-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২১ জানুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/709105368.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3463-এর লেভেল টেস্ট করে, যা পাউন্ড বিক্রি করার সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নিশ্চিত করেছিল। ফলশ্রুতিতে, এই পেয়ারের 20 পিপস দরপতন ঘটেছে। যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল দিনের প্রথমার্ধে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছিল, কিন্তু পরবর্তীতে মার্কেটের ট্রেডাররা গ্রিনল্যান্ড পরিস্থিতির দিকে মনোযোগ দেওয়ায় সেই প্রভাব ম্লান হয়ে যায়। মনে রাখা উচিত যে যুক্তরাজ্যও দ্বীপটির ওপর মার্কিন দাবির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি তুচ্ছ একটি ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা মনে হওয়া সত্ত্বেও দ্রুতই এটি কারেন্সি মার্কেটের মুভমেন্ট নির্ধারণকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত হয়েছে। সাধারণত অর্থনৈতিক সূচকের উপর দৃষ্টিপাত করে থাকে এমন বিনিয়োগকারীরাও এখন আর্কটিক অঞ্চল থেকে আসা খবরগুলো ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করছেন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর এর সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করার চেষ্টা করছেন। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের হস্তক্ষেপ অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে সংঘাতের তীব্রতার বিষয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র করেছে। এর আগে মনে হচ্ছিল বাণিজ্য-সংঘাত মূলত শুল্কযুদ্ধের ওপর কেন্দ্রীভূত রয়েছে, কিন্তু এখন বিষয়টিতে ভূখণ্ডীয় দাবি ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপকেও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর ফলে মার্কেটের ট্রেডাররা সামগ্রিক ঝুঁকি পুনর্মূল্যায়ন করতে হচ্ছে এবং তারা নিরাপদ বিনিয়োগ খুঁজতে শুরু করেছে, যা অনিবার্যভাবে ব্রিটিশ কারেন্সির এক্সচেঞ্জ রেটের উপর প্রভাব ফেলছে। সামষ্টিক প্রতিবেদনের বিষয়ে বলতে গেলে, আজ দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্যের ভোক্তা মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যদি দেশটির মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হয়, তাহলে তা স্বল্পমেয়াদে পাউন্ডকে সহায়তা দিতে পারে, কারণ এটি ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড কর্তৃক আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে সামগ্রিক অনিশ্চয়তা ও গ্রিনল্যান্ড-সংক্রান্ত ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির প্রতি বাড়তি মনোযোগের মাঝে বিনিয়োগকারীরা কেবল ব্রিটিশ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদী সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে হচ্ছে না। বিপরীতভাবে, যদি মুদ্রাস্ফীতির হার পূর্বাভাসের চেয়ে কম হয়, তাহলে পাউন্ড চাপের সম্মুখীন হতে পারে, তবে দরপতনের মাত্রা সীমিত থাকারই সম্ভাবনা রয়েছে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং পরিকল্পনা 2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/481094907.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3478-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3445-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3478-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3430-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3445 এবং 1.3478-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3430-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3402-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি তীব্রভাবে হ্রাস পেলে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3445-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3430 এবং 1.3402-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436000
-
২২ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1751780170.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার বেশ অস্থিরতার সাথে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনের মধ্যে ট্রেডাররা কোন দিকের উপর ভিত্তি করে পাউন্ডের ট্রেড করবেন তা নির্ধারণ করতে পারেননি এবং প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সংবাদগুলোও বারবার বিভিন্নভাবে মার্কেটকে প্রভাবিত করেছে। দিনের শুরুতে যুক্তরাজ্যে ডিসেম্বরের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যেটির ফলাফল পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে প্ররোচনা দেওয়ার কথা ছিল। উল্লেখ্য যে যুক্তরাজ্যের ভোক্তা মূল্য সূচকের হার বৃদ্ধি পেয়ে পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের আসন্ন বৈঠকে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাব্যতা হ্রাস পেয়েছে। ফলে দিনের প্রথমার্ধে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট পাউন্ডের জন্য অনুকূল ছিল, তবু আমরা পাউন্ডের দরপতন হতে দেখেছি। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে অস্থিরতা শুরু হয়। ডাভোস ফোরামে ট্রাম্প দেরিতে উপস্থিত হন, জার্মান চ্যান্সেলরসহ অন্যান্য ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠেয় একটি বৈঠক বাতিল করতে হয়, কিন্তু ন্যাটোর সেক্রেটারি-জেনারেল মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত একটি চুক্তির ঘোষণা দেন এবং যুক্তরাজ্য ও ইইউ-এর অন্যান্য দেশের ওপর পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হতে যাওয়া শুল্ক তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1729735127.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়, যেগুলো বেশ অনিশ্চিত ছিল। সকালে ইউরোপীয় সেশনের প্রায় অর্ধেক সময় এই পেয়ারের মূল্য স্থবির ছিল, তারপর হঠাৎ করে দরপতন শুরু হয়। এই মুভমেন্টকে কাজে লাগিয়ে 1.3437–1.3446 এরিয়াকে কেন্দ্র করে ট্রেড করে লাভ করা যেত। মার্কিন সেশনে এই পেয়ারের মূল্য আরও একবার ওই এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে, কিন্তু সেটিও অত্যন্ত বিশৃঙ্খল মুভমেন্ট ছিল।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। মধ্যমেয়াদে ডলারের শক্তিশালী হওয়ার জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না, তাই 2026 সালে আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে বলে আশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই মার্কিন ডলারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3403–1.3407-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়ার ওপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হলে নতুন লং পজিশন ওপেন করা যৌক্তিক হবে, যেখানে মূল্যের 1.3484–1.3489-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ: 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3365, 1.3403–1.3407, 1.3437–1.3446, 1.3484–1.3489, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না কোনো ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৃতীয় প্রান্তিকের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আজ সম্ভবত মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে, এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ওই স্বাভাবিক স্তরটিও যথেষ্ট কম ছিল।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436096