-
স্বর্ণের ওপর চাপ তীব্র হচ্ছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/645331535.jpg[/IMG]
আজও স্বর্ণের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। গত শুক্রবার কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র দরপতনের পর স্বর্ণের মূল্য পুনরায় $5,000-এর নিচে নেমে এসেছে। রূপাও ধ্বংসাত্মকভাবে দরপতনের শিকার হয়েছে, যা রেকর্ড উত্থানের সমাপ্তি ঘটিয়েছে—সার্বিক বিশ্লেষণ অনুসারে এই মুভমেন্ট অনেকটাই তীব্র ও দ্রুত ছিল। স্বর্ণের স্পট মূল্য প্রায় 8% কমে গেছে এবং গত বৃহস্পতিবার অর্জিত রেকর্ড উচ্চতা থেকে প্রায় এক‑পঞ্চমাংশ হ্রাস পেয়েছে আছে। সোমবার রূপার দর আরও 14.6% হ্রাস পেয়েছে, যা আগের সেশনে 23% দৈনিক দরপতনের পরে ঘটেছে—রেকর্ড অনুযায়ী যা সবচেয়ে তীব্র দরপতন ছিল। নতুন করে ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতা মার্কেটে লিকুইডিটি কমিয়ে দিচ্ছে। বহু বিনিয়োগকারীর ধারণা, স্বর্ণ ও রূপার মূল্যের বর্তমান লেভেলেই উল্লেখযোগ্যভাবে ওভারবট কন্ডিশন বিরাজ করছে এবং ক্রেতারা দৃঢ়ভাবে ফিরতে হলে আরও যুক্তিসঙ্গত সাপোর্ট লেভেল দরকার। যেমনটি উপরে উল্লেখ করা হয়েছে, গত সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুগুলোর মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোয় ট্রেডারদেরও বিস্মিত করেছে। জানুয়ারিতে স্বর্ণ ও রূপার মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ত্বরান্বিত হয়েছিল, কারণ বিনিয়োগকারীরা ভূ‑রাজনৈতিক অস্থিরতা, জাতীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতার ওপর হুমকির পুনরুত্থানের মাঝে স্বর্ণ ও রূপায় বিনিয়োগ করা শুরু করেছিল। চীনের স্বর্ণের প্রবণতাও এই উত্থানকে ত্বরান্বিত করেছিল। মার্কেটের অনুমানমূলক গতিবিধি উপেক্ষা করা যায় না। মূল্যের স্বল্পমেয়াদী ওঠানামা কাজে লাগাতে অ্যালগরিদমিক ট্রেডিং ও হেজ‑ফান্ডগুলোর কার্যক্রম অস্থিরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শান্ত থাকা এবং আতংকিত বা অতিরঞ্জিত উদ্দীপিত না হয়েছে মৌলিক বিশ্লেষণের উপর নির্ভর করা অপরিহার্য।নিকটমে াদী দৃষ্টিভঙ্গি বেশ অনিশ্চিত। ভূ‑রাজনীতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন মূল্যবান ধাতুগুলো মূল্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করবে। এছাড়া দরপতনের সময় চীনা বিনিয়োগকারীরা কতটা সক্রিয়ভাবে স্বর্ণে বিনিয়োগ করবে সেটির মার্কেটের পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/978865392.jpg[/IMG]
গত শুক্রবার মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কেভিন ওয়ার্শকে ফেডের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনোয়ন দেয়ার ঘোষণার প্রভাবে স্বর্ণ ও রূপার ব্যাপক দরপতন হয়েছে। সেই সংবাদ প্রতিবেদনের প্রভাবে ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের সেই প্রত্যাশা কমে গেছে যে মার্কিন প্রশাসন দুর্বল জাতীয় মুদ্রার বিষয়টিকে সহনশীল দৃষ্টিতে দেখবে সহ্য করবে।রূপার ক্ষেত্রে, চীনে রূপা ক্রয়ের প্রবণতা অভ্যন্তরীণভাবে সরবরাহ সংকটকে তীব্র করেছিল, তবে মার্কেটে নিম্নমুখী প্রবণতার ফলে বিনিয়োগ চাহিদা কমলে ওই প্রবণতা শিথিল হতে পারে। স্বর্ণের টেকনিক্যাল দৃশ্যপট অনুযায়ী, ক্রেতাদের স্বর্ণের মূল্যকে নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স লেভেল $4,591-এ পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করা উচিত। ওই লেভেল ব্রেক করলে স্বর্ণের মূল্যের $4,647‑এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এবং যা ব্রেক করে ওপরে ওঠা বেশ কঠিন হবে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে আপাতত প্রায় $4,708 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, স্বর্ণের মূল্য $4,481‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ দখল করার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর জন্য বড় ধাক্কা হবে এবং স্বর্ণের মূল্য দ্রুতই $4,432 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, পরবর্তীতে $4,372‑এর দিকেও দরপতন হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4teebmM
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩ ফেব্রুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/712902037.jpg[/IMG]
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1845 লেভেল টেস্ট করেছে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। ডলার ক্রয়ের প্রবণতা ব্যাপক বৃদ্ধির পেছনে ISM উৎপাদন সূচকের ইতিবাচক ফলাফল কাজ করেছে, যা 50-এর স্তর অতিক্রম করেছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এই ফলাফলকে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সংকেত হিসেবে বিবেচনা করেছে। তবে এই পেয়ারের মূল্যের ভবিষ্যৎ মুভমেন্ট ইউরোজোনে আগত প্রতিবেদনের ফলাফল এবং ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের বক্তব্যের ওপর নির্ভর করবে, যা পরিস্থিতিকে অত্যন্ত অস্থির করে তুলছে এবং এজন্য ট্রেডারদের এই বিষয়গুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। ফ্রান্সের ভোক্তা মূল্য সূচকের (CPI) প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেয়া হবে। যদি প্রকৃত ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি আসে, তাহলে এটি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রানীতি কঠোর করার প্রত্যাশা জোরদার করতে পারে, যা তাত্ত্বিকভাবে ইউরোকে সহায়তা করবে। স্পেনের বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ সূচক না হলেও, বেকারত্বের হার বড় ধরনের হ্রাস পেলে সেটি স্পেনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিতে পারে এবং ইউরোকে সহায়তা করবে; বিপরীতে বেকারত্ব বাড়লে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দৃঢ়তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে পারে। এই দুইটি মূল সূচকের পাশাপাশি বাজার মার্কেটের ট্রেডাররা ইসিবির প্রতিনিধিদের বিবৃতিও ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1754378927.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1849-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1824-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1849-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1801-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1824 এবং 1.1849-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1801-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1778-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1824-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1801 এবং 1.1778-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4ar8Y3I
-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৫ ফেব্রুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1066956943.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3695‑এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ড বিক্রির জন্য সঠিক সেল এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলে এই পেয়ারের মূল্য ৩০ পিপসেরও বেশি কমেছে। শ্রমবাজার সংক্রান্ত ADP প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলের প্রভাব ISM পরিষেবা খাতভিত্তিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল দ্বারা আংশিকভাবে প্রশমিত হয়েছে। কিছুটা ইতিবাচক সংকেত সত্ত্বেও শ্রমবাজারে এখনও দুর্বলতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সাধারণত সরকারি কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের পূর্বাভাস হিসেবে বিবেচিত ADP প্রতিবেদনে নিয়োগের হারে কিছুটা মন্থরতা পরিলক্ষিত হয়েছে। তবুও ISM পরিষেবা খাতভিত্তিক প্রতিবেদনের অপ্রত্যাশিতভাবে শক্তিশালী ফলাফল দ্বারা বিনিয়োগকারীদের আশাবাদ সমর্থিত হয়েছে — যা মার্কিন অর্থনীতির অন্যতম মূল উপাদান। আজ যুক্তরাজ্যের নির্মাণ খাতভিত্তিক PMI সূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়াও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটি মূল সুদের হারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে, এর পরে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলির বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে।ব্রিটিশ অর্থনীতির বর্তমান অবস্থার মূল্যায়ন এবং নিকট ভবিষ্যতে মুদ্রানীতি সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা নির্ধারণে এই বৈঠকের ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি ও মন্থর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে। অ্যান্ড্রু বেইলির বক্তব্য নিঃসন্দেহে ঘনিষ্ঠভাবে বিশ্লেষণ করা হবে, কারণ ট্রেডাররা সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার যৌক্তিকতা সম্পর্কে জানতে ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে ধারণা পেতে চাইবে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 ও 2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3649-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3623-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3649-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3597-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3623 এবং 1.3649-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3597-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3566-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে অগ্রসর হলে আজ পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3623-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3597 এবং 1.3566-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3M3DKq9
-
মার্কিন শ্রমবাজার থেকে মিশ্র সংকেত পরিলক্ষিত হচ্ছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/232747754.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন ডলারের ওপর অল্প সময়ের জন্য চাপ সৃষ্টি হয়। কারণ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে যে জানুয়ারিতে মার্কিন কোম্পানিগুলোতে প্রত্যাশার তুলনায় কম কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে—এটি বছরের শুরুতে শ্রমবাজার পরিস্থিতি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা নির্দেশ করে। বুধবার ADP রিসার্চ জানিয়েছে যে বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের সংখ্যা 22,000 বেড়েছে, যা অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের কাছাকাছিও পৌঁছায়নি। কর্মসংস্থান খাটের এই দুর্বল পরিসংখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে, বিশেষ করে যখন মাত্রই গত বছরের শেষ শ্রমবাজার পরিস্থিতির পুনরুদ্ধারের চিহ্ন দেখা যেতে শুরু হয়েছিল। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এই অপ্রত্যাশিত মন্থরতা এই ইঙ্গিত দেয় যে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক নির্ধারিত উচ্চ সুদের হার মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর বড় আঘাত হানছে। গত কয়েক মাসে স্থিতিশীলতার কিছু লক্ষণ দেখা গেলেও, বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থানের হার বৃদ্ধির মন্থরতা জানুয়ারিতে শ্রমবাজার পরিস্থিতি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনাই নির্দেশ করে। ডাও ইনকর্পোরেটেড ও আমাজন ইনকর্পোরেটেড সহ কয়েকটি বড় কোম্পানি সম্প্রতি কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে, তবু সাম্প্রতিক প্রাথমিক বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনে ব্যাপক মাত্রায় কর্মী ছাটাইয়ের ইঙ্গিত মিলছে না। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মসংস্থানের হার সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। সবমিলিয়ে প্রথমদিকে নিয়োগ কার্যক্রমে অর্থপূর্নভাবে পুনরুদ্ধার থাকলেও কর্মসংস্থানের বৃদ্ধির গতি ধীর হয়েছে। প্রতিবেদন আরও উল্লেখ আছে যে পেশাদার ও ব্যবসায়িক সেবাখাতে জুনের পর থেকে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে। বড় কোম্পানিগুলো কর্মীসংখ্যা কমিয়েছে, আর ৫০ জনের কম কর্মী থাকা ব্যবসাগুলো মোটামুটি বেশিরভাগ কর্মী ধরে রেখেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী চাকরি পরিবর্তনকারী কর্মীদের মধ্যে গড়ে 6.4% জনের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় 1.0 শতাংশ পয়েন্ট কম। যেসকল কর্মী একই চাকরিতে ছিল তাদের বেতনের অগ্রগতিও মাত্রাতিরিক্ত ছিল।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2024103022.jpg[/IMG]
প্রতিবেদন অনুযায়ী চাকরি পরিবর্তনকারী কর্মীদের মধ্যে গড়ে 6.4% জনের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় 1.0 শতাংশ পয়েন্ট কম। যেসকল কর্মী একই চাকরিতে ছিল তাদের বেতনের অগ্রগতিও মাত্রাতিরিক্ত ছিল। উপরিউক্ত কারণগুলোর জন্য এই প্রতিবেদনটির ফলাফল কারেন্সি মার্কেটে তাৎক্ষণিকভাবে সীমিত মাত্রায় প্রভাব বিস্তার করেছে। EUR/USD‑এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস অনুযায়ী, ক্রেতাদের পুনরায় এই পেয়ারের মূল্যকে 1.183 লেভেলে নিয়ে আসার কথা ভাবা উচিত। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1870 লেভেল টেস্ট করার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1910‑এ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ব্যতীত এই পেয়ারের মূল্যের এই লেভেলের ওপরে অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1950 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। দরপতনের ক্ষেত্রে, সম্ভবত মূল্য 1.1780‑এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে দেখা যাবে। সেখানে ক্রেতারা সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1730‑এ নতুন নিম্ন লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1700 থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। GBP/USD‑এর ক্ষেত্রে, পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3625 লেভেলে নিয়ে যাওয়া উচিত। কেবলমাত্র তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3655-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিয়ে যেতে পারবে; এই লেভেলে ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3690 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3595‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর গুরুতর আঘাত হানবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3565 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখান থেকে পরবর্তীতে প্রায় 1.3540‑এর লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4bDdFsr
-
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৯ ফেব্রুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/969899362.jpg[/IMG]
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 156.86-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দিয়েছে। এই কারণে আমি ডলার বিক্রি করিনি। জাপানে বাড়তি অস্থিরতার সাথে কারেন্সি মার্কেটে সাপ্তাহিক ট্রেডিং সেশন শুরু হয়েছে, যা গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনের ফলাফলের কারণে পরিলক্ষিত হচ্ছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দল বিজয়ী হওয়ার খবর ইয়েনের বিনিময় হারে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলছে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও প্রত্যাশাকে উস্কে দিচ্ছে। ভোটারদের আস্থায় প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির জয় জাপানের অভ্যন্তরীণ ও বৈদিশিক নীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে বিবেচিত হবে। তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাকাইচির অংশীদারিত্বকে সীমাহীন হিসেবে বর্ণনা করা বক্তব্যটি, যা নিঃসন্দেহে মার্কিন পক্ষের কাছেই ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে—এতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমর্থনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই রাজনৈতিক ঢেউয়ে ইয়েনের মূল্য আরও অস্থির হয়ে উঠে এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হয়। এই দর বৃদ্ধির প্রবণতা সম্ভবত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তাকাইচির নেতৃত্বে আরও পূর্বানুমেয়, স্থিতিশীল অর্থনৈতিক নীতিমালার প্রত্যাশার কারণে দেখা যাচ্ছে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/159723455.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 157.21-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 156.70-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 157.21-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 156.32-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 156.70 এবং 157.21-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 156.32-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 155.88-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 156.70-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 156.32 এবং 155.88-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/3ZlRgZg
-
১০ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2078111272.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের তীব্র উর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। গতকাল কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও ছিল না, শুধুমাত্র চীন থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায় যে দেশটির সরকার চীনা ব্যাংকগুলোকে মার্কিন সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকার "পরামর্শ" দিয়েছে। এই খবরের প্রভাবে মার্কেটে আবারো মার্কিন ডলারের চাহিদা হ্রাস পেতে পারে। তবে এটি ছাড়াও ডলারের দরপতনের যথেষ্ট কারণ ছিল। কয়েক সপ্তাহ আগে এই পেয়ারের মূল্য সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছিল—যা একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল। দীর্ঘমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হয়েছে, তাই আমরা কেবলমাত্র এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধিরই প্রত্যাশা করছি। অবশ্যই করেকশন হবে; গত সপ্তাহে আমরা এমন একটি করেকশন হতে দেখেছি। কিন্তু সামগ্রিকভাবে আমরা শীঘ্রই ইউরোর মূল্যের 1.20 লেভেলের ওপরে যাওয়ার প্রত্যাশা করছি। ২০২৬ সালে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির কোনো সীমা থাকবে না বলে মনে করা হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত সিদ্ধান্ত যতটাই আলোচিত ও বিতর্কিত হবে, বিশ্বমঞ্চে ততটাই ডলারের দরপতন ঘটবে বলে আমরা ধারণা করছি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/322313133.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের ঠিক শুরুতেই একটি চমৎকার সিগন্যাল গঠিত হয়। এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়, যা নতুন ট্রেডারদের জন্য তুলনামূলকভাবে সহজে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ দিয়েছিল। মার্কিন সেশনের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়া অতিক্রম করে। ফলে ট্রেডাররা তাদের লং পজিশন বেশ ভালো মুনাফার সাথে ক্লোজ করতে পেরেছিল বা আরও বেশি মুনাফার আশায় ওপেন করে রেখেছিল।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী করেকশন অব্যাহত রয়েছে, যা শীঘ্রই আবার উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রূপ নিতে পারে। মনে করিয়ে দেই যে এই পেয়ারের মূল্যের সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। যদি সত্যিই তা হয়ে থাকে, তবে ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরুদ্ধার হয়েছে। অতএব, আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ডলারের দরপতনের প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি বেশ চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে, যা ইউরোর মূল্যের আরও উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা নির্দেশ করে। মঙ্গলবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1830-1.1837-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেশন করলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1970-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে ADP (সাপ্তাহিক) শ্রমবাজার প্রতিবেদন এবং খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল মার্কেটে সামান্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে কিন্তু মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা কম।
Read more: https://ifxpr.com/4qo0Hm5
-
১৩ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/41508415.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ন্যূনতম ওঠানামা পরিলক্ষিত হয়েছে এবং সম্পূর্ণরূপে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক ট্রেডিং করা হয়েছে। মনে হচ্ছে মার্কেটে বুধবার প্রকাশিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রভাব এখনও বজায় রয়েছে। মনে করিয়ে দিচ্ছি যে ঐ দিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেকারত্ব হার 4.3%-এ নেমে গিয়েছিল এবং জানুয়ারিতে নন-ফার্ম পেরোল 130,000 বৃদ্ধি পেয়েছে। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, পুরো ২০২৫ সালের নন-ফার্ম পেরোল পরিসংখ্যানে প্রায় অর্ধ মিলিয়ন কর্মসংস্থান কমিয়ে সংশোধন করা হয়েছিল, যা ইঙ্গিত দেয় যে গত বছর মার্কিন অর্থনীতিতে মাসিক ভিত্তিতে গড়ে মাত্র 19,000টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। আমাদের দৃষ্টিতে, এটি ডলারের দরপতনের আরেকটি কারণ ছিল। প্রত্যেক সপ্তাহে মার্কিন প্রতিবেদনের প্রতি আস্থা কমে যাচ্ছে কারণ পরিসংখ্যানগুলোতে একরকম ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু নির্দেশ করে। যেকোনো ক্ষেত্রে, ডলারের ইতিবাচক প্রবণতা বজায় রয়েছে, মার্কেটের ট্রেডাররা মার্কিন সামষ্টিক প্রতিবেদনের আরেকটি দুর্বল ফলাফল উপেক্ষা করেছে, এবং ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে প্রবণতা নির্ধারণ করা এখন বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/655263926.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোন ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। সারাদিন জুড়ে এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে এবং কোনো লেভেলের কাছাকাছি যায়নি। তাই নতুন ট্রেডারদের জন্য পজিশন ওপেন করার কোনো ভিত্তি ছিল না।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী করেকশন এখনও কার্যকর আছে, তবে শীঘ্রই আবার উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হতে পারে। মনে রাখবেন যে এই পেয়ারের মূল্যের সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। যদি সত্যিই তা হয়ে থাকে, তবে ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরুদ্ধার হয়েছে। অতএব, আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ডলারের দরপতনের প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি বেশ চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে, যা ইউরোর মূল্যের আরও উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা নির্দেশ করে। শুক্রবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে বা 1.1899-1.1908 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেশন 1.1830-1.1837 এরিয়া বাউন্স করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1970-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ ইউরোজোনে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। তবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলতি সপ্তাহের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।
Read more: https://ifxpr.com/3MuDTTx
-
GBP/USD পেয়ারের বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/243828585.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের মূল্যের সীমিত গতিশীলতার সাথে নতুন সপ্তাহ শুরু হয়েছে, এই পেয়ার 1.3660 লেভেলের ঠিক নিচে একটি সংকীর্ণ রেঞ্জে ট্রেড করছে। সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট বেশ মিশ্র অবস্থায় রয়েছে, তাই মার্কেটের আগ্রাসী ট্রেডারদের অপেক্ষা ও ধৈর্য ধারণ করা উচিত, কারণ এই সপ্তাহে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং বুধবার সর্বশেষ ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের ভবিষ্যত মুদ্রানীতি সংক্রান্ত পদক্ষেপের ব্যাপারে প্রত্যাশা গঠন করবে, বিশেষত মার্চে সুদের হার 25 বেসিস পয়েন্টের হ্রাস সম্পর্কে পূর্বাভাসের আলোকে। অতএব, উক্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের মুভমেন্টের প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। এছাড়াও বুধবার প্রকাশিতব্য ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠকের কার্যবিবরণীর দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত, যা ফেডারেল রিজার্ভের নীতিমালা নমনীয়করণ সংক্রান্ত পদক্ষেপ সম্পর্কে আরো স্পষ্ট সংকেত দিতে পারে। এটি স্বল্পমেয়াদে মার্কিন ডলার এবং GBP/USD-এর মূল্যের ওঠা-নামার ক্ষেত্রে নতুন গতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে যুক্তরাজ্যের মাসিক খুচরা বিক্রয় সূচক এবং যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ব্যবসায়িক কার্যকলাপ সংক্রান্ত PMI সূচক প্রকাশিত হবে, যা সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে স্বল্পমেয়াদী ট্রেডিং সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত মার্কিন ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতির প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল ফলাফল জুনে ফেড কর্তৃক সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। একই সময়ে, ট্রেডাররা 2026 সালে ফেড কর্তৃক অন্তত দুইবার সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনা মূল্যায়ন করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা সম্পর্কে উদ্বেগ এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের সমন্বয় ঐতিহ্যবাহীভাবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। GBP/USD-এর জন্য আরো একটি সহায়ক কারণ হলো যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনার শিথিলতা, যা আগ্রাসীভাবে শর্ট পজিশন ওপেন করার সম্ভাবনাকে সীমিত করছে এবং শর্ট ট্রেড বা বৃহৎ মাত্রায় দরপতনেরপ্রত্যাশা করার ব্যাপারে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। জেফ্রি এপেস্টেইন সংক্রান্ত কেলেঙ্কারির মধ্যে, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারামার তাঁর ক্যাবিনেট ও লেবার পার্টি এমপিদের প্রতি সমর্থন নিশ্চিত রেখে রাজনৈতিক সমর্থন বজায় রেখেছেন, যা চিফ অব স্টাফ পদ থেকে মর্গান ম্যাকসুইনির পদত্যাগের ঘটনাটির পর ঘটেছে। টেকনিক্যাল দিক থেকে, এই পেয়ারের মূল্য তিনটি মুভিং অ্যাভারেজ এবং 1.3660 লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার চেষ্টা করছে। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স 1.3700-এ অবস্থান করছে। এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেল অতিক্রম করলেই ক্রেতাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে, যদিও দৈনিক চার্টে অসিলেটরগুলো বর্তমানে পজিটিভ জোনে রয়েছে এবং উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা বাড়াবে। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেলগুলো ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হতে ব্যর্থ হয়, তবে মূল্য সম্ভবত 1.3600-এর রাউন্ড লেভেলের দিকে নেমে যাবে।
Read more: https://ifxpr.com/4qDwxuW
-
১৭ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/709877380.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়নি। গতকাল এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা 30 পিপসেরও নিচে ছিল, এবং ইউরোর মূল্য কচ্ছপগতিতে ঠিক ঐ 30 পিপসই হ্রাস পেয়েছে। দিনের শেষে এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 1.1837-এর কাছাকাছি ছিল। উল্লেখযোগ্য একমাত্র সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন হিসেবে ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা আরও একবার ট্রেডার বা ইউরোর জন্য সন্তোষজনক ফলাফল প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা আগেও বহুবার বলেছি যে এই মুহূর্তে ইউরোপীয় সামষ্টিক প্রতিবেদন থেকে কোনো ধরনের সহায়তার আশা করা যায় না। সমস্যাটা আরও জটিল কারণ মার্কিন সামষ্টিক প্রতিবেদনেও আরও বেশি নেতিবাচক ও পরস্পরবিরোধী ফলাফল পরিলক্ষিত হচ্ছে। ইউরোপীয় অর্থনীতির অন্তত কিছুটা স্থিতিশীল থাকার প্রত্যাশা রয়েছে এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখছে, সেখানে মার্কিন অর্থনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে এবং ফেডারেল রিজার্ভ কোনো না কোনোভাবে আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণের দিকে যাবে। ফলস্বরূপ, মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক প্রেক্ষাপট বেশ দুর্বল রয়ে গেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1484300585.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। সারাদিন এই পেয়ারের মূল্য কোনো নির্দিষ্ট লেভেল বা জোনের কাছাকাছি পৌঁছায়নি, তাই নতুন ট্রেডারদের কাছে পজিশন ওপেন করার জন্য কোনো ভিত্তি ছিল না।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত আছে, যা শীঘ্রই পুনরায় উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রূপ নিতে পারে। মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে এই পেয়ারের মূল্যের সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। যদি সত্যিই তাই হয়, তাহলে ২০২৬ সালের শুরু থেকে দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হয়েছে। সুতরাং আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ডলারের দরপতনের প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে, ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও উর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। তবে বর্তমানে মার্কেটে আরেকবার স্থবির পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেশন হলে শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1745-1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1899-1.1908-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ ইউরোজোনে জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি ও ZEW ইকোনোমিক সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশিত হবে। আমরা এই প্রতিবেদনগুলোকে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করছি এবং মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার আশা করছি না। যুক্তরাষ্ট্রে তুলনামূলকভাবে স্বল্প গুরুত্বপূর্ণ সাপ্তাহিক ADP শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রকাশিত হবে।
Read more: https://ifxpr.com/3MJdWjn
-
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৮ ফেব্রুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1942305149.jpg[/IMG]
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের ওপরে উঠতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 153.17-এর লেভেল টেস্ট করেছিল—যা ডলার কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 153.65-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশ সত্ত্বেও, ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের আরও সতর্ক মন্তব্যের কারণে স্বল্পমেয়াদে মার্কিন মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সদস্য অস্টান গুলসবি মন্তব্য করেছে যে যদি মুদ্রাস্ফীতির হার ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে তাহলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সক্রিয়ভাবে সুদের হার হ্রাসের জন্য প্রস্তুত থাকবে—এ ধরনের বক্তব্য ডলারের ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। ট্রেডাররা এই মন্তব্যকে এমন ইঙ্গিত হিসেবে গ্রহণ করেছে যে যদি মুদ্রাস্ফীতির হার প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুতগতিতে হ্রাস পায় তাহলে ফেড দীর্ঘসময় ধরে সুদের হার উচ্চস্তরে বজায় রাখার পরিকল্পনা করছে না। আগাম ভিত্তিতে মুদ্রানীতি নমনীয় করার ইঙ্গিত দিয়ে গুলসবি আসলে বিনিয়োগকারীদের ডলারভিত্তিক অ্যাসেটের আকর্ষণীয়তা পুনর্মূল্যায়ন করার কারণ দিয়েছেন—বিশেষত জাপানি ইয়েনের বিপরীতে। আজ জাপানে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রসঙ্গে বলা যায় জানুয়ারির বাণিজ্য উদ্বৃত্ত সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল তীব্রভাবে ইয়েন ক্রয়ের প্ররোচনা সৃষ্টি করেনি। বাণিজ্য উদ্বৃত্তের ইতিবাচক ফলাফল অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল, যা মূলত ইয়েনের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে উদ্দীপিত করতে পারত, তবুও ইয়েনের মূল্যে কেবল সামান্য প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 ও 2 বাস্তবায়নের উপর বেশি গুরুত্ব দেব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1022780344.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 153.93-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 153.61-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 153.93-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 153.43-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 153.61 ও 153.93-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 153.43-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 153.12-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 153.61-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 153.43 এবং 153.12-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/46Uj22Y