-
সবাই ফেডের আসন্ন বৈঠকের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1545190438.jpg[/IMG]
চলতি সপ্তাহের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী EUR/USD পেয়ারের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে এমন খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। প্রাসঙ্গিক প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে রয়েছে অক্টোবর মাসের JOLTS কর্মসংস্থান এবং সাপ্তাহিক বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। তবে এর মানে এই নয় যে সপ্তাহটি বেশ শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করবে। বরং, মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা বাড়তে যাচ্ছে, কারণ সপ্তাহের মাঝামাঝি বুধবার ফেডারেল রিজার্ভের ডিসেম্বরের বৈঠকের সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হবে। তাই পুরো সপ্তাহটিকে দুটি অংশে ভাগ করা যায়: বৈঠকের আগ মুহূর্ত এবং বৈঠকের পর। বৈঠকের আগে ট্রেডাররা এই বৈঠকের প্রত্যাশার দিকে মনোযোগ দেবে, এবং পরবর্তীতে প্রকাশিত ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিক্রিয়া জানাবে । অন্যান্য সকল মৌলিক অনুঘটক কিছুটা অন্তরালে থাকবে। আগেও উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কেটের ট্রেডারদের মধ্যে প্রায় সকলেই নিশ্চিত যে ফেড এই মাসে ফেডারেল সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমাবে। CME ফেডওয়াচের তথ্য অনুসারে, এই সম্ভাবনার হার বর্তমানে ৮৬.২%-এ দাঁড়িয়েছে। ফেডের বোর্ডের সদস্য ক্রিস্টোফার ওয়ালার, স্টিফেন মিরান, মিশেল বোম্যান, নিউ ইয়র্ক ফেড প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস এবং সান ফ্রান্সিসকো ফেড প্রেসিডেন্ট মেরি ডেইলির মতো বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি সুদের হার কমানোর পক্ষে বক্তব্য রেখেছেন, যা বিভিন্ন সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক দ্বারা সমর্থিত—যেগুলো নিয়ে নিচে বিশ্লেষণ করা হবে। তবে এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, সুদের হার হ্রাসের সিদ্ধান্তটি সর্বসম্মত হবে না। গত দুই থেকে তিন সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেশ কয়েকজন প্রতিনিধি—যেমন সুসান কলিন্স, লরি লোগান, বেথ হ্যাম্যাক এবং জেফ শমিড—আরও সতর্ক অবস্থানের পক্ষে মত দিয়েছেন এবং বলেছেন সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা উচিত। তাঁদের যুক্তি, মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি এবং সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত নন-ফার্ম পে-রোল প্রতিবেদনের কিছু ইতিবাচক উপাদান সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল বর্তমানে অনেকটাই নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করেছেন এবং এ বিষয়ে মুখ বন্ধ রেখেছেন। আমার দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, ডিসেম্বরের বৈঠকের মূল রহস্য ফেডের মুদ্রানীতির ভবিষ্যৎ নমনীয়করণের গতিপথে লুকিয়ে আছে। বৈঠকের তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রায় পূর্বনির্ধারিত। যেমন, রয়টার্স পরিচালিত এক জরিপে অংশ নেওয়া ১০৮ জন অর্থনীতিবিদের মধ্যে ৮৯ জন মনে করেন যে ডিসেম্বর মাসেই ফেড সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমাবে। তবে তাঁদের মধ্যে মাত্র ৫০ জন মনে করছেন যে ফেড আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকেই আরেকবার সুদের হার কমাতে পারে। CME ফেডওয়াচের তথ্য অনুসারে, যদি ডিসেম্বরেই একবার সুদের হার কমানো হয়, তাহলে জানুয়ারিতে সুদের হার আরও একবার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমানোর সম্ভাবনা দাঁড়ায় মাত্র ২৫%। সেক্ষেত্রে মার্চে সুদের হার হ্রাসের ৪০% সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং, যদি ডিসেম্বরের বৈঠকের ফলাফল প্রকাশের পর পরবর্তী কোনো বৈঠকে ফেড সুদের হার আরও কমানোর ইঙ্গিত দেয়, তাহলে ডলারের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে, কারণ এখন পর্যন্ত ট্রেডাররা ধারণা করছে যে ফেড ডিসেম্বরে সুদের হার কমালেও তা থেকে "ডোভিশ বা নমনীয়" নীতিমালা প্রণয়নের খুব বেশি ইঙ্গিত পাওয়া যাবে না।
বর্তমান চিত্র অনুযায়ী, ফেডের ডিসেম্বরের বৈঠকের ফলাফল মার্কেটে উল্লেখযোগ্য অস্থিরতা সৃষ্টি করবে — তবে তা ডলারের পক্ষে যাবে না বিপক্ষে, সেটিই এখনো অনিশ্চিত। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, H4 টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্য বলিঙ্গার ব্যান্ডের মধ্যম ও নিম্ন লাইনের মধ্যবর্তী অঞ্চলে, কুমো ক্লাউডের ওপরে, এবং টেনকান-সেন ও কিজুন-সেন লাইনের মাঝখানে অবস্থান করছে। D1 টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের বলিঙ্গার ব্যান্ডের মধ্যম ও উপরের লাইনের মাঝামাঝি, টেনকান এবং কিজুন লাইনের ওপরে, তবে কুমো ক্লাউডের ভেতরে অবস্থান করছে। লং পজিশন ওপেন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে D1 টাইমফ্রেমে ক্রেতাদের EUR/USD-এর মূল্যের বলিঙ্গার ব্যান্ডের মধ্যম লাইন 1.1650-এর ওপরে ব্রেক করানো প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে, এই পেয়ারের মূল্য H4-এ বলিঙ্গার ব্যান্ডের মধ্যম ও উপরের লাইনের মাঝখানে, এবং সকল ইচিমোকু লাইনের ওপরে পৌঁছে যাবে — যেটি "প্যারেড অব লাইন্স" পাট্যার্নের মাধ্যমে বুলিশ প্রবণতা গঠনের ইঙ্গিত দেবে। এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1690 (H4-এ বলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন) এবং 1.1730 (D1-এ কুমো ক্লাউডের উপরের সীমা)।
Read more: https://ifxpr.com/4a33SuU
-
রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার ডিসেম্বর বৈঠকের প্রাক-পর্যালোচনা
চলতি বছর রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার চূড়ান্ত বৈঠকটি মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত৬ হবে। এই বৈঠকের সম্ভাব্য ফলাফল ইতিমধ্যেই মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করেছে। সম্প্রতি শ্রমবাজার এবং মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর এখন এটি মোটামুটি নিশ্চিত যে অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতি অপরিবর্তিত রাখবে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত জিডিপি ও বাণিজ্য ঘাটতির প্রতিবেদনগুলোও এই ধারণা নিশ্চিত করেছে। তবে এর মানে এই নয় যে ডিসেম্বরে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার অনুষ্ঠেয় বৈঠক "আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।" ট্রেডাররা রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আগ্রহী থাকবেন। পূর্বে মার্কেটে দুটি মূল সম্ভাবনার কথাই বিবেচনা করা হচ্ছিল—সুদের হার হ্রাস বা বর্তমান সুদের হার বহাল রাখা। তবে এখন কিছু বিশেষজ্ঞ তৃতীয় একটি সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না, যা এর আগে খুব অল্পই সম্ভবপর বলে মনে হচ্ছিল: সেটি হচ্ছে সুদের হার বৃদ্ধি। নভেম্বরের শেষদিকে অক্টোবর মাসের মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই আগামী বছরে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে মুদ্রানীতি কঠোর করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। উল্লেখযোগ্য যে, এই প্রতিবেদন প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই অস্ট্রেলিয়ান ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিকস সিদ্ধান্ত নেয় যে তাঁরা এখন থেকে ত্রৈমাসিকের বদলে মাসিক ভিত্তিতে অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশ করবে। উক্ত প্রতিবেদনের ফলাফল অনুযায়ী, বার্ষিক ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ার ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI) বৃদ্ধি পেয়ে ৩.৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যেখানে বেশিরভাগ বিশ্লেষক সূচকটি ৩.৬ শতাংশের কাছাকাছি থাকবে বলে প্রত্যাশা করেছিল। এছাড়াও, সামগ্রিকভাবে শুধুমাত্র জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী হয়নি —বরং আবাসন (৫.৯%), খাদ্য ও অ্যালকোহলবিহীন পানীয় (৩.২%), এবং বিনোদন ও সংস্কৃতি (৩.২%) খাত থেকেও বড় ধরনের প্রভাব এসেছে। ট্রিমড মিন সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৩ শতাংশে, যা ৩ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার উপরে অবস্থান করছে। এই প্রতিবেদন প্রসঙ্গে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর মিশেল বুলক স্বীকার করেছেন যে, মূল্যস্ফীতি এবারও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা (২-৩ শতাংশ) ছাড়িয়ে রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। এর পরেই মার্কেটে আলোচনা শুরু হয়—যদি মূল্যস্ফীতি হ্রাস না পায়, তাহলে আগামী বছরে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। অতএব, ডিসেম্বরের বৈঠকের পর রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া হয়তো তাদের অবস্থান কিছুটা কঠোর করতে পারে এবং ঘোষণা দিতে পারে যে, আলোচিত বিভিন্ন নীতির মধ্যে কঠোর মুদ্রানীতির বিকল্পটি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল, "তবে আপাতত বর্তমান নীতিমালা বজায় রাখা যুক্তিযুক্ত হবে"। এ ধরনের 'হকিশ বা কঠোর' (মার্কেটের ট্রেডারদের ভাষায়) অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত অস্ট্রেলিয়ান ডলারের জন্য সহায়ক হতে পারে। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া এই ধরনের রণকৌশল গ্রহণ করতে পারে তা অনুমান করা যায় মূলত কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্বল্পমেয়াদী অর্থনৈতিক সূচকের প্রেক্ষিতে। কেবল ভোক্তা মূল্য সূচক বা CPI নয়—অস্ট্রেলিয়া শ্রম বাজারেও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। অক্টোবর মাসে দেশটির বেকারত্বের হার কমে ৪.৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যেখানে পূর্বানুমান ছিল ৪.৪ শতাংশ। একইসঙ্গে কর্মসংস্থান বেড়েছে ৪২,০০০—যেখানে পূর্বানুমান ছিল মাত্র ২০,০০০ বৃদ্ধির। টানা দুই মাস ধরে এই সূচক বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা এপ্রিলের পর এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, এই বৃদ্ধি হয়েছে মূলত পূর্ণকালীন চাকরির কারণে; খণ্ডকালীন কর্মসংস্থানে এখনও নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে (+৫৫.৩/−১৩.১ হাজার)। অস্ট্রেলিয়ার জিডিপি তৃতীয় প্রান্তিকে আগের প্রান্তিকের তুলনায় ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রথম প্রান্তিকে এটি ০.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল, দ্বিতীয়তে ০.৬ শতাংশ এবং তৃতীয় প্রান্তিকে আবার ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। বার্ষিক ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতি ২.১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছিল, যেখানে আগের প্রান্তিকে তা ছিল ১.৮ শতাংশ। এটি গত দুই বছরে সর্বোচ্চ। উপরন্তু, এই প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে কারণ পরপর চতুর্থ প্রান্তিকে এই সূচকে ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। অক্টোবর মাসে অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বেড়ে AUD ৪.৩৮৫ বিলিয়নে পৌঁছেছে, যেখানে আগের মাসে তা ছিল AUD ৩.৯৩৮ বিলিয়ন। ব্যবসায়িক খাতে ক্রেডিটের পরিমাণ মাসিকভিত্তিতে ০.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে (পূর্বাভাস ছিল ০.৬ শতাংশ)। বার্ষিক ভিত্তিতে এটি বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.৩ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৭.২ শতাংশ। অর্থাৎ, ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া নিশ্চিতভাবেই সব ধরনের নীতিমালা অপরিবর্তিত রাখবে এবং 'অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের' অবস্থান গ্রহণ করবে। তবে গভর্নর বুলকের পূর্ববর্তী মন্তব্য বিবেচনায়, রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নেওয়ার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ধারণাগতভাবে, ২০২৪ সালে সুদের হার বৃদ্ধি করা হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার উল্লেখযোগ্যভাবে সহায়তা পেতে পারে, কারণ মার্কেটে বর্তমানে এমন পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হয়নি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1858571545.jpg[/IMG]
AUD/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ দৈনিক টাইমফ্রেমে AUD/USD পেয়ারের মূল্য বর্তমানে 0.6650-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেলে পৌঁছেছে, যা বোলিঙ্গার ব্যান্ডস ইন্ডিকেটরের আপার ব্যান্ডের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এই পেয়ারের মূল্য এখনো ইচিমোকু ইন্ডিকেটরের সব লাইনের উপরে অবস্থান করছে এবং সেখানে একটি বুলিশ "প্যারেড অফ লাইন্স" সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। একই রকম প্যাটার্ন W1 টাইমফ্রেমেও গঠিত হয়েছে। এই টেকনিক্যাল কাঠামো কারেকশনের অংশ হিসেবে পুলব্যাক চলাকালীন সময়ে মার্কেটে লং পজিশনে এন্ট্রির সুযোগ প্রদান করছে। এই ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা হলো 0.6650। যদি ক্রেতারা এই পেয়ারের মূল্যকে এই লেভেলটি অতিক্রম করাতে সক্ষম হয়, তাহলে পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে 0.6710, যা সেপ্টেম্বর মাসে গঠিত বার্ষিক সর্বোচ্চ লেভেল।সাপোর্ট এরিয়ায় সংশ্লিষ্ট সিগন্যাল গঠিত হলে লং পজিশন নেওয়া যেতে পারে। শর্ট পজিশনের সম্ভাবনা সীমিত থাকবে এবং তা কেবল রেজিস্ট্যান্স এরিয়ায় রিভার্সাল সিগন্যাল গঠনের পর কার্যকর হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4iU1vNq
-
ফেডের কাছ থেকে কী প্রত্যাশা করা যায়: সম্ভাব্য প্রধান দুটি দৃশ্যপট
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1124036340.jpg[/IMG]
বুধবারের বৈঠকে ফেড যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে তা আগামী কয়েক সপ্তাহ (বা এমনকি মাস) জুড়ে মার্কিন ডলারের মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণ করতে পারে। ডিসেম্বরের বৈঠকটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অভ্যন্তরীণ বিভেদের মধ্যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে মুদ্রানীতি নমনীয়করণের গতি নির্ধারণে সুস্পষ্ট একটি অবস্থান গ্রহণ করতে হবে। প্রথমত, এটি লক্ষ্যণীয় যে ডিসেম্বর বৈঠকের আনুষ্ঠানিক ফলাফল কার্যত পূর্বনির্ধারিত। CME ফেডওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমানোর সম্ভাবনা ৯০%। ফলে, এ নিয়ে মার্কেটে খুব বেশি সংশয় নেই। উক্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে তা কারও জন্য বিস্ময়কর হবে না—ট্রেডারদের মনোযোগ থাকবে ফেডের বিবৃতি ও ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বক্তব্যের উপর। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভবিষ্যতে কতটা আক্রমণাত্মকভাবে আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করা হবে তা নিয়ে ফেডের সদস্যবৃন্দ এখনো কোনো ঐকমত্য পৌঁছাতে পারেনি। রয়টার্সের জরিপে অংশ নেওয়া ১০৯ জন অর্থনীতিবিদের মধ্যে ৮৯ জনই আশা করছেন যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডিসেম্বরের বৈঠকে সুদের হার ২৫ পয়েন্ট কমাবে। তবে তাদের মধ্যে মাত্র ৫০ জন ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে আরও একবার সুদের হার কমানোর সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করছেন। CME ফেডওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে সুদের হার কমার সম্ভাবনা ২৩%, আর মার্চে তা ৩৭%। অর্থাৎ, ট্রেডাররা ডিসেম্বরে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা স্বীকার করছে কিন্তু ভবিষ্যতে আরও নমনীয়করণের সম্ভাবনা নিয়ে সংশয়ে আছে—অন্তত আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ডিসেম্বরের বৈঠকে সম্ভাব্য দুটি দৃশ্যপটের মধ্যে যেকোনো একটি দেখা যেতে পারে: হয় ফেড ট্রেডাররা প্রত্যাশা নিশ্চিত করবে এবং 'অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণ'-ভিত্তিক অবস্থান গ্রহণের ঘোষণা দেবে, অথবা ফেড ভবিষ্যতের কোনো বৈঠকে সুদের হার আরও কমানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত রেখে চমক সৃষ্টি করবে। এটি লক্ষ্যণীয় যে ফেডের সদস্যদের মধ্যে "ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থানধারী" এবং অপেক্ষাকৃত বেশি সতর্ক অবস্থানধারী—দুই পক্ষই তাদের অবস্থান সমর্থনে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে তাঁদের যুক্তি পেশ করতে পারে। ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থানধারীদের পক্ষের যুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে ISM উৎপাদন সূচকের ফলাফল, যা ৪৮.২-তে নেমে গেছে; খুচরা বিক্রি মাত্র ০.২% বৃদ্ধি পেয়েছে (যা মে মাসের পর সর্বনিম্ন); ভোক্তা আস্থা সূচক নেমেছে ৮৮.৭-তে, যা কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন; এবং শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের মিশ্র ফলাফল, যেখানে মার্কিন বেকারত্ব বেড়ে ৪.৪%-এ দাঁড়িয়েছে (যা অক্টোবর ২০২১ সালের পর সর্বোচ্চ)। এছাড়াও, রিচমন্ড ফেডের উৎপাদন সূচক হ্রাস পেয়ে -১৫ হয়েছে (যেখানে পূর্বাভাস ছিল -৫), এবং টেকসই পণ্যের অর্ডার মাত্র ০.৫% বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে আগের মাসে তা ২.৫% বৃদ্ধি পেয়েছিল। হকিশ বা কঠোর অবস্থানধারীদের যুক্তি হচ্ছে মুদ্রাস্ফীতি। যদিও এটি শক্তিশালী যুক্তি নাও হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি তুলনামূলকভাবে উচ্চ হলেও, মূল সূচকগুলো হয় ধীরে ধীরে এগোচ্ছে না হয় স্থবির রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সূচক বা CPI প্রতিবেদনে দেখা গেছে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির হার ৩.০%-এ (পূর্বাভাস ছিল ৩.১%) পৌঁছেছে এবং মূল মুদ্রাস্ফীতি কমে ৩.০% হয়েছে (আগস্টে ছিল ৩.১%)। মোট উৎপাদক মূল্য সূচক বা PPI বার্ষিক ভিত্তিতে সেপ্টেম্বরে বেড়ে ২.৭%-এ (আগস্টে ২.৬% ছিল) পৌঁছেছে, যখন খাদ্য ও জ্বালানি বাদে মূল উৎপাদক মূল্য সূচক বা PPI বেড়ে ২.৯%-এ পৌঁছেছে (পূর্বাভাস ছিল ২.৮% – এটি প্রতিবেদনটির একমাত্র ইতিবাচক ফলাফল)। ISM পরিষেবা কার্যক্রম সূচক বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বেড়ে ৫২.৬-এ (পূর্বাভাস ছিল ৫২.০) দাঁড়িয়েছে। এই সূচকটি টানা দুই মাস বেড়েছে। তবে এক্ষেত্রেও সবকিছু এত "সহজ" নয়। উদাহরণস্বরূপ, এই খাতে কর্মসংস্থানের হার এখনো কম রয়েছে (৪৮.৯), অর্থাৎ পরিষেবা খাতের প্রবৃদ্ধি কর্মসংস্থানের উন্নতি দ্বারা সমর্থন পায়নি। তাছাড়া, নভেম্বর মাসে এই খাতে নতুন অর্ডার ৫৬.২ থেকে কমে ৫২.৯-এ নেমে এসেছে। হকিশ বা কঠোর অবস্থানধারীদের পক্ষে আরেকটি যুক্তি হলো ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে প্রকাশিত ভোক্তা মনোভাব সূচক। এই মাসে এটি বেড়ে ৫৩.০ হয়েছে, যেখানে পূর্বাভাস ছিল ৫২.০। এই সূচকটি গত চার মাসের ধারাবাহিক পতনের পর প্রথমবারের মতো ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। প্রথমদিকে এটি বেশ "স্পষ্ট" ফলাফলের ইঙ্গিত দিলেও, সূচকটি এখনও ঐতিহাসিক মানদণ্ড অনুযায়ী নিম্নস্তরে রয়েছে—গত বছর ডিসেম্বরে এটি ৭৪.০ ছিল। উপরন্তু, এই সূচকের কিছু উপাদান যেমন বর্তমান পরিস্থিতির মূল্যায়ন সূচক ডিসেম্বরে কমে ৫০.৭ হয়েছে, যেখানে এটি পূর্বে ৫১.১ ছিল। এই কারণে, আমার মতে, ডিসেম্বরের বৈঠকে ফেড "ডোভিশ বা নমনীয়" অবস্থান গ্রহণ করতে পারে। মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি পরবর্তীতে সুদের হার কমানোর ঘোষণা নাও দিতে পারে, তবে তারা মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করে শ্রমবাজার পরিস্থিতির দুর্বলতা ও অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলের ওপর জোর দিতে পারে। এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তা বজায় রয়েছে। আজ পর্যন্ত শুধু নিশ্চিতভাবে জানা গেছে যে, ১২ জন ভোটাধিকার প্রাপ্ত সদস্যের মধ্যে ৫ জন বাড়তি সুদের হার কমানোর বিরোধিতা করেছেন। চার জন — বোর্ড অব গভর্নরসের মিরান, ওয়ালার, বোম্যান এবং নিউইয়র্ক ফেড প্রেসিডেন্ট উইলিয়ামস — সরাসরি নমনীয় মুদ্রানীতির পক্ষে মত দিয়েছেন। প্রশ্ন হলো, এই "ডোভিশ" অবস্থানধারীরা কি তাদের মতামত মধ্যপন্থীদের ওপর চাপিয়ে দিতে পারবেন? এটি এখনো উন্মুক্ত একটি প্রশ্ন।
Read more: https://ifxpr.com/44lPtX0
-
১১ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2106334471.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার খুব অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মূলত, শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক বেকার ভাতার আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যা সরাসরি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত। মনে রাখতে হবে, এই সপ্তাহেই ADP কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং JOLTS কর্মসংস্থানের শূন্যপদের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রতিবেদনগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলেও, মার্কেটের ট্রেডাররা এগুলোর প্রতি খুব দুর্বলভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, কারণ ট্রেডাররা এখনো অধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলোর জন্য অপেক্ষা করছে , যেমন—নন-ফার্ম পে-রোলস, বেকারত্বের হার এবং ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI)—যেগুলো আগামী সপ্তাহে প্রকাশিত হবে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবার তেমন কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। তবুও, সপ্তাহের শেষদিকের ট্রেডিংয়ে ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য কোনো কিছুর অনুঘটকের অভাব নেই। গতরাতেই ফেডের বছরের সর্বশেষ বৈঠকের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। টানা তৃতীয়বারের মতো মূল সুদের হার ০.২৫% কমানো হয়েছে, এবং ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা অনুযায়ী (ডট প্লট অনুসারে) আর্থিক নীতিমালা আরও নমনীয়করণের সম্ভাবনা আপাতত নেউ। জেরোম পাওয়েল ঘোষণা দিয়েছেন, মুদ্রানীতির নমনীয়করণ তখনই আবার শুরু হবে, যখন মুদ্রাস্ফীতি সূচক দৃঢ়ভাবে ২%-এর লক্ষমাত্রার দিকে আসতে শুরু করবে। অতএব, ফেডের বৈঠকের ফলাফল আংশিকভাবে হলেও মার্কিন ডলারের জন্য সহায়ক হিসেবে ধরা যেতে পারে। তবে, গত কয়েক মাসে কোনো স্পষ্ট মৌলিক কারণ ছাড়াই মার্কিন ডলারের মূল্য অনেক বেশি এবং অনেকদিন ধরে বেড়েই চলেছে। এখন মনে হচ্ছে, ডলারের সেই 'সৌভাগ্যের দিনগুলো' শেষ হতে চলেছে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের চতুর্থ দিনের ট্রেডিংয়ের, দুইটি কারেন্সি পেয়ারেরই মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ উভয় পেয়ারের মূল্যেরই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ইউরোর মূল্যের 1.1745 লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে 1.3413। তবে বৃহস্পতিবার মার্কেটে উল্লেখযোগ্য কোনো ইভেন্ট না থাকায় অস্থিরতার মাত্রা কিছুটা কমে যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4pX5BGI
-
১২ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/371494904.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে, তবে এর মধ্যে কয়েকটি প্রতিবেদন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে, যুক্তরাজ্যে মাসিক জিডিপি এবং শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মাসিক জিডিপি পরিসংখ্যান ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যেমনটা প্রান্তিক বা বার্ষিক ভিত্তিক প্রতিবেদন হয়ে থাকে। অন্যদিকে, শিল্প উৎপাদন বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিবেদন রিপোর্ট, এবং এই সূচকের শক্তিশালী ফলাফল ব্রিটিশ কারেন্সির দর বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। জার্মানিতে নভেম্বরের মুদ্রাস্ফীতির দ্বিতীয় অনুমান প্রকাশিত হবে, তবে যেহেতু এটি দ্বিতীয় অনুমান তাই এই প্রতিবেদনের প্রতি ট্রেডারদের খুব বেশি আগ্রহ থাকবে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/724986056.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবার বেশ কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে, আজ ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্যদের বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হবে। মনে করিয়ে দেই, বুধবার সন্ধ্যায় ফেডের বছরের শেষ বৈঠকের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ফেড টানা তৃতীয়বারের মতো মূল সুদের হার ০.২৫% হারে কমিয়েছে এবং ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি যথেষ্ট "ডোভিশ বা নমনীয়" (ডট-প্লট চার্ট অনুসারে) অবস্থান গ্রহণ করার ইঙ্গিত দেয়নি। জেরোম পাওয়েল ঘোষণা করেছেন, মুদ্রানীতি নমনীয়করণের আরও পদক্ষেপ তখনই বিবেচনায় নেওয়া হবে, যখন মুদ্রাস্ফীতি ধীরে ধীরে ২%-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে আসতে শুরু করবে। অর্থাৎ, ফেড ২০২৬ সালে নীতিগত অবস্থানের ব্যাপারে সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। তাই মনে হচ্ছে না, শুক্রবার ফেডের কর্মকর্তারা বর্তমান মৌলিক পরিস্থিতির বাইরের কোনো নতুন তথ্য উপস্থাপন করতে পারবেন।
Read more: https://ifxpr.com/4pAvhcw
Read more: https://ifxpr.com/4pAvhcw
-
১৫ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/205093697.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: আজ খুব কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। মূলত একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যদিও এই প্রতিবেদনটির গুরুত্ব কম নয়, তবুও এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের তালিকায়ও পড়ে না। যদি গত সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের প্রতিক্রিয়ায় EUR/USD পেয়ারের মূল্যের 60-80 পিপসের মুভমেন্ট দেখা যায়, তাহলে প্রশ্ন রয়ে যায় যে—ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদন প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে আসলে কতটুকু প্রতিক্রিয়া আশা করা যায়? আমাদের ধারণা, এই প্রতিবেদনের ফলাফল আজ EUR/USD পেয়ারের উপর তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে না। আজ যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা যুক্তরাষ্ট্র—এই তিনটি অঞ্চলে অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে কার্যত তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু অন্তর্ভুক্ত নেই।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/972101255.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে। আজ ফেডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির প্রতিনিধি স্টিফেন মিরান ও জন উইলিয়ামস বক্তৃতা দেবেন। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে মিরান পূর্ববর্তী বক্তব্য পুনরায় উল্লেখ করে মূল সুদের হার যত দ্রুত সম্ভব কমানো প্রয়োজন—এমন মতামত তুলে ধরবেন। তবে ফেডের সর্বশেষ বৈঠক মাত্র কয়েক দিন আগে সম্পন্ন হয়েছে, তাই এই কর্মকর্তাদের বক্তব্য থেকে নতুন কোনো বার্তা পাওয়া যাবে—এমনটি প্রত্যাশিত নয়। ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল সুদের হার সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ ইতোমধ্যেই স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন—বর্তমানে সুদের হার অপরিবর্তিত রেখে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল পর্যবেক্ষণ করা হবে। ফেডের সদস্যদের মধ্যে "ডোভিশ বা নমনীয়" অবস্থানধারীর সংখ্যা এখনো কম, তাই স্বল্প-মেয়াদে মার্কিন মুদ্রানীতি নমনীয় হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে, পুনরায় EUR/USD এবং GBP/USD উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী গঠনের ইঙ্গিত দেখা যেতে পারে, কারণ এখন পর্যন্ত এই দুই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। তবে এই সপ্তাহের পরবর্তী দিনগুলোতেই গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে, ফলে আজ তুলনামূলকভাবে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা এবং ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। বর্তমানে 1.1745-1.1754 এরিয়ার আশেপাশে ইউরোর পজিশন ওপেন করার উপযুক্ত এন্ট্রি পয়েন্ট পাওয়া যেতে পারে, অপরদিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডিংয়ের জন্য উপযুক্ত এরিয়া হলো 1.3319-1.3331।
Read more: https://ifxpr.com/48Vjiz8
-
১৮ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/687080204.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার খুব বেশি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তবে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল আবারও দুর্বল ও পরস্পরবিরোধী ছিল, যা ইঙ্গিত দেয় যে ফেডারেল রিজার্ভ আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আরও 'ডোভিশ বা নমনীয়' অবস্থান গ্রহণ করতে পারে। তবে এই অবস্থান বাস্তবায়নে প্রধান বাধা হলো গত কয়েক মাস ধরে ধাপে ধাপে বৃদ্ধি পাওয়া মূল্যস্ফীতি। যদি নভেম্বরে দেশটির ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) আরও বৃদ্ধি পায়, তাহলে এটি ডলারের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হবে, কারণ তখন ফেড আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করার সিদ্ধান্তে দীর্ঘ সময়ের জন্য স্থগিত করতে পারে। অপরদিকে, যদি মূল্যস্ফীতির হার কমে যায়, তাহলে ফেড জানুয়ারিতেই মূল সুদের হার কমিয়ে দিতে পারে, যার ফলে মার্কেটে আবারও ডলার বিক্রির প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1996010458.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবার অন্তত গুরুত্বপূর্ণ দুটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) বৈঠক বিনিয়োগকারীদের কিছুটা আগ্রহ সৃষ্টি করছে, যদিও ইসিবির আর্থিক নীতিমালায় কোনো পরিবর্তনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ক্রিস্টিন লাগার্ডে ২০২৬ সালে সুদের হার বাড়তে পারে এমন কিছু ইঙ্গিত দিতে পারেন, যা ইউরোর দর বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। অন্যদিকে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের আজকের বৈঠকটি আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আজই মূল সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে, বিশেষ করে যদি বিবেচনা করা হয় যে যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি ৩.২%-এ নেমে এসেছে। এছাড়াও, সুদের হার সম্পর্কিত মুদ্রানীতিক কমিটির সদস্যদের ভোটের ফলাফল এবং ২০২৬ সালের ব্যাপারে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের পূর্বাভাসও গুরুত্বপূর্ণ হবে। সারসংক্ষেপে, আজ মার্কেটে তিনটি বড় ইভেন্ট রয়েছে যেগুলোকে অত্যন্ত 'গুরুত্বপূর্ণ' হিসেবে বিবেচনা করা যায় এবং সেগুলোর প্রভাবে ফরেক্স মার্কেটে উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট সৃষ্টি হতে পারে।
উপসংহার: সপ্তাহের শেষদিকের ট্রেডিংয়ে, EUR/USD এবং GBP/USD– এই দুটি প্রধান কারেন্সি পেয়ারের মূল্যই সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল এবং ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট দ্বারা প্রভাবিত হবে। ট্রেডাররা নিকটবর্তী টেকনিক্যাল লেভেল ও এরিয়া থেকে ট্রেড করার সুযোগ খুঁজতে পারেন। ইউরোর জন্য এই এরিয়াটি হলো 1.1745–1.1754 এবং পাউন্ডের জন্য এটি 1.3319–1.3331 এরিয়া। তবে, মনে রাখতে হবে যে সারাদিনজুড়ে উভয় পেয়ারের মূল্যই হঠাৎ করে দিক পরিবর্তন করতে পারে এবং মার্কেটে বেশ উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করবে বলা প্রত্যাশা করা যায়।
Read more: https://ifxpr.com/44zwOak
-
স্বর্ণের মূল্য ঐতিহাসিক উচ্চতার কাছাকাছি অবস্থান করছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1287130042.jpg[/IMG]
স্বর্ণের মূল্য ঐতিহাসিক উচ্চতার আশেপাশেই স্থির রয়েছে, কারণ বিনিয়োগকারীরা একদিকে ভেনেজুয়েলার ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার দিকে নজর রাখছেন এবং অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন। অপরদিকে, গতকালও প্লাটিনামের মূল্যের ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল, যা একদিনে 4% বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার স্বর্ণের মূল্য আউন্সপ্রতি $4,330-এ পৌঁছায়, যা ০.৮% বৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে। এটি অক্টোবর মাসের রেকর্ড সর্বোচ্চ মূল্যের তুলনায় প্রায় $50 কম। আজ প্রকাশিতব্য মার্কিন মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনটির ফলাফল ফেডারেল রিজার্ভ আদৌ সুদের হার আরও কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণে আগ্রহী কি না—সে বিষয়ে ধারণা প্রদান করবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যকার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে স্বর্ণের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। সাধারণত ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সময় নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বেড়ে যায়, যার মধ্যে স্বর্ণ অন্যতম। বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা, অঞ্চলটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়তে পারে, যার ফলে মূলধন নিরাপদ ইনস্ট্রুমেন্ট বা অ্যাসেটের দিকে সরে যেতে পারে। যদিও বর্তমানে স্বর্ণের মূল্য দৃঢ়ভাবে স্থিতিশীল আছে, তবে স্বল্প-মেয়াদি ভবিষ্যৎ প্রবণতা এখনও অনিশ্চিত। এটি ফেডের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ এবং সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। যদি মার্কিন যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার তুলনায় বেশি বৃদ্ধি পায়, তাহলে ফেড সুদের হার কমানোর ক্ষেত্রে আরও সতর্ক অবস্থান গ্রহণ পারে, যা স্বর্ণের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। একই সময়ে, আরও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্ভাবনাকেও সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করা যায় না। যেকোনো নতুন সংঘাত চরম পর্যায়ে পৌছালে অথবা নতুন উত্তেজনার উদ্ভব নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে, যা স্বর্ণের মূল্যকে ঊর্ধ্বমুখী করবে। এ বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বলা যায়, স্বর্ণের মূল্য প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বেড়েছে এবং এটি ১৯৭৯ সালের পর বার্ষিক ভিত্তিতে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেতে চলেছে। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রয় এবং সরকারি বন্ড ও প্রধান মুদ্রা থেকে বিনিয়োগকারীদের সরে যাওয়ার কারণে ঘটেছে। প্লাটিনামের মূল্য ১৮% পর্যন্ত বেড়েছে এবং ১০ ডিসেম্বর ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার পর থেকে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ব্রিটিশ ব্যাংকগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্লাটিনাম স্থানান্তরের মাধ্যমে শুল্কের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত থাকার চেষ্টা করছে, ফলে লন্ডনের মার্কেটে সরবরাহ সংকট দেখা যাচ্ছে—যা প্লাটিনামের মূল্যবৃদ্ধিকে সহায়তা করেছে। বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, স্বর্ণের ক্রেতাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে এটির মূল্যকে $4,372-এর রেজিস্ট্যান্সে পুনরুদ্ধার করা। এতে সফল হলে, স্বর্ণের মূল্যের পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে $4,432, যেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল এবং যার উপরে পৌঁছানো তুলনামূলকভাবে কঠিন হবে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা হলো প্রায় $4,481। অন্যদিকে, যদি স্বর্ণের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য $4,304 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করবে। যদি স্বর্ণের মূল্য এই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হয়, তাহলে এটি ক্রেতাদের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে এবং স্বর্ণের মূল্য কমে গিয়ে $4,249 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, এমনকি $4,186-এর দিকেও নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4pIr8mJ
-
-
মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও কমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1972090461.jpg[/IMG]
মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালারের এক মন্তব্যের পর মার্কিন ডলারের দরপতন হয়েছে এবং স্বর্ণের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। ওয়ালার বলেন, সুদের হার আরও কমানো হলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা "নিরপেক্ষ" বা ভারসাম্যপূর্ণ পর্যায়ে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এখনই এই ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে কোনো তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। ২০২৬ সাল পর্যন্ত মূল্যস্ফীতির হার ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার সম্ভাব্য পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে ওয়ালার বলেন, বর্তমান সুদের হার নিরপেক্ষ পর্যায়ের চেয়ে প্রায় ১০০ বেসিস পয়েন্ট বেশি। ওয়ালার বলেন, "যেহেতু মূল্যস্ফীতি এখনও তুলনামূলকভাবে বেশি, ফলে আমাদের ধৈর্য ধরার সুযোগ আছে—তাই দ্রুতই সুদের হার কমানোর প্রয়োজন নেই, তবে ধাপে ধাপে আমাদের নীতিমালাকে নিরপেক্ষ পর্যাতের দিকে এগিয়ে নেওয়া উচিত।" ওয়ালারের এই মন্তব্যকে বিনিয়োগকারীরা এই ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন যে ভবিষ্যতে ফেডারেল রিজার্ভ তুলনামূলকভাবে ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করবে। যদিও তিনি সুদের হার কমানোর ব্যাপারে বর্তমানে তাড়াহুড়ার প্রয়োজন নেই বলেই উল্লেখ করেন, তবুও ফেডের আর্থিক নীতিমালা এখনও তুলনামূলকভাবে কঠোর রয়েছে—এমন স্বীকারোক্তি ভবিষ্যতে নীতিমালা নমনীয়করণের প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ফেডারেল রিজার্ভ টানা তৃতীয়বার সুদের হার কমানোর পর প্রথম প্রতিনিধি হিসেবে ওয়ালার এমন মন্তব্য করলেন। তবে এই সিদ্ধান্তটি ঐক্যমতের ভিত্তিতে হয়নি, বরং তিনজন সদস্য ভিন্ন মত দিয়েছেন, যা ফেড কমিটির মধ্যে গভীর মতবিরোধ নির্দেশ করে। নীতিনির্ধারকরা এবারের বিবৃতির ভাষাতেও সূক্ষ্ম পরিবর্তন এনেছেন, যা ভবিষ্যতে কবে আবার সুদের হার কমানো হতে পারে—এ নিয়ে অনিশ্চয়তার বার্তা দেয়। ওয়ালার, যিনি পরবর্তী ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান পদের জন্য অন্যতম প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন, এখন অনেক বেশি নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করেছেন—আর ট্রাম্প নতুন ফেড প্রধানের কাছ থেকে এমন অবস্থানই প্রত্যাশা করছেন। ওয়ালার বলেন, "নিশ্চয়ই। আমি আমার জীবনের ২০ বছর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্থিতিশীলতা ও এর গুরুত্ব নিয়ে কাজ করেছি। তাই আমার কাছে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব রয়েছে।" EUR/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী ক্রেতাদের এখন এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1730 লেভেলে নিয়ে যাওয়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। কেবল এই লেভেলে পৌছালেই মূল্যের 1.1750 লেভেলে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে। সেখান থেকে পেয়ারটির মূল্য 1.1770 পর্যন্ত উঠতে পারে, তবে মার্কেটের বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া সেটা করা কঠিন হবে। সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা থাকবে 1.1805 লেভেল। তবে যদি এই পেয়ারের মূল্য কমে যায়, তাহলে আমি কেবল মূল্য 1.1705-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের প্রত্যাশা করছি। যদি সেখানে ক্রেতাদের সক্রিয় না হয়, তাহলে পুনরায় এই পেয়ারের মূল্যের 1.1685-এর লেভেলের নিচে নেমে যাওয়ার বা সরাসরি 1.1650 থেকে লং পজিশন ওপেন করার জন্য অপেক্ষা করা উচিত হবে। অন্যদিকে, GBP/USD-এর টেকনিক্যাল চিত্রের ক্ষেত্রে, পাউন্ডের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3405 লেভেলে ব্রেক করাতে হবে। কেবল এই ব্রেকআউটের মাধ্যমেই মূল্যের 1.3425-এর দিকে অগ্রসর হওয়া সম্ভব হবে, যার উপরে ওঠা অনেক কঠিন হবে। সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3450 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের দরপতনের ক্ষেত্রে, মূল্য 1.3360 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করবে। তারা যদি সফল হয়, তাহলে মূল্য এই রেঞ্জ ব্রেক করলে সেটি মার্কেটে বুলিশ পজিশনের জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য আরও কমে 1.3340-এ পৌঁছাতে পারে, পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3310 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4p4JuNT