-
২৫ মার্চ কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/588542278.jpg[/IMG]
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার পুরো দিন জুড়ে GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি। মধ্যপ্রাচ্য বা ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে যখন কোনো সংবাদ এলো না, তাই মার্কেটের ট্রেডাররা সঠিকভাবেই অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন সামষ্টিক প্রতিবেদন দ্বারা বিভ্রান্ত হয়নি। মূলত আমরা বারবার উল্লেখ করেছি যে গত এক মাস ধরে ট্রেডাররা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সামষ্টিক পটভূমি উপেক্ষা করে চলেছেন। নাহলে মার্কিন ডলারের মূল্য এতটা বাড়তো না। গতকাল এ ব্যাপারে আমরা আবারও নিশ্চিত হয়েছি। যুক্তরাজ্যে প্রকাশিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকসমূহের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল ছিল, তবে মোটের উপর এগুলো ব্রিটিশ মুদ্রার জন্য কোনো বড় সমস্যা সৃষ্টি করেনি। মার্কিন সূচকগুলোতেও প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল ফলাফল পরিলক্ষিত হয়েছে, কিন্তু সেগুলোও ট্রেডাররা উপেক্ষা করেছে। সবাই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা সমাধানের অপেক্ষায় রয়েছে। হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান সামরিক উত্তেজনা হ্রাস পাবে, বা এই সামরিক সংঘাত কয়েক মাস ধরে চলতেই থাকবে। তাই GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ভবিষ্যত মুভমেন্ট ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব দ্বারাই নির্ধারিত হবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/230915833.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। সারাদিন এই পেয়ারের সামান্য দরপতন হয়েছে, তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় সেশনে নতুন ট্রেডাররা প্রথমে লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন এবং পরে শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারতেন। মার্কিন সেশনের সময় 1.3403-1.3407 এরিয়ার আশপাশে আরও দুইটি সেল সিগন্যাল তৈরি হওয়ায় ইতোমধ্যেই ওপেন করা শর্ট পজিশনগুলো বজায় রাখা যেতে পারত। সন্ধ্যার সময়ে সেল ট্রেডগুলো সামান্য লাভের সাথে ম্যানুয়ালি ক্লোজ করা যেত।
বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হতে শুরু করেছে, তবে এই প্রবণতা খুবই অদ্ভুত ও অনিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ নেই, তাই ২০২৬ সালে আমরা ২০২৫ থেকে শুরু হওয়া বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় চালু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000-এর দিকে নিয়ে যেতে পারে। তবে এর জন্য আগে বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা হ্রাস পেতে হবে। বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3403-1.3407 রেঞ্জের নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3319-1.3331 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3403-1.3407 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেট করে, তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে যেখানে মূল্যের 1.3437-1.3446 এবং 1.3484-1.3489-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, 1.3741-1.3751। আজ যুক্তরাজ্যে ফেব্রুয়ারির মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ; তবে মার্কেটের ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া কেবল এই প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করবে না—বরং এর ফলাফলের উপর নির্ভর করবে। যদি দেশটির মুদ্রাস্ফীতির হার 3%-এ (পূর্বাভাস) না পৌঁছায়, তাহলে ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়ার প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4uKi181
-
-
৩০ মার্চ কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার খুবই কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। জার্মানিতে আজ মার্চ মাসের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রথম মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন হতে যাচ্ছে—যখন তেল ও অন্যান্য জ্বালানি মূল্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি ত্বরান্বিত হবে এ বিষয়ে এদের কারো সন্দেহ থাকার সম্ভাবনা কম। ইসিবি এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ড মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির চাপ মোকাবিলায় আর্থিক নীতিমালা কঠোর করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবুও, গত দুই মাসে মার্কিন ডলারের দর কেবল বৃদ্ধিই পাচ্ছে, কারণ ট্রেডাররা ঝুঁকিপূর্ণ কারেন্সি ও অ্যাসেট থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নিচ্ছেন। অতএব, এই সপ্তাহের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না বলে ধারণা করা যায়।
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে জেরোম পাওয়েলের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। ফেডের চেয়ারম্যান আজ কী বিষয়ে কথা বলবেন তা আগে থেকে বলা কঠিন, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শেষ বৈঠকটি অল্প কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত হওয়ায় তিনি নতুন কোনো তথ্য প্রদান করবেন এমন সম্ভাবনা কম। ফেডের অবস্থান বেশ স্পষ্ট—সংস্থাটি আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণে বিরতি নিয়েছে, যা ইউরো ও পাউন্ডের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটাতে পারত। মূলত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির কারণে ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলার ক্রয় করছে, নাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতো। আমাদের ধারণা অনুযায়ী বর্তমানে কারেন্সি মার্কেটে ফান্ডামেন্টাল প্রেক্ষপট, টেকনিক্যাল এনালিসিস ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব ন্যূনতম পর্যায়ে রয়েছে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে মার্কেটে যেকোনো ধরনের মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ আজ মধ্যপ্রাচ্য থেকে যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো খবর আসতে পারে এবং সাম্প্রতিক সময়ে এসব খবর বেশ পরস্পরবিরোধী ছিল। আজ ইউরো 1.1527-1.1531 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3259-1.3267 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের তীব্র ও স্থায়ী উত্থানের কোনো সুস্পষ্ট ভিত্তি দেখছি না (শুধু ভূ-রাজনীতি নয় সকল বিষয় বিবেচনায়), তবে ট্রেডাররা সম্পূর্ণভাবে ভূ-রাজনীতির ওপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারই সমর্থন পাচ্ছে।
Read more: https://ifxpr.com/48fpwdo
-
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য তেলের দরপতন ঘটিয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/423862315.jpg[/IMG]
গতকাল অনলাইনে এক প্রতিবেদনে জানা যায় যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সহকর্মীদের বলেছেন তিনি ইরানে সামরিক অভিযান শেষ করতে প্রস্তুত, যদিও গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর বড় একটি অংশে বন্ধ থেকেই যেতে পারে—এরপর তেলের তীব্র দরপতন ঘটেছে। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম কমে ব্যারেল প্রতি প্রায় $103-এর কাছাকাছি নেমে এসেছে, যা এর আগে তেলের ট্যাঙ্কারে ইরানের হামলার পর প্রায় 4% বৃদ্ধি পেয়েছিল। তেলের দরপতন দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম, বরং মার্কেটে মিশ্র প্রভাব দেখা যেতে পারে। তেল আমদানি নির্ভর দেশগুলোর জন্য এটি ভালো খবর, কারণ এতে মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পায় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উৎসাহিত করার সুযোগ থাকে। তবে তেল রপ্তানিতে ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল অর্থনীতির জন্য এটি কার্যকর বিকল্প নয়।ট্রাম্পের বিবৃতি অনুযায়ী যদি সত্যিই সংঘাত হ্রাসের লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হয়ে থাকে (যদিও সে সম্ভাবনা কম)—তেহরানের দৃষ্টিতে এটি নিজ অবস্থান দৃঢ় করার ও বিরোধ বাড়ানোর সংকেত হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনার দেখা দিতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার অনিশ্চিত পরিণতি দেখা যেতে পারে।আর কোনো নতুন ঘটনা বা উত্তেজনার বৃদ্ধি পেলে তৎক্ষণাৎ তেলের দর আগের উচ্চতার দিকে ফিরে যেতে পারে, যা বর্তমান দরপতন থামিয়ে বিশ্ব অর্থনীতিকে আবারও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে পারে।মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প ও তাঁর সহকর্মীরা মূল্যায়ন করেছেন যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় অবরোধমুক্ত করার লক্ষ্য চলমান যুদ্ধকে নির্ধারিত ৪-৬ সপ্তাহের চেয়ে আরও বেশি দীর্ঘায়িত করবে। এর আগে এই মাসের শুরুতে ব্রেন্ট ক্রুডের দর প্রায় $113 ছিল।উল্লেখ্য যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিয়মিতভাবে যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত এবং সামরিক কার্যক্রম বাড়ানোর হুমকির মধ্যে অপ্রাসঙ্গিকভাবে স্থিতিশীল থাকেন না। সোমবার ট্রাম্প বলেছিলেন, যদি হরমুজ প্রণালী না খোলা হয় তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তেল অবকাঠামো এবং সম্ভবত পরিশোধন অবকাঠামো ধ্বংস করবে—রাতে আবার তিনি এর বিকল্প বক্তব্যও দিয়েছিলেন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1424611197.jpg[/IMG]
উত্তেজনার জবাবে ইরান গতকাল দুবাই বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা তেলভর্তি কুয়েতি ট্যাঙ্কারে আক্রমণ চালিয়েছে, আর পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। কুয়েতি ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম কোম্পানির বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে ইরানি কর্তৃপক্ষ দুবাই বন্দরে "আল-সালামি" নামে থাকা ওই ট্যাংকারটিকে আঘাত করেছে, যা কাঁচা তেল পরিবহনের জন্য পূর্ণভাবে ভর্তি ছিল—ফলে আগুন লেগেছে এবং জাহাজের ক্ষতি হয়েছে।মঙ্গলবার তেলের দরপতনের পরেও, মার্কিন বেঞ্চমার্ক সূচক মার্চে ৫০%-এর বেশি বৃদ্ধি দেখিয়েছে—এটি মে ২০২০-এর পর থেকে সর্ববৃহৎ বৃদ্ধি—অপরদিকে ব্রেন্ট তেলের দর মাসিক ভিত্তিতে শক্তিশালী বৃদ্ধি প্রদর্শন করছে। মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আমেরিকান সৈন্যবাহিনী বৃদ্ধি এবং ইরানে স্থল বাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা থাকায় মার্কেটে স্নায়বিক চাপ বজায় রয়েছে। তেলের বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের প্রথমে মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স $106.83 অতিক্রম করাতে হবে। এতে করে তারা তেলের মূল্যকে $113.36-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে পারবে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া কষ্টসাধ্য হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে তেলের মূল্যের প্রায় $115.40-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। দরপতনের ক্ষেত্রে মূল্য $100.40-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ঐ রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর গুরুতর আঘাত হবে এবং তেলের দর দ্রুত $92.54-এ নেমে যেতে পারে, এবং পরবর্তীতে $86.67 পর্যন্ত সম্ভাবনা তৈরি হবে।
Read more: https://ifxpr.com/3NYBOQx
-
১ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/656791389.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বুধবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, এবং গতকাল দেখা গেছে যে ট্রেডাররা এক দেড় মাস পর আবার অর্থনীতির দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। আশা করা যেতে পারে যে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে নতুন কোনো উসকানিমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না এবং কারেন্সি পেয়ারগুলোর মূল্য অবশেষে শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতি ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ের দ্বারা প্রভাবিত হতে শুরু করবে। আজ ইউরোজোন ফেব্রুয়ারির বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে, তবে এই সূচকটির ফলাফল ট্রেডারদের বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করবে বলে মনে হয় না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলো মার্কিন ট্রেডিং সেশনে প্রকাশিত হবে। প্রথমত, সেখানে ব্যক্তিগত খাতের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ADP প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। মনে রাখবেন এটি শ্রমবাজার পরিস্থিতি নির্ধারণের জন্য সবচেয়ে সঠিক বা গুরুত্বপূর্ণ সূচক নয়, তবু ট্রেডাররা এই প্রতিবেদনের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। দ্বিতীয়ত, খুচরা বিক্রয় সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এটিও সর্বোচ্চ গুরুত্বসম্পন্ন সূচক না হলেও ট্রেডারদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে। তৃতীয়ত, ISM ম্যানুফ্যাকচারিং ইনডেক্স বা উৎপাদন সূচক প্রকাশিত হবে — যা প্রকৃতপক্ষেই বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিবেদন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1343938301.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ফেডের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাদের বক্তব্য উল্লেখযোগ্য, তবে এই সপ্তাহে জেরোম পাওয়েল ইতোমধ্যে একটি বক্তব্য দিয়েছেন যেখানে তিনি ফেড অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের অবস্থান গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছিলেন। অন্য কথায়, ফেড শিগগিরই সুদের হার কমানো বা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে না। ফেডের অবস্থান বেশ স্পষ্ট — মুদ্রানীতির নমনীয়করণ স্থগিত রয়েছে, যা ইউরো ও পাউন্ডের বিপরীতে মার্কিন ডলারের অবস্থান দুর্বল করে দেয়, কারণ উক্ত ইসিবি ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ড প্রয়োজনে সুদের হার বাড়াতে প্রস্তুত। যদি ভূ-রাজনৈতিক পটভূমির প্রভাব কমে যায়, তাহলে ডলারের দরপতন শুরু হতে পারে।
উপসংহার: সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, কারণ একটি কারেকশন শুরু হয়েছে এবং ট্রেডাররা ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। আজ ইউরো 1.1584-1.1591 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3259-1.3267 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের উল্লেখযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী দর বৃদ্ধির কোনো ভিত্তি দেখতে পাইনি (সব বিষয় বিবেচনা করে, শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতি নয়); তবে স্বল্পমেয়াদে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে সম্পূর্ণভাবে অবহেলা করা যায় না।
Read more: https://ifxpr.com/4sKEZKX
-
২ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/642425615.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। সঠিকভাবে বলতে গেলে কেবল একটি প্রতিবেদন প্রকাশের কথা আছে, যা পুরোপুরিভাবে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আজ আনএমপ্লয়মেন্ট ক্লেইমস বা বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটের ট্রেডারদের মনোযোগ আকর্ষণ করবে বলে মনে হচ্ছে না। গতকাল মার্কেটের ট্রেডাররা আবারও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন উপেক্ষা করেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1948672883.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবার ইসিবি বা ফেডের প্রতিনিধিদের বক্তৃতাগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়ার তেমন কোনো মানে নেই। ট্রেডাররা এখনও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কহীন সকল বিষয় উপেক্ষা করে চলেছে। গতরাতে আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বক্তৃতা দেন, যেখানে তিনি পুনরায় অতি শীঘ্রই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেন—যেটি তিনি নিজেই শুরু করেছিলেন। ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন যে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা আরও দুই-থেকে-তিন সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে যাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে অচল করা যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে বলেন যে আমেরিকা হরমুজ প্রণালী অবরোধমুক্ত করার ব্যাপারে আগ্রহী নয়, এবং এ বিষয়টি সেইসব দেশকে সামাল দিতে হবে যারা এই প্রণালী ব্যবহার করে তেল পরিবহন করে। যেমনটি আমরা দেখতে পাচ্ছি, অতি-শীঘ্রই যুদ্ধ সমাপ্তির জন্য স্পষ্ট কোনো সংকেত নেই, এবং ট্রাম্প কার্যত হরমুজ প্রণালী বা তেলের দাম নিয়ে মোটেও উদ্বিগ্ন নন। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষদিকের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যই যেকোনো দিকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করতে পারে, কারণ মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও শুধুমাত্র ভূ-রাজনৈতিক খবরের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে, যা পূর্বাভাসযোগ্য নয়। ইউরো আজ 1.1527-1.1531 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3203-1.3212 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের স্থায়ী উর্ধ্বমুখী প্রবণতা কোনো সম্ভাবনা দেখছি না (শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতি নয় সব কারণ বিবেচনায়), তবে নিকটমেয়াদে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিই কারেন্সি মার্কেটে মূল প্রভাব বিস্তার করবে।
Read more: https://ifxpr.com/3NUwUnQ
-
-
-
-
৮ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/752855985.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বুধবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং এগুলোর মধ্যে কোনোটিই তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। ট্রেডাররা শুধুমাত্র ইউরোজোনের খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে দৃষ্টিপাত করতে পারেন, কিন্তু এখন ইউরোজোনের খুচরা বিক্রয় সূচকের প্রতি কারই বা কতটা আগ্রহ আছে? গত রাতে জানা যায় যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে শান্তি চুক্তির জন্য সক্রিয় আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তদুপরি উভয়পক্ষ এখনও সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী অবস্থান বজায় রেখেছে। ইরান দাবি করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের সকোল শর্ত মেনে নিয়েছে, আর ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে ইরান হরমুজ প্রণালী খুলতে সম্মত হয়েছে—এ থেকে বোঝা যায় যে নিকট ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঘটবে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1815834427.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ফেডারেল রিজার্ভের সর্বশেষ বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশিত হবে; কিন্তু মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও ভূ-রাজনীতির বাইরে থাকা সকল বিষয় উপেক্ষা করে চলেছে। ফেডের বৈঠক তিন সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, এবং তারপর থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত অবস্থান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিনিধিদের বক্তব্য এবং প্রায় সকল সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন একরকম উপেক্ষিতই হচ্ছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে ফেডের কার্যবিবরণীর তেমন কোনো প্রাসঙ্গিকতা নেই। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি-পেয়ারের মূল্যের যেকোনো দিকেই মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ মার্কেটের ট্রেডাররা শুধুমাত্র ভূ-রাজনৈতিক সংবাদের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে, যার পূর্বাভাস দেয়া অসম্ভব। আজ ইউরো 1.1655-1.1666 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3403-1.3407 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন মুদ্রার মূল্যের শক্তিশালী ও স্থায়ী বৃদ্ধির জন্য কোনো মৌলিক ভিত্তি দেখছি না (শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতি নয় সকল বিবেচনায় নিয়ে), এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ইতোমধ্যেই মার্কিন ডলারের দরপতন শুরু হয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/47OLLXL