-
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২০ জানুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/822147893.jpg[/IMG]
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.1635-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত করেছিল। 1.1635-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারবট এরিয়ায় প্রবেশ করে এবং এতে সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা নং ২ বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়া যায়; তবুও বাস্তবে ইউরোর দরপতন হয়নি। আজ সকালে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ডলারের দরপতন অব্যাহত ছিল। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রত্যাশিত ভূ-স্বত্ত্ব দাবি অনিশ্চয়তার ঢেউ উসকে দিয়েছে। সম্ভাব্য ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার তীব্রতা নিয়ে শঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা সক্রিয়ভাবে ডলারভিত্তিক অ্যাসেট বিক্রি করে আরও স্থিতিশীল অ্যাসেটে বিনিয়োগ করতে শুরু করেছেন। ইউরোপীয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে প্রধানত ইউরো ও সুইস ফ্রাঙ্কে বিনিয়োগ প্রবাহ লক্ষ করা গেছে। এছাড়াও স্বর্ণের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অনিশ্চয়তার সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকা প্রয়োজন, এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাড়াহুড়ো করে ডলারের লং পজিশন ওপেন করা উচিত হবে। আজ সকালে বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে জার্মানির উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) এবং জার্মানি ও ইউরোজোনের বিজনেস সেন্টিমেন্ট সূচকসমূহ। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ইউরোপীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সক্ষমতা নির্ধারণের জন্য মূল রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে। জার্মানির উৎপাদক মূল্য সূচক দেশটির অভ্যন্তরীণ মুদ্রাস্ফীতি প্রক্রিয়া এবং শিল্প খাতে চাপের মাত্রা সম্পর্কে ধারণা দেবে; যদি এই সূচকের ফলাফল পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি, তবে সেটি মুদ্রাস্ফীতি হার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিতে পারে। জার্মানি ও ইউরোজোনের ZEW বিজনেস সেন্টিমেন্ট সংক্রান্ত সূচকগুলোর ফলাফল ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের অগ্রণী সংকেত হিসেবে কাজ করবে—সূচকগুলোর ইতিবাচক ফলাফল ইউরোকে সহায়তা করবে, আর হতাশাজনক ফলাফল EUR/USD-এর উপর চাপ সৃষ্টি করবে। দৈনিক কৌশল হিসাবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং ১ এবং ২ বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1591873379.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1716-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1677-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1716-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1649-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1677 এবং 1.1716-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1649-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1613-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1677-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1649 এবং 1.1613-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/3NvaBo7
-
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২১ জানুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/184738661.jpg[/IMG]
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 157.70-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের দরপতনের সম্ভাবনাকে সীমিত করেছে। বর্তমানে সবাই গ্রিনল্যান্ডের পরিস্থিতির দিকে মনোযোগী হওয়ায় গতকাল USD/JPY পেয়ারের মূল্যের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। দিনের প্রথমার্ধে ট্রেডাররা সক্রিয়ভাবে ইয়েন কিনছিলেন, কারণ যদিও ব্যাংক অফ জাপান সম্ভবত এই শুক্রবারের বৈঠকে মূল সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে, জাতীয় মুদ্রার দুর্বলতা ও মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধির ঝুঁকির কারণে আরও আক্রমণাত্মক আর্থিক নীতিমালা প্রণয়নের সম্ভাবনা যথেষ্ট উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিস্থিতিও ডলারের মূল্যের মুভমেন্টের ওপর নির্ভর করবে। ট্রাম্প আরেকটি বাণিজ্যযুদ্ধ উস্কে দিতে পারেন এই ঝুঁকির কারণে ডলারের ওপর চাপ বজায় রয়েছে, যা USD/JPY পেয়ারের এক্সচেঞ্জ রেটে প্রতিফলিত হতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং পরিকল্পনা 2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1068268369.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 158.73-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 158.28-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 158.73-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 158.02-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 158.28 এবং 158.73-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 158.02-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল অতিক্রম করার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 157.63-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 158.28-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 158.02 এবং 157.63-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/3NTC9n8
-
২২ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1181489460.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হলেও দিনের মধ্যে মার্কেটের পরিস্থিতি বেশ কয়েকবার পরিবর্তিত হয়েছে। গতকাল কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি; তবে ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম অনুষ্ঠিত হচ্ছিল, যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেশ কয়েকজন ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দিয়েছেন। তৎপর্যপূর্ণভাবে, তখনও গ্রিনল্যান্ড ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়গুলো সমাধান হয়নি, ফলে মার্কেটে স্বভাবতই অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল এবং ট্রেডাররা সম্ভাব্য বাণিজ্য সংঘাত সংক্রান্ত উত্তেজনা কমার আশা করছিল। কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বোঝা গেছে যে সেই প্রত্যাশা অবান্তর ছিল না। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে তিনি ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটের সঙ্গে বেশ ইতিবাচক সংলাপে বসেছেন এবং তারা গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত একটি চুক্তির ব্যাপারে মতৈক্যে পৌঁছেছেন। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি, কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দিয়েছেন যে ডেনমার্কের এই দ্বীপটি ঘিরে তার পরিকল্পনার বিরোধীতাকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর থেকে আরোপিত শুল্ক তুলে নেওয়া হচ্ছে। ফলে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সংঘাত এড়াতে পেরেছে এবং সঙ্গে সঙ্গেই মার্কেটে অনিশ্চয়তা হ্রাস পেয়েছে। ডলারের দর সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং EUR/USD পেয়ারের মূল্য আগামী কয়েক মাস ধরে 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যে অবস্থান করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1706522014.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বুধবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে শুধুমাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন সেশনের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1755 এরিয়া থেকে 1-পিপ মার্জিনে বাউন্স করে এবং এরপর দিনের বাকি সময় ধরে দরপতনের ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। ফলে নতুন ট্রেডাররা সহজেই শর্ট পজিশন ওপেন করে দিনের শেষে অন্তত 40 পিপস মুনাফা করতে পেরেছেন।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে স্বল্পমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্য সম্ভবত 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমার দিকে ফিরে যাবে এবং তা পুনরায় ব্রেক করার চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে যেতে চাইবে। মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়েছে, তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট- রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রাধান্য বিস্তার করছে এবং ট্রেডাররা কার্যত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছে। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন করে লং পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1745–1.1755-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হলে নতুন করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যায়, যেখানে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। আজ ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। যুক্তরাষ্ট্র গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপির তৃতীয় মূল্যায়নসহ কয়েকটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে উৎপাদন মূল্য সূচকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইইউ-এর সঙ্গে মার্কিন বাণিজ্য সংঘাত সৃষ্টির সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় সম্ভবত এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা স্বাভাবিক স্তরে ফিরে আসবে।
Read more: https://ifxpr.com/4jOZySK
-
২৩ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1882316789.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার প্রায় সারাদিন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনের শেষ নাগাদ ইউরোর দর 1.1754 লেভেল ফিরে আসে, যা সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান সাইডওয়েজ চ্যানেল 1.1400–1.1830-এর উপর সীমার খুব কাছাকাছি অবস্থিত। অনেক ট্রেডারের কাছেই ইউরোর দর বৃদ্ধির কারণ নাও স্পষ্ট হতে পারে। গতকাল জানা যায় যে ট্রাম্প ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যের ওপর আরোপিত শুল্কগুলো বাতিল করেছেন, যা পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের পরিকল্পনার বিরোধিতা করায় এই শুল্ক আরোপের হুমকি দেয়া হয়েছিল। এখন মনে হচ্ছে ভূরাজনৈতিক চাপ হ্রাস পেয়েছে এবং ইইউ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কোনো বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হবে না বলে আশা করা যায়। তবুও, সারাদিনই ডলারের দরপতন হচ্ছে। গতকাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদন একরকম উপেক্ষাই করা হয়েছে — জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার পূর্বাভাস অতিক্রম করেছিল, তবে ট্রেডাররা এটি তেমনভাবে বিবেচনায় নেয়নি। সমস্যা কী? সমস্যা হলো ট্রেডাররা ট্রাম্পকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত "সংবাদগুলোর" প্রতিক্রিয়া দিতে দিতে ক্লান্ত এবং মার্কিন শ্রমবাজারের দুর্বল পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কম সংখ্যক মানুষই বর্তমান মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হারকে সত্যি বলে মনে করে। ট্রাম্পের গৃহীত অবস্থানের কারণে ডলারের দরপতন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ মূলত ট্রেডারদের পক্ষ থেকে মার্কিন ডলারের জন্য একটি উপহার।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/690059865.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। দুর্ভাগ্যবশত, এশিয়ান সেশন জুড়ে এই পেয়ারের মূল্য মাত্র 5 পিপসের জন্য 1.1666 লেভেলে পৌঁছাতে পারেনি; না হলে একটি চমৎকার বাই সিগন্যাল গঠিত হতো। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে স্বল্পমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্য সম্ভবত 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমার দিকে ফিরে যাবে এবং তা পুনরায় ব্রেক করার চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে যেতে চাইবে। মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়েছে, তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট- রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রাধান্য বিস্তার করছে এবং ট্রেডাররা কার্যত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছে। শুক্রবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 এরিয়া ব্রেক করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1800–1.1830-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে মূল্যের 1.1655–1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। আজ ইউরোজোন, জার্মানি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জানুয়ারি মাসের ম্যানুফ্যাকচারিং ও সার্ভিস সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচকসমূহ প্রকাশিত হবে। এছাড়া ইউরোপে ক্রিস্টিনা লাগার্ড ভাষণ দেবেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশিত হবে।
Read more: https://ifxpr.com/3M1oidZ
-
শক্তিশালী মৌলিক প্রেক্ষাপটের সমর্থনে $5,000 পর্যন্ত স্বর্ণের বিস্ফোরক মূল্য বৃদ্ধি
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/255824442.jpg[/IMG]
মোমেন্টাম ইন্ডিকেটরগুলোতে উভয় অ্যাসেটেরই শক্তিশালী ওভারবট সিগন্যাল পাওয়া গেলেও, বিশ্লেষকরা এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পেছনে একটি দৃঢ় মৌলিক ভিত্তির বিষয়টি জোর দিয়ে বলছেন। শুধুমাত্র স্পেকুলেশনের উপর ভিত্তি করে স্বর্ণ ও রূপার দর বৃদ্ধি পাচ্ছে সেটি বিবেচনা করা ভুল হবে—বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মূল্যবান ধাতুর জন্য বেশ অনুকূল অবস্থায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো থেকে স্বর্ণের চাহিদা স্থিতিশীল রয়েছে, যা বাজেট শৃঙ্খলার প্রতি আস্থাহীনতার মধ্যে রিজার্ভ বৈচিত্র্যময় করার কাজে স্বর্ণের ভূমিকাকে শক্তিশালী করে: সরকারি ঋণগ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে ও ঋণ বজায় থাকা সংক্রান্ত অনিশ্চয়তার মধ্যে ফিয়াট বা নগদ কারেন্সিগুলো দুর্বল হচ্ছে। কিছুটা প্রশমিত হলেও ভূ-রাজনৈতিক পটভূমিতে এখনও চাপ বিরাজ করছে—ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা পরিত্যাগ করলেও এই আর্কটিক দ্বীপটি অধিগ্রহণের জন্য ইইউ-এর উপর চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছেন। এর ফলে ইউরোপীয় বিনিয়োগ কোম্পানি ও পেনশন ফান্ডগুলো তাদের বিনিয়োগ পুনর্মূল্যায়ন করতে বাধ্য হচ্ছে: উদাহরণস্বরূপ, ডেনমার্কের আকাদেমিকার পেনশন ফান্ড চলতি মাসের মধ্যে $100 মিলিয়ন ডলারের বন্ড বিক্রি করার কথা ঘোষণা করেছে, কারণ মার্কিন সরকারি ঋণের মাত্রা আরও বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে।
বিশ্বব্যাপী পরিস্থিতির সম্ভাব্য রূপান্তরের মধ্যে বিনিয়োগকারীরা তাদের পোর্টফোলিওর দুর্বলতা করতে ফিয়াট কারেন্সির বাইরেও এ বিশ্বের বাইরের কোনো অ্যাসেট দিয়ে সুরক্ষিত থাকতে প্ররোচিত হচ্ছে—যে ধারণার সাথে মূল্যবান ধাতু পুরোপুরিভাবে খাপ খায়। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো কর্তৃক অব্যাহত ক্রয় ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির কারণে স্বর্ণের মূল্য যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা কারেন্সির দরপতনের পটভূমিতে সঙ্গতিপূর্ণ; এটি কোনো স্পেকুলেটিভ বাবল নয় এবং স্বর্ণের মূল্য যতই হোক না কেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সম্ভবত এটি ক্রয় করা অব্যাহত রাখবে। এবং যদিও স্বর্ণের মূল্যের $5,000-এর লেভেলের দিকে বিশেষ নজর দেয়া হচ্ছে, মূল্যবান ধাতুটির আরও মূল্য বৃদ্ধির উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে—নিরাপদ বিনিয়োগের খ্যাতি ও ডলারের দরপতন স্থিতিশীল সুদের হারের মত সুবিধা ছাপিয়ে গেছে। আগামী সপ্তাহের প্রধান ইভেন্ট হিসেবে—ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে—এই বৈঠকে হয়তো কোনো বড় ধরনের চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না: মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির হার স্থিতিশীল থাকায় ও শ্রমবাজারের ইতিবাচক পরিস্থিতির পটভূমিতে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যা নীতিমালা নমনীয় করার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে। CME ফেডওয়াচ টুল নিশ্চিত করছে যে জুন পর্যন্ত সুদের হার হ্রাসের কোনো প্রত্যাশা নেই, এবং সপ্তাহের শুরুতে উৎপাদন ও ভোক্তা মনোভাব সূচক মার্কেটে অস্থিরতার মাত্রা বৃদ্ধি করবে। অতএব, টেকনিক্যাল দিক থেকেও, দৈনিক চার্টে ওভারবট সিগন্যাল থাকা সত্ত্বেও স্বর্ণের মূল্যের বুলিশ প্রবণতা বজায় রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4rcPTb0
-
২৭ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2048578557.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছিল, কিন্তু এই পেয়ারের মূল্য 1.1908 লেভেলের উপরে অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি। তবে, এটি কোনো উল্লেখযোগ্য বিষয় নয়। আমরা প্রায় নিশ্চিত যে ইউরোপীয় মুদ্রার দর বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। গতকাল, এই পেয়ারের মূল্য 1.1400-1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেল থেকে বেরিয়ে এসেছে, যেখানে মূল্য 7 মাস ধরে অবস্থান করেছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন বছরে মার্কিন ডলার থেকে বিনিয়োগ দূরে সরিয়ে নেওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের মতে, ডলারের ভাগ্য ইতোমধ্যেই পূর্বনির্ধারিত। ট্রেডাররা গতকাল প্রকাশিত মার্কিন ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের তুলনামূলক ইতিবাচক ফলাফলও উপেক্ষা করেছে। নভেম্বরের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়েও ইতিবাচক ছিল, কিন্তু মার্কেটে কোনো উচ্ছ্বাস দেখা যায়নি। বৈশ্বিক মৌলিক কারণগুলো ব্যাপকভাবে মার্কেটে প্রভাব ফেলছে এবং একারণে এই পেয়ারের মূল্য আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। প্রতি ঘন্টার টাইমফ্রেমে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা এখন ট্রেন্ডলাইন দ্বারা সমর্থিত। বর্তমানে কোনো টেকনিক্যাল বা মৌলিক কারণ নেই যা ইউরোর দরপতনের ইঙ্গিত দেয়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/574181311.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, সোমবার বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, কিন্তু আমরা কিছু লেভেল সমন্বয় করেছি, তাই আমরা কেবল পুরনো লেভেলে গঠিত সিগন্যালটিই লক্ষ্য করেছি। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময়, এই পেয়ারের মূল্য 1.1908 লেভেল থেকে বাউন্স করেছিল, যা একটি সেল সিগন্যাল ছিল। এর পরে, এই পেয়ারের মূল্য কমপক্ষে ১৫ পিপস কমেছে, এবং আজ আরও দরপতন হতে পারে।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। সোমবার রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800–1.1830 এবং মূলত 1.1400–1.1830-এর এরিয়ার উপরে স্থিতিশীল অবস্থান গ্রহণ করায় এই পেয়ারের মূল্য সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছে বলে ধরা হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই আমরা ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে অথবা 1.1908-এর লেভেল ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করতে পারবেন। গতকাল এই পেয়ারের মূল্য 1.1908 লেভেল থেকে বাউন্স করায় মূল্যের 1.1830-1.1837-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা সম্ভব হয়েছিল। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1908, 1.1970-1.1988। আজ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সাপ্তাহিক ADP প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে এবং ইউরোজোনে ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ড বক্তব্য দেবেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদন বা লাগার্ডের বক্তব্য মার্কেটে খুব একটা প্রভাব বিস্তার করবে না বলে আমরা ধারণা করছি।
Read more: https://ifxpr.com/3M9rfJw
-
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৮ জানুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1656138429.jpg[/IMG]
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 153.45-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি ডলার বিক্রি করিনি এবং স্বাভাবিকভাবেই নিম্নমুখী মুভমেন্টটি কাজে লাগাতে পারিনি। মার্কিন ভোক্তা আস্থা সূচকের তীব্র পতনের পর জাপানি ইয়েনের দর ডলারের বিপরীতে পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। কনফারেন্স বোর্ড সূচকে নথিভুক্ত ভোক্তা আস্থার পতন বৃহত্তম বিশ্ব অর্থনীতির দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতার উদ্বেগ বেড়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা ডলারের বাইরে অন্য মুদ্রাগুলোর প্রতি ঝুঁকছে—উদাহরণস্ব ূপ জাপানি ইয়েন—যার ফলে ডলারের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। কারেন্সি মার্কেটে ব্যাংক অব জাপানের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের জল্পনা থেকেও ইয়েন বাড়তি সহায়তা পেয়েছে। যদিও জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রেখেছে, তবে তা বর্তমানে ইয়েনকে শক্তিশালী করার জন্য পর্যাপ্ত নয় এবং কারেন্সি মার্কেটে হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত জল্পনা অব্যাহত রয়েছে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর বেশি নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/621775768.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 153.60-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 152.89-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 153.60-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 152.41-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 152.89 এবং 153.60-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 152.41-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 151.54-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 152.89-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 152.41 এবং 151.54-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4rjUatw
-
২৯ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1334649888.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের কারেকশন হয়েছে এবং মূল্য নিকটতম সাপোর্ট লেভেল 1.3763-এ পৌঁছেছে। সারাদিন সম্পূর্ণরূপে টেকনিক্যাল কারণে ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতন হয়েছে, কারণ যুক্তরাজ্য বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। সন্ধ্যায় ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক শেষ হওয়ার পর স্পষ্ট হয় যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণভাবে মার্চ মাসেই মুদ্রানীতি নমনীয়করণ কার্যক্রম শুরু করতে পারে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে সম্ভাব্য "শাটডাউনের" সম্ভাবনা এতে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। এক্ষেত্রে বহু সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীকে গত ছয় মাসে দ্বিতীয়বারের মতো ছুটিতে পাঠানো হতে পারে এবং ফেড অনির্দিষ্টকালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন থেকে বঞ্চিত হবে। পাওয়েল সতর্ক করেছেন যে প্রতিবেদন ছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্ধভাবে সিদ্ধান্ত নেবে না। সুতরাং সার্বিক পরিস্থিতি "শাটডাউনের" ওপর নির্ভরশীল, তবুও এতে ব্রিটিশ পাউন্ডের উপর কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। বৃহস্পতিবার সকালে পাউন্ডের মূল্য আবারও গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেভেলের কাছাকাছি অবস্থান করছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/301144752.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি চমৎকার ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 এরিয়া থেকে বাউন্স করেছিল, এরপর মার্কিন সেশনে মূল্য 1.3763 পর্যন্ত নেমে আবারও সেখান থেকে দুইবার বাউন্স করেছে। এই সিগন্যালটি কাজে লাগিয়ে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করে বেশ ভালোই মুনাফা অর্জন করতে পারতেন। 1.3763 লেভেল থেকে দু'বারের বাউন্সের ফলে গঠিত সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে সম্ভবত ট্রেড করা হয়নি, যদিও ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক থাকা সত্ত্বেও ট্রেডিং সিগন্যালটি লাভজনক ছিল।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। মধ্যমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যায়ে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি নেই, তাই আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা এই পেয়ারের মূল্যকে শিগগিরই 1.4000-এর দিকে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা এখনও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে বাঁধা সৃষ্টি করছে। বৃহস্পতিবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3763-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন করলে নতুন লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানের মূল্যের 1.3891-1.3912-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ: 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, 1.3763, 1.3814-1.3832। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তাই আজ ট্রাম্প বিষয়ক সংবাদ ও টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর ওপর দৃষ্টিপাত করা উচিত।
Read more: https://ifxpr.com/4pZI9Ip
-
৩০ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1765705124.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের দুর্বল মাত্রার নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত ছিল, যা গত কয়েক সপ্তাহের তীব্র মূল্য বৃদ্ধির পর ঘটেছে। গতকাল মার্কেটে মৌলিক অর্থনৈতিক পটভূমির প্রভাব খুব একটা পরিলক্ষিত হয়নি, এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কিছুদিন পর প্রথমবারের মতো নতুন কোনো শুল্ক আরোপ করেননি, কোনো সামরিক অভিযান শুরু করেননি বা কাউকে হুমকি-ধামকিও দেননি। ফলশ্রুতিতে, গত পরশু ফেডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত মার্কেটে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে ফেড কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়নি বা ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতিতে কোনো পরিবর্তন আনার ঘোষণা দেয়নি, তাই ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া জানানোর মতো কিছুই ছিল না। তবুও আগামী ২৪–৪৮ ঘন্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালাতে পারে। বর্তমানে ইরানের উপকূলের কাছে একটি বড় মার্কিন বিমানবাহী নৌবহর অবস্থান করছে, যা একবারে প্রায় 300 টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে সক্ষম। সম্ভবত ইরান পারমাণবিক চুক্তি চূড়ান্ত করতে অস্বীকৃতি জানানোয় ওয়াশিংটন শীঘ্রই তেহরান ও অন্যান্য শহরের ওপর হামলা চালাবে। সেই কারণে মার্কেটের স্থিতিশীল পরিস্থিতি স্পষ্টতই অস্থায়ী হতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/917080051.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি কার্যকর ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1970-1.1980 এরিয়া থেকে তিনবার বাউন্স করেছে এবং শেষ পর্যন্ত নিকটতম লক্ষ্যমাত্রা 1.1908-এ পৌঁছায়। এই তিনটির মধ্যে শেষ দুইটি বাউন্সের ফলে গঠিত সিগন্যাল নতুন ট্রেডাররাও কাজে লাগাতে পারত। 1.1908 লেভেল থেকে সংঘটিত বাউন্সটি নিখুঁত ছিল, যা লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ করে দিয়েছিল। দিনের শেষে এই পেয়ারের মূল্য আবার 1.1970-1.1980 এরিয়ায় ফিরে আসে এবং তৎক্ষণাৎ পুনরায় বাউন্স করে।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। সোমবার রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800-1.1830 এরিয়ার উপরে এবং মূলত 1.1400-1.1830 রেঞ্জের উপরে কনসোলিডেট করায় সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছে বলে ধরা হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই আমরা ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। শুক্রবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1908 লেভেল থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1970-1.1980 এবং 1.2044-1.2056-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1908-এর নিচে কনসোলিডেট করে তাহলে শর্ট পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানের মূল্যের 1.1830-1.1837-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ জার্মানিতে বেকারত্বের হার, গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতিসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ইউরোজোনে গত বছরের চতুর্থ ত্রৈমাসিক প্রান্তিকের জিডিপি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) প্রকাশিত হবে। এসব প্রতিবেদনের প্রভাবে মার্কেটে তুলনামূলকভাবে সংযত প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। একইসাথে রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে হবে
Read more: https://ifxpr.com/4rsaMPP