-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/53444648.jpg[/IMG]
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২ ফেব্রুয়ারি: S&P 500 ও নাসডাক সূচকে আরও দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে
গতকাল মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 0.43% হ্রাস পেয়েছে, আর নাসডাক 100 সূচক 0.94% হ্রাস পেয়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 0.36% হ্রাস পেয়েছে। স্টকের সাথে সাথে স্বর্ণ ও রূপার দরপতনও অব্যাহত রয়েছে, কারণ জানুয়ারিতে সেরা ফলাফল প্রদর্শনকারী এই অ্যাসেটগুলো শুক্রবারের তীব্র বিপর্যয়ের পরে ব্যাপক বিক্রয়ের প্রবণতার সম্মুখীন হয়েছে। কেভিন ওয়ার্শকে ফেডের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেয়ার পর ডলারের দর সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের মূল্য 8.1% কমে, যা জানুয়ারির ব্যাপক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ফলে প্রায় $5,600 পর্যন্ত পৌঁছানোর পর সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য আউন্স প্রতি $4,500-এর নিচে নেমে গিয়েছিল। শুক্রবার রূপার রেকর্ড 26% দরপতনের পরে এটির মূল্য আরও 15% কমে গিয়েছে। এশীয় ইক্যুইটি মার্কেটগুলোতে এপ্রিলের শুরু থেকে সবচেয়ে বড় দুই দিনের দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রযুক্তি খাতভিত্তিক স্টকগুলোর মূল্যায়ন সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং বড় পরিসরের এআইভিত্তিক অবকাঠামোতে বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগের কারণে স্টক মার্কেটে দরপতন ঘটেছে, ফলে এশীয় প্রযুক্তি খাতের প্রক্সি সূচক হিসেবে বিবেচিত MSCI সূচকে নভেম্বরের পর থেকে সবচেয়ে তীব্র দরপতন দেখা গিয়েছে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিটকয়েনের মূল্য সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য $75,000-এর নিচে নেমে গিয়েছিল। "কেসিএম ট্রেড" জানিয়েছে, "শুক্রবার মূল্যবান ধাতুর মার্কেটে চরম অস্থিরতা দেখে ট্রেডাররা আতঙ্কিত হয়েছিল। মার্জিন রিকোয়ারমেন্ট বাড়ানোর ফলে মূল্যবান ধাতুতে থাকা পজিশনগুলো বাধ্যতামূলকভাবে লিকুইডেট হয়েছে, যা অন্যান্য অ্যাসেট জুড়ে একটি চেইন‑রিয়্যাকশনে সূচনা করেছে। ফলে স্বর্ণ ও রূপার দরপতন পুরো মার্কেটে ডোমিনো ইফেক্ট সৃষ্টি করছে।" আজকের পরিস্থিতি অনুযায়ী মূল্যবান ধাতুগুলোর মূল্যের দীর্ঘ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ও সক্রিয়ভাবে রেকর্ড উচ্চতা ভঙ্গের পর থেকে মার্কেটে সার্বিকভাবে স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, এআই অবকাঠামোতে বিলিয়ন-ডলারের বিনিয়োগের ফলে ইক্যুইটি মার্কেটেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। একই সময়ে, ফেডের চেয়ারম্যান হিসেবে ওয়ার্শের নেতৃত্ব এবং ট্রাম্পের বারবার সুদের হার হ্রাসের প্রত্যাশার আলোকে বিনিয়োগকারীরা মুদ্রানীতি সম্পর্কিত প্রত্যাশা পুনর্মূল্যায়ন করছে ও সমন্বয় করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ে তীক্ষ্ণ সমালোচনার পাশাপাশি মুদ্রানীতির বিষয়ে তাঁর কঠোর দৃষ্টিভঙ্গির জন্য পরিচিত ওয়ার্শকে নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কটি স্বল্পমেয়াদী সুদের হার পরিবর্তন থেকে সরে এসে ফেডের $6.6 ট্রিলিয়নের ব্যালেন্স শিট নিয়ে কেন্দ্রীভূত হয়ে গেছে। সিনেট দ্বারা নিশ্চয়তার মাধ্যমে ফেডের নতুন চেয়ারম্যান মে মাসে জেরোম পাওয়েলের মেয়াদ শেষ হবার পর তার স্থলে প্রতিস্থাপিত হবেন। ৫৫ বছর বয়সী ওয়ার্শ ২০২৫ সালে প্রকাশ্যে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছিলেন এবং সুদের হার হ্রাসের পক্ষে মত দিয়েছেন—এটি তাঁর দীর্ঘমেয়াদী হকিশ বা কঠোর অবস্থানধারী হিসেবে পরিচিতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন যে তিনি ওয়ার্শকে সুদের হার হ্রাসের নিশ্চয়তা দিতে বলেননি। এই পটভূমিতে বিনিয়োগকারীরা স্পষ্টভাবেই চিন্তিত যে উচ্চ সুদের হার দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ী থাকতে পারে। কমোডিটি মার্কেটে তেলের 6.9% দরপতন হয়েছে। তারপরও ট্রেডাররা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্বর্ণ ও রূপার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1024582275.jpg[/IMG]
S&P 500‑এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের পূর্বাভাস অনুসারে, ক্রেতাদের আজকের তাৎক্ষণিক কাজ হলো সূচকটির মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল $6,854 অতিক্রম করানো। এই লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সংকেত মিলবে এবং $6,871-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। ক্রেতাদের জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যমাত্রা সূচকটির মূল্য হলো $6,883-এর উপরে ধরে রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে শক্ত করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাসের ক্ষেত্রে নিম্নমুখী মুভমেন্ট শুরু হলে,সূচকটির দর $6,837-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। ওই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে দ্রুতই ইনস্ট্রুমেন্টটির দর $6,819 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে এবং $6,801‑এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/436978
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ৫ ফেব্রুয়ারি: S&P 500 ও নাসডাক সূচকে দরপতন অব্যাহত রয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2025561230.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন ইকুইটি সূচকগুলোতে নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 0.51% হ্রাস পেয়েছে, যখন নাসডাক 100 সূচক 1.51% হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 0.53% বৃদ্ধি পেয়েছে। সফটওয়্যার এবং প্রযুক্তি খাতভিত্তিক শেয়ারগুলোর ব্যাপক দরপতনের প্রবণতা দ্রুত এশিয়ার স্টক মার্কেটগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে, কারণ অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি ও এআই খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের পর বিনিয়োগকারীরা পজিশন হ্রাস করতে শুরু করেছেন। অনেকে এটিকে অতিরিক্ত অস্থিতিশীল প্রযুক্তি খাত ও এআই কোম্পানিগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ক্রমবর্ধমান নজরদারির কারণে বিশ্বব্যাপী সমন্বিত কারেকশন হিসেবে দেখছেন। কোম্পানিগুলো কীভাবে এআই খাত নিয়ে উচ্চ প্রত্যাশাকে সামাল দেবে সে বিষয়ক সংশয়ও বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ব্যাপক বিনিয়োগ সত্ত্বেও অনেক প্রকল্পের অর্থায়ন বা মানসম্মত ফলাফল অনিশ্চিত থাকায় বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি পুনর্মূল্যায়ন করে আরও সুরক্ষিত অ্যাসেট বিনিয়োগ সরিয়ে নিচ্ছে। এশিয়ার প্রযুক্তি খাতভিত্তিক স্টকের মূল্য পর্যবেক্ষণকারী MSCI সূচক বৃহস্পতিবার আগের ছয় সেশনের মধ্যে পঞ্চমবারের মতো পতনের শিকার হয়েছে, যেখানে সবচেয়ে বেশ দরপতনের শিকার হওয়ার কোম্পানিগুলোর মধ্যে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স কোং ও সফটব্যাংক গ্রুপ কর্পোরেশনও রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচক দরপতনের দিক থেকে শীর্ষস্থানীয় ছিল, যা এআই খাতে বিনিয়োগের অন্যতম প্রধান দৃষ্টান্ত ও এ বছর সর্বোত্তম ফলাফল প্রদর্শনকারী সূচক ছিল— যা 3.5% হ্রাস পেয়েছে। অ্যালফাবেট ইনকর্পোরেটেড, কোয়ালকম ইনকর্পোরেটেড এবং আর্মস হোল্ডিং পিএলসির আয়ের প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশের পর আফটার‑আওয়ার্স ট্রেডিংয়ে এই কোম্পানিগুলোর স্টকের দরপতনের ফলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। মার্কিন ইকুইটি সূচকের ফিউচারও দরপতনের শিকার হয়েছে। প্রযুক্তি খাতের বাইরে মূল্যবান ধাতুগুলোও দরপতনের শিকার হয়েছে। রূপার দর 17% পতনের শিকার হয়েছে এবং স্বর্ণের দর 3.5% হ্রাস পেয়েছে, কারণ ঐতিহাসিক ধসের পর কমোডিটি মার্কেটে উচ্চ অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা কমে যাওয়ায় বিটকয়েনেরও ব্যাপক দরপতন ঘটেছে এবং অল্প সময়ের জন্য $70,000‑এর কাছাকাছি নেমে গিয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1016869156.jpg[/IMG]
প্রযুক্তি খাতের বাইরে মূল্যবান ধাতুগুলোও দরপতনের শিকার হয়েছে। রূপার দর 17% পতনের শিকার হয়েছে এবং স্বর্ণের দর 3.5% হ্রাস পেয়েছে, কারণ ঐতিহাসিক ধসের পর কমোডিটি মার্কেটে উচ্চ অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা কমে যাওয়ায় বিটকয়েনেরও ব্যাপক দরপতন ঘটেছে এবং অল্প সময়ের জন্য $70,000‑এর কাছাকাছি নেমে গিয়েছে। যদিও এআই খাত নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রভাবে আগেও দরপতন ঘটেছে, এই সপ্তাহে ইকুইটি ও ক্রেডিট মার্কেট জুড়ে যে ধস পরিলক্ষিত হয়েছে তার সঙ্গে আগের পরিস্থিতির তেমন মিল নেই। মার্কিন অর্থনীতি এখনও স্থিতিশীল থাকলেও, বিনিয়োগকারীরা অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ করছে — যার ফলে নাসডাক (‑1.5%) ও ডাও জোন্স সূচকে (+0.51%) এরই মধ্যে সেই প্রভাব দেখা যাচ্ছে। গত দুই দিনে স্টক, বন্ড এবং সিলিকন ভ্যালির ক্রেডিট মার্কেট থেকে কয়েকশ' বিলিয়ন ডলার হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। সফটওয়্যার ডেভেলপাররা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: আইশেয়ার্স সফটওয়্যার ইটিএফগুলো পর্যবেক্ষণকারী কোম্পানিগুলোর বাজার মূল্য গত সাত দিনে প্রায় $1 ট্রিলিয়ন কমে গেছে। S&P 500‑এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে, আজ ক্রেতাদের তাৎক্ষণিক কাজ হলো সূচকটির নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল $6,896 অতিক্রম করানো। সূচকটির দর ওই লেভেল ব্রেক করে উপরের দিকে গেলে সেটি আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত দেবে এবং $6,914‑এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। ক্রেতাদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো সূচকটির মূল্যকে $6,930‑এর উপরে ধরে রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা কমে যাওয়ার প্রেক্ষিতে নিম্নমুখী মুভমেন্টের ক্ষেত্রে সূচকটির দর $6,883-এর আশেপাশে সক্রিয় হতে হবে। ওই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে দ্রুত ইনস্ট্রুমেন্টটির দর $6,871‑এ নেমে যেতে পারে এবং $6,854‑এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/437316
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ৯ ফেব্রুয়ারি: S&P 500 ও নাসডাক সূচক শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ফিরে এসেছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1240838161.jpg[/IMG]
গত শুক্রবার মার্কিন ইকুইটি সূচকগুলোতে তীব্র ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 1.47% বৃদ্ধি পেয়েছে, যখন নাসডাক 100 সূচক 2.18% বৃদ্ধি পেয়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 2.47% বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রযুক্তিভিত্তিক শেয়ার থেকে বিটকয়েন পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের মূল্যের ব্যাপক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আজ এশিয়ার ইকুইটি মার্কেটকেও প্রভাবিত করেছে, কারণ শুক্রবার পরিলক্ষিত ওয়াল স্ট্রিট মার্কেটের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এশীয় মার্কেটেও স্থানান্তরিত হয়েছে। স্বর্ণ ও রুপার দরও বৃদ্ধি পেয়েছে। MSCI এশিয়া প্যাসিফিক সূচক 2.4% বেড়ে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়েতা তাকাইচি নির্বাচনে জয়লাভ করার পর নিক্কেই 225 সূচক 5.7% বৃদ্ধি পেয়েছে। AI-ভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কসপি সূচক 4.2% বৃদ্ধি পেয়েছে।সংশ্লিষ্ট ইক্যুইটি মার্কেটের ফিউচারগুলোতে উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করায় দর বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিবাচক প্রবণতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিটকয়েনও দরপতন থেকে পুনরুদ্ধার করেছে, এবং এতে বছরের শুরু থেকেই ইকুইটি মার্কেটের সঙ্গে সঙ্গে স্বর্ণ ও রুপার মূল্যও আরও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।এদিকে, চীন দেশটির ব্যাংকগুলোকে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ব্যবহার সীমাবদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে, কেননা তারা মার্কেটের অস্থিরতা নিয়ে উদ্বিগ্ন। ট্রেজারি বন্ডের দরপতন হতে থাকায় 10-বছর মেয়াদী বেঞ্চমার্ক বন্ডের লভ্যাংশ চার বেসিস পয়েন্ট বেড়ে 4.24%-এ পৌঁছেছে। গত শুক্রবার মার্কিন বিনিয়োগকারীরা অতিমূল্যায়িত প্রযুক্তিভিত্তিক শেয়ার থেকে বিনিয়োগ কমানোয় ডাও জোন্স সূচকের দর 50,000 লেভেল অতিক্রম করেছে। সোমবারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা স্টক মার্কেটের স্বল্প-মেয়াদী গতিশীলতা নির্ধারণে সাহায্য করবে, কারণ বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি ও শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছে। এআই খাত নিয়ে ঝুঁকির পুনর্মূল্যায়ন এবং এই খাতে বিনিয়োগের প্রভাব অব্যাহত থাকবে।
এসজিএমসি ক্যাপিটাল পিটিই উল্লেখ করেছে যে মার্কেটে পরিলক্ষিত পুনরুদ্ধারটি ঝুঁকির চেয়ে অনিশ্চয়তার কারণে সৃষ্ট হ্রাস দ্বারা বেশি চালিত বলে মনে হচ্ছে। কোম্পানিটি শুক্রবার স্টক মার্কেটের ইতিবাচক পরিস্থিতিকে জাপান ও থাইল্যান্ডে স্পষ্ট রাজনৈতিক ফলাফলের সঙ্গে যুক্ত করে দেখেছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রবণতা বাড়িয়েছে। এসজিএমসি ক্যাপিটাল আরও যোগ করেছে যে বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা হ্রাস পেতে থাকলে এশিয়ার স্টক মার্কেট আরও আকর্ষণীয় বিনিয়োগে পরিণত হবে। তাকাইচির জয়ের পর ইয়েনের দর মার্কিন ডলারের বিপরীতে বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং মধ্য-জানুয়ারিতে পরিলক্ষিত ডলার প্রতি 159.45 লেভেল থেকে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে—যা 2024 সালের পর ইয়েনের সর্বনিম্ন দর এবং এমন একটি পয়েন্ট যেখানে কারেন্সি মার্কেটে হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রেডাররা এই লেভেলটির উপর সজাগভাবে নজর রাখবে। কমোডিটি মার্কেটে, মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা শিথিল হওয়ার কারণে ব্রেন্ট ক্রুডের দর 0.9% কমেছে।S&P 500-এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস অনুযায়ী ক্রেতাদের আজকের তাৎক্ষণিক কাজ হচ্ছে সূচকটির নিকটতম রেসিস্ট্যান্স লেভেল $6,946 অতিক্রম করানো। ঐ লেভেল ব্রেক করলে মার্কেটে আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সংকেত পাওয়া যাবে এবং সূচকটির মূল্যের $6,961-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। ক্রেতাদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে সূচকটির মূল্যকে $6,975-এর ওপর ধরে রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাসের প্রেক্ষিতে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেলে, সূচকটির দর $6,930-এর আশপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। ওই লেভেল ব্রেক করলে সূচকটির দর দ্রুতই $6,914 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে এবং $6,896-এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/437586
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ১০ ফেব্রুয়ারি : S&P 500 এবং নাসডাক সূচক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/66076601.jpg[/IMG]
গত শুক্রবার মার্কিন ইকুইটি সূচকগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়। S&P 500 সূচক 0.47% বৃদ্ধি পেয়েছে, যখন নাসডাক 100 সূচক 0.90% বৃদ্ধি পেয়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ 0.04% বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তিভিত্তিক স্টকগুলোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ফলে ইকুইটি মার্কেটের উত্থান আরও গতিশীল হয়েছে, যা এআই খাতে অতিরিক্ত বিনিয়োগ নিয়ে উদ্ভূত অনিশ্চয়তাকে কিছুটা শিথিল করেছে। বিশ্বব্যাপী ইকুইটিগুলোর অন্যতম বিস্তৃত সূচক MSCI অল কান্ট্রি ওয়ার্ল্ড ইনডেক্স 0.2% বৃদ্ধি পেয়ে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, এবং সফটব্যাংক গ্রুপ কর্পোরেশনের মতো প্রযুক্তিভিত্তিক শেয়ারের মূল্যের বৃদ্ধির সহায়তায় এশিয়ার স্টক মার্কেট সূচক 1.1% বেড়ে সর্বকালের সেরা উচ্চতায় পৌঁছেছে। অন্য দিকে, প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুসারে চীনা কর্তৃপক্ষ দেশটির ব্যাংকগুলোকে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ সীমিত করার পরামর্শ দেয়ায় ইউয়ানের দর ২০২৩ সালের মে মাসের পর থেকে সর্বোচ্চ লেভেলে উঠে আসে। ফলশ্রুতিতে ডলারের দরপতন ঘটে, এবং দুই দিনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর মুনাফা গ্রহণের প্রবণতার কারণে স্বর্ণের দরপতন ঘটেছে; রূপার মূল্যও কমেছে। ঐতিহাসিক দরপতন পর মার্কেটের সার্বিক পরিস্থিতি এখনো স্পষ্ট না হওয়ায় মূল্যের ওঠানামার মাঝে বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিচ্ছেন—স্বর্ণ ও রূপার মূল্যে এরই প্রতিফলন দেখা গেছে। স্টক মার্কেটের এই উত্থানের ফলে এআই খাতে বাড়তি বিনিয়োগ নিয়ে আশংকা কমে এসেছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে—গত দুই সপ্তাহে এ সংক্রান্ত উদ্বেগ মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং সফটওয়্যার ডেভেলপারদের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিল, সেই চাপ কিছুটা হ্রাস পাচ্ছে। একই সময়ে, ট্রেডাররা এখন গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর জন্য অপেক্ষা করছেন যা সুদের হার নিয়ে ফেডের অবস্থানের পরিবর্তন ঘটাতে পারে। বিশেষত সাম্প্রতিককালে মার্কেটে পরিলক্ষিত কিছু অতিরিক্ত উদ্বেগ দূর হয়েছে, বিশেষ করে উচ্চ-মূল্যায়িত এআই প্রযুক্তিভিত্তিক খাত নিয়ে। পজিশনিং এখন স্পষ্ট হচ্ছে, ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা তুলনামূলকভাবে যৌক্তিক পর্যায়ে রয়েছে, এবং মার্কেটে একটি কার্যকর ভিত্তির সাথে এই পর্যায়ে শুরু হচ্ছে। মার্কিন সামষ্টিক প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল স্টক মার্কেটে আরও ক্রয়ের প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে। ডলারের ওপর ক্রমান্বয়ে নেতিবাচক প্রভাব জমা হচ্ছে, এবং চীনের পক্ষ থেকে দেশটির ব্যাংকগুলোকে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ সীমিত করার নির্দেশনা একটি ইঙ্গিত যে মার্কিন অ্যাসেটগুলো আগের তুলনায় কম আকর্ষণীয় হয়ে পড়ছে। চীনের অভ্যন্তরে মার্কিনভিত্তিক বন্ড থেকে সরে এসে বিনিয়োগে বৈচিত্রকরণ বাড়ার প্রেক্ষাপটে ইউয়ানের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে চীনের দেশীয় অ্যাসেটে বিনিয়োগ ফিরে আসার প্রবণতা ত্বরান্বিত হতে পারে, যা মৌলিকভাবে ইউয়ানের জন্য সহায়ক হবে। জাপানি ইয়েনের দরও প্রায় 0.4% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পরে জাপানী ইয়েন ডলার প্রতি 155-এর কাছাকাছি ট্রেড করা হচ্ছে। বিটকয়েনের মূল্য $70,000 লেভেলের নিচে নেমে গেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1066451280.jpg[/IMG]
S&P 500-এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ক্রেতাদের জন্য আজকের প্রধান কাজ হলো সূচকটির মূল্যের নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স লেভেল $6,961 অতিক্রম করানো। ওই লেভেল অতিক্রম করলে আরও উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সংকেত পাওয়া যাবে এবং $6,975-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হয়ে যাবে। ক্রেতাদের জন্য আরেকটি অগ্রাধিকার হলো সূচকটির মূল্যকে $6,989-এর ওপরে ধরে রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাসের পটভূমিতে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেলে সূচকটির দর $6,946-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। ঐ লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সূচকটি দ্রুত $6,930-এ নেমে যেতে পারে এবং পরবর্তীতে $6,914-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/437700
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ১৭ ফেব্রুয়ারি: S&P 500 এবং নাসডাক সূচকে নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শুরু হয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1273206510.jpg[/IMG]
গতকাল ছুটির কারণে মার্কিন স্টক মার্কেট বন্ধ ছিল। আজ প্রধান মার্কিন স্টক সূচকসমূহের ফিউচার্সে ব্যাপক নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শুরু হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে ছুটির পর ওয়াল স্ট্রিটে বহু সপ্তাহ ধরে চলমান প্রযুক্তিভিত্তিক স্টকের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা আবারও ফেরত আসতে পারে। ট্রেজারি বন্ড সামান্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং মূল্যবান ধাতুগুলোর দরপতন হয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে দরপতনের শিকার S&P 500-এর ফিউচার্সে লেনদেন শুরু হওয়ার পর প্রায় 0.5% হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে নাসডাক 100-এর ফিউচার্স প্রায় 0.9% হ্রাস পেয়েছে। প্রযুক্তি খাতভিত্তিক নাসডাক সূচক ধারাবাহিকভাবে তৃতীয় সপ্তাহের মতো দরপতনের শিকার হচ্ছে এবং চলতি বছরে মোটামুটি প্রায় 2% হ্রাস পেয়েছে। স্বল্প ট্রেডিং ভলিউমের কারণে এশীয় স্টক মার্কেটেও নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, যা প্রায় 0.2% হ্রাস পেয়েছে, কারণ চীন, হংকং ও আঞ্চলিক অনেক এক্সচেঞ্জ স্থানীয় চন্দ্রভিত্তিক নববর্ষের ছুটির কারণে বন্ধ রয়েছে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাসের প্রেক্ষিতে ১০-বছর মেয়াদী মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড প্রায় দুই বেসিস পয়েন্ট কমে 4.03%-এ নেমে এসেছে। তেল মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন অঞ্চলের কাছে ইরানের নৌবাহিনীর সামরিক মহড়া ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়িয়েছে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাসের মধ্যে মূল্যবান ধাতুগুলোরও দরপতন হয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ট্রেডারদের বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে পুনর্মূল্যায়ন করতে বাধ্য করছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন যে যদি ইরান আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করার ব্যাপারে কোনো চুক্তিতে রাজি না হয় তাহলে ইরানের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে —এ ধরনের মন্তব্য ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতার উপর প্রভাব ফেলে থাকে। আজ ফেডের সদস্যদের বক্তৃতাও নির্ধারিত রয়েছে। আজ ফেডের গভর্নর মাইকেল বার ভাষণ দেবেন এবং প্রত্যাশা করা হচ্ছে যে তিনি সম্প্রত প্রকাশিত শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফলে পর্যালোচনা করবেন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করবেন। পরবর্তীতে সান ফ্রান্সিসকো ফেডের প্রেসিডেন্ট মেরি ডালিও বক্তৃতা দেবেন। শ্রমবাজার পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবস্থা নির্ধারণে সবচেয়ে স্পষ্ট সূচক হিসেবে রয়েছে গেছে; বছরের শুরুতে দেশটির শ্রমবাজার সহনশীলতা প্রদর্শন করেছে তবে এখনও মুদ্রাস্ফীতি উর্ধ্বমুখী হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। বার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এআই খাত ও কর্মসংস্থান, বেকারত্ব এবং মজুরি সংক্রান্ত প্রতিবেদন নিয়ে তার ব্যাখ্যা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। কমোডিটি মার্কেটে মূল্যবান ধাতুগুলো দরপতনের শিকার হয়েছে। স্বর্ণের স্পট মূল্য প্রায় $4,900/oz এরিয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছে গিয়েছে, রূপার প্রায় 3.1% এবং প্লাটিনামের প্রায় 2% দরপতন হয়েছে। বিটকয়েনের মূল্যও হ্রাস পেয়ে প্রায় $68,200-এর কাছাকাছি ট্রেড করেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1601254041.jpg[/IMG]
S&P 500-এর টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আজ ক্রেতাদের প্রধান কাজ হলো সূচকটির মূল্যকে পুনরায় $6,819-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেলে নিয়ে আসা। ওই লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে কনসোলিডেশন হলে সূচকটির মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হবে এবং $6,837-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সূচকটির দর $6,854-এর ওপরে বজায় থাকলে মার্কেটের বুলিশ প্রবণতা আরো শক্তিশালী হবে। যদি ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাস পেয়ে মার্কেটে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায় তাহলে সূচকটির মূল্য $6,801-এর কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। ওই লেভেল ব্রেক করে সূচকটি নিম্নমুখী হলে দ্রুতই ইন্সট্রুমেন্টটির দর $6,784-এ নেমে যাবে এবং $6,769-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/438298
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২০ ফেব্রুয়ারি: S&P 500 ও নাসডাক সূচকে নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1199132817.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে সামান্য নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক প্রায় 0.28% হ্রাস পেয়েছে, নাসডাক 100 সূচক 0.31% হ্রাস পেয়েছে, এবং ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ প্রায় 0.54% হ্রাস পেয়েছে। তেলের দর ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেভেলে পৌঁছেছে, অপরদিকে ইরানকে ঘিরে সৃষ্ট ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিনিয়োগকারীদের মনোভাব প্রভাবিত হওয়ায় স্টক সূচকগুলো সামান্য নিম্নমুখী হয়েছে। এশিয়ার স্টক সূচকগুলোও ওয়াল স্ট্রিটকে অনুসরণ করে দরপতনের শিকার হয়েছে। নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে প্রচলিতভাবেই এনার্জি মার্কেট প্রভাবিত হয়েছে, ফলাফল তেলের মূল্য তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা স্টক মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করেছে। আপেক্ষিকভাবে স্থিতিশীল জ্বালানি মূল্যের সঙ্গে অভ্যস্ত বিনিয়োগকারীদের এখন পোর্টফোলিও ও প্রত্যাশা পুনর্মূল্যায়ন করতে হচ্ছে, সম্ভাব্য সরবরাহ বিঘ্ন ও আরও মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকি বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। একই সময়ে, স্টক সূচকগুলোতে সামান্য দরপতন হতে দেখা গেছে। এই প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সামগ্রিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিকাশ নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধির প্রতিফলন ঘটায়। যদি মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ে তাহলে তেলের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে এবং স্টক মার্কেটে নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও সামগ্রিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে স্টক মার্কেটে কারেকশন ও ইতিবাচক প্রবণতা ফিরে আসতে পারে।আজ ব্রেন্ট ক্রুডের দর 0.5% বেড়েছে এবং ব্যারেল প্রতি $72-এ পৌঁছেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বলেছেন যে পারমাণবিক কর্মসূচী নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তি করতে ইরানের হাতে সর্বোচ্চ 15 দিন আছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বাহিনী জমা করছে। এর ফলে এ সপ্তাহে তেলের দর ইতোমধ্যেই 6%-এর বেশি বেড়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/602997802.jpg[/IMG]
মার্কেটে সতর্কাবস্থা বিরাজ করছে কারণ ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে, যা স্টক মার্কেটের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া থামিয়ে দিয়েছে এবং ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা কমিয়ে দিয়েছে। নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার শুরু হলে স্টক মার্কেটের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া বিঘ্নিত করতে পারে, যা কয়েক সপ্তাহের অস্থিরতার পর গতিশীলতা অর্জন করতে শুরু করেছিল—যা বিভিন্ন খাতে ও কোম্পানির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বাড়তি বিনিয়োগের উদ্বেগজনক প্রভাবের ছিল।টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, S&P 500 সূচকের ক্রেতাদের জন্য আজ প্রধান কাজ হবে সূচকটির মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল $6,883 অতিক্রম করানো। এই লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সংকেত দেবে এবং পরবর্তীতে $6,896-এর লেভেলের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করে দেবে। ক্রেতাদের জন্য আরেকটি প্রধান অগ্রাধিকার হবে সূচকটির $6,914-এর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, যা তাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। যদি মার্কেটে ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা কমে আসে, সূচকটির দর $6,871-এর আশপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। এই লেভেল ব্রেক করে সূচকটি নিম্নমুখী হলে দ্রুত ইন্সট্রুমেন্টটির দর $6,854-এ নেমে যেতে পারে এবং এরপর $6,837-এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/438640
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২৩ ফেব্রুয়ারি: S&P 500 ও নাসডাক সূচক নতুন করে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1711467006.jpg[/IMG]
গত শুক্রবার মার্কিন স্টক সূচকগুলো দৃঢ় প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে। S&P 500 সূচক প্রায় 0.69% বৃদ্ধি পেয়েছে, নাসডাক 100 সূচক 0.90% বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং ডাও জোন্স সূচক প্রায় 0.47% বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আজ সকাল স্টক সূচকগুলো ফিউচার্সের দরপতন হচ্ছে, কারণ মার্কিন বাণিজ্যনীতি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হওয়ায় মার্কিন অ্যাসেটগুলোর প্রতি আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে অস্থিরতা বাড়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করেছে। মার্কিন সূচক ফিউচার্স প্রায় 0.5%–0.9% কমে গেছে। গত সপ্তাহে মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর ইয়েন, সুইস ফ্রাঙ্ক এবং ইউরোর দর মার্কিন ডলারের বিপরীতে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিটকয়েনের মূল্য প্রায় 5% কমে $65,000-এর নিচে নেমে এসেছে, যখন স্বর্ণ ও রৌপ্যের দর সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রেডিংয়ে ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে কারণ যুক্তরাষ্ট্রে সুরক্ষাবাদী নীতির তীব্রতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ফিউচার্সের দরপতন ইঙ্গিত দেয় যে বৈশ্বিক বাজারগুলোতে ইতিমধ্যে নতুন বাণিজ্য উত্তেজনার সম্ভাব্য নেতিবাচক পরিণতি — অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতা, কোম্পানিগুলোর দুর্বল মুনাফা ও বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে বিঘ্নতার বিষয়গুলো — মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং বিনিয়োগকারীরা তাদের পোর্টফোলিও পুনর্বিবেচনা করছে। উল্লেখ্য যে গত সপ্তাহের শেষভাগে, সুপ্রিম কোর্ট আরোপিত বাণিজ্য শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে 10% বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন তিনি বাণিজ্য নীতিমালায় কঠোর অবস্থান বজায় রাখতে অন্যান্য কর্তৃত্ব ব্যবহার করবেন। শনিবার তিনি সেই শুল্ক 15% পর্যন্ত বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেন, যা নতুন করে অর্থনৈতিক অস্থিরতা উস্কে দিয়েছে। সোমবার এশিয়ান ইক্যুইটিগুলো প্রায় 1% বৃদ্ধি পেয়েছে, এক্ষেত্রে প্রযুক্তি খাতভিত্তিক শেয়ার মূল্য বৃদ্ধির দিক থেকে নেতৃস্থানীয় অবস্থানে ছিল, কারণ প্রত্যাশা করা হচ্ছিল যে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত চীন ও ভারতসহ বৃহৎ আঞ্চলিক অর্থনীতিগুলোর জন্য ইতিবাচক হতে পারে—যে দেশগুলো শুল্ক আরোপের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1024673756.jpg[/IMG]
তবুও, বিনিয়োগকারীরা ট্রাম্পের নতুন বাণিজ্য পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য জানার অপেক্ষায় রয়েছে এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করছেন, কারণ এটি শুধুমাত্র মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ফেডের আর্থিক নীতিমালার উপর নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও কর্পোরেট মুনাফার উপরও প্রভাব বিস্তার করবে। এই প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য নীতিমালা সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা পুনরায় মার্কিন অ্যাসেটগুলোর জন্য নেতিবাচক কারণ হিসেবে কাজ করছে। আজ সকালে ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে এবং মার্কিন ইক্যুইটি ফিউচার্সেও আরও দরপতন দেখা যেতে পারে। S&P 500-এর টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ক্রেতাদের অবিলম্বে সূচকটির মূল্যকে $6,871-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেল অতিক্রম করাতে হবে। ওই লেভেল ব্রেক করে উপরে উঠলে অতিরিক্ত উর্ধ্বমুখী প্রবণতার নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে এবং সূচকটির মূল্যের $6,883 পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সূচকটির দর $6,896 অতিক্রম করলে ক্রেতাদের অবস্থান আরো শক্তিশালী হবে। দরপতনের ক্ষেত্রে, সূচকটির দর প্রায় $6,854-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়া উচিৎ। ওই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সূচকটির দর সম্ভাব্যভাবে $6,837 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে এবং $6,819 এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/438782
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২৪ ফেব্রুয়ারি: S&P500 ও নাসডাক সূচকে তীব্র দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1995732633.jpg[/IMG]
মার্কিন সেশনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান স্টক সূচকগুলোতে তীব্র নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 1.04% হ্রাস পেয়েছে, নাসডাক 100 সূচক 1.13% হ্রাস পেয়েছে, এবং ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ 1.66% হ্রাস পেয়েছে। যেখানে মার্কিন স্টক মার্কেট নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্যে আটকে আছে, সেখানে চীনের স্টক সূচকগুলো লুনার নিউ ইয়ারের ন'দিনের ছুটি শেষে ট্রেডাররা ফিরে আসার পর পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে। কয়েকটি কারণে এই বিপরীতমুখী প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক হ্রাস করার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ রয়েছে, যা বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নত করতে পারে। অন্যদিকে, দেশীয় প্রযুক্তি উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। এই সমন্বিত কারণগুলো ঐতিহ্যগতভাবে চীনের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা উৎসবকালীন ব্যয়ের মিশ্র সংকেতগুলোকে নিরপেক্ষ করতে পারে। CSI 300 সূচক, যা শাংহাই ও শেনঝেন এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত 300টি বৃহত্তম কোম্পানিগুলোকে পর্যবেক্ষণ করে, মঙ্গলবার লেনদেন শেষে 1% প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে। বিশেষ করে প্রযুক্তিভিত্তিক স্টকগুলো মার্কেটে সেরা ফলাফল প্রদর্শন করেছে, যা নির্দেশ করে যে বিনিয়োগকারীরা উদ্ভাবনের ওপর বাজি রাখছেন এবং সামগ্রিকভাবে অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও চীনের প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনার উপর আস্থা রাখছেন। অন্যদিকে, সোমবার তীব্র ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পর হংকংয়ের স্টক সূচকগুলো কিছুটা দরপতনের শিকার হয়েছে। এটি সম্ভবত আগের দিনের ট্রেডিংয়ের ফলে প্রাপ্ত মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রতিফলন ঘটাচ্ছে, বা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকেতগুলোর প্রতি হংকংয়ের স্টক মার্কেটের আপেক্ষিক সংবেদনশীলতার পরিচয় হতে পারে। তবু চীনে বিস্তৃতভাবে ইতিবাচক প্রবণতা বজায় রয়েছে, যা আরও পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশা গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে। চীনা বিনিয়োগকারীরা স্পষ্টভাবেই গত শুক্রবারের মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তকে—যাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত শুল্ক বাতিল করা হয়েছিল—স্বাগত জানিয়েছে। যদিও পরবর্তীতে ট্রাম্প বিশ্বব্যাপী 15% হারে শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন, মরগ্যান স্ট্যানলি ধারণা করছে যে চীনা পণ্যের উপর গড় শুল্ক 32% থেকে 24%-এ নেমে আসবে। অলস্প্রিং গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট জানিয়েছে, "শুল্ক সম্পর্কিত সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর চীন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আসন্ন আলোচনায় দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। 2026 সালের স্প্রিং ফেস্টিভ্যাল চলাকালে প্রযুক্তি খাতের প্রদর্শিত ইতিবাচক অগ্রগতির সংকেতগুলোর কারণে চীনা নববর্ষের পর খুচরা বিনিয়োগকারীদের মনোভাব ইতিবাচক হয়েছে।" আশ্চর্যজনকভাবে, এ বছর মার্কেটের নির্দিষ্ট সেগমেন্ট—ক্যারিয ার-রকেট ডেভেলপারদের থেকে AI অ্যাপ কোম্পানিগুলো পর্যন্ত—সেখানে অনুমানভিত্তিক আশাবাদ কমানোর প্রচেষ্টার ফলে চীনের শেয়ারগুলো বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দীদের তুলনায় পিছিয়ে ছিল।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1012021720.jpg[/IMG]
S&P 500-এর টেকনিক্যাল চিত্র আজ ক্রেতাদের প্রধান কাজ হল সূচকটির নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল 6,854 অতিক্রম করানো। তা হলে আরও উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা রয়েছে এবং সূচকটির মূল্যের 6,871-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। ক্রেতাদের জন্য আরেকটি অগ্রাধিকার হলো সূচকটির মূল্যকে 6,883-এর উপরে ধরে রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। দরপতনের ক্ষেত্রে, ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাসের প্রেক্ষাপটে সূচকটির মূল্য 6,837 এরিয়ায় থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। ওই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে দ্রুত সূচকটির মূল্য 6,819-এর দিকে নেমে যেতে পারে এবং 6,801-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/438906
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট: S&P 500 ও নাসডাক সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়ে পূর্ববর্তী দরপতন পুষিয়ে নিচ্ছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1406065890.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে তীব্র ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। S&P 500 সূচক 0.83% বৃদ্ধি পেয়েছে, নাসডাক 100 সূচক 1.38% বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 0.94% বৃদ্ধি পেয়েছে। এশিয়ার ইক্যুইটি মার্কেটগুলোতেও শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের ইতিবাচক মনোভাব প্রতিফলিত করে। তেলের ব্যাপক দরপতনের পর এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়—যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সংঘাত শীঘ্রই শেষ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন। এই সংবাদই গত সপ্তাহের শুরুতে মার্কেটে পরিলক্ষিত উদ্বেগগুলো হ্রাস করেছে যা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর ব্যাপক দরপতন ঘটিয়েছে। সাময়িকভাবে হলেও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা শিথিল হওয়ার সম্ভাবনা অবিলম্বে বৈশ্বিক ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সামরিক সংঘাতের তীব্রতা ও জ্বালানি সরবরাহের বিভ্রাটের ঝুঁকির সম্ভাব্যতা থেকে বিনিয়োগকারীরা পুনরায় স্বস্তির নিঃশ্বাস নেয়ার সুযোগ পেয়েছে। যারা সাইডলাইনে বসে ছিল বা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট বিক্রি করেছিল, তারা সতর্ক আশাবাদের সাথে মার্কেটে ফিরে আসতে শুরু করেছে। তেলের দরপতন একটি মূল কারণ ছিল, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর থেকে চাপ কিছুটা কমিয়েছে। এর ফলে জ্বালানি খরচের প্রতি সংবেদনশীল কোম্পানিগুলোর দৃশ্যমান অবস্থা উন্নত হয় এবং ভোক্তাদের জন্য কিছু স্বস্তি আসে। জ্বালানির দাম কমলে তা ভোক্তা ব্যয়কে সহায়তা করতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির প্রত্যাশাকে স্তিমিত করতে পারে, যা স্টক মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতির জন্য ইতিবাচক। MSCI এশিয়া-প্যাসিফিক সূচক প্রায় 3% বেড়েছে, যেখানে প্রযুক্তি খাতভিত্তিক শেয়ারগুলো দর বৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে ছিল। ইউরোপীয় স্টক মার্কেটগুলোতেও উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে সেশন শুরু হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দর প্রায় 6.1% কমে ব্যারেল প্রতি $92.90-এ নেমে এসেছে, যদিও দিনের শুরুতে 11% পর্যন্ত দরপতনের শিকার হয়েছিল। তবুও মঙ্গলবারের দরপতনের পরও বছরের শুরু থেকে তেলের দর এখনও 50%-এরও বেশি বৃদ্ধি প্রদর্শন করে আছে। ট্রাম্প আরো বলেছেন যে তিনি তেলের ওপর আরোপিত বেশিরভাগ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনী দ্বারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেবেন। তিনি বলেছিলেন, ইরান যদি তেল পরিবহনে বিঘ্ন ঘটায় তবে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। এসব তীব্র প্রতিক্রিয়া মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদ শিরোনামের প্রতি ট্রেডাররা কতটা সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে তা পুনরায় প্রতিফলিত করে। অ্যাসেটগুলোর মধ্যে উচ্চমাত্রার অস্থিরতা বজায় রয়েছে—মার্কেটের ঝুঁকি সূচকটি গতবছর ট্রাম্প বিশ্বব্যাপী শুল্ক আরোপ করার সময় পরিলক্ষিত স্তরের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেপারস্টোন গ্রুপের বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল ব্যাপকভাবে ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতার পরে পুনরুদ্ধারমূলক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত বহন করে—সরাসরি ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নয়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1353804486.jpg[/IMG]
S&P 500-এর টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ক্রেতাদের নিকট-মেয়াদে সূচকটির রেজিস্ট্যান্স লেভেল $6,784 অতিক্রম করাতে হবে, যা নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু করে $6,801 পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করতে পারে।সূচকটির দর $6,819-এর উপরে ধরে রাখতে পারলে বুলিশ প্রবণতা আরও শক্তিশালী হবে। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, সূচকটির দর প্রায় $6,769-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়া উচিত। সেই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে দ্রুত এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টটির দর $6,756-এ নেমে আসবে এবং $6,743 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/440071