-
৫ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/888106728.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের আবারও "না মাছ, না মাংস" ধরনের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। সারাদিনব্যাপী সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব অত্যন্ত দুর্বল ছিল, যার কারণে মার্কেটে নতুন পজিশন ওপেন করার মতো কোনও যথাযথ ভিত্তি তৈরি হয়নি। সার্বিকভাবে এই সপ্তাহে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যার বেশিরভাগই মার্কেটে তেমন কোনো প্রভাব ফেলেনি। ইউরোজোনে প্রকাশিত প্রায় সব প্রতিবেদনের ফলাফল (যার মধ্যে কয়েকটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল) ট্রেডাররা উপেক্ষা করেছে, আর মার্কিন প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল কিছুটা মিশ্র ধরনের ছিল, যা মার্কেটে অনিশ্চিত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ISM উৎপাদন সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল এসেছে, কিন্তু পরিষেবা খাতের অনুরূপ সূচকটির ফলাফল ট্রেডারদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। মূল প্রতিবেদন হিসেবে যেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—তা হলো ADP থেকে প্রকাশিত কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন, যদিও সাধারণভাবে এটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয় না। কিন্তু বর্তমানে এটিই একমাত্র প্রতিবেদন যার মাধ্যমে মার্কিন শ্রমবাজার সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। এই সূচকের ফলাফল প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী ডলারের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনও ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট কার্যকর রয়েছে, ফলে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রাও কম রয়ে গেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1534506901.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়। প্রথমে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়ায় রিবাউন্ড করে এবং পরে এই রেঞ্জ ব্রেক করে ওপরে উঠে যায়। তবে উভয় ক্ষেত্রেই মূল্য ১৫ পিপস-ও ওপরে ওঠেনি যাতে ব্রেক-ইভেন পয়েন্টে স্টপ লস সেট করা যায়। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্যের সামগ্রিক অস্থিরতার পরিমাণ ছিল মাত্র ৪০ পিপস।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো নেতিবাচক রয়ে গেছে; ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল দিক থেকেও ইউরো সহায়তা পাচ্ছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনো বজায় রয়েছে, এবং নিচের সীমানা থেকে মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পর এখন এই রেঞ্জের শীর্ষ সীমানার দিকে মুভমেন্ট হওয়াই যৌক্তিক। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা সম্ভবত আবারও 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেড ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কারণ অন্য কোনো কার্যকর ট্রেডিং এরিয়া আপাতত নেই। এই এরিয়া থেকে যদি মূল্য নিচের দিকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অপরদিকে, এই এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশনের হলে মূল্যের 1.1745 পর্যন্ত যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য যে লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা উচিত: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970–1.1988। শুক্রবার, ইউরোজোনের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত হবে ব্যক্তিগত আয় এবং ব্যয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন, কোর পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেনডিচার প্রাইস ইনডেক্স (PCE) এবং মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোক্তা আস্থা সূচক। যদিও এই প্রতিবেদনগুলোকে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না, তবে এগুলোর ফলাফল মার্কেটে কিছুটা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/49Zqpsr
-
৮ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1583138528.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার আবারও খুবই স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার সাথে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করা হয়েছে, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট ৪০ পিপসও অতিক্রম করেনি। বাস্তবে, আমরা কয়েক মাস ধরেই এই পেয়ারের মূল্যের সীমিত মাত্রার অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা করছি এবং দুঃখজনকভাবে, এই পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ কিছু করার নেই। মার্কেটে এখনও এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে এবং পরপর ছয় মাস ধরে দৈনিক টাইমফ্রেমে 1.1400 থেকে 1.1830-এর সাইডওয়েজ রেঞ্জ মধ্যে ট্রেড করার প্রবণতা বজায় রয়েছে। ফলে, নতুন ট্রেডারদের জন্য বর্তমানে শুধুমাত্র সীমিত রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্টের প্রত্যাশা করাই উপযুক্ত। শুক্রবার কিছুটা ভিন্ন পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল, কারণ সেদিন মৌলিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি সক্রিয় ছিল। ইউরোজোনে তৃতীয় প্রান্তিকের চূড়ান্ত জিডিপি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে PCE মূল্যসূচক ও ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে ভোক্তা মনোভাব সূচক প্রকাশিত হয়েছে। তবে বর্তমানে, এই ধরনের (বিশেষ করে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন) সামষ্টিক প্রতিবেদন ট্রেডিংয়ে খুব বেশি প্রভাব ফেলছে না। ভোক্তা মনোভাব সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে ইতিবাচক ছিল এবং এতে ডলারের দর ২০ পিপস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু মূল প্রশ্ন হলো—মাত্র ২০ পিপসের এমন মুভমেন্টের প্রতি আসলে কতজন ট্রেডার আগ্রহী?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1673638864.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম লক্ষ্য করলে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঠিক কেমন মুভমেন্ট হয়েছে। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, সিগন্যাল গঠনের পর সৃষ্ট মুভমেন্ট মার্কেটের স্বাভাবিক নয়েজের চেয়েও দুর্বল ছিল। এই পেয়ারের মূল্য কেবলমাত্র 1.1655-1.1666 রেঞ্জ থেকে ১৮ পিপস কমেছিল। নতুন ট্রেডাররা এর ফলে সামান্য মুনাফা অর্জন করতে পারত, তবে সিগন্যাল গঠিত হওয়ার জন্য দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হত।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যেটা ট্রেন্ডলাইন দ্বারা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই আমরা EUR/USD পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল দিক থেকেও এই মুহূর্তে ইউরো ইতিবাচক সহায়তা পাচ্ছে, কারণ দৈনিক চার্টে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনও চলমান রয়েছে এবং এই রেঞ্জের নিচের সীমার কাছাকাছি মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পর উপরের সীমার দিকে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার নতুন ট্রেডারদের আবারও 1.1655-1.1666 এরিয়ার প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত হবে, কারণ আপাতত বিকল্প কোনো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং লেভেল নেই। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1584-1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশনে এন্ট্রি করা যেতে পারে। অপরদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার ওপরে কনসলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1745-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে প্রাসঙ্গিক লেভেলসমূহ হল: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908 এবং 1.1970-1.1988।সোমবার শুধুমাত্র একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে — সেটি হচ্ছে জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। যদিও গত শুক্রবার চারটি আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও এই পেয়ারের মূল্যের মাত্র ৩০ পিপসের মতোই মুভমেন্ট হয়েছে, তাহলে একটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদনের প্রভাবে সোমবার কী ধরনের প্রতিক্রিয়ার আশা করা যায়?
Read more: https://ifxpr.com/44PhW7B
-
৯ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/666286786.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে কারেকশন অব্যাহত ছিল। তবে এই পর্যায়ে এটি নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনও অটুট রয়েছে। গতকাল এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ড লাইনের নিচে অবস্থান গ্রহণ করেছে, ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে এখন নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। তবুও, আমরা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের প্রতি নতুন ট্রেডারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। মার্কেটে এখনও খুব দুর্বল মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে, তাই এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যেখানে ট্রেন্ড লাইনের ব্রেক ঘটলেই প্রকৃতপক্ষে প্রবণতার পরিবর্তনের ঘটবে তা নয় বরং দীর্ঘমেয়াদী কারেকশন এবং প্রাথমিকভাবে দুর্বল মোমেন্টামের কারণে এমন পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে এই সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং তুলনামূলকভাবে ডলারের আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও, সোমবার জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। যদিও এই প্রতিবেদনটি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে সূচকটি পূর্বাভাসের তুলনায় ইতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। স্বাভাবিকভাবেই, মার্কেটের ট্রেডাররা EUR/USD পেয়ারের মূল্যকে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী করতে পারত। দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য এখনও ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে রয়েছে, তাই 1.1800 লেভেলের (রেঞ্জের উপরের সীমানা) দিকে মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/943072785.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, গতকাল একটি মাত্র সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশন জুড়ে 1.1655-1.1666 এরিয়ায় মূল্যের রিবাউন্ডের মাধ্যমে এই সিগন্যালটি গঠিত হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ২৫ পিপস হ্রাস পায়, তাই এই সিগন্যাল থেকে সামান্য মুনাফা করা সম্ভব হয়েছিল। তবে বর্তমানে উল্লেখযোগ্য মুনাফার আশা করা ঠিক নয়, কারণ মার্কেটে এখনও স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক চার্টে দেখা যাচ্ছে যে, ট্রেন্ড লাইন ব্রেক করলেও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক প্রেক্ষাপট এখনও নেতিবাচক রয়েছে, ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল কারণগুলোও ইউরোর পক্ষে কাজ করছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত রয়েছে, এবং এই রেঞ্জের নিচের সীমায় গিয়ে মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পর উপরের সীমার দিকে মুভমেন্টের আশা করা যুক্তিযুক্ত হবে। মঙ্গলবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1655–1.1666 এরিয়ার ওপর ভিত্তি করে ট্রেডিং করতে পারেন, কারণ আপাতত কার্যকর কোনো বিকল্প লেভেল নেই। যদি মূল্য এই এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে, তাহলে মূল্যের 1.1584–1.1591 পর্যন্ত যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। আর যদি মূল্য এই এরিয়ার ওপরে স্থিতিশীলভাবে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1745 পর্যন্ত যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যাবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে প্রাসঙ্গিক লেভেলসমূহ হল: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970-1.1988। মঙ্গলবার ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্রে JOLTs এবং চাকরির শূন্যপদ সংক্রান্ত তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, সেইসাথে বেসরকারী খাতে কর্মসংস্থানের পরিবর্তন সংক্রান্ত সাপ্তাহিক ADP প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হবে। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3KiBfzu
-
১০ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবারও EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের বেশ দুর্বল এবং প্রায় সম্পূর্ণভাবে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে নিম্নমুখী মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা অত্যন্ত কম ছিল, আর গত পাঁচ দিনে কার্যত কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট ঘটেনি। ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির আসন্ন বৈঠক এর অন্যতম কারণ হতে পারে, যেটির ফলাফল ঘোষণার আগে মার্কেটের ট্রেডাররা ঝুঁকি নিতে ইচ্ছুক নয়, কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বল্পমেয়াদে কোন পথ অনুসরণ করবে—তা নিয়ে এখনও কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই। বিকল্পভাবে, এটি হয়তো দৈনিক টাইমফ্রেমে পরপর ছয় মাস ধরে চলমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্টের প্রতিফলনও হতে পারে। মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির মুদ্রানীতির নিয়ে কোনো উদ্বেগ ছিল না। ট্রেডাররা বুঝে নিয়েছিল যে, ফেডারেল রিজার্ভ শ্রমবাজারকে সহায়তা করতে বাধ্য হয়ে মূল সুদের হার কমাবে। তবে এই দুই মাসে মুদ্রানীতি নমনীয়করণের প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন ডলারের দর অত্যন্ত স্থিতিশীলও ছিল এবং এমনকি এটির দর কিছুটা বৃদ্ধিও পেয়েছিল, যা এখনো যৌক্তিক পরিস্থিতি বলে মনে হয় না। তাই, আজ সন্ধ্যায়ও অযৌক্তিক মুভমেন্ট দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। যদি আজকের বৈঠকে ফেড ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করে, আর তাও যদি মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পায়, তারপরও আমরা অবাক হব না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/717715334.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, গতকাল একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় 1.1655–1.1666 এরিয়ায় রিজেকশন থেকে এই সিগন্যালটি সৃষ্টি হয়েছিল। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ২৫ পিপস নিচে কমে যায়, যা থেকে সামান্য মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয়। তবে বর্তমানে মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা এতটাই কম যে বেশি মুনাফা অর্জনের প্রত্যাশা করাও বাস্তবসম্মত নয়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1986005261.jpg[/IMG]
বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনও গঠিত হচ্ছে, যদিও মূল্য ট্রেন্ডলাইনকে অতিক্রম করেছে। মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনীতিভিত্তিক প্রেক্ষাপট এখনও অত্যন্ত দুর্বল নেতিবাচক রয়েছে; ফলে আমরা এখনও এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল দিক থেকেও চলমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট ইউরোকে সমর্থন করছে —যেখানে এই রেঞ্জের নিম্নসীমায় পৌঁছানোর পর বিপরীতমুখী হয়ে উপরের সীমা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধিকে যুক্তিসংগত হিসেবে বিবেচনা করা যায়। বুধবার, নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1655–1.1666 এরিয়ায় ট্রেড করার চেষ্টা করতে পারে, কারণ ইতোমধ্যেই এই পেয়ারের মূল্য পরপর পাঁচ দিন এই এরিয়ার কাছাকাছি রয়েছে। যদি এই এরিয়া থেকে একটি বাউন্স হয়ে মূল্য নিম্নমুখী, তবে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন হয়, তবে মূল্যের 1.1745-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশনে এন্ট্রির সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970–1.1988। বুধবার ইউরোজোনে তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বছরের শেষ বৈঠকের ফলাফল ঘোষণা করা হবে, যা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3KLGis9
-
১১ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1104934794.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঠিক সেইরকম মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে, যেমনটি অধিকাংশ ট্রেডার প্রত্যাশা করেছিল। এটি উল্লেখযোগ্য যে, মার্কেটের ট্রেডাররা সব সময় ফেডের বৈঠকের ফলাফলের প্রতি খুব স্পষ্ট বা যৌক্তিকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় না। গতকাল এমনই এক পরিস্থিতির উদাহরণ দেখা গেছে—গত কয়েক মাসে ফেডারেল রিজার্ভ যখনই মুদ্রানীতি নমনীয় করেছে, ডলারের দর তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এইবার ঠিক উল্টো পরিস্থিতি দেখা গেল—যদিও ফেড ২০২৬ সালের আগে সুদের হার আর না কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তবুও ডলারের দরপতন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, প্রত্যাশিত অনুযায়ী সুদের হার টানা তৃতীয়বারের মতো কমানো হয়েছে, কিন্তু কিছুটা আগেভাগেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এখনো পর্যন্ত শ্রমবাজার, বেকারত্ব বা মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত তেমন কোনো নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি, তাই ফেড খুব একটা সুনির্দিষ্ট এবং বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। ফলে, তারা ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির শঙ্কায় আগেইভাগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেহেতু এই সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে "ডোভিশ বা নমনীয়", তাই মার্কিন ডলারের দরপতন যৌক্তিক ছিল। আমরা গত দুই সপ্তাহ ধরে শুধুমাত্র দৈনিক টাইমফ্রেমে 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের নিম্নসীমা থেকে টেকনিক্যাল রিভার্সালের উপর ভিত্তি করে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়ে আসছিলাম।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1076151068.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট গতকাল ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। যখন ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় মূল্য 1.1655 লেভেল থেকে বাউন্স করে তখন প্রথম সিগন্যাল গঠিত হয়। এরপর এই পেয়ারের মূল্য ১৫ পিপস কমে যায়—ফলে কোনো লোকসান হয়নি, এমনকি ফেডের সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে এই ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে সামান্য লাভ করাও সম্ভব ছিল। ফেডের ঘোষণার পর মার্কিন ডলার বিক্রি করার সুযোগ তৈরি হয় এবং একই সময়ে 1.1655–1.1666 এরিয়ায় একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়। ফলে, নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন, যা থেকে এখন পর্যন্ত মুনাফা করা যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যদিও এই পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইন অতিক্রম করেছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক, তাই ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট থেকেও ইউরো সহায়তা পাচ্ছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনো অব্যাহত আছে এবং এই রেঞ্জের নিম্নসীমা থেকে মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পরে উপরের সীমার দিকে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির আশা করা যায়। বৃহস্পতিবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেডিং করতে পারে, কারণ টানা ছয় দিন ধরে এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ায় অবস্থান করছে। যদি এই এরিয়া থেকে মূল্য বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1745–1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ রয়েছে। আর যদি মূল্য এই লেভেলের নিচে স্থিতিশীল হয়, তাহলে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হল: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970–1.1988। বৃহস্পতিবার ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়নি। ফলে মার্কেটে আবারও স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে, এবং আজকের ট্রেডিং কেবলমাত্র টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের ওপর নির্ভর করবে।
Read more: https://ifxpr.com/4iNacca
-
১২ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1164060859.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার সন্ধ্যায় ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল। মনে করিয়ে দেই, ফেডের বছরের শেষ বৈঠকের ফলাফলকে পুরোপুরিভাবে "ডোভিশ বা নমনীয়" বলা যায় না। ফেড সুদের হার কমালেও ২০২৬ সালে সুদের হার হ্রাসের ক্ষেত্রে কার্যত দীর্ঘমেয়াদি বিরতির ঘোষণা দিয়েছে। আগামী বছরের কেবলমাত্র একবার মুদ্রানীতি নমনীয়করণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা মার্কিন ডলারের জন্য ইতিবাচক সংবাদ। তবুও, এবারে মার্কেটের ট্রেডাররা এমনভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে যেন ফেড ৪–৫ বার সুদের হার কমানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য যে, আগের দুটি বৈঠকেও ফেড সুদের হার হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, এবং এরপরই ডলারের দর বৃদ্ধি পায়। তাই বর্তমানে মার্কিন কারেন্সির দরপতন মূলত দৈনিক টাইমফ্রেমে চলমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক ট্রেডিংয়ের সাথে সম্পর্কিত। এই পেয়ারের মূল্য 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের নিম্নসীমা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তাই ফেডের বৈঠকের আগেই এই চ্যানেলের উপরের সীমার দিকে মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা অনুমান করা যেত। দীর্ঘমেয়াদে, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবার শুরু হবে বলে আশাবাদী, যেখানে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800 লেভেল ব্রেক করলে আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ধারাবাহিকতা দেখা যেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1525005001.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, গতকাল মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় প্রথম ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 রেজিস্ট্যান্স এরিয়াতে পৌঁছায়, কিন্তু এরপর আর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখতে পারেনি। শুক্রবার সকালে, এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করেছে। এর আগের বাই সিগন্যালটি বুধবার সন্ধ্যায় গঠিত হয়েছিল। যারা এই সিগন্যালের ভিত্তিতে লং পজিশন ওপেন করেছিলেন, তারা প্রায় 60 পিপস মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/308338004.jpg[/IMG]
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে, যদিও এই সপ্তাহে মূল্য ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক, তাই আমরা এই পেয়ারের আরও মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল বিষয়গুলো এ মুহূর্তে ইউরোকে সহায়তা করছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক ট্রেডিং এখনো চলমান রয়েছে এবং এই রেঞ্জের নিম্নসীমা থেকে মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পরে উপরের সীমার দিকে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির আশা করা যায়। শুক্রবার নতুন ট্রেডাররা 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারেন। যদি মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1655–1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই লেভেলের উপরে মূল্যের কনসলিডেশন হয়, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। শুক্রবার ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই কিংবা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না। শুধুমাত্র জার্মানিতে নভেম্বর মাসের মুদ্রাস্ফীতির অনুমান সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ফলে, আজ মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে এবং সম্পূর্ণরূপে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে ট্রেডিং করা যেতে পারে। ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী: সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত। ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন। MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত। নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন। স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।
Read more: https://ifxpr.com/453ZGHI
-
১৫ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/211654474.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সির পেয়ারের মূল্যের স্বল্পমাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করেছে এবং একেবারে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। মার্কেটের এই ধরণের পরিস্থিতি অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়, কারণ ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে একটি দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, যেখানে দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে, সামগ্রিকভাবে এই পেয়ারের মূল্যের মোমেন্টাম দুর্বলই রয়ে গেছে। গত সপ্তাহে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল, যেটি মূলত ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক এবং এর ফলাফল থেকে উদ্ভূত প্রতিক্রিয়ার কারণে হয়েছিল। ওই দুই দিনে স্বাভাবিকভাবেই অস্থিরতার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে শুক্রবার আমরা সার্বিক পরিস্থিতি পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে দেখেছি। আবারো মার্কেটে কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট ছিল না। এই সপ্তাহে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, ফলে অস্থিরতার মাত্রা পুনরায় বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে ট্রেডারদের এখন টেকনিক্যাল বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত – কারণ একই ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনো অব্যাহত রয়েছে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1800-1.1830 রেঞ্জের (সাইডওয়েজ চ্যানেলের ঊর্ধ্বসীমা) ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত থাকবে এবং আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহে আবারও এই রেঞ্জের নিম্ন সীমার দিকে এই পেয়ারের দরপতন হতে দেখতে পারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/170923811.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। প্রথমে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়ার কাছ থেকে দুইবার রিবাউন্ড করে, তবে এটি দুপুরের পরে ঘটেছিল, যখন এটি ইতোমধ্যেই ১০০% স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে মার্কেটে কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যাবে না। তাছাড়া, উইকেন্ডে মার্কেটে ট্রেডিং বন্ধ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্টের মধ্যে পজিশন ওপেন করা মূলত কার্যকর কৌশল নয়।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার গঠন বজায় রয়েছে, যদিও গত সপ্তাহে মূল্য ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছিল। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বেশ নেতিবাচক, তাই আমরা এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল দিক থেকেও বর্তমানে ইউরোর জন্য সহায়ক অবস্থা বিরাজ করছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত রয়েছে এবং এই রেঞ্জের নিম্ন সীমা থেকে একটি রিবাউন্ড হলে, তা যুক্তিযুক্তভাবে ঊর্ধ্ব সীমার দিকে মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা নির্দেশ করে। সোমবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেডিং করতে পারে। এই এরিয়া থেকে মূল্যের দুইবার বাউন্স হওয়ার মাধ্যমে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। তবে যদি মূল্য এই এরিয়ার উপরে কনসলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডারদের নিম্নোক্ত লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। সোমবার কেবলমাত্র একটিমাত্র প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে—সেটি হচ্ছে ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। সেই অনুযায়ী, আজ মার্কেটে বেশি অস্থিরতা বিরাজ করবে এমন সম্ভাবনা খুবই কম।
Read more: https://ifxpr.com/48OCvm0
-
১৮ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/869602412.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কিছুটা নিম্নমুখী কারেকশন হয়েছে, তবে সামগ্রিকভাবে এখনও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করেছে, যা উপরের চার্টেও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। গতকাল ইউরো উল্লেখযোগ্যভাবে দরপতনের শিকার হয়েছিল, যদিও এই পেয়ারের মূল্যের উপর সামষ্টিক অর্থনৈতিক বা মৌলিক প্রেক্ষাপট খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি। ট্রেডারদের হয়তো মনে হয়েছে যে একটি নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হচ্ছে—যার কিছুটা সম্ভাবনা ছিল বলা যায়—, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমায় পৌঁছেছিল। তবে এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেই দীর্ঘ ছয় মাস ধরে এই পেয়ারের ট্রেড করা হচ্ছে, তাই অবশেষে মূল্য এই রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে যাবে—এটাই স্বাভাবিক। সে কারণে, আমরা মনে করি এখনই হতাশ হওয়ার বা নতুন করে শক্তিশালী দরপতনের প্রত্যাশা করার সময় আসেনি। এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা বিরাজমান থাকতে পারে। আজ যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে চলেছে, যা মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং ডলারের দরপতন ঘটাতে পারে। যদি মূল্যস্ফীতির হার নিম্নমুখী হয়, তাহলে জানুয়ারিতে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক আরেকবার সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা বাড়বে। আজ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে—যদিও বড় ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত প্রত্যাশিত নয়, তবে সবসময়ই চমকের সম্ভাবনা থেকে যায়। এই পেয়ারের মূল্য এখনও ট্রেন্ডলাইনের উপরে অবস্থান করছে, তাই এখনও দরপতনের জন্য কোনো স্পষ্ট ভিত্তি পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1520144869.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার রাতের দিকে একটি কার্যকর সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে বাউন্স করে এবং নতুন ট্রেডারদের শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ দেয়। তবে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1666-এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি এবং দিনশেষে আবার পূর্ববর্তী অবস্থানে ফিরে আসে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যত কোনো মৌলিক কারণ ছাড়াই এই পেয়ারের মূল্যের পুনরুদ্ধারকে আমরা ভবিষ্যতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচনা করছি।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও নেতিবাচক রয়ে গেছে, ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করছি। বর্তমানে এই পেয়ারের মূল্য 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের লাইনে পৌঁছেছে, তাই এখন মূল্য হয় এই চ্যানেল ব্রেক করবে, অথবা উক্ত ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেই অবস্থান করবে। বৃহস্পতিবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। এই এরিয়া থেকে মূল্য বাউন্স করলে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1655–1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। তবে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার উপরে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং লেভেলগুলো হচ্ছে 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। বৃহস্পতিবার ইউরোপে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে, যেটির ফলাফল ইউরোপীয় মুদ্রার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে নভেম্বর মাসের গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতি নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট মার্কেটে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4oZB760
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ
ইউরো ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.1711 পৌঁছেছিল, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে যায়। এ কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করা থেকে বিরত ছিলাম। পরে, এই পেয়ারের মূল্য একই 1.1711 লেভেলে দ্বিতীয়বার পৌঁছালে বাই সিগন্যালের "পরিকল্পনা 2" বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়া যায়, কারণ তখন MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে ছিল। এর ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য ২০ পিপসের বেশি বৃদ্ধি পায়। ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তাদের ভবিষ্যতের সুদের হার সংক্রান্ত মন্তব্যগুলোতে ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিতের কারণে ডলারের সকালের মোমেন্টাম দুর্বল হয়ে যায়। তবে, কিছুটা দুর্বলতার ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও মার্কিন অর্থনীতি অন্যান্য অনেক উন্নত অর্থনীতির তুলনায় তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল আছে। চলমান সমস্যাগুলোর মধ্যে বেকারত্ব অন্যতম, যা সম্প্রতি বেড়ে চলেছে এবং এর ফলে মার্কিন ডলারের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে। আজ দিনের প্রথমার্ধেই ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবির) মূল সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। যেহেতু এই অনুমিত সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করেছে, তাই এটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে—এমন সম্ভাবনা কম। তবে ক্রিস্টিন লাগার্ডের সংবাদ সম্মেলন সবচেয়ে আকর্ষণীয় হতে যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা অধীর আগ্রহে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির রূপরেখা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পরিকল্পনা এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাব্য সময়সূচি সম্পর্কিত ইঙ্গিত বা বার্তার জন্য অপেক্ষা করছেন—যদি এমন কোনো পরিকল্পনা থেকে থাকে। সেইসঙ্গে ইউরোপীয় অর্থনীতির ভবিষ্যত প্রবণতা নিয়ে লাগার্ডে মন্তব্যগুলোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানগুলোর ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নয়নের ধারা কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী, এবং ইসিবি আগামী বছরের পূর্বাভাস ইতিবাচকভাবে হালনাগাদ করতে পারে। দৈনিক কৌশল অনুসারে, আমি আজ মূলত "পরিকল্পনা 1" এবং "পরিকল্পনা 2" বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দেব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1776-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1751-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1776-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1737-এর লেভেলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1751 এবং 1.1776-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1737-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1716-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1751-এর লেভেলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1737 এবং 1.1716-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2069366359.jpg[/IMG]
Read more: https://ifxpr.com/4j3do3r
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২২ ডিসেম্বর।
ইউরো ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1705 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। শুক্রবার বিকেলে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত ভোক্তা মনোভাব সূচক সম্পর্কিত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল মার্কিন ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। তবে, এই সূচকের পতনের ফলাফল—যা যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে ভোক্তাদের উদ্বেগ প্রতিফলিত করে—বিশ্লেষকরা তাদের স্বল্পমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত পূর্বাভাস সংশোধন করতে উদ্বুদ্ধ হয়নি। ফলে, ফরেক্স মার্কেটে এই প্রতিবেদনের প্রভাব সীমিত ছিল। আজ, ইউরোজোন থেকে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের অভাবে দিনের প্রথমার্ধে মার্কেটে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ওঠানামা বা অস্থিরতা প্রত্যাশিত নয়। ট্রেডাররা সম্ভবত অন্যান্য বিষয়ের উপর—বিশেষ করে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের—দিক মনোযোগ দেবে। ইউরোজোন থেকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের সম্ভাবনা না থাকায়, সম্ভবত বাহ্যিক প্রভাবশালী উপাদানগুলোই বিনিয়োগকারীদের মনোভাব নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকায় থাকবে এবং স্বল্পমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণ করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আজ আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/922343611.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1749-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1726-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1749-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1712-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1726 এবং 1.1749-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1897488660.jpg[/IMG]
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1712-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1688-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1726-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1712 এবং 1.1688-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4pVdlJK