-
ইইউ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করার পরিকল্পনা করছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/138237255.jpg[/IMG]
গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের প্রেক্ষিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে সমর্থনকারী দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি প্রদান করলে তার জবাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে—এই সংবাদ প্রকাশের পর মার্কিন ডলার তীব্র দরপতনের শিকার হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করতে পারে, যা ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে জন্য বজ্রপাতের মতো ছিল। বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির উপর ভয়াবহ আঘাতের আশঙ্কায় দ্রুত ডলারভিত্তিক অ্যাসেটগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলস্বরূপ ডলার সূচকের ব্যাপক পতন হয় এবং ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পায়। ওয়াশিংটনের চাপের বিরুদ্ধে ইইউ-এর এমন সিদ্ধান্ত নজিরবিহীন—এটি ঐক্য এবং দৃঢ়তার এক অভূতপূর্ব প্রদর্শনী হবে। এই বিরোধের দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি কী হবে সেই পূর্বাভাস দেয়া কঠিন। চুক্তি ভেস্তে গেলে উভয়পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—কারণ শুল্ক বৃদ্ধি পাবে, বাণিজ্যের পরিমাণ হ্রাস পাবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতাও দেখ যেতে পারে। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বৃহৎ রাজনৈতিক গোষ্ঠী ইউরোপিয়ান পিপলস পার্টির প্রেসিডেন্ট ম্যানফ্রেড ওয়েবার গত শনিবার বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তি করা এখন আর সম্ভব নয়। ওয়েবার লিখেছেন যে ইইউ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে সমর্থন করে, তবু ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড-সম্পর্কিত হুমকির পর এই মুহূর্তে এর বাস্তবায়ন কার্যত অসম্ভব। তিনি আরও বলেছেন যে মার্কিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত ইইউ-এর সম্মতিটিও স্থগিত করা উচিত। উল্লেখযোগ্য যে ইইউ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তি, যেটি গত গ্রীষ্মে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন এবং ট্রাম্পের মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছিল, ইতোমধ্যেই বলবৎ হলেও এখনও সংসদীয় অনুমোদন বাকি আছে। উক্ত চুক্তিতে ইইউ-এর বেশিরভাগ পণ্যের ওপর 15% মার্কিন শুল্ক ধার্য করা হয়েছিল, বিনিময়ে ইইউ-এর পক্ষ থেকে মার্কিন শিল্পভিত্তিক পণ্য ও নির্দিষ্ট কৃষি পণ্যের ওপর শুল্ক প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। ভন ডার লেয়েন, যিনি ইইউ-এর পক্ষে আলোচনা নেতৃত্ব দিয়েছেন, বাণিজ্যযুদ্ধ এড়ানোর উদ্দেশ্যে ওই চুক্তি করেছিলেন। গত শনিবার ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে গ্রিনল্যান্ডকে সমর্থনকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর পণ্যের ওপর 10% শুল্ক কার্যকর করা হবে। তিনি বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে "সম্পূর্ণ ও চূড়ান্ত" ক্রয়ের কোনো চুক্তি না হয় তাহলে শুল্ক 25%-এ বাড়িয়ে দেওয়া হবে। ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণাটির বিরুদ্ধে সমালোচনা করেন এবং তারা এই পদক্ষেপের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করছেন। ভন ডার লেয়েন বলেন যে এই শুল্কসমূহ ট্রান্সঅটলান্টিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বিপজ্জনক হ্রাসের ঝুঁকি বাড়াবে, আর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোন ট্রাম্পের হুমকিগুলো অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়াও জানা গেছে যে ইইউ এমন পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে যার ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর 10% শুল্ক বাস্তবায়ন করেন, তাহলে মার্কিন পণ্যের ওপর €93 billion মূল্যমানের শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। ইইউ শুল্কের পাশাপাশি অতিরিক্ত পদক্ষেপের পরিকল্পনাও করেছে, তবে তাঁরা প্রথমে কূটনৈতিকভাবে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা চালাবে।
EUR/USD-এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1645 লেভেলে পুনরুদ্ধারের বিষয়টি বিবেচনা করা চলতি। কেবল উক্ত লেভেল অতিক্রম করলেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1675-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যেতে সক্ষম হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1700 পর্যন্ত আরো বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বড় ট্রেডারদের সমর্থন না ছাড়া আরও বৃদ্ধি পাওয়া কঠিন হবে। আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.1720-এ পৌঁছাতে পারে। দরপতনের ক্ষেত্রে সম্ভবত কেবল মূল্য 1.1610-এর কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে। যদি সেখানে ক্রেতারা সক্রিয়ভাবে না ক্রয় করেন, তাহলে 1.1580-এ দরপতনের জন্য অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে—অথবা 1.1550 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। GBP/USD-এর ক্ষেত্রে, পাউন্ডের ক্রেতাদের প্রথমে এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3410-এ নিয়ে যেতে পারে দখল করা। কেবল তখনই এই পেয়ারের মূল্য 1.3440-এর দিকে যেতে পারে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.3460-এর কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3380-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জের ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর উপর মারাত্মক আঘাত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3360 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখানে 1.3340 পর্যন্ত দরপতন প্রসারিত হওয়ার সুযোগ রাখে।
Read more: https://ifxpr.com/49IcGod
-
২০ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1592539343.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবারও খুব কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যুক্তরাজ্যে বেকারত্ব, ক্লেইমেন্ট কাউন্টস এবং মজুরি সম্পর্কিত তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। জার্মানি ও ইউরোজোনে ZEW ইনস্টিটিউট থেকে ইকোনোমিক সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। অবশ্যই যুক্তরাজ্যের বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, তবে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কেটের ট্রেডাররা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রতি অত্যন্ত দুর্বলভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং অস্থিরতার মাত্রাও নিম্নস্তরে রয়ে গেছে। এখনও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈদিশিক নীতি ও বাণিজ্যযুদ্ধের উপর দৃষ্টিপাত করা হচ্ছে, যা 2026 সালের শুরু থেকে নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/482879123.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: ক্যালেন্ডার অনুযায়ী মঙ্গলবার কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, কিন্তু এমনও দেখা যাচ্ছে যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিকগুলোর প্রতিও ট্রেডাররা প্রায়শই প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করছে না। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের প্রভাবেও প্রায় কোনোই প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না। ট্রাম্প কর্তৃক নতুন শুল্ক আরোপের কারণে সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন ডলারের সামান্য দরপতন হয়েছে, তবে সামগ্রিকভাবে মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতাই বিরাজ করছে। মনে রাখবেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য ডলার এখনও নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, কিন্তু যখন কোনো দেশের প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছেন অথবা ইরানে অভ্যুত্থানে হস্তক্ষেপের কথা বলছেন, তখন কি সেই দেশের মুদ্রাকে নিরাপদ বলা যায়? ট্রাম্প সম্ভবত তেহরানের বার্তা পাওয়ার পর ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলার পরিকল্পনা বাদ দিয়েছেন, যেখানে তেহরান বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে "যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়" হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন এটি আমেরিকার অংশ হিসেবে একটি নতুন অঙ্গরাজ্য হওয়া উচিত।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যেরই সম্ভবত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, কারণ গতকাল ইউরো এবং পাউন্ডের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তি ঘটেছে। আজ 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ইউরোর ট্রেড করা যেতে পারে। আজ 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে পাউন্ড স্টারলিংয়ের ট্রেড করা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4qp7uMY
-
মার্কিন বন্ড বিক্রির হুমকির পরে সত্যিই সেই পদক্ষেপ নেয়া হল
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/249918098.jpg[/IMG]
মার্কিন বন্ড বিক্রির হুমকি প্রদানের পর বাস্তবেই সেই কার্যক্রম শুরুর ফলে গতকাল ইউরোর দর মার্কিন ডলারের তুলনায় তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইইউ দেশগুলো সম্ভবত মার্কিন সরকারি ট্রেজারি বন্ড বিক্রি শুরু করবে—মার্কেটে আগে থেকেই এই ধরনের গুঞ্জর শুরু হয়েছিল। গতকাল জানা যায় যে ডেনমার্ক সক্রিয়ভাবে মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করা শুরু করেছে। আকাডেমিকারপেনশন মার্কিন সরকারি বন্ড বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছে। পেনশন ফান্ডটি প্রায় $100,000,000 মূল্যের সিকিউরিটিজ বিক্রি করার এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত এই পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করছে। পেনশন ফান্ডটি সিদ্ধান্তটিকে পুরোপুরি আর্থিক পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে—বাড়তি ঘাটতি এবং মার্কিন সরকারি ঋণ বিষয়ক পরিস্থিতি ট্রেজারি বন্ডের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কঠিন করে তুলছে ও লিকুইডিটি টুল হিসেবে এটির সুবিধা হ্রাস পেয়েছে। আরেকটি অনানুষ্ঠানিক অনুপ্রেরণা হলো মি. ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকি ও গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের দাবিসহ তীব্র মার্কিন-ইউরোপ দ্বন্দ্, উল্লেখ্য যে গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের সার্বভৌম ভূখণ্ড। ডেনমার্কের এই পদক্ষেপ বেশ গুরুত্বপূর্ণ, যদিও তুলনামূলকভাবে ছোট একটি পেনশন ফান্ড এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তবে তা মার্কিন অর্থনীতির জন্য একটি সতর্ক সংকেত। বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা বড় বিনিয়োগকারীদের পদক্ষেপ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে, এবং এমন পদক্ষেপ চেইন-রিয়েকশনের কারণ হতে পারে। যদি অন্যান্য দেশ ও ফান্ডগুলো ডেনমার্কের পথ অনুসরণ করে, তাহলে মার্কিন সরকারি বন্ডের চাহিদা হঠাৎ করে কমে যেতে পারে, যার ফলে বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশ বাড়বে এবং মার্কিন সরকারি ঋণের ব্যয় বেড়ে যাবে।
ডেনিশ ফান্ডের সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক যুক্তি বেশ স্পষ্ট। মার্কিন অর্থনীতি নিয়ে সৃষ্টি অনিশ্চয়তা, ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণের বোঝা এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা—এসব বিষয় স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার খুঁজতে থাকা বিনিয়োগকারীদের জন্য মার্কিন ট্রেজারি বন্ডকে কম আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তুলনামূলকভাবে, ইউরো বিশেষত ইইউ-এর অভ্যন্তরে গভীর অর্থনৈতিক একত্রীকরণ সম্ভাবনার পটভূমিতে ক্রমশ আত্মবিশ্বাসী হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে। ডেনমার্কের এই পদক্ষেপের ফলে ইউরো ও ডলারের ওপর এর প্রভাব ইতোমধ্যেই লক্ষণীয়। মার্কিন অ্যাসেট থেকে বিনিয়োগ সরে যাচ্ছে এবং ইউরোপীয় অর্থনীতির সম্পর্কে সামগ্রিক ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন ডলার দুর্বল হলে বৈশ্বিক পর্যায়ে মার্কিন পণ্যসমূহের আকর্ষণীয়তা আরও বাড়বে, তবে এতে অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়বে। গুরুত্বের দিক হল এটি ইতোমধ্যে তৃতীয় ডেনিশ ফান্ড যা মার্কিন ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ হ্রাস করেছে। ইতিপূর্বে লারেরনেস পেনশন এবং PFA-ও এমন পদক্ষেপ নিয়েছে। স্পষ্টতই, পরিমাপের চেয়ে ঐতিহ্যের প্রভাব বড়: $100,000,000-এর বন্ড মার্কেটে তুচ্ছ, কিন্তু ওই ঐতিহ্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ প্রতিবেদনগুলোতে এখন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে আরেকটি বড় ফান্ড প্রকাশ্যে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডকে ঝুঁকি-মুক্ত অ্যাসেট হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। উপরে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী, যদি অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও একই পথ অনুসরণ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে ঋণের ওপর আরও বেশি সুদ দিতে হবে।
EUR/USD-এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1745 লেভেলে পুনরুদ্ধার করার কথা বিবেচনা করা উচিত। কেবল তাহলেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1765 লেভেলে পৌঁছাতে পারে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1785 পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এই লেভেলের উপরে অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1810-এর লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বিবেচনা করা যায়। এই পেয়ারের দরপতনের ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র মূল্য 1.1714-এর কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। সেখানে কোনো ক্রেতা সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1690 লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে বা 1.1660 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। GBP/USD-এর ক্ষেত্রে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রেতাদের পাউন্ডের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3460 লেভেলে নিয়ে যেতে হবে। কেবল এটি করা গেলে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3490-এর লক্ষ্যমাত্রায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3520-এর লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বিবেচনা করা যায়। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, মূল্য 1.3425-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ঐ রেঞ্জ ব্রেক করলে বুলিশ পজিশনগুলোকে মারাত্মকভাবে লিকুইডেট হয়ে যেতে পারে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3400 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, এবং পরবর্তীতে 1.3380 পর্যন্ত দরপতন প্রসারিত হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4qxf3RK
-
-
২৩ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1986577170.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার শুধুমাত্র মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে জানা যায় যে মার্কিন অর্থনীতি গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে 4.4% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা পূর্বাভাস অতিক্রম করেছে। ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক বাতিলের ঘোষণা দেয়ার পর ডলারের দর বৃদ্ধির কথা ছিল; কিন্তু ট্রেডাররা উক্ত প্রতিবেদন কিংবা শুল্ক বাতিলের ঘটনার প্রতি তেমন গুরুত্ব দেয়নি। যেমনটি আগে বলেছি, আমরা মনে করি 2026 সালে ডলার আরও দরপতনের শিকার হবে। ট্রাম্পের সুরক্ষাবাদী নীতি বিনিয়োগকারীদের এবং মার্কেট মেকারদের ডলারে ট্রেডিং করার ইচ্ছাকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে—যা একসময় 'নিরাপদ বিনিয়োগ' হিসেবে বিবেচিত হত। নিঃসন্দেহে এটি এখন আর বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ নয়। টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনের উপরে কনসোলিডেট করেছে, ফলে এই কারণেও এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির আশা করা যায়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1049104383.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, যেগুলোর প্রত্যেকটি নতুন ট্রেডাররা সহজেই কাজে লাগাতে পারতেন। মার্কিন সেশনের মধ্যভাগ পর্যন্ত এই পেয়ারের মূল্য কেবল 1.3403-1.3407 এবং 1.3437-1.3446 এরিয়ার মধ্যে বাউন্স করছিল; যেখানে মোট 7টি বাউন্স পরিলক্ষিত হয়। এই প্রতিটি সিগন্যাল থেকেই 10–15 পিপস লাভ করা যেতে পারত। পরে 1.3437-1.3446 রেঞ্জের উপরে কনসোলিডেশন ঘটায় নতুন লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যায়। এই পেয়ারের মূল্য নিকটস্থ লক্ষ্যমাত্রা 1.3484-1.3489-এ পৌঁছায় এবং এমনকি তা অতিক্রমও করে।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। মধ্যমেয়াদে ডলারের শক্তিশালী হওয়ার জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না, তাই 2026 সালে আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে বলে আশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই মার্কিন ডলারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শুক্রবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3484-1.3489 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3437-1.3446-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3437-1.3446 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন করলে পূর্বের লং পজিশন হোল্ড করে রাখা যেতে পারে বা নতুন লং ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে, এক্ষেত্রে মূল্যের 1.3529-1.3543-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, এবং 1.3682। শুক্রবার যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জানুয়ারি মাসের সার্ভিস এবং ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচক প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। যুক্তরাজ্যে রিটেইল সেলস প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশিত হবে। প্রতিটি প্রতিবেদনের ফলাফলই এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4r3WRyZ
-
২৬ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1969341219.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল। মনে রাখা দরকার যে গত সপ্তাহের শুরুতে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছিল, তাই এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করাই যৌক্তিক ছিল। শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়া সত্ত্বেও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি ট্রেডারদের মনোভাবকে কার্যত প্রভাবিত করতে পারেনি। সকালে প্রকাশিত সকল প্রতিবেদন প্রায় নির্দ্বিধায় উপেক্ষিত হয়েছে, কারণ ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে প্রায় কোনোই মুভমেন্ট লক্ষ্য করা যায়নি। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে তুলনামূলকভাবে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন মার্কিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকগুলো (পরিষেবা ও উৎপাদন খাত ভিত্তিক) এবং মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভোক্তা মনোভাব সূচক প্রকাশিত হয়। ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকগুলোর ফলাফল পূর্বাভাসের সাথে প্রায় সঙ্গতিপূর্ণ ছিল, যখন ভোক্তা মনোভাব সূচকের ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে পূর্বাভাস অতিক্রম করে। সুতরাং, এই পেয়ারের দরপতন হলে সেটি অধিকতর যুক্তিযুক্ত হত। তবুও, গত কয়েক সপ্তাহ এবং গত বছর জুড়ে মৌলিক পটভূমিডলারের ওপর চাপ বজায় রেখেছে। অবশেষে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800–1.1830 এরিয়ার কনসলিডেট করেছে, তাই দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান সাত মাসব্যাপী ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচনা করা যেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/387007506.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার দিনের শুরুতে ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি ভুল সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, কারণ দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের মূল্য একরকম স্থবির ছিল। পরে একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়, যা থেকে বেশ ভালোই লাভ করা গিয়েছে। মার্কিন ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়, এরপর দিনের বাকি সময় এই পেয়ারের মূল্য কেবল বৃদ্ধিই পেয়েছে। সোমবার রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1851 লেভেল অতিক্রম করে, যা ইঙ্গিত দেয় আজ ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। গতরাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800–1.1830 এরিয়ার উপরে কনসলিডেট করেছে, 1.1400–1.1830 এরিয়ার ওপরে অবস্থান মজবুত হওয়ায় এই পেয়ারের মূল্য সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছে বলে ধরা হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই আমরা ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। সোমবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1851 লেভেল থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1908-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1851-এর নিচে মূল্য কনসলিডেট করলে মূল্যের 1.1808 ও 1.1745–1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। আজ জার্মানিতে বিজনেস ক্লাইমেট সূচক সংক্রান্ত একটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে; যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত তুলনামূলকভাবে অধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। লক্ষ্যণীয় যে এই পেয়ারের মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি প্রতিদিনই ডলারের দরপতন ঘটাতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3YZDYBq
-
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২৮ জানুয়ারি: S&P 500 এবং নাসডাক সূচকে তীব্র ঊর্ধ্বমুখী অব্যাহত রয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/47018697.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ করেছে। S&P 500 সূচক 0.41% বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে নাসডাক 100 সূচক 0.91% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 0.83% হ্রাস পেয়েছে।বিশ্বব্য পী ইক্যুইটি সূচকগুলোতে মাসিক সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রবণতা এশীয় স্টক মার্কেটে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নিয়ে আসতে ভূমিকা রেখেছে। অনিশ্চিত মার্কিন বাণিজ্য নীতিমালার আশঙ্কায় দরপতনের পর ডলারের দর সামান্য স্থিতিশীল হয়েছে—এটির দর প্রায় চার বছরের মধ্যে সবনিম্ন লেভেলে নেমে গিয়েছিল। ট্রেজারি বন্ডের দর সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে; লভ্যাংশের হার এক বেসিস পয়েন্ট কমে 4.23% হয়েছে। ডলারের মূল্যের স্থিতিশীলতা ইতিবাচক সংকেত হলেও সার্বিক পরিস্থিতি ভঙ্গুর রয়ে গেছে। মার্কিন সরকারের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য নীতিমালা সংক্রান্ত আসন্ন পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চয়তা মার্কিন ডলারের ওপর চাপ বজায় রেখেছে। উপরন্তু, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অস্থিরতা বিরাজ করছে—ইরানের ওপর মার্কিন হামলার ঘটনা ঘটলে তা যেকোনো মুহূর্তে ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটের ভঙ্গুর ভারসাম্যকে নাড়িয়ে দিতে পারে এবং বিনিয়োগকারীরা আবারও ডলার থেকে মূল্যবান ধাতুতে বিনিয়োগ সরিয়ে নেয়া শুরু করতে পারে।MSCI অল কান্ট্রি ওয়ার্ল্ড ইনডেক্স 0.2% বেড়ে রেকর্ড উচ্চতার আরও কাছাকাছি চলে এসেছে। S&P 500 সূচক রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পরে মার্কিন ইক্যুইটি সূচকের ফিউচারগুলোর নতুন উচ্চতার দিকে মুভমেন্ট অব্যাহত রয়েছে। সফটব্যাংক গ্রুপ কর্পোরেশন জানিয়েছে যে কোম্পানিটি ওপেনএআই-তে অতিরিক্ত $30 বিলিয়ন বিনিয়োগের নিয়ে আলোচনা করছে—এর প্রভাবে নাসডাক 100 সূচকের ফিউচারগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। আজকের ফেডের বৈঠকটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যা থেকে বছরের প্রথম মুদ্রানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে, এবং একই সময়ে বৃহৎ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো তাদের আয়ের প্রতিবেদন প্রকাশ করা শুরু করবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2047201752.jpg[/IMG]
অন্যান্য মার্কেটে, স্বর্ণের দর রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে—প্রতি আউন্স $5,200 ছাড়িয়ে গেছে—ডলারের দরপতনের মধ্যে স্বর্ণের মূল্যের তীব্র ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। বছরের শুরু থেকে এই মূল্যবান ধাতুটির মূল্য প্রায় 20% বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং এই সপ্তাহের শুরুতে এটির দর প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স $5,000 ছাড়িয়েছে। একই সময়ে, রূপার দর 50%-এরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। S&P 500 সূচকের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ক্রেতাদের আজকের প্রধান কাজ হল নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল $7,013 লেভেল ব্রেক করিয়ে সূচকটির দর ঊর্ধ্বমুখী করা। ওই লেভেল অতিক্রম করলে আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত পাওয়া যাবে এবং $7,033-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। ক্রেতাদের জন্য অপরিহার্য কাজ হলো সূচকটির দর $7,049-এর উপরে ধরে রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থান শক্তিশালী করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাসের ফলে নিম্নমুখী মুভমেন্ট দেখা গেলে সূচকটির দর $6,993-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে; এই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সূচকটির দর দ্রুত $6,975-এ নেমে যেতে পারে এবং পরবর্তীতে $6,961-এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4qJxQJE
-
২৯ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/646093957.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবারের অল্প কয়েকটি সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং সেগুলোর মধ্যে কোনোটিই তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। মূলত আমরা কেবল মার্কিন আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করতে পারি— তবে এগুলো স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হয়। গতকালের অনুষ্ঠিত ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠকের ফলাফলের ভিত্তিতে মার্কেটে কিছুটা অস্থিরতা প্রত্যাশিত ছিল, তবে ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী ছিল। তাই ট্রেডাররা সম্ভবত ইতোমধ্যেই এই ইভেন্টটিকে মূল্যায়ন করে ফেলেছে এবং আজ টেকনিক্যাল বিষয় ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন কোনো বক্তব্যের ওপর ভিত্তি ট্রেডিং করা হবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/426701734.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের মধ্যে তেমন কিছুই লক্ষণীয় নেই। গতকাল সন্ধ্যায় ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক শেষ হয়েছে, এবং এর ফলাফল ট্রেডারদের জন্য সহজেই পূর্বানুমেয় ছিল। জেরোম পাওয়েল মার্চে সুদের হার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করলেও, তাতে ডলার সহায়তা পায়নি। বৈঠকের ফলাফল ঘোষণার পর পুনরায় মার্কিন মুদ্রার দরপতন শুরু হয় এবং বর্তমানে এটির দর গত ৩–৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেভেল কাছাকাছি রয়েছে। অতএব, আমরা সম্পূর্ণভাবে মেনে নিচ্ছি যে ইউরো ও পাউন্ডের মূল্য আজও বাড়তে পারে—বিশেষ করে যদি ট্রাম্প কাউকে আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেন, ইরানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন, অথবা শুল্ক বাড়ান। ডলার এখন খুবই দুর্বল অবস্থায় রয়েছে; মার্কেটে ডলারের জন্য কোনো দৃঢ় সহায়তা দেখা যাচ্ছে না। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষদিকের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারই মূলত টেকনিক্যাল কারণগুলোর ভিত্তি করে ট্রেড করা হবে। ইউরো আজ 1.1970-1.1988 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3814-1.3833 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। অবশ্যই, প্রতিদিনই ডলারের দরপতন হবে বিষয়টি এমন নয়—মাঝে মাঝে বিরতি, কারেকশন এবং পুলব্যাক দেখা যাবে। তবে ইতোমধ্যেই গতকাল একটি কারেকশন ঘটেছে, এবং আজও ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4a7zoX2
-
৩০ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1150565039.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে সেগুলো কোনোটিই প্রকৃতপক্ষে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। আপাতদৃষ্টিতে জার্মানি বা ইউরোজোনের জিডিপি সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে হতে পারে। তবু আমরা নতুন ট্রেডারদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে মার্কেটে সাধারণত জিডিপি প্রতিবেদনের প্রভাবে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় না। জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদকগুলোকেও আপেক্ষিকভাবে শর্তসাপেক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা যেতে পারে। উপরোক্ত প্রতিবেদন কেবল তখনই ইউরোর বিনিময় মূল্যের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে, যখন প্রকৃত ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় ব্যাপকভাবে ভিন্ন হবে। যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদক মূল্য সূচক প্রকাশিত হবে, যা তুলনামূলকভাবে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2008067526.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে উল্লেখ করার মতো তেমন কিছু নেই। ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক বুধবার রাতে সমাপ্ত হয়েছে এবং এই বৈঠকের ফলাফল ট্রেডারদের জন্য সহজেই পূর্বানুমানযোগ্য ছিল। যদিও জেরোম পাওয়েল মার্চে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাব্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তবুও তা ডলারের পক্ষে কোনো সহায়ক প্রভাব ফেলেনি। বিগত 3–4 বছর ধরে ইউরো ও পাউন্ডের বিপরীতে আমেরিকান মুদ্রার দর সর্বনিম্ন লেভেলের কাছাকাছি রয়েছে। তাই আমাদের পূর্ণ প্রত্যাশা রয়েছে যে শীঘ্রই পুনরায় ইউরো ও পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি শুরু হবে, যদিও করেকশন অব্যাহত থাকাটাও যৌক্তিক পরিস্থিতি হতে পারে। তবুও, যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প কোথাও আক্রমণের নির্দেশ দেন, ইরানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন বা আবার শুল্ক বাড়ান, তাহলে ডলার অবশ্যই প্রতিক্রিয়া দেখাবে। ডলারের অবস্থান এখন অনেকটাই দুর্বল রয়েছে এবং দৃশ্যমান কোনো সমর্থন নেই। উপসংহার: সপ্তাহের শেষ ডিনের ট্রেডিংয়ে প্রধানত টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে উভয় পেয়ারের ট্রেড করা হবে বলে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে। ইউরো আজ 1.1908 থেকে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3741-1.3751 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে। অবশ্যই, প্রতিদিনই ডলারের দরপতন হবে বিষয়টি এমন নয়—বিরতি, করেকশন এবং পুলব্যাক থাকবে। তবে মৌলিক প্রেক্ষাপট যেকোনো মুহূর্তে ডলারের আরেকটি দরপতন ঘটাতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4k7aPxT