-
নির্দিষ্ট চ্যানেলের মধ্যে বিটকয়েনের মূল্যের কনসোলিডেশন অব্যাহত রয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1377276180.jpg[/IMG]
নির্দিষ্ট চ্যানেলের মধ্যে বিটকয়েনের মূল্যের কনসোলিডেশন অব্যাহত থাকলেও ভবিষ্যতে এটির মূল্য বৃদ্ধির জন্য কিছু নির্দিষ্ট পূর্বশর্ত গঠিত হচ্ছে। গতকাল কমোডিটি ফিউচার্স ট্রেডিং কমিশনের চেয়ারম্যান মাইকেল সেলিগ বলেন যে ক্রিপ্টো মার্কেটের কাঠামোগত বিল স্বাক্ষরের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থান তুলে ধরে এবং দ্রুতই ক্ল্যারিটি বিলের পাশ হওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে সেলিগের এই মন্তব্য ক্রিপ্টো মার্কেটের উপর আইনি হস্তক্ষেপের যুগের সম্ভাব্য সমাপ্তির ইঙ্গিত হতে পারে, যা প্রায়শই অনিশ্চিত ছিল এবং মার্কেটের ট্রেডারদের অস্থির করে তুলেছিল। সেলিগ বলেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থানের কারণে তারা ক্ল্যারিটি বিল আইনে পরিণত করার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে এবং আইনি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ক্রিপ্টো খাত নিয়ন্ত্রণের যুগ শেষ হতে চলেছে — তিনি মুহূর্তটির গুরুত্ব জোর দিয়ে উল্লেখ করেছেন। তিনি বিশ্বের ক্রিপ্টো রাজধানী হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ধরে রাখার বিষয়ে আস্থা প্রকাশ করেছেন এবং সেই নেতৃত্ব ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তাও বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন। কমোডিটি ফিউচার্স ট্রেডিং কমিশনের চেয়ারম্যানের মতে, ক্ল্যারিটি বিলের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্রিপ্টো খাতের জন্য স্পষ্ট ও স্থিতিশীল নিয়মনীতি প্রতিষ্ঠা করা। সেলিগ বলেন যে কেবলমাত্র নিয়ন্ত্রণ করা নয়, বরং সেটিকে আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠা করা জরুরি যাতে প্রয়োগকৃত নিয়মগুলো ভবিষ্যতে বদল করার বা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার মতো পরিস্থিতি এড়ানো যায় — এতে মার্কেটে পরিচালিত কোম্পানিগুলোর জন্য পূর্বানুমানযোগ্য া সৃষ্টি হবে, আরও প্রবৃদ্ধি ও বিকাশের প্রতি সমর্থন পাওয়া যাবে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল এই খাতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃস্থানীয় অবস্থান শক্তিশালী হবে। সুযোগ্য সময়ে এই বিল পাশের বিষয়টি ঘোষণা করা হবে বলে এই কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1960432813.jpg[/IMG]
ট্রেডিংয়ের পরামর্শ বিটকয়েনের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতারা বর্তমানে এটির মূল্যকে $68,900-এ প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করছেন, যা সরাসরি $72,100-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করবে এবং এরপর বিটকয়েনের মূল্য $74,600 পর্যন্ত যেতে পারে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে প্রায় $77,300-এর লেভেল নির্ধারণ করা যায়। এই লেভেল ব্রেকআউট করে বিটকয়েনের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি মার্কেটে বুলিশ প্রবণতা পুনঃস্থাপনের প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হবে। বিটকয়েনের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে মূল্য $65,600-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ওই এরিয়ার নিচে নেমে গেলে বিটকয়েনের মূল্য দ্রুত $62,600-এর দিকে ধাবিত হতে পারে, এবং পরবর্তীতে প্রায় $60,100 পর্যন্ত দরপতন হতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1368759987.jpg[/IMG]
ইথেরিয়ামের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, $1,998-এর উপরে স্পষ্টভাবে কনসোলিডেশন হলে সেটি সরাসরি $2,078-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করে দেবে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে প্রায় $2,169-এর লেভেল নির্ধারণ করা যায়। ইথেরিয়ামের মূল্য ওই লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি মার্কেটে বুলিশ প্রবণতাকে শক্তিশালী করবে এবং ক্রেতাদের আগ্রহ পুনরুজ্জীবিত হবে। যদি ইথারের দরপতন হয়, তাহলে এটির মূল্য $1,907-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে; ওই জোনের নিচে নেমে গেলে ইথেরিয়ামের মূল্য দ্রুত প্রায় $1,819-এ নেমে যেতে পারে, এবং পরবর্তীতে আরও নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে প্রায় $1,724-এ দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। চার্টে যা যা দেখা যাচ্ছে: লাল লাইন সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল নির্দেশ করে, যেখানে মূল্যের মুভমেন্ট থেমে যেতে পারে অথবা সক্রিয় মুভমেন্ট শুরু হতে পারে; সবুজ লাইন ৫০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে; নীল লাইন ১০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে; হালকা সবুজ লাইন ২০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে। সাধারণত, অ্যাসেটের মূল্য এই মুভিং অ্যাভারেজগুলো অতিক্রম করলে বা পৌঁছালে মার্কেটের বর্তমান মোমেন্টাম থেমে যেতে পারে অথবা নতুন প্রবণতার সূচনা হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3OpPUdF
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২০ ফেব্রুয়ারি
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1209046063.jpg[/IMG]
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1790-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করেছে। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। গতকাল মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরোর দরপতন অব্যাহত রেখেছিল, যা বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত প্রাথমিক জবলেস ক্লেইমস সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচন ফলাফলের কারণে হয়েছে। আজ ইউরোজোনে ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক প্রকাশিত হবে। উৎপাদন ও সেবা খাতের PMI সূচকগুলোর ফলাফল দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। S&P Global কর্তৃক গণনাকৃত PMI সূচকগুলোর ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে কাজ করে, যা বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করতে সহায়তা করে। উৎপাদন খাতের সূচকগুলোর স্থায়ী বৃদ্ধি সাধারণত উৎপাদন বৃদ্ধি, অর্ডারের বৃদ্ধি এবং ফলস্বরূপ নিয়োগের সম্ভাব্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে। অনুরূপভাবে সেবা খাতের সূচকে ইতিবাচক গতিশীলতা ভোক্তা চাহিদা বৃদ্ধি এবং সেবা খাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সম্প্রসারণ নির্দেশ করে, যা অর্থনীতির একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান। ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে তা ইউরোর গতকালকের দরপতনের পর কারেকশন করতে সহায়তা করবে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের উপর বেশি গুরুত্ব দেব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1132745907.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1791-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1762-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1791-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1747-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1762 এবং 1.1791-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1747-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1718-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ার চাপের সম্মুখীন হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1762-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1747 এবং 1.1718-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/3ZMucD7
-
২৩ ফেব্রুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1491319209.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার GBP/USD পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে তা নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তির জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। আমরা ধারণা করছি মার্কেটের ট্রেডাররা ব্রিটিশ প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল এবং মার্কিন প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফলের প্রতি খুব দুর্বলভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। উল্লেখ্য যে শুক্রবার ব্রিটেনে প্রকাশিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও খুচরা বিক্রয় সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল যথেষ্ট ইতিবাচক ছিল, তবে মার্কিন জিডিপি প্রতিবেদনের ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল ছিল। এছাড়া সন্ধ্যায় ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় উপেক্ষা করে এবং বাতিলকৃত সমস্ত বাণিজ্য শুল্ক দ্রুত পুনর্বহাল করেন। তাই, যদি কোনো ট্রেডার বাণিজ্য যুদ্ধ সমাপ্তি প্রত্যাশায় ডলার কিনে থাকেন, তা বৃথা গিয়েছে। আমাদের দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী মার্কিন মুদ্রার প্রেক্ষাপট দিনে দিনে আরো খারাপ হচ্ছে। গতকাল জানা গিয়েছে যে বৈশ্বিক কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোতে মার্কিন ডলারের রিজার্ভের স্তর সর্বশেষ 20 বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1712630669.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। প্রথম সিগন্যালটি ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় তৈরি হয় যখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3437-1.3446 এরিয়া থেকে দুইবার বাউন্স করে। এর পরে এই পেয়ারের মূল্য দ্রুত 1.3484-1.3489 এরিয়ায় পৌঁছায়। ওই এরিয়া থেকে সংঘটিত পরপর দুটো বাউন্স একটি অপরটির অনুরূপ হলেও তা ভুল সিগন্যাল বলে প্রমাণিত হয়। এর পর একই এরিয়ার আশেপাশে বেশ কয়েকটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়, এবং গতকাল রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.3529 লেভেলে পৌঁছায়। সুতরাং সবগুলো লং পজিশন লাভজনক ছিল।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। মধ্যমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি দেখা যাচ্ছে না, ফলে আমরা আশা করছি যে ২০২৫ থেকে চলমান বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকবে, যা এই পেয়ারের মূল্যকে অন্তত 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্রিটিশ মুদ্রার সার্বিক পরিস্থিতি বিশেষভাবে অনুকূল ছিল না, এবং এই কারণেই অপ্রত্যাশিতভাবে পাউন্ডের দরপতন হচ্ছে। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়া অতিক্রম করে ঊর্ধ্বমুখী হয় তাহলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3643-1.3652-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3484-1.3489-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, 1.3741-1.3751, 1.3814-1.3832, 1.3891-1.3912, 1.3975। সোমবার যুক্তরাজ্য বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, তবে আমাদের মতে গত সপ্তাহের ঘটনাগুলোই ডলারের আরও দরপতন অব্যাহত রাখার জন্য যথেষ্ট।
Read more: https://ifxpr.com/4rv4KOy
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৪ ফেব্রুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1738644122.jpg[/IMG]
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1793-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করেছিল। 1.1807-এর লেভেলের টেস্টের ক্ষেত্রেও অনুরূপ পরিস্থিতি দেখা গেছে। ওয়াশিংটনের অবস্থান ও নতুন করে 10% শুল্ক আরোপ করা হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের ভবিষ্যৎ শুল্ক নীতি নিয়ে মার্কেটে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। বাণিজ্য সম্পর্ক ও অন্যান্য দেশের সম্ভাব্য পাল্টা পদক্ষেপ সম্পর্কিত অস্পষ্টতাই বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ অ্যাসেটে বিনিয়োগ করতে প্ররোচিত করেছে। 15% পর্যন্ত শুল্ক বাড়ানোর ঝুঁকি এবং স্পষ্ট ও সঙ্গতিপূর্ণ বাণিজ্য কৌশলের অনুপস্থিতি বৈশ্বিক বাণিজ্যের পথে বাধা সৃষ্টি করছে এবং সম্ভাব্যভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকেই হুমকির মুখে ফেলতে পারে। ফলস্বরূপ, এর প্রভাবে সরাসরি মার্কিন অর্থনীতিও নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোন থেকে কোনো উল্লেখযোগ্য সামষ্টিক পরিসংখ্যান প্রকাশিত হবে না, সুতরাং ইউরোর মূল্যের সামান্য বৃদ্ধির সুযোগ থাকতে পারে। ইউরোজোনে সর্বশেষ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের অনুপস্থিতি মার্কেটে একটি শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, যার অন্য কারণসমূহ মার্কেটে সাময়িকভাবে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এমন অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে—যেখা ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে বা বিপরীতে বিশেষ কোনো আশাব্যঞ্জক সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না—কারেন্সিগুলোর মূল্য প্রায়শই পূর্ববর্তী মুভমেন্ট প্রতিফলিত করে বা বিশ্ববাজারের সার্বিক পরিস্থিতি দ্বারা প্রভাবিত হয়। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/267177870.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1804-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1787-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1804-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1771-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1787 এবং 1.1804-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1771-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1753-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1787-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1771 এবং 1.1753-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4kT7d2P
-
২৫ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1937837496.jpg[/IMG]
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি, এবং দিনের মধ্যে মোট মাত্র 30 পিপসের ওঠানামা পরিলক্ষিত হয়েছে। অতএব খুব বেশি বিশ্লেষণের কিছু নেই। সারাদিন জুড়ে ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত ছিল না বা কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, এবং মার্কেটের ট্রেডাররা দ্রুতই ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত নতুন বাণিজ্য শুল্কের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। গত শুক্রবার থেকে বৈশ্বিক বাণিজ্যিক খাতের পরিস্থিতির খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। শুল্কগুলো বাস্তবিক অর্থে প্রায় সকল দেশের উপরই প্রযোজ্য আছে, কেবল পার্থক্য এই যে এখন সব দেশের উপর 15% শুল্ক হার বজায় রয়েছে। সুতরাং মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের ফলে কেউ লাভবান হয়েছে, আবার কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; তবু সিদ্ধান্তটি বাস্তবিক অর্থে পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন ঘটায়নি। আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে গত দুই সপ্তাহেও মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য মার্কেটে সীমিত কারণ বজায় ছিল, এবং এখন তা আরও কম রয়েছে। ট্রেডাররা সম্ভবত মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক সংঘর্ষ বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দে আটকে আছে, যা মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি সহায়তা করেছে। কিন্তু ট্রেডাররা অনির্দিষ্টকাল ধরে এই বিষয়টির উপর নির্ভর করতে পারবেন না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1522363596.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট মঙ্গলবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। অতএব সারাদিন জুড়ে নতুন ট্রেডারদের কাছে কোনো পজিশন ওপেন করার জন্য দৃঢ় কোনো কারণ ছিল না। ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য দ্বিতীয়বারের মতো ডিসেন্ডিং চ্যানেল অতিক্রম করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই এখনও উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করার সুযোগ আছে।
বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশনের সমাপ্তি ঘটেছে, কারণ এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং চ্যানেলের উপরে কনসোলিডেশন করেছে; তবে এখনও কোনো দৃশ্যমান মূল্য বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হচ্ছে না। 2026 সালের শুরু থেকে পুনরায় একটি দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা নতুন করে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনও মার্কিন ডলারের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং, তাই আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। বুধবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1745-1.1754 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেট করলে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ থাকবে, যেখানে মূল্যের 1.1899-1.1908 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। বুধবার ইউরোজোনে কয়েকটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে জার্মানিতে ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপির তৃতীয় অনুমান, জানুয়ারির মুদ্রাস্ফীতির দ্বিতীয় অনুমান এবং দেশটির ভোক্তা আস্থা সূচক প্রকাশ করা হবে। এই তিনটি প্রতিবেদনের প্রভাবে মার্কেটে উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
Read more: https://ifxpr.com/3OycWPD
-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/908366267.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস
আজ EUR/USD পেয়ারের মূল্য পুনরায় সাইকোলজিক্যাল লেভেল 1.1800 ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার চেষ্টা করেছে, এবং সোমবারের দরপতন সামান্য পুনরুদ্ধার করেছে। দিনের বেলা মার্কেটে মূলত নতুন করে মার্কিন ডলার বিক্রির প্রবণতা শুরু হওয়ায় এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যে চাপের মুখে রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত শুল্ক স্থগিতের রায় দেওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, কার্যত তার বাণিজ্য কৌশল যে আগের মতোই রয়েছে সেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্টেট অব দ্য ইউনিয়নে এক ভাষণে ট্রাম্প বলেছেন যে ধারা 122-এর অধীনে হোয়াইট হাউস 150 দিনের জন্য 10% অস্থায়ী শুল্ক প্রবর্তন করেছে এবং মার্কিন প্রশাসন এই শুল্ক হার বাড়িয়ে 15% করার চেষ্টা করছে। এর ফলে অন্যান্য দেশগুলোর থেকে পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণের সম্ভাবনা ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্নতার ফলে নেতিবাচক অর্থনৈতিক পরিণতি সম্পর্কে উদ্বেগ বাড়ছে। এসব বিষয় মার্কিন ডলারের উপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং এর ফলে EUR/USD পেয়ারের মূল্য সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে, ফেডের কঠোর অবস্থানের কারণে মার্কিন ডলারের মূল্যের যে বুলিশ প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছিল তা এখন স্তিমিত হয়ে পড়েছে। ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির জানুয়ারির বৈঠকের কার্যবিবরণীতে দেখা গেছে যে ফেডের কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করেন পুনরায় মুদ্রাস্ফীতির হ্রাসের স্পষ্ট প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করা উচিত হবে না। উপরন্তু, মঙ্গলবার বস্টন ফেডের প্রেসিডেন্ট সুসান কলিন্স উল্লেখ করেছেন যে "বেশ কিছুদিন পর্যন্ত" সুদের হার বর্তমান স্তরে ধরে রাখা উপযুক্ত হবে। অন্যদিকে রিচমন্ড ফেডের প্রেসিডেন্ট টমাস বার্কিন জোর দিয়ে বলেছেন যে বর্তমান অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির ঝুঁকি পরিচালনার জন্য মুদ্রানীতির রূপরেখাটি বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, সোমবার ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে বলেছেন যে ইউরোজোনে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির হার ও মুদ্রানীতি গ্রহণযোগ্য অবস্থায় রয়েছে। লাগার্ডে পূর্ববর্তী অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন যে নিকট ভবিষ্যতে মুদ্রানীতির কোনো পরিবর্তনের আশা করা যাচ্ছে না, যা ইউরো ও EUR/USD পেয়ারকে বাড়তি সমর্থন দিচ্ছে। একই দিনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি সম্পর্কিত একটি ভোটের সময় পেছানো হবে। এটি ট্রেডারদের আগ্রাসীভাবে EUR/USD-এর বুলিশ পজিশন ওপেন করা থেকে বিরত রাখছে, ফলে এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাও সীমিত হচ্ছে। ট্রেডিংয়ের কার্যকর সুযোগের জন্য ইউরোজোনের চূড়ান্ত ভোক্তা মূল্য সূচকের ফলাফল দিকে দৃষ্টি দেওয়া উচিত। পরবর্তীতে, মার্কিন সেশনে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যবেক্ষণ করা উচিত হবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/73959423.jpg[/IMG]
তবুও, উপরোক্ত মিশ্র মৌলিক পটভূমিতে আক্রমণাত্মকভাবে পজিশন ওপেন করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। টেকনিক্যাল দিক থেকে, রিলেটিভ স্ট্রেন্থ ইনডেক্স নেগেটিভ জোনে রয়ে গেছে, যা বুলিশ প্রবণতা দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। যদি এই পেয়ারের মূল্য 50-দিনের SMA-এর ওপর অবস্থান ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়, তাহলে পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হিসেবে ফেব্রুয়ারির সর্বনিম্ন লেভেল প্রায় 1.1740 নির্ধারণ করা যায়। ওই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে 1.1700-এর সাইকোলজিক্যাল লেভেলের দিকে দরপতন ত্বরান্বিত হতে পারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1800 লেভেল অতিক্রম করে 20-দিনের SMA-তে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তাহলে বুলিশ প্রবণতা আবার শুরু হতে পারে। এছাড়া উল্লেখযোগ্য যে 200-দিনের SMA উপরের দিকে স্লোপ আছে, যা ইঙ্গিত করে এই পেয়ারের মূল্যের এখনও বুলিশ প্রবণতাই বিরাজ করছে। নিচের টেবিলে আজ প্রধান বৈশ্বিক কারেন্সিগুলোর বিপরীতে মার্কিন ডলারের দরের শতকরা পরিবর্তন দেখানো হয়েছে, যেখানে জাপানি ইয়েনের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4tVjtUH
-
স্বর্ণের চাহিদা আবারও বাড়ছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/90154434.jpg[/IMG]
মার্কিন বাণিজ্য নীতিসংক্রান্ত অনিশ্চয়তা মার্কেটে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করায় এবং মার্কিন ডলারের দুর্বল হওয়ায় আজ স্বর্ণের মূল্য বেড়েছে। এশীয় ট্রেডিং সেশনে স্বর্ণের মূল্য 1.4% বৃদ্ধি পেয়ে আউন্স প্রতি $5,180-এর কাছাকাছি পৌঁছায়। গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে তিনি পূর্বে আরোপিত শুল্ক বজায় রাখতে আবারও 15% শুল্ক আরোপ করবেন। উল্লেখ্য যে এর একদিন আগে সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা দেয় যে জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করে ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত শুল্ক বাতিল করা হচ্ছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, যারা বাণিজ্যযুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি ও তার বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে চিন্তিত। ঐতিহ্যগতভাবে স্বর্ণকে একটি নিরাপদ বিনিয়োগস্থল হিসেবে দেখা হয়, এবং এই পরিস্থিতি স্বর্ণের পক্ষে কাজ করেছে—বিনিয়োগকা ীরা তাদের বিনিয়োগ নিরাপদ অ্যাসেটে রাখতে চাচ্ছেন। ডলারের দুর্বলতাও স্বর্ণকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে, বিশেষ করে যারা অন্যান্য কারেন্সি হোল্ড করে রেখেছেন। স্বর্ণের মূল্যের ভবিষ্যৎ মুভমেন্ট মূলত মার্কিন বাণিজ্য নীতি সংক্রান্ত পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে। যদি এ নিয়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকে, স্বর্ণের দর সম্ভবত আরও বাড়বে; তবে যদি এ বিষয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছান যায়, তখন স্বর্ণের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন দেখা যেতে পারে।সুপ্রিম কোর্টের এ রায়ের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিসমূহ সম্পর্কে অনিশ্চয়তা বেড়েছে এবং মার্কেটেও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে—ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বাণিজ্য কমিটির প্রধান বলেছেন যে যতক্ষণ না এ ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা না পাওয়া যায় ততদিন পর্যন্ত তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি স্থগিত করার প্রস্তাব দেবেন , এবং ভারতীয় কর্মকর্তরাও যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন। জাপানের শাসক দলীয় এক সদস্য পরিস্থিতিকে "বাস্তবিক অর্থে বিশৃঙ্খল" হিসেবে বর্ণনা করেছেন। উল্লেখ্য যে চলতি মাসের শুরুতে পরিলক্ষিত হঠাৎ দরপতন থেকে পুনরুদ্ধারে স্বর্ণের এই মূল্যবৃদ্ধি সাহায্য করেছে—তখন স্বর্ণের মূল্য ঐতিহাসিক সর্বোচ্চ স্তর থেকে নিম্নমুখী হয়েছিল। স্বর্ণের মূল্য মূলত এই কারণে বৃদ্ধি পাচ্ছে যে বেশ কয়েকটি দীর্ঘমেয়াদি সুবিধাজনক প্রভাবক অপরিবর্তিত রয়েছে—উদাহরণস্ব ূপ ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সরকারী বন্ড ও কারেন্সি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্ক মনোভাব বিরাজ করছে।হেজ ফান্ডগুলোর পজিশন হ্রাসের মধ্যে স্বর্ণের মূল্যের আরও উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা নির্দেশিত হচ্ছে। কমোডিটি ফিউচার্স ট্রেডিং কমিশনের তথ্য মতে স্বর্ণের ফিউচারসে নেট লং পজিশন প্রায় এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে এখনও উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে—ট্রেডাররা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান টানাপোড়েনের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন। যদিও দেশ দুটি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে, তবে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলটিতে বিশাল সামরিক শক্তি কেন্দ্রীভূত করেছে, যা সামরিক হামলা বা ব্যাপক সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/695906558.jpg[/IMG]
স্বর্ণের বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র: ক্রেতাদের স্বর্ণের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স $5,223 ব্রেক করাতে হবে। এই লেভেল ব্রেক করা হলে স্বর্ণের মূল্যের $5,317-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাবে; যা অতিক্রম করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে স্বর্ণের মূল্যের প্রায় $5,416-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। অন্যদিকে, যদি স্বর্ণের দরপতন ঘটে তাহলে মূল্য $5,137-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে স্বর্ণের মূল্য এই রেঞ্জ ব্রেকআউট করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের জন্য গুরুতর আঘাত হবে এবং স্বর্ণের মূল্য $5,051 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, পরবর্তীতে $4,975 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/47c0uve
-
২ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/449681018.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য মূলত সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রদর্শন করে, সেইসাথে মূল্যের অস্থিরতার মাত্রাও অত্যন্ত কম ছিল। এমনকি ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমেও এটি স্পষ্ট যে গত সপ্তাহজুড়ে এই পেয়ারের মূল্য 1.1754 ও 1.1837-এর মধ্যে ওঠানামা করেছে। ফলে একটি সাইডওয়েজ চ্যানেল গঠিত হয়েছে, এবং গত উইকেন্ডে সংঘটিত ঘটনাগুলোও এই পেয়ারের মূল্যকে সেখান থেকে বেরোতে সাহায্য করেনি। মনে রাখবেন যে শনিবার ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পূর্ণমাত্রার সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছিল, যেখানে এখন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য কয়েকটি দেশও জড়িয়ে পড়েছে। সামগ্রিকভাবে সোমবার মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেত—কারণ ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির ফলে নিরাপদ বিনিয়োগস্থল হিসেবে সাধারণত মার্কিন ডলারের চাহিদা বাড়ে। তবুও মার্কেটে আবারও দুর্বল প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে, ঠিক আগের সোমবারের মতোই, যখন ট্রেডারদের ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত নতুন শুল্কের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়েছিল। মার্কিন ডলারের দর 60 পিপস বেড়েছিল, কিন্তু সকালে এই বৃদ্ধির অর্ধেকই দরপতন হয়েছিল। তাই এটি বলা যায় না যে বৈশ্বিক রাজনৈতিক মানচিত্রে নতুন যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার খবর মার্কেটের ট্রেডারদের জন্য চমকপ্রদ ছিল।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1528030121.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। এই পেয়ারের মূল্য দুইবার 1.1830-1.1837 এরিয়ার কাছাকাছি পৌঁছানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সন্ধ্যার শেষ মুহূর্তে মূল্য সেখানে পৌঁছেছিল, যখন উইকেন্ডের জন্য মার্কেট বন্ধ হওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছিল। এমনকি যদি সিগন্যাল গঠিত হতো, তারপরও সেগুলো ট্রেড করার মতো যথেষ্ট কার্যকর হত না।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশনের সমাপ্তি ঘটেছে, কারণ এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং চ্যানেলের উপরে কনসোলিডেশন করেছে। তবে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতার বদলে আমরা বর্তমানে একটি সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট দেখতে পাচ্ছি। 2026 সালের শুরু থেকে পুনরায় একটি দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনও মার্কিন ডলারের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং, তাই আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সোমবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 রেঞ্জের নিচে কনসোলিডেট করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন; যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে মূল্যের 1.1830-1.1837-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, and 1.2092-1.2104। সোমবার ইউরোজোনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হিসেবে ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে, আর যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে ফেব্রুয়ারির উৎপাদন খাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংক্রান্ত ISM প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ট্রেডারদের এই প্রতিবেদনটির ফলাফল ভালোভাবে বিশ্লেষণ করা উচিত। এবং অবশ্যই ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাগুলোর দিকে দৃষ্টিপাত করতে হবে।
Read more: https://ifxpr.com/4u41kEj
-
স্বর্ণের মূল্যের স্থিতিশীল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1424394190.jpg[/IMG]
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে স্বর্ণের মূল্য ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং টানা পঞ্চম দিনের মতো ঊর্ধ্বমুখী করছে, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে ও সেইসাথে নিরাপদ বিনিয়োগের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করছে। গতকাল স্বর্ণের মূল্য 1.1% বেড়ে প্রতি আউন্স $5,380 ছাড়িয়ে গিয়েছে, এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে আগের চার সেশনে মিলিতভাবে 3%-এরও বেশি প্রবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র যতদিন প্রয়োজন ততদিন সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে, একই সময়ে ইসরায়েল ইরানের কমান্ড সেন্টারগুলিতে আরেকদফা হামলার ঘোষণা দিয়েছে। তেহরান পাল্টা জবাব হিসেবে তেল ও গ্যাস অবকাঠামোতে আঘাত করেছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে নৌপরিবহন বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে; বর্তমানে জানা গেছে যে প্রণালীটি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। জ্বালানি মূল্যের তীব্র উত্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি উদ্বেগ বাড়িয়েছে, যা ট্রেজারি বন্ডের দরপতন ঘটাচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ট্রেডাররা কেবল সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একবার সুদের হার হ্রাসের সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করছে, যা পূর্বের প্রত্যাশার তুলনায় বেশ পিছিয়ে গেছে। উচ্চ সুদের হার স্বর্ণের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, কারণ এটি কোনো সুদ দেয় না, তবুও এটি মূল্য ধরে রাখার ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করার দিককে শক্তিশালী করতে পারে। সম্প্রতি সপ্তাহান্তে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার আগেই যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর সাপ্লাই ম্যানেজমেন্ট অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে উৎপাদন খাতের কাঁচামালের দাম 2022 সালের পর থেকে সর্বোচ্চ গতিতে বেড়েছে। জেপিমরগ্যান চেজ অ্যান্ড কোং সতর্ক করেছে যে মুদ্রাস্ফীতি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে, যা স্বর্ণের চাহিদা বাড়িয়ে দিচ্ছে। উল্লেখযোগ্য যে চলতি বছরে স্বর্ণের মূল্য প্রায় এক চতুর্থাংশ বেড়েছে, যা ভূ-রাজনৈতিক ও বাণিজ্য খাতকে ঘিরে উত্তেজনা এবং ফেডের স্বাধীনতা সম্পর্কে উদ্বেগের কারণে ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে এই বছরের জানুয়ারির রেকর্ড সর্বোচ্চ লেভেল আউন্স প্রতি $5,595-এ পৌঁছানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে স্বর্ণের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কিছুটা স্তিমিত হতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/326828203.jpg[/IMG]
বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী ক্রেতাদের স্বর্ণের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্টেন্স $5,317 অতিক্রম করাতে হবে। এটি স্বর্ণের মূল্যের $5,416-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে সহায়তা করবে; যা অতিক্রম করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে $5,526 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি স্বর্ণের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য $5,223-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ নেবার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে এই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশন লিকুইডেশনের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং স্বর্ণের মূল্য $5,137 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, এমনকি $5,051-এ দরপতনের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4aLhnPN
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৪ মার্চ।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1754021662.jpg[/IMG]
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1592-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.1540-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নেমে গিয়েছিল। ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ফলে কারেন্সি মার্কেটে লক্ষণীয় ওঠানামা সৃষ্টি হয়েছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর দ্রুত মূল্য হ্রাস ঘটিয়েছে। এর ফলে সৃষ্ট ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা আরও গভীর করেছে এবং বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ বিনিয়োগের সন্ধানে বাধ্য করেছে। বিনিয়োগকারীদের মনোভাবের এই পরিবর্তন কেবল ভূ-রাজনৈতিক সংকটের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াই নয়, বরং উচ্চ অনিশ্চয়তার সময়ে মার্কিন ডলারের মূল্যের ধারাবাহিক বৃদ্ধির স্থায়ী প্রবণতাকেও প্রতিফলিত করে। অনেক ট্রেডার উদ্বিগ্ন যে এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করবে। আজ ইউরোজোনে প্রকাশিতব্য সার্ভিস সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচকের দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে। এই সূচক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে কাজ করে, যা বৃহত্তম খাতগুলোর একটির কার্যক্রমের স্তর প্রদর্শন করে। পাশাপাশি নির্মাণ ও পরিষেবা উভয় খাতের তথ্য সংযোজিত করে কম্পোজিট PMI সূচকও প্রকাশিত হবে। অতিরিক্তভাবে ইউরোজোনের উৎপাদক মূল্য সূচক—যা ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস হিসেবে বিবেচিত হয়—এবং বেকারত্ব হার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এসব সূচকের নেতিবাচক ফলাফল দ্রুত ইউরোর উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
[IMG][/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1679-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1618-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1679-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ মুদ্রাস্ফীতির হার তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1584-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1618 এবং 1.1679-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1584-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1540-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো মুহূর্তে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1618-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1584 এবং 1.1540-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
https://ifxpr.com/4rjViwU