-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1728744690.jpg[/IMG]
ওয়াল স্ট্রিট নিয়ন্ত্রক সংস্থার জনবল কমেছে ১৮%
বড় ধরনের জনবল সংকটের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গৃহীত কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় সংকোচন ও কর্মী ছাঁটাই নীতির ফলে গত সেপ্টেম্বর নাগাদ সংস্থাটির প্রায় ১৮ শতাংশ কর্মী চাকরি ছেড়েছেন। গত শুক্রবার দেশটির সরকারি তদারকি সংস্থা গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিট অফিসের (জিএও) প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ পায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউজের নির্দেশে নেয়া ব্যাপক ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় এসইসির বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা এবং পুঁজিবাজার তদারকি বিভাগগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জিএওর আর্থিক বাজার ও কমিউনিটি ইনভেস্টমেন্ট বিভাগের প্রধান মাইকেল ক্লেমেন্টস জানান, জনবল কমে যাওয়ায় এসইসিতে কাজের চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। অনেক অভিজ্ঞ কর্মী চলে যাওয়ায় সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান ও দক্ষতা হারাচ্ছে বলেও কর্মীরা অভিযোগ করেন। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যান্য দপ্তরে গড়ে ১২ শতাংশ জনবল কমলেও এসইসির ক্ষেত্রে এ হার অনেক বেশি।
রয়টার্সের গত বছরের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে নাগাদ এসইসির প্রায় ৬০০ কর্মী (মোট জনবলের ১২ শতাংশ) স্বেচ্ছায় অবসরের সুযোগ নেন। তবে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরো ২৭০ জন কর্মী স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বা পদত্যাগের মাধ্যমে সংস্থাটি ত্যাগ করেন। ফলে ২০২৫ অর্থবছর শেষে মোট জনবল হ্রাসের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮ শতাংশে। তবে এসইসির একজন মুখপাত্র শুক্রবার দাবি করেন, সংস্থাটির কাছে পর্যাপ্ত জনবল ও সম্পদ রয়েছে।
বর্তমান চেয়ারম্যান পল অ্যাটকিনস যথাসময়ে প্রয়োজনীয় নিয়োগ নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। সংস্থাটির মতে, অভিজ্ঞদের চলে যাওয়া নতুন মেধাবী কর্মীদের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে, যারা বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা এবং বাজারের শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবে।
অন্যদিকে সমালোচকরা সতর্ক করে বলেছেন, এমন গণহারে কর্মী কমে যাওয়ায় বাজার তদারকি এবং যেকোনো আর্থিক সংকট মোকাবেলায় এসইসির সক্ষমতা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ৩১ ,মার্চ: ট্রাম্প ইরানের সাথে সমঝোতার ইঙ্গিত দেয়ায় S&P 500 ও নাসডাক সূচক পুনরুদ্ধার করেছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/761533205.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন ইকুইটি সূচকগুলোতে মিশ্র প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 0.39% হ্রাস পেয়েছে, যখন নাসডাক 100 সূচক 0.73% হ্রাস পেয়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ 0.11% বৃদ্ধি পেয়েছে। সকালে স্টক মার্কেটের পরিস্থিতি লক্ষ্যণীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়: প্রি-ট্রেডিং সেশনে ইকুইটি সূচকের ফিউচার্সের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং তেলের দরপতন হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তাঁর সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যের কারণে স্টক মার্কেটের পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে। ওই মন্তব্যে তিনি হরমুজ প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের ওপর উল্লেখযোগ্য সীমাবদ্ধতা থাকলেও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শেষ করার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মার্কেটের ট্রেডাররা এই বক্তব্যকে স্পষ্টভাবে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা হ্রাসের সংকেত হিসেবে বিবেচনা করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা এবং হরমুজ প্রণালী হয়ে তেল সরবরাহ ব্যাঘাতের আশঙ্কা জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি মূল কারণ। তেলের দরপতন মানে বর্তমানে ঝুঁকি কমছে—এটি ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনার কারণে ঘটেছে।একই সঙ্গে, সাধারণত ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার হ্রাস পেলে ইকুইটি মার্কেট ইতিবাচক সাড়া দেয়। বিনিয়োগকারীরা ইতিবাচক পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আশংকা হ্রাসের মধ্যে ঝুঁকি গ্রহণে উৎসাহিত হচ্ছে, যা প্রধান স্টক সূচকগুলোর ফিউচারের দর ঊর্ধ্বমুখী করছে। S&P 500 সূচকের ফিউচার্সের দর 0.8% বেড়েছে, এবং ইউরোপীয় ইকুইটি ফিউচার্সের 0.3% বেড়েছে। তবে এশিয়ার স্টক মার্কেটে সামান্য পুনরুদ্ধার পরিলক্ষিত হয়েছে: MSCI এশিয়া প্যাসিফিক সূচক 1% হ্রাস পেয়েছে এবং অক্টোবর 2008-এর পর থেকে এর সবচেয়ে খারাপ মাসিক রেকর্ডের দিকে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েড তেলের দর ব্যারেল প্রতি প্রায় $103-এ অবস্থান করছে। এর আগে এই তেলের দর প্রায় $107 প্রতি ব্যারেলের কাছাকাছি পৌঁছেছিল। ট্রেজারি বন্ডগুলোর দর ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে, এবং মার্কিন ডলার অধিকাংশ G10-ভুক্ত কারেন্সির বিপরীতে দুর্বল হয়েছে। ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সামরিক সংঘাতের সমাপ্তি ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনে সহায়ক হবে এবং পুনরায় হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করবে—এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীতে সরবরাহের ব্যাঘাত তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলের সরবরাহ পুনরায় বৃদ্ধি পেলে তা ভারত ও চীনসহ এশিয়ার বড় আমদানিকারক দেশগুলোকে উপকৃত করবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ঝুঁকি সম্পর্কে আশঙ্কা কমাতে সাহায্য করবে।তবে উল্লেখ্য যে গত এক মাসে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী বন্ধের প্রেক্ষিতে প্রকাশ্যে বিভিন্ন রকম ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন—যা সামগ্রিক যুদ্ধের ওপর মিশ্র লক্ষ্য ও বার্তার একটি অংশ। কখনো তিনি নির্দিষ্ট সময়ে চ্যানেল খুলে না দেয়া হলে বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছিলেন; আবার তিনি চ্যানেলটির গুরুত্ব আপেক্ষিকভাবে কম বলে বর্ণনা করেছেন, জানিয়েছে যে এই প্রণালী বন্ধ থাকার বিষয়টি অন্যান্য দেশগুলোর সমস্যা।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1303279497.jpg[/IMG]
S&P 500-র টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের আজ প্রধান কাজ হবে সূচকটির নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল $6,385 অতিক্রম করানো। এর ফলে সূচকটির দর আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে এবং $6,394-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে। ক্রেতাদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে সূচকটির দর $6,403-এর উপরে ধরে রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা কমে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেলে সূচকটির দর $6,373-এর আশপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। ঐ লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে দ্রুত ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টটির দর $6,364-এ নেমে যেতে পারে এবং পরবর্তীতে $6,355 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442044
-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1881295188.jpg[/IMG]
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২ এপ্রিল: ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রভাবে S&P 500 ও নাসডাক সূচকে দরপতন
গতকাল মার্কিন ইকুইটি সূচকগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 0.72% বৃদ্ধি পেয়েছে, আর নাসডাক 100 সূচক 1.16% বৃদ্ধি পেয়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ 0.48% বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আজ সকালের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। নতুন চ্যালেঞ্জের উপস্থিতিতে স্টক মার্কেটে হঠাৎ করে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়। প্রধান মার্কিন সূচকের ফিউচার্স দ্রুত দরপতনের শিকার হয়েছে, যা মূল ট্রেডিং সেশনে সম্ভাব্য দরপতনের ইঙ্গিত দেয়। একই সময়ে ঐতিহ্যগতভাবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত বন্ডগুলোর দাম বাড়ে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের ব্যাপারে বিবৃতি দেয়ার প্রবণতার পরিবর্তন ঘটে, যা পূর্বের প্রত্যাশা মৌলিকভাবে বদলে দেয়।শান্তি স্থাপনের ইঙ্গিত বা কূটনৈতিক সমাধানের সন্ধানের পরিবর্তে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক কর্মপরিকল্পনা হ্রাস নয় বরং আরও সক্রিয়ভাবে বোমাবর্ষণ শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে সম্ভাব্য আক্রমণ বিষয়ক মন্তব্যগুলো বিশেষভাবে উদ্বেগজনক ছিল। ওই ধরনের উত্তেজিত বক্তব্য তৎক্ষণাৎ স্টক মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়, ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট থেকে মূলধন সরে এসে সুরক্ষামূলক ইনস্ট্রুমেন্টে বিনিয়োগ আসতে শুরু করে। এর ঠিক আগেই, $31 ট্রিলিয়নের ট্রেজারি মার্কেটের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থেমে গিয়েছিল, কারণ মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের কর্মসংস্থান ও ভোক্তা ব্যয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে—যা ইরান যুদ্ধের সমাপ্তির সম্ভাবনা হ্রাস করেছে এবং ফলশ্রুতিতে ফেডের সুদের হার হ্রাসের সম্ভবনা কমিয়েছে। মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষের, ট্রেজারির বন্ডের ইয়েল্ডে আগেরদিনের দরপতনের পর তেমন কোনো বদল দেখা যায়নি, সেইসাথে ব্রেন্টের দর সাময়িকভাবে ব্যারেল প্রতি $100-এর নিচে নেমে গিয়েছিল। আজ মধ্যপ্রাচ্যকে ঘিরে সৃষ্ট অনিশ্চয়তার কারণে প্রায় নিশ্চিতভাবেই বন্ডের তীব্র দর বৃদ্ধি ঘটবে এবং ইয়েল্ড কমে যাবে। মার্কেটের অন্যান্য খাতে, ব্রেন্ট ক্রুডের দর 6.6% বেড়ে ব্যারেল প্রতি প্রায় $108-এ পৌঁছেছে, কারণ চলমান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী কার্যত অবরুদ্ধ রয়েছে—যা মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান পরিবহন কেন্দ্র—ফলে তেল উত্তোলন কমে এসেছে। স্বর্ণের দরও প্রায় $4,800 থেকে প্রায় $4,550 পর্যন্ত নেমে যায়, কারণ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির সম্ভাবনা ফেডের আর্থিক নীতিমালার পুনর্মূল্যায়নের সম্ভাবনা বাড়িয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1819979499.jpg[/IMG]
S&P 500-এর টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, আজ ক্রেতাদের প্রধান কাজ হবে সূচকটির নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স $6,490 অতিক্রম করানো। এটি সূচকতির মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সূচনায় সহায়তা করবে এবং $6,505-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করতে পারে। ক্রেতাদের জন্য সূচকটির দর $6,520-এর উপরে বজায় রাখা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা কমার ফলে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেলে সূচকটির দর $6,473 এরিয়ায় থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে; ঐ লেভেল ব্রেক করলে দ্রুত ইন্সট্রুমেন্টটির দর $6,457-এ নেমে যাবে এবং $6,441-এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442277
-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1865380668.jpg[/IMG]
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ৬ এপ্রিল: স্থিতিশীলও আশাবাদের মধ্যে S&P 500 ও নাসডাক সূচকে প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে
গতকাল মার্কিন ইক্যুইটি সূচকগুলোতে মিশ্র ফলাফল পরিলক্ষিত হয়েছে। S&P 500 সূচক 0.11% বৃদ্ধি পেয়েছে, যখন নাসডাক 100 সূচক 0.18% বৃদ্ধি পেয়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ 0.13% হ্রাস পেয়েছে। গত শুক্রবার ছুটির কারণে স্টক মার্কেট বন্ধ ছিল। আজ স্টক সূচকসমূহের ফিউচার্সে ওঠানামা পরিলক্ষিত হচ্ছে এবং তেলের দরপতন হয়েছে। এর মূল কারণ হচ্ছে বিনিয়োগকারীরা জানতে পেরেছেন যে ছয় সপ্তাহব্যাপী চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত কিছুটা প্রশমিত হতে পারে। কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের ইঙ্গিত দিচ্ছে। MSCI এশিয়া প্যাসিফিক সূচক 0.2% বেড়েছে। সূচকটির অন্তর্ভুক্ত দর বৃদ্ধি পাওয়া এবং দরপতনের শিকারের স্টকের সংখ্যা প্রায় সমান ছিল, এবং টেকনোলজি কোম্পানির স্টকগুলো দর বৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষস্থানীয় ছিল । S&P 500 সূচকের ফিউচারস পূর্বের দরপতন কিছুটা পুষিয়ে নিয়ে প্রায় 0.2% বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং কয়েকটি আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারী দেশ ৪৫ দিনের সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী নিয়ে আলোচনা করছে এমন প্রতিবেদন মার্কেটে ইতিবাচক আশাবাদ নিয়ে আসে, যা চলমান যুদ্ধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে। আরও অনেক জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে এমন প্রতিবেদনগুলোও সহায়ক ছিল, যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার থেকে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার কঠোর হুমকি দিয়েছেন।ব্রেন্ট ক্রুড 2.6% দরপতনের শিকার হয়েছিল এবং পরবর্তীতে প্রায় 0.9% বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেল প্রতি $110-এর উপরে পৌছেছে, যা দৈনিক সর্বোচ্চ লেভেল $112-এর তুলনায় কম। 10-বছর মেয়াদী মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশ সামান্য কমে গিয়েছে কারণ মার্কেটের ট্রেডাররা ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি পুনর্মূল্যায়ন করছে। ফরেক্স মার্কেটে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে: ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধির মাঝেও মার্কিন ডলার মাঝারি চাপের সম্মুখীন হচ্ছে, আর ঐতিহ্যগতভাবে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে বিবেচিত ইয়েন ও সুইস ফ্র্যাঙ্ক কিছুটা দরপতনের শিকার হয়েছে। বিপরীতে, ইউরোজোনের ইতিবাচক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও আঞ্চলিক ঝুঁকি হ্রাস হওয়ার কারণে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেয়েছে শক্তিশালী হয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক চাপ নির্দেশক হিসেবে স্বর্ণের মূল্যও নিম্নমুখী হয়েছে। মেব্যাংক সিকিউরিটিজ জানিয়েছে যে এশীয় স্টক মার্কেটে যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতি যেমন তেল পরিবহন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা এড়ানো—এমন সংকেতের ক্ষেত্রে দ্রুত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তাই এশিয়ার স্টক মার্কেটে বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর ও সাইক্লিক্যাল সেক্টরগুলোতে পরিমিত পুনরুদ্ধার পরিলক্ষিত হয়েছে। স্পষ্টতই, ট্রেডাররা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ প্রশমনের সম্ভাবনা সংক্রান্ত যেকোনো সংবাদ শিরোনাম কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে, কারণ এতে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির শঙ্কা বেড়েছে—যা ফেডের সুদের হার হ্রাসের প্রত্যাশাকে ক্ষুন্ন করেছে। এখনো জ্বালানি খাত এবং হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে চলমান পরিস্থিতির ওপর ট্রেডারদের মনোযোগ কেন্দ্রীভূত রয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের তেল সরবাহের মূল সমুদ্রপথ হিসেবে বিবেচিত হয়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1648971205.jpg[/IMG]
S&P 500-এর টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, আজ ক্রেতাদের প্রধান কাজ হবে সূচকটির মূল্যের নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স লেভেল $6,590 অতিক্রম করানো। এর সূচকটির দর আরও ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে এবং $6,603 পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে। ক্রেতাদের জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হল সূচকটির দর $6,616-এর উপরে ধরে রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাস পেয়ে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেলে সূচকটির দর $6,577-এর আশপাশে ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। ঐ লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে দ্রুত ইন্সট্রুমেন্টটির দর $6,563-এ নেমে যাবে এবং তারপর $6,552 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442539
-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1985714476.jpg[/IMG]
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট: S&P 500 এবং নাসডাক সূচকে বিপদজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে
গতকাল মার্কিন ইকুইটি সূচকগুলোতে উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 0.44% বেড়েছে, যেখানে নাসডাক 100 সূচক 0.54% বেড়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 0.36% বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ ট্রেডিং সেশনে অস্থিরতার মধ্যে তেলের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, আর স্টক সূচকসমূহের ফিউচার্স মোমেন্টাম হারিয়েছে কারণ ইরানের সাথে শান্তিচুক্তির জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক নির্ধারিত ডেডলাইনের আগে ট্রেডাররা সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে। সম্ভাব্য নতুন সামরিক উত্তেজনার ঝুঁকি সাময়িক যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাকে ম্লান করে দিয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দর 1.2% বেড়ে ব্যারেল প্রতি $111 ছাড়িয়েছে। সোমবার যুদ্ধবিরতির আশাবাদের কারণে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর বৈশ্বিক ইকুইটি মার্কেটগুলো চাপের সম্মুখীন হয়েছে কারণ যুদ্ধ নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে রাখছে। মার্কিন ইকুইটি সূচকের ফিউচার্স প্রায় 0.4% হ্রাস পেয়েছে। এশীয় স্টক সূচকগুলো প্রায় 0.5% ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা মূলত প্রযুক্তিভিত্তিক শেয়ারগুলোর নেতৃত্বে হয়েছে—উল্লেখ্য যে মধ্যপ্রাচ্যের ছয় সপ্তাহব্যাপী সংঘাতের ওপর এশীয় স্টক মার্কেট অপেক্ষাকৃত কম প্রভাবিত হয়েছে বলে পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে দৃষ্টি এখনো হরমুজ প্রণালীর ওপর কেন্দ্রীভূত রয়েছে—যা মধ্যপ্রাচ্যের তেলপ্রবাহের প্রধান সমুদ্রপথ—এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেছেন যেকোনো শান্তি চুক্তির ক্ষেত্রে এই সমুদ্রপথ জুড়ে নিরবচ্ছিন্ন পরিবহন নিশ্চিত করতে হবে। এই প্রেক্ষাপটে জেপিমরগ্যান চেজ অ্যান্ড কোং-এর G10-ভুক্ত কারেন্সির ভোলাটিলিটি ইনডেক্স সোমবার 17 বেসিস পয়েন্ট বেড়ে 7.98%-এ পৌঁছেছে, যদিও সূচকটি এখনও সাম্প্রতিক রেঞ্জের মধ্যেই রয়েছে। এটি গ্লোবাল মার্কেটের বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট আরও বিস্তার লাভ করলে ট্রেডাররা তাতে অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে, কারণ এটি এখনও মার্কেটে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। ট্রেডাররা সারাদিন সংবাদ শিরোনামের উপর নজর রাখবে, তবে আপাতত এই সংকট সমাধানের দিকে যাচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন। গতকাল ট্রাম্প আবারও বলেছেন যে ইরানের সাথে আলোচনা ভালভাবে এগুচ্ছে, তবে কাদের সঙ্গে এই আলোচনা হচ্ছে সেটি তিনি নির্দিষ্ট করেননি—অন্যদিকে তেহরান প্রকাশ্যে এ ধরনের আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে। অন্য দিকে, স্বর্ণের মূল্যের ওঠানামা অব্যাহত থেকে আউন্স প্রতি $4,650-এর আশেপাশে অবস্থান করছে। 10-বছর মেয়াদী ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশ এক বেসিস পয়েন্ট বেড়ে 4.34%-এ পৌঁছেছে। বিটকয়েন 1.5%-এরও বেশি দরপতনের শিকার হয়ে প্রায় $68,700-এ অবস্থান করছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1088012800.jpg[/IMG]
S&P 500‑এর টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, আজ ক্রেতাদের মূল কাজ হবে সূচকটির মূল্যের নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স $6,590 অতিক্রম করানো। তা হলে সূচকটির দর আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে এবং $6,603‑এর দিকে পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে। ক্রেতাদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল সূচকটির মূল্য $6,616‑এর ওপরে ধরে রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা কমে গেলে নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে সূচকটির দর $6,577-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে; ওই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে দ্রুত ইন্সট্রুমেন্টটির দর $6,563‑এ নেমে যাবে এবং সম্ভবত $6,552‑এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442658
-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1386963932.jpg[/IMG]
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ১৩ এপ্রিল: S&P 500 এবং নাসডাক সূচকে নতুন করে দরপতন শুরু হয়েছে
গত শুক্রবার মার্কিন ইক্যুইটি সূচকগুলোতে মিশ্র প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 0.11% বৃদ্ধি পেয়েছিল, কিন্তু নাসডাক 100 সূচক 0.35% দরপতনের শিকার হয়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ 0.56% হ্রাস পেয়েছে। আজ ইমার্জিং মার্কেট সূচকগুলো তীব্রভাবে নিম্নমুখী হয়েছে, কারণ ইসলামাবাদে মার্কিন-ইরান আলোচনার ব্যর্থতার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাস পেয়েছে। গতকাল পর্যন্ত যে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটে বিনিয়োগ করার কথা ভাবছিলেন, তারা দ্রুত মূলধন সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। বিপরীতে, জ্বালানি তেলের দর স্থিরভাবে বাড়ছে, তবে তা ইক্যুইটি মার্কেটের ব্যাপক লোকসান পোষাতে পারছে না। MSCI ইমার্জিং মার্কেট সূচকটি এশিয়ান ট্রেডিং সেশন প্রযুক্তি খাতভিত্তিক শেয়ারগুলোর দরপতনের মধ্যে 1.2% হ্রাস পেয়েছে; দরপতনের শিকার স্টকের তালিকায় স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স কোং ও টেনসেন্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের নাম উল্লেখযোগ্য। মার্কিন ডলারের বিপরীতে আঞ্চলিক কারেন্সিগুলো বেশিরভাগই দরপতনের শিকার হয়েছে: ভারতীয় রুপি ও দক্ষিণ আফ্রিকার র্যান্ডের 0.7%-এর বেশি দরপতন হয়েছে। তবে ইউরোপীয় কারেন্সিগুলোর মধ্যে হাঙ্গেরিয়ান ফরিন্ট ভালো করেছে। মার্কিন-ইরান আলোচনার ব্যর্থতার কারণে বিশ্বব্যাপী সরকারি বন্ডগুলোর ওপরও চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধির উদ্বেগকে বাড়িয়েছে জ্বালানি তেলের দর বৃদ্ধি পেয়েছে — মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী অবরোধের নির্দেশ দেওয়ার পর তেলের দর ব্যারেল প্রতি $100 অতিক্রম করেছে — ফলে তেল আমদানিকারী দেশগুলোর, বিশেষ করে এশিয়াতে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়ছে। গত সপ্তাহে যুদ্ধবিরতির ফলে সৃষ্ট আশাবাদের বিপরীতে উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে ইমার্জিং মার্কেটের অ্যাসেটগুলোর পুনরুদ্ধার থেমে গেছে। মুদ্রাস্ফীতি সম্পর্কে বলতে গেলে, যুক্তরাষ্ট্রে মার্চের সর্বশেষ প্রতিবেদনে মুদ্রাস্ফীতির হার অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের তুলনায় সামান্য কম এসেছে, মাসিক ভিত্তিতে 0.9% বেড়েযছে। মূল মুদ্রাস্ফীতির হার প্রত্যাশার চেয়েও কম ছিল এবং এই হার ফেডের কাছে অপেক্ষাকৃত গ্রহণযোগ্য স্তর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বার্ষিক ভিত্তিতে দেশটির মুদ্রাস্ফীতির হার 2.5% থেকে 2.6%-এ পৌঁছেছে, যা 2.7%-এ পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল। এই ফলাফল ফেডের জন্য উদ্বেগজনক; একদিকে এটি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পূর্বের প্রচেষ্টা ধীরে ধীরে কাজ করছে তা নিশ্চিত করে, অন্যদিকে মুদ্রাস্ফীতির হার এখনও ফেডের 2%-এর লক্ষ্যমাত্রার উপরে আছে—মুদ্রাস্ফীতি পূর্ণ স্থিতিশীলতার সম্ভাবনা এখনো দেখা যাচ্ছে না। মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা কবে থেকে আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করতে পারে সেই ইঙ্গিত জানার জন্য অর্থনীতিবিদরা প্রতিটি নতুন প্রতিবেদন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/886259189.jpg[/IMG]
S&P 500-এর টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, আজ ক্রেতাদের প্রধান কাজ হবে সূচকটির নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স $6,784 অতিক্রম করানো। এটি করতে পারলেই সূচকটির মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সৃষ্টি হবে এবং $6,801-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে। ক্রেতাদের জন্য সূচকটির দর $6,819-এর উপরে ধরে রাখা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে দৃড় করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাস পেয়ে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেলে সূচকটির দর $6,769 এরিয়ায় থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে; ওই লেভেলের নিচে দরপতন ঘটলে দ্রুত ইনস্ট্রুমেন্টটির মূল্য $6,756 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে এবং $6,743-এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/443161
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২০ এপ্রিল: S&P 500 ও নাসডাক সূচকের রেকর্ড ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/532752285.jpg[/IMG]
গত শুক্রবার মার্কিন ইক্যুইটি সূচকগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 1.20% বৃদ্ধি পেয়েছে, আর নাসডাক 100 সূচক 1.52% বৃদ্ধি পেয়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 1.79% বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ এশিয়ার ইক্যুইটি মার্কেটগুলো শুরুতে তীব্র দরপতনের সাথে লেনদেন শুরু হলেও পরবর্তীতে কিছুটা দরপতন পুষিয়ে নেয়া হয়—কারণ বিনিয়োগকারীরা পুনরায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়টি উপেক্ষা করে মৌলিক প্রেক্ষাপট ও সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার দিকে মনোযোগী হচ্ছেন। MSCI এশিয়া প্যাসিফিক ইনডেক্স 0.8% বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং MSCI ইমার্জিং মার্কেটস ইনডেক্স প্রায় দুই মাসব্যাপী চলমান ইরান যুদ্ধের সময় হওয়া সমস্ত দরপতন পুনরুদ্ধার করেছে। মার্কিন স্টক সূচক ফিউচারগুলোরও পূর্বের দরপতন পুষিয়ে নেয়া হয়েছে, যা প্রায় 1.1% উর্ধ্বমুখী হয়েছে। জ্বালানি তেল ও মার্কিন ডলারের দর দৈনিক সর্বোচ্চ লেভেল কিছুটা নিম্নমুখী হয়েছে। সব মিলিয়ে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে বিনিয়োগকারীরা হয়তো ধারণা করছেন যে অনিশ্চয়তার সমাপ্তি ঘটেছে। কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা বৃদ্ধি, এআই খাতে পুনরায় কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং আয়ের প্রতিবেদন পেশের মৌসুমের আগে কর্পোরেট খাতের মৌলিক বিষয়গুলোর ওপর বাড়তি গুরুত্ব স্টক মার্কেটের ইতিবাচক প্রবণতাকে সমর্থন যোগাচ্ছে। চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বজায় থাকা সত্ত্বেও মার্কেটে সম্পূর্ণভাবে ঝুঁকি না গ্রহণ করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে না। উভয় পক্ষ আলোচনার প্রতি উন্মুক্ত থাকায় সম্ভাব্য সুযোগ দেখতে পেয়ে বিনিয়োগকারীরা লং পজিশনে এক্সপোজার বাড়াচ্ছেন। দ্রুত পরিবর্তিত সংবাদ শিরোনামগুলো ট্রেডারদের লিভারেজড পজিশন ধরে রাখা থেকে বিরত রাখতে পারছে না—কেউই ভুল মুভমেন্টের শিকার হতে চায় না। তবু, কিছুটা অনিশ্চয়তা বেড়েছে কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের কর্মকর্তারা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন বিবৃতি দিয়েছেন, যা যুদ্ধবিরতি মেয়াদ পেরোনোর আগ পর্যন্ত শান্তি আলোচনার সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। ট্রেডাররা মূলত এখনও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে কি না সেদিকেই দৃষ্টিপাত করবে। ইরান সম্ভবত আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন, ফলে যুক্তিযুক্তভাবে পুনরায় স্টক মার্কেটে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1843117454.jpg[/IMG]
S&P 500‑এর টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, আজ ক্রেতাদের প্রধান কাজ হবে সূচকটির মূল্যের নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স $7,087 অতিক্রম করানো। এতে সূচকটির মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হতে পারে এবং $7,106‑এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে। ক্রেতাদের জন্য আরেকটি অগ্রাধিকার হবে সূচকটির মূল্যকে $7,122-এর ওপরে ধরে রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা কমে যাওয়ায় যদি দরপতন ঘটে, তাহলে সূচকটির দর $7,066 আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। ওই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে দ্রুত ইন্সট্রুমেন্টটির মূল্য $7,049-এ ফিরে যাবে এবং এর ফলে $7,033‑এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/443806
-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1683177205.jpg[/IMG]
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২১ এপ্রিল: S&P 500 ও নাসডাক সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থেমেছে
গতকাল মার্কিন ইক্যুইটি সূচকগুলোতে সামান্য নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 0.24% হ্রাস পেয়েছে, আর নাসডাক 100 সূচক 0.26% হ্রাস পেয়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 0.01% হ্রাস পেয়েছে। বিশ্বব্যাপী ইক্যুইটি মার্কেটের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা স্থবির হয়ে পড়েছে, যদিও সামগ্রিকভাবে উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে; কারণ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ইরান সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যোগ দিতে পারে এমন ইঙ্গিতের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ইতিবাচক অগ্রগতির বিষয়ে আশাবাদ বেড়েছে। তেল মূল্যেরও উপরও চাপ কমে সেছে। MSCI অল কান্ট্রি ওয়ার্ল্ড ইনডেক্স মঙ্গলবার 0.1% বৃদ্ধি পেয়েছে, কারণ ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা হ্রাস এবং AI-সংক্রান্ত কার্যক্রমে বাড়তি গতি এশিয়ার ইক্যুইটি মার্কেটগুলোকে সমর্থন যুগিয়েছে। গত সোমবার এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থেমে গিয়েছিল, যখন সপ্তাহান্তে শান্তি আলোচনার বিষয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার স্টক সূচকগুলো রেকর্ড উচ্চতে পৌঁছায়, আর জন টার্নাসকে পরবর্তী সিইও হিসেবে ঘোষণা করার পর মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শেষদিকে অ্যাপলের শেয়ারের দরপতন ঘটে। বৈশ্বিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দর 0.7% কমে ব্যারেল প্রতি $94.81-এ নেমে এসেছে, কারণ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে কূটনৈতিক অগ্রগতির প্রত্যাশায় মার্কেটে ইতিবাচক প্রবণতা বিরাজ করছে। ট্রেজারি বন্ড ও মার্কিন ডলার সূচক বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপরিবর্তিত ছিল। আজ পুরো বিশ্ব পাকিস্তানের দিকে নজর রাখছে, যেখানে পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে এবং ইসলামাবাদে পুনরায় আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাব্যতা এখন উত্তেজনা প্রশমনে মূল বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সেখানে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনা থেকে স্পষ্ট কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি, ফলে অনিশ্চয়তা ও পুনরায় সংঘাত সৃষ্টির আশংকা বেড়েছে। এই ধরনের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের মধ্যে মার্কিন ডলারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে এবং গত তিন সপ্তাহে এটির মূল্য হ্রাস পেয়েছে। এক্ষেত্রে কয়েকটি ইক্যুইটি সূচকে সংঘাতের প্রভাবে সৃষ্ট দরপতন পুনরুদ্ধার হতে শুরু হয়েছে। এইরূপ পরিস্থিতি ইঙ্গিত দেয় যে ট্রেডাররা এখন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা কমবে বলে ধরে নিয়েই পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে শুরু করেছে। হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে সৃষ্ট ঝুঁকি কমার ফলে তেলের মূল্য কমলে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ইতিবাচক হয়, যা ইক্যুইটির মার্কেটের পক্ষে ইতিবাচক।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1279727738.jpg[/IMG]
পাকিস্তানে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার ফলাফল সম্ভবত ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটগুলোতে সরাসরি এবং সিদ্ধান্তমূলক প্রভাব ফেলবে। কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে বা অন্তত গঠনমূলক সংলাপের সম্ভাবনা দেখা গেলে ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর দর আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, মার্কিন ডলারের দরপতন হতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের পুনরুদ্ধার সমর্থন পাবে। বিপরীতভাবে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে মার্কেটে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে, জ্বালানির মূল্য বাড়াবে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে পুনরায় উদ্বেগ বাড়বে। অন্যদিকে, স্বর্ণের দর প্রায় 0.6% হ্রাস পেয়ে আউন্স প্রতি প্রায় $4,800-এ নেমে এসেছে। রূপার দর প্রায় 1% কমে আউন্স প্রতি প্রায় $78.90-এ নেমে এসেছে, আর বিটকয়েনের মূল্য প্রায় $75,750-এ ফিরে এসেছে। S&P 500‑এর টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, আজ ক্রেতাদের প্রধান কাজ সূচকটির মূল্যের নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স $7,125 অতিক্রম করানো। এতে সূচকটির মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হতে পারে এবং $7,138‑এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে। ক্রেতাদের জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে সূচকটির দর $7,156-এর উপরে বজায় রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাসের ফলে যদি নিম্নমুখী মুভমেন্ট দেখা যায়, তাহলে সূচকটির দর $7,106-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। ওই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে দ্রুত ইনস্ট্রুমেন্টটির মূল্য $7,087-এ নেমে যেতে পারে এবং এর ফলে $7,066‑এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/443929
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২৩ এপ্রিল: শান্তি আলোচনা স্থগিত হওয়ার পরে S&P 500 ও নাসডাক সূচকে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে
গতকাল মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছিল। S&P 500 সূচক 1.05% বৃদ্ধি পেয়েছে, আর নাসডাক 100 সূচক 1.64% বৃদ্ধি পেয়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ 0.69% বৃদ্ধি পেয়েছে। তবু বর্তমানে স্টক সূচকের ফিউচারগুলো তীব্রভাবে নিম্নমুখী হচ্ছে। ইসলামাবাদের মার্কিন–ইরান শান্তি আলোচনা না হওয়ায় উত্তেজনা প্রশমনের প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না, যার ফলে এইরূপ পরিস্থিতি দেখা যাছচে। এই প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের মূল রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার কারণে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ছে। এদিকে ইরান বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করেছে, যা মার্কেটে নেতিবাচক প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিটের রেকর্ড ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর, যা আশাবাদ ও ইতিবাচক প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছিল, ভূ-রাজনীতির হঠাৎ অবনতি ও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে নতুন করে অনিশ্চয়তা শুরু হয়েছে। MSCI এশিয়া প্যাসিফিক ইক্যুইটি ইনডেক্স 0.6% হ্রাস পেয়েছে, যেখানে দর বৃদ্ধি পাওয়া স্টকের তুলনায় দরপতনের শিকার স্টকের সংখ্যা আনুমানিক তিন গুণ বেশি ছিল, কারণ জ্বালানি তেলের দর বৃদ্ধির ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর ইতিবাচক ফলাফলের প্রভাবে স্টক সূচকগুলো রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর S&P 500 ও প্রযুক্তিভিত্তিক নাসডাক 100 সূচক ফিউচার্স প্রায় 0.5% দরপতনের শিকার হয়েছে। ইউরোপীয় স্টক সূচকগুলো সেশন শুরু পর আনুমানিক 1% দরপতনের সম্মুখীন হয়েছে। ব্রেন্ড ক্রুডের দর 1.1% বেড়েছে এবং ব্যারেল প্রতি $103-এ পৌঁছে, টানা চারদিন জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে; কারণ মার্কিন–ইরান আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় তেলের উচ্চমাত্রার সরবরাহ ঝুঁকি বিরাজ করছে। চলতি বছরের শুরু থেকে ব্রেন্ট ক্রুডের দর প্রায় 70% বেড়েছে, যার বেশিরভাগ ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত শুরু হওয়ার পরেই হয়েছে। জ্বালানি তেলের মূল্য বেড়ে মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ বাড়ায় বন্ডগুলোর দরপতন হয়েছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হবে, তবুও প্রায় দুই মাস ধরে চলা সংঘাত সমাধানে আলোচনায় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা সতর্ক রয়েছেন। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে ও তেলের উচ্চ মূল্য বজায় থাকলে বিশ্ব অর্থনীতির উপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ঝুঁকি বাড়বে। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বজায় রয়েছে কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নতুন করে আলোচনায় বসতে ব্যর্থ হয়েছে এবং উভয় পক্ষই হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে সীমাবদ্ধতা অব্যাহত রেখেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আটককৃত দুইটি জাহাজ এমএসসি ফ্রান্সেসকা ও এপামিনোডাসকে আজ ইরানী নৌবাহিনী দেশটির বন্দরে নিয়ে গেছে, যা হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে ইরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার নতুন প্রচেষ্ঠা নির্দেশ করে।
অন্যদিকে স্বর্ণ প্রায় 0.8% দরপতনের শিকার হয়ে আউন্স প্রতি প্রায় $4,700-এ নেমে গেছে। রূপার দর প্রায় 2% হ্রাস পেয়ে আউন্স প্রতি প্রায় $76.15-এ নেমেছে, এবং বিটকয়েনের মূল্য প্রায় $77,800-এ নেমে এসেছে। S&P 500‑এর টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, আজ ক্রেতাদের সূচকটির মূল্যের নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স $7,125 অতিক্রম করাতে হবে। এতে সূচকটির মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হবে এবং $7,138 পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা প্রশস্ত হতে পারে। ক্রেতাদের জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে সূচকটির দর $7,156-এর ওপরে বজায় রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে দৃঢ় করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা কম থাকায় যদি নিম্নমুখী মুভমেন্ট দেখা যায়, তাহলে সূচকটির দর $7,106-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। ওই লেভেল ব্রেক করলে সম্ভবত ইনস্ট্রুমেন্টটির মূল্য $7,087-এ ফিরে যাবে এবং এর ফলে $7,066‑এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/444137
-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1389756544.jpg[/IMG]
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট: S&P 500 ও নাসডাক সূচকে সামান্য দরপতন
গতকাল মার্কিন ইক্যুইটি সূচকগুলোতে সামান্য দরপতনের সাথে লেনদেন শেষ করেছে। S&P 500 সূচক 0.38% হ্রাস পেয়েছে, নাসডাক 100 সূচক 0.13% হ্রাস পেয়েছে, এবং ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ 0.63% হ্রাস পেয়েছে। চলতি সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে বিশ্বব্যাপী ইক্যুইটি সূচকগুলো দরপতনের সম্মুখীন হয়েছে, আর এদিকে জ্বালানি তেলের দাম আবার বৃদ্ধি পাচ্ছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দ্রুত যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। হরমুজ প্রণালীয়ে সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক ইক্যুইটি সূচক MSCI অল কান্ট্রি ওয়ার্ল্ড ইনডেক্স 0.3% হ্রাস পেয়েছে। 10-বছর মেয়াদী ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশ 4.39%-এ স্থির ছিল, যা চলতি সপ্তাহে দুই বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে। প্রতিবেদনে জানা গেছে যে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারের উপর আক্রমণের প্রতিশোধস্বরূপ দেশটির সামরিক বাহিনী ইরানের উপর হামলা চালিয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সংঘাতের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তবে চলতি সপ্তাহের আরও একটি ঘটনার মতো এটিও বড় কোনো তীব্র সংঘাতে রূপ নেয়নি। এশিয়ার সূচকগুলো রেকর্ড লেভেল থেকে 1.1% পতন সত্ত্বেও, S&P 500 সূচকের ফিউচারে আজ প্রায় 0.2% ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা বুলিশ প্রবণতার কিছুটা স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়। ব্রেন্ট ক্রুডের দর প্রায় 1% বেড়ে এবং ব্যারেল প্রতি প্রায় $101-এ পৌঁছছে। ট্রেডাররা উদ্বিগ্ন যে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘসময় বন্ধ থাকলে, যার মাধ্যমে বিশ্ব প্রায় 20% তেল পরিবহন করা হয়, সরবরাহ বিঘ্নতার ঝুঁকি বজায় থাকবে। তবু তেলের মূল্য চলতি সপ্তাহে 6%-এর বেশি কমে আছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপনের সম্ভাবনা থেকেই শুরু হওয়া প্রাথমিক আশাবাদকে প্রতিফলিত করে। গতকাল এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে যদি ইরান বর্তমান চুক্তি স্বাক্ষর না করে তাহলে ভবিষ্যতে দেশটির উপর "কঠোর" হামলা চালানো হবে, একই সময়ে তিনি বর্তমান সামরিক অভিযানকে "লাভ ট্যাপ বা ভালোবাসার পরশ" হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং বলেছেন যুদ্ধবিরতি "কার্যকরভাবে বজায়" আছে। সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী সৌদি আরব ও কুয়েত তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালনার ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে, যার ফলে ওয়াশিংটন সম্ভবত পুনরায় "প্রজেক্ট ফ্রিডম" পুনরায় চালু করার সুবিধা পেতে পারে—যার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজগুলো নিরাপদে অতিক্রম নিশ্চিত করা হত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ব্যাপক বিনিয়োগের প্রত্যাশার কারণে মার্কেটে সামগ্রিক ইতিবাচক প্রবণতা বজায় আছে। ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়লেও, বিনিয়োগকারীরা এআই খাতের উপর নজর রাখেছেন এবং আশা করছে যে উত্তেজনা শিথিল হলে জ্বালানি তেলের মূল্য স্থায়ীভাবে বাড়বে না। স্বর্ণের মূল্য সামান্য বেড়েছে এবং আউন্স প্রতি প্রায় $4,710-এ পৌঁছেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/900714071.jpg[/IMG]
S&P 500‑এর টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের মূল কাজ হলো সূচকটির রেজিস্ট্যান্স লেভেল $7,361 লেভেল অতিক্রম করানো। এটি করা গেলে সূচকটির উর্ধ্বমুখী প্রবণতা নিশ্চিত হবে এবং $7,381 পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। ক্রেতারা সূচকটির দর $7,404‑এর ওপরে বজায় রাখতে পারলে ক্রেতাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, সূচকটির দর $7,339 এরিয়ায় থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। ওই লেভেল ব্রেক করলে সূচকটির দর দ্রুত $7,319-এ নেমে যাবে এবং $7,300‑এর দিকে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/445510