-
২৪ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/49920497.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বুধবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, শুধুমাত্র একটি স্বল্প গুরুত্বপূর্ণ সূচক প্রকাশের কথা রয়েছে—সেটি হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেকারভাতা আবেদনসংক্রান্ত প্রতিবেদন। আজ ফরেক্স মার্কেটে সন্ধ্যার দিকে ট্রেডিং সেশন শেষ হয়ে যাবে। আগামীকাল ক্রিসমাস, ফলে মার্কেট সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, থিন মার্কেটে আজ পুরো দিনজুড়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের বুলিশ প্রবণতা বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ অধিকাংশ টেকনিক্যাল ও মৌলিক সূচক এখনো ডলারের দরপতনের সম্ভাবনা নির্দেশ করছে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবার কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। সামগ্রিকভাবে, মার্কেটে মূলত ফেডারেল রিজার্ভের অবস্থানকে ঘিরে প্রশ্ন রয়েছে। ফেডের সর্বশেষ বৈঠকটি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলেও, এর পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমবাজার, বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে—যেগুলোর ফলাফলের ফেডের মুদ্রানীতির ওপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে থাকে। তাই, জেরোম পাওয়েল এবং ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির (FOMC) অন্যান্য সদস্যদের সর্বশেষ দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে আমরা এখনো জানি না। তবে, আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার ফেড কর্মকর্তাদের কোনো বক্তব্য নির্ধারিত ছিল না। ছুটির মৌসুম এগিয়ে আসায় অনেক রাজনীতিবিদ ও অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারক ছুটিতে রয়েছেন। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। বর্তমানে স্বল্পমেয়াদে উভয় পেয়ারের মূল্যের বুলিশ প্রবণতা বিরাজ করছে, এবং মার্কেটের ট্রেডারদের বড় একটি অংশ এখনও সক্রিয়ভাবে ট্রেডিং ও ক্রয়-বিক্রয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে। আজ EUR/USD পেয়ার 1.1808 লেভেল থেকে ট্রেড করবে, যেখানে GBP/USD পেয়ার 1.3529–1.3543 এরিয়া থেকে ট্রেড করবে।
Read more: https://ifxpr.com/44KXFQJ
-
২৬ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/76874885.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। ছুটির মৌসুম এখনও চলমান রয়েছে। চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই দিনের ট্রেডিংয়ে, ছুটির আগের ব্যস্ততা উপলক্ষ্যে মার্কেটে শক্তিশালী অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছিল; তবে বছরের বাকি দিনগুলোতে সেইরকম অস্থিরতা দেখা যাবে না বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1157688773.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবার কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। বড়দিন এবং নববর্ষ উপলক্ষ্যে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকসমূহ ছুটিতে চলে গেছে, ফলে আগামী বছরের আগে আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। মূলত আগামী ৫ জানুয়ারি উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে। উপসংহার: ছুটির সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারের মন্থর ট্রেডিং কার্যক্রম দেখা যেতে পারে। স্বল্পমেয়াদে উভয় পেয়ারের মূল্যেরই এখনও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করলেও, মার্কেটে পুরোপুরিভাবে ছুটির মৌসুম বিরাজ করছে। বর্তমানে "থিন" মার্কেট পরিস্থিতির কারণে আজ কোনো প্রবণতাভিত্তিক মুভমেন্ট নাও দেখা যেতে পারে, তবে এটি পূর্বানুমানযোগ্য নয়। আমাদের ধারণা, আজ মার্কেটে স্থবির পরিস্থিতি বিরাজ করবে।
Read more: https://ifxpr.com/3LkfiAi
-
-
৩০ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/808688949.jpg[/IMG]
সোমবার ছুটির আমেজের মধ্যে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। সারাদিন ধরে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা খুবই কম ছিল, এবং একেবারে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট হতে দেখা গেছে। কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক বা মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব না থাকায়, ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া জানানোর মতো কিছুই ছিল না। সুতরাং, টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে এখনও ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে ছুটির পর ব্রিটিশ মুদ্রার আরও মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। উল্লেখযোগ্য যে, বৈশ্বিক কিছু কারণ ব্রিটিশ কারেন্সিকে মার্কিন ডলারের তুলনায় বেশি সহায়তা করছে। তবে, এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য কোনো মুভমেন্ট দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। যদিও সেই সম্ভাবনা রয়েছে, তবে এই মুহূর্তে পূর্বাভাস দেওয়া অত্যন্ত কঠিন। ট্রেডারদের এখন শুধুমাত্র টেকনিক্যাল বিষয়ের ওপর নির্ভর করে ট্রেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/944584882.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, সোমবার কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। সারাদিন জুড়েই ন্যূনতম অস্থিরতার মধ্যে এই পেয়ারের মূল্য সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে। ফলে, এই পেয়ারের মূল্য কোনো নির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ লেভেল বা এরিয়ায় পৌঁছায়নি।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে দেখা যাচ্ছে যে GBP/USD পেয়ারের মূল্য পূর্বে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বের হয়ে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। আমরা বারবার পূর্বাভাস দিয়েছি যে এই ধরনের পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে যৌক্তিক। কারণ, মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো শক্তিশালী কারণ নেই। তাই সামগ্রিকভাবে আমরা কেবলমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টেরই প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলা যায়, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে GBP/USD পেয়ারের মূল্যকে 1.4000-এর দিকে নিয়ে যেতে পারে। মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3529–1.3543 এরিয়া অতিক্রম করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3574–1.3590-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3529–1.3543 এরিয়া থেকে আবার বাউন্স করে, তখন শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3437–1.3446-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বর্তমানে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো প্রাসঙ্গিক হতে পারে: 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3437-1.3446, 1.3529-1.3543, এবং 1.3574-1.3590। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না কিংবা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। ফলে, মার্কেটে আবারও স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে। বর্তমানে ব্যাপক "থিন মার্কেট" দেখা যাচ্ছে, অর্থাৎ সাধারণ সময়ের তুলনায় এখন মার্কেট মেকাররা তুলনামূলকভাবে সহজেই মূল্যের মুভমেন্ট ঘটাতে সক্ষম — তবে তা শুধুমাত্র তারা চাইলেই ঘটতে পারে। এটি মোটেই নিশ্চিত করে না যে তারা মূল্যের এমন মুভমেন্ট ঘটাতে আগ্রহী।
Read more: https://ifxpr.com/49h6ovw
-
২ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/535440977.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট গত বুধবার অনেকটা EUR/USD পেয়ারের মতোই GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট বেশ বিশৃঙ্খল এবং মিশ্র ধরনের ছিল, তবে অস্থিরতার মাত্রা তুলনামূলকভাবে কমই ছিল। সামষ্টিক অর্থনৈতিক কিংবা মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব একেবারেই অনুপস্থিত ছিল এবং এই মুহূর্তে টেকনিক্যাল চিত্র অনেকটাই পরস্পরবিরোধী। আমরা মনে করি, ছুটির সময়ে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়, কারণ ওই সময় মার্কেটে সাধারণত অনিয়মিত মুভমেন্ট দেখা যায়। মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি—সব টাইমফ্রেমেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাই পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাই আমরা আশা করছি, ছুটি শেষ হওয়ার পরের সপ্তাহে নতুন বছরের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। খুব সম্ভবত সোমবার থেকেই মার্কেটে আরও উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট শুরু হবে, যা ট্রেডারদের জন্য স্পষ্ট ট্রেডিং সিগন্যাল এবং মুনাফার সুযোগ তৈরি করতে পারে। এই মুহূর্তে, মার্কিন ডলারের তুলনায় ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য আরও অধিক আকর্ষণীয় পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2026633176.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার পাউন্ডের কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত করেছিল। প্রশ্ন হলো - বছরের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার আগে এই সিগন্যালগুলো অনুসরণ করে ট্রেড করা কি যৌক্তিক ছিল? স্বাভাবিকভাবেই, সেসব সিগন্যালের মান খুব একটা ভালো ছিল না এবং গত কয়েক সপ্তাহ এবং মাসজুড়েই অস্থিরতার মাত্রাও বেশ কম ছিল। এমনকি ছুটির সপ্তাহে অস্থিরতার মাত্রা আরও কমে গেছে। আমাদের মতে, বাস্তবিক অর্থে ট্রেডিং শুরু করার সঠিক সময় হলো সোমবার, অর্থাৎ ৫ জানুয়ারি।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইনের নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়েছে, তাই টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুসারে নতুন বছরের শুরুতে আনুষ্ঠানিকভাবে পাউন্ডের নতুন দরপতনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে আমরা মনে করি না যে, মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে, তাই আমরা শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টেরই প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা মনে করি যে ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবারও শুরু হতে যাচ্ছে এবং এর ফলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্য 1.4000 লেভেল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। শুক্রবার এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করার কথা চিন্তা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3529–1.3543-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় সেশন শেষ হয়, তাহলে শর্ট পজিশন উপযুক্ত হবে এবং এক্ষেত্রে মূল্যের 1.3319–1.3331-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেড করার জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে 1.2913, 1.2980–1.2993, 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3437–1.3446, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590। শুক্রবার যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তাই মার্কেটে খুবই দুর্বল মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে। মার্কেট থেকে এখনও ছুটির আমেজ পুরোপুরিভাবে যায়নি।
Read more: https://ifxpr.com/4poyjzN