-
EUR/USD পেয়ারের বিশ্লেষণ: আবারও চাপের মুখে মার্কিন ডলার, এই পেয়ারের মূল্য 1.17 এরিয়ায় পৌঁছেছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1994450339.jpg[/IMG]
গত সপ্তাহে EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1800-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেল (D1 টাইমফ্রেমে বোলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন) ব্রেক করতে ব্যর্থ হয়, যার পর বিক্রেতারা মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং এই পেয়ারের মূল্যকে 1.17 লেভেলের দিকে নিয়ে আসে। তবে তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.16 লেভেলে বা 1.1690-এর সাপোর্ট লেভেল অতিক্রম করাতে পারেনি (একই টাইমফ্রেমে কুমো ক্লাউডের উপরের সীমা)।
শুক্রবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1704 লেভেলে পৌঁছানোর পর ট্রেডিং শেষ হয়। মূলত বেশ দুর্বল ভিত্তির উপর নির্ভর করে গত সপ্তাহে এই পেয়ারের দরপতন ঘটেছে। মার্কিন ডলার সূচক তিন দিন (বুধবার থেকে শুক্রবার) বেশ শক্তিশালী অবস্থানে ছিল, কিন্তু এই ধরনের গতিশীলতাকে সহায়তা করার মতো কোনো বাস্তব পদ্ধতিগত কারণ ছিল না। এখানে মার্কেটের ট্রেডারদের "বিষয়ভিত্তিক" মূল্যায়ন মূল ভূমিকা রেখেছে, যাদের অধিকাংশ মার্কেটের পরিস্থিতিকে ডলারের জন্য "ইতিবাচক" হিসেবে দেখেছেন। উদাহরণস্বরূপ, যদিও নভেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার 4.6%-এ পৌঁছেছে (যা ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ), যা নেতিবাচক সংকেত, তবুও ট্রেডাররা কর্মসংস্থান সৃষ্টি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন, যেটির ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে সামান্য ইতিবাচক (+64,000 পরিবর্তে +50,000) ছিল। যদিও এই উপাদানটি তথাকথিত "ইতিবাচক" ছিল, তবুও মার্কেটে কোনো আশাবাদের তৈরি হয়নি। প্রথমেই, কর্মসংস্থানের সংখ্যা 64,000 বৃদ্ধি কিন্তু মার্কিন শ্রমবাজারের অস্থিতিশীলতা নির্দেশ করে। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে 212,000 এবং ডিসেম্বরে 307,000টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল। দ্বিতীয়ত, ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্সে (BLS) প্রচলিত হিসাব কৌশলগুলো কর্মসংস্থানের প্রকৃত চিত্রকে অতিমূল্যায়ন করতে পারে। ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের মতে, সরকারিভাবে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল হয়তো "অতিরিক্ত আশাবাদী", যার মাপকাঠি বিশেষ করে ৫০,০০০ থেকে ৬০,০০০ কর্মসংস্থান পর্যন্ত অতিরঞ্জিত হতে পারে। এর পেছনে রয়েছে ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশনের হিসাব না থাকা, এবং অস্থায়ী ও ফ্রিল্যান্স ভিত্তিক চাকরির যথাযথভাবে গণনা না হওয়া (যেমন: উবার বা আপওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ)।
এই ভিন্নতা বিবেচনায় ধরলে, প্রকৃত চিত্র অনেক বেশিই হতাশাজনক হতে পারে। কয়েকটি অনুমান অনুযায়ী, এবছরের বসন্ত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বাস্তবে প্রতিমাসে ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ কর্মসংস্থান হ্রাস পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, নভেম্বরের নন ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কিন ডলারের জন্য সহায়ক নয়, কারণ এতে ডলার শক্তিশালী হওয়ার মতো কোনো পূর্বশর্ত নেই। একই কথা নভেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক বা CPI প্রতিবেদনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যা একই সপ্তাহে প্রকাশিত হয়েছিল। এতে দেখা যায় বার্ষিক ভিত্তিতে ভোক্তা মূল্যস্ফীতির হার কমে ২.৭%-এ এসেছে (অক্টোবরে ছিল ৩.০%), এবং মূল সূচক ২.৬%-এ নেমে এসেছে (গত মাসে ছিল ৩.০%)। যদিও ট্রেডাররা এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের প্রতি তুলনামূলক সহনশীলভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং টেকনিক্যাল ফ্যাক্টরের কথা বলেছে (যেমন সাময়িক শাটডাউনের প্রভাব), তথাপি নভেম্বরের CPI-এর কাঠামো আরও স্পষ্টভাবে দেখায় যে, মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির গতি ক্রমাগত ধীরগতির দিকে যাচ্ছে, বিশেষ করে মূল এবং চাহিদা-সংবেদনশীল উপাদানগুলোর মধ্যে। সংস্থানির্ভর পরিষেবা খাত— যেমন: আবাসন, ভাড়া ও স্বাস্থ্যসেবা—যে ুলো স্থানীয় চাহিদা ও মজুরির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত, সেখানে মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধির গতি হ্রাস পাওয়ার অর্থ হলো অর্থনীতির অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাচ্ছে। এখানে আবারও ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের দিকে নজর দেওয়া যায়, যেখানে ঘণ্টাপ্রতি আয় খুবই দুর্বল বৃদ্ধির সংকেত দিয়েছে—মাসিক ভিত্তিতে মাত্র ০.১% (যা ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন) এবং বাৎসরিক ভিত্তিতে ৩.৫% (২০২১ সালের মে মাসের পর সর্বনিম্ন)। এই সবকিছু মিলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, মার্কেটের ট্রেডাররা গত সপ্তাহের প্রধান প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ভুলভাবে মার্কিন ডলারের পক্ষে ব্যাখা করেছে। আপাতত, শ্রমবাজার ও মূল্যস্ফীতির সূচকগুলো অপেক্ষাকৃত ফেডের মাঝারি "হকিশ বা কঠোর" অবস্থানকে সমর্থন করলেও, বাস্তবে এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল "ডোভিশ বা নমনীয়" নীতির পক্ষেই দাঁড়ায়, সুতরাং মুদ্রানীতি নমনীয় করলেই পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাবে।
এই কারণেই EUR/USD পেয়ারের বিক্রেতারা মূল্যকে 1.16 লেভেলের দিকে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়েছে, যদিও গত সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্য নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করেছে। ঠিক একই কারণে, আজ EUR/USD পেয়ারের ক্রেতারা আবারও মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছে, যা সামগ্রিক মার্কিন ডলার দুর্বলতার প্রেক্ষিতে ঘটেছে। মার্কিন গ্রীনব্যাকের জন্য মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো নেতিবাচক রয়েছে—CPI এবং NFP প্রতিবেদনের ফলাফলের বৈপরীত্য এখনো ডলারের মৌলিক ভিত্তিকে পুনর্নির্মাণে ব্যর্থ হয়েছে। সে কারণে দরপতনের সময় লং পজিশন ওপেন করা এখনো প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, বর্তমানে দৈনিক চার্টে এই পেয়ারের মূল্য বোলিঙ্গার ব্যান্ডের মধ্যবর্তী ও উপরের লাইনের মধ্যে অবস্থান করছে, এবং ইচিমোকু সূচকের সব লাইনগুলোর উপরে রয়েছে, যেখানে ইতোমধ্যে বুলিশ "প্যারেড অব লাইন্স" সংকেত গঠিত হয়েছে। কারেক্টিভ বাউন্সগুলোকে কাজে লাগিয়ে এখন লং এন্ট্রি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, যেখানে মূল্যের 1.1750-এর (H4 টাইমফ্রেমে বোলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন) এবং 1.1800-এর (D1 টাইমফ্রেমে বোলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন) দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করাযায়।
Read more: https://ifxpr.com/49njfNQ
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৪ ডিসেম্বর।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2126297526.jpg[/IMG]
ইউরো ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1782 লেভেল টেস্ট করে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন অর্থনীতি গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে—যা ডলারের দর বৃদ্ধির মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই প্রবৃদ্ধির পেছনে মূল অবদান ছিল স্থিতিশীল ভোক্তা ব্যয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বার্ষিক ভিত্তিতে ৪.৩% বেড়েছে। অর্থনৈতিক কার্যকলাপের প্রধান অংশ অর্থাৎ ভোক্তা ব্যয় সুস্পষ্টভাবে বেড়েছে, যেক্ষেত্রে হ্রাসমান মুদ্রাস্ফীতি মূল ভূমিকা পালন করেছে — যা আবারও যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের মধ্যে দৃঢ় আস্থা প্রদর্শন করে। জিডিপির এই প্রবৃদ্ধিতে সরকারি ব্যয় এবং রপ্তানি কার্যক্রমের সম্প্রসারণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আজ ইউরোপীয় অঞ্চল থেকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, কিন্তু তা EUR/USD পেয়ারের মূল্যের চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে থামিয়ে দিতে পারবে না। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না মানেই মার্কেট নিষ্ক্রিয় থাকবে — বিষয়টি এমন নয়। বরং, মার্কেটের ট্রেডাররা সম্ভবত মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতি, ভূ-রাজনৈতিক অবস্থা এবং যেকোনো প্রাসঙ্গিক খবরের প্রতি আরও বেশি মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করবেন। দৈনিক ট্রেডিং কৌশল অনুযায়ী, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের দিকেই গুরুত্ব দেব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1855-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1809-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1855-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1785-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1809 এবং 1.1855-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1785-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1750-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1809-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1785 এবং 1.1750-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4qJFpjt
-
২৬ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের খুবই সীমিত মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে, যেখানে এই পেয়ার প্রায় ২০–৩০ পিপস দরপতন প্রদর্শন করে। ক্রিসমাস উপলক্ষ্যে মার্কেটে স্বল্প ট্রেডিং কার্যক্রমের কারণে প্রায় কোনোই অস্থিরতা দেখা যায়নি। সেদিন কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও অনুষ্ঠিত হয়নি। বৃহস্পতিবার মার্কেট বন্ধ ছিল এবং আজ রাতেই পুনরায় ট্রেডিং শুরু হয়েছে। বলা যায়, ছুটির মৌসুম শুরু হয়ে গেছে — যার অর্থ হলো, স্বাভাবিকের তুলনায় আরও কম ট্রেডিং কার্যক্রম বিরাজ করছে এবং এই সময় এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মায়টা অত্যন্ত কম থাকতে পারে। যদি মার্কেটের ট্রেডাররা ট্রেডিংয়ের জন্য কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি খুঁজে পায়, তাহলে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করেই সম্ভাব্য মুভমেন্টের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হবে। ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, তাই বাই সিগনালগুলোই বর্তমানে বেশি প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মতো, শুক্রবারেও কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না এবং কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত নেই।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/680852838.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার একটি ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়েছিল — মূল্য 1.1808 লেভেল থেকে বাউন্স করার ফলে এই সিগন্যাল গঠিত হয়। এটি এশিয়ান ট্রেডিং সেশনের সময় ঘটেছিল এবং এই সিগন্যাল থেকে ট্রেড করে লাভ হয়েছে, কারণ এরপর এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ২০ পিপস কমে যায় — যেটি নতুন ট্রেডাররা সহজেই কাজে লাগাতে পারতেন। শুক্রবার রাতে কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট বা ট্রেডিং সিগন্যাল দেখা যায়নি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2037269756.jpg[/IMG]
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য খুব শীঘ্রই পুনরায় 1.1800–1.1830 এরিয়ার পৌঁছাতে পারে — যেটি দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমানা নির্দেশ করে। এইবার এই পেয়ারের মূল্য ছয় মাসব্যাপী দৃশ্যমান সাইডওয়েজ চ্যানেল ব্রেকআউট করে বের হয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক রয়েছে, ফলে আমরা মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকার প্রত্যাশা করছি। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1808 লেভেল থেকে ট্রেডিংয়ের কথা বিবেচনা করতে পারেন — যেখান থেকে বুধবার এই পেয়ারের মূল্য বাউন্স করেছিল। এই লেভেল থেকে মূল্যের বাউন্স হতে দেখা দিলে সেটি একটি সেল সিগনাল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে; তবে স্বল্পমেয়াদে আমরা এখনও এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1851-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। আজ ইউরোজোন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে না বা কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে না। ফলে আজ আমরা এই পেয়ারের মূল্যের খুব দুর্বল ও সীমিত মুভমেন্টের প্রত্যাশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/44LNRWK
-
২৯ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1772578592.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার GBP/USD পেয়ারের মূল্য EUR/USD পেয়ারের মতই অতি সামান্য মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে — কার্যত তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি, আর খুবই স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করেছে। এই ধরনের পরিস্থিতি খুব একটা অস্বাভাবিক নয়, কারণ গত সপ্তাহজুড়ে কেবল মঙ্গলবারই সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব বজায় ছিল, বুধবার ট্রেডিং সেশন আগেভাগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং বৃহস্পতিবার ছুটির দিন ছিল। এই সপ্তাহেও অনুরূপ পরিস্থিতি প্রত্যাশিত। একদিকে, সামষ্টিক ও মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কার্যত অনুপস্থিত; বুধবারের ট্রেডিং সেশন সংক্ষিপ্ত হবে; বৃহস্পতিবার আবার ছুটি রয়েছে; এবং শুক্রবার সম্ভবত মার্কেট বন্ধ থাকবে। সুতরাং, সোমবার এবং মঙ্গলবার কিছুটা মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, তবে এরপর মার্কেটে আবার ছুটির মৌসুমের প্রভাব দেখা যাবে। ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো বজায় রয়েছে, তাই স্বল্পমেয়াদেও নতুন ট্রেডাররা এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখতে পারেন — দীর্ঘমেয়াদের কথাই না বললাম। তবে, আমাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মূল প্রবণতাভিত্তিক মুভমেন্টগুলো ৫ জানুয়ারি থেকে পুনরায় শুরু হতে পারে, যখন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে শুরু করবে এবং ক্রিসমাস ও নববর্ষের ছুটির রেশ কাটিয়ে মার্কেটে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1610580487.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী, শুক্রবার একটি সেল সিগনাল গঠিত হয়েছিল, যদিও সেটিতে সামান্য পর্যায়ের ত্রুটি ছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.3529 লেভেল থেকে বাউন্স করে প্রায় ৩০ পিপস নিচে কমে গিয়েছিল — যা নতুন ট্রেডাররা পজিশন ওপেন করে অর্জন করতে পারতেন। ছুটির মৌসুম চলাকালে এই ধরনের লাভ বেশ চমৎকার অর্জন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী, GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং এখন এই পেয়ারের মূল্য পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। আমরা পূর্ববর্তী আলোচনার ভিত্তিতে এই পরিস্থিতিকে যৌক্তিক বলে মনে করছি। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য বৈশ্বিকভাবে কোনো শক্তিশালী কারণ নেই; তাই আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা ধরে নিচ্ছি যে ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পুনরায় প্রত্যাবর্তন ঘটবে, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 লেভেল পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। সোমবারের ট্রেডিংয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, যদি মূল্য 1.3529–1.3543 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয় তাহলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3574–1.3590-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে নতুন করে বাউন্স করে, তাহলে নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3437–1.3446-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী, বর্তমানে নিম্নলিখিত লেভেলগুলোতে ট্রেডিংয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে: 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3437-1.3446, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590। সোমবার যুক্তরাজ্য অথবা যুক্তরাষ্ট্র — কোনো দেশেই কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে। ফলে, মার্কেটে দুর্বল মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে। বর্তমানে "থিন" মার্কেট পরিলক্ষিত হচ্ছে, যার মানে মার্কেট মেকাররা তুলনামূলকভাবে সহজেই মুভমেন্ট সৃষ্টি করতে পারে — যদিও এর মানে এই নয় যে, তারা নিশ্চিতভাবে তেমনটি করতে চায়।
Read more: https://ifxpr.com/49vUK11
-
৩০ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2065062833.jpg[/IMG]
সোমবার আবারও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য কোনো মুভমেন্ট দেখা যায়নি, তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক্যাল সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। সারাদিন ধরে যে অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন দ্বারা প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে ইউরো মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সহায়তা পাচ্ছিল, মূল্য আবারও সেই ট্রেন্ডলাইনে পৌঁছায় এবং সেখান থেকে বাউন্স করে। এই বাউন্সটি পুনরায় ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির জন্য একটি শক্তিশালী টেকনিক্যাল ভিত্তি প্রদান করেছে। যদি ৩০–৩১ ডিসেম্বর ইউরোর মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়, তবে খুব সম্ভবত পাউন্ডের মূল্যও একইভাবে বাড়বে। মূলত সোমবারের ট্রেডিংয়ের ব্যাপারে বিশ্লেষণ করার মতো তেমন কিছু নেই; কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক কিংবা মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব বজায় ছিল না, ছুটির আমেজ এখনো চলছে এবং অস্থিরতার মাত্রাও সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিল। তবে এখনো ইউরোর মূল্যের শক্তিশালী বৃদ্ধির সম্ভাবনা বজায় রয়েছে, এবং এটির মূল্য এখনও 1.1800–1.1830 রেঞ্জের খুব কাছাকাছি রয়েছে, যা গত ছয় মাসব্যাপী দৃশ্যমান 1.1430–1.1800-এর চ্যানেলের আপার বাউন্ডারি। তাই আমরা প্রায় নিশ্চিত যে খুব শিগগিরই এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া অতিক্রম করবে এবং ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবার শুরু হবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/163010019.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে সোমবার দু'টি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। এক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে দুইবার বাউন্স করে। প্রথম বাউন্সের ফলে মূল্য প্রায় ২৫ পিপস কাঙ্ক্ষিত দিকেই এগোয়, আর দ্বিতীয়বার তুলনামূলকভাবে কম মুভমেন্ট প্রদর্শন করে, তবে মঙ্গলবার মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশায় সেই বাই পজিশনটি ওপেন করে রাখা যেত। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে ট্রেন্ডলাইন থেকে গুরুত্বপূর্ণ বাউন্স গঠিত হয়েছে, সুতরাং ভবিষ্যতে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী, এখনো EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। খুব শিগগির এই পেয়ারের মূল্য আবারও 1.1800–1.1830 এরিয়ায় পৌঁছাতে পারে — যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের আপার বাউন্ডারি। এইবার এই পেয়ারের মূল্য ছয় মাসব্যাপী দৃশ্যমান সাইডওয়েজ চ্যানেল ব্রেকআউট করে বের হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো বেশ নেতিবাচক থাকায়, আমরা মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মঙ্গলবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1745–1.1754 এরিয়ায় ট্রেডের সুযোগ খুঁজতে পারেন। এই এরিয়া থেকে যদি আবার এই পেয়ারের মূল্য বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করাটা যথাযথ হবে। গতকাল ইতোমধ্যেই এই ধরনের দুইটি বাউন্স হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। মঙ্গলবার ইউরোজোন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। সুতরাং, আজ আমরা আবারও এই পেয়ারের মূল্যের খুব দুর্বল মুভমেন্টের প্রত্যাশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4923Imw
-
২ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2141587554.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কিছুটা অস্বাভাবিক এবং মিশ্র ধরনের মুভমেন্ট লক্ষ্য করা গেছে, তবে মনে রাখতে হবে যে এটা ৩১ ডিসেম্বর ছিল। এটাই সার্বিক পরিস্থিতির মূল কারণ। স্বাভাবিকভাবেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোজোনে ঐদিন কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত ছিল না, যা একদম প্রত্যাশিত ছল। সন্ধ্যায় মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হয় এবং পুনরায় কেবল রাতের বেলা সেশন শুরু হয়, এরপর আবার ছুটির জন্য সেশন বন্ধ হয়ে যায়। অতএব ছুটির পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলেও বাস্তবিক অর্থে ছুটির আমেজ এখনো বিরাজমান রয়েছে। সাপ্তাহিক ট্রেডিংয়ের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে যে, এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্য একটি অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, কিন্তু আমরা এটিকে প্রবণতা পরিবর্তনের সংকেত হিসেবে বিবেচনা করছি না। দৈনিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী EUR/USD পেয়ার এখনো 1.1400 থেকে 1.1830 লেভেলের মধ্যে অবস্থিত সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমানায় ট্রেড করছে। খুব শিগগির, যখন মার্কেটে পুরোপুরিভাবে ছুটির আমেজ বিদায় নেবে, তখন এই পেয়ারের মূল্যের আবারও এই এরিয়ায় নতুনভাবে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী সপ্তাহ থেকে ট্রেডাররা নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন পেতে শুরু করবেন, তাই আবারও মার্কেটে শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1484607033.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বুধবার 1.1745–1.1755 এরিয়া থেকে দুইটি রিবাউন্ডের ফলে দুইটি সেল ট্রেড সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। যারা মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এবং নতুন বছরের ঠিক আগে ট্রেড করতে চেয়েছিলেন, তাদের জন্য এই সিগন্যালগুলো কার্যকর হতে পারত। গতকাল রাতে EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1755 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা একটি বাই সিগন্যাল ছিল। তবে আজ মূলত দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, তাই আমরা ইউরোর শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি না।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যদিও এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যে ট্রেন্ডলাইন অতিক্রম করেছে। খুব শিগগির এই পেয়ারের মূল্য পুনরায় দৈনিক ফ্ল্যাট চ্যানেলের উপরের সীমা 1.1800–1.1830 এরিয়ায় পৌঁছাতে পারে। এবার সম্ভাবনা রয়েছে যে, এই পেয়ারের মূল্য ছয় মাস ধরে দৃশ্যমান এই সাইডওয়েজ চ্যানেল থেকে বের হয়ে যাবে। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক; ফলে আমরা মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। শুক্রবার নতুন ট্রেডাররা 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। ফলে আজও মার্কেটে খুব দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/49CltsQ