-
স্বর্ণের ওপর চাপ তীব্র হচ্ছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/645331535.jpg[/IMG]
আজও স্বর্ণের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। গত শুক্রবার কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র দরপতনের পর স্বর্ণের মূল্য পুনরায় $5,000-এর নিচে নেমে এসেছে। রূপাও ধ্বংসাত্মকভাবে দরপতনের শিকার হয়েছে, যা রেকর্ড উত্থানের সমাপ্তি ঘটিয়েছে—সার্বিক বিশ্লেষণ অনুসারে এই মুভমেন্ট অনেকটাই তীব্র ও দ্রুত ছিল। স্বর্ণের স্পট মূল্য প্রায় 8% কমে গেছে এবং গত বৃহস্পতিবার অর্জিত রেকর্ড উচ্চতা থেকে প্রায় এক‑পঞ্চমাংশ হ্রাস পেয়েছে আছে। সোমবার রূপার দর আরও 14.6% হ্রাস পেয়েছে, যা আগের সেশনে 23% দৈনিক দরপতনের পরে ঘটেছে—রেকর্ড অনুযায়ী যা সবচেয়ে তীব্র দরপতন ছিল। নতুন করে ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতা মার্কেটে লিকুইডিটি কমিয়ে দিচ্ছে। বহু বিনিয়োগকারীর ধারণা, স্বর্ণ ও রূপার মূল্যের বর্তমান লেভেলেই উল্লেখযোগ্যভাবে ওভারবট কন্ডিশন বিরাজ করছে এবং ক্রেতারা দৃঢ়ভাবে ফিরতে হলে আরও যুক্তিসঙ্গত সাপোর্ট লেভেল দরকার। যেমনটি উপরে উল্লেখ করা হয়েছে, গত সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুগুলোর মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোয় ট্রেডারদেরও বিস্মিত করেছে। জানুয়ারিতে স্বর্ণ ও রূপার মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ত্বরান্বিত হয়েছিল, কারণ বিনিয়োগকারীরা ভূ‑রাজনৈতিক অস্থিরতা, জাতীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতার ওপর হুমকির পুনরুত্থানের মাঝে স্বর্ণ ও রূপায় বিনিয়োগ করা শুরু করেছিল। চীনের স্বর্ণের প্রবণতাও এই উত্থানকে ত্বরান্বিত করেছিল। মার্কেটের অনুমানমূলক গতিবিধি উপেক্ষা করা যায় না। মূল্যের স্বল্পমেয়াদী ওঠানামা কাজে লাগাতে অ্যালগরিদমিক ট্রেডিং ও হেজ‑ফান্ডগুলোর কার্যক্রম অস্থিরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শান্ত থাকা এবং আতংকিত বা অতিরঞ্জিত উদ্দীপিত না হয়েছে মৌলিক বিশ্লেষণের উপর নির্ভর করা অপরিহার্য।নিকটমে াদী দৃষ্টিভঙ্গি বেশ অনিশ্চিত। ভূ‑রাজনীতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন মূল্যবান ধাতুগুলো মূল্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করবে। এছাড়া দরপতনের সময় চীনা বিনিয়োগকারীরা কতটা সক্রিয়ভাবে স্বর্ণে বিনিয়োগ করবে সেটির মার্কেটের পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/978865392.jpg[/IMG]
গত শুক্রবার মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কেভিন ওয়ার্শকে ফেডের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনোয়ন দেয়ার ঘোষণার প্রভাবে স্বর্ণ ও রূপার ব্যাপক দরপতন হয়েছে। সেই সংবাদ প্রতিবেদনের প্রভাবে ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের সেই প্রত্যাশা কমে গেছে যে মার্কিন প্রশাসন দুর্বল জাতীয় মুদ্রার বিষয়টিকে সহনশীল দৃষ্টিতে দেখবে সহ্য করবে।রূপার ক্ষেত্রে, চীনে রূপা ক্রয়ের প্রবণতা অভ্যন্তরীণভাবে সরবরাহ সংকটকে তীব্র করেছিল, তবে মার্কেটে নিম্নমুখী প্রবণতার ফলে বিনিয়োগ চাহিদা কমলে ওই প্রবণতা শিথিল হতে পারে। স্বর্ণের টেকনিক্যাল দৃশ্যপট অনুযায়ী, ক্রেতাদের স্বর্ণের মূল্যকে নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স লেভেল $4,591-এ পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করা উচিত। ওই লেভেল ব্রেক করলে স্বর্ণের মূল্যের $4,647‑এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এবং যা ব্রেক করে ওপরে ওঠা বেশ কঠিন হবে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে আপাতত প্রায় $4,708 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, স্বর্ণের মূল্য $4,481‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ দখল করার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর জন্য বড় ধাক্কা হবে এবং স্বর্ণের মূল্য দ্রুতই $4,432 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, পরবর্তীতে $4,372‑এর দিকেও দরপতন হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4teebmM
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩ ফেব্রুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/712902037.jpg[/IMG]
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1845 লেভেল টেস্ট করেছে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। ডলার ক্রয়ের প্রবণতা ব্যাপক বৃদ্ধির পেছনে ISM উৎপাদন সূচকের ইতিবাচক ফলাফল কাজ করেছে, যা 50-এর স্তর অতিক্রম করেছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এই ফলাফলকে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সংকেত হিসেবে বিবেচনা করেছে। তবে এই পেয়ারের মূল্যের ভবিষ্যৎ মুভমেন্ট ইউরোজোনে আগত প্রতিবেদনের ফলাফল এবং ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের বক্তব্যের ওপর নির্ভর করবে, যা পরিস্থিতিকে অত্যন্ত অস্থির করে তুলছে এবং এজন্য ট্রেডারদের এই বিষয়গুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। ফ্রান্সের ভোক্তা মূল্য সূচকের (CPI) প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেয়া হবে। যদি প্রকৃত ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি আসে, তাহলে এটি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রানীতি কঠোর করার প্রত্যাশা জোরদার করতে পারে, যা তাত্ত্বিকভাবে ইউরোকে সহায়তা করবে। স্পেনের বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ সূচক না হলেও, বেকারত্বের হার বড় ধরনের হ্রাস পেলে সেটি স্পেনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিতে পারে এবং ইউরোকে সহায়তা করবে; বিপরীতে বেকারত্ব বাড়লে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দৃঢ়তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে পারে। এই দুইটি মূল সূচকের পাশাপাশি বাজার মার্কেটের ট্রেডাররা ইসিবির প্রতিনিধিদের বিবৃতিও ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1754378927.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1849-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1824-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1849-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1801-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1824 এবং 1.1849-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1801-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1778-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1824-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1801 এবং 1.1778-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4ar8Y3I
-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৫ ফেব্রুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1066956943.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3695‑এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ড বিক্রির জন্য সঠিক সেল এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলে এই পেয়ারের মূল্য ৩০ পিপসেরও বেশি কমেছে। শ্রমবাজার সংক্রান্ত ADP প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলের প্রভাব ISM পরিষেবা খাতভিত্তিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল দ্বারা আংশিকভাবে প্রশমিত হয়েছে। কিছুটা ইতিবাচক সংকেত সত্ত্বেও শ্রমবাজারে এখনও দুর্বলতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সাধারণত সরকারি কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের পূর্বাভাস হিসেবে বিবেচিত ADP প্রতিবেদনে নিয়োগের হারে কিছুটা মন্থরতা পরিলক্ষিত হয়েছে। তবুও ISM পরিষেবা খাতভিত্তিক প্রতিবেদনের অপ্রত্যাশিতভাবে শক্তিশালী ফলাফল দ্বারা বিনিয়োগকারীদের আশাবাদ সমর্থিত হয়েছে — যা মার্কিন অর্থনীতির অন্যতম মূল উপাদান। আজ যুক্তরাজ্যের নির্মাণ খাতভিত্তিক PMI সূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়াও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটি মূল সুদের হারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে, এর পরে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলির বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে।ব্রিটিশ অর্থনীতির বর্তমান অবস্থার মূল্যায়ন এবং নিকট ভবিষ্যতে মুদ্রানীতি সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা নির্ধারণে এই বৈঠকের ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি ও মন্থর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে। অ্যান্ড্রু বেইলির বক্তব্য নিঃসন্দেহে ঘনিষ্ঠভাবে বিশ্লেষণ করা হবে, কারণ ট্রেডাররা সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার যৌক্তিকতা সম্পর্কে জানতে ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে ধারণা পেতে চাইবে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 ও 2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3649-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3623-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3649-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3597-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3623 এবং 1.3649-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3597-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3566-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে অগ্রসর হলে আজ পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3623-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3597 এবং 1.3566-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3M3DKq9
-
মার্কিন শ্রমবাজার থেকে মিশ্র সংকেত পরিলক্ষিত হচ্ছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/232747754.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন ডলারের ওপর অল্প সময়ের জন্য চাপ সৃষ্টি হয়। কারণ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে যে জানুয়ারিতে মার্কিন কোম্পানিগুলোতে প্রত্যাশার তুলনায় কম কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে—এটি বছরের শুরুতে শ্রমবাজার পরিস্থিতি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা নির্দেশ করে। বুধবার ADP রিসার্চ জানিয়েছে যে বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের সংখ্যা 22,000 বেড়েছে, যা অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের কাছাকাছিও পৌঁছায়নি। কর্মসংস্থান খাটের এই দুর্বল পরিসংখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে, বিশেষ করে যখন মাত্রই গত বছরের শেষ শ্রমবাজার পরিস্থিতির পুনরুদ্ধারের চিহ্ন দেখা যেতে শুরু হয়েছিল। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এই অপ্রত্যাশিত মন্থরতা এই ইঙ্গিত দেয় যে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক নির্ধারিত উচ্চ সুদের হার মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর বড় আঘাত হানছে। গত কয়েক মাসে স্থিতিশীলতার কিছু লক্ষণ দেখা গেলেও, বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থানের হার বৃদ্ধির মন্থরতা জানুয়ারিতে শ্রমবাজার পরিস্থিতি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনাই নির্দেশ করে। ডাও ইনকর্পোরেটেড ও আমাজন ইনকর্পোরেটেড সহ কয়েকটি বড় কোম্পানি সম্প্রতি কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে, তবু সাম্প্রতিক প্রাথমিক বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনে ব্যাপক মাত্রায় কর্মী ছাটাইয়ের ইঙ্গিত মিলছে না। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মসংস্থানের হার সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। সবমিলিয়ে প্রথমদিকে নিয়োগ কার্যক্রমে অর্থপূর্নভাবে পুনরুদ্ধার থাকলেও কর্মসংস্থানের বৃদ্ধির গতি ধীর হয়েছে। প্রতিবেদন আরও উল্লেখ আছে যে পেশাদার ও ব্যবসায়িক সেবাখাতে জুনের পর থেকে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে। বড় কোম্পানিগুলো কর্মীসংখ্যা কমিয়েছে, আর ৫০ জনের কম কর্মী থাকা ব্যবসাগুলো মোটামুটি বেশিরভাগ কর্মী ধরে রেখেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী চাকরি পরিবর্তনকারী কর্মীদের মধ্যে গড়ে 6.4% জনের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় 1.0 শতাংশ পয়েন্ট কম। যেসকল কর্মী একই চাকরিতে ছিল তাদের বেতনের অগ্রগতিও মাত্রাতিরিক্ত ছিল।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2024103022.jpg[/IMG]
প্রতিবেদন অনুযায়ী চাকরি পরিবর্তনকারী কর্মীদের মধ্যে গড়ে 6.4% জনের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় 1.0 শতাংশ পয়েন্ট কম। যেসকল কর্মী একই চাকরিতে ছিল তাদের বেতনের অগ্রগতিও মাত্রাতিরিক্ত ছিল। উপরিউক্ত কারণগুলোর জন্য এই প্রতিবেদনটির ফলাফল কারেন্সি মার্কেটে তাৎক্ষণিকভাবে সীমিত মাত্রায় প্রভাব বিস্তার করেছে। EUR/USD‑এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস অনুযায়ী, ক্রেতাদের পুনরায় এই পেয়ারের মূল্যকে 1.183 লেভেলে নিয়ে আসার কথা ভাবা উচিত। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1870 লেভেল টেস্ট করার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1910‑এ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ব্যতীত এই পেয়ারের মূল্যের এই লেভেলের ওপরে অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1950 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। দরপতনের ক্ষেত্রে, সম্ভবত মূল্য 1.1780‑এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে দেখা যাবে। সেখানে ক্রেতারা সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1730‑এ নতুন নিম্ন লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1700 থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। GBP/USD‑এর ক্ষেত্রে, পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3625 লেভেলে নিয়ে যাওয়া উচিত। কেবলমাত্র তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3655-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিয়ে যেতে পারবে; এই লেভেলে ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3690 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3595‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর গুরুতর আঘাত হানবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3565 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখান থেকে পরবর্তীতে প্রায় 1.3540‑এর লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4bDdFsr