-
২৪ নভেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2023575179.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার খুব অল্পসংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে। মূলত একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে জার্মানির বিজনেস ক্লাইমেট সূচক প্রকাশিত হবে, যা স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হয়। সেই অনুযায়ী, আজ খুব বেশি সক্রিয় বা তীব্র মুভমেন্ট না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সেই কারণে, আজকের ট্রেডিংয়ের সিদ্ধান্তে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মনে করিয়ে দিই, বর্তমানে দৈনিক টাইমফ্রেমে ইউরোর মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। উপসংহার: সোমবার কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত আছে। আজ ইউরোজোনে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে এবং তাঁর কয়েকজন সহকর্মী ভাষণ প্রদান করবেন। তবে লক্ষ্যণীয় যে, বর্তমানে ইসিবির আর্থিক নীতিমালা নিয়ে মার্কেটে কোনো বিশেষ প্রশ্ন বা অনিশ্চয়তা নেই। ইউরোজোনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতির হার প্রায় ২%-এর আশেপাশে স্থিতিশীল রাখতে পেরেছে এবং আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণের পদক্ষেপের প্রায় ৯৯%-ই সমাপ্ত হয়েছে। তাই বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে ইসিবির প্রেসিডেন্টের বক্তব্য খুব বেশি তাৎপর্য বহন করছে না। উপসংহার: সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কম থাকায় উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের যেকোনো ধরণের মুভমেন্ট লক্ষ্য করা যেতে পারে। ইউরোর জন্য 1.1527-1.1531 লেভেলে একটি কার্যকর ট্রেডিং এরিয়া রয়েছে। অপরদিকে, ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য ট্রেডিং এরিয়া রয়েছে 1.3096-1.3107 লেভেল, যেখানে একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জও বিদ্যমান। বর্তমানে মার্কেটে ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার মাত্রা খুবই কম রয়েছে, তা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের গুরুত্ব কিংবা পরিমাণ যাই হোক না কেন—এই বিষয়টি মাথায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
Read more: https://ifxpr.com/4abrAFb
-
২৫ নভেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/684283714.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে, তবে বর্তমানে এগুলো ট্রেডারদের মধ্যে খুব একটা আগ্রহ সৃষ্টি করছে না। মার্কেটে এখনও উল্লেখযোগ্য ভোলাটিলিটি দেখা যাচ্ছে না এবং কোনও নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনাও পরিলক্ষিত হচ্ছে না। মার্কিন ডলার সামান্য দুর্বল হচ্ছে, তবে এর পেছনে যথাযথ কোনো ভিত্তি নেই। যদিও মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও তাড়াহুড়া করে ডলার বিক্রি করে ফেলছে না। আজ জার্মানিতে তৃতীয় প্রান্তিকের তৃতীয় এবং চূড়ান্ত জিডিপি অনুমান প্রকাশিত হবে, আর যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ADP কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন, উৎপাদন মূল্য সূচক (PPI), এবং খুচরা বিক্রয়ের পরিসংখ্যান প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলো যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ও আগ্রহজনক হলেও, ট্রেডাররা বর্তমানে অন্যান্য প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ট্রেডাররা মূলত নজর দিচ্ছেন নন-ফার্ম পেরোল, বেকারত্বের হার এবং অক্টোবর ও নভেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্যসূচকের (CPI) উপর — ফলে বর্তমানে অন্যান্য প্রতিবেদন তাদের কাছে স্বল্প গুরুত্ব বহন করছে।
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত থাকলেও, এগুলো এখনও ট্রেডারদের মধ্যে তেমন আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারছে না। ইউরোজোনে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) প্রতিনিধি চিপোলোনে এবং ডোননারি বক্তব্য রাখবেন, তবে বর্তমানে ইসিবির আর্থিক নীতিমালা নিয়ে কোনো বিতর্ক বা প্রশ্ন নেই। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২%-এর লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি মূল্যস্ফীতিকে স্থিতিশীল করতে পেরেছে এবং ইতোমধ্যে নীতিমালার নমনীয়করণের প্রায় ৯৯% সমাপ্ত হয়েছে। সুতরাং, বর্তমানে ইসিবির প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের গুরুত্ব খুবই সীমিত। মঙ্গলবার ফেডারেল রিজার্ভ বা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের কোনো প্রতিনিধির বক্তব্যও নির্ধারিত নেই। উপসংহার: সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কিছুটা মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, যদিও সামষ্টিক অর্থনীতির প্রেক্ষাপট আজ বেশ দুর্বল এবং মার্কেটে এমনিতেই খুব বেশি সক্রিয় ট্রেডিং দেখা যাচ্ছে না। ইউরো ট্রেডিংয়ের জন্য ভালো একটি রেঞ্জ হচ্ছে 1.1527-1.1531। ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3096-1.3107 রেঞ্জের মধ্যে ট্রেড করছে এবং মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জের রয়েছে। বর্তমানে মার্কেটে ভোলাটিলিটি খুবই কম, যদিও আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন গুরুত্ব বেশ উল্লেখযোগ্য — ট্রেডিংয়ের সময় এই বিষয়টি বিবেচনায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
Read more: https://ifxpr.com/48yc8BQ
-
আবারও চাপের মুখে মার্কিন ডলার
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1614148558.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন ডলার একাধিক ঝুঁকিপূর্ণ মুদ্রার বিপরীতে তীব্রভাবে দরপতনের শিকার হয়েছে, যার পেছনে অন্যতম বড় কারণ হচ্ছে সরকারি কার্যক্রম শাটডাউনের পূর্ব মুহূর্তে মার্কিন ভোক্তাদের আস্থা হ্রাসের স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা ক্রমাগত নেতিবাচক হচ্ছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সেপ্টেম্বরে খুচরা বিক্রয় মাত্র 0.2% বেড়েছে। এর চেয়েও উদ্বেগজনক তথ্য এসেছে কনফারেন্স বোর্ড থেকে—যেখানে দেখা গেছে, ভোক্তা আস্থা সূচক গত সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে। অক্টোবরের 95.5 থেকে নভেম্বরে এটি কমে হয়েছে 88.7, যা অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি পতন এবং ডলারের জন্য নেতিবাচক। এই তথ্যগুলো ট্রেডারদের মধ্যে উদ্বেগের ঢেউ সৃষ্টি করেছে। তারা আশঙ্কা করছেন যে, ভোক্তা ব্যয়ে এই মন্থরতা হয়তো বৃহত্তর অর্থনৈতিক মন্দার ইঙ্গিত বহন করছে। এই খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই ডলার ইউরো এবং পাউন্ডের মতো প্রধান মুদ্রার বিপরীতে দরপতনের শিকার হয়। এতে করে ট্রেডাররা ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ নীতিমালা পুনর্মূল্যায়ন করা শুরু করেছেন, এবং অনেকেই ধারণা করছেন যে অর্থনীতিকে চাঙা রাখতে ফেড সুদের হার কমানোর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে পারে। খুচরা বিক্রয় হ্রাস ও নিম্নমুখী ভোক্তা আস্থা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতার উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। প্যান্থিয়ন ম্যাক্রোইকোনোমিক সের মতে, "গত কয়েক বছরের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি ছিল ভোক্তা ব্যয়—তাই এই সূচকের দুর্বল ফলাফল এখন বহু প্রশ্ন সৃষ্টি করছে।" ভোক্তারা দামী পণ্য কম কিনছেন এবং মূল্যছাড়ের খোঁজে রয়েছেন—এটাই বাস্তবতা বোঝাতে যথেষ্ট। ক্রেডিট সংস্থা ট্রান্সইউনিয়নের মতে, অর্ধেকেরও বেশি আমেরিকান এই ছুটির মৌসুমে অন্তত গত বছরের সমপরিমাণ খরচ করবেন বলে প্রত্যাশা করছেন। তবে এটি মূলত মূল্যস্ফীতির কারণে হতে পারে, কারণ কিছু কোম্পানি শুল্কের প্রভাবে ব্ল্যাক ফ্রাইডে ছাড় কমাতে বাধ্য হচ্ছে। এদিকে, সুদের হার কমানো হবে কি না তা নিয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এখনো মতবিভেদ রয়েছে। কারণ একদিকে তারা কর্মসংস্থান বাজারের ভবিষ্যত নিয়ে বিতর্কে ব্যস্ত, অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার উপরে রয়ে গেছে। সরকারি কার্যক্রমে শাটডাউনের কারণে তারা ডিসেম্বরের মাঝামাঝি নির্ধারিত বৈঠকের আগে মাসিক ভিত্তিক কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি বা ব্যয়-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পাবে না।
বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এখন এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1600 লেভেলে নিয়ে আসার কৌশল সম্পর্কে ভাবতে হবে। কেবল তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যের 1.1630-এর লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে পারবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1655 পর্যন্ত বাড়তে পারে, তবে বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এটি করা কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1675 লেভেল। যদি ইন্সট্রুমেন্টটির মূল্য কমে যায়, তাহলে আমি মূল্য 1.1575 লেভেলের কাছাকাছি থাকা অবস্থায় বড় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা রাখব। যদি মূল্য এই লেভেলে থাকা অবস্থায় কেউ সক্রিয় না হয়, তাহলে মূল্য 1.1550-এ নেমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই উচিত হবে, অথবা 1.1520 থেকে নতুন লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। বর্তমানে GBP/USD-এর টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এখন 1.3211-এর নিকটবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেলটি ব্রেক করাতে হবে। কেবল এই লেভেলটি ব্রেক করলেই পাউন্ডের মূল্যের 1.3244-এর দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে, যা ব্রেকআউট করে উপরের দিকে যাওয়াটা অপেক্ষাকৃত কঠিন হবে। দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3275 লেভেল। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তবে বিক্রেতারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3180 লেভেলের নিচে নেয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা তা সফলভাবে করতে পারে, তাহলে এই রেঞ্জ ব্রেকের ফলে সেটি ক্রেতাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3155-এ নেমে যাবে, পরে সম্ভাব্যভাবে 1.3125 লেভেলের দিকে যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/48olAqg
-
২৭ নভেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1016065873.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার অত্যন্ত অল্পসংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং এর কোনোটিই তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। মূলত, যদি পুরো দিনের সামষ্টিক প্রেক্ষাপটকে বিশ্লেষণ করা হয়, তাহলে তা শুধুমাত্র জার্মানির কনজিউমার কনফিডেন্স ইনডেক্স বা ভোক্তা আস্থা সূচক পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। এটি স্পষ্ট যে, এই প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কেটে স্বল্পমাত্রার প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে এবং সামগ্রিক পরিস্থিতিতে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে না। যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র—এই তিন অঞ্চলের ইভেন্ট ক্যালেন্ডার আজ তেমন কিছুই নেই।
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবার অল্প কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) প্রতিনিধি চিপোলোন, ডে গুইন্দোস এবং মাচাডোর বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হবে; তবে এটি উল্লেখযোগ্য যে, বর্তমানে ট্রেডারদের মধ্যে ইসিবির পদক্ষেপের ব্যাপারে বিশেষ কোনো প্রশ্ন বা উদ্বেগ নেই। ইসিবি ইতোমধ্যে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে সফলভাবে লড়াই করেছে, তাই বর্তমানে তাদের কাছে মূল্যস্ফীতির উচ্চ হার কোনো সমস্যা নয়। এ ক্ষেত্রে, ফেডারেল রিজার্ভ বা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের অবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ফলে, সুদের হার বাড়ানোর বা কমানোর কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। আজ ব্যাংক অব ইংল্যান্ড বা ফেডের প্রতিনিধিদের কারো কোনো বক্তৃতা নির্ধারিত নেই। উপসংহার: সপ্তাহের শেষ দিকের ট্রেডিংয়ে—অর্থাৎ বৃহস্পতিবার—উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ বর্তমানে উভয় পেয়ারের ক্ষেত্রেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। ইউরোর জন্য 1.1571-1.1584 লেভেলে একটি কার্যকর ট্রেডিং এরিয়া দেখা যাচ্ছে, যেখানে গতকালই একটি বাই সিগন্যাল তৈরি হয়েছিল। ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে 1.3259 লেভেলটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। গতকাল মার্কেটে অস্থিরতার পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ছিল, এবং আমরা কেবল আশা করতে পারি যে আজ নতুন করে আরেকবার ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক ট্রেডিং শুরু হবে না।
Read more: https://ifxpr.com/4ikI5AS
-
২৮ নভেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1246918827.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে, এবং এসব প্রতিবেদন জার্মানি থেকে প্রকাশিত হবে। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, জার্মানি ইউরোপীয় অর্থনীতির "ইঞ্জিন" হিসেবে পরিচিত — এমন এক "ইঞ্জিন" যেটি বিগত কয়েক বছরে থেমে গিয়েছিল। তাই জার্মানির যেকোনো মূল অর্থনৈতিক প্রতিবেদন শর্তসাপেক্ষে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। আজ দেশটিতে বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি এবং খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলো একসাথে প্রকাশিত হবে না, বরং দিনটির প্রথমার্ধজুড়ে ধাপে ধাপে প্রকাশিত হবে — যার ফলে মার্কেটে দিনের প্রথমার্ধে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবার কোনো উল্লেখযোগ্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। সম্প্রতি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি), ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিদের বক্তব্যগুলোর মধ্যেও ট্রেডারদের উপর প্রভাব বিস্তার করার মতো তেমন উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, ইসিবি ইতোমধ্যেই মুদ্রাস্ফীতিকে ২%-এর আশেপাশে স্থিতিশীল করতে সফল হয়েছে, তাই বর্তমানে মুদ্রানীতি পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা নেই। ব্যাংক অব ইংল্যান্ড এ বছর চতুর্থবারের মত মূল সুদের হার হ্রাস করতে পারে, তবে মুদ্রাস্ফীতি এখনও উচ্চ পর্যায়ে থাকায়, শিগগিরই আরও দ্রুত সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা ক্ষীণ। অপরদিকে ফেডের পদক্ষেপ এখনো অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসের শ্রমবাজার, বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ওপর নির্ভর করছে, যেগুলো এখনো প্রকাশিত হয়নি। উপসংহার: সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকতে পারে, কারণ উভয় পেয়ারের মূল্যেরই ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। ইউরোর জন্য 1.1571-1.1584 এরিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং এরিয়া হিসেবে অবশ্যই বিবেচনায় নেওয়া উচিত, যেখানে গত দুই দিনে একাধিক বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য 1.3259 একটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল এবং 1.3203-1.3211 একটি কার্যকর ট্রেডিং এরিয়া। শুক্রবার মার্কেটে আবারও সীমিত মাত্রার অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3XSVM0m
-
ইসিবি কর্মকর্তারা উদ্বেগের কিছু দেখছেন না
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1218665516.jpg[/IMG]
নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর পদক্ষেপের ফলে ইউরো এখনও সৃষ্ট চাপ মোকাবিলা করতে সক্ষম হচ্ছে। আজ এক সাক্ষাৎকারে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য জোয়াকিম নাগেল জানিয়েছেন, তিনি ইসিবির আর্থিক নীতিমালা নিয়ে সন্তুষ্ট। সোমবার সিওলে দেওয়া ভাষণে সম্প্রতি ইসিবি প্রতিনিধিদের প্রমিত অবস্থান তুলে ধরে বুন্ডেসব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বলেন, "আমাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমানে সুদের হার একটি ভাল পর্যায়ে রয়েছে। ইসিবির আর্থিক নীতিমালা বর্তমানে সামগ্রিকভাবে নিরপেক্ষ।" নাগেলের এমন এক সময় এই মন্তব্য করেছে, যখন ইউরোজোনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কিছু বিশ্লেষকের মতে, বর্তমান স্তরে সুদের হার বজায় রাখার মাধ্যমে ইসিবি ঝুঁকি নিচ্ছে—বিশেষত ঋণে ভারাক্রান্ত দেশগুলোর অর্থনীতি চাপে পড়তে পারে। তবে নাগেল জোর দিয়ে বলেন, ইসিবির প্রধান অগ্রাধিকার হল মূল্যস্ফীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বর্তমান আর্থিক নীতিমালা সেই লক্ষ্য পূরণের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। প্রত্যাশিতভাবেই, এই অবস্থানের ফলে মার্কেটে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একদিকে, রক্ষণশীল বিনিয়োগকারীরা মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইসিবির প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়েছে। অন্যদিকে, নমনীয় আর্থিক নীতিমালার সমর্থকরা আশঙ্কা করছেন যে এটি আরও দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে। ইসিবির নীতিনির্ধারকরা এখন বছরের শেষ বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিনিয়োগকারী ও অর্থনীতিবিদরা ব্যাপকভাবে আশা করছেন যে, টানা চতুর্থবারের মতো সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হবে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি যখন ২%-এর আশেপাশে রয়েছে এবং মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাব সত্ত্বেও ইউরোজোনের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে, তখন বেশিরভাগ নীতিনির্ধারকই এই নিরপেক্ষ অবস্থানে সন্তুষ্ট। তবে এই দৃশ্যত শান্ত পরিস্থিতির আড়ালে আগামী দিনের নীতিনির্ধারণ নিয়ে বিতর্ক তীব্রতর হচ্ছে। যদিও বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, উৎপাদন খাতসহ সামগ্রিক দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। গভর্নিং কাউন্সিল কয়েকজন সদস্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতার লক্ষণগুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণের এবং আগামী বছর নীতিমালা নমনীয় করার প্রস্তুতি রাখার পক্ষপাতী। একই সময়ে, রক্ষণশীল গোষ্ঠী আগেভাগে উদযাপন থেকে সতর্ক থাকতে বলছে। তারা জ্বালানি মূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মতো বাকি থাকা ঝুঁকিগুলোর দিকে ইঙ্গিত করছে—বিশেষ করে বাণিজ্য শুল্কের প্রভাব মুদ্রাস্ফীতিকে নিরবিচারে প্রভাবিত করতে পারে। তাদের মতে, মূল্যস্ফীতির স্থিতিশীলতার উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত—এমনকি যদি তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সীমিত পর্যায়ে মন্থরতা ডেকে আনে তা হলেও। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা উৎপাদন কার্যক্রমের হ্রাস ও ভোক্তা মূল্যের ঊর্ধ্বগতির সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে উদ্বিগ্ন। ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিতব্য নতুন পূর্বাভাসে দেখা যেতে পারে যে ২০২৬ ও ২০২৭ সালে মুদ্রাস্ফীতি ২%-এর নিচে থাকবে—যা ডিসেম্বরেই সুদের হারের সম্ভাব্য হ্রাস অথবা পরের বছরে ব্যাপক নমনীয়করণের প্রস্তাবকে জোরালো করতে পারে। নাগেল জানান এই পূর্বাভাসে "২০২৮ সালের প্রাথমিক পূর্বাভাস অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই পূর্বাভাসের ভিত্তিতে, আমরা নির্ধারণ করতে পারব যে মধ্যমেয়াদে মুদ্রাস্ফীতির আমাদের লক্ষ্যমাত্রার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা কতটুকু বজায় রয়েছে।" ইতিপূর্বে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে গত সপ্তাহে ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ড বলেছেন, ইসিবি বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে, কারণ বর্তমানে ঋণের ব্যয় উপযুক্ত স্তরে রয়েছে। EUR/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, এখন ক্রেতাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এই পেয়ারের মূল্যের 1.1615 লেভেল ব্রেক করানো। কেবলমাত্র এই লেভেল ব্রেক করতে পারলেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1635 লেভেলে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। সেখান থেকে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1655 পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যদিও মার্কেটের বড় ট্রেডারদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যের সেখানে পৌঁছানো কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হলো 1.1675-এর লেভেল। যদি ট্রেডিং ইনস্ট্রুমেন্টটির মূল্য কমে যায়, তাহলে আমি মূল্য 1.1585 এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার আশা করছি। যদি মূল্য সেখানে থাকা অবস্থায় মার্কেটে কেউ এন্ট্রি না করে, তাহলে মূল্যের 1.1560 লেভেলে পুনরায় নেমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা, কিংবা 1.1530 থেকে লং পজিশন ওপেন করাই বুদ্ধিমানের হবে। GBP/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যের প্রাথমিক রেজিস্ট্যান্স 1.3240 ব্রেক করাতে হবে। কেবলমাত্র এতে সফল হলে তারা মূল্যকে 1.3265 এর লক্ষ্যমাত্রায় নিয়ে যেতে পারবে, যার উপরে ব্রেকআউট করা যথেষ্ট কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হলো 1.3300 লেভেল। যদি এই পেয়ারের মূল্য কমে যায়, তাহলে মূল্য 1.3210-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করবে। তারা যদি এতে সফল হয়, তাহলে এই রেঞ্জের ব্রেকআউট হলে সেটি ক্রেতাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3185-এর দিকে নেমে যেতে পারে, যেখানে সম্ভাব্য পরবর্তী গন্তব্য হিসেবে মূল্য 1.3155-এর দিকে যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3Y0xsd4
-
২ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/339065784.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আজ ইউরোজোনে ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI) এবং বেকারত্বের হার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন, তবে শুধুমাত্র পূর্বাভাস ও মূল ফলাফলের মধ্যে অপ্রত্যাশিত এবং বড় ধরনের কোনো বিচ্যুতির ক্ষেত্রে মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি) সুদের হার কমানোর পদক্ষেপ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে বলে ৯৯% সম্ভাবনা রয়েছে, তাই কেবলমাত্র মূল্যস্ফীতি শক্তিশালীভাবে বৃদ্ধি বা হ্রাস পেলেই সুদের হার সংক্রান্ত পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করা হয়তে পারে। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে আজ তেমন কিছুই নেই।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/511691023.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবারও খুব কম সংখ্যক ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট তালিকাভুক্ত রয়েছে। রাতের বেলায় ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের একটি বক্তব্য প্রত্যাশিত ছিল, তবে এখন পর্যন্ত তা নিয়ে কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি এবং মার্কেটের মুভমেন্ট থেকে ধারণা করা যাচ্ছে, পাওয়েল সম্ভবত উল্লেখযোগ্য কিছু বলেননি। মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে, ফেডের পরবর্তী নীতিনির্ধারণী বৈঠক ১০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে; আর বর্তমানে মূল্যস্ফীতি, শ্রম বাজার বা বেকারত্ব সংক্রান্ত কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন নেই। ১০ ডিসেম্বরের আগে এই ধরনের প্রাসঙ্গিক কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে কি না, সেটাও অনিশ্চিত। এছাড়াও, ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সদস্য মিশেল বোম্যানের একটি বক্তব্য প্রত্যাশিত রয়েছে, যিনি সাম্প্রতিক সময়ে নমনীয় আর্থিক নীতিমালার পক্ষে কথা বলেছেন। সামগ্রিকভাবে ট্রেডাররা ধরে নিচ্ছে যে, ফেড ২০২৫ সালে তৃতীয়বারের মতো সুদের হার কমাবে, তবে শ্রম বাজার ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন ছাড়া ফেড এমন ঝুঁকি নেবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। উপসংহার: সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিদ্যমান থাকবে, কারণ উভয় পেয়ারের মূল্যের ক্ষেত্রেই বুলিশ প্রবণতা শুরু হয়েছে। ইউরোর জন্য একটি চমৎকার ট্রেডিং রেঞ্জ হলো 1.1571-1.1584, যেখানে সাম্প্রতিক সময়েই একাধিক বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডিং রেঞ্জ হলো 1.3203-1.3211 এবং এটির মূল্য বর্তমানে একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জে রয়েছে। মঙ্গলবার মার্কেটে অস্থিরতার মাত্রা কম থাকতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/48fL22p
-
৩ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/793207390.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: প্রথম নজরে মনে হতে পারে যে, মঙ্গলবার অনেকগুলো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তবে বাস্তবিকপক্ষে, এগুলোর অধিকাংশই এই মুহূর্তে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বা আগ্রহজনক নয়। মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে, চলতি সপ্তাহেই মার্কেটের ট্রেডাররা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ISM সূচক, এবং ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্ব সম্পর্কিত প্রতিবেদনের ফলাফল সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করেছে। সেক্ষেত্রে, জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের পরিষেবা খাতের PMI সূচকের দ্বিতীয় আনুমানিক ফলাফলগুলো এবার মার্কেটে আদৌ কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে— এমন সম্ভাবনা খুবই কম। তাই এই প্রতিবেদনগুলোকে আত্মবিশ্বাসের সাথে উপেক্ষা করাই যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হচ্ছে। আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অল্প কয়েকটি প্রতিবেদনই কিছুটা আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারে— যার মধ্যে রয়েছে ADP শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন, ISM পরিষেবা কার্যক্রম সূচক এবং শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। অবশ্যই এটি উল্লেখযোগ্য যে, এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের প্রভাবেও মার্কেটে সম্পূর্ণরূপে অযৌক্তিক বা অনিশ্চিত মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, তাই এগুলোকে একবারে উপেক্ষা করাও উচিত হবে না। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবার অল্প কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত আছে, তবে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু নেই। যদিও ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে এবং প্রধান অর্থনীতিবিদ ফিলিপ লেইনের বক্তব্য মার্কেটে প্রভাব ফেলতে পারে, তারপরও এটাও মনে রাখা দরকার যে, বর্তমানে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) আর্থিক নীতিমালা নিয়ে ট্রেডারদের মধ্যে কোনো প্রশ্ন বা সংশয় নেই। ইসিবি ইতোমধ্যে মূল সুদের হার হ্রাস করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে, এবং এমনকি গতকাল মুদ্রাস্ফীতির সামান্য বৃদ্ধি পেলেও ইসিবি আবারও নীতিমালা পরিবর্তনে তাড়াহুড়ো করবে বলে মনে হচ্ছে না। অপরদিকে, ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিগণ এখন "নিরব থাকার ভূমিকা" পালন করছেন। আগামী সপ্তাহেই ফেডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, তাই এই মুহূর্তে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সদস্যবৃন্দ আর্থিক নীতিমালা নিয়ে কোনোরূপ মন্তব্য করার অনুমতি পাচ্ছেন না।
উপসংহার: সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, EUR/USD এবং GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করতে পারে, যেহেতু দুই পেয়ারের মূল্যেরই এই মূহূর্তে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ইউরোর জন্য 1.1655–1.1666 লেভেলে গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং এরিয়া বিদ্যমান, যেখানে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে, ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বর্তমানে 1.3203–1.3211 লেভেলের মধ্যে একটি রেঞ্জে অবস্থান করছে। বুধবার মার্কেটে অস্থিরতার মাত্রা কম থাকতে পারে, তবে মার্কেটে ট্রেডিং সেশনের সময় কিছু আবেগপ্রবণ স্বল্পমেয়াদী মূল্য বৃদ্ধি দেখা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3Kl1W6z
-
৪ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1439705082.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার তুলনামূলকভাবে কমসংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং এর মধ্যে কোনো প্রতিবেদনই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত নয়। যুক্তরাজ্যে নির্মাণ খাতভিত্তিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক প্রকাশিত হবে। ইউরোজোনে খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রাথমিক বেকারভাতা আবেদনের পরিসংখ্যান প্রকাশিত হবে। আমরা মনে করি, এমনকি নতুন ট্রেডাররাও বুঝতে পারছেন যে, এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের মার্কেটে খুব একটা শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার সম্ভাবনা নেই। এই সপ্তাহে ইতোমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প ও পরিষেবা খাতভিত্তিক ISM ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকগুলোর ফলাফল মিশ্র গতিশীলতার ইঙ্গিত দিয়েছে, অন্যদিকে নভেম্বর মাসে বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থান পরিবর্তন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ADP প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল ছিল। অতএব, সম্ভাবনা রয়েছে যে, ফেডারেল রিজার্ভ ২০২৫ সালে তৃতীয়বারের মতো মূল সুদের হার কমাবে। এটি মার্কিন ডলারের দরপতনের আরেকটি কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবার কিছু ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত থাকলেও, এগুলোর কোনোটিই গুরুত্বপূর্ণ নয়। হ্যাঁ, লুইস দে গুইন্ডোস এবং ফিলিপ লেনের বক্তব্য কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হতে পারে, কিন্তু মনে রাখতে হবে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) আর্থিক নীতিমালার ব্যাপারে বর্তমানে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নেই, যা মার্কেটের ট্রেডারদের উদ্বিগ্ন করতে পারে। ইসিবি ইতোমধ্যেই নীতিমালা নমনীয়করণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে, এবং ইউরোজোনে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ কিছুটা বাড়লেও, এটি ইসিবিকে মূল সুদের হার পরিবর্তনের বিষয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে—এমন সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। ফেডের প্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে, বর্তমানে তাঁরা "নীরব থাকছেন"। কারণ, ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী বৈঠক আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে, তাই এখন আর্থিক নীতিমালা নিয়ে ফেডের কোনো কর্মকর্তাই মন্তব্য করতে পারবেন না। উপসংহার: সপ্তাহের শেষ দিকের ট্রেডিংয়ে, দুটি কারেন্সি পেয়ারের মূল্যেরই ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ দুই ক্ষেত্রেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠনের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। ইউরোর জন্য 1.1655-1.1666 একটি চমৎকার ট্রেডিং এরিয়া, অন্যদিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং জোন হচ্ছে 1.3329-1.3331। যেহেতু আজ কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, সেহেতু বৃহস্পতিবারে অস্থিরতার মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/445ZR53
-