-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৩ আগস্ট
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1003645484.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3464 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ড কেনার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে এবং এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য 59 পিপসের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ভোক্তা মূল্য সূচকের প্রতিবেদনে প্রকাশের পর, যেখানে মূল্যস্ফীতির মাঝারি মাত্রার বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে, বিনিয়োগকারীরা আশাবাদীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। ডলারের দুর্বলতার প্রেক্ষাপটে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল, কারণ ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার যৌক্তিকতা ক্রমশ কমে আসছে। GBP/USD পেয়ারের এই দর বৃদ্ধিকে ফেডের ভবিষ্যৎ সুদের হার সংক্রান্ত অবস্থানে নমনীয় হওয়ার সংকেত হিসেবে দেখা হয়েছে। তবে, উল্লেখযোগ্য যে, খাদ্য ও জ্বালানির মতো অস্থির মূল্যের প্রভাব বাদ দিয়ে হিসাবকৃত মূল মুদ্রাস্ফীতি স্থিতিশীল থাকলেও তা এখনো ফেডের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রয়েছে। এর অর্থ হলো, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্ভবত অর্থনৈতিক সূচকগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা অব্যাহত রাখবে এবং প্রয়োজন হলে মুদ্রাস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত থাকবে। দুর্ভাগ্যবশত, আজ যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে তেমন কিছুই নেই, যা ক্রেতাদের জন্য GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি করছে। যুক্তরাজ্যের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন না থাকায় মার্কেটে এক ধরনের শূন্যতা তৈরি করছে, যার ফলে মার্কেটে স্পেকুলেটিভ মনোভাব দেখা যাচ্ছে এবং টেকনিক্যাল বিশ্লেষণকে প্রাধান্য দিতে দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে, পাউন্ডের ক্রেতারা আরও আত্মবিশ্বাসী হতে পারেন, বিদ্যমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রেখে এই পেয়ারের মূল্যকে নতুন মাসিক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে অগ্রসর হতে পারেন। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3562-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3515-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছাবে তখন আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3562-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। চলমান বুলিশ প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ পাউন্ড ক্রয় করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3490-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3515 এবং 1.3562-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3490-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3451-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ড বিক্রি করার পরামর্শ হওয়া হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3515-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3490 এবং 1.3451-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/420456
-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৪ আগস্ট।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1718466886.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3564 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ড বিক্রির সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে এবং এর ফলে 10-পয়েন্ট দরপতন ঘটে। গতকালের মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তাদের ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত রাখতে সহায়তা করেছে। এই প্রবণতা কেবল ডলারের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার কারণে নয়, বরং যুক্তরাজ্যের অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদের দ্বারাও সমর্থিত, যদিও অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপ উল্লেখযোগ্য স্তরে রয়ে গেছে। তবে আজকের দিনটি ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হয়ে উঠতে পারে। বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ এখন আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচকের প্রকাশের দিকে রয়েছে, যা যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট প্রভাব ফেলবে। বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে জিডিপি প্রতিবেদন। এই সূচকটি, যা উৎপাদিত পণ্য ও সেবার মোট মূল্য প্রতিফলিত করে, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির একটি মাপকাঠি হিসেবে কাজ করে। পূর্বাভাসে মাঝারি মাত্রায় প্রবৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে, তবে প্রত্যাশা থেকে মূল ফলাফলের যেকোনো বিচ্যুতি কারেন্সি মার্কেটে প্রভাব ফেলতে পারে। ইতিবাচক পরিসংখ্যান পাউন্ডকে শক্তিশালী করবে, অন্যদিকে প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল পাউন্ডের দরপতন ঘটাতে পারে। সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি হিসেবে শিল্প খাত ভোক্তা চাহিদা ও ব্যবসায়িক কার্যকলাপের পরিবর্তনের প্রতি সংবেদনশীল। উৎপাদন বৃদ্ধি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে, বিপরীতে হ্রাস সম্ভাব্য সংকটের সংকেত দেয়। এছাড়া, ট্রেড ব্যালেন্স যুক্তরাজ্যের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। নেতিবাচক ট্রেড ব্যালেন্স জাতীয় মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি করে, অন্যদিকে ইতিবাচক ব্যালেন্স এটিকে সহায়তা করে। এই সবগুলো উপাদান একত্রে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ভবিষ্যৎ মুভমেন্ট নির্ধারণ করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোনিবেশ করব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3617-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3584-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছাবে তখন আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3617-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। চলমান বুলিশ প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে এবং আসন্ন প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে আজ পাউন্ড ক্রয় করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3564-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3584 এবং 1.3617-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3564-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3534-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ড বিক্রি করার পরামর্শ হওয়া হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3584-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3564 এবং 1.3534-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৫ আগস্ট
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/744569618.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.35700-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি পাউন্ড বিক্রি করিনি এবং নিম্নমুখী মুভমেন্টটি কাজে লাগাতে পারিনি। 1.3534 থেকে রিবাউন্ডের ফলে এই পেয়ার ক্রয় করে প্রায় 20 পয়েন্ট লাভ হয়েছে। জুলাই মাসে মার্কিন উৎপাদক মূল্য সূচক 0.9% বৃদ্ধি পেয়েছে এই খবর প্রকাশের পর ব্রিটিশ পাউন্ডের তীব্র দরপতন হয়েছে, আর মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে গেছে। ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া ছিল তাৎক্ষণিক এবং একেবারেই বোধগম্য। মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সকল প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মুদ্রাস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে রয়ে গেছে, এবং উৎপাদক মূল্য সূচকের এই শক্তিশালী বৃদ্ধি তারই আরেকটি প্রমাণ। এর ফলে, সুদের হার আরও দীর্ঘ সময় অপরিবর্তিত থাকার প্রত্যাশা জোরদার হয়েছে। ডলারের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণত এমন সংকেতের প্রত্যক্ষ প্রতিক্রিয়া। যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ সুদের হার মার্কিন অ্যাসেটকে বিনিয়োগকারীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে, যা ডলারের চাহিদা বাড়ায় এবং ফলস্বরূপ এটির দর বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যে অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের তুলনামূলকভাবে নমনীয় আর্থিক নীতিমালার কারণে পাউন্ড চাপের মধ্যে রয়েছে। তবে, উৎপাদক মূল্য সূচকের এই হঠাৎ বৃদ্ধির এবং শক্তিশালী ডলারের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এখনও মূল্যায়ন করা বাকি। আজ যুক্তরাজ্যে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে না, তাই দিনের প্রথমার্ধেই পাউন্ডের ক্রেতাদের আরও দর বৃদ্ধি ঘটানোর সুযোগ থাকবে। তবে মনে রাখা জরুরি যে আজ মৌলিক অনুঘটকের অভাব ট্রেডারদের টেকনিক্যাল সিগন্যাল এবং স্পেকুলেটিভ মুভমেন্টের প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। ক্রেতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স পয়েন্ট হবে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল ব্রেক করা, যা এই পেয়ারের মূল্যকে আরও উচ্চ লেভেলের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করবে। অন্যথায়, বর্তমান রেঞ্জের মধ্যে কনসোলিডেশন হতে পারে। এছাড়া, গতকালের প্রবণতার ধারাবাহিকতায় সম্ভাব্যভাবে মুনাফা গ্রহণের বিষয়টিও উপেক্ষা করা উচিত নয়, যা আগস্টের শুরু থেকে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টামকে আরও দুর্বল করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2096142895.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3585-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3554-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছাবে তখন আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3585-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে, তবে এই বৃদ্ধি শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3541-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3554 এবং 1.3585-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3541-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3518-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো সময় পাউন্ড বিক্রির প্রবণতা শুরু হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3554-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3541 এবং 1.3518-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৮ আগস্ট
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1655432064.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3561-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ড কেনার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। তবে সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়া সত্ত্বেও এই পেয়ারের মূল্য খুব বেশি বৃদ্ধি পায়নি। মার্কিন খুচরা বিক্রয় প্রতিবেদনের ফলাফল হতাশাজনক ছিল। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে মার্কিন অর্থনীতি ক্রমশ গতি হারাচ্ছে, যা ফেডারেল রিজার্ভকে নিকট ভবিষ্যতে আরও ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করতে বাধ্য করবে। প্রকৃতপক্ষে, মূল ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম এসেছে, যা ভোক্তা চাহিদার স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছে—যা সাম্প্রতিককালে মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি মূল চালিকা শক্তি ছিল। মার্কিন শ্রমবাজার প্রতিবেদনের সঙ্গে মিলিয়ে এই উদ্বেগজনক সংকেত ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সম্ভাব্য মন্থরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা ফেডকে এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন করেছে। একদিকে, ফেডকে এখনো মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, যা মন্থর হওয়ার লক্ষণ থাকা সত্ত্বেও এখনো লক্ষ্যমাত্রার উপরে রয়ে গেছে। অন্যদিকে, খুচরা বিক্রয় সূচক এবং শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল অর্থনীতিকে সমর্থন দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার দিকে ইঙ্গিত করছে। সুদের হার হ্রাস করা হলে ভোক্তা চাহিদা ও বিনিয়োগ কার্যক্রম উদ্দীপিত হতে পারে, যা গভীর অর্থনৈতিক সংকট এড়াতে সহায়ক হবে, তবে একই সঙ্গে এগুলো মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়িয়ে তুলবে। আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তাই পাউন্ডের ক্রেতাদের মুনাফা করার ভালোই সুযোগ থাকবে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত না হলে মার্কেটে এক ধরনের স্থিতিশীলতা সৃষ্টি, যেখানে পূর্বে গঠিত প্রবণতা প্রভাব বিস্তার করে। এই পরিস্থিতিতে, সাম্প্রতিককালে ইতিবাচক প্রবণতার পর প্রতিকূল ফলাফলের অনুপস্থিতির সুযোগ পাউন্ড নিতে পারে এবং আরও শক্তিশালী হতে পারে। তবে মনে রাখা উচিত, ফরেক্স মার্কেট সচরাচর একমুখী নয়। শান্ত অবস্থা হঠাৎই ঝড়ে রূপ নিতে পারে—একটি অপ্রত্যাশিত খবর বা বক্তব্যই প্রবণতাকে বিপরীত দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তাই অনুকূল পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও ট্রেডারদের সতর্ক থাকতে হবে এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি ভুলে যাওয়া চলবে না। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1718181399.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3585-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3564-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছাবে তখন আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3585-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ পাউন্ডের মূল্য কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে, তবে এই শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3547-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3564 এবং 1.3585-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3547-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3531-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। স্বল্প ট্রেডিং ভলিউমের সুবিধা নিয়ে আজ যেকোনো সময় মার্কেটে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3564-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3547 এবং 1.3531-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/420918
-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৯ আগস্ট
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/812952000.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3533-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ড বিক্রি করার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.3516-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নেমে গেছে। গতকাল মার্কিন ডলারের বিপরীতে পাউন্ড স্টার্লিংয়ের দরপতন এখনও গত কয়েকদিন ধরে গঠিত ও প্রত্যাশিত কারেকশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আজকের দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্যে কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের সূচি নেই। তবে বাহ্যিক প্রভাবকে উপেক্ষা করা যাবে না। বৈশ্বিক মার্কেটে বিনিয়োগকারীদের মনোভাব, এবং অন্যান্য মুদ্রার (যেমন ইউরো ও ইয়েন) বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্যের গতিশীলতা GBP/USD পেয়ারের মূল্যের বর্তমান মুভমেন্টকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ বা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিদের অপ্রত্যাশিত মন্তব্য কারেন্সি মার্কেটের ভারসাম্যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3539-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3510-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছাবে তখন আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3539-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ পাউন্ডের মূল্য কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে, তবে শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3495-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3510 এবং 1.3539-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3495-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3469-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। স্বল্প ট্রেডিং ভলিউমের সুবিধা নিয়ে আজ যেকোনো সময় মার্কেটে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3510-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3495 এবং 1.3469-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/421075
-
GBP/USD পেয়ারের পর্যালোচনা – ২২ আগস্ট
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1054305174.jpg[/IMG]
ট্রাম্প ফেডের উপর চাপ অব্যাহত রেখেছেন, বৃহস্পতিবার, GBP/USD কারেন্সি পেয়ারেরও খুব দুর্বলভাবে ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে, যদিও দিনের বেলা মার্কেটে সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও মৌলিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। আমরা "অন্য" আর্টিকেলে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা করব। এদিকে, মার্কেটে নতুন একটি প্রবণতা শুরু হওয়ার আগে শক্তি সঞ্চয় অব্যাহত রেখেছে, এবং এই প্রবণতাটি সম্ভবত আবারও ঊর্ধ্বমুখী হবে। যখন ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির সদস্য এড্রিয়ানা কুগলার পদত্যাগ করেন, তখন আমরা সন্দেহ করেছিলাম যে কিছু একটা গোলমাল আছে। পরিস্থিতি খুব অদ্ভুত দেখাচ্ছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার সাথে সাথেই এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপর চাপ পুনরায় শুরু করার পর, যা তার নিয়ন্ত্রণে নেই, জেরোম পাওয়েল হঠাৎ "ইডিয়ট," "স্লো," এবং একেবারেই "ফ্রড হয়ে গেলেন।" যখন ট্রাম্প বুঝতে পারলেন যে পাওয়েল স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন না, তার কৌশল বদলালো। এখন সরাসরি পাওয়েলের উপর চাপ নয় (এর মানে কী হতো?) বরং ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সদস্যদের উপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। ট্রাম্প যৌক্তিকভাবে সিদ্ধান্ত নিলেন যে যদি তিনি ফেডের প্রধানকে সরাতে না পারেন, তবে তাকে কমিটির গঠন পরিবর্তন করতে হবে যাতে সহজ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের মাধ্যমে পাওয়েলের মতামত উপেক্ষা করে তার ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। এভাবে, কুগলার আগেভাগেই তার পদ ছেড়ে দিলেন, এবং ট্রাম্প সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করলেন যে "তার কাছে কয়েকজন উপযুক্ত প্রার্থী আছে।" কারো সন্দেহ নেই যে এই প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই নির্দেশনা পেয়েছেন যে শুধুমাত্র সুদের হার হ্রাসের জন্যই ভোট দিতে হবে। এরপর, ট্রাম্প ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির আরেকজন সদস্য, লিসা কুককে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার আহ্বান জানান। স্বাভাবিকভাবেই, তিনি হঠাৎ করেই "ফ্রড" হয়ে গেলেন, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, কুক আরও সুবিধাজনক মর্টগেজ ঋণ পাওয়ার জন্য ব্যাংকিং এবং রিয়েল এস্টেট ডকুমেন্ট জাল করেছিলেন। এইভাবে, শীঘ্রই আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির অর্ধেক সদস্যই "ফ্রড" হয়ে যাবে, যা বেশ হাস্যকর।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/243461578.jpg[/IMG]
তবে, বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যা ঘটছে তা একই সাথে হাস্যকর এবং দুঃখজনক। আমাদের কোনো সন্দেহ নেই যে এই সব অভিযোগ ট্রাম্পের পরিকল্পনার অংশ, যিনি এখন কেবল ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির অর্ধেক সদস্যদের তার অনুগত লোক দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চান। তার কাছে ইতোমধ্যেই তিনজন আছেন: মিশেল বোম্যান, ক্রিস্টোফার ওয়ালার (গত বৈঠকে শুধুমাত্র এরা দুজনই সুদের হার হ্রাসের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন), এবং সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত গভর্নর স্টিভেন মিরান। সুতরাং, আমরা অপেক্ষা করছি আগামী সপ্তাহে "ডামোক্লেসের তলোয়ার" কার উপর পড়ে। মার্কিন ডলার কীভাবে এই সব ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখাবে? আমাদের দৃষ্টিতে, কেবল দরপতনের মাধ্যমেই প্রতিক্রিয়া দেখানো যেতে পারে। যদি ফেডের অর্ধেক সদস্য ফ্রড হয়, তবে আমরা আর কী নিয়ে কথা বলবো? হয় "ফ্রড" নয়তো "বোকা" বসে আছে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে। তাহলে মার্কিন জাতীয় কারেন্সির প্রতি বিনিয়োগকারীদের কী ধরনের আস্থা থাকতে পারে? যদিও সবাই খুব ভালো করেই বোঝেন যে ডলারের প্রতি আস্থা কমবে ফেডের কারণে নয়, বরং ট্রাম্প এবং তার গৃহীত নীতিমালার কারণে। ট্রাম্প ক্রমাগত তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপ করছেন। প্রসঙ্গত, এরিকা ম্যাকএন্টারফারকে শুধু এজন্য বরখাস্ত করার ঘটনাটি কীভাবে না মনে পড়ে, যে ট্রাম্প সর্বশেষ নন ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফল পছন্দ করেননি? আধুনিক আমেরিকা এমনই। শুধু প্রেসিডেন্ট চাইলে আপনি চাকরি হারাতে পারেন। কোনো ভিত্তি নাও থাকতে পারে, ইউনিয়ন কাজ করে না, এবং যদি হঠাৎ করে আপনি আপনার অধিকার রক্ষার চেষ্টা করেন, আপনি সঙ্গে সঙ্গেই "ফ্রড" হয়ে যান। আমাদের দৃষ্টিতে, ডলারের উপর ইতোমধ্যেই আরেকটি রায় ঘোষণা হয়েছে। এখন শুধু এর বাস্তবায়নের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। গত পাঁচ দিনের ট্রেডিংয়ে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের গড় ভোলাটিলিটি হলো 58 পিপস। পাউন্ড/ডলার পেয়ারের জন্য এই সূচকটি "মধ্যম-নিম্ন" হিসেবে বিবেচিত হয়। সুতরাং, শুক্রবার, ২২ আগস্ট, আমরা 1.3358 এবং 1.3474 লেভেল দ্বারা সীমাবদ্ধ রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্টের আশা করি। দীর্ঘমেয়াদি লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নির্দেশ করছে, যা একটি স্পষ্ট ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নির্দেশ করে। CCI ইন্ডিকেটর দুইবার ওভারসোল্ড জোনে প্রবেশ করেছে, যা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার সিগন্যাল দিচ্ছে। নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার আগে কয়েকটি বুলিশ ডাইভারজেন্সও গঠিত হয়েছে।
নিকটতম সাপোর্ট লেভেলসমূহ: S1 – 1.3428 S2 – 1.3367 S3 – 1.3306 নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেলসমূহ: R1 – 1.3489 R2 – 1.3550 R3 – 1.3611 ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের আরেকটি নিম্নমুখী কারেকশন সম্পন্ন হয়েছে। মধ্যমেয়াদে, ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা সম্ভবত ডলারের উপর চাপ বজায় রাখবে। সুতরাং, যদি এই পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজের উপরে থাকে লং পজিশনগুলো অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক রয়েছে, যেগুলোর লক্ষ্যমাত্রা 1.3611 এবং 1.3672। যদি মূল্য মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে থাকে, তবে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল কারণের উপর ভিত্তি করে 1.3367-এর লক্ষ্যমাত্রায় শর্ট পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে। সময়ে সময়ে মার্কিন কারেন্সির মূল্যের কারেকশন দেখা যায়, তবে প্রবণতা-ভিত্তিক দর বৃদ্ধি জন্য বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধ শেষ হওয়ার জন্য বাস্তব সংকেতের প্রয়োজন।
-
২৭ আগস্ট কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1109648921.jpg[/IMG]
মঙ্গলবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ: GBP/USD পেয়ারের 1H চার্ট মঙ্গলবার GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিংও প্রায় নিষ্প্রাণ ছিল। দিনের বেলায় ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের সামান্য ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টাম দেখা গিয়েছিল, যা তাত্ত্বিকভাবে মার্কিন ডিউরেবল গুডস বা টেকসই পণ্যের অর্ডারের প্রতিবেদনের ফলাফল অথবা ফেডের সদস্য লিসা কুকের "বরখাস্ত" সংক্রান্ত খবরে প্রভাবে হতে পারে। তবে টেকসই পণ্যের অর্ডারের ফলাফল বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাসের মধ্যেই ছিল, আর লিসা কুকের "বরখাস্ত" কেবল ডোনাল্ড ট্রাম্পের কল্পনাতেই ঘটেছিল, যিনি এখনও মনে করেন যে তিনি তার নিয়ন্ত্রণে না থাকা কর্মীদেরও চাকরিচ্যুত করতে পারেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এমন মন্তব্য আমরা আগেও শুনেছি। তার দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে তিনি প্রস্তাব করেছিলেন কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্যে রূপান্তর করতে এবং এমনকি গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। ফলে মঙ্গলবারের ইভেন্টগুলোতে মার্কেটের ট্রেডাররা প্রায় কোনো প্রতিক্রিয়াই দেখায়নি। আনুষ্ঠানিকভাবে, নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো বিদ্যমান, তবে ট্রেডাররা ডলার বিক্রি করে পাউন্ড কেনার জন্য তাড়াহুড়ো করছে না। শুক্রবারে অনুষ্ঠিত জেরোম পাওয়েলের ভাষণের পর সেপ্টেম্বরে ফেড সুদের হার কমাবে কি না তা নিয়ে আরও বেশি অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তাই ট্রেডাররাও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করছে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/370247478.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, 1.3466–1.3475 এরিয়ার কাছে কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল; তবে দিনের বেলায় এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা বেশ কম ছিল এবং দৈনিক ভিত্তিতে কোনো সুস্পষ্ট প্রবণতা দেখা যায়নি। ফলে, প্রতিটি সিগন্যাল থেকে সর্বোচ্চ 10–20 পিপস মুনাফা করা সম্ভব হয়েছিল।
বুধবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এটি স্পষ্ট যে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা শেষ হয়েছে এবং একটি নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। মৌলিক ও সামষ্টিক প্রেক্ষাপট সম্প্রতি ডলারের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ছিল না, যা ইঙ্গিত দেয় যে ডলারের শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা কম। তাই আগের মতোই, আমরা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পূর্বাভাসই দিচ্ছি। বাণিজ্য যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি, ইউক্রেন সংঘাতের প্রশমন, অথবা ফেডের উপর ট্রাম্পের চাপ—এসব খবর মার্কিন ডলারের নতুন দরপতনের কারণ হতে পারে। বুধবার, GBP/USD পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে, কারণ এটি আবারও 1.3466–1.3475 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করেছে। একই সময়ে, ঘন্টাভিত্তিক চার্টের সামগ্রিক টেকনিক্যাল চিত্র ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতারই বেশি ইঙ্গিত দিচ্ছে। লং পজিশন ওপেন করার জন্য এই এরিয়ার উপরে নতুন কনসোলিডেশনের প্রয়োজন হবে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.3102–1.3107, 1.3203–1.3211, 1.3259, 1.3329–1.3331, 1.3413–1.3421, 1.3466–1.3475, 1.3518–1.3532, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682, 1.3763। বুধবারের ক্যালেন্ডারে, যুক্তরাজ্য বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের প্রকাশনা বা ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, তাই আজও স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার সাথে এই পেয়ারের ট্রেডিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/421973
-
GBP/USD: ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৮ আগস্ট
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/770281840.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.3445 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। দ্বিতীয়বার 1.3445 লেভেল টেস্ট করার সময় MACD সূচকটি ওভারবট জোনে ছিল এবং তখন সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 কার্যকর করার সুযোগ পাওয়া যায়। তবে, চার্টে যেমনটি দেখা যাচ্ছে, এই পেয়ারের কোনো দরপতন ঘটেনি এবং ফলস্বরূপ এই ট্রেড থেকে লোকসান হয়েছে। গতকাল নিউইয়র্ক ফেডের প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস বলেছেন যে আগামী মাসের মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা সংক্রান্ত বৈঠক বেশ প্রাণবন্ত হতে চলেছে এবং তিনি সম্ভাব্যভাবে সুদের হার হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন। এতে সঙ্গে সঙ্গে ডলারের দরপতন ঘটে এবং পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পায়। উইলিয়ামসের এই বক্তব্য বিনিয়োগকারীদের ফেডের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে প্রত্যাশাগুলো পুনর্মূল্যায়ন করতে প্ররোচিত করেছে। যেসব বিনিয়োগকারী পূর্বে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকবে বলে ধরে নিচ্ছিলেন, তারা এখন সক্রিয়ভাবে মুদ্রানীতি নমনীয় করার সম্ভাবনাকে বিবেচনায় নিচ্ছেন। সুদের হার কমানোকে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা এবং বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করার একটি উপায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। আজ যুক্তরাজ্যের কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তাই সামগ্রিকভাবে ডলার দরপতন এবং ইতিবাচক মনোভাব দ্বারা সমর্থিত হয়ে পাউন্ড ক্রেতারা এই সপ্তাহের মুনাফা বাড়ানোর সুযোগ পেতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে যে পাউন্ডের মৌলিক পটভূমি এখনো বেশ জটিল রয়ে গেছে এবং যেকোনো ইতিবাচক মোমেন্টাম স্বল্পস্থায়ী হতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1760248908.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3537-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3512-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছাবে তখন আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3537-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র গতকালের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ধারাবাহিকতায় পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।গুরুত্বপূর্ ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3489-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3512 এবং 1.3537-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3489-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলের নিচে নেমে যাওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3466-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ পাউন্ডের বিক্রেতারা মার্কেটে খুব বেশি সক্রিয় থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে না।গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3512-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3489 এবং 1.3466-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/422160