দরপতনের কারণ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন।
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবার বেশ কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে — ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লুইস ডি গুইন্ডোস এবং ফেডারেল রিজার্ভের টমাস বারকিন ও রাফায়েল বোস্টিকের বক্তব্য অনুযায়ী। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চলতি বছর ফেডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য ইতোমধ্যেই বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন, এবং বাস্তবিক অর্থে সেগুলোর প্রভাব খুবই সীমিত ছিল, বিশেষ করে ডিসেম্বর মাসে চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বক্তব্য ও ফেডের সামগ্রিক অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে। ২০২৬ সালে ফেডের সুদের হার-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের উপর মূলত তিনটি সূচকের ফলাফল প্রভাব ফেলবে: শ্রমবাজার, বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি। গত সপ্তাহে প্রকাশিত শ্রমবাজারভিত্তিক প্রতিবেদন থেকে কোনো ইতিবাচক বার্তা পাওয়া যায়নি। যদিও বেকারত্ব হার কিছুটা হ্রাস পেয়েছে, তা সত্ত্বেও সূচকটি এখনো গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে অবস্থান করছে। এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি প্রকাশিত হবে এবং এরপরই ফেডের জানুয়ারি মাসের বৈঠকে সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অনুমান করা যেতে পারে। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, এবং পাউন্ডের মূল্যও একই পথ অনুসরণ করতে পারে। আজ সোমবার, ইউরো পেয়ার ট্রেডিংয়ের জন্য 1.1655–1.1666 রেঞ্জ বিবেচনায় রাখা যেতে পারে এবং পাউন্ড পেয়ার ট্রেডিংয়ের জন্য 1.3437–1.3446 রেঞ্জ বিবেচনা করা যেতে পারে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বর্তমানে কোনো পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টকে প্রভাবিত করছে না—গত সপ্তাহেও এটি ট্রেডারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে খুব বেশি ভূমিকা রাখেনি।
Read more: https://ifxpr.com/453A4Ll
-
১৩ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2064325085.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার মাত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে — সেটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI)। এবং এই প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হজচ্ছে। আমরা নতুন ট্রেডারদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে, ফেডারেল রিজার্ভ সাধারণত তিনটি সূচকের ভিত্তিতে তাদের আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণ করে থাকে: মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং শ্রমবাজার। এর মধ্যে শেষ দুটি প্রতিবেদন বিগত সপ্তাহেই প্রকাশিত হয়েছে এবং আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, সেগুলোর ফলাফল খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। এখন কেবল মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনই বাকি রয়েছে।যদি এই প্রতিবেদনে মূল্যস্ফীতি নতুন করে আরও মন্থর হতে দেখা যায় (উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার ৩% থেকে হ্রাস পেয়ে ২.৭% হয়েছিল), তাহলে এটি ফেডের মূল সুদের হার কমানোর সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন ডলার আবারও দরপতনের শিকার হতে পারে। অন্যদিকে, যদি মুদ্রাস্ফীতির হার স্থিতিশীল থাকে বা বৃদ্ধি পায়, তাহলে মার্কেটে ডলার কিছুটা সহায়তা পেতে পারে, তবে সামগ্রিক মৌলিক চিত্রে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/807583629.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবার একাধিক ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে — ফেডারেল রিজার্ভের দুই সদস্য থমাস বারকিন এবং অ্যালবার্টো মুসালেমের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। ফেডের আর্থিক নীতিমালা কমিটির একাধিক সদস্য বছরের শুরুতে ইতোমধ্যেই কিছু মন্তব্য প্রদান করেছেন; তবে জেরোম পাওয়েলের গত ডিসেম্বর মাসের অবস্থানের প্রেক্ষিতে এবং ফেডের সামগ্রিক নীতিমালার আলোকে সেসব মন্তব্য বাস্তবে তেমন কোনো গুরুত্ব বহন করেনি। ২০২৬ সালে ফেডের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে প্রধান তিনটি সূচক হচ্ছে শ্রমবাজার, বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতি। গত সপ্তাহে প্রকাশিত শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোতে সার্বিক পরিস্থিতির কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতির ইঙ্গিত মেলেনি, যদিও বেকারত্ব হার কিছুটা কমেছে — তবুও তা এখনো গত ৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। আজকের মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর, আগামী জানুয়ারি মাসে ফেডের সম্ভাব্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে মার্কেটের ট্রেডারদের মনোযোগ ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, যিনি শিগগিরই মেক্সিকো এবং গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ দিতে পারেন বলে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, তবে এটি নির্ভর করবে হোয়াইট হাউজ থেকে আসা খবর এবং মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর। আজ 1.1655–1.1666 এরিয়ার মধ্যে ইউরোর ট্রেড করার সুযোগ রয়েছে, এবং 1.3437–1.3446 এরিয়ার মধ্যে ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং ট্রেড করা যেতে পারে। গতকাল ইতোমধ্যেই বাই ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল; তাই আজও নতুন সিগন্যাল গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4jA0EBA
-
১৪ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/199852260.jpg[/IMG]
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার GBP/USD পেয়ারের কিছুটা দরপতন হয়েছে, যা মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে হতে পারে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রদর্শন করেচ চলেছে, যেটি প্রতি ঘণ্টার টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বরের মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি - দেশটির ভোক্তা মূল্য সূচক 2.7%-এ রয়ে গেছে। এই ফলাফলের মানে কী দাঁড়ায়? মূলত কিছুই না। যদি মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেত, তাহলে ফেড কর্তৃক নতুন করে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যেত। যদি মুদ্রাস্ফীতি মন্থর হত, তাহলে ফেড পুনরায় দ্রুত আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণ কার্যক্রম শুরু করতে পারত। প্রথম ক্ষেত্রে, ডলারের দর বৃদ্ধির আশা করা যেতে পারে; দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, দরপতন। কিন্তু যদি তিন সপ্তাহ ধরে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং হয় এবং গড়ে দৈনিক অস্থিরতার পরিমাণ 68 পিপস হয়, তাহলে আমরা কেমন মূল্য বৃদ্ধি বা দরপতনের কথা বলতে পারি? বর্তমানে টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট প্রবণতা বিরাজ করছে না। মার্কেটের ট্রেডাররা কার্যত মৌলিক ঘটনাবলীর প্রতি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1261478722.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, একটি সেল ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়ার নিচে স্থির হয়েছিল। এখানে স্থির হওয়ার সাথে সাথেই নিম্নমুখী মুভমেন্ট বন্ধ হয়ে যায়। আজ, এই পেয়ারের মূল্য সেই এরিয়া থেকে নিচের দিক থেকে বাউন্স করতে পারে, যা একটি নতুন দরপতনের ইঙ্গিত দেবে - স্বাভাবিকভাবেই, দুর্বলভাবে দরপতন হতে পারে।
বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইনের নিচে স্থিতিশীল হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হয়নি। বরং, এখানে আরেকটি ফ্ল্যাট রেঞ্জ গঠিত হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ আপাতত দৃশ্যমান নয়, সে কারণে, আমরা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতারই পূর্বাভাস দিচ্ছি। সার্বিকভাবে, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই GBP/USD পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 লেভেলে নিয়ে যেতে পারে। বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা মূল্যের 1.3319–1.3331 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এর উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.3529–1.3543 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3437–1.3446, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682, 1.3763। বুধবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুচরা বিক্রয় এবং উৎপাদক মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা অন্তত এই পেয়ারের মূল্যের কিছুটা মুভমেন্ট ঘটাতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/49SPHb4