-
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২০ জানুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/822147893.jpg[/IMG]
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.1635-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত করেছিল। 1.1635-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারবট এরিয়ায় প্রবেশ করে এবং এতে সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা নং ২ বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়া যায়; তবুও বাস্তবে ইউরোর দরপতন হয়নি। আজ সকালে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ডলারের দরপতন অব্যাহত ছিল। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রত্যাশিত ভূ-স্বত্ত্ব দাবি অনিশ্চয়তার ঢেউ উসকে দিয়েছে। সম্ভাব্য ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার তীব্রতা নিয়ে শঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা সক্রিয়ভাবে ডলারভিত্তিক অ্যাসেট বিক্রি করে আরও স্থিতিশীল অ্যাসেটে বিনিয়োগ করতে শুরু করেছেন। ইউরোপীয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে প্রধানত ইউরো ও সুইস ফ্রাঙ্কে বিনিয়োগ প্রবাহ লক্ষ করা গেছে। এছাড়াও স্বর্ণের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অনিশ্চয়তার সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকা প্রয়োজন, এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাড়াহুড়ো করে ডলারের লং পজিশন ওপেন করা উচিত হবে। আজ সকালে বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে জার্মানির উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) এবং জার্মানি ও ইউরোজোনের বিজনেস সেন্টিমেন্ট সূচকসমূহ। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ইউরোপীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সক্ষমতা নির্ধারণের জন্য মূল রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে। জার্মানির উৎপাদক মূল্য সূচক দেশটির অভ্যন্তরীণ মুদ্রাস্ফীতি প্রক্রিয়া এবং শিল্প খাতে চাপের মাত্রা সম্পর্কে ধারণা দেবে; যদি এই সূচকের ফলাফল পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি, তবে সেটি মুদ্রাস্ফীতি হার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিতে পারে। জার্মানি ও ইউরোজোনের ZEW বিজনেস সেন্টিমেন্ট সংক্রান্ত সূচকগুলোর ফলাফল ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের অগ্রণী সংকেত হিসেবে কাজ করবে—সূচকগুলোর ইতিবাচক ফলাফল ইউরোকে সহায়তা করবে, আর হতাশাজনক ফলাফল EUR/USD-এর উপর চাপ সৃষ্টি করবে। দৈনিক কৌশল হিসাবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং ১ এবং ২ বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1591873379.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1716-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1677-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1716-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1649-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1677 এবং 1.1716-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1649-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1613-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1677-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1649 এবং 1.1613-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/3NvaBo7
-
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২১ জানুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/184738661.jpg[/IMG]
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 157.70-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের দরপতনের সম্ভাবনাকে সীমিত করেছে। বর্তমানে সবাই গ্রিনল্যান্ডের পরিস্থিতির দিকে মনোযোগী হওয়ায় গতকাল USD/JPY পেয়ারের মূল্যের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। দিনের প্রথমার্ধে ট্রেডাররা সক্রিয়ভাবে ইয়েন কিনছিলেন, কারণ যদিও ব্যাংক অফ জাপান সম্ভবত এই শুক্রবারের বৈঠকে মূল সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে, জাতীয় মুদ্রার দুর্বলতা ও মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধির ঝুঁকির কারণে আরও আক্রমণাত্মক আর্থিক নীতিমালা প্রণয়নের সম্ভাবনা যথেষ্ট উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিস্থিতিও ডলারের মূল্যের মুভমেন্টের ওপর নির্ভর করবে। ট্রাম্প আরেকটি বাণিজ্যযুদ্ধ উস্কে দিতে পারেন এই ঝুঁকির কারণে ডলারের ওপর চাপ বজায় রয়েছে, যা USD/JPY পেয়ারের এক্সচেঞ্জ রেটে প্রতিফলিত হতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং পরিকল্পনা 2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1068268369.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 158.73-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 158.28-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 158.73-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 158.02-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 158.28 এবং 158.73-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 158.02-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল অতিক্রম করার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 157.63-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 158.28-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 158.02 এবং 157.63-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/3NTC9n8
-
২২ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1181489460.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হলেও দিনের মধ্যে মার্কেটের পরিস্থিতি বেশ কয়েকবার পরিবর্তিত হয়েছে। গতকাল কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি; তবে ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম অনুষ্ঠিত হচ্ছিল, যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেশ কয়েকজন ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দিয়েছেন। তৎপর্যপূর্ণভাবে, তখনও গ্রিনল্যান্ড ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়গুলো সমাধান হয়নি, ফলে মার্কেটে স্বভাবতই অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল এবং ট্রেডাররা সম্ভাব্য বাণিজ্য সংঘাত সংক্রান্ত উত্তেজনা কমার আশা করছিল। কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বোঝা গেছে যে সেই প্রত্যাশা অবান্তর ছিল না। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে তিনি ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটের সঙ্গে বেশ ইতিবাচক সংলাপে বসেছেন এবং তারা গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত একটি চুক্তির ব্যাপারে মতৈক্যে পৌঁছেছেন। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি, কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দিয়েছেন যে ডেনমার্কের এই দ্বীপটি ঘিরে তার পরিকল্পনার বিরোধীতাকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর থেকে আরোপিত শুল্ক তুলে নেওয়া হচ্ছে। ফলে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সংঘাত এড়াতে পেরেছে এবং সঙ্গে সঙ্গেই মার্কেটে অনিশ্চয়তা হ্রাস পেয়েছে। ডলারের দর সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং EUR/USD পেয়ারের মূল্য আগামী কয়েক মাস ধরে 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যে অবস্থান করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1706522014.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বুধবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে শুধুমাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন সেশনের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1755 এরিয়া থেকে 1-পিপ মার্জিনে বাউন্স করে এবং এরপর দিনের বাকি সময় ধরে দরপতনের ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। ফলে নতুন ট্রেডাররা সহজেই শর্ট পজিশন ওপেন করে দিনের শেষে অন্তত 40 পিপস মুনাফা করতে পেরেছেন।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে স্বল্পমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্য সম্ভবত 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমার দিকে ফিরে যাবে এবং তা পুনরায় ব্রেক করার চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে যেতে চাইবে। মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়েছে, তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট- রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রাধান্য বিস্তার করছে এবং ট্রেডাররা কার্যত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছে। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন করে লং পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1745–1.1755-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হলে নতুন করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যায়, যেখানে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। আজ ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। যুক্তরাষ্ট্র গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপির তৃতীয় মূল্যায়নসহ কয়েকটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে উৎপাদন মূল্য সূচকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইইউ-এর সঙ্গে মার্কিন বাণিজ্য সংঘাত সৃষ্টির সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় সম্ভবত এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা স্বাভাবিক স্তরে ফিরে আসবে।
Read more: https://ifxpr.com/4jOZySK