-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২১ জানুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/709105368.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3463-এর লেভেল টেস্ট করে, যা পাউন্ড বিক্রি করার সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নিশ্চিত করেছিল। ফলশ্রুতিতে, এই পেয়ারের 20 পিপস দরপতন ঘটেছে। যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল দিনের প্রথমার্ধে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছিল, কিন্তু পরবর্তীতে মার্কেটের ট্রেডাররা গ্রিনল্যান্ড পরিস্থিতির দিকে মনোযোগ দেওয়ায় সেই প্রভাব ম্লান হয়ে যায়। মনে রাখা উচিত যে যুক্তরাজ্যও দ্বীপটির ওপর মার্কিন দাবির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি তুচ্ছ একটি ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা মনে হওয়া সত্ত্বেও দ্রুতই এটি কারেন্সি মার্কেটের মুভমেন্ট নির্ধারণকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত হয়েছে। সাধারণত অর্থনৈতিক সূচকের উপর দৃষ্টিপাত করে থাকে এমন বিনিয়োগকারীরাও এখন আর্কটিক অঞ্চল থেকে আসা খবরগুলো ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করছেন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর এর সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করার চেষ্টা করছেন। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের হস্তক্ষেপ অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে সংঘাতের তীব্রতার বিষয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র করেছে। এর আগে মনে হচ্ছিল বাণিজ্য-সংঘাত মূলত শুল্কযুদ্ধের ওপর কেন্দ্রীভূত রয়েছে, কিন্তু এখন বিষয়টিতে ভূখণ্ডীয় দাবি ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপকেও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর ফলে মার্কেটের ট্রেডাররা সামগ্রিক ঝুঁকি পুনর্মূল্যায়ন করতে হচ্ছে এবং তারা নিরাপদ বিনিয়োগ খুঁজতে শুরু করেছে, যা অনিবার্যভাবে ব্রিটিশ কারেন্সির এক্সচেঞ্জ রেটের উপর প্রভাব ফেলছে। সামষ্টিক প্রতিবেদনের বিষয়ে বলতে গেলে, আজ দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্যের ভোক্তা মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যদি দেশটির মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হয়, তাহলে তা স্বল্পমেয়াদে পাউন্ডকে সহায়তা দিতে পারে, কারণ এটি ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড কর্তৃক আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে সামগ্রিক অনিশ্চয়তা ও গ্রিনল্যান্ড-সংক্রান্ত ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির প্রতি বাড়তি মনোযোগের মাঝে বিনিয়োগকারীরা কেবল ব্রিটিশ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদী সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে হচ্ছে না। বিপরীতভাবে, যদি মুদ্রাস্ফীতির হার পূর্বাভাসের চেয়ে কম হয়, তাহলে পাউন্ড চাপের সম্মুখীন হতে পারে, তবে দরপতনের মাত্রা সীমিত থাকারই সম্ভাবনা রয়েছে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং পরিকল্পনা 2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/481094907.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3478-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3445-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3478-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3430-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3445 এবং 1.3478-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3430-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3402-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি তীব্রভাবে হ্রাস পেলে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3445-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3430 এবং 1.3402-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436000
-
২২ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1751780170.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার বেশ অস্থিরতার সাথে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনের মধ্যে ট্রেডাররা কোন দিকের উপর ভিত্তি করে পাউন্ডের ট্রেড করবেন তা নির্ধারণ করতে পারেননি এবং প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সংবাদগুলোও বারবার বিভিন্নভাবে মার্কেটকে প্রভাবিত করেছে। দিনের শুরুতে যুক্তরাজ্যে ডিসেম্বরের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যেটির ফলাফল পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে প্ররোচনা দেওয়ার কথা ছিল। উল্লেখ্য যে যুক্তরাজ্যের ভোক্তা মূল্য সূচকের হার বৃদ্ধি পেয়ে পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের আসন্ন বৈঠকে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাব্যতা হ্রাস পেয়েছে। ফলে দিনের প্রথমার্ধে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট পাউন্ডের জন্য অনুকূল ছিল, তবু আমরা পাউন্ডের দরপতন হতে দেখেছি। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে অস্থিরতা শুরু হয়। ডাভোস ফোরামে ট্রাম্প দেরিতে উপস্থিত হন, জার্মান চ্যান্সেলরসহ অন্যান্য ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠেয় একটি বৈঠক বাতিল করতে হয়, কিন্তু ন্যাটোর সেক্রেটারি-জেনারেল মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত একটি চুক্তির ঘোষণা দেন এবং যুক্তরাজ্য ও ইইউ-এর অন্যান্য দেশের ওপর পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হতে যাওয়া শুল্ক তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1729735127.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়, যেগুলো বেশ অনিশ্চিত ছিল। সকালে ইউরোপীয় সেশনের প্রায় অর্ধেক সময় এই পেয়ারের মূল্য স্থবির ছিল, তারপর হঠাৎ করে দরপতন শুরু হয়। এই মুভমেন্টকে কাজে লাগিয়ে 1.3437–1.3446 এরিয়াকে কেন্দ্র করে ট্রেড করে লাভ করা যেত। মার্কিন সেশনে এই পেয়ারের মূল্য আরও একবার ওই এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে, কিন্তু সেটিও অত্যন্ত বিশৃঙ্খল মুভমেন্ট ছিল।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। মধ্যমেয়াদে ডলারের শক্তিশালী হওয়ার জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না, তাই 2026 সালে আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে বলে আশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই মার্কিন ডলারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3403–1.3407-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়ার ওপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হলে নতুন লং পজিশন ওপেন করা যৌক্তিক হবে, যেখানে মূল্যের 1.3484–1.3489-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ: 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3365, 1.3403–1.3407, 1.3437–1.3446, 1.3484–1.3489, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না কোনো ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৃতীয় প্রান্তিকের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আজ সম্ভবত মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে, এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ওই স্বাভাবিক স্তরটিও যথেষ্ট কম ছিল।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436096
-
২৩ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/894301944.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার শুধুমাত্র মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে জানা যায় যে মার্কিন অর্থনীতি গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে 4.4% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা পূর্বাভাস অতিক্রম করেছে। ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক বাতিলের ঘোষণা দেয়ার পর ডলারের দর বৃদ্ধির কথা ছিল; কিন্তু ট্রেডাররা উক্ত প্রতিবেদন কিংবা শুল্ক বাতিলের ঘটনার প্রতি তেমন গুরুত্ব দেয়নি। যেমনটি আগে বলেছি, আমরা মনে করি 2026 সালে ডলার আরও দরপতনের শিকার হবে। ট্রাম্পের সুরক্ষাবাদী নীতি বিনিয়োগকারীদের এবং মার্কেট মেকারদের ডলারে ট্রেডিং করার ইচ্ছাকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে—যা একসময় 'নিরাপদ বিনিয়োগ' হিসেবে বিবেচিত হত। নিঃসন্দেহে এটি এখন আর বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ নয়। টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনের উপরে কনসোলিডেট করেছে, ফলে এই কারণেও এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির আশা করা যায়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1703639230.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, যেগুলোর প্রত্যেকটি নতুন ট্রেডাররা সহজেই কাজে লাগাতে পারতেন। মার্কিন সেশনের মধ্যভাগ পর্যন্ত এই পেয়ারের মূল্য কেবল 1.3403-1.3407 এবং 1.3437-1.3446 এরিয়ার মধ্যে বাউন্স করছিল; যেখানে মোট 7টি বাউন্স পরিলক্ষিত হয়। এই প্রতিটি সিগন্যাল থেকেই 10–15 পিপস লাভ করা যেতে পারত। পরে 1.3437-1.3446 রেঞ্জের উপরে কনসোলিডেশন ঘটায় নতুন লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যায়। এই পেয়ারের মূল্য নিকটস্থ লক্ষ্যমাত্রা 1.3484-1.3489-এ পৌঁছায় এবং এমনকি তা অতিক্রমও করে।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। মধ্যমেয়াদে ডলারের শক্তিশালী হওয়ার জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না, তাই 2026 সালে আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে বলে আশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই মার্কিন ডলারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শুক্রবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3484-1.3489 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3437-1.3446-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3437-1.3446 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন করলে পূর্বের লং পজিশন হোল্ড করে রাখা যেতে পারে বা নতুন লং ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে, এক্ষেত্রে মূল্যের 1.3529-1.3543-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, এবং 1.3682। শুক্রবার যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জানুয়ারি মাসের সার্ভিস এবং ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচক প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। যুক্তরাজ্যে রিটেইল সেলস প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশিত হবে। প্রতিটি প্রতিবেদনের ফলাফলই এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436211
-
২৬ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2091613129.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে, যা মূলত মৌলিক পটভূমির কারণে হয়েছে। মনে রাখা দরকার যে গত সপ্তাহে গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে উত্তেজনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ-এর মধ্যে সম্ভাব্য নতুন বাণিজ্যযুদ্ধ সম্পর্কিত চাপ চূড়ান্ত মাত্রায় পৌঁছায়। ট্রাম্প এই আর্কটিক দ্বীপটি জবরদখল করার বা কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত 10% শুল্ক আরোপ করার হুমকি দিয়েছিলেন। তবে বুধবার ডাভোসে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক ফোরামে সংকটের সমাধান হয়েছে। ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুট ট্রাম্পকে একটি সমাধান প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তবে এই চুক্তির বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনও জানা যায়নি। যাইহোক, শুল্ক প্রত্যাহার করা হচ্ছে এবং ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের ব্যাপারে তার পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করেছেন। সপ্তাহের শুরুতে ডলারের দরপতন হয় এবং সপ্তাহের শেষ দিকে এই দরপতন আরও ত্বরান্বিত হয়। এর কারণ হলো মার্কেটের ট্রেডাররা মার্কিন প্রেসিডেন্টের ধারাবাহিক সাম্রাজ্যবাদী হুমকি ও আল্টিমেটামের প্রতি প্রতিক্রিয়া দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে, এবং এখন প্রায়শই হোয়াইট হাউজ থেকে আসা খবরগুলোতে ডলার বিক্রি করে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। একই সময়ে কিছু মার্কিন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফলও উপেক্ষা করা হচ্ছে, যদিও টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনও বিদ্যমান রয়েছে। অতএব, যেকোনো দৃষ্টিকোণ থেকে 2026 সালে ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/327071870.jpg[/IMG]
GBP/USD GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে শুক্রবার বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। সবই বাই সিগন্যাল ছিল। সকালে এই পেয়ারের মূল্য 1.3484–1.3489 এরিয়া থেকে দুইবার বাউন্স করার ফলে প্রথম সিগন্যালটি গঠিত হয়েছিল। ফলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন। পরবর্তীভাবে এই পেয়ারের মূল্য 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590 এবং 1.3643–1.3652 এরিয়াগুলো অতিক্রম করে। সুতরাং সবচেয়ে সংযত ধারণা অনুযায়ী একটি মাত্র লং পজিশন থেকে 120–130 পিপস মুনাফা অর্জন করা সম্ভব ছিল।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। মধ্যমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যায়ে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি নেই, তাই ২০২৬ সালে ২০২৫ সালের শুরু থেকে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হলে এই পেয়ারের মূল্য শিগগিরই 1.4000-এর দিকে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালার এখনও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে বাঁধা সৃষ্টি করছে। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3643–1.3652 এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3574–1.3590-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3643–1.3652 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে বা 1.3682 লেভেলের উপরে কনসলিডেশন করলে লং পজিশন হোল্ড করা যাবে বা নতুন লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানের মূল্যের 1.3763-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, 1.3682, 1.3763, and 1.3814-1.3832। সোমবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা তুলনামূলকভাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবু বর্তমান পরিস্থিতিতে মৌলিক পটভূমিই মার্কেটে বেশি অগ্রাধিকার পাচ্ছে, যা মার্কিন ডলারের শক্তিশালী দর বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে না।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436378
-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৭ জানুয়ারি
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2000361262.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3682 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করেছিল। এজন্য আমি পাউন্ড কিনিনি। যদিও মার্কিন ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে তারপর পাউন্ডের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ ইয়েনের দর স্থিতিশীল করতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সহায়তা নিয়ে জল্পনা ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। মার্কেটে এমন গুঞ্জন রয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে কারেন্সি মার্কেটে হস্তক্ষেপ করে ইয়েনকে শক্তিশালী করতে পারে। তবে বর্তমান মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করলে, যেখানে মুদ্রাস্ফীতি ঝুঁকি এবং মাঝারি হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হচ্ছে, সেক্ষেত্রে ইয়েনকে সহায়তা করা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ বলে মনে হচ্ছে। এই ধরণের কোনো পদক্ষেপ মার্কিন অর্থনীতি ও মুদ্রানীতির ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে সে সম্পর্কে সতর্ক বিশ্লেষণ ছাড়া এটি নেওয়া উচিত নয়। আজ দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্য থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা নেই, ফলে ট্রেডাররা মার্কেটের বর্তমান পরিস্থিতি ও টেকনিক্যাল সূচকের উপর নির্ভর করবে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পাউন্ডের মূল্য বেশ স্থিতিশীলতা দেখিয়েছে, এবং মৌলিক চালিকাশক্তির অনুপস্থিতিতে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ মূল ভূমিকা পালন করবে। প্রধান রেজিস্ট্যান্স ও সাপোর্ট লেভেলগুলো ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের দর নির্ধারণ করবে।দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর বেশি নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/32188586.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3735-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3693-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3735-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। চলমান প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3669-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3693 এবং 1.3735-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3669-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3626-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ পাউন্ডের বিক্রেতাদের খুব বেশি সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3693-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3669 এবং 1.3626-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436510
-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৮ জানুয়ারি।
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3708-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি পাউন্ড ক্রয় করিনি। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন ভোক্তা আস্থা সূচকের তীব্র পতন ট্রেডারদের কাছে অপ্রত্যাশিত ও হতাশাজনক ছিল, কারণ তাঁরা মার্কিন অর্থনীতির ব্যাপারে ইতিবাচক সংকেতের প্রত্যাশা করেছিল। এই সূচকটি অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ভোক্তাদের আশাবাদ ও ব্যয় করার ইচ্ছাকে প্রতিফলিত করে, এবং এটির ফলাফল পূর্বাভাসের নিচে থাকায় দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এই সূচকের নেতিবাচক ফলাফল ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে এবং এটিকে তুলনামূলকভাবে কম আকর্ষণীয় করে তুলেছে। মার্কিন ডলারের দরপতনের প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, কারণ বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগ ডলার থেকে পাউন্ডে স্থানান্তর করতে শুরু করেছেন। আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তাই বিদ্যমান প্রবণতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে GBP/USD-এর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। অতিরিক্তভাবে, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখা উচিত — যেকোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা, যেমন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে বা নতুন করে অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হলে, বিনিয়োগকারীরা ডলার বিক্রি করতে প্ররোচিত হতে পারে এবং মার্কিন মুদ্রার ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2090392570.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3849-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3810-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3849-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। চলমান প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3786-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3810 এবং 1.3849-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/723933934.jpg[/IMG]
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3786-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3752-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ পাউন্ডের বিক্রেতাদের খুব বেশি সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3810-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3786 এবং 1.3752-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436618
-
৩০ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1285913574.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট না থাকায় ও কোনো সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ায় GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত রেখেছিল। এই পেয়ারের মূল্য 450 পিপস বৃদ্ধি পরে প্রায় 100 পিপসের নিম্নমুখী কারেকশন হয়েছে। গত দুই দিনে 1.3751-1.3833-এর ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের কনসোলিডেশন হতে দেখা গেছে। তবে এই স্থিতিশীলতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম...আজ বা আগামীকাল ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নির্দেশ দিতে পারেন, যা মার্কিন ডলারের চাহিদা সামান্য বাড়াতে পারে। মনে রাখা উচিত যে বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে বিরল সময়ে হলেও ডলার কিছুটা সহায়তা পেতে পারে। পুরনো অভ্যাস দ্রুত মুছে যায় না। যাইহোক, আমরা ডলারের উল্লেখযোগ্য দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি না। উল্লেখ্য, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে একটি তথাকথিত "জ্বালানি শান্তিচুক্তি" হয়েছে এবং পূর্ণমাত্রার যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে। একমাত্র প্রশ্ন হলো—ডনবাস। কয়েক বছর পর প্রথমবারের মতো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার বাস্তব অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1326893992.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ট্রেডিং সিগন্যাল গঠন হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 রেজিস্ট্যান্স এরিয়া থেকে তিনবার বাউন্স করে এবং অবশেষে 1.3741-1.3751-এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়। আবার এই এরিয়া থেকে বাউন্সের কারণে এই পেয়ারের মূল্য আবার 1.3814-1.3833-এ ফিরে আসে। ফলে নতুন ট্রেডাররা গতকাল তিনটি ট্রেড ওপেন করতে পারতেন: যার মধ্যে দুটি লাভজনক ছিল এবং তৃতীয়টি ব্রেকইভেনে ক্লোজ করা হয়েছে।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। মধ্যমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যায়ে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি নেই, তাই আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা এই পেয়ারের মূল্যকে শিগগিরই 1.4000-এর দিকে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা এখনও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে বাঁধা সৃষ্টি করছে। শুক্রবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3741-1.3751 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3643-1.3652-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3643-1.3652 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ সৃষ্টি হবে, যেখানে মূল্যের 1.3814-1.3833-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ: 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, 1.3741-1.3751, 1.3814-1.3832, 1.3891-1.3912, 1.3975। শুক্রবার যুক্তরাজ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটে খুব একটা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। বরং ডোনাল্ড ট্রাম্পই মার্কেটে নতুন "ঝড়" সৃষ্টি করবেন সেই সম্ভাবনা অনেক বেশি।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436816
-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩ ফেব্রুয়ারি।
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3686 লেভেল টেস্ট করেছে, যা পাউন্ড বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.3648-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নেমে এসেছে। গতকালের মার্কিন আইএসএম সূচকের ইতিবাচক ফলাফল নতুন করে ডলার ক্রয়ের প্রবণতা বাড়িয়েছে। মার্কেটের ট্রেডাররা সম্ভাব্য ইতিবাচক মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে, যদিও মুদ্রাস্ফীতির বিষয়ে উদ্বেগ চলমান রয়েছে। আইএএসএম সূচক, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক, প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গিয়ে উৎপাদন খাতে প্রবৃদ্ধির সংকেত দিয়েছে এবং এর ফলে মার্কিন ডলার ক্রয়ের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তাই গতকালের দরপতনের পর পাউন্ডের মূল্যের কারেকশন চলমান থাকতে পারে। এর মানে হলো মার্কেটের ট্রেডাররা ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্যের মুভমেন্টের উপর প্রভাব বিস্তারকারী অন্যান্য বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগী হবে। প্রথমত এবং সর্বোপরি, ট্রেডাররা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর প্রতি সামগ্রিক মনোভাব ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। সামষ্টিক প্রতিবেদন না থাকায় ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতাই মূল প্রভাবক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যদি ট্রেডারদের মধ্যে ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা বাড়ে, তাহলে পাউন্ড সহায়তা পেতে পারে, কারণ এটি প্রায়শই মার্কিন ডলার বা জাপানি ইয়েনের চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কারেন্সি হিসেবে বিবেচিত হয়। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাজ্য থেকে যেকোনো অপ্রত্যাশিত রাজনৈতিক খবর বা বিবৃতি পাউন্ডের মূল্যের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। তৃতীয়ত, টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের বিশ্লেষণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আজ পাউন্ড ক্রয় বা বিক্রি করার সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চার্ট ও সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো আরও সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করা অপরিহার্য। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 এবং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1799547689.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3727-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3700-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3727-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র কারেকশনের অংশ হিসেবে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3675-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3700 এবং 1.3727-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1015164701.jpg[/IMG]
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3675-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3645-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে অগ্রসর হলে আজ পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3700-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3675 এবং 1.3645-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/437095
-
১০ ফেব্রুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2002064491.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার মার্কেটে আবারো মার্কিন ডলারের প্রতি চাহিদা হ্রাসের প্রেক্ষাপটে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পাউন্ড স্টার্লিংয়ের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। গতকাল এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে উপরের দিকে যাওয়ায় উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। ফলে আমরা হায়ার টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান উর্ধ্বমুখী প্রবণতার বিপরীতে তাৎপর্যপূর্ণ করেকশন হতে দেখেছি। তাই এখন এই প্রবণতার একটি নতুন ধাপ শুরু হতে পারে। মনে রাখবেন যে গত সপ্তাহে মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত চারটি প্রতিবেদন প্রকাশের কথা ছিল; তার মধ্যে কেবল সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ দুইটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। এসব প্রতিবেদনে শ্রমবাজারের পরিস্থিতির আরও অবনতি পরিলক্ষিত হয়েছে। এই সপ্তাহে বাকি থাকা ননফার্ম পেরোল এবং বেকারত্বের হার সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হবে, যেগুলোর ফলাফল ডলারের উপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। যদি শ্রমবাজার পরিস্থিতি সাম্প্রতিক মাসগুলোর মতো অপরিবর্তিত থেকে যায়, তাহলে ফেডারেল রিজার্ভ পুনরায় সুদের হার হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ফেডের আর্থিক নীতিমালা নতুন করে নমনীয় করা না হলেও ডলার দরপতন ঘটবে; আর নীতিমালা নমনীয় করা হলে তো ডলারের দ্রুত এবং তীব্র দরপতন ঘটবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/215860791.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে গঠিত সিগন্যালগুলো ততটা কার্যকর ছিল না। মার্কিন ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য প্রথমে 1.3643-1.3652 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, এবং পরে সেটি ব্রেক করে। প্রথম সিগন্যালটি স্পষ্টভাবে ভুল প্রমাণিত হয়, তবে দ্বিতীয় সিগন্যাল থেকে নতুন ট্রেডাররা কয়েক ডজন পিপস আয় করার সুযোগ পেয়েছেন। ট্রেন্ডলাইন ব্রেক হওয়ায় লং পজিশনগুলো আজ পর্যন্ত ওপেন রাখা যেতে পারে এবং আরও দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা বজায় রয়েছে।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তি ঘটেছে। মধ্যমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি নেই, তাই 2026 সালে আমরা 2025 থেকে শুরু হওয়া বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতার অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করছি, যা অন্ততপক্ষে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্রিটিশ মুদ্রার সার্বিক পরিস্থিতি খুব একটা অনুকূল ছিল না, তবে এখন পাউন্ডের মূল্যের 1.38 লেভেলে ফিরে আসার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3643-1.3652 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3529-1.3543-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3643-1.3652 এরিয়ার ওপর কনসোলিডেশন করলে লং পজিশন হোল্ড করে রাখা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3741-1.3751-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচ্য লেভেলসমূহ: 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3741-1.3751, 1.3814-1.3832, 1.3891-1.3912, এবং 1.3975। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, ট্রেডাররা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে দৃষ্টিপাত করবেন।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/437684
-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৩ ফেব্রুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1119875982.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3635-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ব্রিটিশ পাউন্ড বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 1.3607-এর লক্ষ্যমাত্রায় নেমে গেছে। গতকালের যুক্তরাজ্যে প্রকাশিত 2025 সালের চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদনের ফলাফল বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। প্রকাশিত ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় সামান্য নিম্নমুখী ছিল, যা আপাতদৃষ্টিতে ব্রিটিশ পাউন্ডের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারত। তবে প্রত্যাশার বিপরীতে পাউন্ডের উপর তেমন উল্লেখযোগ্য চাপ দেখা যায়নি। দুপুরে জবলেস ক্লেইমস এবং মার্কিন আবাসন বাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল মার্কিন ডলারের ক্রেতাদের জন্য কোনো সমস্যার সৃষ্টি করেনি। প্রতিবেদনগুলোতে মূল অর্থনৈতিক খাতগুলোর মন্থরতার ইঙ্গিত থাকলেও ট্রেডাররা অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করেছে। আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো প্রাসঙ্গিক সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা থাকায় ট্রেডাররা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের কর্মকর্তাদের বক্তব্যের দিকে দৃষ্টিপাত করবে। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের আর্থিক নীতিনির্ধারণী কমিটির সদস্য হিউ পিলের বক্তব্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মুদ্রানীতি সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে তার মূল্যায়ন ব্রিটিশ পাউন্ডের এক্সচেঞ্জ রেটে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা পিলের প্রতিটি মন্তব্য গভীরভাবে বিশ্লেষণ করবে, সুদের হারের সম্ভাব্য সমন্বয়ের যেকোনো ইঙ্গিত খুঁজে দেখবে।ব্যাংক অব ইংল্যান্ড থেকে প্রাপ্ত সুদের হার হ্রাসের সম্ভাব্য সংকেত ইতোমধ্যেই কারেন্সি মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করেছে। ব্রিটিশ পাউন্ড সংকটের সম্মুখীন হয়েছে, এবং আজ পিলের বিবৃতি সেই সংকট আরও গভীর করে তুলতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/620318557.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3653-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3619-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3653-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র হিউ পিলের বক্তব্যে মুদ্রানীতির ক্ষেত্রে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত প্রতিফলিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3599-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3619 এবং 1.3653-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3599-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3571-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3619-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3599 এবং 1.3571-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/438052