-
৫ মার্চ কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/172953115.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য সামান্য কারেকশন হয়ে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যদিও ইউরোর তুলনায় পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির জন্য খুব বেশি কারণ ছিল না। ইউরোজোনে বেকারত্ব হার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, অথচ যুক্তরাজ্য থেকে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য খবর আসে না। তবুও GBP/USD পেয়ারের মূল্য আরেকটি ডাউনওয়ার্ড ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা ট্রেডারদের পুনরায় সম্ভাব্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিচ্ছে। তবে গত কয়েক সপ্তাহে অনুরূপ সিগন্যাল বহুবার গঠিত হয়েছে এবং আমরা এখনও পর্যন্ত কোনো স্থায়ী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখতে পাইনি; তাই এবারও অনুরূপ পরিস্থিতি দেখা যেতে পারে। ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি মার্কেটকে নিয়ন্ত্রণ করে চলেছে এবং কেবল এই কারণেই মার্কিন ডলারের দর আর কতদিন বাড়তে থাকবে তা কেউ বলতে পারছে না। ইরান ও মার্কিন মিত্রদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলা চলছেই, এবং গতকাল জানানো হয় যে ইরাক ইরানের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে স্থল অভিযান শুরু করেছে এবং সেখানে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করেছে। দেখা যাচ্ছে যে সংঘাত দিন দিন তীব্র হচ্ছে এবং দ্রুতই এই সংঘাত নিরসনের আশা কম। তাত্ত্বিকভাবে কেবল এই কারণেই মার্কিন ডলারের মূল্য আরও কয়েক দফায় বৃদ্ধি পেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/200109593.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে যা কাজে লাগানো যেত। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.3319-1.3331 এরিয়া ব্রেক করে যাওয়ায় নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করতে পেরেছেন। যারা এই সুযোগ মিস করেছেন তারা 1.3319-1.3331 এরিয়া থেকে হওয়া বাউন্সের পরে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পেয়েছেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই পেয়ারের মূল্য নিকটতম লক্ষ্যমাত্রা—1.3403-1.3407 এরিয়ায়—পৌঁছেছে। এই এরিয়া থেকে সংঘটিত বাউন্স কাজে লাগিয়েও শর্ট পজিশন থেকে মুনাফা অর্জন করা যেত।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য 'ভূ-রাজনৈতিক প্রবণতা' অনুসরণ করে চলেছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো মৌলিক ভিত্তি নেই, তাই ২০২৬ সালেও আমরা ২০২৫ সাল থেকে শুরু হওয়া বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করছি, যা এই পেয়ারের মূল্যকে অন্ততপক্ষে 1.4000 লেভেলের দিকে নিয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে পরিস্থিতি প্রায়শই ব্রিটিশ মুদ্রার পক্ষে ছিল না, এবং মার্কেটের ট্রেডাররাও প্রায়শই নেতিবাচক মার্কিন সংবাদগুলোকে উপেক্ষা করেছে, যা মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। বৃহস্পতিবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3319-1.3331 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে লং পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন; যেখানে মূল্যের 1.3365 এবং 1.3403-1.3407-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3319-1.3331 এরিয়ার নিচে কনসলিডেশন হলে নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3259-1.3267-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, 1.3741-1.3751। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই; যুক্তরাষ্ট্রে কেবল জবলেস ক্লেইমস সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আজ আবার মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে এবং মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট মূলত 1.3319-1.3331 এরিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
Read more: https://ifxpr.com/40c6EYG
-
-
৯ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/311330032.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ার মূল্য বৃদ্ধি বা পতন উভয়ই প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়েছে। সামগ্রিকভাবে বিশ্ববাজারে চরম আতঙ্কজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কারেন্সি মার্কেটে খুবই কম ক্ষেত্রেই যৌক্তিক মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হওয়ার পর মার্কেটে যে ধস নেমেছিল তারই পরিণতি এখনও বজায় রয়েছে। গত রাতের খবর অনুযায়ী তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি $120 ছুঁয়েছে, এবং গতকাল জানা গেছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে স্থল অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেবার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। ফলে বর্তমানে মার্কেটের ট্রেডাররা জন্য আমেরিকার শ্রমবাজারের অবস্থা, বেকারত্বের হার, মুদ্রাস্ফীতি ও নিকট ভবিষ্যতে নিতে যাওয়া ফেডের সিদ্ধান্তগুলো আর ততটা প্রাসঙ্গিক নয়। শুক্রবার প্রকাশিত নন ফার্ম পেরোল ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনের যথেষ্ট হতাশাজনক ফলাফলের কারণে মার্কিন ডলারের 100 পিপস দরপতনের ব্যাপক সম্ভাবনা ছিল; তার বদলে সোমবার রাতে মার্কিন ডলারের মূল্য নতুন করে বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে। এখন আমাদের ইরানে আমেরিকান ও ইসরায়েলি সৈন্যদের অবতরণের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে এবং প্রার্থনা করছি যে এই সংঘাত বছরের পর বছর জুড়ে দীর্ঘায়িত হবে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1454205640.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে তিনটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল: দুটো সেল সিগন্যাল এবং একটি বাই সিগন্যাল। সবগুলো ট্রেডেই ক্ষেত্রেই এই পেয়ারের মূল্য নির্ধারিত দিকে কমপক্ষে 15 পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে, ফলে কোনো ট্রেডেই লোকসান হয়নি। তবে এই পেয়ারের মূল্য লক্ষ্যমাত্রাগুলো ে না পৌঁছানোয় মুনাফা করা বেশ কঠিন ছিল।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ফলশ্রুতিতে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে আবারও এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ায় আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি এখনও বেশ চ্যালেঞ্জিং—যা দেশটির শ্রমবাজার, জিডিপি ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল দ্বারাও নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বর্তমানে মার্কেটে অর্থনীতির চেয়ে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রবলভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে। সোমবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার কাছ থেকে রিবাউন্ড করলে শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন; যেখানের মূল্যের 1.1455-1.1474 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার উপরে মূল্য কনসোলিডেট করলে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। সোমবার ইউরোজোনে জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে তেমন কোনো প্রতিবেদন প্রকাশের কথা নেই। তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনেরবেলা এই পেয়ারের মূল্যের শক্তিশালী এবং অস্থির মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4syOZq8
-
১০ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/926273970.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের বৈচিত্র্যময় প্যাটার্ন পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনটি আরেকটি দরপতনের সাথে শুরু হয়, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে স্থলসেনা অভিযানের সূচনার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেন, যা মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতি গত সপ্তাহের চেয়েও আরও নেতিবাচক করে তোলে। তেলের দর ব্যারেলপ্রতি $120-এ পৌঁছায়; তবু দিনভর মার্কেটে বিদ্যমান উত্তেজনা কিছুটা শিথিল হয়। তেলের দর $90 পর্যন্ত নেমে আসে, এবং দিনের শেষে মার্কিন ডলারের দরও সামান্য কমে যায়। গত রাতে ট্রাম্প আরও কয়েকটি পরস্পরবিরোধী বিবৃতি দেন। প্রথমত, জ্বালানি সংকট সমাধানের লক্ষ্যে তিনি রাশিয়ার ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছেন। দ্বিতীয়ত, তিনি ঘোষণা করেছেন যে ইরানের যুদ্ধ শীঘ্রই শেষ হবে এবং সামরিক অভিযানের সময়সীমা 4-5 সপ্তাহের আগেই সমাপ্তি টানা হবে। ট্রেডাররা ট্রাম্পের এই বিবৃতিগুলোর প্রতি আস্থাশীল কি না তা অনিশ্চিতই থেকে যাচ্ছে, তবে উত্তেজনা হ্রাস পেয়েছে। আমাদের মতে, কারেন্সি ট্রেডাররা ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে সম্পূর্ণভাবে মূল্যায়ন করে ফেলেছে, তাই তেলের দর, গ্যাসের দর বা ইরানের পরিস্থিতি আরও খারাপ না হলে মার্কিন ডলারের বাড়তি মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। তবে এখনও ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে—এই বিষয়টি ভুলে যাওয়া উচিত নয়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1978523715.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে চারটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, এবং সারাদিন জুড়ে এই পেয়ারের মূল্য প্রধানত উর্ধ্বমুখী হয়েছে। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় 1.1527-1.1531 রেঞ্জে দুটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, যেগুলো কাজে লাগিয়ে লং পজিশন নিয়ে ওপেন করা যেত। মার্কিন সেশনে এই পেয়ারের মূল্য নিকটস্থ লক্ষ্যমাত্রা 1.1584 এরিয়ায় পৌঁছায়, যেখানে একটি বাউন্সের ফলে একটি ফলস সেল সিগন্যাল গঠিত হয় (কোনো লোকসান হয়নি কারণ এই পেয়ারের মূল্য 15 পিপস কমেনি), এবং ব্রেকআউটের ফলে ট্রেডাররা আরেকটি লাভজনক ট্রেড ওপেন করার সুযোগ পেয়েছে।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ফলশ্রুতিতে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে আবারও এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ায় আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি এখনও বেশ চ্যালেঞ্জিং—যা দেশটির শ্রমবাজার, জিডিপি ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল দ্বারাও নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বর্তমানে মার্কেটে অর্থনীতির চেয়ে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রবলভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে। মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1584-1.1591 রেঞ্জের নিচে কনসোলিডেট করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1527-1.1531 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.1584-1.1591 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করলে মূল্যের 1.1655-1.1666 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। মঙ্গলবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোজোনে বিশেষ কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। ইউরোজোনে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে জার্মানির বাণিজ্য ঘাটতির প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, আর যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ADP প্রতিবেদন এবং বিদ্যমান আবাসন বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে।
Read more: https://ifxpr.com/4de21ot
-
XAU/USD-এর বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/213563642.jpg[/IMG]
ফেব্রুয়ারিতে চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে ১৬তম মাসের মতো স্বর্ণের রিজার্ভ বৃদ্ধি করেছে, যদিও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার তীব্রতার কারণে স্বর্ণের দর জানুয়ারির রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি স্থিতিশীল ছিল। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশ অব ফরেন এক্সচেঞ্জ (SAFE)-এর তথ্যানুসারে গত মাসে অতিরিক্ত দেশটির রিজার্ভে 30,000 ট্রয় আউন্স স্বর্ণ যোগ করা হয়, যার ফলে মোট রিজার্ভ বেড়ে 74.2 মিলিয়ন আউন্সে (~2,308 tons) দাঁড়িয়েছে, যার মূল্য প্রায় $387.6 বিলিয়ন। ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে এই বৃদ্ধির পরিমাণ 1.4 মিলিয়ন আউন্স ছাড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে চীনের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ $3.4 ট্রিলিয়নে পৌঁছে, যা জানুয়ারির চেয়ে $8.7 বিলিয়ন বেশি—এটি ধারাবাহিকভাবে সপ্তম মাসের মতো বৃদ্ধি। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশ অব ফরেন এক্সচেঞ্জ (SAFE) এই বৃদ্ধির কারণ হিসেবে এক্সচেঞ্জ-রেট কনভার্শন ইফেক্ট এবং মার্কিন ডলার সূচকের বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে স্বর্ণের বাড়তি মূল্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পিপলস ব্যাংক অব চায়না নিয়মিতভাবে স্বর্ণ-সংক্রান্ত সংবাদে উপস্থিত থাকে। ডিসেম্বরের শেষ দিকে রাশিয়া থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বরে রেকর্ড ক্রয়ের ($961 মিলিয়ন) খবর আসে—যা দেশটির বাণিজ্যের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ চুক্তি। এটি ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয় মাস ছিল যখন স্বর্ণের ক্রয়ের পরিমাণ $900 মিলিয়ন অতিক্রম করেছে; অক্টোবর মাসে এই পরিমাণ ছিল $930 মিলিয়ন। অক্টোবর–নভেম্বরে মধ্যে প্রায় সমগ্র বার্ষিক আমদানির পরিমাণের সমান স্বর্ণ ক্রয় করা হয়েছে: জানুয়ারি–নভেম্বর তা $1.9 বিলিয়ন ছিল, যেখানে এক বছর আগে ছিল $223 মিলিয়ন—যা প্রায় ন'গুণ বেশি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1059922766.jpg[/IMG]
এইভাবে ব্যাপকভাবে স্বর্ণ ক্রয়ের বিষয়টি চীনের রিজার্ভ বৈচিত্রীকরণের কৌশল এবং মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা হ্রাস করার প্রচেষ্টা প্রতিফলিত করে। সরকারি পরিসংখ্যান চমকপ্রদ হলেও বাস্তব খুচরা পরিমাণ অনেক বেশি হতে পারে। ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে স্বর্ণের ক্রয়ের প্রবণতা ধারাবাহিক চলছে ধরে নিলে এটি দেশটির স্বর্ণের রিজার্ভ 1,080 টনেরও বেশি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। দ্রুতগতিতে চীনের এই স্বর্ণ ক্রয় মূল্যবান ধাতুটির আরও মূল্য বৃদ্ধিকে প্ররোচিত করছে। টেকনিক্যাল দিক থেকে স্বর্ণের মূল্যের রেজিস্ট্যান্স $5,200-এ এবং সাপোর্ট $5,100-এ অবস্থান করছে। অসিলেটরগুলো পজিটিভ সিগন্যাল দেখাচ্ছে, যা ক্রেতাদের বাড়তি সুযোগ দিবে। যদি স্বর্ণের মূল্য $5,100 লেভেলে অবস্থান ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়, তবে $5,000-এর সাইকোলজিক্যাল লেভেলের দিকে দরপতন ত্বরান্বিত হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4lkWheR
-
একাধিক কারণে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/619280890.jpg[/IMG]
গতকালের যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশের পর—যদিও তা অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল—সবগুলো ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট, বিশেষ করে ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতন ঘটেছে এবং একই সঙ্গে মার্কিন ডলারের দর শক্তিশালীভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত এবং জ্বালানির মূল্য দ্রুত বৃদ্ধির সম্ভাবনার কারণে অনেকেই ধারণা করছে মার্চের শেষে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির তীব্র উত্থান দেখা যেতে পারে; সেই কারণে ফেব্রুয়ারির মুদ্রাস্ফীতির হার ইতোমধ্যেই মার্কিন অর্থনীতি ও ফেডের প্রতি সতর্ক সংকেত প্রেরণ করেছে। সামগ্রিক এবং মূল ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) উভয়ই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে: সামগ্রিক সূচক আগের মাসের তুলনায় 0.3% বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং খাদ্য ও জ্বালানি মূল্য বাদ দিলে বিবেচিত মূল সূচক 0.2% বেড়েছে। এ মাসে জ্বালানির মূল্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সামগ্রিক সূচকের তুলনামূলক বেশি বৃদ্ধির বিষয়টি ব্যাখা করা যায়। বার্ষিক ভিত্তিতে ভোক্তা মূল্য সূচক মূলত ২০২১ সালের বসন্তে জীবনযাত্রার ব্যয় দ্রুত বৃদ্ধির পর থেকে সবচেয়ে মৃদু পর্যায়ের বৃদ্ধি প্রদর্শন করছে: সামগ্রিক ভোক্তা মূল্য সূচক বার্ষিক ভিত্তিতে বেড়ে 2.4%-এ পৌঁছেছে—গত বছরের তুলনায় সামান্য বেশি—অপরদিকে মূল ভোক্তা মূল্য সূচক 2.5%-এ রয়ে গেছে, যা 2021-এর পর সবচেয়ে কম। এ পরিস্থিতি ফেডারেল রিজার্ভের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন করে ফেলছে। একদিকে আর্থিক নীতিমালা কঠোর করলে (সুদের হার বাড়ালে) মূল্যস্ফীতি দমন করা যেতে পারে; তবে এতে ইতোমধ্যেই ভঙ্গুর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে যেতে পারে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর ওপর চাপ বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে। অন্যদিকে নীতিমালা নমনীয় করা হলে মুদ্রাস্ফীতি আরও ত্বরান্বিত হতে পারে, যা ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সংকট সৃষ্টি করতে পারে। উল্লেখযোগ্য যে, প্রকাশিত সূচকগুলোতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পূর্ববর্তী ফলাফল প্রতিফলিত হয়েছে; যে কারণে চলতি মাসে পেট্রোল ও অন্যান্য জ্বালানির দ্রুত মূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে। এইসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ফেব্রুয়ারির ভোক্তা মূল্য সূচকের কিছু উপাদান মূল সূচকের ক্ষেত্রে অন্তত মাসিক ভিত্তিতে 0.4% বৃদ্ধির হারের ইঙ্গিত দেয়—যা বার্ষিক ভিত্তিতে ফেডের 2%-এর লক্ষ্যমাত্রার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির বিষয়টি আশ্চর্যজনক নয়। বাড়তি ঝুঁকি হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার তীব্রতা তেলের দরের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে এবং সেজন্যই এটি বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
EUR/USD‑এর বর্তমান টেকনিকাল চিত্র বর্তমানে ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1555 লেভেলে পুনরুদ্ধার করতে হবে। শুধুমাত্র এরপরই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1585 লেভেলে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের সুযোগ পাওয়া যাবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1615-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যেতে পারে, কিন্তু বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া তা করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে পরবর্তীতে 1.1645-এর দিকে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। যদি এই ট্রেডিং ইনস্ট্রুমেন্টটির মূল্য প্রায় 1.1510-এ নেমে আসে, তাহলে আমি আশা করছি বড় ক্রেতারা সক্রিয় হবে। যদি তারা সক্রিয় না হয়, তাহলে 1.1470-এর লেভেলের রিটেস্টের জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1430 থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
GBP/USD‑এর বর্তমান টেকনিকাল চিত্র পাউন্ডের ক্ষেত্রে, ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3390-এ পুনরুদ্ধার করতে হবে। শুধুমাত্র এরপর এই পেয়ারের মূল্যের 1.3420-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়—যার ওপরে যাওয়া বেশ কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে পরবর্তীতে 1.3450-এর দিকে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। দরপতনের ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.3350 এরিয়ার উপর থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করবে। যদি তাঁরা সফল হয়, তবে এই রেঞ্জ ব্রেক করে দরপতন হলে সেটি বুলিশ পজিশনের জন্য মারাত্মক আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3315 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, এমনকি 1.3285 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনাও রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/40s1Y0N
-
-
১৬ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1384022201.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবারেও EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মন্থর দরপতন অব্যাহত ছিল—এবারও কেবল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাবেই এই দরপতন ঘটেছে। এই পেয়ারের দরপতন রাতভর অব্যাহত ছিল, যা ট্রেডারদের মধ্যে তাঁদের সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থার ইঙ্গিত প্রতিফলিত করে। এক সপ্তাহ আগে যেখানে আতংকের কারণে দরপতন ও ঝুঁকি গ্রহণ থেকে সরে আশার প্রবণতা দেখা গিয়েছিল, সেখানে এখন আবেগপ্রসূত নয় বরং সুচিন্তিত, যৌক্তিকভাবে মার্কিন ডলার ক্রয়ের প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগের মতোই সামষ্টিক ও মৌলিক পটভূমি ট্রেডারদের সেন্টিমেন্ট বা এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে তেমন কোনো প্রভাব ফেলছে না। শুক্রবার অন্তত দুটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন জিডিপি ও টেকসই পণ্যের অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও তা মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে টলাতে পারেনি। আগের মতোই মার্কেটের ট্রেডাররা আমেরিকান ডলারের জন্য নেতিবাচক প্রতিবেদনগুলোকে উপেক্ষা করেছে। ফলত, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ফলে EUR/USD পেয়ারের ধারাবাহিকভাবে দরপতন হচ্ছে। সেইসাথে উল্লেখ্য যে, রাতেরবেলা জানা যায় যে ইয়েমেন সম্ভবত বাব-আল-মান্ডাব প্রণালী অবরোধ করতে পারে—যা স্পষ্টতই বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস বাজারের পরিস্থিতি আরও নেতিবাচক করে তুলবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/207593279.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার রাতেরবেলা 5‑মিনিটের টাইমফ্রেমে প্রথম ট্রেডিং সিগন্যালটি গঠিত হয়েছিল। এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়া থেকে বাউন্স করে (উপরের চিত্রে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে), তারপর 1.1455-1.1474 এরিয়ায় এবং তারও নিচে নেমে যায়। তবে মার্কিন ট্রেডিং সেশনে এক সময় মার্কিন ডলারের ওপর চাপ কিছুটা বাড়ে, যার ফলে একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়। তবে এটি ফলস সিগন্যাল ছিল। তার কিছুক্ষণ পর পুনরায় ইউরোর দরপতন শুরু হয়ে আরেকটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়—প্রথমটির মতোই এটি কাজে লাগিয়ে নতুন ট্রেডাররা লাভ করতে পারত, কারণ এই পেয়ারের মূল্য নিকটতম লক্ষ্যমাত্রা 1.1413-এ পৌঁছায়।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ফলশ্রুতিতে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ায় আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি এখনও বেশ চ্যালেঞ্জিং—যা দেশটির শ্রমবাজার, জিডিপি ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল দ্বারাও নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বর্তমানে মার্কেটে অর্থনীতির চেয়ে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রবলভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1455-1.1474 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা নতুন শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1413 এবং 1.1354-1.1363 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.1455-1.1474 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেট করলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1527-1.1531 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908। সোমবার একমাত্র প্রতিবেদন হিসেবে জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। সম্ভবত ট্রেডাররা এই প্রতিবেদনের উপর তেমন কোনো মনোযোগ দেবে না।
Read more: https://ifxpr.com/3P6M8X7
-
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৪ মার্চ
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2115367732.jpg[/IMG]
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 159.35 লেভেল টেস্টটি করেছিল —যা ডলার বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নিশ্চিত করে। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 70 পিপসের বেশি কমে যায়। গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামো লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হামলা এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন, যা ইয়েন দর বৃদ্ধি ও মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটিয়েছে। তবু এটি মার্কেটের মৌলিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটায়নি, কারণ এখনও চলমান সামরিক সংঘাতের সমাপ্তির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। আজ এশীয় ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে বিনিয়োগকারীরা জাপানের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দিকে নজর দিচ্ছেন। আজ প্রাপ্ত মিশ্র সংকেতগুলো একটি দ্বিমুখী পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। সকালে ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি ইনডেক্সের ফলাফল কিছুটা হতাশাজনক হয়ে 51.4 পয়েন্টে এসেছে, যা শিল্প ক্ষেত্রের প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। এই প্রবণতা রফতানির সম্ভাবনা ও ঐতিহ্যগতভাবে জাপানী অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসেবে বিবেচিত দেশের সামগ্রিক উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে উদ্বেগ উত্থাপন করতে পারে। তবে সার্ভিস সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি ইনডেক্স প্রকাশের পর পরিস্থিতি অপেক্ষাকৃত আশাব্যঞ্জক রূপ নেয়—এই সূচকটি 52.5 পয়েন্টে উঠে অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই ইতিবাচক ফলাফল সার্ভিস সেক্টরে টেকসই ভোক্তা চাহিদা ও ইতিবাচক পরিস্থিতি প্রতিফলিত করে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1571553707.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 159.14-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 158.77-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 159.14-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 158.58-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 158.77 এবং 159.14-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 158.58-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল অতিক্রম করার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 158.29-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 158.77-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 158.58 এবং 158.29-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4bOWT8d
-
-
২৭ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1696391157.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের ট্রেডিংয়ে কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পরিলক্ষিত হয়নি। একটি দুর্বল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে সারাদিন জুড়ে দুর্বল নিম্নমুখী মুভমেন্ট বজায় ছিল। ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো সামষ্টিক বা মৌলিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, তবে যেগুলোই প্রকাশিত হয়েছে মার্কেটের ট্রেডাররা সেগুলোকে উপেক্ষা করেছে। দিনের একমাত্র ইভেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরও একটি বক্তব্য অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে তিনি আবার বলেন যে ইরানি জ্বালানি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের পরিকল্পনা স্থগিত রেখে আরও ১০ দিন, অর্থাৎ ৬ এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বার্তা অনুযায়ী এই অনুরোধটি সম্ভবত তেহরানের পক্ষ থেকে এসেছে, সম্ভবত ওয়াশিংটন ও তেহরানের চলমান বা প্রত্যাশিত আলোচনার প্রেক্ষাপটে। এই খবরের প্রভাবে মার্কিন ডলারের তীব্র দরপতন ঘটেছে, তবে এবারে মার্কেটের ট্রেডাররা সেই বার্তায় খুব স্বল্প সময়ের জন্যই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। ট্রেডাররা ট্রাম্পের নিয়মিত "ফেক নিউজে" ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, যা বাস্তব তথ্য দ্বারা সমর্থিত নয়। ফলে সামরিক উত্তেজনা আবারও বিলম্বিত হলেও, এই সংঘাত হ্রাসের জন্য স্পষ্ট কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1932102167.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুইটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, কিন্তু নতুন ট্রেডাররা শুধুমাত্র একটি সিগন্যাল কাজে লাগাতে পারত—দ্বিতীয় সিগন্যালটি অত্যন্ত দেরিতে গঠিত হয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শুরুতেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার থেকে বাউন্স করায় ইউরোর মূল্য প্রায় 15 পিপস বৃদ্ধি পেয়েছিল। এই মুভমেন্ট পর্যাপ্ত ছিল, কারণ ট্রেডাররা ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করে ট্রেড ক্লোজ করতে পেরেছিলেন।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী কারেকশন অব্যাহত রয়েছে, তবে এটি হয়তো আরেকটি সাধারণ কারেকশনই। ২০২৬ সালের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্যের দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ায় আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি এখনও বেশ চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে; যাইহোক বর্তমানে মার্কেটের ট্রেডাররা মূলত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে দৃষ্টিপাত করছে। এটিই এই পেয়ারের মূল্যের বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু করতে বাধা সৃষ্টি করছে। শুক্রবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1455-1.1474 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। শুক্রবারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে রাতের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স প্রকাশিত হবে। আজ সম্ভবত আমরা আবারও এই পেয়ারের মূল্যের দুর্বল মুভমেন্টের প্রত্যাশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4t9XOqD
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩০ মার্চ।
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1537-এর লেভেল টেস্ট করেছিল—যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছে। এই কারণে আমি ইউরো কিনিনি। শুক্রবার মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের দেয়া বিবৃতিতে শীঘ্রই আর্থিক নীতিমালা কঠোর করার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা ইউরোর বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। মুদ্রাস্ফীতি এবং বিশেষত জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনার কারণে ইতোমধ্যেই ফেডের পরিকল্পনা প্রভাবিত হচ্ছে—যা নিরাপদ বিনিয়োগের, বিশেষ করে মার্কিন ডলারের প্রতি চাহিদা বাড়াচ্ছে। আজ বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি জার্মানির মার্চ মাসের ভোক্তা মূল্য সূচকের (CPI) ওপর কেন্দ্রীভূত থাকবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তীব্র সামরিক সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর প্রথম মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন হতে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দ্বারা সৃষ্ট ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ইউরোর আরও দরপতন ঘটাতে পারে, যা মার্কিন ডলারের পক্ষে সহায়ক। আজকের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল ইউরোর আরও দরপতনের কারণ হিসেবে কাজ করতে পারে; অপ্রত্যাশিতভাবে উচ্চমাত্রার মুদ্রাস্ফীতি দেখা গেলে ইউরোর দর সামান্য বৃদ্ধি হতে পারে, তবে মার্কেটে চলমান বিয়ারিশ প্রবণতার উপর এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম।
দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল: পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1571-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1526-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1571-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1507-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1526 এবং 1.1571-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল: পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1507-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1470-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1526-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1507 এবং 1.1470-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4diycmO
-
স্বর্ণের দর $4600-এর লেভেলে ফিরে এসেছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/895628434.jpg[/IMG]
বিশৃঙ্খল ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বেশ কয়েকটি কারণের সমন্বয়ে স্বর্ণের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের মন্তব্যের ফলে মার্কেটে ধারাবাহিকভাবে সম্ভাব্য সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা কিছুটা দুর্বল হয়েছিল। সাধারণত, মূল সুদের হার কমলে বন্ডের মতো বিকল্প বিনিয়োগ কম লাভজনক হওয়ায় স্বর্ণের মতো অ্যাসেট আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে, কারণ স্বর্ণ সুদ প্রদান করে না। এটাই মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা সৃষ্টিতে সহায়ক শর্ত তৈরি করে।একই সঙ্গে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শেষ করার প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলে স্বর্ণের দর ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যদিও হরমুজ প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল সম্পর্কিত অনিশ্চয়তা বজায় রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছিল; চলমান সংঘাতের সম্ভাব্য প্রশমন সম্পর্কে ইতিবাচক ইঙ্গিতগুলো উদ্বেগ প্রশমিত করেছে এবং ফলস্বরূপ স্বর্ণের প্রতি চাহিদা বাড়ায়।মঙ্গলবার, স্বর্ণের দর 2.4% বৃদ্ধি পেয়ে আউন্স প্রতি $4600-এ পৌঁছেছে, পরে আংশিকভাবে কিছুটা দরপতন হয়েছে।এর পূর্বে, ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল উল্লেখ করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘমেয়াদে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যদিও যুদ্ধের কারণে তেলের দামের উত্থান মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়িয়েছে এবং সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। তাঁর বক্তৃতা অনুযায়ী মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরবর্তী পরিস্থিতি দেখে আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণ করবে। পাওয়েলের মন্তব্যের পরে ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ডের পতন ঘটায় তা স্বর্ণের মূল্যকে আরও ঊর্ধ্বমুখী করেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1548813137.jpg[/IMG]
বর্তমানে ট্রেডাররা চলতি বছর শেষ হওয়ার আগে অন্তত একবার সুদের হার হ্রাসের প্রত্যাশা করছেন। এটি ইঙ্গিত দেয় যে ট্রেডাররা এখনও অর্থনৈতিক মন্দার সম্ভাবনা দেখছেন। স্বর্ণের উপর চাপ বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এবং দ্রুত পুনরুদ্ধারের সুযোগ বর্তমানে সীমিত।টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের প্রথমে স্বর্ণের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স $4591 অতিক্রম করাতে হবে। এতে স্বর্ণের মূল্যের $4647-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাবে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া যথেষ্ট কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে স্বর্ণের মূল্যের প্রায় $4708-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। দরপতনের ক্ষেত্রে মূল্য $4531-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ঐ রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর গুরুতর আঘাত হবে এবং স্বর্ণের দর দ্রুত $4481-এ নেমে যেতে পারে, এবং পরবর্তীতে প্রায় $4432 পর্যন্ত দরপতন হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3NQ2i6Y
-
-
২ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1598092149.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবারও EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল, যা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শীঘ্রই সমাপ্তির প্রত্যাশায় মার্কেটে সৃষ্ট আশাবাদের ফলাফল হিসেবে বিবেচনা করা যায়। মার্কেটের ট্রেডাররা সফলভাবে সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল উপেক্ষা করেছে, যা এবার পুরোপুরিভাবে মার্কিন ডলারের জন্য ইতিবাচক ছিল। রাতেরবেলা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বক্তব্য প্রদান করেন যা EUR/USD পেয়ারের মূল্যের তীব্র অস্থিরতা সৃষ্টি। উল্লেখ্য যে আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম যে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ সমাপ্তির জন্য বাস্তবিক অর্থে কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না —শুধুই আলোচনা, অভিপ্রায় এবং ইচ্ছা আছে। তেহরান ও ওয়াশিংটন মধ্যে বাস্তবিক অর্থে কোনো আলোচনা হচ্ছে কিনা সেই বিষয়টিও অনিশ্চিত। উভয় পক্ষের আলোচনাগত অবস্থানে চাঁদ-মাটির মতো দূরত্ব বিরাজ করছে; দুই পক্ষই যুদ্ধ শেষ করতে চায়, কিন্তু প্রত্যেকে তাদের নিজস্ব শর্তানুযায়ী তা করতে চায়। সুতরাং এখনও এটি বলার সময় আসেনি যে মধ্যপ্রাচ্য সংকট প্রশমন হচ্ছে। সার্বিকভাবে ট্রাম্প এমন কিছু জানাননি যা নিকটমেয়াদে যুদ্ধের সমাপ্তি নির্দেশ করে—এই কারণেই মার্কিন ডলারের দর পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/326648294.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বুধবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.1584-1.1591 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়, এবং বৃহস্পতিবার এশীয় সেশনের সময় একই 1.1584-1.1591 এরিয়া ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার ফলে একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়। প্রথম বাই সিগন্যালের ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 30 পিপস নির্ধারিত দিকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করে, এবং দ্বিতীয় সেল সিগন্যালের ক্ষেত্রেও একই পরিমাণ নিম্নমুখী মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং আবারও আমরা কোনো উল্লেখযোগ্য উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখতে পাইনি। উপরন্তু, গত দু'দিনে ইউরোর মূল্য সক্রিয়ভাবে উর্ধ্বমুখী থাকলেও গতরাতে আবার এটি দরপতনের শিকার হয়েছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতি এবং আবেগের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। সুতরাং এই "রোলারকোস্টার রাইড" আরও অনেকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। ট্রাম্প ক্রমাগত মার্কিন ডলারের দরপতন বা দর বৃদ্ধি উভয়ই উস্কে দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1455-1.1474 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে কেবল আনএমপ্লয়মেন্ট ক্লেইমস বা বেকারভাতার আবেদন সংক্রান্ত স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে।
Read more: https://ifxpr.com/4tpKhvf
-
৩ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1818313546.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। গতকাল রাতেরবেলা ডোনাল্ড ট্রাম্পের আবারও ভাষণ দিয়েছেন যা প্রধান দুইটি কারেন্সি পেয়ারের ব্যাপক দরপতন সৃষ্টি করেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আবারও পরস্পরবিরোধী মন্তব্য করেন, তবে মার্কেটে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে "আমরা ইরানকে ধংস করে দেব" এবং "আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে বিধ্বংসী আঘাত হানব" এই ধরনের উক্তিগুলো। এসব মন্তব্যের কারণেই ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীরা আবারও "ঝুঁকিপূর্ণ" সকল অ্যাসেট থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। বৃহস্পতিবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, এবং আপাতত টেকনিক্যাল চিত্রও উপেক্ষা করা যায় কারণ এই পেয়ারের মূল্য একমাত্র ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে। ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে আমরা অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনকে প্রাসঙ্গিক রাখার জন্য সমন্বয় করেছি, তবে একইভাবে অন্যান্য ট্রেন্ডলাইন অসংখ্যবার আঁকা যেতেই পারে।
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, যেগুলো প্রত্যাশা অনুযায়ী সন্তোষজনক ছিল না। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করেছিল, আর মার্কিন সেশনে এই পেয়ারের মূল্য সেই এরিয়ার উপরে পৌঁছায়। সুতরাং নতুন ট্রেডাররা দুইটি পজিশন ওপেন করতে পারতেন, যেগুলোর কোনোটি থেকেই উল্লেখযোগ্য লাভ করা যায়নি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1210893816.jpg[/IMG]
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং আবারও আমরা কোনো উল্লেখযোগ্য উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখতে পাইনি। নতুন ট্রেন্ডলাইনটি কেবল আনুষ্ঠানিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতি এবং আবেগের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। সুতরাং এই "রোলারকোস্টার রাইড" আরও অনেকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। ট্রাম্প ক্রমাগত মার্কিন ডলারের দরপতন বা দর বৃদ্ধি উভয়ই উস্কে দিচ্ছেন। শুক্রবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1455-1.1474 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়নে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নন-ফার্ম পেরোল এবং বেকারত্ব সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আমরা নিশ্চিত নই যে মার্কেটের ট্রেডাররা এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাবে কি না (তাত্ত্বিকভাবে অবশ্যই প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়া উচিত), কারণ গত এক-দেড় মাস ধরে ট্রেডাররা প্রায় সকল সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন ও মৌলিক পটভূমি উপেক্ষা করে চলছে।
Read more: https://ifxpr.com/4bRkvdC
-
৬ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/438630711.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কোনো আকর্ষণীয় মুভমেন্ট দেখা যায়নি। বরং সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের শক্তিশালী ও তীব্র প্রভাব থাকা সত্ত্বেও এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা ন্যূনতম স্তরে নেমে এসেছে। অবশ্য, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নন-ফার্ম পেরোল এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, তখন মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা গিয়েছিল এবং প্রায় 30 পিপসের মুভমেন্ট দেখা যায়। নন-ফার্ম পেরোলের ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় তিনগুণ বেশি ছিল এবং বেকারত্ব হার প্রত্যাশার বিপরীতে কমে গেছে। ফলে আমরা আরও একবার নিশ্চিত হলাম যে এই সময়ে সামষ্টিক-অর্থনৈতিক পটভূমির গুরুত্ব খুব একটা বেশি নয়। মার্কেটের ট্রেডাররা এখন মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের সমাপ্তির অপেক্ষায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য নতুন হামলা এবং ইরানের পাল্টা আঘাত পরিলক্ষিত হলে তেলের মূল্য ও মার্কিন ডলারের চাহিদা আবার বাড়তে পারে। ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কেবল গুরুত্বপূর্ণই নয়, মূলত মার্কেটের একমাত্র প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/24875432.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করেছিল, কিন্তু মূল্য কেবল 10 পিপস বৃদ্ধি পেয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করলেও মাত্র 10 পিপস দরপতন হয়েছে।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে ট্রেন্ডলাইন সমন্বয় করার কারণে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। তবে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও কেবল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আবেগের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। সুতরাং মার্কেটের এই "রোলারকোস্টার" রাইড বা ব্যাপক ওঠানামা দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত থাকতে পারে, যেখানে সামষ্টিক, টেকনিক্যাল ও ফান্ডামেন্টাল বিষয়গুলোর গুরুত্ব সীমিত থাকবে। ট্রাম্প ক্রমাগত মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি বা পতন উভয়ই উস্কে দিচ্ছেন। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1455-1.1474 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ISM পরিষেবা সূচক প্রকাশিত হবে, তবে আমরা গত শুক্রবার প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের প্রভাবে মার্কেটে দুর্বল প্রতিক্রিয়া দেখতে পেয়েছি। সম্ভবত ISM পরিষেবা সূচকের ফলাফলের প্রভাবেও মার্কেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে না এবং ট্রেডাররা ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাবলির প্রতি দৃষ্টিপাত অব্যাহত রাখবে।
Read more: https://ifxpr.com/4ttKduo
-
৭ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1274048640.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মিশ্র প্রবণতার সাথে ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে—মার্কেটে ভূ-রাজনৈতিক, ফান্ডামেন্টাল বা সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের কোনো প্রভাব ছিল না। দিনের একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে—মার্কিন ISM সার্ভিসেস ইনডেক্স বা পরিষেবা সূচকের ফলাফল—ট্রেডাররা উপেক্ষা করেছে, যা খুব একটা অবাক করেনি। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুত হামলা চালায়নি, কারণ ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী পুনরায় অবরোধমুক্ত করার আল্টিমেটাম আজ তৃতীয়বারের মতো বাড়িয়েছেন। ট্রেডাররা এখনো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনার প্রত্যাশায় টানটান অবস্থায় রয়েছে এবং ইউরোর মূল্যের কোনো উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে না। ফলে সোমবারের টেকনিক্যাল চিত্র অপরিবর্তিত ছিল। আমরা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা সৃষ্টি হতে দেখছি, যদিও এই পেয়ারের মূল্যের সকল মুভমেন্টই ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাবলীর প্রভাবে ঘটছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2054768645.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কেবল একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয় এবং পরে 20-25 পিপস বৃদ্ধি পায়। তবে এই পেয়ারের মূল্য নিকটস্থ লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি, ফলে নতুন ট্রেডারদের কেবল ম্যানুয়ালি ট্রেড ক্লোজ করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে ট্রেন্ডলাইন সমন্বয় করার কারণে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা প্রাসঙ্গিক রয়েছে; যদিও এটি কেবল আনুষ্ঠানিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ বর্তমানে কেউই টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের দিকে ততটা মনোযোগ দিচ্ছে না। তবে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও কেবল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আবেগের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। সুতরাং মার্কেটের এই "রোলারকোস্টার" রাইড বা ব্যাপক ওঠানামা দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত থাকতে পারে, যেখানে সামষ্টিক, টেকনিক্যাল ও ফান্ডামেন্টাল বিষয়গুলোর গুরুত্ব সীমিত থাকবে। ট্রাম্প ক্রমাগত মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি বা দরপতন উভয়ই উস্কে দিচ্ছেন। মঙ্গলবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1455-1.1474 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে আমরা মনে করি এই প্রতিবেদনটিও মার্কেটে উপেক্ষিত থএকে যাবে। আজ সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুত হামলা চালাতে পারে—ফলে ট্রেডারদের দৃষ্টি আবারও সম্পূর্ণভাবে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর কেন্দ্রীভূত থাকবে।
Read more: https://ifxpr.com/4txgtg7
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৮ এপ্রিল।
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1552 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে। এই কারণে আমি ইউরো বিক্রি করিনি। 1.1552-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড এরিয়ায় ছিল, যা বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য 20 পিপস বৃদ্ধি পায়। ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার হুমকি উঠিয়ে দেশটির সাথে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়ার পর ইউরোর মূল্য উর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং মার্কিন ডলারের উল্লেখযোগ্য দরপতন হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন যে যদি ইরান হরমুজ প্রণালী অবরোধ মুক্ত করে তাহলে তিনি আলোচনার জন্য প্রস্তুত। সংলাপের প্রতি ট্রাম্প আগ্রহ প্রকাশ করার অঞ্চলটিতে উত্তেজনা হ্রাসের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়; যদিও, যেমনটা আমরা দেখে অভ্যস্ত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যেকোনো মুহূর্তে তাঁর অবস্থান বদল করতে পারেন—তাই বর্তমানে "হাইপের" ওপর ভিত্তি করে ইউরো ক্রয়ের সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। দিনের প্রথমার্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে জার্মানির ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্ডারের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। অর্ডারের সংখ্যা সফলভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকলে সেটি উৎপাদন খাতের পুনরুদ্ধার প্রতিফলিত করে ইউরোর দর বৃদ্ধি ঘটাতে পারে, আর হতাশাজনক ফলাফল ইউরোর মূল্যের কারেকশন ঘটাতে পারে। একই সঙ্গে ইউরোজোনে খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে—এই সূচক সরাসরি ভোক্তা কার্যক্রম এবং ফলস্বরূপ অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে প্রতিফলিত করে। সেইসাথে ইউরোজোনের উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) প্রকাশিত হবে, যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিবেদন।উৎপাদক মূল সূচকের ফলাফল ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে, যা পরোক্ষভাবে ইউরোর ওপর প্রভাব ফেলবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের দিকে বেশি গুরুত্ব দেব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/217846199.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1780-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1728-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1780-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ ইউরোর মূল্যের শক্তিশালী বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1685-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1728 এবং 1.1780-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1283664792.jpg[/IMG]
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1685-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1647-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র ট্রাম্পের গৃহীত অবস্থানের পরিবর্তন ঘটলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1728-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1685 এবং 1.1647-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4mffaQR
-
৯ এপ্রিল কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/535877821.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের শক্তিশালী বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে, তবে ইউরোর মতোই পাউন্ডের মূল্যের অধিকাংশ উর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট এশীয় ট্রেডিং সেশনে ঘটেছে। ইউরোপীয় ও মার্কিন সেশন চলাকালে জানা যায় যে যুদ্ধবিরতিটি প্রকৃতপক্ষে কার্যকর নাও হতে পারে, কারণ মধ্যপ্রাচ্যে কেউই সম্পূর্ণভাবে বৈরিতার সমাপ্তি ঘটাতে ইচ্ছুক বলে মনে হচ্ছে না। উদাহরণস্বরূপ, ইসরায়েল জানিয়েছে যে কেবলমাত্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়েছে, আর লেবানন এই যুদ্ধবিরতির আওতায় পড়বে না। অতএব আমরা মার্কেটে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে আশাবাদের প্রেক্ষাপট দেখতে পেয়েছি, কিন্তু এখন এই পেয়ারের আরও মূল্য বৃদ্ধির জন্য এই নিশ্চয়তা প্রয়োজন যে মধ্যপ্রাচ্যের সকল পক্ষ যুদ্ধবিরতি মেনে আলোচনার টেবিলে বসতে প্রস্তুত। টেকনিক্যাল দিক থেকে, এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তবে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য পরবর্তী বৃদ্ধির সম্ভাবনা যুদ্ধবিরতি কতদিন এবং কতটা সফলভাবে বজায় থাকে তার ওপর নির্ভর করবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1286119424.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। দিনজুড়ে এই পেয়ারের মূল্য ধারাবাহিকভাবে নিচের তিনটি এরিয়ার যেকোনো একটির কাছ থেকে বাউন্স করেছে: 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446 ও 1.3484-1.3489। দিনের মধ্যে গঠিত হওয়া সকল সিগন্যালের ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়—ফলে নতুন ট্রেডাররা বেশ কয়েকটি পজিশন ওপেন করেছেন, যার সবগুলোই লাভজনক ছিল।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নতুন একটি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হতে শুরু করেছে, কিন্তু ব্রিটিশ পাউন্ডের দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা পুরোপুরিভাবে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কতটা হ্রাস পাচ্ছে তার ওপর নির্ভর করবে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি নেই, ফলে 2026 সালেও আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত এই পেয়ারের মূল্যের বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। তবে সেটি ঘটতে হলে বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও প্রশমিত হতে হবে, কারণ এখন শুধুমাত্র ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণেই মার্কিন ডলারের চাহিদা সৃষ্টি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3403-1.3407 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3319-1.3331-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3403-1.3407 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেট করে, তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.3437-1.3446 এবং 1.3484-1.3489-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3096-1.3107, 1.3175-1.3180, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, 1.3741-1.3751। আজ যুক্তরাজ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপির তৃতীয় অনুমান ও কোর পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেনডিচার (PCE) সূচক প্রকাশিত হবে; সেইসাথে আমরা ধারণা করছি মার্কেটের ট্রেডাররা আবারও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে মনোযোগ দেবে।
Read more: https://ifxpr.com/4c9BFlq
-
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবারও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছে, তবে একইসাথে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাটিকে সহায়তা এবং থামানোর জন্য উভয় ধরনের কারণই উপস্থিত ছিল। একদিকে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাপ্তি নিয়ে আশাবাদী। অন্যদিকে সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং বুধবারের যুদ্ধবিরতি এক কথায় একদিনও টেকেনি। গতকাল চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, যা মার্কিন ডলারের দরপতন প্ররোচিত করা উচিত ছিল। তবুও গত দু'মাস ধরে মার্কেটের ট্রেডাররা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছে। ফলে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে আবারও এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তবে যদি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের দিকে না গড়ায় এবং স্থায়ী শান্তির দিকে পদক্ষেপ না নেয়া হয়, তাহলে আগেরগুলোর মতোই এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাও দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে।
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কেবল একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়, এরপর এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 30-40 পিপস নির্ধারিত দিকেই মুভমেন্ট প্রদর্শন করে। নতুন ট্রেডাররা সহজেই এই 30-40 পিপস লাভ করতে পারতেন, কারণ এই সিগন্যালটি সহজ ও স্পষ্ট ছিল এবং এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টও তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট ছিল।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে আবারও এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, এবং পরবর্তী সকল মুভমেন্ট ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করবে। তবে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও কেবল মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও আবেগের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। সুতরাং মার্কেটের এই "রোলারকোস্টার" রাইড বা ব্যাপক ওঠানামা দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত থাকতে পারে, যেখানে সামষ্টিক, টেকনিক্যাল ও ফান্ডামেন্টাল বিষয়গুলোর গুরুত্ব সীমিত থাকবে। ট্রাম্প ক্রমাগত মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি বা দরপতন উভয়ই উস্কে দিচ্ছেন। শুক্রবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1745-1.1754 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908। শুক্রবার জার্মানিতে মার্চ মাসের মুদ্রাস্ফীতির দ্বিতীয় অনুমান প্রকাশ করা হবে, তবে এই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণভাবে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন। যুক্তরাষ্ট্রে "চলতি সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ" মার্চের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই মুহূর্তে মুদ্রাস্ফীতির ফেডের আর্থিক নীতিমালাকে সরাসরি প্রভাবিত করছে, কিন্তু মার্কেটের ট্রেডাররা হয়তো এই প্রতিবেদনটিও উপেক্ষা করতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3NScfRq
-
১৩ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1591992851.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের তুলনামূলকভাবে দুর্বল উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল, এবং দিনের দ্বিতীয়ার্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ মার্চের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যার কিছুক্ষণ পর মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভোক্তা মনোভাব সূচক প্রকাশিত হয়। প্রাথমিকভাবে বলা যায়—এই প্রতিবেদনগুলোর প্রভাবে মার্কেটে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো শনিবার ও রবিবারে ঘটেছে।ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার ব্যর্থতার পর থেকে পরিস্থিতি বদলে যায়। দুই পক্ষই হরমুজ প্রণালী ও পারমাণবিক কার্যক্রম সম্পর্কিত সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে একমত না হওয়ার কথা উল্লেখ করেছে। ফলে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে যেতে পারে। রাত্রি শেষে আরও সংবাদ আসে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে ইরানি জাহাজগুলোকে অবরোধ করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন, যাতে চীন, এশিয়া ও অন্যান্য দেশে ইরানি তেল রপ্তানি করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই সোমবার সকালে সম্ভবত মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে, উল্টোটা নয়। ফলে মার্কিন ডলারের দর তৎক্ষণাৎ ৮০ পিপস বৃদ্ধি পায়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1833596212.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। শুধুমাত্র সোমবার রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ায় নেমে আসায় একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা অত্যন্ত কঠিন, তবুও কিছুটা মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে, তবে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাবে এই সপ্তাহে আবারও এই পেয়ারের দরপতন হতে পারে। মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও কেবল মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ঘটনাবলী ও আবেগের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। তাই মার্কেটের এই "রোলারকোস্টার" রাইড দীর্ঘ সময় ধরে অব্যাহত থাকতে পারে, এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক, টেকনিক্যাল ও মৌলিক কারণগুলোর গুরুত্ব সীমিত হয়ে পড়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় আবারও মার্কিন ডলারের চাহিদা বাড়তে পারে। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ার কাছ থেকে নতুন করে বাউন্স করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1745-1.1754 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। সোমবার ইউরোজোনে কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, আর যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র বিদ্যমান আবাসন বিক্রয় সম্পর্কিত একটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রকাশিত হবে। তাই মার্কেটের ট্রেডাররা আবারও সম্পূর্ণভাবে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ওপর মনোযোগ দেবে।
Read more: https://ifxpr.com/4cpwT3u
-
১৫ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/927796503.jpg[/IMG]
ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল, কারণ মার্কেটে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। নতুন ট্রেডারদের জানা উচিত যে—গত দেড় সপ্তাহে একমাত্র ইতিবাচক ঘটনা ছিল মধ্যপ্রাচ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি, যা আর এক সপ্তাহ স্থায়ী থাকবে। একই সময়ে, হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে, তেল ও গ্যাসের দাম উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে এবং ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগ করেনি বলে যেকোনো মুহূর্তে পুনরায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে। গত রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরান যুদ্ধ শেষ হয়েছে, তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি। আমাদের মতে—এটাই সর্বোত্তম পরিস্থিতি: যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনা শুরু হওয়া। তবে এই তথ্য কেবল গতকাল রাতে এসেছে, তার আগেই প্রায় দেড় সপ্তাহ ধরে এই পেয়ারের মূল্য বাড়ছিল। তাই আমরা মনে করি মার্কেটে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ট্রেডিং কার্যক্রম ফিরে আসছে, যেখানে অর্থনীতি ও মৌলিক বিষয়গুলো যেকোনো ইন্সট্রুমেন্টের মূল্য নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/318266754.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। এশীয় সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1755 এরিয়া থেকে দুইবার রিবাউন্ড করেছে, এবং ইউরোপীয় সেশনের শুরুর সময় এই পেয়ারের মূল্য সিগন্যাল গঠনের লেভেল থেকে মাত্র কয়েক পিপস দূরে ছিল। অতএব নতুন ট্রেডাররা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন। সারাদিন জুড়ে এই পেয়ারের মূল্য কেবল ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই লং পজিশনগুলো স্পষ্টভাবেই লাভজনক ছিল।
বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে এবং এমনকি গতিশীল হচ্ছে। দুই মাস ধরে কেবলমাত্র ভূ-রাজনৈতিক কারণে মার্কিন ডলারের অবিরত মূল্য বৃদ্ধির পর ট্রেডাররা হয়তো সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে এমন পরিস্থিতি চিরকাল চলতে পারে না। ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে ট্রেডাররা কার্যত ভূ-রাজনৈতিক পটভূমিকে উপেক্ষা করেছে। অতএব ট্রেডাররা পুনরায় অর্থনীতি এবং ট্রাম্পের কর্মকান্ডের প্রতি মনোযোগ দিতে পারে, এবং এক্ষেত্রে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেশ সীমিতই বলা যায়। বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। গতকালের বাই সিগন্যালগুলো লং পজিশন হোল্ড রাখার সুযোগ দিয়েছে, যেখানে মূল্যের 1.1830-1.1837 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। বুধবার ইউরোপীয় ইউনিয়নে শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং ক্রিস্টিন লাগার্ড ভাষণ দেবেন। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত নেই।
Read more: https://ifxpr.com/3OGEJOb
-
১৬ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/765101818.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD পেয়ারের মূল্য কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি, তবে দিনের শেষে কোনো কারেকশন ছাড়াই এই পেয়ারের মূল্য আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়। ফলে গত দুই মাসে ইউরোর যতটুকু দরপতন হয়েছিল তা ক্রমান্বয়ে পূরণ হচ্ছে। আমরা যে পূর্বাভাস দিয়েছিলাম—ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কমে আসলে ট্রেডাররা দ্রুত মার্কিন ডলার বিক্রি করতে শুরু করবে—বাস্তবেও তাই ঘটছে। এবং বর্তমানে এর পেছনে কোনো উল্লেখযোগ্য স্থানীয় কারণ নেই। ট্রেডাররা পুরোপুরিভাবে সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এবং সকইল ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোকে উপেক্ষা করেছে, যা ধারাবাহিকভাবে দু'মাস ধরে মার্কিন ডলারের জন্য ইতিবাচক ছিল না। এছাড়া বৈশ্বিক মৌলিক পটভূমির কথা ভুলে যাওয়াও উচিত হবে না, কারণ এতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামগ্রিক কর্মকান্ড প্রতিফলিত হয়। এই ধরণের প্রেক্ষাপটে 2025 সাল জুড়ে মার্কিন ডলার দরপতনের শিকার হয়েছে, এবং 2026-ও এর থেকে আলাদা কিছু হবে না বলে ধারণা করা যায়। তাই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ যদি পুনরায় জোরালোভাবে শুরু না হয়, তাহলে ইউরোর মূল্য দ্রুত বার্ষিক সর্বোচ্চ লেভেলের দিকে ফিরে আসতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/141983893.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। অতএব নতুন ট্রেডারদের পক্ষে নতুন ট্রেড ওপেন করার জন্য কোনো ভিত্তি ছিল না। সর্বশেষ বাই সিগন্যাল মঙ্গলবার গঠিত হয়েছিল, যখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করেছিল। ওই ট্রেডটি এখনও ওপেন রাখা যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে এবং এমনকি তা আরও গতিশীল হচ্ছে। দুই মাস ধরে কেবলমাত্র ভূ-রাজনৈতিক কারণে মার্কিন ডলারের অবিরত মূল্য বৃদ্ধির পর ট্রেডাররা হয়তো সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে এমন পরিস্থিতি চিরকাল চলতে পারে না। ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয় সপ্তাহেও ট্রেডাররা কার্যত ভূ-রাজনৈতিক পটভূমিকে উপেক্ষা করেছে। অতএব ট্রেডাররা পুনরায় অর্থনীতি এবং ট্রাম্পের কর্মকান্ডের প্রতি মনোযোগ দিতে পারে, এবং এক্ষেত্রে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির সুযোগ বেশ সীমিতই বলা যায়। বৃহস্পতিবার, যদি যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1745-1.1754 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়ার ওপরে স্থিতিশীল হলে নতুন বাই ট্রেড বিবেচনা করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1899-1.1908 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। বৃহস্পতিবার ইউরোজোনে মার্চ মাসের মূল্যস্ফীতির দ্বিতীয় অনুমান প্রকাশিত হবে, যা প্রথম অনুমানের থেকে খুব বেশি ভিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা কম—তাই এটি তেমন আকর্ষণীয় প্রতিবেদন নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দুটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে: একটি জবলেস ক্লেইমস সংশ্লিষ্ট এবং অপরটি শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত।
Read more: https://ifxpr.com/4tSqpBb
-
১৭ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1000587185.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের সামান্য কারেকশন হয়েছে, তবে মূল উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অটুট রয়েছে। গতকাল মার্কেটে সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমির প্রভাব আবারও বেশ দুর্বল ছিল; একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে মার্চ মাসের মূল্যস্ফীতির দ্বিতীয় অনুমান প্রকাশিত হয়েছে, যা 2.6%-এ পৌঁছেছে এবং প্রথম অনুমানের তুলনায় সামান্য বেশি ছিল। তবুও মার্চে মূল্যস্ফীতির এই বৃদ্ধি প্রত্যাশিতই ছিল, ফলে ট্রেডাররা সামষ্টিক প্রতিবেদন দিকে তেমন মনোযোগ দেননি। ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল ও বিরোধপূর্ণ রয়ে গেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায় প্রতিদিন ইরানের সাথে আলোচনা ও চুক্তির ব্যাপারে কথা বলছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো স্পষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে কোনো ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না যে আলোচনাগুলো কীভাবে শেষ হবে বা এই সপ্তাহেই অনুষ্ঠিত হবে কিনা। ফলে ট্রেডাররা «পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়ার অপেক্ষায়» বিরতি নিয়েছে। সামগ্রিকভাবে, যদি মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের মাত্রা আর বৃদ্ধি না পায়, তাহলে মার্কেটে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কমে যাবে, এবং এই অবস্থায় আমরা এই পেয়ারের মূল্যের 2025 থেকে শুরু হওয়া ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করছি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2106232860.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। সারাদিনে এই পেয়ারের মূল্য কোনো নির্দিষ্ট লেভেল বা এরিয়ার কাছাকাছি পৌঁছায়নি; ফলে নতুন ট্রেডারদের জন্য নতুন ট্রেড ওপেন করার কোনো ভিত্তি ছিল না। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে এবং এমনকি তা আরও গতিশীল হচ্ছে। দুই মাস ধরে কেবলমাত্র ভূ-রাজনৈতিক কারণে মার্কিন ডলারের অবিরত মূল্য বৃদ্ধির পর ট্রেডাররা হয়তো সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে এমন পরিস্থিতি চিরকাল চলতে পারে না। ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো ভূ-রাজনৈতিক পটভূমির প্রভাব কমে যাওয়ায় ট্রেডাররা কার্যত মার্কিন ডলার বিক্রি করছে। অতএব ট্রেডাররা পুনরায় অর্থনীতি এবং ট্রাম্পের কর্মকান্ডের প্রতি মনোযোগ দিতে পারে, এবং এক্ষেত্রে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির সুযোগ বেশ সীমিতই বলা যায়। তবে এই সপ্তাহে উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট তেমন দেখা যায়নি। শুক্রবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 রেঞ্জের নিচে কনসলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে নতুন বাই ট্রেড বিবেচনা করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1830-1.1837 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। শুক্রবার ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না; তাই ট্রেডাররা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র এবং লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যকার আলোচনার সংবাদ জানার অপেক্ষায় থাকবে।
Read more: https://ifxpr.com/4sJtsL8
-
-
২১ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1798800922.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি। গতকাল সামান্য গ্যাপ-ডাউন দিয়ে ট্রেডিং সেশন শুরু হয়; তবু দিনজুড়ে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধি পায়। দিনের একমাত্র মূল ঘটনা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা বাতিল হয়ে গেছে, ফলে হরমুজ প্রণালী দুই দিক থেকেই বন্ধ রয়ে গেছে এবং দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি বুধবার শেষ হতে যাচ্ছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হতে পারে। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ট্রেডারদের কাছে মার্কিন ডলার ক্রয়ের পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে বলে মনে হলেও, মার্কেটে এই ঘটনায় তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি—এতে করে আমরা ধরে নিচ্ছি যে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের গুরুত্ব কিছুটা কমে এসেছে। অবশ্যই এর মানে এই নয় যে আমরা আর মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে মার্কেটে কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখব না; যদি এই সপ্তাহে পুনরায় পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে মার্কিন ডলারের দর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। তবুও সামগ্রিকভাবে ট্রেডাররা আর অন্ধভাবে মার্কিন ডলার কেনার জন্য প্রস্তুত নয়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/163063666.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে কেবল একটি একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের শুরুতেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে ঊর্ধ্বমুখী হয়। ফলে দিনের শেষে নতুন ট্রেডাররা একটি লং পজিশন থেকে প্রায় 20 পিপস মুনাফা করে ম্যানুয়ালি ট্রেড ক্লোজ করতে পারতেন।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় আছে। ট্রেডাররা গত দুই সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে মার্কিন ডলার বিক্রি করছিল এবং মার্কেটে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কিছুটা কমে গিয়েছিল; তবে এখন ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবার খারাপ হচ্ছে, যা এই সপ্তাহে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারের চাহিদা বাড়াতে পারে। আমরা মনে করি এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্যের একটি কারেকশনের সম্ভাবনা রয়েছে, তবে যেকোনো অবস্থায়ই ট্রেড করার জন্য ট্রেডারদের কাছে টেকনিক্যাল লেভেল রয়েছে এবং মার্কেটের মুভমেন্ট মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। মঙ্গলবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন বাই ট্রেড বিবেচনা করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1830-1.1837 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908। মঙ্গলবার ইউরোজোনে কেবল ZEW অর্থনৈতিক প্রত্যাশা সূচক প্রকাশিত হবে, আর যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ADP কর্মসংস্থান ও খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। এই চারটি প্রতিবেদনের কোনোটিই মার্কেটে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Read more: https://ifxpr.com/41MglO7
-
২২ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/181305063.jpg[/IMG]
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার EUR/USD পেয়ারের স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার সাথে ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে, যা কারেকশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ট্রেডাররা কেবল সামষ্টিক অর্থনৈতিক এবং মৌলিক প্রেক্ষাপটই নয়, ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও উপেক্ষা করেছে। উল্লেখ্য যে সাম্প্রতিককালে কোনো বড় ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা ঘটেনি। ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট মূলত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা, চুক্তি এবং পারস্পরিক হুমকির বিভিন্ন প্রতিবেদন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ঠিক গতকালই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে যে দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনা (যা সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল) বুধবারে অনুষ্ঠিত হবে। তবে বুধবার রাতের শেষ দিকে ইরান পুনরায় জানায় যে ওয়াশিংটন ইরানি নৌবন্দর ও হরমুজ প্রণালী থেকে অবরোধ তুলে না নিলে কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। ফলে মার্কেটের ট্রেডাররা অভ্যন্তরীণ তথ্যের ধারাবাহিক প্রবাহ এবং কিছু সাংবাদিকদের নিজস্ব "সূত্র" থেকে পাওয়া প্রতিবেদনের প্রতি ততটা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না এবং গুজবের পরিবর্তে বাস্তব পরিস্থিতির প্রতীক্ষায় রয়ে গেছে। যেমনটি আমরা আশা করেছিলাম, এই সপ্তাহে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কারেকশনের সম্ভাবনা রয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/10600420.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনে সন্ধ্যার দিকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়া অতিক্রম করে এবং পরে নিচে থেকে কয়েকবারই সেই এরিয়া থেকে বাউন্স করেছে। অতএব নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারতেন; তবে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিবেচনায় আজও এই পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে।
বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় আছে। ট্রেডাররা গত দুই সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে মার্কিন ডলার বিক্রি করছিল এবং মার্কেটে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কিছুটা কমে গিয়েছিল; তবে এখন ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবার খারাপ হচ্ছে, যা এই সপ্তাহে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারের চাহিদা বাড়াতে পারে। আমরা মনে করি এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্যের একটি কারেকশনের সম্ভাবনা রয়েছে, তবে যেকোনো অবস্থায়ই ট্রেড করার জন্য ট্রেডারদের কাছে টেকনিক্যাল লেভেল রয়েছে এবং মার্কেটের মুভমেন্ট মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বজায় রাখতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়ার ওপরে কনসলিডেট করলে নতুন লং পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1830-1.1837 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। বুধবার ইউরোজোনে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিনে লাগার্ড ভাষণ দেবেন; তিনি এই সপ্তাহেই আগে একবার বক্তব্য দিয়েছেন। লাগার্ডের সেদিনের বক্তব্যের প্রভাবে মার্কেটে কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়নি।
Read more: https://ifxpr.com/4dWtED0
-
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৩ এপ্রিল।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1382219859.jpg[/IMG]
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 159.39 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা মার্কিন ডলার ক্রয়ের জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 20 পিপস বৃদ্ধি পায়। মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে জাপানি ইয়েনের ওপর চাপ অব্যাহত রয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে ইরান বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করায় ঐতিহ্যগত নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা USD/JPY পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি ঘটিয়েছে। ইয়েনের বিদ্যমান দরপতনের পটভূমিতে এইরূপ পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে; বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তা এই প্রবণতাকে আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে, ফলে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট থেকে পুঁজি সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং ইয়েনের ওপর চাপ বাড়ছে। আজ জাপানের ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচকের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে তা মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইয়েনের দর বৃদ্ধি ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছে। ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের উৎসাহব্যঞ্জক ফলাফল সাধারণত জাতীয় মুদ্রার উত্থানে সমর্থন যোগায়, তবুও ইয়েন এখনও চাপের মধ্যে রয়েই আছে—যা সম্ভবত সামগ্রিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রভাব ও মুদ্রানীতিগত ভিন্নতার কারণে দেখা যাচ্ছে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1959385231.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 160.00-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 159.63-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 160.00-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কঠোর অবস্থান বজায় রাখলে USD/JPY পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 159.50-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 159.63 এবং 160.00-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 159.50-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলে নেমে যাওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 159.17-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির ব্যাপারে ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 159.63-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 159.50 এবং 159.17-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4vKnHzp
-
২৪ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/386935241.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের দুর্বল নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত ছিল। গতকাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোজোনে সার্ভিস ও ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচক প্রকাশিত হয়েছে, তবে ট্রেডাররা তা প্রায় উপেক্ষাই করেছে বলা যায়। কোনো প্রতিবেদনের প্রভাবেই প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি এবং দিনের বেলা এই পেয়ারের মূল্যের মোট 47 পিপসের অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে। পুরো সপ্তাহ জুড়ে কারেকশন হচ্ছে, যেমনটি আমরা গত সপ্তাহান্তে সতর্ক করেছিলাম। ইতোমধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায় প্রতিদিন ইরান নিয়ে মন্তব্য করে যাচ্ছেন; তবুও ট্রেডাররা তার বক্তব্যের প্রতি মনোযোগ দেয়া ছেড়ে দিয়েছে এবং এখন তাঁরা কেবল সত্যিকারের পরিস্থিতির ওপর মনোযোগ দিচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতি হচ্ছে: হরমুজ প্রণালী বন্ধ আছে, কোনো আলোচনা হয়নি, সামরিক অভিযান চলছে না, তবুও যুদ্ধ যেকোনো সময় পুনরায় শুরু হতে পারে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বর্তমানে কোনো আলোচনা না হওয়ায় ট্রেডাররা ধরে নিচ্ছে যে যেকোনোভাবেই হোক যুদ্ধ পুনরায় শুরু হবে; তবে মার্কিন ডলারের দর টেকনিক্যাল কারণে বাড়ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/323490990.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। মার্কিন ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ার কাছাকাছি গিয়েছিল, কিন্তু 6 পিপসের জন্য সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। এই মার্জিনটি যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য; তাই নতুন ট্রেডারদের কাছে ট্রেড ওপেন করার জন্য কোনো ভিত্তি ছিল না।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় আছে। ট্রেডাররা গত দুই সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে মার্কিন ডলার বিক্রি করছিল এবং মার্কেটে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কিছুটা কমে গিয়েছিল; তবে এখন ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবার খারাপ হচ্ছে, যা এই সপ্তাহে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারের চাহিদা বাড়াতে পারে। আমরা মনে করি টেকনিক্যাল কারণেই মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে যেকোনো অবস্থায়ই ট্রেড করার জন্য ট্রেডারদের কাছে টেকনিক্যাল লেভেল রয়েছে এবং মার্কেটের মুভমেন্ট মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। শুক্রবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন লং পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1745-1.1754 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। শুক্রবার জার্মানিতে বিজনেস ক্লাইমেট ইনডেক্স প্রকাশিত হবে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স প্রকাশ করা হবে; আমরা মনে করি এই প্রতিবেদনগুলোও উপেক্ষা করা হবে, যেমনটি গত দুই মাসে প্রকাশিত অন্যান্য প্রতিবেদনগুলো উপেক্ষা করা হয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4sXoTge
-
২৭ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1991777415.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার এক সপ্তাহ ধরে কারেকশনের পর EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়। সেদিন কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি এবং ভূ-রাজনৈতিক সংবাদও বেশ সীমিত ছিল। ট্রেডাররা বর্তমানে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদনের দিকে কোনো মনোযোগ দিচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার আলোচনা স্থগিত রয়েছে এবং হরমুজ প্রণালী এখনও বন্ধ আছে। অতএব, গত সপ্তাহটি কারেকশনে কেটেছে। তবে এই সপ্তাহে ইউরোজোন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে ও প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে—তবু ট্রেডাররা এগুলো প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখাবে বা মনোযোগ দিবে, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। সোমবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের। আজকের দিন ও চলতি সপ্তাহ এই পেয়ারের সামান্য মূল্য বৃদ্ধির সাথে শুরু হয়েছে, এবং আমরা মোটামুটি শুধুমাত্র ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। বর্তমানে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারের এক্সচেঞ্জ রেটে তেমন প্রভাব ফেলছে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1996956702.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছিল, কিন্তু 6 পিপসের জন্য সেখানে পৌঁছাতে পারেনি, যা মার্জিনের দিক থেকে যথেষ্ট। তাই নতুন ট্রেডারদের কাছে ট্রেড ওপেন করার জন্য পর্যাপ্ত ভিত্তি ছিল না।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় আছে। ট্রেডাররা গত দুই সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে মার্কিন ডলার বিক্রি করছিল এবং মার্কেটে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কিছুটা কমে গিয়েছিল; তবে এখন ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবার নেতিবাচক হচ্ছে, যা এই সপ্তাহে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারের চাহিদা বাড়াতে পারে। আমরা মনে করি টেকনিক্যাল কারণেই মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে যেকোনো অবস্থায়ই ট্রেড করার জন্য ট্রেডারদের কাছে টেকনিক্যাল লেভেল রয়েছে এবং মার্কেটের মুভমেন্ট মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়ার উপরে কনসলিডেট করে, তাহলে নতুন লং পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1830-1.1837 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না; সেইসাথে কোনো ভূ-রাজনৈতিক সংবাদও প্রত্যাশিত নয়। সম্ভবত সোমবার মার্কেটে দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যাবে।
Read more: https://ifxpr.com/4mSGODe
-
২৮ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/865729221.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছিল, তবে এই পেয়ারের মূল্য নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স 1.1754 ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হতে ব্যর্থ হয়। অতএব, ট্রেন্ড লাইনের সহায়তায় চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে এই সপ্তাহে নতুন করে একটি নিম্নমুখী কারেকশন শুরু হতে পারে। সার্বিকভাবে, সোমবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক বা মৌলিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, সেইসাথে কোনো উল্লেখযোগ্য ভূ-রাজনৈতিক সংবাদও আসেনি। ফলে দিনেরবেলা সম্পূর্ণ টেকনিক্যাল কারণে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। তবুও উল্লেখযোগ্য যে এই সপ্তাহের শেষদিকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে এবং সবচেয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত মুহূর্তে ভূ-রাজনৈতিক সংবাদও আসতে পারে। ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গেলে ট্রাম্প বা তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা বলা অসম্ভব; বর্তমানে অনানুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা চলছে, কিন্তু উভয় পক্ষ দৃঢ় অবস্থান বজায় রেখেছে এবং এমন প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে যা স্পষ্টভাবেই অপরপক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/783981561.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে সংগ্রামের পর এই পেয়ারের মূল্য অবশেষে 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, যা গতকাল সামান্য দরপতন ঘটিয়েছে; তবে মঙ্গলবারও এই নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অক্ষুণ্ণ আছে। দুই সপ্তাহ ধরেই ট্রেডাররা ধারাবাহিকভাবে মার্কিন ডলার বিক্রি করেছে, এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কিছুটা কমে গিয়েছিল; তবু ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না, এবং স্বল্পমেয়াদে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারের চাহিদা বজায় থাকতে পারে। তবুও মার্কিন ডলারের ব্যাপক দর বৃদ্ধির আশা করা বাস্তবসম্মত হবে না। মঙ্গলবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন হোল্ড করে রাখতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়ার ওপরে কনসলিডেট করে, তাহলে নতুন লং পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1830-1.1837 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। মঙ্গলবার ইউরোজোনে ক্রিস্টিন লাগার্ড বক্তব্য রাখবেন, তবে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠকের মাত্র দুই দিন বাকি থাকায় আমরা ধারণা করছি যে তিনি ট্রেডারদের গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য প্রদান করবেন না। এছাড়া অন্য কোনো ইভেন্ট নির্ধারিত নেই।
Read more: https://ifxpr.com/4t562jf
-
২৯ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1569275484.jpg[/IMG]
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার টেকনিক্যাল কারণ এবং কোনো ইভেন্ট/সংবাদ/প্রতিবেদন না থাকায় EUR/USD পেয়ারের মূল্যের বেশ দুর্বল মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। মূলত এই সপ্তাহে আজ থেকে মার্কেটে সক্রিয় মুভমেন্ট শুরু হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে আজ চলতি সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ "ইভেন্ট": ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, এরপরে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তবে এমনটি ধরে নেওয়া উচিত হবে না যে মার্কেটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অস্থিরতার মাত্রা বৃদ্ধি পাবে এবং প্রতিদিন প্রবণতাভিত্তিক মুভমেন্ট দেখা যাবে। তিনটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকই মূল সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার ইচ্ছা পোষণ করছে, এবং গত দুই মাস ধরে ট্রেডাররা সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন উপেক্ষা করে চলেছে। তাই সপ্তাহের শেষ নাগাদ এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে, তবে তীব্র অস্থিরতার প্রত্যাশা করা হচ্ছে এবং দিনের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্য বেশ কয়েকবার দিক পরিবর্তন করতে পারে। ট্রেডারদের কাছে এখনো ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সামষ্টিক অর্থনৈতিক বা মৌলিক প্রেক্ষাপটের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1363709967.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। ফলে, সারাদিন জুড়ে নতুন ট্রেডাররা পজিশন ওপেন করার জন্য কোনো ভিত্তি খুঁজে পায়নি।
বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অক্ষুণ্ণ আছে। দুই সপ্তাহ ধরেই ট্রেডাররা ধারাবাহিকভাবে মার্কিন ডলার বিক্রি করেছে, এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কিছুটা কমে গিয়েছিল; তবু ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না, এবং স্বল্পমেয়াদে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারের চাহিদা বজায় থাকতে পারে। তবুও মার্কিন ডলারের ব্যাপক দর বৃদ্ধির আশা করা বাস্তবসম্মত হবে না। গত সপ্তাহ থেকেই মার্কেটে কারেকশন হচ্ছে। বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন লং পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1745-1.1754 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908। বুধবার জার্মানিতে মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, আর যুক্তরাষ্ট্রে ডিউরেবল গুডস অর্ডার সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। সেইসাথে সন্ধ্যায় ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠকের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অতএব আমরা সন্ধ্যায় মার্কেটে মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি, এবং এই মুভমেন্টের ব্যাপারে আগেই পূর্বাভাস দেয়া সম্ভব নয়, কারণ কেউ জানে না যে পাওয়েল কী অবস্থান গ্রহণ করবেন।
Read more: https://ifxpr.com/3R8RUbr