-
-
আইএমএফ সতর্ক সংকেত দিলো
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1965703416.jpg[/IMG]
ইউরো, পাউন্ড স্টারলিং এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলো মার্কিন ডলারের বিপরীতে দরপতন কিছুটা পুষিয়ে নিয়েছে—তবুও আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সতর্ক করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য একটি পরীক্ষা হবে এবং বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রার নতুন অস্থিরতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। জর্জিয়েভা জোর দিয়ে বলেছেন যে আধুনিক বাজার, সরবরাহ শৃঙ্খল ও আর্থিক ব্যবস্থার আন্তঃসংযোগ একটি স্থানীয় সংকটকে বৈশ্বিক অগ্নিপরীক্ষায় পরিণত করেছে। পূর্ববর্তী অস্থিরতার পরে যে স্থিতিশীলতার কথা বারবার বলা হত, এবার তা বাস্তবে "অগ্নিরূপ" ধারণ করেছে। তার বক্তব্যের সবচেয়ে উদ্বেগজনক অংশ ছিল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ম্লান পূর্বাভাস—বিশ্বক চলমান অস্থিরতার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে এই অস্থিরতার রূপ পরিবর্তনশীল হতে পারে—গুরুত্বপূর্ অবকাঠামোর ওপর সাইবার আক্রমণ থেকে শুরু করে প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থার আর্থিক নীতিমালার হঠাৎ পরিবর্তন, দারিদ্রপীড়িত অঞ্চলে খাদ্য সংকট থেকে নতুন সমস্যা হিসেবে জোরপূর্বক অভিবাসন পুরো মহাদেশকে অস্থির করে তুলতে পারে। তার এই সতর্কবাণী কেবল ঝুঁকিপূর্ণ বিবৃতি ছিল না—এটি সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান ছিল। জর্জিয়েভা মানবিক সংকটের ব্যাপারেও উদ্বেগ প্রকাশ করে উল্লেখ করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি মূল্য, বাজার পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতিকে প্রভাবিত করবে এবং বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারকদের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করবে। তিনি সম্মেলনে বলেন, "আমরা এমন একটি বিশ্বে বাস করছি যেখানে ক্রমবর্ধমানভাবে অপ্রত্যাশিত অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা সেগুলো কেমন হবে সঠিকভাবে সেই পূর্বাভাস দিতে পারি না। তবে আমরা সবসময় তাদের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত থাকার চেষ্টা করতে পারি।" এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা পদক্ষেপ হরমুজ প্রণালীতে পরিবহন ও তেল প্রবাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। জ্বালানি মূল্যের ঊর্ধ্বগতি মুদ্রাস্ফীতি উসকে দিয়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আরেকটি বিষয় হলো শুল্ক সংক্রান্ত অস্থিরতা, যে ব্যাপারে জর্জিয়েভা গত মাসে সতর্ক করেছেন যে এমনকি এটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকেও ক্ষুণ্ণ করতে পারে। এ পর্যন্ত জানুয়ারিতে আইএমএফ ২০২৬ সালের জন্য বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস 3.3% ও পরবর্তী বছরের জন্য 3.2% পর্যন্ত বাড়িয়েছিল।
EUR/USD-এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস ক্রেতাদের এখন এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1635 লেভেলে নিয়ে যেতে হবে। কেবল তা হলে 1.1670 লেভেল টেস্ট করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1710 পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, কিন্তু বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া তা করা কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1745 লেভেল নির্ধারণ করা যায়। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, সম্ভবত কেবল মূল্য 1.1590-এর কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। যদি সেখানে ক্রেতারা সক্রিয় না হয়, তবে 1.1550-এ নতুন করে দরপতনের জন্য অপেক্ষা করা যুক্তিযুক্ত হবে অথবা 1.1525 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যায়।
GBP/USD-এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস পাউন্ড ক্রেতাদের এটির মূল্যকে নিকটতম রেজিস্টেন্স 1.3350-এ নিয়ে যেতে হবে। কেবল তাহলেই 1.3380-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাবে; যা অতিক্রম করা আরও কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3420 লেভেল নির্ধারণ করা যায়। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.3300 লেভেলে থাকা অবস্থায়ব বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3255 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখানে 1.3215 পর্যন্ত আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4ucoPLx
-
-
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট: S&P 500 ও নাসডাক সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়ে পূর্ববর্তী দরপতন পুষিয়ে নিচ্ছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/875436518.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে তীব্র ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। S&P 500 সূচক 0.83% বৃদ্ধি পেয়েছে, নাসডাক 100 সূচক 1.38% বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 0.94% বৃদ্ধি পেয়েছে। এশিয়ার ইক্যুইটি মার্কেটগুলোতেও শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের ইতিবাচক মনোভাব প্রতিফলিত করে। তেলের ব্যাপক দরপতনের পর এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়—যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সংঘাত শীঘ্রই শেষ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন। এই সংবাদই গত সপ্তাহের শুরুতে মার্কেটে পরিলক্ষিত উদ্বেগগুলো হ্রাস করেছে যা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর ব্যাপক দরপতন ঘটিয়েছে। সাময়িকভাবে হলেও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা শিথিল হওয়ার সম্ভাবনা অবিলম্বে বৈশ্বিক ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সামরিক সংঘাতের তীব্রতা ও জ্বালানি সরবরাহের বিভ্রাটের ঝুঁকির সম্ভাব্যতা থেকে বিনিয়োগকারীরা পুনরায় স্বস্তির নিঃশ্বাস নেয়ার সুযোগ পেয়েছে। যারা সাইডলাইনে বসে ছিল বা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট বিক্রি করেছিল, তারা সতর্ক আশাবাদের সাথে মার্কেটে ফিরে আসতে শুরু করেছে। তেলের দরপতন একটি মূল কারণ ছিল, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর থেকে চাপ কিছুটা কমিয়েছে। এর ফলে জ্বালানি খরচের প্রতি সংবেদনশীল কোম্পানিগুলোর দৃশ্যমান অবস্থা উন্নত হয় এবং ভোক্তাদের জন্য কিছু স্বস্তি আসে। জ্বালানির দাম কমলে তা ভোক্তা ব্যয়কে সহায়তা করতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির প্রত্যাশাকে স্তিমিত করতে পারে, যা স্টক মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতির জন্য ইতিবাচক। MSCI এশিয়া-প্যাসিফিক সূচক প্রায় 3% বেড়েছে, যেখানে প্রযুক্তি খাতভিত্তিক শেয়ারগুলো দর বৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে ছিল। ইউরোপীয় স্টক মার্কেটগুলোতেও উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে সেশন শুরু হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দর প্রায় 6.1% কমে ব্যারেল প্রতি $92.90-এ নেমে এসেছে, যদিও দিনের শুরুতে 11% পর্যন্ত দরপতনের শিকার হয়েছিল। তবুও মঙ্গলবারের দরপতনের পরও বছরের শুরু থেকে তেলের দর এখনও 50%-এরও বেশি বৃদ্ধি প্রদর্শন করে আছে। ট্রাম্প আরো বলেছেন যে তিনি তেলের ওপর আরোপিত বেশিরভাগ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনী দ্বারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেবেন। তিনি বলেছিলেন, ইরান যদি তেল পরিবহনে বিঘ্ন ঘটায় তবে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। এসব তীব্র প্রতিক্রিয়া মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদ শিরোনামের প্রতি ট্রেডাররা কতটা সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে তা পুনরায় প্রতিফলিত করে। অ্যাসেটগুলোর মধ্যে উচ্চমাত্রার অস্থিরতা বজায় রয়েছে—মার্কেটের ঝুঁকি সূচকটি গতবছর ট্রাম্প বিশ্বব্যাপী শুল্ক আরোপ করার সময় পরিলক্ষিত স্তরের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেপারস্টোন গ্রুপের বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল ব্যাপকভাবে ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতার পরে পুনরুদ্ধারমূলক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত বহন করে—সরাসরি ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নয়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/407437729.jpg[/IMG]
S&P 500-এর টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ক্রেতাদের নিকট-মেয়াদে সূচকটির রেজিস্ট্যান্স লেভেল $6,784 অতিক্রম করাতে হবে, যা নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু করে $6,801 পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করতে পারে।সূচকটির দর $6,819-এর উপরে ধরে রাখতে পারলে বুলিশ প্রবণতা আরও শক্তিশালী হবে। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, সূচকটির দর প্রায় $6,769-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়া উচিত। সেই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে দ্রুত এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টটির দর $6,756-এ নেমে আসবে এবং $6,743 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4sb0STw
-
-
১৩ মার্চ কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/603244269.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে বর্তমানে ট্রেডাররা মূল অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল একরকম উপেক্ষা করে চলেছে। স্মরণ করিয়ে দিই যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রেডাররা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এবং অন্যান্য বহু সামষ্টিক প্রতিএব্দন উপেক্ষা করেছে। চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপির হতাশাজনক ফলাফল এবং শ্রমবাজার ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর দুর্বল ফলাফল সত্ত্বেও মার্কিন ডলারের দর বাড়ছে। তাই আজ যতগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনই থাকুক, ট্রেডাররা হয়ত সেগুলোর কোনোটার দিকেই তেমন মনোযোগ দেবে না—এই সম্ভাবনা বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে আজ চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি (দ্বিতীয় অনুমান), ডিউরেবল গুডস অর্ডার, পার্সনাল কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার (PCE), ভোক্তা আস্থা এবং চাকরির খালি পদ সংক্রান্ত JOLTs প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ইউরোজোনে কেবল শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। যুক্তরাজ্যে মাসিক জিডিপি ও শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। কিছু প্রতিবেদন (বিশেষত যেগুলোর ফলাফল মার্কিন ডলারের পক্ষে ইতিবাচক) মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/508765168.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে তুলে ধরার মতো প্রায় কিছুই নেই। তবে ট্রেডারদের দৃষ্টি প্রধানত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দিকে নয়—বরং মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকান্ডের দিকে কেন্দ্রীভূত রয়েছে। আমাদের মতে, এই মুহূর্তে মার্কিন ডলারের পক্ষে একমাত্র সহায়ক মাধ্যম হলো ভূ-রাজনীতি, এবং বাস্তবে সেটাই ঘটছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে নতুন ও আরও তীব্র উত্তেজনা ছাড়া মার্কিন ডলারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রাখা কঠিন হবে; তবে উত্তেজনা প্রশমিত না হলে ডলারের দরপতনের কোনো কারণও দেখা যাচ্ছে না।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে মার্কেটে যেকোনো ধরনের মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির যেকোনো মুহূর্তে মোড় পরিবর্তন ঘটতে পারে। আজ ইউরো 1.1527-1.1531 এরিয়া বা 1.1455-1.1474 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3319-1.3331 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের তীব্র, স্থায়ী বৃদ্ধির কোনো মৌলিক ভিত্তি দেখছি না, তবে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণের মার্কেটে মার্কিন ডলার ক্রয়ের কারণ বজায় থাকতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4bkRfdx
-
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ১৬ মার্চ: S&P 500 ও নাসডাক সূচকে অত্যন্ত অস্থির অবস্থা বজায় রয়েছে
গত শুক্রবার মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে আবারও নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 0.61% হ্রাস পেয়েছে, আর নাসডাক 100 সূচক 0.93% হ্রাস পেয়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 0.26% হ্রাস পেয়েছে। ওয়াল স্ট্রিটে উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা বজায় রয়েছে: স্টক সূচকের ফিউচার্স আজ সামান্য পুনরুদ্ধার হয়েছে, একই সময়ে ইরানে চলমান সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষিতে তেলের মূল্য তিন বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির উদ্বেগ তীব্র হওয়ায় বন্ডের লভ্যাংশ সামান্য কমেছে। যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের তীব্রতা আগের চেয়ে অনেক বাড়ায় তখন S&P 500 সূচকের দরপতন শুরু হয়। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত এখন দ্বিতীয় সপ্তাহে গিয়ে ঠেকলেও উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েযছে, যা গত সপ্তাহের শেষে ব্রেন্ট ক্রুডের দর ব্যারেল প্রতি $100-এর ওপরে নিয়ে যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শীঘ্রই এই সামরিক সংঘাত শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিলেও—এ ধরনের মন্তব্য আর মার্কেটকে শান্ত করছে না। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল দুজন মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে নির্বাহী মেরিন ইউনিট পাঠিয়েছে—যে পদক্ষেপটি পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে আরও তীব্র করবে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। গত শুক্রবার প্রকাশিত মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ফলাফলও মার্কেটের সার্বিক পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলছে; ট্রেজারি বন্ডের দরপতন হচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদী বন্ডগুলো সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করছে। মার্কিন ডলারের দর ডিসেম্বরের পর সর্বোচ্চ স্তরে উঠে যায়। প্রতিবেদনে দেখা গেছে কর্মসংস্থানের পদ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ছাঁটাইয়ের হার কমেছে, যা নির্দেশ করে পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আগে শ্রম চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছিল। ফেডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মূল্যস্ফীতি সূচক কোর PCE সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল। কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স বা ভোক্তা মনোভাব সূচক তিন মাসের মধ্যে ন্যূনতম স্তরে নেমে এসেছে। ট্রেডাররা ওই সময় একটি ফেডারেল জজের উপরও নজর রাখছিল, যিনি জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ডকে সদর দফতরের সংস্কার সংক্রান্ত নথি সরবরাহের জন্য দেওয়া কার্যক্রম দেখভাল করছিলেন—এছাড়াও জেরোম পাওয়েলের কংগ্রেসের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/994471215.jpg[/IMG]
S&P 500-এর টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনযায়ী, ক্রেতাদের প্রধান কাজ হলো সূচকটির মূল্যকে $6,682-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেল অতিক্রম করানো। এটি সূচকটির মূল্যের নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু করতে সহায়তা করবে এবং $6,697-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করে দেবে। সূচকটির দর $6,711-এর উপরে ধরে রাখতে পারলে বুলিশ প্রবণতা আরও শক্তিশালী হবে। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, সূচকটির দর প্রায় $6,672 আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। ওই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে দ্রুত ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টটির দর $6,660 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে এবং এর ফলে $6,651 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/440546
-
২৪ মার্চ কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/878918803.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, কিন্তু এগুলো ট্রেডারদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। জার্মানি, ইউরোজোন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে মার্চ মাসের সার্ভিসেস এবং ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সংক্রান্ত সূচক প্রকাশিত হবে। সম্ভাব্যভাবে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোপীয় প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে সামান্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, তবে মার্কিন প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ততটা প্রভাব ফেলবে বলে মনে হচ্ছে না। মার্কেটের ট্রেডাররা ISM সূচকের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে অভ্যস্ত, যা প্রতি মাসের শুরুতে প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি মনে রাখবেন যে ট্রাম্প ইরানের ব্যাপারে নতুন যেকোনো বক্তব্য দিতে পারেন, যা কারেন্সি মার্কেটে আরেকটি ঝড় সৃষ্টি করতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1400371760.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে কেবল ইসিবির প্রধান অর্থনীতিবিদ ফিলিপ লেন এবং বুন্দেসব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জোয়াকিম নাগেলের বক্তৃতাই উল্লেখযোগ্য। তবে গত সপ্তাহে মার্কেটের ট্রেডাররা তিনটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরিকল্পনা সম্পর্কেই বিস্তারিত তথ্য পেয়েছে। জানা গেছে যে ফেড ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের আগে সুদের হার হ্রাসের ঝুঁকি নেবে না, আর ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড উভয়ই মূল্যস্ফীতি ত্বরান্বিত হলে আর্থিক নীতিমালা কঠোর করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তিনটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকই আশা করছে যে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে তেল ও গ্যাসের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোক্তা মূল্যস্ফীতি বাড়বে। ফলে অন্যান্য সকল পদক্ষেপ আপাতত পিছিয়ে যাচ্ছে এবং পুরোপুরিভাবে মূল্যস্ফীতির লাগাম টানার দিকে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। এছাড়া লক্ষ্যণীয় যে ট্রাম্প ইরান সম্পর্কে নতুন করে বক্তব্য দিতে পারেন, যা ট্রেডারদের জন্য অন্যান্য সকল ইভেন্টের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপুর্ণ হতে পারে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে মার্কেটে যেকোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা যেকোনো মুহূর্তে হ্রাস পেতে পারে বা আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। আজ ইউরো 1.1584-1.1591 এরিয়ার মধ্যে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3403-1.3407 এরিয়ার মধ্যে ট্রেড করা যেতে পারে। (সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায়—শুধু ভূ-রাজনীতি নয়) আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের দৃঢ় ও স্থায়ী বৃদ্ধির পর্যাপ্ত ভিত্তি দেখতে পাচ্ছি না, এবং গত সপ্তাহ ও চলতি সপ্তাহের শুরুতে সেই ভিত্তি আরও দুর্বল হয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/3NTJbc2
-
২৫ মার্চ কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/588542278.jpg[/IMG]
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার পুরো দিন জুড়ে GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি। মধ্যপ্রাচ্য বা ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে যখন কোনো সংবাদ এলো না, তাই মার্কেটের ট্রেডাররা সঠিকভাবেই অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন সামষ্টিক প্রতিবেদন দ্বারা বিভ্রান্ত হয়নি। মূলত আমরা বারবার উল্লেখ করেছি যে গত এক মাস ধরে ট্রেডাররা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সামষ্টিক পটভূমি উপেক্ষা করে চলেছেন। নাহলে মার্কিন ডলারের মূল্য এতটা বাড়তো না। গতকাল এ ব্যাপারে আমরা আবারও নিশ্চিত হয়েছি। যুক্তরাজ্যে প্রকাশিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকসমূহের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল ছিল, তবে মোটের উপর এগুলো ব্রিটিশ মুদ্রার জন্য কোনো বড় সমস্যা সৃষ্টি করেনি। মার্কিন সূচকগুলোতেও প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল ফলাফল পরিলক্ষিত হয়েছে, কিন্তু সেগুলোও ট্রেডাররা উপেক্ষা করেছে। সবাই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা সমাধানের অপেক্ষায় রয়েছে। হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান সামরিক উত্তেজনা হ্রাস পাবে, বা এই সামরিক সংঘাত কয়েক মাস ধরে চলতেই থাকবে। তাই GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ভবিষ্যত মুভমেন্ট ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব দ্বারাই নির্ধারিত হবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/230915833.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। সারাদিন এই পেয়ারের সামান্য দরপতন হয়েছে, তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় সেশনে নতুন ট্রেডাররা প্রথমে লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন এবং পরে শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারতেন। মার্কিন সেশনের সময় 1.3403-1.3407 এরিয়ার আশপাশে আরও দুইটি সেল সিগন্যাল তৈরি হওয়ায় ইতোমধ্যেই ওপেন করা শর্ট পজিশনগুলো বজায় রাখা যেতে পারত। সন্ধ্যার সময়ে সেল ট্রেডগুলো সামান্য লাভের সাথে ম্যানুয়ালি ক্লোজ করা যেত।
বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হতে শুরু করেছে, তবে এই প্রবণতা খুবই অদ্ভুত ও অনিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ নেই, তাই ২০২৬ সালে আমরা ২০২৫ থেকে শুরু হওয়া বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় চালু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000-এর দিকে নিয়ে যেতে পারে। তবে এর জন্য আগে বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা হ্রাস পেতে হবে। বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3403-1.3407 রেঞ্জের নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3319-1.3331 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3403-1.3407 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেট করে, তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে যেখানে মূল্যের 1.3437-1.3446 এবং 1.3484-1.3489-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, 1.3741-1.3751। আজ যুক্তরাজ্যে ফেব্রুয়ারির মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ; তবে মার্কেটের ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া কেবল এই প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করবে না—বরং এর ফলাফলের উপর নির্ভর করবে। যদি দেশটির মুদ্রাস্ফীতির হার 3%-এ (পূর্বাভাস) না পৌঁছায়, তাহলে ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়ার প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4uKi181
-
-
৩০ মার্চ কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার খুবই কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। জার্মানিতে আজ মার্চ মাসের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রথম মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন হতে যাচ্ছে—যখন তেল ও অন্যান্য জ্বালানি মূল্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি ত্বরান্বিত হবে এ বিষয়ে এদের কারো সন্দেহ থাকার সম্ভাবনা কম। ইসিবি এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ড মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির চাপ মোকাবিলায় আর্থিক নীতিমালা কঠোর করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবুও, গত দুই মাসে মার্কিন ডলারের দর কেবল বৃদ্ধিই পাচ্ছে, কারণ ট্রেডাররা ঝুঁকিপূর্ণ কারেন্সি ও অ্যাসেট থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নিচ্ছেন। অতএব, এই সপ্তাহের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না বলে ধারণা করা যায়।
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে জেরোম পাওয়েলের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। ফেডের চেয়ারম্যান আজ কী বিষয়ে কথা বলবেন তা আগে থেকে বলা কঠিন, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শেষ বৈঠকটি অল্প কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত হওয়ায় তিনি নতুন কোনো তথ্য প্রদান করবেন এমন সম্ভাবনা কম। ফেডের অবস্থান বেশ স্পষ্ট—সংস্থাটি আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণে বিরতি নিয়েছে, যা ইউরো ও পাউন্ডের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটাতে পারত। মূলত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির কারণে ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলার ক্রয় করছে, নাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতো। আমাদের ধারণা অনুযায়ী বর্তমানে কারেন্সি মার্কেটে ফান্ডামেন্টাল প্রেক্ষপট, টেকনিক্যাল এনালিসিস ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব ন্যূনতম পর্যায়ে রয়েছে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে মার্কেটে যেকোনো ধরনের মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ আজ মধ্যপ্রাচ্য থেকে যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো খবর আসতে পারে এবং সাম্প্রতিক সময়ে এসব খবর বেশ পরস্পরবিরোধী ছিল। আজ ইউরো 1.1527-1.1531 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3259-1.3267 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের তীব্র ও স্থায়ী উত্থানের কোনো সুস্পষ্ট ভিত্তি দেখছি না (শুধু ভূ-রাজনীতি নয় সকল বিষয় বিবেচনায়), তবে ট্রেডাররা সম্পূর্ণভাবে ভূ-রাজনীতির ওপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারই সমর্থন পাচ্ছে।
Read more: https://ifxpr.com/48fpwdo
-
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য তেলের দরপতন ঘটিয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/423862315.jpg[/IMG]
গতকাল অনলাইনে এক প্রতিবেদনে জানা যায় যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সহকর্মীদের বলেছেন তিনি ইরানে সামরিক অভিযান শেষ করতে প্রস্তুত, যদিও গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর বড় একটি অংশে বন্ধ থেকেই যেতে পারে—এরপর তেলের তীব্র দরপতন ঘটেছে। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম কমে ব্যারেল প্রতি প্রায় $103-এর কাছাকাছি নেমে এসেছে, যা এর আগে তেলের ট্যাঙ্কারে ইরানের হামলার পর প্রায় 4% বৃদ্ধি পেয়েছিল। তেলের দরপতন দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম, বরং মার্কেটে মিশ্র প্রভাব দেখা যেতে পারে। তেল আমদানি নির্ভর দেশগুলোর জন্য এটি ভালো খবর, কারণ এতে মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পায় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উৎসাহিত করার সুযোগ থাকে। তবে তেল রপ্তানিতে ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল অর্থনীতির জন্য এটি কার্যকর বিকল্প নয়।ট্রাম্পের বিবৃতি অনুযায়ী যদি সত্যিই সংঘাত হ্রাসের লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হয়ে থাকে (যদিও সে সম্ভাবনা কম)—তেহরানের দৃষ্টিতে এটি নিজ অবস্থান দৃঢ় করার ও বিরোধ বাড়ানোর সংকেত হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনার দেখা দিতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার অনিশ্চিত পরিণতি দেখা যেতে পারে।আর কোনো নতুন ঘটনা বা উত্তেজনার বৃদ্ধি পেলে তৎক্ষণাৎ তেলের দর আগের উচ্চতার দিকে ফিরে যেতে পারে, যা বর্তমান দরপতন থামিয়ে বিশ্ব অর্থনীতিকে আবারও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে পারে।মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প ও তাঁর সহকর্মীরা মূল্যায়ন করেছেন যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় অবরোধমুক্ত করার লক্ষ্য চলমান যুদ্ধকে নির্ধারিত ৪-৬ সপ্তাহের চেয়ে আরও বেশি দীর্ঘায়িত করবে। এর আগে এই মাসের শুরুতে ব্রেন্ট ক্রুডের দর প্রায় $113 ছিল।উল্লেখ্য যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিয়মিতভাবে যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত এবং সামরিক কার্যক্রম বাড়ানোর হুমকির মধ্যে অপ্রাসঙ্গিকভাবে স্থিতিশীল থাকেন না। সোমবার ট্রাম্প বলেছিলেন, যদি হরমুজ প্রণালী না খোলা হয় তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তেল অবকাঠামো এবং সম্ভবত পরিশোধন অবকাঠামো ধ্বংস করবে—রাতে আবার তিনি এর বিকল্প বক্তব্যও দিয়েছিলেন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1424611197.jpg[/IMG]
উত্তেজনার জবাবে ইরান গতকাল দুবাই বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা তেলভর্তি কুয়েতি ট্যাঙ্কারে আক্রমণ চালিয়েছে, আর পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। কুয়েতি ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম কোম্পানির বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে ইরানি কর্তৃপক্ষ দুবাই বন্দরে "আল-সালামি" নামে থাকা ওই ট্যাংকারটিকে আঘাত করেছে, যা কাঁচা তেল পরিবহনের জন্য পূর্ণভাবে ভর্তি ছিল—ফলে আগুন লেগেছে এবং জাহাজের ক্ষতি হয়েছে।মঙ্গলবার তেলের দরপতনের পরেও, মার্কিন বেঞ্চমার্ক সূচক মার্চে ৫০%-এর বেশি বৃদ্ধি দেখিয়েছে—এটি মে ২০২০-এর পর থেকে সর্ববৃহৎ বৃদ্ধি—অপরদিকে ব্রেন্ট তেলের দর মাসিক ভিত্তিতে শক্তিশালী বৃদ্ধি প্রদর্শন করছে। মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আমেরিকান সৈন্যবাহিনী বৃদ্ধি এবং ইরানে স্থল বাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা থাকায় মার্কেটে স্নায়বিক চাপ বজায় রয়েছে। তেলের বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের প্রথমে মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স $106.83 অতিক্রম করাতে হবে। এতে করে তারা তেলের মূল্যকে $113.36-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে পারবে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া কষ্টসাধ্য হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে তেলের মূল্যের প্রায় $115.40-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। দরপতনের ক্ষেত্রে মূল্য $100.40-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ঐ রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর গুরুতর আঘাত হবে এবং তেলের দর দ্রুত $92.54-এ নেমে যেতে পারে, এবং পরবর্তীতে $86.67 পর্যন্ত সম্ভাবনা তৈরি হবে।
Read more: https://ifxpr.com/3NYBOQx
-
১ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/656791389.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বুধবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, এবং গতকাল দেখা গেছে যে ট্রেডাররা এক দেড় মাস পর আবার অর্থনীতির দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। আশা করা যেতে পারে যে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে নতুন কোনো উসকানিমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না এবং কারেন্সি পেয়ারগুলোর মূল্য অবশেষে শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতি ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ের দ্বারা প্রভাবিত হতে শুরু করবে। আজ ইউরোজোন ফেব্রুয়ারির বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে, তবে এই সূচকটির ফলাফল ট্রেডারদের বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করবে বলে মনে হয় না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলো মার্কিন ট্রেডিং সেশনে প্রকাশিত হবে। প্রথমত, সেখানে ব্যক্তিগত খাতের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ADP প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। মনে রাখবেন এটি শ্রমবাজার পরিস্থিতি নির্ধারণের জন্য সবচেয়ে সঠিক বা গুরুত্বপূর্ণ সূচক নয়, তবু ট্রেডাররা এই প্রতিবেদনের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। দ্বিতীয়ত, খুচরা বিক্রয় সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এটিও সর্বোচ্চ গুরুত্বসম্পন্ন সূচক না হলেও ট্রেডারদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে। তৃতীয়ত, ISM ম্যানুফ্যাকচারিং ইনডেক্স বা উৎপাদন সূচক প্রকাশিত হবে — যা প্রকৃতপক্ষেই বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিবেদন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1343938301.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ফেডের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাদের বক্তব্য উল্লেখযোগ্য, তবে এই সপ্তাহে জেরোম পাওয়েল ইতোমধ্যে একটি বক্তব্য দিয়েছেন যেখানে তিনি ফেড অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের অবস্থান গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছিলেন। অন্য কথায়, ফেড শিগগিরই সুদের হার কমানো বা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে না। ফেডের অবস্থান বেশ স্পষ্ট — মুদ্রানীতির নমনীয়করণ স্থগিত রয়েছে, যা ইউরো ও পাউন্ডের বিপরীতে মার্কিন ডলারের অবস্থান দুর্বল করে দেয়, কারণ উক্ত ইসিবি ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ড প্রয়োজনে সুদের হার বাড়াতে প্রস্তুত। যদি ভূ-রাজনৈতিক পটভূমির প্রভাব কমে যায়, তাহলে ডলারের দরপতন শুরু হতে পারে।
উপসংহার: সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, কারণ একটি কারেকশন শুরু হয়েছে এবং ট্রেডাররা ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। আজ ইউরো 1.1584-1.1591 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3259-1.3267 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের উল্লেখযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী দর বৃদ্ধির কোনো ভিত্তি দেখতে পাইনি (সব বিষয় বিবেচনা করে, শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতি নয়); তবে স্বল্পমেয়াদে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে সম্পূর্ণভাবে অবহেলা করা যায় না।
Read more: https://ifxpr.com/4sKEZKX
-
২ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/642425615.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। সঠিকভাবে বলতে গেলে কেবল একটি প্রতিবেদন প্রকাশের কথা আছে, যা পুরোপুরিভাবে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আজ আনএমপ্লয়মেন্ট ক্লেইমস বা বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটের ট্রেডারদের মনোযোগ আকর্ষণ করবে বলে মনে হচ্ছে না। গতকাল মার্কেটের ট্রেডাররা আবারও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন উপেক্ষা করেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1948672883.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবার ইসিবি বা ফেডের প্রতিনিধিদের বক্তৃতাগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়ার তেমন কোনো মানে নেই। ট্রেডাররা এখনও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কহীন সকল বিষয় উপেক্ষা করে চলেছে। গতরাতে আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বক্তৃতা দেন, যেখানে তিনি পুনরায় অতি শীঘ্রই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেন—যেটি তিনি নিজেই শুরু করেছিলেন। ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন যে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা আরও দুই-থেকে-তিন সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে যাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে অচল করা যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে বলেন যে আমেরিকা হরমুজ প্রণালী অবরোধমুক্ত করার ব্যাপারে আগ্রহী নয়, এবং এ বিষয়টি সেইসব দেশকে সামাল দিতে হবে যারা এই প্রণালী ব্যবহার করে তেল পরিবহন করে। যেমনটি আমরা দেখতে পাচ্ছি, অতি-শীঘ্রই যুদ্ধ সমাপ্তির জন্য স্পষ্ট কোনো সংকেত নেই, এবং ট্রাম্প কার্যত হরমুজ প্রণালী বা তেলের দাম নিয়ে মোটেও উদ্বিগ্ন নন। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষদিকের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যই যেকোনো দিকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করতে পারে, কারণ মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও শুধুমাত্র ভূ-রাজনৈতিক খবরের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে, যা পূর্বাভাসযোগ্য নয়। ইউরো আজ 1.1527-1.1531 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3203-1.3212 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের স্থায়ী উর্ধ্বমুখী প্রবণতা কোনো সম্ভাবনা দেখছি না (শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতি নয় সব কারণ বিবেচনায়), তবে নিকটমেয়াদে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিই কারেন্সি মার্কেটে মূল প্রভাব বিস্তার করবে।
Read more: https://ifxpr.com/3NUwUnQ
-
-
-
-
৮ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/752855985.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বুধবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং এগুলোর মধ্যে কোনোটিই তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। ট্রেডাররা শুধুমাত্র ইউরোজোনের খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে দৃষ্টিপাত করতে পারেন, কিন্তু এখন ইউরোজোনের খুচরা বিক্রয় সূচকের প্রতি কারই বা কতটা আগ্রহ আছে? গত রাতে জানা যায় যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে শান্তি চুক্তির জন্য সক্রিয় আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তদুপরি উভয়পক্ষ এখনও সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী অবস্থান বজায় রেখেছে। ইরান দাবি করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের সকোল শর্ত মেনে নিয়েছে, আর ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে ইরান হরমুজ প্রণালী খুলতে সম্মত হয়েছে—এ থেকে বোঝা যায় যে নিকট ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঘটবে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1815834427.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ফেডারেল রিজার্ভের সর্বশেষ বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশিত হবে; কিন্তু মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও ভূ-রাজনীতির বাইরে থাকা সকল বিষয় উপেক্ষা করে চলেছে। ফেডের বৈঠক তিন সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, এবং তারপর থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত অবস্থান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিনিধিদের বক্তব্য এবং প্রায় সকল সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন একরকম উপেক্ষিতই হচ্ছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে ফেডের কার্যবিবরণীর তেমন কোনো প্রাসঙ্গিকতা নেই। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি-পেয়ারের মূল্যের যেকোনো দিকেই মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ মার্কেটের ট্রেডাররা শুধুমাত্র ভূ-রাজনৈতিক সংবাদের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে, যার পূর্বাভাস দেয়া অসম্ভব। আজ ইউরো 1.1655-1.1666 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3403-1.3407 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন মুদ্রার মূল্যের শক্তিশালী ও স্থায়ী বৃদ্ধির জন্য কোনো মৌলিক ভিত্তি দেখছি না (শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতি নয় সকল বিবেচনায় নিয়ে), এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ইতোমধ্যেই মার্কিন ডলারের দরপতন শুরু হয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/47OLLXL
-
৯ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/826507545.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে, এবং মার্কেটের ট্রেডারদের দৃষ্টি আবারও ভূ-রাজনীতির দিকে সরে যেতে পারে। সকালের দিকে জার্মানিতে ট্রেড ব্যালেন্স, আমদানি, রপ্তানি এবং শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আমাদের মতে, এগুলো স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন এবং এগুলোর প্রভাবে মার্কেটে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির আশা করা কঠিন। যুক্তরাষ্ট্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপির তৃতীয় অনুমান, ব্যক্তিগত আয় ও ব্যয়, এবং কোর পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেনডিচার প্রাইস ইনডেক্স প্রকাশিত হবে। মার্কিন প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে; তবে আবারও বলা যায়—মার্কেটের ট্রেডাররা ভূ-রাজনৈতিক খবরের জন্য অপেক্ষা করবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2122434246.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবার কোনো উল্লেখযোগ্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নেই; তবু মার্কেটের ট্রেডাররা এখনো ভূ-রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এমন সব ইভেন্ট ও সংবাদ উপেক্ষা করছে। গত রাতে জানা যায় যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, কিন্তু দিনের বেলায় যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরায়েল নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। সুতরাং এই মুহূর্তে এটি সম্পূর্ণভাবে স্পষ্ট নয় যে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়েছে কি না। আগামী দিনগুলোতে মার্কেটের ট্রেডারদের এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে হবে। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষ দিকের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের যেকোনো দিকে মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ মার্কেটের ট্রেডাররা এখনো কেবল ভূ-রাজনৈতিক সংবাদের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে, যার পূর্বাভাস দেয়া কঠিন। আজ ইউরো 1.1655-1.1666 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3403-1.3407 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী উত্থানের জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি দেখছি না (সকল বিষয় বিবেচনায়, কেবল ভূ-রাজনীতি নয়), এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নতির হওয়ার সঙ্গে সাথে মার্কিন ডলার তৎক্ষণাৎ দরপতনের শিকার হয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4cypos8
-
১০ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার আপাতদৃষ্টিতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনটির দ্বিতীয় অনুমান প্রকাশ করা হবে, তাই এটি ট্রেডারদের মনোযোগ বিশেষভাবে আকর্ষণ করবে বলে মনে হয় না। বিপরীতে, মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন ট্রেডারদের আগ্রহ আকর্ষণ করতে পারে, যদিও গত দুই মাসে প্রকাশিত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন ট্রেডাররা একরকম উপেক্ষাই করেছে। তাই মার্কিন ট্রেডিং সেশনে উচ্চ মাত্রার অস্থিরতার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত, তবে ট্রেডাররা যদি এই প্রতিবেদনটিও উপেক্ষা করে সেটি অস্বাভাবিক হবে না। ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিই মার্কেটে মূল প্রভাব বিস্তার করছে, এবং যদি এ ব্যাপারে নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য সংবাদ আসে, ট্রেডাররা প্রথমে সেটারই প্রতিক্রিয়া জানাবে। মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোক্তা মনোভাব সূচকটিও বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এই প্রতিবেদনের প্রভাবে মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির আশা করা ঠিক হবে না। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কোনো কিছুই নেই; মার্কেটের ট্রেডাররা এখনো ভূ-রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কহীন প্রায় সকল সংবাদ ও ইভেন্ট উপেক্ষা করে চলেছে। বুধবার রাতেরবেলা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত খবর উঠে আসে, এবং পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরায়েল নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়—ফলে বর্তমানে এটি স্পষ্ট নয় যে যুদ্ধবিরতিটি শেষ হয়েছে নাকি বহাল রয়েছে। যেহেতু ট্রেডাররা এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছে না, তাই মার্কিন ডলারের দরপতন থেমে গেছে। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যই যেকোনো দিকে যেতে পারে, কারণ মার্কেটে কেবল ভূ-রাজনৈতিক সংবাদের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, যার পূর্বাভাস দেয়া অসম্ভব। আজ ইউরো 1.1655-1.1666 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3403-1.3407 বা 1.3437-1.3446 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনো মার্কিন ডলারের মূল্যের শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি দেখছি না (সব বিষয় বিবেচনায়, কেবল ভূ-রাজনীতি নয়), এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সাথে সাথেই মার্কিন ডলারে মূল্যে ইতোমধ্যেই ধস নেমেছে।
Read more: https://ifxpr.com/3QgwkBv
-
-
-
১৬ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1825380744.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রতিবেদন হিসেবে যুক্তরাজ্যে জিডিপি ও শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তবে এবারের জিডিপি প্রতিবেদনে প্রান্তিকের বদলে এক মাসের (ফেব্রুয়ারি) ফলাফল প্রকাশিত হবে, এবং ট্রেডাররা সাধারণত এই ধরনের প্রতিবেদনের প্রতি সীমিত আগ্রহ প্রদর্শন করে। শিল্প উৎপাদন বেশ আকর্ষণীয় একটি সূচক, কিন্তু এটিও খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও শিল্প উৎপাদন এবং জবলেস ক্লেইমস সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আমরা উভয় মার্কিন প্রতিবেদনের গুরুত্ব কম বলে বিবেচনা করছি। তাই আজ মার্কেটের মুভমেন্টের উপর সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব সীমিতই থাকবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/130440608.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং ফেডারেল রিজার্ভের কয়েকজন প্রতিনিধির বক্তব্যকে উল্লেখযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা যায়, যদিও তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যের আশা করা হচ্ছে না। গত দুই দিনে ক্রিস্টিন লাগার্ড ও অ্যান্ড্রু বেইলি ইতোমধ্যে ভাষণ দিয়েছেন এবং তাঁরা নতুন কোনো তথ্য প্রদান করেননি। উভয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এপ্রিল থেকেই মুদ্রানীতি কঠোর করতে প্রস্তুত রয়েছে, কিন্তু এ বিষয়ে শতভাগ নিশ্চয়তার দরকার নেই, কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের সমাধান চান। ফলে তেলের ও গ্যাসের মূল্য শিগগিরই স্থিতিশীল হতে পারে। যদি তেল ও গ্যাসের দাম পড়ে যায়, তাহলে মূল্যস্ফীতির তীব্রতা কমবে এবং মুদ্রানীতি কঠোর করার প্রয়োজন নাও পড়তে পারে। ফেড সম্পর্কে বলতে গেলে, জেরোম পাওয়েল ও তার টিম 2026 সালে মুদ্রানীতি কঠোর পরিকল্পনা করেননি; সর্বোত্তম পরিস্থিতিতেও ফেডের মূল সুদের হার পুরো বছর জুড়ে অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের চতুর্থ দিনের ট্রেডিংয়ে চলমান প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে, কিন্তু ট্রেডারদের টেকনিক্যাল লেভেল ও কারণগুলোর উপর নির্ভর করা উচিত। আজ ইউরো 1.1830-1.1837 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3529-1.3543 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও দৃঢ়ভাবে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য কোনো কার্যকর ভিত্তি দেখতে পাচ্ছি না (শুধু ভূ-রাজনীতি নয়, সব বিষয় বিবেচনা করে), তাই উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের 2025 থেকে শুরু হওয়া ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা 2026 সালেও পুনরায় শুরু হবে বলে প্রত্যাশা করছি—ফলস্বরূপ ইউরো ও পাউন্ডের মূল্যের চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/48A1Bpk
-
-
২০ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1391488619.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, কেবলমাত্র জার্মানির উৎপাদক মূল্য সূচক প্রকাশিত হবে, যা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। মার্কেটের ট্রেডাররা যেকোনো সামষ্টিক প্রতিবেদনের প্রতি তুলনামূলকভাবে দুর্বল প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। গত দুই মাসে প্রায় সবগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন উপেক্ষিত হয়েছে। যেখানে আগে মার্কেটের ট্রেডাররা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও ঝুঁকি এড়ানোর কারণে কেবল মার্কিন ডলার কিনেছিল, গত দুই সপ্তাহে সংঘাত প্রশমনের সম্ভাবনার ফলে ট্রেডাররা মার্কিন ডলার বিক্রি করেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত আবারও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে, যা এই সপ্তাহেই ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/551698153.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবারের মূল ইভেন্ট হিসেবে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। তবে ট্রেডাররা এখনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতি সংক্রান্ত বিষয়গুলো উপেক্ষা করে চলেছে। সেজন্য ইসিবি, ফেডারেল রিজার্ভ ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিদের বক্তব্য আপাতত মার্কেটে খুব একটা প্রভাব ফেলছে না। ফেড ২০২৬ সালে মুদ্রানীতি কঠোর করবে বলে আশা করা হচ্ছে না, আর ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ও ইসিবি উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির প্রেক্ষাপটে মূল সুদের বাড়াতে পারে। তবে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রায় প্রতিদিন বদলে যাওয়ার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো মুদ্রানীতির ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে তাড়াহুড়ো করবে না। উদাহরণস্বরূপ, যদি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে এই সপ্তাহেই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পুনরায় শুরু হতে পারে; ফলে ইসিবি ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ড এপ্রিলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য অপেক্ষা করতে পারে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কারেকশন অব্যাহত থাকতে পারে, কিন্তু ট্রেডারদের জন্য টেকনিক্যাল লেভেল ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর ওপর নজর রাখাই শ্রেয়। আজ ইউরো 1.1745-1.1754 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3476-1.3489 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের শক্তিশালী ও টেকসই বৃদ্ধির জন্য (শুধু ভূ-রাজনীতি নয়, সব বিষয় বিবেচনা করে) কোনো ভিত্তি দেখছি না, তাই 2025 সালের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি—ফলশ্রুতিতে ইউরো এবং পাউন্ডের মূল্য 4-বছরের উচ্চতার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4thF2Ot
-
২১ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1552949148.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশের কথা থাকলেও সত্যিকার অর্থে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। সম্ভবত সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রতিবেদন হিসেবে যুক্তরাজ্যের বেকারত্বের হারকে বিবেচিত হচ্ছে; এছাড়াও যুক্তরাজ্যে বেকার ব্যক্তির সংখ্যার পরিবর্তন এবং মজুরি সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। জার্মানি ও ইউরোজোনে ZEW অর্থনৈতিক প্রত্যাশা সূচক প্রকাশিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ADP বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান এবং খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। মোটের ওপর প্রতিটি প্রতিবেদনই মার্কেটে তুলনামূলকভাবে সামান্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, তবে প্রায় সবগুলোই প্রতিবেদনই স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/313224263.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবারের উল্লেখযোগ্য ইভেন্টগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট লুইস দে গুইন্ডোস ও ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সদস্য ক্রিস্টোফার ওয়ালেরারের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। তবে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক নীতিমালার প্রতি ততটা প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করছে না, ফলে এই মুহূর্তে ইসিবি, ফেড ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিদের বিবৃতিগুলো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়। 2026 সালে ফেডের আর্থিক নীতিমালা কঠোর হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে না, যখন মুদ্রাস্ফীতির হার বাড়তে থাকলে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ও ইসিবি মূল সুদের হার বাড়াতে পারে। তবুও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রায় প্রতিদিনই বদলে যাচ্ছে, ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। উদাহরণস্বরূপ, যদি ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো চুক্তি না হয় তাহলে এই সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হতে পারে—আর আলোচনা বাতিল করা হলে কীভাবে চুক্তি হবে? তাই ইসিবি ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ড যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কারেকশন অব্যাহত থাকতে পারে, কিন্তু ট্রেডারদের টেকনিক্যাল লেভেল ও প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোর উপর দৃষ্টিপাত করা উচিত। আজ ইউরো 1.1745-1.1754 এরিয়ার মধ্যে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3476-1.3489 এরিয়ার মধ্যে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের শক্তিশালী ও স্থায়ী বৃদ্ধির যৌক্তিক কোনো ভিত্তি দেখছি না (শুধু ভূ-রাজনীতি নয়, সব বিষয় বিবেচনায়), তাই 2025 সালের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা 2026 সালেও পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যার ফলে ইউরো ও পাউন্ডের মূল্য ৪ বছরের উচ্চতার দিকে এগিয়ে যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3Qe0qpt
-
২২ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/297553490.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বুধবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, সেইসাথে মঙ্গলবার দেখা গেছে যে ট্রেডাররা প্রকাশিত অধিকাংশ প্রতিবেদন উপেক্ষা করে চলছে। উদাহরণস্বরূপ, গতকাল ট্রেডাররা যুক্তরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রতি মোটেই প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। আজ দিনের একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে যুক্তরাজ্যে মার্চ মাসের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনটির ফলাফলের মাধ্যমে বোঝা যাবে যে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের মধ্যে জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোক্তা মূল্য সূচকের ওপর কেমন প্রভাব পড়েছে। আগামী মাসগুলোতে মুদ্রাস্ফীতির হার যত বেশি বাড়বে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের আর্থিক নীতিমালা কঠোর হওয়ার সম্ভাবনা ততই বাড়বে। তবে আবারও এটি বলা দরকার যে ট্রেডাররা বর্তমানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল ও মৌলিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/646052471.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ফিলিপ লেন এবং ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিনে লাগার্ডের বক্তব্য বেশ উল্লেখযোগ্য। তবুও ট্রেডাররা এখনও আর্থিক নীতিমালার প্রতি তেমন কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না, ফলে ইসিবি, ফেড ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিদের বিবৃতি এই মুহূর্তে ততটা প্রাসঙ্গিক নয়। 2026 সালে ফেডের আর্থিক নীতিমালা কঠোর হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যখন মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেলে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ও ইসিবি মূল সুদের হার বাড়াতে পারে। তবু ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রায় প্রতিদিনই বদলাচ্ছে, ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাদ্বন্দের মধ্যে রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যদি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত না হয় তাহলে এই সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হতে পারে—আর যদি ইরান দ্বিতীয় দফায় আলোচনায় বসতে সম্মত না হয় তাহলে চুক্তি কীভাবে হবে? তবে বাস্তব ও নিশ্চিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে ট্রেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত: হয় যুদ্ধ পুনরায় শুরু হবে, না হলে আলোচনা শুরু হবে ও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে।
উপসংহার: সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কারেকশন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে ট্রেডারদের টেকনিক্যাল লেভেল এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর উপর দৃষ্টিপাত করা উচিত। আজ ইউরো 1.1745-1.1754 এরিয়ার মধ্যে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3476-1.3489 এরিয়ার মধ্যে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের শক্তিশালী ও স্থিতিশীল বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি দেখতে পাচ্ছি না (শুধু ভূ-রাজনীতি নয়, সব বিষয় বিবেচনায়), তাই ২০২৫ সালের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ২০২৬ সালেও পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যার ফলে ইউরো ও পাউন্ডের মূল্য ৪ বছরের উচ্চতার দিকে যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4mOXxaU
-
২৩ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1852135674.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মূলত জার্মানি, ইউরোজোন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে সার্ভিস এবং ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচকগুলোর ওপর ট্রেডাররা নজর দেবে। লক্ষ্যণীয় যে মার্কিন সূচকের ফলাফল ট্রেডারদের জন্য তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ যুক্তরাষ্ট্রে স্বতন্ত্র ISM বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচক প্রকাশিত হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় সূচকগুলোও মার্কেটে অত্যন্ত দুর্বল প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, কারণ ট্রেডাররা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট একরকম উপেক্ষা করে চলেছে। এই প্রবণতা গত দুই মাস ধরে অব্যাহত আছে। এ মুহূর্তে ট্রেডাররা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত সমাধানের প্রতীক্ষায় রয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/813656659.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবার বিশেষ কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নেই। এই সপ্তাহে ক্রিস্টিন লাগার্ড দুইবার ভাষণ দিয়েছেন, তবুও ট্রেডাররা এখন মুদ্রানীতি নিয়ে তেমন চিন্তিত নয়, ফলে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ফেডারেল রিজার্ভ ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিদের বিবৃতি বর্তমানে খুব বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে যে ফেড ২০২৬ সালে মুদ্রানীতি কঠোর করবে না, যদিও মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেলে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ও ইসিবি মূল সুদের হার বাড়াতে পারে। তবে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রায় প্রতিদিনই বদলায়, যা মুদ্রানীতির ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাজ কঠিন করে তুলেছে। উদাহরণস্বরূপ, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত না হলে মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুতই পুনরায় সংঘাত শুরু হতে পারে; তবে ইরান দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসতে সম্মত না হলে চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নেই। সত্যিকারের পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে ট্রেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত: হয় যুদ্ধ পুনরায় শুরু হবে, অথবা আলোচনা হবে ও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়বে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষদিকের ট্রেডিংয়ে উভয় পেয়ারের মূল্যের কারেকশন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে ট্রেডারদের টেকনিক্যাল লেভেল ও বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করে ট্রেডিং করা উচিত। আজ ইউরো 1.1745-1.1754 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3476-1.3489 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। স্বল্পমেয়াদে উভয় পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে বর্তমানে ট্রেডাররা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত সমাধানের অপেক্ষায় রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4w1gNpM
-
২৪ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/779718839.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং ট্রেডাররা এখনও পুরো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছে। নিশ্চয়ই আমরা যুক্তরাজ্যের রিটেইল সেলস, জার্মানির বিজনেস ক্লাইমেট সূচক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার সেন্টিমেন্ট সূচকের কথা উল্লেখ করব, তবে এসব প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির সম্ভাবনা বেশ কম। এই সপ্তাহে মার্কেটে কারেকশন হচ্ছে এবং ট্রেডাররা মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির ব্যাপারে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনও বেশ ঘোলাটে রয়েছে...
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/886438561.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবার কার্যত কোনোই উল্লেখযোগ্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নেই। এই সপ্তাহে ক্রিস্টিন লাগার্ড দুইবার ভাষণ দিয়েছেন, তবুও ট্রেডাররা এখন মুদ্রানীতি নিয়ে তেমন চিন্তিত নয়, ফলে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ফেডারেল রিজার্ভ ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিদের বিবৃতি বর্তমানে খুব বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে যে ফেড ২০২৬ সালে মুদ্রানীতি কঠোর করবে না, যদিও মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেলে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ও ইসিবি মূল সুদের হার বাড়াতে পারে। তবে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রায় প্রতিদিনই বদলায়, যা মুদ্রানীতির ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাজ কঠিন করে তুলেছে। উদাহরণস্বরূপ, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত না হলে মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুতই পুনরায় সংঘাত শুরু হতে পারে; তবে ইরান দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসতে সম্মত না হলে চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নেই। একই সময়ে, এ সপ্তাহে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে, কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধৈর্য কতদিন বজায় থাকবে তা স্পষ্ট নয়। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষদিনের ট্রেডিংয়ে উভয় পেয়ারের মূল্যের কারেকশন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে ট্রেডারদের টেকনিক্যাল লেভেল ও বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করে ট্রেডিং করা উচিত। আজ ইউরো 1.1655-1.1666 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3476-1.3489 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে।স্বল্পমেয়াদ উভয় পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে বর্তমানে ট্রেডাররা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত সমাধানের অপেক্ষায় রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4tq55De
-
-
২৮ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2133122611.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রে আজ সাপ্তাহিক ADP কর্মসংস্থান এবং CBসিবি কনজিউমার কনফিডেন্স ইনডেক্স বা ভোক্তা আস্থা সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা সম্পূর্ণভাবে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন। মার্কেটে এই প্রতিবেদনগুলোর কোনোভাবেই উল্লেখযোগ্য প্রভাবিত বিস্তারের সুযোগ নেই। জার্মানি, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে আজ কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1714598919.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ক্রিস্টিন লাগার্ডের বক্তব্যটিকে কিছুটা উল্লেখযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে, কিন্তু তিনি গত সপ্তাহেই দুইবার ভাষণ দিয়েছেন এবং আসন্ন বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সুতরাং, লাগার্ড আজ ট্রেডারদের কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করবেন সেই সম্ভাবনা কম। ট্রেডাররা সামগ্রিকভাবে আর্থিক নীতিমালার বিষয়টি উপেক্ষা করছে, ঠিক যেমনটা তারা সামষ্টিক পটভূমিকেও উপেক্ষা করছে। অতএব, বর্তমানে ইসিবি, ফেডারেল রিজার্ভ এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিদের বিবৃতির তেমন কোনো গুরুত্ব নেই। আমরা এই বিষয়টিও নিশ্চিত নই যে ট্রেডাররা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠকের সিদ্ধান্তের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখাবে কি না। 2026 সালে ফেডের মুদ্রানীতি কঠোর হওয়ার সম্ভাবনা নেই, এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ও ইসিবি মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে মূল সুদের হার বাড়াতে পারে—কিন্তু তা এপ্রিল মাসে করা হবে না। ভূ-রাজনৈতিক পটভূমি অনিশ্চয়তায় পরিপূর্ণ থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো আর্থিক নীতিমালার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে খুব একটা তৎপর হচ্ছে না। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পুনরায় শুরু হতে পারে; ইরান যদি দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসতে রাজি না হয় তাহলে কোনো চুক্তিই স্বাক্ষরিত হবে না। ইতোমধ্যে যুদ্ধবিরতি বজায় আছে এবং হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ অবস্থান রয়েছে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ট্রেড করা উচিত হবে। আজ ইউরো 1.1745-1.1754 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3476-1.3489 এবং 1.3587-1.3598 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। উভয় পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে এই সপ্তাহে মৌলিক ও সামষ্টিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব খুবই শক্তিশালী থাকবে, ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব ইতোমধ্যেই বেশ অনেকটা ম্লান হয়ে গেছে, এবং ইউরো ও পাউন্ডের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রবণতা বজায় রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/42Aiwog
-
২৯ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/448302812.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বুধবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং অবশেষে মার্কেটে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন আসতে শুরু করবে। আজ আমরা যুক্তরাষ্ট্রের ডিউরেবল গুডস অর্ডার এবং জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনে দিকে নজর রেখে ট্রেড করার পরামর্শ দিচ্ছি। তবে ট্রেডাররা উভয় প্রতিবেদনই উপেক্ষা করতে পারে, কারণ এগুলো 'অত্যন্ত-গুরুত্বপূর্ণ' প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হয় না, এবং গত দুই মাস ধরে ট্রেডাররা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের প্রতিও খুব কম মনোযোগ দিচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1502881205.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: আজকের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের মধ্যে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠকটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি চেয়ারম্যান হিসেবে জেরোম পাওয়েলের শেষ বৈঠক হতে যাচ্ছে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের আশা করা যাচ্ছে না, ট্রেডাররা আশাবাদী যে মূল সুদের হার অপরিবর্তিত থাকবে। সংবাদ সম্মেলনে পাওয়েল সম্ভবত অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কথা বলবেন, এবং তাঁর বক্তব্য পূর্ববর্তী ভাষণের তুলনায় খুব বেশি ভিন্ন হবে না বলে ধারণা করা যায়। অতএব আজ মার্কেটে ফেডের বৈঠকের প্রভাবও যথেষ্ট দুর্বল হতে পারে এবং কোনো কারেন্সি পেয়ারের টেকনিক্যাল চিত্রে তা উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই ধারণা করা যায়। উচ্চ মাত্রার ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বজায় রয়েছে, ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে তাড়াহুড়ো করে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর না হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হতে পারে। ইরান যদি দ্বিতীয় দফার আলোচনাতে না বসে তাহলে চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ইতোমধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ রয়েছে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্য সন্ধ্যায় উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা প্রদর্শন করতে পারে, তবে দিনের মধ্যে আবার টেকনিক্যাল কারণগুলো প্রাধান্য বিস্তার করবে। ইউরো আজ 1.1655-1.1666 এবং 1.1745-1.1754 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3476-1.3489 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। উভয় পেয়ারের মূল্যের কারেকশন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে ট্রেডাররা আজ ফেডের বৈঠকের দিকে মনোযোগ দিতে পারে, যা মার্কেটে বাড়তি মুভমেন্ট সৃষ্টি করতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4ecrnnl