-
-
আইএমএফ সতর্ক সংকেত দিলো
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1965703416.jpg[/IMG]
ইউরো, পাউন্ড স্টারলিং এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলো মার্কিন ডলারের বিপরীতে দরপতন কিছুটা পুষিয়ে নিয়েছে—তবুও আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সতর্ক করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য একটি পরীক্ষা হবে এবং বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রার নতুন অস্থিরতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। জর্জিয়েভা জোর দিয়ে বলেছেন যে আধুনিক বাজার, সরবরাহ শৃঙ্খল ও আর্থিক ব্যবস্থার আন্তঃসংযোগ একটি স্থানীয় সংকটকে বৈশ্বিক অগ্নিপরীক্ষায় পরিণত করেছে। পূর্ববর্তী অস্থিরতার পরে যে স্থিতিশীলতার কথা বারবার বলা হত, এবার তা বাস্তবে "অগ্নিরূপ" ধারণ করেছে। তার বক্তব্যের সবচেয়ে উদ্বেগজনক অংশ ছিল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ম্লান পূর্বাভাস—বিশ্বক চলমান অস্থিরতার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে এই অস্থিরতার রূপ পরিবর্তনশীল হতে পারে—গুরুত্বপূর্ অবকাঠামোর ওপর সাইবার আক্রমণ থেকে শুরু করে প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থার আর্থিক নীতিমালার হঠাৎ পরিবর্তন, দারিদ্রপীড়িত অঞ্চলে খাদ্য সংকট থেকে নতুন সমস্যা হিসেবে জোরপূর্বক অভিবাসন পুরো মহাদেশকে অস্থির করে তুলতে পারে। তার এই সতর্কবাণী কেবল ঝুঁকিপূর্ণ বিবৃতি ছিল না—এটি সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান ছিল। জর্জিয়েভা মানবিক সংকটের ব্যাপারেও উদ্বেগ প্রকাশ করে উল্লেখ করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি মূল্য, বাজার পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতিকে প্রভাবিত করবে এবং বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারকদের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করবে। তিনি সম্মেলনে বলেন, "আমরা এমন একটি বিশ্বে বাস করছি যেখানে ক্রমবর্ধমানভাবে অপ্রত্যাশিত অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা সেগুলো কেমন হবে সঠিকভাবে সেই পূর্বাভাস দিতে পারি না। তবে আমরা সবসময় তাদের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত থাকার চেষ্টা করতে পারি।" এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা পদক্ষেপ হরমুজ প্রণালীতে পরিবহন ও তেল প্রবাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। জ্বালানি মূল্যের ঊর্ধ্বগতি মুদ্রাস্ফীতি উসকে দিয়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আরেকটি বিষয় হলো শুল্ক সংক্রান্ত অস্থিরতা, যে ব্যাপারে জর্জিয়েভা গত মাসে সতর্ক করেছেন যে এমনকি এটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকেও ক্ষুণ্ণ করতে পারে। এ পর্যন্ত জানুয়ারিতে আইএমএফ ২০২৬ সালের জন্য বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস 3.3% ও পরবর্তী বছরের জন্য 3.2% পর্যন্ত বাড়িয়েছিল।
EUR/USD-এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস ক্রেতাদের এখন এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1635 লেভেলে নিয়ে যেতে হবে। কেবল তা হলে 1.1670 লেভেল টেস্ট করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1710 পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, কিন্তু বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া তা করা কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1745 লেভেল নির্ধারণ করা যায়। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, সম্ভবত কেবল মূল্য 1.1590-এর কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। যদি সেখানে ক্রেতারা সক্রিয় না হয়, তবে 1.1550-এ নতুন করে দরপতনের জন্য অপেক্ষা করা যুক্তিযুক্ত হবে অথবা 1.1525 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যায়।
GBP/USD-এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস পাউন্ড ক্রেতাদের এটির মূল্যকে নিকটতম রেজিস্টেন্স 1.3350-এ নিয়ে যেতে হবে। কেবল তাহলেই 1.3380-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাবে; যা অতিক্রম করা আরও কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3420 লেভেল নির্ধারণ করা যায়। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.3300 লেভেলে থাকা অবস্থায়ব বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3255 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখানে 1.3215 পর্যন্ত আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4ucoPLx
-
-
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট: S&P 500 ও নাসডাক সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়ে পূর্ববর্তী দরপতন পুষিয়ে নিচ্ছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/875436518.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে তীব্র ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। S&P 500 সূচক 0.83% বৃদ্ধি পেয়েছে, নাসডাক 100 সূচক 1.38% বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 0.94% বৃদ্ধি পেয়েছে। এশিয়ার ইক্যুইটি মার্কেটগুলোতেও শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের ইতিবাচক মনোভাব প্রতিফলিত করে। তেলের ব্যাপক দরপতনের পর এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়—যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সংঘাত শীঘ্রই শেষ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন। এই সংবাদই গত সপ্তাহের শুরুতে মার্কেটে পরিলক্ষিত উদ্বেগগুলো হ্রাস করেছে যা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর ব্যাপক দরপতন ঘটিয়েছে। সাময়িকভাবে হলেও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা শিথিল হওয়ার সম্ভাবনা অবিলম্বে বৈশ্বিক ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সামরিক সংঘাতের তীব্রতা ও জ্বালানি সরবরাহের বিভ্রাটের ঝুঁকির সম্ভাব্যতা থেকে বিনিয়োগকারীরা পুনরায় স্বস্তির নিঃশ্বাস নেয়ার সুযোগ পেয়েছে। যারা সাইডলাইনে বসে ছিল বা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট বিক্রি করেছিল, তারা সতর্ক আশাবাদের সাথে মার্কেটে ফিরে আসতে শুরু করেছে। তেলের দরপতন একটি মূল কারণ ছিল, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর থেকে চাপ কিছুটা কমিয়েছে। এর ফলে জ্বালানি খরচের প্রতি সংবেদনশীল কোম্পানিগুলোর দৃশ্যমান অবস্থা উন্নত হয় এবং ভোক্তাদের জন্য কিছু স্বস্তি আসে। জ্বালানির দাম কমলে তা ভোক্তা ব্যয়কে সহায়তা করতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির প্রত্যাশাকে স্তিমিত করতে পারে, যা স্টক মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতির জন্য ইতিবাচক। MSCI এশিয়া-প্যাসিফিক সূচক প্রায় 3% বেড়েছে, যেখানে প্রযুক্তি খাতভিত্তিক শেয়ারগুলো দর বৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে ছিল। ইউরোপীয় স্টক মার্কেটগুলোতেও উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে সেশন শুরু হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দর প্রায় 6.1% কমে ব্যারেল প্রতি $92.90-এ নেমে এসেছে, যদিও দিনের শুরুতে 11% পর্যন্ত দরপতনের শিকার হয়েছিল। তবুও মঙ্গলবারের দরপতনের পরও বছরের শুরু থেকে তেলের দর এখনও 50%-এরও বেশি বৃদ্ধি প্রদর্শন করে আছে। ট্রাম্প আরো বলেছেন যে তিনি তেলের ওপর আরোপিত বেশিরভাগ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনী দ্বারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেবেন। তিনি বলেছিলেন, ইরান যদি তেল পরিবহনে বিঘ্ন ঘটায় তবে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। এসব তীব্র প্রতিক্রিয়া মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদ শিরোনামের প্রতি ট্রেডাররা কতটা সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে তা পুনরায় প্রতিফলিত করে। অ্যাসেটগুলোর মধ্যে উচ্চমাত্রার অস্থিরতা বজায় রয়েছে—মার্কেটের ঝুঁকি সূচকটি গতবছর ট্রাম্প বিশ্বব্যাপী শুল্ক আরোপ করার সময় পরিলক্ষিত স্তরের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেপারস্টোন গ্রুপের বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল ব্যাপকভাবে ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতার পরে পুনরুদ্ধারমূলক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত বহন করে—সরাসরি ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নয়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/407437729.jpg[/IMG]
S&P 500-এর টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ক্রেতাদের নিকট-মেয়াদে সূচকটির রেজিস্ট্যান্স লেভেল $6,784 অতিক্রম করাতে হবে, যা নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু করে $6,801 পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করতে পারে।সূচকটির দর $6,819-এর উপরে ধরে রাখতে পারলে বুলিশ প্রবণতা আরও শক্তিশালী হবে। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, সূচকটির দর প্রায় $6,769-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়া উচিত। সেই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে দ্রুত এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টটির দর $6,756-এ নেমে আসবে এবং $6,743 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4sb0STw
-
-
১৩ মার্চ কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/603244269.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে বর্তমানে ট্রেডাররা মূল অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল একরকম উপেক্ষা করে চলেছে। স্মরণ করিয়ে দিই যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রেডাররা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এবং অন্যান্য বহু সামষ্টিক প্রতিএব্দন উপেক্ষা করেছে। চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপির হতাশাজনক ফলাফল এবং শ্রমবাজার ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর দুর্বল ফলাফল সত্ত্বেও মার্কিন ডলারের দর বাড়ছে। তাই আজ যতগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনই থাকুক, ট্রেডাররা হয়ত সেগুলোর কোনোটার দিকেই তেমন মনোযোগ দেবে না—এই সম্ভাবনা বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে আজ চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি (দ্বিতীয় অনুমান), ডিউরেবল গুডস অর্ডার, পার্সনাল কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার (PCE), ভোক্তা আস্থা এবং চাকরির খালি পদ সংক্রান্ত JOLTs প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ইউরোজোনে কেবল শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। যুক্তরাজ্যে মাসিক জিডিপি ও শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। কিছু প্রতিবেদন (বিশেষত যেগুলোর ফলাফল মার্কিন ডলারের পক্ষে ইতিবাচক) মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/508765168.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে তুলে ধরার মতো প্রায় কিছুই নেই। তবে ট্রেডারদের দৃষ্টি প্রধানত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দিকে নয়—বরং মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকান্ডের দিকে কেন্দ্রীভূত রয়েছে। আমাদের মতে, এই মুহূর্তে মার্কিন ডলারের পক্ষে একমাত্র সহায়ক মাধ্যম হলো ভূ-রাজনীতি, এবং বাস্তবে সেটাই ঘটছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে নতুন ও আরও তীব্র উত্তেজনা ছাড়া মার্কিন ডলারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রাখা কঠিন হবে; তবে উত্তেজনা প্রশমিত না হলে ডলারের দরপতনের কোনো কারণও দেখা যাচ্ছে না।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে মার্কেটে যেকোনো ধরনের মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির যেকোনো মুহূর্তে মোড় পরিবর্তন ঘটতে পারে। আজ ইউরো 1.1527-1.1531 এরিয়া বা 1.1455-1.1474 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3319-1.3331 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের তীব্র, স্থায়ী বৃদ্ধির কোনো মৌলিক ভিত্তি দেখছি না, তবে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণের মার্কেটে মার্কিন ডলার ক্রয়ের কারণ বজায় থাকতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4bkRfdx