-
ফেডের মূল লক্ষ্যের ওপর অটল থাকা উচিত
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1447198931.jpg[/IMG]
বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের তুলনায় ডলারের দর বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কেভিন হ্যাসেট বলেছেন যে ফেডারেল রিজার্ভের ব্যালান্স শিট যতটা সম্ভব কার্যকর রাখার দিকে মনোযোগ দেয়া উচিত। হ্যাসেট দাবি করেছেন যে ফেডকে মূল লক্ষ্যগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে — যার মধ্যে রয়েছে আর্থিক স্থিতিশীলতা সুরক্ষিত রাখা, প্রয়োজনের সময় সুদের হার কমানো এবং বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস করা — এবং তিনি বলেন মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুরনো রীতি-নীতি অনুযায়ী শান্তভাবে এগুলো করা উচিত। তিনি বলেন, মৌলিক বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে পরিমিত ও পূর্বানুমেয় নীতিমালা গ্রহণ করলে ফেডের সিদ্ধান্তগুলোর অতিরিক্ত রাজনৈতিকীকরণ এড়ানো যাবে এবং প্রশাসন বা খাতভিত্তিক স্বার্থের চাপ থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে রক্ষা করা যাবে। হ্যাসেট জোর দিয়ে বলেছেন যে ফেডের যেকোনো পদক্ষেপ মূলত রাজনৈতিক বিবেচনার পরিবর্তে অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে ফলাফল ও পূর্বাভাস দ্বারা বিবেচিত হওয়া উচিত। তিনি বলেছেন সিদ্ধান্তগ্রহণে স্বচ্ছতা ও ধারাবাহিকতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপর আস্থা বাড়াবে এবং নীতিমালার কার্যকারিতা উন্নত করবে। হ্যাসেট নিজেও এক সময় ফেড চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর প্রতিযোগীতায় ছিলেন, কিন্তু শুক্রবার ট্রাম্প বলেছেন যে তিনি কেভিন ওয়ার্শকে ফেডের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করবেন। সাক্ষাৎকারে হ্যাসেট ওয়ারশ সম্পর্কে বলেছেন, "তিনি খুব স্বাধীন ও প্রতিবেদন-নির্ভর ব্যক্তি।" হ্যাসেট আরও বলেন মার্কিন প্রশাসন স্থিতিশীল ও পূর্বানুমেয় অর্থনৈতিক পরিবেশকে প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিতার জন্য অপরিহার্য বলে বিবেচনা করে। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে সুদের হার হ্রাস ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ শুধু লক্ষ্য নয়, মার্কিন নাগরিকদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন ও উন্নত জীবনযাত্রার পূর্বশর্ত।
হ্যাসেট আরও যুক্ত করেছেন যে মার্কিন অর্থনীতিতে সম্ভাব্যভাবে একটি ইতিবাচক সরবরাহ বৃদ্ধি ট্রাম্প প্রশাসনের উৎপাদন বৃদ্ধি ও কর হ্রাসের নীতির ফলাফল হতে পারে। তিনি বলেন এসব ব্যবস্থায় উৎসগুলো মুক্ত হয়ে অর্থনৈতিক দক্ষতা বাড়াতে পারে। EUR/USD‑এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1890 লেভেলে পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করা উচিত। উক্ত লেভেল ব্রেক করা হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1950 লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1980‑এ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও বড় ট্রেডাদের সমর্থন ছাড়া এর ওপরে যাওয়া এই পেয়ারের মূল্যের পক্ষে কঠিন হবে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.2030 লেভেল বিবেচনা করা হচ্ছে। দরপতনের ক্ষেত্রে, এই পেয়ারের মূল্য কেবল 1.1840 এরিয়ার আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। যদি সেখানে কোনো ক্রেতারা সক্রিয় না হন, তবে এই পেয়ারের মূল্য 1.1780‑এ নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1730‑থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।GBP/USD‑এর ক্ষেত্রে, পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ক্রেতাদের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3702-এ নিয়ে যেতে হবে। কেবল তখনই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3738‑এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ কঠিন হবে। দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে প্রায় 1.3784 লেভেল নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে মূল্য 1.3650‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর জন্য বড় ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3618 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, পরবর্তীতে 1.3590‑এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4qWEqNg
-
৩ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1546447318.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের শূন্যপদ সংক্রান্ত JOLTS প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর অংশ। তবে, এই সপ্তাহের আসন্ন দিনগুলোতে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মঙ্গলবার জার্মানি, ইউরোজোন বা যুক্তরাজ্যে কোনো আকর্ষণীয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1348512358.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধি থমাস বারকিনের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। তবে আমরা মনে করি বার্কিনের বক্তব্য কারেন্সি মার্কেটে তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না। গত সপ্তাহেই ফেডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং ইসিবি ও ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডও বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসবে। প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য ট্রেডারদের কাছে ইতোমধ্যেই আছে অথবা শীঘ্রই পাওয়া যাবে। এই সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শ্রম ও বেকারত্ব সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং এই প্রতিবেদনগুলোর প্রকাশের পর ফেডের প্রতিনিধিদের মন্তব্য আসার সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কেটে এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে ফেড সম্ভবত এই বছরের প্রথমার্ধে নতুন করে মুদ্রানীতি নমনীয় করবে না, কিন্তু সবকিছু শ্রমবাজারের পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে। যদি জেরোম পাওয়েলের মূল্যায়ন সঠিক হয়ে থাকে এবং শ্রমবাজার পরিস্থিতির পুনরুদ্ধার হয়, তাহলে নিকট ভবিষ্যতে মুদ্রানীতি নমনীয়করণের প্রয়োজন হবে না। এটাও স্মরণ করা জরুরি যে যেকোনো মুহূর্তে ট্রাম্প ইরানের উপরে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন, যা ট্রেডারদের নজর এড়াবে না।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, দুইটি কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের তুলনামূলকভাবে দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ আজ কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। আজ ইউরো 1.1830-1.1837 লেভেলের মধ্যে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3643-1.3652 এরিয়ার মধ্যে ট্রেড করা যাবে। ফান্ডামেন্ট ইভেন্টগুলো যেকোনো মুহূর্তে আবারও ডলারের মূল্যের বড় ধরনের ওঠানামার দিকে নিয়ে যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3NWoEDm
-
-
মার্কিন বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রকাশনা সরকারিভাবে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2115503905.jpg[/IMG]
মার্কিন ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স জানিয়েছে যে জানুয়ারি মাসের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রকাশনা ১১ ফেব্রুয়ারিতে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদনগুলো মূলত ৬ ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ আগামীকাল প্রকাশের কথা ছিল, কিন্তু আংশিক সরকারি শাটডাউনের কারণে এগুলোর প্রকাশনায় বিলম্ব হতে যাচ্ছে। ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স বুধবার এই পরিবর্তনের ঘোষণা দেয়, ঠিক সেই সময়ের পরে যখন শ্রম বিভাগসহ বেশ কয়েকটি এজেন্সির তহবিল পুনবরাদ্ধ করা হয়। এই প্রতিবেদনগুলোর প্রকাশনা পিছিয়ে দেয়ার ফলে ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে কী প্রভাব পড়বে তা স্পষ্ট নয়, কারণ বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকরা মার্কিন অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রবণতা নির্ধারণে সহায়তা করে। এই প্রতিবেদনগুলো বিলম্বে প্রকাশ করা হলে তা মার্কেটে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে, কারণ বিনিয়োগকারীরা শ্রমবাজার পরিস্থিতি সম্পর্কিত নতুন তথ্য থেকে বঞ্চিত হয়। কিছু বিশ্লেষক ধারণা করছেন যে এই প্রতিবেদনগুলো বিলম্বে প্রকাশিত হলে ইকুইটি ও বন্ড মার্কেটে অস্থিরতা বাড়তে পারে; অন্যান্যরা বলছেন এর প্রভাব সীমিত থাকবে, কারণ মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য বিনিয়োগকারীদের কাছে বিকল্প প্রতিবেদন রয়েছে। মার্কিন লেবার ব্যুরো জানিয়েছে যে জানুয়ারির ভোক্তা মূল্যে সূচক (CPI) প্রতিবেদন ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে, যা মূলত ১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশের কথা ছিল। এই সপ্তাহে মার্কিন ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স কর্তৃক প্রকাশিতব্য অন্যান্য প্রতিবেদনগুলোর প্রকাশনার সময় পুননির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ডিসেম্বরের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও লেবার টার্নওভার এবং কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন রয়েছে। এর কারণ হিসেবে আংশিক শাটডাউনই বিবেচিত হচ্ছে। যদিও শাটডাউন মঙ্গলবার রাতেই শেষ হয়ে যায় যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি ফান্ডিং বিলে স্বাক্ষর করেন, তবুও এর ফলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময়সূচী প্রভাবিত হয়েছে। নিয়মিত মাসিক কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনের পাশাপাশি জানুয়ারির প্রতিবেদনে বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক সংশোধনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ঐ সংশোধনগুলোর মাধ্যমে বার্ষিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার প্রাথমিক প্রতিবেদনের তুলনায় কেমন সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে—এটি ডলারের ওপর ব্যাপভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের প্রকাশনা স্থগিত হয়ে যাওয়ায় এখন পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
EUR/USD‑এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস অনুযায়ী, ক্রেতাদের পুনরায় এই পেয়ারের মূল্যকে 1.183 লেভেলে নিয়ে আসার কথা ভাবা উচিত। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1870 লেভেল টেস্ট করার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1910‑এ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ব্যতীত এই পেয়ারের মূল্যের এই লেভেলের ওপরে অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1950 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। দরপতনের ক্ষেত্রে, সম্ভবত মূল্য 1.1780‑এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে দেখা যাবে। সেখানে ক্রেতারা সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1730‑এ নতুন নিম্ন লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1700 থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। GBP/USD‑এর ক্ষেত্রে, পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3625 লেভেলে নিয়ে যাওয়া উচিত। কেবলমাত্র তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3655-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিয়ে যেতে পারবে; এই লেভেলে ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3690 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3595‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর গুরুতর আঘাত হানবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3565 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখান থেকে পরবর্তীতে প্রায় 1.3540‑এর লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4bEn03a
-
-
-
১৩ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/687681004.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে চতু্র্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদনের প্রথম আনুমানিক ফলাফল প্রকাশিত হবে, তবে গতকাল মার্কেটে যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রতিবেদনের প্রতি যেরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে সম্ভবত আজকেও অনুরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে। এই প্রতিবেদনটিকে অপ্রাসঙ্গিক বলা যায় না, তবে মার্কেটের ট্রেডাররা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অনেকগুলো সামষ্টিক প্রতিবেদনের ফলাফল উপেক্ষা করেছে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে আগত প্রতিবেদনগুলো। দিনের মূল প্রতিবেদন হিসেবে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন বিবেচিত হচ্ছে, যা জানুয়ারির শ্রমবাজার এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত ইতিবাচক সূচকের পর ফেডের মূল অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফেড প্রধানত মুদ্রাস্ফীতি হারের ওপর ভিত্তি করে মুদ্রানীতি সংক্রান্ত আসন্ন সিদ্ধান্তগুলো নেবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/718412214.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে কেবল ফেডের প্রতিনিধি স্টিফেন মিরানের বক্তবই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দূর্ভাগ্যবশত (বা সৌভাগ্যবশত), মিরানের দৃষ্টিভঙ্গি 100% নির্ভুলভাবে ধারণা করা যায়। মিরান মূলত ফেডের মধ্যে ট্রাম্পের প্রধান প্রতিনিধিত্বকারী, যিনি মূল সুদের হার দ্রুত কমানোর জরুরি প্রয়োজন নিয়ে আলোকপাত করবেন—বিশেষত এখন, যখন (জানুয়ারিতে) শ্রমবাজার পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং আজ মুদ্রাস্ফীতির হার 2.4-2.5% পর্যন্ত মন্থর হতে পারে। তবে ফেডের সিদ্ধান্ত একমাত্র মিরানের ওপর নির্ভর করে না, কারণ ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বেশিরভাগ সদস্য মুদ্রানীতি ব্যাপারে তুলনামূলকভাবে হকিশ বা কঠোর দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করেন। অতএব, মিরানের বক্তব্য ট্রেডারদের জন্য কার্যত ততটা প্রাসঙ্গিক হবে না।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে, অন্তত মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত, উভয় কারেন্সি পেয়ারই শান্তভাবে ট্রেড করা হতে পারে। আজ ইউরো 1.1899-1.1908 বা 1.1830-1.1837 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3643-1.3652 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো দৃঢ় ভিত্তি দেখছি না, তবে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কেটে প্রতিক্রিয়া উস্কে দিতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4crx8fO
-
-
১৭ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/190030385.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবু এর মধ্যে অল্প কয়েকটিই গুরুত্বপূর্ণ ও আকর্ষণীয়। আমাদের যুক্তরাজ্যে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদন থেকে শুরু করা উচিত, কারণ সেগুলোই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আজ যুক্তরাজ্যে বেকারত্ব, বেকারভাতার আবেদন ও মজুরি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আমাদের মতে, এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল সম্ভবত মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে না। আজকের অন্যান্য প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনগুলোর (ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রে) প্রভাবেও মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির সম্ভাবনা কম। উদাহরণস্বরূপ, জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে এটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রাথমিক অনুমান যা ট্রেডাররা সাধারণত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেন না। ইউরোপে ZEW ইনস্টিটিউট থেকে অর্থনৈতিক মনোভাব সংক্রান্ত সূচকগুলোর ফলাফল আরও বেশি আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ADP প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, কিন্তু ট্রেডাররা সাধারণত মাসিক প্রতিবেদন ও নন-ফার্ম পে-রোল প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/436977835.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের কয়েকটি বক্তব্য উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার, বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফেড সদস্যদের বক্তব্যে নীতিগত অবস্থানের পরিবর্তন প্রতিফলিত হতে পারে। আমরা মনে করি যে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির হার ২%-এর কাছাকাছি পৌছালে ফেড 'ডোভিশ' বা নীতিগতভাবে নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করতে পারে। ফেড সদস্যগণ নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত দিলে সেটি মার্কেটে মার্কিন ডলার বিক্রি করার আরেকটি কারণ হিসেবে কাজ করবে। ইসিবির ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে মুদ্রাস্ফীতির হার 1.7%-এ নেমে এসেছে। যদি এই ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতি অব্যাহতভাবে কমতে থাকে, তাহলে ইসিবিকে নতুন করে আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করতে বাধ্য হতে পারে, যদিও ক্রিস্টিন লাগার্ডে বর্তমানে এমন একটি পরিস্থিতি এড়ানোর চেষ্টা করছেন।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের খুবই শান্তভাবে ট্রেডিং দেখা যেতে পারে, কারণ আজ উল্লেখযোগ্য ইভেন্টের সংখ্যা বেশ কম। ইউরো 1.1830-1.1831 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3643-1.3652 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে (গতকাল এখানে একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল)। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি দেখতে পাচ্ছি না। আজ আবারও মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4qJ6EtX
-
১৮ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/486125258.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথমত, যুক্তরাজ্যের ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) বেশ উল্লেখযোগ্য — প্রত্যাশা করা হচ্ছে ব্রিটেনের মুদ্রাস্ফীতির 3%-এ নেমে আসবে, যা পরবর্তী বৈঠকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডকে মূল সুদের হার হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিতে প্ররোচিত করতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই, এটি ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য নেতিবাচক সংবাদ। মুদ্রাস্ফীতির হার যত কম হবে, ব্রিটিশ মুদ্রার সম্ভাব্য দরপতনের মাত্রা তত বেশি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রে বিল্ডিং পারমিট, হাউজিং স্টার্টস, শিল্প উৎপাদন এবং ডিউরেবল গুডস অর্ডস সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হবে — এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল বিকেলের দিকে ট্রেডারদের সেন্টিমেন্টের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1302504677.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা ইসাবেল স্নাবেল ও ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধি মিশেল বোম্যানের বক্তব্যের ওপর দৃষ্টি দেয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার, বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফেডের সদস্যদের অবস্থানের পরিবর্তন ঘটার প্রত্যাশা করা যায়। আমরা মনে করি, যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি 2%-এর দিকে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফেডের অবস্থান আরও 'ডোভিশ বা নমনীয়' হতে পারে। ফেডের সদস্যের বক্তব্যে নমনীয় অবস্থান প্রতিফলিত হলে মার্কেটে মার্কিন ডলার বিক্রি করার জন্য আরেকটি কারণ হিসেবে কাজ করবে। ইসিবির ক্ষেত্রে, ইউরোজোনের সর্বশেষ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনে সূচকটির হার 1.7%-এ নেমে এসে মন্থরতার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। যদি মুদ্রাস্ফীতির হ্রাস অব্যাহত থাকে, তাহলে ইসিবি নতুন করে মুদ্রানীতি নমনীয় করতে বাধ্য হবে, যদিও বর্তমানে ক্রিস্টিন লাগার্ডে এমন পরিস্থিতি এড়ানোর চেষ্টা করছেন। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারেরই খুবই দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ আজ উল্লেখযোগ্য ইভেন্টের সংখ্যা বেশ কম। ইউরো 1.1830-1.1831 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3643-1.3652 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে (গতকাল এখানে একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল)। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি দেখতে পাচ্ছি না। আজ আবারও মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4ro8a5F