-
নির্দিষ্ট চ্যানেলের মধ্যে বিটকয়েনের মূল্যের কনসোলিডেশন অব্যাহত রয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1377276180.jpg[/IMG]
নির্দিষ্ট চ্যানেলের মধ্যে বিটকয়েনের মূল্যের কনসোলিডেশন অব্যাহত থাকলেও ভবিষ্যতে এটির মূল্য বৃদ্ধির জন্য কিছু নির্দিষ্ট পূর্বশর্ত গঠিত হচ্ছে। গতকাল কমোডিটি ফিউচার্স ট্রেডিং কমিশনের চেয়ারম্যান মাইকেল সেলিগ বলেন যে ক্রিপ্টো মার্কেটের কাঠামোগত বিল স্বাক্ষরের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থান তুলে ধরে এবং দ্রুতই ক্ল্যারিটি বিলের পাশ হওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে সেলিগের এই মন্তব্য ক্রিপ্টো মার্কেটের উপর আইনি হস্তক্ষেপের যুগের সম্ভাব্য সমাপ্তির ইঙ্গিত হতে পারে, যা প্রায়শই অনিশ্চিত ছিল এবং মার্কেটের ট্রেডারদের অস্থির করে তুলেছিল। সেলিগ বলেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থানের কারণে তারা ক্ল্যারিটি বিল আইনে পরিণত করার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে এবং আইনি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ক্রিপ্টো খাত নিয়ন্ত্রণের যুগ শেষ হতে চলেছে — তিনি মুহূর্তটির গুরুত্ব জোর দিয়ে উল্লেখ করেছেন। তিনি বিশ্বের ক্রিপ্টো রাজধানী হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ধরে রাখার বিষয়ে আস্থা প্রকাশ করেছেন এবং সেই নেতৃত্ব ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তাও বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন। কমোডিটি ফিউচার্স ট্রেডিং কমিশনের চেয়ারম্যানের মতে, ক্ল্যারিটি বিলের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্রিপ্টো খাতের জন্য স্পষ্ট ও স্থিতিশীল নিয়মনীতি প্রতিষ্ঠা করা। সেলিগ বলেন যে কেবলমাত্র নিয়ন্ত্রণ করা নয়, বরং সেটিকে আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠা করা জরুরি যাতে প্রয়োগকৃত নিয়মগুলো ভবিষ্যতে বদল করার বা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার মতো পরিস্থিতি এড়ানো যায় — এতে মার্কেটে পরিচালিত কোম্পানিগুলোর জন্য পূর্বানুমানযোগ্য া সৃষ্টি হবে, আরও প্রবৃদ্ধি ও বিকাশের প্রতি সমর্থন পাওয়া যাবে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল এই খাতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃস্থানীয় অবস্থান শক্তিশালী হবে। সুযোগ্য সময়ে এই বিল পাশের বিষয়টি ঘোষণা করা হবে বলে এই কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1960432813.jpg[/IMG]
ট্রেডিংয়ের পরামর্শ বিটকয়েনের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতারা বর্তমানে এটির মূল্যকে $68,900-এ প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করছেন, যা সরাসরি $72,100-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করবে এবং এরপর বিটকয়েনের মূল্য $74,600 পর্যন্ত যেতে পারে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে প্রায় $77,300-এর লেভেল নির্ধারণ করা যায়। এই লেভেল ব্রেকআউট করে বিটকয়েনের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি মার্কেটে বুলিশ প্রবণতা পুনঃস্থাপনের প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হবে। বিটকয়েনের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে মূল্য $65,600-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ওই এরিয়ার নিচে নেমে গেলে বিটকয়েনের মূল্য দ্রুত $62,600-এর দিকে ধাবিত হতে পারে, এবং পরবর্তীতে প্রায় $60,100 পর্যন্ত দরপতন হতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1368759987.jpg[/IMG]
ইথেরিয়ামের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, $1,998-এর উপরে স্পষ্টভাবে কনসোলিডেশন হলে সেটি সরাসরি $2,078-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করে দেবে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে প্রায় $2,169-এর লেভেল নির্ধারণ করা যায়। ইথেরিয়ামের মূল্য ওই লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি মার্কেটে বুলিশ প্রবণতাকে শক্তিশালী করবে এবং ক্রেতাদের আগ্রহ পুনরুজ্জীবিত হবে। যদি ইথারের দরপতন হয়, তাহলে এটির মূল্য $1,907-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে; ওই জোনের নিচে নেমে গেলে ইথেরিয়ামের মূল্য দ্রুত প্রায় $1,819-এ নেমে যেতে পারে, এবং পরবর্তীতে আরও নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে প্রায় $1,724-এ দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। চার্টে যা যা দেখা যাচ্ছে: লাল লাইন সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল নির্দেশ করে, যেখানে মূল্যের মুভমেন্ট থেমে যেতে পারে অথবা সক্রিয় মুভমেন্ট শুরু হতে পারে; সবুজ লাইন ৫০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে; নীল লাইন ১০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে; হালকা সবুজ লাইন ২০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে। সাধারণত, অ্যাসেটের মূল্য এই মুভিং অ্যাভারেজগুলো অতিক্রম করলে বা পৌঁছালে মার্কেটের বর্তমান মোমেন্টাম থেমে যেতে পারে অথবা নতুন প্রবণতার সূচনা হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3OpPUdF
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২০ ফেব্রুয়ারি
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1209046063.jpg[/IMG]
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1790-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করেছে। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। গতকাল মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরোর দরপতন অব্যাহত রেখেছিল, যা বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত প্রাথমিক জবলেস ক্লেইমস সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচন ফলাফলের কারণে হয়েছে। আজ ইউরোজোনে ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক প্রকাশিত হবে। উৎপাদন ও সেবা খাতের PMI সূচকগুলোর ফলাফল দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। S&P Global কর্তৃক গণনাকৃত PMI সূচকগুলোর ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে কাজ করে, যা বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করতে সহায়তা করে। উৎপাদন খাতের সূচকগুলোর স্থায়ী বৃদ্ধি সাধারণত উৎপাদন বৃদ্ধি, অর্ডারের বৃদ্ধি এবং ফলস্বরূপ নিয়োগের সম্ভাব্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে। অনুরূপভাবে সেবা খাতের সূচকে ইতিবাচক গতিশীলতা ভোক্তা চাহিদা বৃদ্ধি এবং সেবা খাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সম্প্রসারণ নির্দেশ করে, যা অর্থনীতির একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান। ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে তা ইউরোর গতকালকের দরপতনের পর কারেকশন করতে সহায়তা করবে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের উপর বেশি গুরুত্ব দেব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1132745907.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1791-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1762-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1791-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1747-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1762 এবং 1.1791-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1747-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1718-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ার চাপের সম্মুখীন হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1762-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1747 এবং 1.1718-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/3ZMucD7
-
২৩ ফেব্রুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1491319209.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার GBP/USD পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে তা নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তির জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। আমরা ধারণা করছি মার্কেটের ট্রেডাররা ব্রিটিশ প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল এবং মার্কিন প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফলের প্রতি খুব দুর্বলভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। উল্লেখ্য যে শুক্রবার ব্রিটেনে প্রকাশিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও খুচরা বিক্রয় সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল যথেষ্ট ইতিবাচক ছিল, তবে মার্কিন জিডিপি প্রতিবেদনের ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল ছিল। এছাড়া সন্ধ্যায় ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় উপেক্ষা করে এবং বাতিলকৃত সমস্ত বাণিজ্য শুল্ক দ্রুত পুনর্বহাল করেন। তাই, যদি কোনো ট্রেডার বাণিজ্য যুদ্ধ সমাপ্তি প্রত্যাশায় ডলার কিনে থাকেন, তা বৃথা গিয়েছে। আমাদের দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী মার্কিন মুদ্রার প্রেক্ষাপট দিনে দিনে আরো খারাপ হচ্ছে। গতকাল জানা গিয়েছে যে বৈশ্বিক কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোতে মার্কিন ডলারের রিজার্ভের স্তর সর্বশেষ 20 বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1712630669.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। প্রথম সিগন্যালটি ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় তৈরি হয় যখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3437-1.3446 এরিয়া থেকে দুইবার বাউন্স করে। এর পরে এই পেয়ারের মূল্য দ্রুত 1.3484-1.3489 এরিয়ায় পৌঁছায়। ওই এরিয়া থেকে সংঘটিত পরপর দুটো বাউন্স একটি অপরটির অনুরূপ হলেও তা ভুল সিগন্যাল বলে প্রমাণিত হয়। এর পর একই এরিয়ার আশেপাশে বেশ কয়েকটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়, এবং গতকাল রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.3529 লেভেলে পৌঁছায়। সুতরাং সবগুলো লং পজিশন লাভজনক ছিল।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। মধ্যমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি দেখা যাচ্ছে না, ফলে আমরা আশা করছি যে ২০২৫ থেকে চলমান বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকবে, যা এই পেয়ারের মূল্যকে অন্তত 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্রিটিশ মুদ্রার সার্বিক পরিস্থিতি বিশেষভাবে অনুকূল ছিল না, এবং এই কারণেই অপ্রত্যাশিতভাবে পাউন্ডের দরপতন হচ্ছে। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়া অতিক্রম করে ঊর্ধ্বমুখী হয় তাহলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3643-1.3652-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3484-1.3489-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, 1.3741-1.3751, 1.3814-1.3832, 1.3891-1.3912, 1.3975। সোমবার যুক্তরাজ্য বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, তবে আমাদের মতে গত সপ্তাহের ঘটনাগুলোই ডলারের আরও দরপতন অব্যাহত রাখার জন্য যথেষ্ট।
Read more: https://ifxpr.com/4rv4KOy
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৪ ফেব্রুয়ারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1738644122.jpg[/IMG]
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1793-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করেছিল। 1.1807-এর লেভেলের টেস্টের ক্ষেত্রেও অনুরূপ পরিস্থিতি দেখা গেছে। ওয়াশিংটনের অবস্থান ও নতুন করে 10% শুল্ক আরোপ করা হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের ভবিষ্যৎ শুল্ক নীতি নিয়ে মার্কেটে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। বাণিজ্য সম্পর্ক ও অন্যান্য দেশের সম্ভাব্য পাল্টা পদক্ষেপ সম্পর্কিত অস্পষ্টতাই বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ অ্যাসেটে বিনিয়োগ করতে প্ররোচিত করেছে। 15% পর্যন্ত শুল্ক বাড়ানোর ঝুঁকি এবং স্পষ্ট ও সঙ্গতিপূর্ণ বাণিজ্য কৌশলের অনুপস্থিতি বৈশ্বিক বাণিজ্যের পথে বাধা সৃষ্টি করছে এবং সম্ভাব্যভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকেই হুমকির মুখে ফেলতে পারে। ফলস্বরূপ, এর প্রভাবে সরাসরি মার্কিন অর্থনীতিও নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোন থেকে কোনো উল্লেখযোগ্য সামষ্টিক পরিসংখ্যান প্রকাশিত হবে না, সুতরাং ইউরোর মূল্যের সামান্য বৃদ্ধির সুযোগ থাকতে পারে। ইউরোজোনে সর্বশেষ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের অনুপস্থিতি মার্কেটে একটি শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, যার অন্য কারণসমূহ মার্কেটে সাময়িকভাবে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এমন অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে—যেখা ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে বা বিপরীতে বিশেষ কোনো আশাব্যঞ্জক সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না—কারেন্সিগুলোর মূল্য প্রায়শই পূর্ববর্তী মুভমেন্ট প্রতিফলিত করে বা বিশ্ববাজারের সার্বিক পরিস্থিতি দ্বারা প্রভাবিত হয়। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/267177870.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1804-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1787-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1804-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1771-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1787 এবং 1.1804-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1771-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1753-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1787-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1771 এবং 1.1753-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4kT7d2P