-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1527686387.jpg[/IMG]
ক্রিপ্টো যুদ্ধে আমেরিকা চীনকে পরাস্ত করতে চায়
অক্টোবর থেকেই বিটকয়েন 50%-এরও বেশি দরপতনের শিকার হয়েছে এবং সামগ্রিকভাবে বিটকয়েনের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরুদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা দুর্বল। 4-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে মাঝে মাঝে কয়েকটি "বুলিশ" প্যাটার্ন দেখা গেলেও বিটকয়েনের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট বেশ দুর্বল ছিল ও সেগুলোকে কেবল কারেকশন হিসেবে বিবেচনা করা যায়। আমাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, নিম্নমুখী প্রবণতা অক্ষুন্ন থাকায় এই কারেকশন দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল হতে পারে। সুতরাং আমরা প্রত্যাশা করছি বিটকয়েনের মূল্য পুনরায় $57,500-এর দিকে এবং তারও নিচে নামতে শুরু করবে। এদিকে বিশ্লেষকরা জোর দিয়ে বলছেন যে ক্রিপ্টো খাত নিয়ে মার্কিন-চীনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশ জোরালো হচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেন যে চীনের থেকে কৌশলগতভাবে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে আমেরিকা বিটকয়েন ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে। ভ্যান্স স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, "চীন বিটকয়েন পছন্দ করে না, কিন্তু আমরা করি।" এই বিবৃতির আলোকে ধরা যায় যে মার্কিন আইনসভা ক্রিপ্টো-বান্ধব হয়ে উঠবে এবং ওয়াশিংটন ক্রিপ্টো ক্ষেত্রটিকে প্রতিদ্বন্দ্বীর ওপর নিজেদের আধিপত্য জোরদার করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে দেখছে। আপনি হয়তো জানেন যে খুব বেশিদিন হয়নি যখন বেইজিং সমস্ত ক্রিপ্টো লেনদেন, মাইনিং এবং ক্রিপ্টো ইন্সট্রুমেন্ট ও প্রতিষ্ঠানে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দিয়েছিল। চীন মনে করে যে সকল আর্থিক প্রবাহ সরকারি নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত এবং তারা ত্বরান্বিতভাবে রাষ্ট্রীয় ডিজিটাল কারেন্সির প্রচারণা চালাচ্ছে করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি উল্টো — দেশটি ক্রিপ্টো ট্রেডিংকে সমর্থন, ক্রিপ্টো মার্কেটকে বৈধতা প্রদান এবং ব্যাপক মূলধন প্রবাহের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। তাত্ত্বিকভাবে, মার্কিন ক্রিপ্টো নিয়মনীতি যতই নমনীয় হবে ততই বিটকয়েনের দিকে আর্থিক প্রবাহ যাবে। প্রশ্নটা রয়ে যায়—বিটকয়েনের মূল্যের সর্বোচ্চ সীমা কোথায়। আপনি যদি মাইক্রস্ট্র্যাটে ি না হয়ে থাকেন, তাহলে সম্ভবত সারাবিশ্বের প্রতিটি বিটকয়েন কেনার চেষ্টা করছেন না। বাস্তবে বিনিয়োগকারীদের কতটা বিটকয়েনের প্রয়োজন? তারা কি সব 21 মিলিয়ন কয়েনই কিনে নিতে চায়?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1149492249.jpg[/IMG]
BTC/USD‑এর ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: বিটকয়েনের মূল্যের পূর্ণাঙ্গ নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। আমরা এখনও $57,500-এর দিকে দরপতনের প্রত্যাশা করছি (যা তিনবছরের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে 61.8% ফিবোনাচ্চি রিট্রেসমেন্ট লেভেল), এবং বর্তমানে প্রবণতা পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এমনকি $57,500 লেভেলও দরপতনের আর চূড়ান্ত মাত্রা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। দৈনিক টাইমফ্রেমে সর্বশেষ বিয়ারিশ FVG শর্ট পজিশনের পয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট হলেও তা বর্তমানে মূল্যের বেশ উপরে আছে। 4-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে তিনটি বিয়ারিশ FVG দেখা যাচ্ছে; তবে এগুলো পূর্ববর্তী প্রবণতা অংশ এবং স্বতন্ত্রভাবে প্রবণতা পুনরুদ্ধারের সূচনা করবে বলে সম্ভাবনা কম।
ETH/USD‑এর ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: দৈনিক টাইমফ্রেমে ইথেরিয়ামের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত আছে। মূল সেল প্যাটার্ন হিসেবে সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে থাকা বিয়ারিশ অর্ডার ব্লকই প্রাধান্য বজায় রাখছে। পূর্বের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে যে ওই সিগন্যাল দ্বারা সৃষ্ট মুভমেন্ট শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। ঐ প্যাটার্ন গঠিত হওয়ার পর থেকে ইথেরিয়ামের মূল্য ইতোমধ্যেই প্রায় 55% (~$2,500) হ্রাস পেয়েছে। নিকটমেয়াদে করেকটিভ বাউন্সের সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় উর্ধ্বমুখী মুভমেন্টগুলো 4-ঘণ্টার টাইমফ্রেমের বুলিশ প্যাটার্ন দিয়ে ট্রেড করা যেতে পারে, তবে আমরা করেকশনের পিছনে ছোটার পরামর্শ দেব না। মধ্যমেয়াদে আমরা আশা করছি দৈনিক টাইমফ্রেমের বিয়ারিশ প্যাটার্নগুলো কার্যকর হবে এবং পুনরায় নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হবে। ইথেরিয়ামের প্রায় $1,400 পর্যন্ত বিস্তৃত দরপতনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/3ZJS36A
-
-
-
-
-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/519177707.jpg[/IMG]
বিটকয়েনের মূল্য কি বটম লেভেলে পৌঁছেছে
গত বছরের অক্টোবর থেকে বিটকয়েন 50%-এরও বেশি দরপতনের শিকার হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত পুনরুদ্ধারের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এই নিম্ন লেভেলের আশেপাশেও 4-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে একটি সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট গঠিত হয়েছে। আমরা মনে করি চলমান কারেকশন বেশ সময়সাপেক্ষ ও জটিল হতে পারে, তবুও নিম্নমুখী প্রবণতা অক্ষুন্ন থাকবে। সুতরাং, আমরা প্রত্যাশা করছি যে বিটকয়েনের দরপতন অব্যাহত এবং $57,500-এর লক্ষ্যমাত্রা ও তারও নিচে দরপতন অব্যাহত থাকবে। K33-এর বিশ্লেষকরা বিটকয়েনের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির বিষয়ে তাদের মতামত প্রদান করেছেন। বিশেষ করে ভেটেল লুন্ড ইঙ্গিত দিয়েছেন যে বর্তমানে বিটকয়েনের মূল্যের 'বিয়ারিশ' প্রবণতা শেষ পর্যায়ে থাকতে পারে, এবং বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্রটি 2022 সালের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। উল্লেখ্য যে সেসময় বিটকয়েনের মূল্য প্রায় $15,000 এরিয়ায় অবস্থান করছিল, দীর্ঘ সময় কনসোলিডেশনের মধ্যে থেকে পরে একটি দীর্ঘস্থায়ী নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি নিশ্চিতভাবেই 2022 সালের কথা মনে করিয়ে দেয়; তবে শুধুমাত্র এই প্যাটার্নের ওপর ভিত্তি করে দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। 2021-2022-এর মধ্যে, একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সম্পন্ন হওয়ার পর বিটকয়েন প্রায় 80% দরপতনের শিকার হয়েছিল; এখন এটির মূল্য "শুধুমাত্র" 50% হ্রাস পেয়েছে—এটাই মূল পার্থক্য। 2021-2022-এর পুরো 'বিয়ারিশ' প্রবণতা প্রায় এক বছর স্থায়ী ছিল; এখন কেবল 5 মাস হয়েছে। 2022 সালের সেপ্টেম্বরে-অক্টোবরে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির হার সর্বোচ্চ স্তর থেকে কমতে শুরু করলে মার্কেটের ট্রেডাররা ফেড কর্তৃক আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণের প্রত্যাশা করছিল। তখন মার্কিন ডলার ইউরো, পাউন্ড ও অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে দরপতনের শিকার হতে শুরু করে, যা চার্টেও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান ছিল। অতএব 2022-এও বিটকয়েনের মূল্যের একটি নতুন 'বুলিশ' প্রবণতা শুরু হবে কিনা তা বেশ তর্কসাপেক্ষ ছিল। এবারও কী তেমন কোনো কারণ আছে—বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের অনবরত আকাশচুম্বী মূল্য বৃদ্ধির পূর্বাভাস ছাড়া? এটাই তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য। লুন্ড আরও উল্লেখ করেছেন যে বিটকয়েন ও এটির ডেরিভেটিভ প্রোডাক্টগুলোতে স্পেকুলেটিভ ট্রেডারদের চাপ ধীরে ধীরে দূর হচ্ছে, অর্থাৎ "দৈনিক ভিত্তিতে ট্রেড করা ট্রেডাররা" মার্কেট থেকে চলে যাচ্ছে। কেবল দীর্ঘমেয়াদি ও বড় বিনিয়োগকারীরাই বিটকয়েন ধরে রেখেছে। এই বক্তব্যটিও বিতর্কিত, কারণ সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বড় বড় ফান্ড ও এমনকি এক্সচেঞ্জগুলোতেও ব্যাপকভাবে বিটকয়েন বিক্রির প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। শুধুমাত্র মাইক্রোস্ট্র্যাট জিই বিটকয়েন ধরে রেখেছে—তাঁরা বিটকয়েন বিক্রি করলে তাদের স্টকের মূল্যে ধস নামবে এবং মাইকেল সেইলরের ব্যবসায়িক মডেলের ওপর আস্থা সম্পূর্ণভাবে ক্ষুণ্ণ হয়ে যাবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1094153782.jpg[/IMG]
BTC/USD‑এর ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: বিটকয়েনের মূল্যের পূর্ণাঙ্গ নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। আমরা এখনও $57,500-এর দিকে দরপতনের প্রত্যাশা করছি (যা তিনবছরের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে 61.8% ফিবোনাচ্চি রিট্রেসমেন্ট লেভেল), এবং বর্তমানে প্রবণতা পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এমনকি $57,500 লেভেলও দরপতনের আর চূড়ান্ত মাত্রা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। দৈনিক টাইমফ্রেমে পয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট সেলিং এরিয়াগুলোর মধ্যে সর্বশেষ 'বিয়ারিশ' FVG লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা বিটকয়েনের বর্তমান মূল্যের তুলনায় এখনও বেশ উপরে অবস্থিত। 4-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে তিনটি অমীমাংসিত বিয়ারিশ FVG আছে; তবে এই প্যাটার্নগুলো পূর্বের মুভমেন্টের সময় গঠিত হয়েছিল এবং বর্তমান মূল্যের অনেক উপরে অবস্থান করছে—তাই শুধুমাত্র এগুলোর উপর নির্ভর করে প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে বলে মনে হয় না।
ETH/USD‑এর ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: দৈনিক টাইমফ্রেমে ইথেরিয়ামের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত আছে। মূল সেল প্যাটার্ন হিসেবে সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে থাকা বিয়ারিশ অর্ডার ব্লকই প্রাধান্য বজায় রাখছে। আমরা সতর্ক করে বলেছি যে ওই সিগন্যাল দ্বারা সৃষ্ট মুভমেন্ট শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। ঐ প্যাটার্ন গঠিত হওয়ার পর থেকে ইথেরিয়ামের মূল্য ইতোমধ্যেই প্রায় 55% বা $2,500 হ্রাস পেয়েছে। স্বল্পমেয়াদে একটি কারেকশনের অংশ হিসেবে বাউন্সের সম্ভাবনা রয়েছে; তবে ইথেরিয়ামের মূল্য এখন একটি যথেষ্ট সংকীর্ণ সাইডওয়েজ চ্যানেলে অবস্থান করছে। স্বল্পমেয়াদে—বি কয়েনের মতোই—ইথেরিয়ামের ক্ষেত্রেও শুধুমাত্র 4-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে সাইডওয়েজ চ্যানেলের বাউন্ডারিতে হওয়া ডেভিয়েশনের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করা উচিত।
Read more: https://ifxpr.com/3MH0nB3
-
নতুন মার্কিন শুল্কের প্রভাবে হঠাৎ করে বিটকয়েনের দরপতন
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1624356307.jpg[/IMG]
উচ্চমাত্রার অস্থিরতাসম্পন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেট আজ আরেকবার ধসের সম্মুখীন হয়েছে। বিটকয়েনের মূল্য কয়েক হাজার ডলার কমে $68,000 থেকে $64,200 পর্যন্ত নেমে যায়। ইথেরিয়ামও এই ধস থেকে রক্ষা পায়নি এবং এটির মূল্য $1,845 লেভেলে নেমে যায়। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের একটি নতুন ও অত্যন্ত কঠোর বিবৃতির কারণেই ক্রিপ্টো মার্কেটে এইরূপ তীব্র দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের শুল্ক সংক্রান্ত সাম্প্রতিক রায়ের "বিস্তৃত, বিস্তারিত ও পূর্ণ পর্যালোচনা" সম্পন্ন করার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প তৎক্ষণাৎ বৈশ্বিক পর্যায়ে বৈধ সীমার সর্বোচ্চ স্তর 15% শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী যেসব দেশ উল্লিখিত সময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে "শোষণ" করেছে তাদের লক্ষ্যবস্তু করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বার্তাটি স্পষ্ট: বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্পর্ক আরও আক্রমণাত্মক পর্যায়ে প্রবেশ করছে। স্টক মার্কেট হোক কিংবা ক্রিপ্টো মার্কেট—সবখানেই বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকেতগুলোর প্রতি সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এ ধরনের বিবৃতি মার্কেটে অনিশ্চয়তা তৈরি করে এবং ভবিষ্যৎ বাণিজ্য যুদ্ধ, পাল্টা পদক্ষেপ ও বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর সামগ্রিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি। বিনিয়োগকারীরা এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই ঝুঁকি হ্রাসের চেষ্টা করে ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলো থেকে — যেগুলোর মধ্যে ক্রিপ্টোকারেন্সি রয়েছে — দ্রুত বিনিয়োগ সরিয়ে নিয়ে থাকে। তার ওপর ট্রাম্প জোর দিয়ে উল্লেখ করেছেন যে এটি এককালীন পদক্ষেপ হবে না: মার্কিন প্রশাসন আগামি মাসগুলোতে আইনি ভিত্তিতে নতুন শুল্ক প্রবর্তনের পরিকল্পনা করছে। সুতরাং এই ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে। শুল্ক নীতির আরও কঠোর হওয়ার সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী উদ্বেগ সৃষ্টি করছে, তাদেরকে পোর্টফোলিও পুনর্মূল্যায়ন করে নিরাপদ বিনিয়োগস্থল খুঁজতে উৎসাহিত করছে। "মেক আমেরিকা গ্রেটঁ এগেইন — গ্রেটার দ্যান এভার বিফোর" স্লোগানটি মার্কিন সুরক্ষাবাদী নীতির প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সমর্থকরা এটিকে জাতীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করার উদ্যোগ হিসেবে দেখতে পারে; কিন্তু বিশ্ববাজারে এর অর্থ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পতন, ব্যয় বৃদ্ধির ঝুঁকি এবং এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর — যার মধ্যে বিটকয়েন ও ইথেরিয়ামও রয়েছে — মূল্যের কারেকশনের সম্ভাবনা রয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/213767349.jpg[/IMG]
ট্রেডিংয়ের পরামর্শ বিটকয়েন বিটকয়েনের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতারা বর্তমানে এটির মূল্যকে $66,400-এ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যা সরাসরি $68,900-এর দিকে পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত করে দেবে, এরপর $70,600-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে বিটকয়েনের মূল্যের প্রায় $71,100-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা নির্ধারণ করা যায়; যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি মার্কেটে বুলিশ প্রবণতা পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হবে। দরপতনের ক্ষেত্রে, বিটকয়েনের মূল্য $64,400-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মূল্য ওই এরিয়ার নিচে নেমে গেলে বিটকয়েনের মূল্য দ্রুত $62,600-এর দিকে নেমে যেতে পারে। পরবর্তীতে প্রায় $60,100 পর্যন্ত দরপতন হতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1412155197.jpg[/IMG]
ইথেরিয়াম ইথেরিয়ামের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, এটির মূল্য $1,907-এর উপরে স্পষ্টভাবে অবস্থান গ্রহণ করলে $1,998-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে $2,078-এর লেভেল নির্ধারণ করা যায়; যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে মার্কেটে বুলিশ প্রবণতা শক্তিশালী হবে এবং ক্রেতাদের আগ্রহ পুনরুজ্জীবিত হবে। দরপতনের ক্ষেত্রে, মূল্য $1,819-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা করা যায়। ইথেরিয়ামের মূল্য ওই এরিয়ার নিচে নেমে গেলে দ্রুত এটির মূল্য $1,724-এর দিকে নেমে যেতে পারে। পরবর্তীতে প্রায় $1,563 পর্যন্ত দরপতনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। চার্টে যা যা দেখা যাচ্ছে: লাল লাইন সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল নির্দেশ করে, যেখানে মূল্যের মুভমেন্ট থেমে যেতে পারে অথবা সক্রিয় মুভমেন্ট শুরু হতে পারে; সবুজ লাইন ৫০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে; নীল লাইন ১০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে; হালকা সবুজ লাইন ২০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে। সাধারণত, অ্যাসেটের মূল্য এই মুভিং অ্যাভারেজগুলো অতিক্রম করলে বা পৌঁছালে মার্কেটের বর্তমান মোমেন্টাম থেমে যেতে পারে অথবা নতুন প্রবণতার সূচনা হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4rMYn9O
-
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ৩ ,মার্চ: S&P 500 এবং নাসডাক সূচকে মিশ্র প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/813539933.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে মিশ্র প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 0.04% বৃদ্ধি পেয়েছে, নাসডাক 100 সূচক 0.36% বৃদ্ধি পেয়েছে, আর ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 0.15% হ্রাস পেয়েছে। এশিয়ান সেশনে ফিউচার্স সূচকের উপর চাপ ফিরে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার তীব্রতা বাড়ার ফলে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি গ্রহণ করা বিরত রয়েছে, যার ফলে এশিয়ার ইকুইটি সূচকগুলো দ্বিতীয় দিনের মতো দরপতনের শিকার হয়েছে, যা মার্কিন ও ইউরোপীয় স্টক সূচকের ফিউচার্সকে নিম্নমুখী করেছে। MSCI এশিয়া প্যাসিফিক ইনডেক্স প্রায় 2% হ্রাস পেয়েছে এবং ইরানের উপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর 11 মাসের মধ্যে সবচেয়ে নেতিবাচক প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। উৎসবের পর স্টক মার্কেটে লেনদেন শুরু হওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়া সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—কস্পি সূচক 5%-এরও বেশি দরপতনের শিকার হয়েছে। ভ্যান্টেজ পয়েন্ট অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের মতে, বিনিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে ইরানকে নিয়ে উদ্বেগ কম, বরং এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়ে বিশ্বব্যাপী স্টক মার্কেটগুলোতে সমন্বিত ধস সৃষ্টি করবে কি না তা নিয়েই বেশি আশংকা করা হচ্ছে। সংস্থাটি আরও উল্লেখ করেছে যে বিনিয়োগকারী ধারণা করছিল সংঘর্ষটি অপেক্ষাকৃত স্বল্পমেয়াদি হবে, কিন্তু এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবে নাও পরিণত হতে পারে। মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র "যতদিন প্রয়োজন ততদিন" পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে এবং তিনি চারটি উদ্দেশ্য উপস্থাপন করেছেন যা তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী তেহরানের হুমকি হ্রাস করবে। এই মন্তব্যগুলো দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের আশংকা সৃষ্টি করেছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর উপর চাপ সৃষ্টি করছে। উত্তেজনা বৃদ্ধির আরও একটি সংকেত হিসেবে ইরান পাল্টা হামলার মাত্রা আরও তীব্র করেছে—রিয়াদে মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধের হুমকি রয়েছে—যা তেল ও গ্যাস পরিবহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দর 7%-এরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেল প্রতি $79-এ পৌঁছেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাত নিয়ে আশংকার কারণে সৃষ্ট অস্থিরতার পর চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বিনিয়োগকারী প্রমিসিং মার্কেট ও প্রযুক্তি খাতভুক্ত স্টক বিক্রি করে লাভ নিশ্চিত করতে বাধ্য করছে। বড় চিপ ও হার্ডওয়্যার কোম্পানিগুলো—যেম স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স, এসকে হাইনিক্স, এবং টিএসএমসি—আঞ্চলিক ইনডেক্সে দরপতনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। তবুও দক্ষিণ কোরিয়ার কস্পি ও তাইওয়ানের তাইএক্স সূচকে এই বছর সবচেয়ে বেশি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গিয়েছে, যা যথাক্রমে বছরের শুরু থেকে প্রায় 42% ও 20% বৃদ্ধি। যদি হরমুজ প্রণালীতে পণ্য পরিবহন সংকট স্থায়ী হয়, তাহলে রেকর্ড উচ্চস্তরে থাকা এশিয়ার স্টক মার্কেট সূচকগুলো আরও চাপের সম্মুখীন হতে পারে। সরবরাহ বিঘ্নতা দ্রুত উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে তুলতে পারে, কর্পোরেট মুনাফা হ্রাস করতে পারে, মুদ্রাস্ফীতি বাড়াতে পারে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর দরপতন ঘটাতে পারে—ফলে মার্কিন এক্সচেঞ্জগুলোতেও বিক্রির প্রবণতা শুরু হতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/364366390.jpg[/IMG]
S&P 500-এর টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য এবং সূচকটির মূল্যকে $6,837-এর দিকে নিয়ে যেতে হলে ক্রেতাদের নিকটতম রেজিস্টেন্স লেভেল $6,819 অতিক্রম করাতে হবে। সূচকটির দর $6,854-এ পৌছাতে পারলে বুলিশ প্রবণতা আরও শক্তিশালী হবে। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, সূচকটির দর প্রায় $6,801-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়া উচিত। সেই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে ইন্সট্রুমেন্টটির দর দ্রুত $6,784-এ নামতে পারে এবং $6,769-এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4skpKrm
-