-
মার্কিন শাটডাউন নিরসনের পথে একটি সফল পদক্ষেপ
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/4976696.jpg[/IMG]
সপ্তাহান্তে, সরকারি কার্যক্রম পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে মার্কিন সিনেট একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে, যখন মধ্যপন্থী কিছু ডেমোক্র্যাট দলীয় অবস্থান থেকে সরে এসে এমন এক চুক্তিকে সমর্থন দিয়েছেন, যার লক্ষ্য ছিল রেকর্ড সময় ধরে চলমান সরকারি শাটডাউন শেষ করা। রোববার সন্ধ্যায়, সিনেট বিলটি এগিয়ে নেওয়ার একটি কার্যপ্রক্রিয়াগত প্রস্তাবনায় 60–40 ভোটের মাধ্যমে সমর্থন জানায়। এরপর সিনেট সোমবার পর্যন্ত মুলতবি রাখা হয় এবং বিলটির চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এখনো ভোট নির্ধারিত হয়নি। ডেমোক্র্যাট পার্টির অভ্যন্তরীন এই বিভাজনের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে মার্কিন অর্থনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থার প্রভাব নিয়ে মধ্যপন্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। শাটডাউন বহু ফেডারেল সংস্থার কার্যক্রম স্থগিত রাখতে বাধ্য করেছে, সরকারি কর্মীদের বেতন বিলম্বিত হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাগুলোর কার্যকারিতা হুমকির মুখে পড়েছে—ফলে অর্থনীতিতে বিলিয়ন ডলার ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যপন্থী ডেমোক্র্যাটরা এই ভোট সংকট নিরসনের লক্ষ্যে আপস করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, এমন বার্তাই প্রদান করেছে। তা সত্ত্বেও, সরকারি কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে পুনরায় চালু করার পথ এখনো অনিশ্চিত। সিনেট যেই সমঝোতা প্রস্তাব দিয়েছে, তা এখনো হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যেখানে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা এই বিস্তৃত চুক্তির বিভিন্ন ধারার বিরোধিতা করতে পারে। প্রেসিডেন্ট নিজেও এই বিল গ্রহণযোগ্য মনে না করলে ভেটো দিতে পারেন। তবুও, সিনেটে গৃহীত ভোট এটি প্রমাণ করে যে, রাজনৈতিক বিভাজনের মাঝেও কিছুটা আশার সঞ্চার হয়েছে—যেখানে আপোষ এবং একসাথে কাজ করার সদিচ্ছা এখনো সম্ভব। গভীর রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে এই পদক্ষেপ পারস্পরিক সমঝোতা এবং সহযোগিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে, তবে এখন দেখার বিষয় হচ্ছে উভয় দলের নেতারা দেশের স্বার্থে কোনো যৌথ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেন কিনা। এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না এই শাটডাউন সংকটের কত দ্রুত সমাধান হবে। এই প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে, সিনেটের প্রতিটি সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন। যেকোনো একটি বিরোধী কণ্ঠস্বর কয়েক দিনের প্রক্রিয়াগত বিলম্ব সৃষ্টি করতে পারে। পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এই বিল পাসের বিষয়টি নিশ্চিত নয়। ডেমোক্র্যাট নেতারা এমন কোনো চুক্তিকে সমর্থন করতে যাচ্ছেন না, যেখানে মেয়াদোত্তীর্ণ হতে যাওয়া ওবামাকেয়ার ভর্তুকিগুলোর মেয়াদ বাড়ানোর কথা অন্তর্ভুক্ত নেই—যা এই বিদ্যমান বিলে নেই। অন্যদিকে, রক্ষণশীল রিপাবলিকানরা একটি বিকল্প বিলের জন্য চাপ দিচ্ছেন, যার মাধ্যমে সামগ্রিক সরকারব্যবস্থার তহবিল আগামী বছরের ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত করা হবে। ডেমোক্র্যাট হাউস লিডার হাকিম জেফ্রিস রোববার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে বলেন, "আমরা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস রিপাবলিকান পার্টির বিলের বিরুদ্ধে লড়াই করব।" ৪০ দিনের চলমান শাটডাউন অবসানের সম্ভাব্য সমাধান ২০১৩ ও ২০১৮–২০১৯ সালের অতীত অচলাবস্থার ঘটনাগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়—যেখানে রাজনৈতিক সুযোগ-সন্ধানী উদ্দেশ্যে সরকারি কার্যক্রম স্থগিত করার চেষ্টাগুলো ব্যর্থ হয়েছিল। ২০১৮–২০১৯ সালের শাটডাউনে ট্রাম্প সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণের তহবিল নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন এবং ২০১৩ সালে রিপাবলিকানরা ওবামাকেয়ার বাতিল করার প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়।
EUR/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল পূর্বাভাস অনুযায়ী—ক্রেতাদে এখন এই পেয়ারের মূল্যকে নিশ্চিতভাবে 1.1570 লেভেলে ধরে রাখতে হবে। শুধুমাত্র তারপরেই তারা এই পেয়ারের মূল্যের 1.1590-এর লেভেল পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে পারবে। সেখান থেকে মূল্য 1.1610-এর দিকে যেতে পারে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহযোগিতা ছাড়া এটা করা বেশ কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1636 লেভেল। তবে যদি এই পেয়ারের মূল্য হ্রাস পায়, তাহলে আমি কেবলমাত্র মূল্য 1.1545-এর আশপাশে থাকা অবস্থায় উল্লেখযোগ্য ক্রয় কার্যক্রমের আশা করছি। যদি সেখানে বড় কোনো ক্রেতা সক্রিয় না থাকে, তাহলে 1.1520 পর্যন্ত পুনরায় দরপতনের জন্য অপেক্ষা করা যুক্তিযুক্ত হবে কিংবা 1.1490 থেকে লং পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে।
অন্যদিকে, GBP/USD-এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যের 1.3150 রেজিস্ট্যান্স লেভেল নিয়ন্ত্রণে নেওয়া প্রয়োজন। শুধুমাত্র তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যের 1.3180-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করতে পারবে—যার ওপরে ব্রেকআউট করা তুলনামূলকভাবে কঠিন হবে। সবচেয়ে বেশি দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হতে পারে 1.3215 লেভেল। তবে যদি পেয়ারের মূল্য হ্রাস পায়, তাহলে বিক্রেতারা পুনরায় 1.3135 লেভেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা এতে সফল হয়, তাহলে সেটি ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি ক্রেতাদের উপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্যকে 1.3095 পর্যন্ত নিম্নমুখী করতে পারে, যার পরে মূল্যের 1.3056-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3JEJzsW
-
যেসকল ইভেন্টের উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত, ১১ নভেম্বর:
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/170558410.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার বেশ কিছু সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলো যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত হবে। যুক্তরাজ্যে আজ বেকারত্বের হার, বেকার ভাতার আবেদনের সংখ্যার পরিবর্তন এবং মজুরি বৃদ্ধির হার প্রকাশিত হবে। স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ৫.১% পর্যন্ত বেকারত্ব বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে, যদিও অফিসিয়াল পূর্বাভাস অনুযায়ী সেপ্টেম্বঢ়ে এই হার ৪.৯%-এ পৌঁছাতে পারে। অতএব, ব্রিটিশ পাউন্ড আজ মার্কেটের পরিস্থিতি থেকে সহায়তা পেতে কিছুটা চাপের সম্মুখীন হতে পারে, তবে আমরা এখনো মনে করি যে ট্রেডাররা মূলত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটকে উপেক্ষা করেই চলছে। মঙ্গলবার জার্মানি এবং ইউরোজোনে ZEW ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স প্রকাশিত হবে, যেগুলো তুলনামূলকভাবে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবারের নির্ধারিত একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট হিসেবে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডের একটি ভাষণ অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গত এক মাস ধরে লাগার্ডে গড়ে প্রতি সপ্তাহে তিনবার করে ভাষণ দিয়েছেন এবং সম্প্রতি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবির) চলতি বছরের দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলে, ট্রেডারদের হাতে ইতোমধ্যেই সকল প্রয়োজনীয় তথ্য রয়েছে। ইসিবি নিকট ভবিষ্যতে সুদের হার পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা করছে না এবং প্রতিষ্ঠানটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ও মুদ্রাস্ফীতির হার নিয়ে সন্তুষ্ট অবস্থানে রয়েছে। তাই, আমরা লাগার্ডে ভাষণে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার সম্ভাবনা দেখছি না। উপসংহার: সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, EUR/USD ও GBP/USD— উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যই উর্ধ্বমুখী হতে পারে, কারণ সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পর্যাপ্ত বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ইউরোর মূল্য 1.1571-1.1584 রেঞ্জ থেকে বাউন্স করেছে, তবে মূল্য আবার কিছুটা নিম্নমুখী নামলেও তা সাময়িক হতে পারে। ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যও 1.3096-1.3107 রেঞ্জ থেকে রিবাউন্ড করেছে, তাই আজ এই পেয়ারের মূল্যের 1.3203-1.3211 লেভেলের দিকে ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4nRC4Nj
-
অবশেষে ট্রেডাররা মার্কিন শাটডাউনের প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/322692970.jpg[/IMG]
কারেকশন এখন থেমে গেছে। মার্কেটের ট্রেডাররা আবারও "বাই দ্য ডিপ" বা দরপতনের সময় ক্রয়ের কৌশল গ্রহণ করছে। ইতিহাস বলছে, 1981 সাল থেকে এখন পর্যন্ত, প্রতিটি মার্কিন শাটডাউন শেষ হওয়ার পরের এক মাসে গড়ে S&P 500 সূচক 2.3% বৃদ্ধি পেয়েছে। এই হিসাব অনুযায়ী, ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে এই স্টক সূচকটি 7,000 লেভেলে পৌঁছাতে পারে। এছাড়া বছরের শেষ প্রান্তিক সাধারণভাবে মার্কিন স্টক মার্কেটের জন্য ইতিবাচক সময় হিসেবে পরিচিত। ভেটেরান্স ডে-র পর থেকে সূচকসমূহ সাধারণভাবে গড়ে 2.3% থেকে 2.5% পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে চলমান শাটডাউন শীঘ্রই শেষ হতে চলেছে। ইতিহাসে এটিই দীর্ঘতম শাটডাউন হলেও এই সময়ের মধ্যেও S&P 500 সূচক 2.2% বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস সতর্ক করেছিল যে সরকারি কার্যক্রমে এই স্থবিরতার ফলে মার্কিন জিডিপি থেকে 1.5 শতাংশ পয়েন্ট হ্রাস পেতে পারে, তবু বিনিয়োগকারীরা এই সময়েও আশাবাদের উপাদান খুঁজে পেয়েছেন। বর্তমানে মার্কেটের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় সবচেয়ে বেশি সমর্থন জুগিয়েছে 2021 সালের শুরুর পর থেকে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়ের প্রতিবেদনের সবচেয়ে শক্তিশালী। প্রকৃত আয়ের তথ্য বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের তুলনায় দ্বিগুণ হারে ভালো হয়েছে। একই সময়ে বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ এখন ধীরে ধীরে এনভিডিয়ার তৃতীয় প্রান্তিকের আয়ের উপর চলে যাচ্ছে, যে প্রতিবেদনটি ১৯ নভেম্বর প্রকাশিত হবে।
এই প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কেটে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করবে বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। S&P 500 সূচকের অন্তর্ভুক্ত সেক্টরগুলোর গতিশীলতা শাটডাউন শেষ হওয়া নিয়ে ছড়িয়ে পড়া জল্পনা কল্পনা স্টক মার্কেটে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। সপ্তাহের শুরুতে, দীর্ঘমেয়াদে দরপতনের শিকার প্রযুক্তিভিত্তিক শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পায়। তবে এরপর দিনই প্রযুক্তিভিত্তিক কোম্পানিগুলোর শেয়ার আবার দরপতনের শিকার হয়, যখন স্বাস্থ্যসেবা ও জ্বালানিভিত্তিক কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর শক্তিশালীভাবে বৃদ্ধি পায়। বিনিয়োগকারীরা এখন তাদের পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যপূর্ণ করার কৌশলে মনোযোগ দিচ্ছেন। তবুও, তারা এখনও অনিশ্চিত যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-তে এই বিপুল বিনিয়োগ বাস্তবিকভাবে লাভজনক হবে কি না। এদিকে, অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল এখন মার্কেটের জন্য 'ভালো সংবাদ' হয়ে উঠছে—বিশেষ করে S&P 500 সূচকের জন্য। ADP-এর তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেসরকারি খাতে নিয়োগ কমেছে এবং বর্তমানে ব্যাপক প্রচেষ্টার মাধ্যমে শ্রমবাজারে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। গোল্ডম্যান শ্যাক্স আশা করছে যে অক্টোবর মাসে নন-ফার্ম পে-রোল 50,000 হারে হ্রাস পাবে, আর ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের জরিপে অংশ নেওয়া ৭১% আমেরিকান মনে করছেন যে আগামী বছর বেকারত্ব বাড়বে। ট্রেজারি বন্ডের ইয়িল্ডের গতিশীলতা ও ফেডের আর্থিক সম্প্রসারণের মাত্রা মার্কিন স্টক মার্কেটে দুর্বল পরিসংখ্যান উপেক্ষিত হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশের পর ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা দেখছেন। এর ফলে, ডেরিভেটিভ মার্কেটে ডিসেম্বরে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৬৫%-এ পৌঁছেছে এবং ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড কমছে। এই পরিস্থিতি মার্কেটের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে। ঋণগ্রহণে স্বল্প ব্যয় কোম্পানিগুলোর খরচ কমাবে এবং মুনাফা বাড়াবে। মার্কেটের ট্রেডাররা এখন অধীর আগ্রহে শাটডাউনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির জন্য এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য অপেক্ষা করছে। পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের জব ওপেনিংস প্রতিবেদন সম্ভবত ১৯ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত হতে পারে এবং ২৬ নভেম্বর মুদ্রাস্ফীতি সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/662637032.jpg[/IMG]
S&P 500 সূচকের টেকনিক্যাল চিত্র (দৈনিক চার্ট): S&P 500 সূচকের দৈনিক চার্ট অনুযায়ী ক্রেতারা এখন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য স্থির করেছেন। এর জন্য প্রাথমিক শর্ত হলো সূচকটির 6,855-এর ফেয়ার ভ্যালু লেভেল অতিক্রম করা। এই লেভেল ব্রেক করলে ট্রেডারদের জন্য আগেই ওপেন করা লং পজিশন আরও হোল্ড করার ক্ষেত্র তৈরি হবে এবং স্টক সূচকটি আরও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সুযোগ পাবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/119905077.jpg[/IMG]
Read more: https://ifxpr.com/4nMKPrN
-
WTI-এর মূল্যের বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস। উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে তেলের দরপতন
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1032690870.jpg[/IMG]
বুধবার ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুড অয়েলের তীব্র দরপতন হয়েছে, যার ফলে আগের তিন দিন যেটুকু মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল তার সবটুকুই হ্রাস পেয়েছে এবং বিভিন্ন মৌলিক কারণে এটির মূল্য নভেম্বর মাসের সর্বনিম্ন লেভেলে পৌঁছে গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী শাটডাউন খুব শীঘ্রই শেষ হচ্ছে—এমন প্রত্যাশা ডলারের মূল্য বৃদ্ধি ঘটিয়েছে। এই তথ্য বিনিয়োগকারীদের মনোভাবকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে এবং মুনাফা গ্রহণের সুযোগ তৈরি করছে। বর্তমানে মার্কিন সরকারি ঋণ নিয়ে কংগ্রেসে আলোচনা চলছে—যেখানে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস একটি আইনের ওপর ভোট দেওয়ার কথা রয়েছে, যার মাধ্যমে মার্কিন সরকারি কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হবে এবং ফেডারেল সংস্থাগুলো তাদের কার্যক্রম আবার শুরু করতে পারবে। এই অগ্রগতি স্বল্পমেয়াদে ঝুঁকি কমিয়েছে, বিশ্ববাজারে ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি করেছে এবং ডলারের মূল্য খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণত ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পেলে তেলের মূল্য কমে যায়, কারণ এতে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য এটি তুলনামূলকভাবে আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। এছাড়াও, তেলের অতিরিক্ত সরবরাহ মূল্যের পুনরুদ্ধারে বাধা সৃষ্টি করছে। ওপেকের অক্টোবর মাসের মাসিক অয়েল মার্কেট রিপোর্ট (MOMR) অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক পর্যায়ে তেলের চাহিদা প্রতিদিন 1.3 মিলিয়ন ব্যারেল (mb/d) হারে বাড়বে—এই পূর্বাভাস অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে মোট চাহিদা গড়ে 105.1 mb/d হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনটি থেকে আরও জানা যায়, নন-ওপেকভুক্ত দেশ যেমন—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, কানাডা এবং আর্জেন্টিনায় ২০২৬ সালে তেল উৎপাদন প্রতিদিন 0.6 মিলিয়ন ব্যারেল পর্যন্ত বাড়তে পারে। একই সময়ের মধ্যে ওপেকের সদস্য দেশগুলোর নিজস্ব তেলের চাহিদার পূর্বাভাস সামান্য হ্রাস পেয়ে ৪৩ মিলিয়ন ব্যারেল প্রতিদিন হবে, যা আগের পূর্বাভাসের চেয়ে ১ লাখ ব্যারেল কম। ট্রেডিংয়ের কার্যকর সুযোগের জন্য ট্রেডারদের যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশ (EIA)-এর সাপ্তাহিক তেলের মজুদ সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে নজর রাখা উচিত। ছুটির কারণে এই প্রতিবেদন বৃহস্পতিবারে প্রকাশিত হবে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, তেলের মজুদ ১ মিলিয়ন ব্যারেল বাড়তে পারে, যেখানে গত সপ্তাহে এটি ৫.২ মিলিয়ন ব্যারেল বেড়েছিল। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, দৈনিক চার্টে অসিলেটরগুলো নেগেটিভ সিগন্যাল দিচ্ছে। যদি ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুড অয়েলের দর 58.75 লেভেলে ধরে রাখা না যায়, তাহলে দ্রুত 58.00-এর রাউন্ড ফিগারের দিকে দরপতন হতে পারে এবং নভেম্বরে নতুন সর্বনিম্ন লেভেলে নেমে যেতে পারে। এরপর পরবর্তী সাপোর্ট হিসেবে 57.40 লেভেলকে বিবেচনা করা যেতে পারে, এবং সেখান থেকে মূল্য ধীরে ধীরে অক্টোবর মাসের সর্বনিম্ন লেভেল, অর্থাৎ 56.00-এর রাউন্ড লেভেলের দিকে নামতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/49WgWSu
-
GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ১৪ নভেম্বর:
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2124752192.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3107 লেভেল থেকে রিবাউন্ড করে, যেটিকে আমরা একটি শক্তিশালী সাপোর্ট লেভেল হিসেবে চিহ্নিত করেছিলাম। এতে এই পেয়ারের মূল্যের নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায় এবং মূল্য ট্রেন্ডলাইনের ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়, যদিও সাথে সাথেই মূল্য আবারও কিছুটা নিম্নমুখী হয়। আমাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী আমরা ধারণা করছি যে নিম্নমুখী প্রবণতা শেষ হয়েছে, তবে প্রায়শই যেভাবে হয়, আগামীতে মূল্য বৃদ্ধি শুরু হওয়ার আগে কিছুটা করেকশন দেখা যেতে পারে। ব্রিটিশ কারেন্সির মূল্য রাতেরবেলা আবার কমে গেলেও, দিনের বেশিরভাগ সময়ই এটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ছিল। এই মূল্য বৃদ্ধির পেছনে কি কোনো স্থানীয় কারণ ছিল? না, ছিল না। যদি গতকাল এই পেয়ারের মূল্য ১০০ পিপস হ্রাস পেত, তাহলে তা অর্থনৈতিক প্রতিবেদন ও ইভেন্টের প্রেক্ষাপটে যুক্তিযুক্ত হতো। মনে করিয়ে দিই, সকালেই ৪৩ দিন স্থায়ী মার্কিন শাটডাউনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি, যুক্তরাজ্যের জিডিপি এবং শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে নেতিবাচক ছিল। সুতরাং গতকাল ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল না, তবুও মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা যেমনটি দেখতে পাচ্ছি, মার্কেটে এখনও অযৌক্তিক মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে, এবং আমরা ট্রেডারদের মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই পেয়ারের মূল্যের যেকোনো ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট বৈশ্বিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে যুক্তিসঙ্গত, আর যেকোনো দরপতনকে এখন শুধুমাত্র টেকনিক্যাল কারেকশন হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1165430715.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বৃহস্পতিবার অনেক কার্যকর দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময়, এই পেয়ারের মূল্য 1.3096-1.3107 এরিয়া থেকে স্পষ্টভাবে রিবাউন্ড করে এবং সারাদিন জুড়েই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। ফলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করে, সন্ধ্যা নাগাদ ৮০–৯০ পিপস লাভের সাথে পজিশন ক্লোজ করতে পারতেন। 1.3203-1.3211 এরিয়া থেকেও একটি রিবাউন্ডের মাধ্যমে ট্রেড করা যেত, এবং এটি থেকেও লাভবান হওয়া সম্ভব হতো; তবে, এই সিগন্যালটি তুলনামূলকভাবে দিনের একদম শেষভাগে গঠিত হয়েছিল।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই আমরা আগামি কয়েক সপ্তাহে স্থানীয় খবর বা প্রতিবেদন উপেক্ষা করে হলেও ব্রিটিশ কারেন্সির মূল্য বেড়ে যেতে পারে বলে আশা করছি। আমরা আগেই উল্লেখ করেছি, দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির পেছনে বৈশ্বিকভাবে কোনো ভিত্তি নেই, তাই মধ্যমেয়াদে আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশাই করছি। দৈনিক টাইমফ্রেমে যদি করেকশন/ফ্ল্যাট মুভমেন্ট শেষ হয়, তবে এই পেয়ারের মূল্য়ের ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবারও শুরু হতে পারে। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা 1.3096-1.3107 এবং 1.3203-1.3211 এরিয়ায় নতুন ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হওয়ার অপেক্ষায় থাকতে পারেন। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বর্তমানে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3211, 1.3259, 1.3329-1.3331, 1.3413-1.3421, 1.3466-1.3475, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590। শুক্রবার, যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। ফলে আজও এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/47TLVMy
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ১৭ নভেম্বর: S&P 500 এবং নাসডাক সূচকে কারেকশন শুরু হয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2050356569.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে মিশ্র ফলাফলের মাধ্যমে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক ০.০৫% হ্রাস পেয়েছে, অন্যদিকে নাসডাক 100 সূচক ০.১৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক ০.৬৫% হ্রাস পেয়েছে। এশিয়ার প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর স্টকের মূল্যের সাথে সঙ্গতি রেখে মার্কিন স্টক সূচকের ফিউচারগুলো ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, কারণ বিনিয়োগকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের নেতৃস্থানীয় কোম্পানি এনভিডিয়া কর্পোরেশনের আয়ের ফলাফল এবং যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন, যা চলতি সপ্তাহে মার্কেটের পরিস্থিতি নির্ধারণ করবে। এনভিডিয়ার আর্থিক প্রতিবেদনের ফলাফল, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে আশা জাগানিয়া প্রবৃদ্ধির অনুমান নিশ্চিত বা খণ্ডন করতে পারে, কোম্পানিটির সফলতা নির্ধারণ করবে এবং সামগ্রিক প্রযুক্তি খাতের পরিস্থিতি যাচাইয়ের একটি মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আয়ের প্রবৃদ্ধি হ্রাসের যেকোনো ইঙ্গিত থাকলে, এটি বিশ্বব্যাপী স্টক মার্কেটে শৃঙ্খলাবদ্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে। বিনিয়োগকারীরা কেবলমাত্র আর্থিক ফলাফল নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে মার্কেটের কোম্পানিটির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা, প্রতিযোগিতা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে মন্তব্যগুলোর অপেক্ষাও করছেন। এর পাশাপাশি, ট্রেডাররা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন, যা বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা দেবে। মুদ্রাস্ফীতি, কর্মসংস্থান এবং ভোক্তা চাহিদা সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে। এই প্রেক্ষাপটে S&P 500 ফিউচার ০.৪% এবং নাসডাক 100 সূচকের ফিউচার ০.৬% বৃদ্ধি পায়। যেসব কোম্পানির শেয়ার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স কোং এবং এসকে হাইনিক্স ইনকর্পোরেটেড, যেগুলো দক্ষিণ কোরিয়ায় বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করেছে। ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতেও ইতিবাচক পরিস্থিতি পরিলক্ষিত হয়েছে, যেখানে বিটকয়েনের মূল্য ১.৮% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং $93,000-এর আশেপাশে অবস্থিত নিম্নমুখী লেভেল থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ইউরোপীয় স্টক মার্কেটের মোটামুটি ইতিবাচক পরিস্থিতির সাথে ট্রেডিং শুরু হয়েছে। ছয় প্রান্তিক পর জাপান প্রথমবারের মতো অর্থনৈতিক সংকোচনের মুখোমুখি হয়ে এই খবর প্রকাশের পর দেশটির স্টক সূচকসমুহ নিম্নমুখী হয়েছে, এবং একই সাথে চীনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন বৃদ্ধির কারণে ভ্রমণ ও খুচরা খাত সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর কমে গেছে। মার্কেটের অন্যান্য খাতে, স্বর্ণের দর টানা তৃতীয় দিনের মতো নিম্নমুখী ছিল, অপরদিকে মার্কিন ডলারের দর ০.১% বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রেজারি বন্ডের দর স্থিতিশীল ছিল কারণ বিনিয়োগকারীরা আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন—যা ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার সম্পর্কিত প্রক্ষেপণ সম্পর্কে ধারণা দেবে। গত সপ্তাহে, ফেডের বিভিন্ন কর্মকর্তারা ডিসেম্বর মাসে সুদের হার কমানো উচিত কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বা সরাসরি এর বিপক্ষে মত দিয়েছেন। ট্রেডাররা ডিসেম্বর মাসে এক চতুর্থাংশ পয়েন্ট হারে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা ৫০%-এর নিচে নামিয়ে এনেছেন, কারণ ফেডের কয়েকজন প্রতিনিধির মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ নিশ্চিতভাবে নেয়া হবে এমন সম্ভাবনা নেই। S&P 500-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, আজকের জন্য ক্রেতাদের প্রধান লক্ষ্য হবে সূচকটির $6,769 লেভেলের রেজিস্ট্যান্স ব্রেক করানো। এটি সূচকটিকে আরও স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে এবং সম্ভাব্যভাবে নতুন লক্ষ্যমাত্রা $6,784 লেভেলের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করবে। একইভাবে, ক্রেতাদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হবে সূচকটির দর $6,801 লেভেলের উপরে ধরে রাখা—যা ক্রেতাদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। যদি ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাস পাওয়ার কারণে দরপতন হয়, তাহলে সূচকটির দর $6,756 লেভেলের আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। স্টক সূচকটি এই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সূচকটি দ্রুত $6,743 লেভেলে নেমে যেতে পারে এবং সেখানে থেকে $6,727 লেভেলের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা তৈরি হবে।
Read more: https://ifxpr.com/49jVyXe
-
যেসকল ইভেন্টের উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত, ১৮ নভেম্বর:
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1541027612.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। অতএব, শুরুতেই ধরে নেওয়া যায় যে আজকের ট্রেডিংয়ে তেমন কোনো অস্থিরতা কিংবা প্রবণতাভিত্তিক মুভমেন্ট দেখা যাবে না। যেকোনো অবস্থাতেই, বর্তমানে মার্কেটের ট্রেডাররা বেশিরভাগ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও মৌলিক প্রতিবেদন উপেক্ষা করে চলেছে। আমাদের ধারণা, ট্রেডাররা এখনো মূলত টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই ট্রেড করছেন। ইউরো এবং ব্রিটিশ পাউন্ড—উভয় কারেন্সিই বিগত কয়েক মাস ধরে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার বিপরীতে কারেকশনের মধ্যে রয়েছে। এখন হয়তো সেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু করার সময় এসেছে।
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল নির্ধারিত রয়েছে, কিন্তু উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট দেখুন! কার্যত কোনো মুভমেন্ট নেই বললেই চলে। ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য একদম ফ্ল্যাট রেঞ্জের রয়েছে, এবং ইউরোর মূল্যের মুভমেন্ট সারাদিনে সর্বাধিক মাত্র ৪০-৫০ পিপসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। এই পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি) বা ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের বক্তব্য পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে পারবে এমন সম্ভাবনা খুবই কম। মনে রাখতে হবে, বর্তমান সময়ে ইসিবির কর্মকর্তাদের বক্তব্য বিশেষ কোনো তাৎপর্য বহন করছে না। ইসিবি ইতোমধ্যেই তাদের মুদ্রানীতির নমনীয়করণ সম্পন্ন করেছে এবং আগামী এক বছরে সুদের হার পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুব কম। মুদ্রানীতির যেকোনো রকম সংশোধনের প্রত্যাশা করতে হলে মূল্যস্ফীতির হারের বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন হবে। তবে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড এবং ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের বক্তব্য তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মার্কেটের ট্রেডাররা এখনো নিশ্চিত নয় যে চলতি বছরের শেষ বৈঠকে তারা কী ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। ধারণা করা হচ্ছে, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সম্ভবত মূল সুদের হার কমাতে পারে, এবং ফেড হয়তো বর্তমান সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে। উপসংহার: সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। ইউরোর জন্য আজ 1.1571–1.1584 বেশ ভালো একটি ট্রেডিং রেঞ্জ। সোমবারের মতোই ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য যথারীতি দুটি প্রাসঙ্গিক ট্রেডিং রেঞ্জ রয়েছে: 1.3096–1.3107 এবং 1.3203–1.3211।
Read more: https://ifxpr.com/4pkuOe3
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ১৯ নভেম্বর:
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/572916840.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে দৈনিক লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক ০.৮২% হ্রাস পেয়েছে, নাসডাক 100 সূচক ১.২১% হ্রাস পেয়েছে এবং ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক ১.০৭% হ্রাস পেয়েছে। এনভিডিয়া কর্পোরেশনের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশকে কেন্দ্র করে মার্কেটে উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ায় স্টক সূচকগুলোতে ব্যাপক দরপতন হতে দেখা গেছে। প্রযুক্তিখাতে অতিমূল্যায়নের আশঙ্কায় শুরু হওয়া স্টক বিক্রির প্রবণতা ইতোমধ্যে মার্কেটে $1.6 ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা মার্কেটে স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। বর্তমানে বিনিয়োগকারীরা এনভিডিয়ার দিকে দৃষ্টি দিচ্ছে, যারা AI চিপ মার্কেটে শীর্ষস্থান দখল করে আছে। যে কোম্পানিটির কাছ থেকে উচ্চ মাত্রার প্রত্যাশা রয়েছে, সেটি যদি প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে ব্যর্থ হয় বা মার্কেটের চাহিদা পূরণ করতে না পারে, তাহলে নতুন করে স্টক মার্কেটে স্টক বিক্রির প্রবণতা শুরু হতে পারে—যার প্রভাব প্রযুক্তি খাত ছাড়িয়ে পুরো মার্কেটকেই প্রভাবিত করবে। বছরের শেষভাগে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তি খাতের অতিমূল্যায়ন এবং সেটি স্টক মার্কেটের স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলছে কি না—এ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এনভিডিয়ার আর্থিক প্রতিবেদন মার্কেটের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হয়ে উঠেছে।ইতিবাচক ফলাফল কিছু সময়ের জন্য মার্কেটে আস্থা ফেরাতে পারে এবং প্রযুক্তি খাতকে স্থিতিশীল হিসেবে উপস্থাপন করে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পারে। তবে এই ধরনের ইতিবাচক পরিস্থিতিতেও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের অনিশ্চয়তার সঙ্গে সম্পর্কিত দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকিগুলো এখনো প্রাসঙ্গিক থাকবে। এশিয়ার স্টক সূচকগুলো ০.২% হ্রাস পেয়েছে, যা টানা চার দিনের দরপতনের ধারাকে অব্যাহত রেখেছে। ইউরোপীয় স্টক সূচকগুলোতে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীলভাবে দৈনিক লেনদেন শুরু হয়েছে। ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটেও দরপতন অব্যাহত রয়েছে: বিটকয়েনের মূল্য এক পর্যায়ে $90,000 লেভেলের নিচে নেমে যায়, তবে এটির মূল্য দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়ে আবার এই লেভেলের উপরে উঠে আসে। চলতি মাসে S&P 500 সূচক ইতোমধ্যে ৩% এর বেশি হ্রাস পেয়েছে, এবং স্টক সূচকটির অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভোলাট্যালিটির ক্ষেত্রে ওয়াল স্ট্রিটের 'ফিয়ার ইনডেক্স' হিসেবে পরিচিত CBOE ভোলাট্যালিটি ইনডেক্স বৃদ্ধি পেয়ে ২৪ পয়েন্টে পৌঁছেছে, যা ট্রেডারদের জন্য আশংকাজনক স্তর হিসেবে বিবেচিত ২০ পয়েন্টের স্তরকেও ছাড়িয়ে গেছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ফেডারেল রিজার্ভ কি আগামী মাসে সুদের হার কমাবে? বর্তমানে ট্রেডারদের মধ্যে সুদের হার আরও হ্রাস পাওয়া নিয়ে আত্মবিশ্বাস আগের চেয়ে কম। বর্তমান পরিস্থিতিতে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনা ৫০%-এর নিচে নেমে এসেছে বলে সোয়াপস ইঙ্গিত দিয়েছে। সম্প্রতি মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ফেডের বেশ কয়েকজন সদস্য সরাসরি সুদের হার কমানোর বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। যদিও ফেডের সদস্য ক্রিস্টোফার ওয়ালার সুদের হার হ্রাসের পক্ষে তার পূর্বের অবস্থান পুনঃনিশ্চিত করেছেন। S&P 500-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের আজকের জন্য প্রধান লক্ষ্য হবে সূচকটিকে $6,627 লেভেলের নিকটবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল অতিক্রম করানো। এটি সূচকটিকে আরও মজবুত অবস্থানে নিয়ে আসবে এবং নতুন লক্ষ্যমাত্রা $6,638 লেভেলের দিকে যাওয়ার পথ তৈরি করবে। ক্রেতাদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যমাত্রা হবে সূচকটিকে $6,651 লেভেলের উপর ধরে রাখা—যা ক্রেতাদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। যদি ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাস পায় এবং সূচকটি আরও নিম্নমুখী হয়ে পড়ে, তবে সূচকটির দর $6,616 লেভেলের আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। এই লেভেল ব্রেক করে সূচকটি নিম্নমুখী হলে, সূচকটি দ্রুত $6,603-এ নেমে যেতে পারে এবং তারপরে $6,590-এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/48091RG
-
২০ নভেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/119888320.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার খুব বেশি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকলেও, আজকের প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ফরেক্স মার্কেটে ব্যাপক "অস্থিরতা" সৃষ্টি করতে পারে। আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সেপ্টেম্বর মাসের নন-ফার্ম পেরোলস ও বেকারত্বের হার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যদিও এই প্রতিবেদনগুলো বাস্তবিক অর্থে অনেকটাই পুরোনো, তবুও নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে মার্কেটের ট্রেডাররা এগুলোর ফলাফলের প্রতি দ্বিগুণ প্রতিক্রিয়া দেখাবে। আমরা পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি যে, ইউরো অথবা পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে শুরু করলেও, তা খুব অল্প সময়ের জন্যই স্থায়ী হচ্ছে এবং এই কারেন্সিগুলোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট স্পষ্টভাবে অনেকটাই অনিচ্ছা সত্ত্বে হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। অন্যদিকে, যখন মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, তখন সেটিকে খুব শক্তিশালী বৃদ্ধি বলা না গেলেও, ইউরো অথবা পাউন্ডের তুলনায় তা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী বলে প্রতীয়মান হয়। সামগ্রিকভাবে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও মার্কিন ডলারকে প্রাধান্য দিয়ে যাচ্ছে, যদিও বাস্তবে এর জন্য খুব বেশি কারণ নেই।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1600410392.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবার কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত রয়েছে। ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির (FOMC) প্রতিনিধি হার্কার, গুলসবি এবং কুক বক্তব্য দেবেন। তবে আমরা ইতোমধ্যেই ১০০% নিশ্চিত যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক নীতিনির্ধারক কমিটি ডিসেম্বরে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে। তবে চূড়ান্ত নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসের শ্রমবাজার এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং অন্তত অক্টোবরের মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর। সুতরাং, ডিসেম্বরে ফেড কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে তা নিয়ে এখনই পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়; ডিসেম্বরের শুরুতেই তা নিরূপণ করতে পারা যাবে। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষ দিকের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারে যেকোনো ধরনের মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ আজকের দিনটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত প্রভাবশালী হতে চলেছে। ইউরো পেয়ারের জন্য 1.1527-1.1531 রেঞ্জ একটি চমৎকার ট্রেডিং এরিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য 1.3043 লেভেল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও দিনের প্রথমার্ধে কার্যকর টেকনিক্যাল সিগন্যাল তৈরি হতে পারে, দিনের দ্বিতীয়ার্ধে পরিস্থিতি এমনও হতে পারে যেখানে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণকে উপেক্ষা করে উভয় পেয়ারের মূল্য়ের সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের মুভমেন্ট শুরু হতে করে।
Read more: https://ifxpr.com/49ovYjT
-
২১ নভেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1451364990.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার GBP/USD পেয়ারের মূল্য কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তবে মূল্যের ভোলাটিলিটির মাত্রা অত্যন্ত স্বল্প ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও তাতে মার্কেটে উল্লেখযোগ্য কোনো মুভমেন্ট দেখা যায়নি। ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য 1.3043 থেকে 1.3107 পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে এখন একটি নতুন ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন গঠিত হয়েছে, যেটি ব্রেক না করা পর্যন্ত ভবিষ্যতে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা সীমিতই থাকবে। আমরা আগেই উল্লেখ করেছি, ননফার্ম পেরোল এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও, গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল থেকে ফেডারেল রিজার্ভের বছরের শেষ বৈঠক বা সুদের হারের বিষয়ে কোনো দৃঢ় সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। সে হিসেবে এগুলো কার্যত অর্থহীন। ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বর্তমানে আবারো একটি স্থানীয় "বটমে" অবস্থান করছে এবং আবারও "এখান থেকে বৃদ্ধি পাওয়ার" চেষ্টা করবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1526982525.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে বৃহস্পতিবার একাধিক ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, যা বেশ অপ্রত্যাশিত ছিল। দিনের শুরুতেই প্রথম সিগন্যালটি গঠিত হয়, যখন এই পেয়ারের মূল্য দুইবার 1.3043 লেভেল থেকে বাউন্স করে—যা আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছিলাম। পরবর্তী সময়ে (মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের কিছুটা সহায়তায়) এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পায় এবং কার্যকরভাবে 1.3096-1.3107 এরিয়ার দিকে যায়। সেই মুহূর্তে লং পজিশন ক্লোজ করে মুনাফা নেওয়া যেত। 1.3096-1.3107 এরিয়াতে গঠিত সেল সিগন্যাল কাজে লাগিয়ে ট্রেড করা উচিত কি না, তা একটি উন্মুক্ত প্রশ্ন হলেও, এই ট্রেড করলেও কোনো লোকসানের সম্মুখীন হতে হতো না।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্যের আবারও একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, সাম্প্রতিক সময়ে এমনকি টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকেও এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট খুব একটা যৌক্তিক নয়। আমরা আগেই বলেছি, ডলারের মূল্যের দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য কোনো বৈশ্বিক ভিত্তি নেই, তাই মধ্যমেয়াদে আমরা কেবল ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতারই প্রত্যাশা করছি। তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে চলমান কারেকশন/ফ্ল্যাট মুভমেন্ট এখনো শেষ হয়নি এবং স্থানীয় মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট ব্রিটিশ পাউন্ডের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা 1.3096-1.3107 এরিয়ার মধ্যে নতুন ট্রেডিং সিগন্যালের প্রত্যাশা করতে পারেন। যদি এই এরিয়া থেকে এই পেয়ারের মূল্য বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.3043-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি মূল্য এই এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.3203-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে বর্তমানে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3211, 1.3259, 1.3329-1.3331, 1.3413-1.3421, 1.3466-1.3475, 1.3529-1.3543, এবং 1.3574-1.3590। শুক্রবার যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে নভেম্বর মাসের সেবাখাত ও উৎপাদনখাত ভিত্তিক বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচক প্রকাশিত হবে। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকায় এই প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কেটে কিছুটা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। যেহেতু সামগ্রিকভাবে মার্কেটে দুর্বল মাত্রার ভোলাটিলিটি বিরাজ করছে, তাই শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার পরিবর্তে হালকা মুভমেন্টেরই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, যুক্তরাজ্যে রিটেইল সেলস বা খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোক্তা আস্থা সূচক প্রকাশিত হবে।
Read more: https://ifxpr.com/3LSZ7dd
-
২৪ নভেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2023575179.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার খুব অল্পসংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে। মূলত একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে জার্মানির বিজনেস ক্লাইমেট সূচক প্রকাশিত হবে, যা স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হয়। সেই অনুযায়ী, আজ খুব বেশি সক্রিয় বা তীব্র মুভমেন্ট না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সেই কারণে, আজকের ট্রেডিংয়ের সিদ্ধান্তে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মনে করিয়ে দিই, বর্তমানে দৈনিক টাইমফ্রেমে ইউরোর মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। উপসংহার: সোমবার কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত আছে। আজ ইউরোজোনে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে এবং তাঁর কয়েকজন সহকর্মী ভাষণ প্রদান করবেন। তবে লক্ষ্যণীয় যে, বর্তমানে ইসিবির আর্থিক নীতিমালা নিয়ে মার্কেটে কোনো বিশেষ প্রশ্ন বা অনিশ্চয়তা নেই। ইউরোজোনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতির হার প্রায় ২%-এর আশেপাশে স্থিতিশীল রাখতে পেরেছে এবং আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণের পদক্ষেপের প্রায় ৯৯%-ই সমাপ্ত হয়েছে। তাই বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে ইসিবির প্রেসিডেন্টের বক্তব্য খুব বেশি তাৎপর্য বহন করছে না। উপসংহার: সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কম থাকায় উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের যেকোনো ধরণের মুভমেন্ট লক্ষ্য করা যেতে পারে। ইউরোর জন্য 1.1527-1.1531 লেভেলে একটি কার্যকর ট্রেডিং এরিয়া রয়েছে। অপরদিকে, ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য ট্রেডিং এরিয়া রয়েছে 1.3096-1.3107 লেভেল, যেখানে একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জও বিদ্যমান। বর্তমানে মার্কেটে ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার মাত্রা খুবই কম রয়েছে, তা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের গুরুত্ব কিংবা পরিমাণ যাই হোক না কেন—এই বিষয়টি মাথায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
Read more: https://ifxpr.com/4abrAFb
-
২৫ নভেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/684283714.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে, তবে বর্তমানে এগুলো ট্রেডারদের মধ্যে খুব একটা আগ্রহ সৃষ্টি করছে না। মার্কেটে এখনও উল্লেখযোগ্য ভোলাটিলিটি দেখা যাচ্ছে না এবং কোনও নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনাও পরিলক্ষিত হচ্ছে না। মার্কিন ডলার সামান্য দুর্বল হচ্ছে, তবে এর পেছনে যথাযথ কোনো ভিত্তি নেই। যদিও মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও তাড়াহুড়া করে ডলার বিক্রি করে ফেলছে না। আজ জার্মানিতে তৃতীয় প্রান্তিকের তৃতীয় এবং চূড়ান্ত জিডিপি অনুমান প্রকাশিত হবে, আর যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ADP কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন, উৎপাদন মূল্য সূচক (PPI), এবং খুচরা বিক্রয়ের পরিসংখ্যান প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলো যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ও আগ্রহজনক হলেও, ট্রেডাররা বর্তমানে অন্যান্য প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ট্রেডাররা মূলত নজর দিচ্ছেন নন-ফার্ম পেরোল, বেকারত্বের হার এবং অক্টোবর ও নভেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্যসূচকের (CPI) উপর — ফলে বর্তমানে অন্যান্য প্রতিবেদন তাদের কাছে স্বল্প গুরুত্ব বহন করছে।
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত থাকলেও, এগুলো এখনও ট্রেডারদের মধ্যে তেমন আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারছে না। ইউরোজোনে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) প্রতিনিধি চিপোলোনে এবং ডোননারি বক্তব্য রাখবেন, তবে বর্তমানে ইসিবির আর্থিক নীতিমালা নিয়ে কোনো বিতর্ক বা প্রশ্ন নেই। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২%-এর লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি মূল্যস্ফীতিকে স্থিতিশীল করতে পেরেছে এবং ইতোমধ্যে নীতিমালার নমনীয়করণের প্রায় ৯৯% সমাপ্ত হয়েছে। সুতরাং, বর্তমানে ইসিবির প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের গুরুত্ব খুবই সীমিত। মঙ্গলবার ফেডারেল রিজার্ভ বা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের কোনো প্রতিনিধির বক্তব্যও নির্ধারিত নেই। উপসংহার: সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কিছুটা মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, যদিও সামষ্টিক অর্থনীতির প্রেক্ষাপট আজ বেশ দুর্বল এবং মার্কেটে এমনিতেই খুব বেশি সক্রিয় ট্রেডিং দেখা যাচ্ছে না। ইউরো ট্রেডিংয়ের জন্য ভালো একটি রেঞ্জ হচ্ছে 1.1527-1.1531। ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3096-1.3107 রেঞ্জের মধ্যে ট্রেড করছে এবং মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জের রয়েছে। বর্তমানে মার্কেটে ভোলাটিলিটি খুবই কম, যদিও আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন গুরুত্ব বেশ উল্লেখযোগ্য — ট্রেডিংয়ের সময় এই বিষয়টি বিবেচনায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
Read more: https://ifxpr.com/48yc8BQ
-
আবারও চাপের মুখে মার্কিন ডলার
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1614148558.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন ডলার একাধিক ঝুঁকিপূর্ণ মুদ্রার বিপরীতে তীব্রভাবে দরপতনের শিকার হয়েছে, যার পেছনে অন্যতম বড় কারণ হচ্ছে সরকারি কার্যক্রম শাটডাউনের পূর্ব মুহূর্তে মার্কিন ভোক্তাদের আস্থা হ্রাসের স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা ক্রমাগত নেতিবাচক হচ্ছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সেপ্টেম্বরে খুচরা বিক্রয় মাত্র 0.2% বেড়েছে। এর চেয়েও উদ্বেগজনক তথ্য এসেছে কনফারেন্স বোর্ড থেকে—যেখানে দেখা গেছে, ভোক্তা আস্থা সূচক গত সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে। অক্টোবরের 95.5 থেকে নভেম্বরে এটি কমে হয়েছে 88.7, যা অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি পতন এবং ডলারের জন্য নেতিবাচক। এই তথ্যগুলো ট্রেডারদের মধ্যে উদ্বেগের ঢেউ সৃষ্টি করেছে। তারা আশঙ্কা করছেন যে, ভোক্তা ব্যয়ে এই মন্থরতা হয়তো বৃহত্তর অর্থনৈতিক মন্দার ইঙ্গিত বহন করছে। এই খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই ডলার ইউরো এবং পাউন্ডের মতো প্রধান মুদ্রার বিপরীতে দরপতনের শিকার হয়। এতে করে ট্রেডাররা ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ নীতিমালা পুনর্মূল্যায়ন করা শুরু করেছেন, এবং অনেকেই ধারণা করছেন যে অর্থনীতিকে চাঙা রাখতে ফেড সুদের হার কমানোর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে পারে। খুচরা বিক্রয় হ্রাস ও নিম্নমুখী ভোক্তা আস্থা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতার উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। প্যান্থিয়ন ম্যাক্রোইকোনোমিক সের মতে, "গত কয়েক বছরের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি ছিল ভোক্তা ব্যয়—তাই এই সূচকের দুর্বল ফলাফল এখন বহু প্রশ্ন সৃষ্টি করছে।" ভোক্তারা দামী পণ্য কম কিনছেন এবং মূল্যছাড়ের খোঁজে রয়েছেন—এটাই বাস্তবতা বোঝাতে যথেষ্ট। ক্রেডিট সংস্থা ট্রান্সইউনিয়নের মতে, অর্ধেকেরও বেশি আমেরিকান এই ছুটির মৌসুমে অন্তত গত বছরের সমপরিমাণ খরচ করবেন বলে প্রত্যাশা করছেন। তবে এটি মূলত মূল্যস্ফীতির কারণে হতে পারে, কারণ কিছু কোম্পানি শুল্কের প্রভাবে ব্ল্যাক ফ্রাইডে ছাড় কমাতে বাধ্য হচ্ছে। এদিকে, সুদের হার কমানো হবে কি না তা নিয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এখনো মতবিভেদ রয়েছে। কারণ একদিকে তারা কর্মসংস্থান বাজারের ভবিষ্যত নিয়ে বিতর্কে ব্যস্ত, অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার উপরে রয়ে গেছে। সরকারি কার্যক্রমে শাটডাউনের কারণে তারা ডিসেম্বরের মাঝামাঝি নির্ধারিত বৈঠকের আগে মাসিক ভিত্তিক কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি বা ব্যয়-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পাবে না।
বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এখন এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1600 লেভেলে নিয়ে আসার কৌশল সম্পর্কে ভাবতে হবে। কেবল তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যের 1.1630-এর লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে পারবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1655 পর্যন্ত বাড়তে পারে, তবে বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এটি করা কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1675 লেভেল। যদি ইন্সট্রুমেন্টটির মূল্য কমে যায়, তাহলে আমি মূল্য 1.1575 লেভেলের কাছাকাছি থাকা অবস্থায় বড় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা রাখব। যদি মূল্য এই লেভেলে থাকা অবস্থায় কেউ সক্রিয় না হয়, তাহলে মূল্য 1.1550-এ নেমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই উচিত হবে, অথবা 1.1520 থেকে নতুন লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। বর্তমানে GBP/USD-এর টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এখন 1.3211-এর নিকটবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেলটি ব্রেক করাতে হবে। কেবল এই লেভেলটি ব্রেক করলেই পাউন্ডের মূল্যের 1.3244-এর দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে, যা ব্রেকআউট করে উপরের দিকে যাওয়াটা অপেক্ষাকৃত কঠিন হবে। দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3275 লেভেল। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তবে বিক্রেতারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3180 লেভেলের নিচে নেয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা তা সফলভাবে করতে পারে, তাহলে এই রেঞ্জ ব্রেকের ফলে সেটি ক্রেতাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3155-এ নেমে যাবে, পরে সম্ভাব্যভাবে 1.3125 লেভেলের দিকে যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/48olAqg
-
২৭ নভেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1016065873.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার অত্যন্ত অল্পসংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং এর কোনোটিই তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। মূলত, যদি পুরো দিনের সামষ্টিক প্রেক্ষাপটকে বিশ্লেষণ করা হয়, তাহলে তা শুধুমাত্র জার্মানির কনজিউমার কনফিডেন্স ইনডেক্স বা ভোক্তা আস্থা সূচক পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। এটি স্পষ্ট যে, এই প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কেটে স্বল্পমাত্রার প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে এবং সামগ্রিক পরিস্থিতিতে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে না। যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র—এই তিন অঞ্চলের ইভেন্ট ক্যালেন্ডার আজ তেমন কিছুই নেই।
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবার অল্প কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) প্রতিনিধি চিপোলোন, ডে গুইন্দোস এবং মাচাডোর বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হবে; তবে এটি উল্লেখযোগ্য যে, বর্তমানে ট্রেডারদের মধ্যে ইসিবির পদক্ষেপের ব্যাপারে বিশেষ কোনো প্রশ্ন বা উদ্বেগ নেই। ইসিবি ইতোমধ্যে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে সফলভাবে লড়াই করেছে, তাই বর্তমানে তাদের কাছে মূল্যস্ফীতির উচ্চ হার কোনো সমস্যা নয়। এ ক্ষেত্রে, ফেডারেল রিজার্ভ বা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের অবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ফলে, সুদের হার বাড়ানোর বা কমানোর কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। আজ ব্যাংক অব ইংল্যান্ড বা ফেডের প্রতিনিধিদের কারো কোনো বক্তৃতা নির্ধারিত নেই। উপসংহার: সপ্তাহের শেষ দিকের ট্রেডিংয়ে—অর্থাৎ বৃহস্পতিবার—উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ বর্তমানে উভয় পেয়ারের ক্ষেত্রেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। ইউরোর জন্য 1.1571-1.1584 লেভেলে একটি কার্যকর ট্রেডিং এরিয়া দেখা যাচ্ছে, যেখানে গতকালই একটি বাই সিগন্যাল তৈরি হয়েছিল। ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে 1.3259 লেভেলটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। গতকাল মার্কেটে অস্থিরতার পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ছিল, এবং আমরা কেবল আশা করতে পারি যে আজ নতুন করে আরেকবার ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক ট্রেডিং শুরু হবে না।
Read more: https://ifxpr.com/4ikI5AS
-
২৮ নভেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1246918827.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে, এবং এসব প্রতিবেদন জার্মানি থেকে প্রকাশিত হবে। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, জার্মানি ইউরোপীয় অর্থনীতির "ইঞ্জিন" হিসেবে পরিচিত — এমন এক "ইঞ্জিন" যেটি বিগত কয়েক বছরে থেমে গিয়েছিল। তাই জার্মানির যেকোনো মূল অর্থনৈতিক প্রতিবেদন শর্তসাপেক্ষে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। আজ দেশটিতে বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি এবং খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলো একসাথে প্রকাশিত হবে না, বরং দিনটির প্রথমার্ধজুড়ে ধাপে ধাপে প্রকাশিত হবে — যার ফলে মার্কেটে দিনের প্রথমার্ধে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবার কোনো উল্লেখযোগ্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। সম্প্রতি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি), ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিদের বক্তব্যগুলোর মধ্যেও ট্রেডারদের উপর প্রভাব বিস্তার করার মতো তেমন উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, ইসিবি ইতোমধ্যেই মুদ্রাস্ফীতিকে ২%-এর আশেপাশে স্থিতিশীল করতে সফল হয়েছে, তাই বর্তমানে মুদ্রানীতি পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা নেই। ব্যাংক অব ইংল্যান্ড এ বছর চতুর্থবারের মত মূল সুদের হার হ্রাস করতে পারে, তবে মুদ্রাস্ফীতি এখনও উচ্চ পর্যায়ে থাকায়, শিগগিরই আরও দ্রুত সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা ক্ষীণ। অপরদিকে ফেডের পদক্ষেপ এখনো অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসের শ্রমবাজার, বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ওপর নির্ভর করছে, যেগুলো এখনো প্রকাশিত হয়নি। উপসংহার: সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকতে পারে, কারণ উভয় পেয়ারের মূল্যেরই ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। ইউরোর জন্য 1.1571-1.1584 এরিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং এরিয়া হিসেবে অবশ্যই বিবেচনায় নেওয়া উচিত, যেখানে গত দুই দিনে একাধিক বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য 1.3259 একটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল এবং 1.3203-1.3211 একটি কার্যকর ট্রেডিং এরিয়া। শুক্রবার মার্কেটে আবারও সীমিত মাত্রার অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3XSVM0m
-
ইসিবি কর্মকর্তারা উদ্বেগের কিছু দেখছেন না
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1218665516.jpg[/IMG]
নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর পদক্ষেপের ফলে ইউরো এখনও সৃষ্ট চাপ মোকাবিলা করতে সক্ষম হচ্ছে। আজ এক সাক্ষাৎকারে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য জোয়াকিম নাগেল জানিয়েছেন, তিনি ইসিবির আর্থিক নীতিমালা নিয়ে সন্তুষ্ট। সোমবার সিওলে দেওয়া ভাষণে সম্প্রতি ইসিবি প্রতিনিধিদের প্রমিত অবস্থান তুলে ধরে বুন্ডেসব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বলেন, "আমাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমানে সুদের হার একটি ভাল পর্যায়ে রয়েছে। ইসিবির আর্থিক নীতিমালা বর্তমানে সামগ্রিকভাবে নিরপেক্ষ।" নাগেলের এমন এক সময় এই মন্তব্য করেছে, যখন ইউরোজোনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কিছু বিশ্লেষকের মতে, বর্তমান স্তরে সুদের হার বজায় রাখার মাধ্যমে ইসিবি ঝুঁকি নিচ্ছে—বিশেষত ঋণে ভারাক্রান্ত দেশগুলোর অর্থনীতি চাপে পড়তে পারে। তবে নাগেল জোর দিয়ে বলেন, ইসিবির প্রধান অগ্রাধিকার হল মূল্যস্ফীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বর্তমান আর্থিক নীতিমালা সেই লক্ষ্য পূরণের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। প্রত্যাশিতভাবেই, এই অবস্থানের ফলে মার্কেটে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একদিকে, রক্ষণশীল বিনিয়োগকারীরা মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইসিবির প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়েছে। অন্যদিকে, নমনীয় আর্থিক নীতিমালার সমর্থকরা আশঙ্কা করছেন যে এটি আরও দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে। ইসিবির নীতিনির্ধারকরা এখন বছরের শেষ বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিনিয়োগকারী ও অর্থনীতিবিদরা ব্যাপকভাবে আশা করছেন যে, টানা চতুর্থবারের মতো সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হবে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি যখন ২%-এর আশেপাশে রয়েছে এবং মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাব সত্ত্বেও ইউরোজোনের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে, তখন বেশিরভাগ নীতিনির্ধারকই এই নিরপেক্ষ অবস্থানে সন্তুষ্ট। তবে এই দৃশ্যত শান্ত পরিস্থিতির আড়ালে আগামী দিনের নীতিনির্ধারণ নিয়ে বিতর্ক তীব্রতর হচ্ছে। যদিও বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, উৎপাদন খাতসহ সামগ্রিক দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। গভর্নিং কাউন্সিল কয়েকজন সদস্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতার লক্ষণগুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণের এবং আগামী বছর নীতিমালা নমনীয় করার প্রস্তুতি রাখার পক্ষপাতী। একই সময়ে, রক্ষণশীল গোষ্ঠী আগেভাগে উদযাপন থেকে সতর্ক থাকতে বলছে। তারা জ্বালানি মূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মতো বাকি থাকা ঝুঁকিগুলোর দিকে ইঙ্গিত করছে—বিশেষ করে বাণিজ্য শুল্কের প্রভাব মুদ্রাস্ফীতিকে নিরবিচারে প্রভাবিত করতে পারে। তাদের মতে, মূল্যস্ফীতির স্থিতিশীলতার উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত—এমনকি যদি তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সীমিত পর্যায়ে মন্থরতা ডেকে আনে তা হলেও। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা উৎপাদন কার্যক্রমের হ্রাস ও ভোক্তা মূল্যের ঊর্ধ্বগতির সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে উদ্বিগ্ন। ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিতব্য নতুন পূর্বাভাসে দেখা যেতে পারে যে ২০২৬ ও ২০২৭ সালে মুদ্রাস্ফীতি ২%-এর নিচে থাকবে—যা ডিসেম্বরেই সুদের হারের সম্ভাব্য হ্রাস অথবা পরের বছরে ব্যাপক নমনীয়করণের প্রস্তাবকে জোরালো করতে পারে। নাগেল জানান এই পূর্বাভাসে "২০২৮ সালের প্রাথমিক পূর্বাভাস অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই পূর্বাভাসের ভিত্তিতে, আমরা নির্ধারণ করতে পারব যে মধ্যমেয়াদে মুদ্রাস্ফীতির আমাদের লক্ষ্যমাত্রার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা কতটুকু বজায় রয়েছে।" ইতিপূর্বে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে গত সপ্তাহে ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ড বলেছেন, ইসিবি বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে, কারণ বর্তমানে ঋণের ব্যয় উপযুক্ত স্তরে রয়েছে। EUR/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, এখন ক্রেতাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এই পেয়ারের মূল্যের 1.1615 লেভেল ব্রেক করানো। কেবলমাত্র এই লেভেল ব্রেক করতে পারলেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1635 লেভেলে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। সেখান থেকে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1655 পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যদিও মার্কেটের বড় ট্রেডারদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যের সেখানে পৌঁছানো কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হলো 1.1675-এর লেভেল। যদি ট্রেডিং ইনস্ট্রুমেন্টটির মূল্য কমে যায়, তাহলে আমি মূল্য 1.1585 এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার আশা করছি। যদি মূল্য সেখানে থাকা অবস্থায় মার্কেটে কেউ এন্ট্রি না করে, তাহলে মূল্যের 1.1560 লেভেলে পুনরায় নেমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা, কিংবা 1.1530 থেকে লং পজিশন ওপেন করাই বুদ্ধিমানের হবে। GBP/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যের প্রাথমিক রেজিস্ট্যান্স 1.3240 ব্রেক করাতে হবে। কেবলমাত্র এতে সফল হলে তারা মূল্যকে 1.3265 এর লক্ষ্যমাত্রায় নিয়ে যেতে পারবে, যার উপরে ব্রেকআউট করা যথেষ্ট কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হলো 1.3300 লেভেল। যদি এই পেয়ারের মূল্য কমে যায়, তাহলে মূল্য 1.3210-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করবে। তারা যদি এতে সফল হয়, তাহলে এই রেঞ্জের ব্রেকআউট হলে সেটি ক্রেতাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3185-এর দিকে নেমে যেতে পারে, যেখানে সম্ভাব্য পরবর্তী গন্তব্য হিসেবে মূল্য 1.3155-এর দিকে যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3Y0xsd4
-
২ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/339065784.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আজ ইউরোজোনে ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI) এবং বেকারত্বের হার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন, তবে শুধুমাত্র পূর্বাভাস ও মূল ফলাফলের মধ্যে অপ্রত্যাশিত এবং বড় ধরনের কোনো বিচ্যুতির ক্ষেত্রে মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি) সুদের হার কমানোর পদক্ষেপ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে বলে ৯৯% সম্ভাবনা রয়েছে, তাই কেবলমাত্র মূল্যস্ফীতি শক্তিশালীভাবে বৃদ্ধি বা হ্রাস পেলেই সুদের হার সংক্রান্ত পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করা হয়তে পারে। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে আজ তেমন কিছুই নেই।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/511691023.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবারও খুব কম সংখ্যক ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট তালিকাভুক্ত রয়েছে। রাতের বেলায় ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের একটি বক্তব্য প্রত্যাশিত ছিল, তবে এখন পর্যন্ত তা নিয়ে কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি এবং মার্কেটের মুভমেন্ট থেকে ধারণা করা যাচ্ছে, পাওয়েল সম্ভবত উল্লেখযোগ্য কিছু বলেননি। মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে, ফেডের পরবর্তী নীতিনির্ধারণী বৈঠক ১০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে; আর বর্তমানে মূল্যস্ফীতি, শ্রম বাজার বা বেকারত্ব সংক্রান্ত কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন নেই। ১০ ডিসেম্বরের আগে এই ধরনের প্রাসঙ্গিক কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে কি না, সেটাও অনিশ্চিত। এছাড়াও, ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সদস্য মিশেল বোম্যানের একটি বক্তব্য প্রত্যাশিত রয়েছে, যিনি সাম্প্রতিক সময়ে নমনীয় আর্থিক নীতিমালার পক্ষে কথা বলেছেন। সামগ্রিকভাবে ট্রেডাররা ধরে নিচ্ছে যে, ফেড ২০২৫ সালে তৃতীয়বারের মতো সুদের হার কমাবে, তবে শ্রম বাজার ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন ছাড়া ফেড এমন ঝুঁকি নেবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। উপসংহার: সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিদ্যমান থাকবে, কারণ উভয় পেয়ারের মূল্যের ক্ষেত্রেই বুলিশ প্রবণতা শুরু হয়েছে। ইউরোর জন্য একটি চমৎকার ট্রেডিং রেঞ্জ হলো 1.1571-1.1584, যেখানে সাম্প্রতিক সময়েই একাধিক বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডিং রেঞ্জ হলো 1.3203-1.3211 এবং এটির মূল্য বর্তমানে একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জে রয়েছে। মঙ্গলবার মার্কেটে অস্থিরতার মাত্রা কম থাকতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/48fL22p
-
৩ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/793207390.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: প্রথম নজরে মনে হতে পারে যে, মঙ্গলবার অনেকগুলো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তবে বাস্তবিকপক্ষে, এগুলোর অধিকাংশই এই মুহূর্তে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বা আগ্রহজনক নয়। মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে, চলতি সপ্তাহেই মার্কেটের ট্রেডাররা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ISM সূচক, এবং ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্ব সম্পর্কিত প্রতিবেদনের ফলাফল সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করেছে। সেক্ষেত্রে, জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের পরিষেবা খাতের PMI সূচকের দ্বিতীয় আনুমানিক ফলাফলগুলো এবার মার্কেটে আদৌ কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে— এমন সম্ভাবনা খুবই কম। তাই এই প্রতিবেদনগুলোকে আত্মবিশ্বাসের সাথে উপেক্ষা করাই যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হচ্ছে। আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অল্প কয়েকটি প্রতিবেদনই কিছুটা আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারে— যার মধ্যে রয়েছে ADP শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন, ISM পরিষেবা কার্যক্রম সূচক এবং শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। অবশ্যই এটি উল্লেখযোগ্য যে, এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের প্রভাবেও মার্কেটে সম্পূর্ণরূপে অযৌক্তিক বা অনিশ্চিত মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, তাই এগুলোকে একবারে উপেক্ষা করাও উচিত হবে না। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবার অল্প কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত আছে, তবে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু নেই। যদিও ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে এবং প্রধান অর্থনীতিবিদ ফিলিপ লেইনের বক্তব্য মার্কেটে প্রভাব ফেলতে পারে, তারপরও এটাও মনে রাখা দরকার যে, বর্তমানে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) আর্থিক নীতিমালা নিয়ে ট্রেডারদের মধ্যে কোনো প্রশ্ন বা সংশয় নেই। ইসিবি ইতোমধ্যে মূল সুদের হার হ্রাস করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে, এবং এমনকি গতকাল মুদ্রাস্ফীতির সামান্য বৃদ্ধি পেলেও ইসিবি আবারও নীতিমালা পরিবর্তনে তাড়াহুড়ো করবে বলে মনে হচ্ছে না। অপরদিকে, ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিগণ এখন "নিরব থাকার ভূমিকা" পালন করছেন। আগামী সপ্তাহেই ফেডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, তাই এই মুহূর্তে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সদস্যবৃন্দ আর্থিক নীতিমালা নিয়ে কোনোরূপ মন্তব্য করার অনুমতি পাচ্ছেন না।
উপসংহার: সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, EUR/USD এবং GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করতে পারে, যেহেতু দুই পেয়ারের মূল্যেরই এই মূহূর্তে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ইউরোর জন্য 1.1655–1.1666 লেভেলে গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং এরিয়া বিদ্যমান, যেখানে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে, ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বর্তমানে 1.3203–1.3211 লেভেলের মধ্যে একটি রেঞ্জে অবস্থান করছে। বুধবার মার্কেটে অস্থিরতার মাত্রা কম থাকতে পারে, তবে মার্কেটে ট্রেডিং সেশনের সময় কিছু আবেগপ্রবণ স্বল্পমেয়াদী মূল্য বৃদ্ধি দেখা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3Kl1W6z
-
৪ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1439705082.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার তুলনামূলকভাবে কমসংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং এর মধ্যে কোনো প্রতিবেদনই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত নয়। যুক্তরাজ্যে নির্মাণ খাতভিত্তিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক প্রকাশিত হবে। ইউরোজোনে খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রাথমিক বেকারভাতা আবেদনের পরিসংখ্যান প্রকাশিত হবে। আমরা মনে করি, এমনকি নতুন ট্রেডাররাও বুঝতে পারছেন যে, এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের মার্কেটে খুব একটা শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার সম্ভাবনা নেই। এই সপ্তাহে ইতোমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প ও পরিষেবা খাতভিত্তিক ISM ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকগুলোর ফলাফল মিশ্র গতিশীলতার ইঙ্গিত দিয়েছে, অন্যদিকে নভেম্বর মাসে বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থান পরিবর্তন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ADP প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল ছিল। অতএব, সম্ভাবনা রয়েছে যে, ফেডারেল রিজার্ভ ২০২৫ সালে তৃতীয়বারের মতো মূল সুদের হার কমাবে। এটি মার্কিন ডলারের দরপতনের আরেকটি কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবার কিছু ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত থাকলেও, এগুলোর কোনোটিই গুরুত্বপূর্ণ নয়। হ্যাঁ, লুইস দে গুইন্ডোস এবং ফিলিপ লেনের বক্তব্য কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হতে পারে, কিন্তু মনে রাখতে হবে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) আর্থিক নীতিমালার ব্যাপারে বর্তমানে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নেই, যা মার্কেটের ট্রেডারদের উদ্বিগ্ন করতে পারে। ইসিবি ইতোমধ্যেই নীতিমালা নমনীয়করণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে, এবং ইউরোজোনে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ কিছুটা বাড়লেও, এটি ইসিবিকে মূল সুদের হার পরিবর্তনের বিষয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে—এমন সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। ফেডের প্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে, বর্তমানে তাঁরা "নীরব থাকছেন"। কারণ, ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী বৈঠক আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে, তাই এখন আর্থিক নীতিমালা নিয়ে ফেডের কোনো কর্মকর্তাই মন্তব্য করতে পারবেন না। উপসংহার: সপ্তাহের শেষ দিকের ট্রেডিংয়ে, দুটি কারেন্সি পেয়ারের মূল্যেরই ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ দুই ক্ষেত্রেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠনের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। ইউরোর জন্য 1.1655-1.1666 একটি চমৎকার ট্রেডিং এরিয়া, অন্যদিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং জোন হচ্ছে 1.3329-1.3331। যেহেতু আজ কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, সেহেতু বৃহস্পতিবারে অস্থিরতার মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/445ZR53
-
-
সবাই ফেডের আসন্ন বৈঠকের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1545190438.jpg[/IMG]
চলতি সপ্তাহের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী EUR/USD পেয়ারের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে এমন খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। প্রাসঙ্গিক প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে রয়েছে অক্টোবর মাসের JOLTS কর্মসংস্থান এবং সাপ্তাহিক বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। তবে এর মানে এই নয় যে সপ্তাহটি বেশ শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করবে। বরং, মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা বাড়তে যাচ্ছে, কারণ সপ্তাহের মাঝামাঝি বুধবার ফেডারেল রিজার্ভের ডিসেম্বরের বৈঠকের সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হবে। তাই পুরো সপ্তাহটিকে দুটি অংশে ভাগ করা যায়: বৈঠকের আগ মুহূর্ত এবং বৈঠকের পর। বৈঠকের আগে ট্রেডাররা এই বৈঠকের প্রত্যাশার দিকে মনোযোগ দেবে, এবং পরবর্তীতে প্রকাশিত ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিক্রিয়া জানাবে । অন্যান্য সকল মৌলিক অনুঘটক কিছুটা অন্তরালে থাকবে। আগেও উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কেটের ট্রেডারদের মধ্যে প্রায় সকলেই নিশ্চিত যে ফেড এই মাসে ফেডারেল সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমাবে। CME ফেডওয়াচের তথ্য অনুসারে, এই সম্ভাবনার হার বর্তমানে ৮৬.২%-এ দাঁড়িয়েছে। ফেডের বোর্ডের সদস্য ক্রিস্টোফার ওয়ালার, স্টিফেন মিরান, মিশেল বোম্যান, নিউ ইয়র্ক ফেড প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস এবং সান ফ্রান্সিসকো ফেড প্রেসিডেন্ট মেরি ডেইলির মতো বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি সুদের হার কমানোর পক্ষে বক্তব্য রেখেছেন, যা বিভিন্ন সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক দ্বারা সমর্থিত—যেগুলো নিয়ে নিচে বিশ্লেষণ করা হবে। তবে এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, সুদের হার হ্রাসের সিদ্ধান্তটি সর্বসম্মত হবে না। গত দুই থেকে তিন সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেশ কয়েকজন প্রতিনিধি—যেমন সুসান কলিন্স, লরি লোগান, বেথ হ্যাম্যাক এবং জেফ শমিড—আরও সতর্ক অবস্থানের পক্ষে মত দিয়েছেন এবং বলেছেন সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা উচিত। তাঁদের যুক্তি, মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি এবং সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত নন-ফার্ম পে-রোল প্রতিবেদনের কিছু ইতিবাচক উপাদান সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল বর্তমানে অনেকটাই নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করেছেন এবং এ বিষয়ে মুখ বন্ধ রেখেছেন। আমার দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, ডিসেম্বরের বৈঠকের মূল রহস্য ফেডের মুদ্রানীতির ভবিষ্যৎ নমনীয়করণের গতিপথে লুকিয়ে আছে। বৈঠকের তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রায় পূর্বনির্ধারিত। যেমন, রয়টার্স পরিচালিত এক জরিপে অংশ নেওয়া ১০৮ জন অর্থনীতিবিদের মধ্যে ৮৯ জন মনে করেন যে ডিসেম্বর মাসেই ফেড সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমাবে। তবে তাঁদের মধ্যে মাত্র ৫০ জন মনে করছেন যে ফেড আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকেই আরেকবার সুদের হার কমাতে পারে। CME ফেডওয়াচের তথ্য অনুসারে, যদি ডিসেম্বরেই একবার সুদের হার কমানো হয়, তাহলে জানুয়ারিতে সুদের হার আরও একবার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমানোর সম্ভাবনা দাঁড়ায় মাত্র ২৫%। সেক্ষেত্রে মার্চে সুদের হার হ্রাসের ৪০% সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং, যদি ডিসেম্বরের বৈঠকের ফলাফল প্রকাশের পর পরবর্তী কোনো বৈঠকে ফেড সুদের হার আরও কমানোর ইঙ্গিত দেয়, তাহলে ডলারের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে, কারণ এখন পর্যন্ত ট্রেডাররা ধারণা করছে যে ফেড ডিসেম্বরে সুদের হার কমালেও তা থেকে "ডোভিশ বা নমনীয়" নীতিমালা প্রণয়নের খুব বেশি ইঙ্গিত পাওয়া যাবে না।
বর্তমান চিত্র অনুযায়ী, ফেডের ডিসেম্বরের বৈঠকের ফলাফল মার্কেটে উল্লেখযোগ্য অস্থিরতা সৃষ্টি করবে — তবে তা ডলারের পক্ষে যাবে না বিপক্ষে, সেটিই এখনো অনিশ্চিত। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, H4 টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্য বলিঙ্গার ব্যান্ডের মধ্যম ও নিম্ন লাইনের মধ্যবর্তী অঞ্চলে, কুমো ক্লাউডের ওপরে, এবং টেনকান-সেন ও কিজুন-সেন লাইনের মাঝখানে অবস্থান করছে। D1 টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের বলিঙ্গার ব্যান্ডের মধ্যম ও উপরের লাইনের মাঝামাঝি, টেনকান এবং কিজুন লাইনের ওপরে, তবে কুমো ক্লাউডের ভেতরে অবস্থান করছে। লং পজিশন ওপেন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে D1 টাইমফ্রেমে ক্রেতাদের EUR/USD-এর মূল্যের বলিঙ্গার ব্যান্ডের মধ্যম লাইন 1.1650-এর ওপরে ব্রেক করানো প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে, এই পেয়ারের মূল্য H4-এ বলিঙ্গার ব্যান্ডের মধ্যম ও উপরের লাইনের মাঝখানে, এবং সকল ইচিমোকু লাইনের ওপরে পৌঁছে যাবে — যেটি "প্যারেড অব লাইন্স" পাট্যার্নের মাধ্যমে বুলিশ প্রবণতা গঠনের ইঙ্গিত দেবে। এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1690 (H4-এ বলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন) এবং 1.1730 (D1-এ কুমো ক্লাউডের উপরের সীমা)।
Read more: https://ifxpr.com/4a33SuU
-
রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার ডিসেম্বর বৈঠকের প্রাক-পর্যালোচনা
চলতি বছর রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার চূড়ান্ত বৈঠকটি মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত৬ হবে। এই বৈঠকের সম্ভাব্য ফলাফল ইতিমধ্যেই মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করেছে। সম্প্রতি শ্রমবাজার এবং মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর এখন এটি মোটামুটি নিশ্চিত যে অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতি অপরিবর্তিত রাখবে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত জিডিপি ও বাণিজ্য ঘাটতির প্রতিবেদনগুলোও এই ধারণা নিশ্চিত করেছে। তবে এর মানে এই নয় যে ডিসেম্বরে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার অনুষ্ঠেয় বৈঠক "আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।" ট্রেডাররা রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আগ্রহী থাকবেন। পূর্বে মার্কেটে দুটি মূল সম্ভাবনার কথাই বিবেচনা করা হচ্ছিল—সুদের হার হ্রাস বা বর্তমান সুদের হার বহাল রাখা। তবে এখন কিছু বিশেষজ্ঞ তৃতীয় একটি সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না, যা এর আগে খুব অল্পই সম্ভবপর বলে মনে হচ্ছিল: সেটি হচ্ছে সুদের হার বৃদ্ধি। নভেম্বরের শেষদিকে অক্টোবর মাসের মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই আগামী বছরে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে মুদ্রানীতি কঠোর করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। উল্লেখযোগ্য যে, এই প্রতিবেদন প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই অস্ট্রেলিয়ান ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিকস সিদ্ধান্ত নেয় যে তাঁরা এখন থেকে ত্রৈমাসিকের বদলে মাসিক ভিত্তিতে অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশ করবে। উক্ত প্রতিবেদনের ফলাফল অনুযায়ী, বার্ষিক ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ার ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI) বৃদ্ধি পেয়ে ৩.৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যেখানে বেশিরভাগ বিশ্লেষক সূচকটি ৩.৬ শতাংশের কাছাকাছি থাকবে বলে প্রত্যাশা করেছিল। এছাড়াও, সামগ্রিকভাবে শুধুমাত্র জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী হয়নি —বরং আবাসন (৫.৯%), খাদ্য ও অ্যালকোহলবিহীন পানীয় (৩.২%), এবং বিনোদন ও সংস্কৃতি (৩.২%) খাত থেকেও বড় ধরনের প্রভাব এসেছে। ট্রিমড মিন সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৩ শতাংশে, যা ৩ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার উপরে অবস্থান করছে। এই প্রতিবেদন প্রসঙ্গে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর মিশেল বুলক স্বীকার করেছেন যে, মূল্যস্ফীতি এবারও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা (২-৩ শতাংশ) ছাড়িয়ে রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। এর পরেই মার্কেটে আলোচনা শুরু হয়—যদি মূল্যস্ফীতি হ্রাস না পায়, তাহলে আগামী বছরে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। অতএব, ডিসেম্বরের বৈঠকের পর রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া হয়তো তাদের অবস্থান কিছুটা কঠোর করতে পারে এবং ঘোষণা দিতে পারে যে, আলোচিত বিভিন্ন নীতির মধ্যে কঠোর মুদ্রানীতির বিকল্পটি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল, "তবে আপাতত বর্তমান নীতিমালা বজায় রাখা যুক্তিযুক্ত হবে"। এ ধরনের 'হকিশ বা কঠোর' (মার্কেটের ট্রেডারদের ভাষায়) অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত অস্ট্রেলিয়ান ডলারের জন্য সহায়ক হতে পারে। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া এই ধরনের রণকৌশল গ্রহণ করতে পারে তা অনুমান করা যায় মূলত কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্বল্পমেয়াদী অর্থনৈতিক সূচকের প্রেক্ষিতে। কেবল ভোক্তা মূল্য সূচক বা CPI নয়—অস্ট্রেলিয়া শ্রম বাজারেও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। অক্টোবর মাসে দেশটির বেকারত্বের হার কমে ৪.৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যেখানে পূর্বানুমান ছিল ৪.৪ শতাংশ। একইসঙ্গে কর্মসংস্থান বেড়েছে ৪২,০০০—যেখানে পূর্বানুমান ছিল মাত্র ২০,০০০ বৃদ্ধির। টানা দুই মাস ধরে এই সূচক বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা এপ্রিলের পর এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, এই বৃদ্ধি হয়েছে মূলত পূর্ণকালীন চাকরির কারণে; খণ্ডকালীন কর্মসংস্থানে এখনও নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে (+৫৫.৩/−১৩.১ হাজার)। অস্ট্রেলিয়ার জিডিপি তৃতীয় প্রান্তিকে আগের প্রান্তিকের তুলনায় ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রথম প্রান্তিকে এটি ০.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল, দ্বিতীয়তে ০.৬ শতাংশ এবং তৃতীয় প্রান্তিকে আবার ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। বার্ষিক ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতি ২.১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছিল, যেখানে আগের প্রান্তিকে তা ছিল ১.৮ শতাংশ। এটি গত দুই বছরে সর্বোচ্চ। উপরন্তু, এই প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে কারণ পরপর চতুর্থ প্রান্তিকে এই সূচকে ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। অক্টোবর মাসে অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বেড়ে AUD ৪.৩৮৫ বিলিয়নে পৌঁছেছে, যেখানে আগের মাসে তা ছিল AUD ৩.৯৩৮ বিলিয়ন। ব্যবসায়িক খাতে ক্রেডিটের পরিমাণ মাসিকভিত্তিতে ০.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে (পূর্বাভাস ছিল ০.৬ শতাংশ)। বার্ষিক ভিত্তিতে এটি বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.৩ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৭.২ শতাংশ। অর্থাৎ, ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া নিশ্চিতভাবেই সব ধরনের নীতিমালা অপরিবর্তিত রাখবে এবং 'অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের' অবস্থান গ্রহণ করবে। তবে গভর্নর বুলকের পূর্ববর্তী মন্তব্য বিবেচনায়, রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নেওয়ার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ধারণাগতভাবে, ২০২৪ সালে সুদের হার বৃদ্ধি করা হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার উল্লেখযোগ্যভাবে সহায়তা পেতে পারে, কারণ মার্কেটে বর্তমানে এমন পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হয়নি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1858571545.jpg[/IMG]
AUD/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ দৈনিক টাইমফ্রেমে AUD/USD পেয়ারের মূল্য বর্তমানে 0.6650-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেলে পৌঁছেছে, যা বোলিঙ্গার ব্যান্ডস ইন্ডিকেটরের আপার ব্যান্ডের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এই পেয়ারের মূল্য এখনো ইচিমোকু ইন্ডিকেটরের সব লাইনের উপরে অবস্থান করছে এবং সেখানে একটি বুলিশ "প্যারেড অফ লাইন্স" সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। একই রকম প্যাটার্ন W1 টাইমফ্রেমেও গঠিত হয়েছে। এই টেকনিক্যাল কাঠামো কারেকশনের অংশ হিসেবে পুলব্যাক চলাকালীন সময়ে মার্কেটে লং পজিশনে এন্ট্রির সুযোগ প্রদান করছে। এই ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা হলো 0.6650। যদি ক্রেতারা এই পেয়ারের মূল্যকে এই লেভেলটি অতিক্রম করাতে সক্ষম হয়, তাহলে পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে 0.6710, যা সেপ্টেম্বর মাসে গঠিত বার্ষিক সর্বোচ্চ লেভেল।সাপোর্ট এরিয়ায় সংশ্লিষ্ট সিগন্যাল গঠিত হলে লং পজিশন নেওয়া যেতে পারে। শর্ট পজিশনের সম্ভাবনা সীমিত থাকবে এবং তা কেবল রেজিস্ট্যান্স এরিয়ায় রিভার্সাল সিগন্যাল গঠনের পর কার্যকর হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4iU1vNq
-
ফেডের কাছ থেকে কী প্রত্যাশা করা যায়: সম্ভাব্য প্রধান দুটি দৃশ্যপট
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1124036340.jpg[/IMG]
বুধবারের বৈঠকে ফেড যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে তা আগামী কয়েক সপ্তাহ (বা এমনকি মাস) জুড়ে মার্কিন ডলারের মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণ করতে পারে। ডিসেম্বরের বৈঠকটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অভ্যন্তরীণ বিভেদের মধ্যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে মুদ্রানীতি নমনীয়করণের গতি নির্ধারণে সুস্পষ্ট একটি অবস্থান গ্রহণ করতে হবে। প্রথমত, এটি লক্ষ্যণীয় যে ডিসেম্বর বৈঠকের আনুষ্ঠানিক ফলাফল কার্যত পূর্বনির্ধারিত। CME ফেডওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমানোর সম্ভাবনা ৯০%। ফলে, এ নিয়ে মার্কেটে খুব বেশি সংশয় নেই। উক্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে তা কারও জন্য বিস্ময়কর হবে না—ট্রেডারদের মনোযোগ থাকবে ফেডের বিবৃতি ও ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বক্তব্যের উপর। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভবিষ্যতে কতটা আক্রমণাত্মকভাবে আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করা হবে তা নিয়ে ফেডের সদস্যবৃন্দ এখনো কোনো ঐকমত্য পৌঁছাতে পারেনি। রয়টার্সের জরিপে অংশ নেওয়া ১০৯ জন অর্থনীতিবিদের মধ্যে ৮৯ জনই আশা করছেন যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডিসেম্বরের বৈঠকে সুদের হার ২৫ পয়েন্ট কমাবে। তবে তাদের মধ্যে মাত্র ৫০ জন ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে আরও একবার সুদের হার কমানোর সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করছেন। CME ফেডওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে সুদের হার কমার সম্ভাবনা ২৩%, আর মার্চে তা ৩৭%। অর্থাৎ, ট্রেডাররা ডিসেম্বরে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা স্বীকার করছে কিন্তু ভবিষ্যতে আরও নমনীয়করণের সম্ভাবনা নিয়ে সংশয়ে আছে—অন্তত আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ডিসেম্বরের বৈঠকে সম্ভাব্য দুটি দৃশ্যপটের মধ্যে যেকোনো একটি দেখা যেতে পারে: হয় ফেড ট্রেডাররা প্রত্যাশা নিশ্চিত করবে এবং 'অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণ'-ভিত্তিক অবস্থান গ্রহণের ঘোষণা দেবে, অথবা ফেড ভবিষ্যতের কোনো বৈঠকে সুদের হার আরও কমানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত রেখে চমক সৃষ্টি করবে। এটি লক্ষ্যণীয় যে ফেডের সদস্যদের মধ্যে "ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থানধারী" এবং অপেক্ষাকৃত বেশি সতর্ক অবস্থানধারী—দুই পক্ষই তাদের অবস্থান সমর্থনে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে তাঁদের যুক্তি পেশ করতে পারে। ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থানধারীদের পক্ষের যুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে ISM উৎপাদন সূচকের ফলাফল, যা ৪৮.২-তে নেমে গেছে; খুচরা বিক্রি মাত্র ০.২% বৃদ্ধি পেয়েছে (যা মে মাসের পর সর্বনিম্ন); ভোক্তা আস্থা সূচক নেমেছে ৮৮.৭-তে, যা কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন; এবং শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের মিশ্র ফলাফল, যেখানে মার্কিন বেকারত্ব বেড়ে ৪.৪%-এ দাঁড়িয়েছে (যা অক্টোবর ২০২১ সালের পর সর্বোচ্চ)। এছাড়াও, রিচমন্ড ফেডের উৎপাদন সূচক হ্রাস পেয়ে -১৫ হয়েছে (যেখানে পূর্বাভাস ছিল -৫), এবং টেকসই পণ্যের অর্ডার মাত্র ০.৫% বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে আগের মাসে তা ২.৫% বৃদ্ধি পেয়েছিল। হকিশ বা কঠোর অবস্থানধারীদের যুক্তি হচ্ছে মুদ্রাস্ফীতি। যদিও এটি শক্তিশালী যুক্তি নাও হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি তুলনামূলকভাবে উচ্চ হলেও, মূল সূচকগুলো হয় ধীরে ধীরে এগোচ্ছে না হয় স্থবির রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সূচক বা CPI প্রতিবেদনে দেখা গেছে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির হার ৩.০%-এ (পূর্বাভাস ছিল ৩.১%) পৌঁছেছে এবং মূল মুদ্রাস্ফীতি কমে ৩.০% হয়েছে (আগস্টে ছিল ৩.১%)। মোট উৎপাদক মূল্য সূচক বা PPI বার্ষিক ভিত্তিতে সেপ্টেম্বরে বেড়ে ২.৭%-এ (আগস্টে ২.৬% ছিল) পৌঁছেছে, যখন খাদ্য ও জ্বালানি বাদে মূল উৎপাদক মূল্য সূচক বা PPI বেড়ে ২.৯%-এ পৌঁছেছে (পূর্বাভাস ছিল ২.৮% – এটি প্রতিবেদনটির একমাত্র ইতিবাচক ফলাফল)। ISM পরিষেবা কার্যক্রম সূচক বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বেড়ে ৫২.৬-এ (পূর্বাভাস ছিল ৫২.০) দাঁড়িয়েছে। এই সূচকটি টানা দুই মাস বেড়েছে। তবে এক্ষেত্রেও সবকিছু এত "সহজ" নয়। উদাহরণস্বরূপ, এই খাতে কর্মসংস্থানের হার এখনো কম রয়েছে (৪৮.৯), অর্থাৎ পরিষেবা খাতের প্রবৃদ্ধি কর্মসংস্থানের উন্নতি দ্বারা সমর্থন পায়নি। তাছাড়া, নভেম্বর মাসে এই খাতে নতুন অর্ডার ৫৬.২ থেকে কমে ৫২.৯-এ নেমে এসেছে। হকিশ বা কঠোর অবস্থানধারীদের পক্ষে আরেকটি যুক্তি হলো ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে প্রকাশিত ভোক্তা মনোভাব সূচক। এই মাসে এটি বেড়ে ৫৩.০ হয়েছে, যেখানে পূর্বাভাস ছিল ৫২.০। এই সূচকটি গত চার মাসের ধারাবাহিক পতনের পর প্রথমবারের মতো ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। প্রথমদিকে এটি বেশ "স্পষ্ট" ফলাফলের ইঙ্গিত দিলেও, সূচকটি এখনও ঐতিহাসিক মানদণ্ড অনুযায়ী নিম্নস্তরে রয়েছে—গত বছর ডিসেম্বরে এটি ৭৪.০ ছিল। উপরন্তু, এই সূচকের কিছু উপাদান যেমন বর্তমান পরিস্থিতির মূল্যায়ন সূচক ডিসেম্বরে কমে ৫০.৭ হয়েছে, যেখানে এটি পূর্বে ৫১.১ ছিল। এই কারণে, আমার মতে, ডিসেম্বরের বৈঠকে ফেড "ডোভিশ বা নমনীয়" অবস্থান গ্রহণ করতে পারে। মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি পরবর্তীতে সুদের হার কমানোর ঘোষণা নাও দিতে পারে, তবে তারা মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করে শ্রমবাজার পরিস্থিতির দুর্বলতা ও অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলের ওপর জোর দিতে পারে। এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তা বজায় রয়েছে। আজ পর্যন্ত শুধু নিশ্চিতভাবে জানা গেছে যে, ১২ জন ভোটাধিকার প্রাপ্ত সদস্যের মধ্যে ৫ জন বাড়তি সুদের হার কমানোর বিরোধিতা করেছেন। চার জন — বোর্ড অব গভর্নরসের মিরান, ওয়ালার, বোম্যান এবং নিউইয়র্ক ফেড প্রেসিডেন্ট উইলিয়ামস — সরাসরি নমনীয় মুদ্রানীতির পক্ষে মত দিয়েছেন। প্রশ্ন হলো, এই "ডোভিশ" অবস্থানধারীরা কি তাদের মতামত মধ্যপন্থীদের ওপর চাপিয়ে দিতে পারবেন? এটি এখনো উন্মুক্ত একটি প্রশ্ন।
Read more: https://ifxpr.com/44lPtX0
-
১১ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2106334471.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার খুব অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মূলত, শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক বেকার ভাতার আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যা সরাসরি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত। মনে রাখতে হবে, এই সপ্তাহেই ADP কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং JOLTS কর্মসংস্থানের শূন্যপদের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রতিবেদনগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলেও, মার্কেটের ট্রেডাররা এগুলোর প্রতি খুব দুর্বলভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, কারণ ট্রেডাররা এখনো অধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলোর জন্য অপেক্ষা করছে , যেমন—নন-ফার্ম পে-রোলস, বেকারত্বের হার এবং ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI)—যেগুলো আগামী সপ্তাহে প্রকাশিত হবে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবার তেমন কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। তবুও, সপ্তাহের শেষদিকের ট্রেডিংয়ে ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য কোনো কিছুর অনুঘটকের অভাব নেই। গতরাতেই ফেডের বছরের সর্বশেষ বৈঠকের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। টানা তৃতীয়বারের মতো মূল সুদের হার ০.২৫% কমানো হয়েছে, এবং ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা অনুযায়ী (ডট প্লট অনুসারে) আর্থিক নীতিমালা আরও নমনীয়করণের সম্ভাবনা আপাতত নেউ। জেরোম পাওয়েল ঘোষণা দিয়েছেন, মুদ্রানীতির নমনীয়করণ তখনই আবার শুরু হবে, যখন মুদ্রাস্ফীতি সূচক দৃঢ়ভাবে ২%-এর লক্ষমাত্রার দিকে আসতে শুরু করবে। অতএব, ফেডের বৈঠকের ফলাফল আংশিকভাবে হলেও মার্কিন ডলারের জন্য সহায়ক হিসেবে ধরা যেতে পারে। তবে, গত কয়েক মাসে কোনো স্পষ্ট মৌলিক কারণ ছাড়াই মার্কিন ডলারের মূল্য অনেক বেশি এবং অনেকদিন ধরে বেড়েই চলেছে। এখন মনে হচ্ছে, ডলারের সেই 'সৌভাগ্যের দিনগুলো' শেষ হতে চলেছে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের চতুর্থ দিনের ট্রেডিংয়ের, দুইটি কারেন্সি পেয়ারেরই মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ উভয় পেয়ারের মূল্যেরই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ইউরোর মূল্যের 1.1745 লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে 1.3413। তবে বৃহস্পতিবার মার্কেটে উল্লেখযোগ্য কোনো ইভেন্ট না থাকায় অস্থিরতার মাত্রা কিছুটা কমে যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4pX5BGI
-
১২ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/371494904.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে, তবে এর মধ্যে কয়েকটি প্রতিবেদন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে, যুক্তরাজ্যে মাসিক জিডিপি এবং শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মাসিক জিডিপি পরিসংখ্যান ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যেমনটা প্রান্তিক বা বার্ষিক ভিত্তিক প্রতিবেদন হয়ে থাকে। অন্যদিকে, শিল্প উৎপাদন বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিবেদন রিপোর্ট, এবং এই সূচকের শক্তিশালী ফলাফল ব্রিটিশ কারেন্সির দর বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। জার্মানিতে নভেম্বরের মুদ্রাস্ফীতির দ্বিতীয় অনুমান প্রকাশিত হবে, তবে যেহেতু এটি দ্বিতীয় অনুমান তাই এই প্রতিবেদনের প্রতি ট্রেডারদের খুব বেশি আগ্রহ থাকবে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/724986056.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবার বেশ কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে, আজ ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্যদের বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হবে। মনে করিয়ে দেই, বুধবার সন্ধ্যায় ফেডের বছরের শেষ বৈঠকের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ফেড টানা তৃতীয়বারের মতো মূল সুদের হার ০.২৫% হারে কমিয়েছে এবং ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি যথেষ্ট "ডোভিশ বা নমনীয়" (ডট-প্লট চার্ট অনুসারে) অবস্থান গ্রহণ করার ইঙ্গিত দেয়নি। জেরোম পাওয়েল ঘোষণা করেছেন, মুদ্রানীতি নমনীয়করণের আরও পদক্ষেপ তখনই বিবেচনায় নেওয়া হবে, যখন মুদ্রাস্ফীতি ধীরে ধীরে ২%-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে আসতে শুরু করবে। অর্থাৎ, ফেড ২০২৬ সালে নীতিগত অবস্থানের ব্যাপারে সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। তাই মনে হচ্ছে না, শুক্রবার ফেডের কর্মকর্তারা বর্তমান মৌলিক পরিস্থিতির বাইরের কোনো নতুন তথ্য উপস্থাপন করতে পারবেন।
Read more: https://ifxpr.com/4pAvhcw
Read more: https://ifxpr.com/4pAvhcw
-
১৫ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/205093697.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: আজ খুব কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। মূলত একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যদিও এই প্রতিবেদনটির গুরুত্ব কম নয়, তবুও এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের তালিকায়ও পড়ে না। যদি গত সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের প্রতিক্রিয়ায় EUR/USD পেয়ারের মূল্যের 60-80 পিপসের মুভমেন্ট দেখা যায়, তাহলে প্রশ্ন রয়ে যায় যে—ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদন প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে আসলে কতটুকু প্রতিক্রিয়া আশা করা যায়? আমাদের ধারণা, এই প্রতিবেদনের ফলাফল আজ EUR/USD পেয়ারের উপর তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে না। আজ যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা যুক্তরাষ্ট্র—এই তিনটি অঞ্চলে অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে কার্যত তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু অন্তর্ভুক্ত নেই।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/972101255.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে। আজ ফেডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির প্রতিনিধি স্টিফেন মিরান ও জন উইলিয়ামস বক্তৃতা দেবেন। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে মিরান পূর্ববর্তী বক্তব্য পুনরায় উল্লেখ করে মূল সুদের হার যত দ্রুত সম্ভব কমানো প্রয়োজন—এমন মতামত তুলে ধরবেন। তবে ফেডের সর্বশেষ বৈঠক মাত্র কয়েক দিন আগে সম্পন্ন হয়েছে, তাই এই কর্মকর্তাদের বক্তব্য থেকে নতুন কোনো বার্তা পাওয়া যাবে—এমনটি প্রত্যাশিত নয়। ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল সুদের হার সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ ইতোমধ্যেই স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন—বর্তমানে সুদের হার অপরিবর্তিত রেখে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল পর্যবেক্ষণ করা হবে। ফেডের সদস্যদের মধ্যে "ডোভিশ বা নমনীয়" অবস্থানধারীর সংখ্যা এখনো কম, তাই স্বল্প-মেয়াদে মার্কিন মুদ্রানীতি নমনীয় হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে, পুনরায় EUR/USD এবং GBP/USD উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী গঠনের ইঙ্গিত দেখা যেতে পারে, কারণ এখন পর্যন্ত এই দুই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। তবে এই সপ্তাহের পরবর্তী দিনগুলোতেই গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে, ফলে আজ তুলনামূলকভাবে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা এবং ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। বর্তমানে 1.1745-1.1754 এরিয়ার আশেপাশে ইউরোর পজিশন ওপেন করার উপযুক্ত এন্ট্রি পয়েন্ট পাওয়া যেতে পারে, অপরদিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডিংয়ের জন্য উপযুক্ত এরিয়া হলো 1.3319-1.3331।
Read more: https://ifxpr.com/48Vjiz8
-
১৮ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/687080204.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবার খুব বেশি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তবে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল আবারও দুর্বল ও পরস্পরবিরোধী ছিল, যা ইঙ্গিত দেয় যে ফেডারেল রিজার্ভ আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আরও 'ডোভিশ বা নমনীয়' অবস্থান গ্রহণ করতে পারে। তবে এই অবস্থান বাস্তবায়নে প্রধান বাধা হলো গত কয়েক মাস ধরে ধাপে ধাপে বৃদ্ধি পাওয়া মূল্যস্ফীতি। যদি নভেম্বরে দেশটির ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) আরও বৃদ্ধি পায়, তাহলে এটি ডলারের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হবে, কারণ তখন ফেড আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করার সিদ্ধান্তে দীর্ঘ সময়ের জন্য স্থগিত করতে পারে। অপরদিকে, যদি মূল্যস্ফীতির হার কমে যায়, তাহলে ফেড জানুয়ারিতেই মূল সুদের হার কমিয়ে দিতে পারে, যার ফলে মার্কেটে আবারও ডলার বিক্রির প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1996010458.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবার অন্তত গুরুত্বপূর্ণ দুটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) বৈঠক বিনিয়োগকারীদের কিছুটা আগ্রহ সৃষ্টি করছে, যদিও ইসিবির আর্থিক নীতিমালায় কোনো পরিবর্তনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ক্রিস্টিন লাগার্ডে ২০২৬ সালে সুদের হার বাড়তে পারে এমন কিছু ইঙ্গিত দিতে পারেন, যা ইউরোর দর বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। অন্যদিকে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের আজকের বৈঠকটি আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আজই মূল সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে, বিশেষ করে যদি বিবেচনা করা হয় যে যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি ৩.২%-এ নেমে এসেছে। এছাড়াও, সুদের হার সম্পর্কিত মুদ্রানীতিক কমিটির সদস্যদের ভোটের ফলাফল এবং ২০২৬ সালের ব্যাপারে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের পূর্বাভাসও গুরুত্বপূর্ণ হবে। সারসংক্ষেপে, আজ মার্কেটে তিনটি বড় ইভেন্ট রয়েছে যেগুলোকে অত্যন্ত 'গুরুত্বপূর্ণ' হিসেবে বিবেচনা করা যায় এবং সেগুলোর প্রভাবে ফরেক্স মার্কেটে উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট সৃষ্টি হতে পারে।
উপসংহার: সপ্তাহের শেষদিকের ট্রেডিংয়ে, EUR/USD এবং GBP/USD– এই দুটি প্রধান কারেন্সি পেয়ারের মূল্যই সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল এবং ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট দ্বারা প্রভাবিত হবে। ট্রেডাররা নিকটবর্তী টেকনিক্যাল লেভেল ও এরিয়া থেকে ট্রেড করার সুযোগ খুঁজতে পারেন। ইউরোর জন্য এই এরিয়াটি হলো 1.1745–1.1754 এবং পাউন্ডের জন্য এটি 1.3319–1.3331 এরিয়া। তবে, মনে রাখতে হবে যে সারাদিনজুড়ে উভয় পেয়ারের মূল্যই হঠাৎ করে দিক পরিবর্তন করতে পারে এবং মার্কেটে বেশ উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করবে বলা প্রত্যাশা করা যায়।
Read more: https://ifxpr.com/44zwOak
-
স্বর্ণের মূল্য ঐতিহাসিক উচ্চতার কাছাকাছি অবস্থান করছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1287130042.jpg[/IMG]
স্বর্ণের মূল্য ঐতিহাসিক উচ্চতার আশেপাশেই স্থির রয়েছে, কারণ বিনিয়োগকারীরা একদিকে ভেনেজুয়েলার ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার দিকে নজর রাখছেন এবং অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন। অপরদিকে, গতকালও প্লাটিনামের মূল্যের ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল, যা একদিনে 4% বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার স্বর্ণের মূল্য আউন্সপ্রতি $4,330-এ পৌঁছায়, যা ০.৮% বৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে। এটি অক্টোবর মাসের রেকর্ড সর্বোচ্চ মূল্যের তুলনায় প্রায় $50 কম। আজ প্রকাশিতব্য মার্কিন মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনটির ফলাফল ফেডারেল রিজার্ভ আদৌ সুদের হার আরও কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণে আগ্রহী কি না—সে বিষয়ে ধারণা প্রদান করবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যকার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে স্বর্ণের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। সাধারণত ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সময় নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বেড়ে যায়, যার মধ্যে স্বর্ণ অন্যতম। বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা, অঞ্চলটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়তে পারে, যার ফলে মূলধন নিরাপদ ইনস্ট্রুমেন্ট বা অ্যাসেটের দিকে সরে যেতে পারে। যদিও বর্তমানে স্বর্ণের মূল্য দৃঢ়ভাবে স্থিতিশীল আছে, তবে স্বল্প-মেয়াদি ভবিষ্যৎ প্রবণতা এখনও অনিশ্চিত। এটি ফেডের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ এবং সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। যদি মার্কিন যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার তুলনায় বেশি বৃদ্ধি পায়, তাহলে ফেড সুদের হার কমানোর ক্ষেত্রে আরও সতর্ক অবস্থান গ্রহণ পারে, যা স্বর্ণের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। একই সময়ে, আরও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্ভাবনাকেও সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করা যায় না। যেকোনো নতুন সংঘাত চরম পর্যায়ে পৌছালে অথবা নতুন উত্তেজনার উদ্ভব নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে, যা স্বর্ণের মূল্যকে ঊর্ধ্বমুখী করবে। এ বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বলা যায়, স্বর্ণের মূল্য প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বেড়েছে এবং এটি ১৯৭৯ সালের পর বার্ষিক ভিত্তিতে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেতে চলেছে। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রয় এবং সরকারি বন্ড ও প্রধান মুদ্রা থেকে বিনিয়োগকারীদের সরে যাওয়ার কারণে ঘটেছে। প্লাটিনামের মূল্য ১৮% পর্যন্ত বেড়েছে এবং ১০ ডিসেম্বর ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার পর থেকে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ব্রিটিশ ব্যাংকগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্লাটিনাম স্থানান্তরের মাধ্যমে শুল্কের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত থাকার চেষ্টা করছে, ফলে লন্ডনের মার্কেটে সরবরাহ সংকট দেখা যাচ্ছে—যা প্লাটিনামের মূল্যবৃদ্ধিকে সহায়তা করেছে। বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, স্বর্ণের ক্রেতাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে এটির মূল্যকে $4,372-এর রেজিস্ট্যান্সে পুনরুদ্ধার করা। এতে সফল হলে, স্বর্ণের মূল্যের পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে $4,432, যেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল এবং যার উপরে পৌঁছানো তুলনামূলকভাবে কঠিন হবে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা হলো প্রায় $4,481। অন্যদিকে, যদি স্বর্ণের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য $4,304 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করবে। যদি স্বর্ণের মূল্য এই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হয়, তাহলে এটি ক্রেতাদের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে এবং স্বর্ণের মূল্য কমে গিয়ে $4,249 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, এমনকি $4,186-এর দিকেও নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4pIr8mJ
-
-
মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও কমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1972090461.jpg[/IMG]
মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালারের এক মন্তব্যের পর মার্কিন ডলারের দরপতন হয়েছে এবং স্বর্ণের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। ওয়ালার বলেন, সুদের হার আরও কমানো হলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা "নিরপেক্ষ" বা ভারসাম্যপূর্ণ পর্যায়ে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এখনই এই ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে কোনো তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। ২০২৬ সাল পর্যন্ত মূল্যস্ফীতির হার ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার সম্ভাব্য পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে ওয়ালার বলেন, বর্তমান সুদের হার নিরপেক্ষ পর্যায়ের চেয়ে প্রায় ১০০ বেসিস পয়েন্ট বেশি। ওয়ালার বলেন, "যেহেতু মূল্যস্ফীতি এখনও তুলনামূলকভাবে বেশি, ফলে আমাদের ধৈর্য ধরার সুযোগ আছে—তাই দ্রুতই সুদের হার কমানোর প্রয়োজন নেই, তবে ধাপে ধাপে আমাদের নীতিমালাকে নিরপেক্ষ পর্যাতের দিকে এগিয়ে নেওয়া উচিত।" ওয়ালারের এই মন্তব্যকে বিনিয়োগকারীরা এই ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন যে ভবিষ্যতে ফেডারেল রিজার্ভ তুলনামূলকভাবে ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করবে। যদিও তিনি সুদের হার কমানোর ব্যাপারে বর্তমানে তাড়াহুড়ার প্রয়োজন নেই বলেই উল্লেখ করেন, তবুও ফেডের আর্থিক নীতিমালা এখনও তুলনামূলকভাবে কঠোর রয়েছে—এমন স্বীকারোক্তি ভবিষ্যতে নীতিমালা নমনীয়করণের প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ফেডারেল রিজার্ভ টানা তৃতীয়বার সুদের হার কমানোর পর প্রথম প্রতিনিধি হিসেবে ওয়ালার এমন মন্তব্য করলেন। তবে এই সিদ্ধান্তটি ঐক্যমতের ভিত্তিতে হয়নি, বরং তিনজন সদস্য ভিন্ন মত দিয়েছেন, যা ফেড কমিটির মধ্যে গভীর মতবিরোধ নির্দেশ করে। নীতিনির্ধারকরা এবারের বিবৃতির ভাষাতেও সূক্ষ্ম পরিবর্তন এনেছেন, যা ভবিষ্যতে কবে আবার সুদের হার কমানো হতে পারে—এ নিয়ে অনিশ্চয়তার বার্তা দেয়। ওয়ালার, যিনি পরবর্তী ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান পদের জন্য অন্যতম প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন, এখন অনেক বেশি নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করেছেন—আর ট্রাম্প নতুন ফেড প্রধানের কাছ থেকে এমন অবস্থানই প্রত্যাশা করছেন। ওয়ালার বলেন, "নিশ্চয়ই। আমি আমার জীবনের ২০ বছর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্থিতিশীলতা ও এর গুরুত্ব নিয়ে কাজ করেছি। তাই আমার কাছে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব রয়েছে।" EUR/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী ক্রেতাদের এখন এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1730 লেভেলে নিয়ে যাওয়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। কেবল এই লেভেলে পৌছালেই মূল্যের 1.1750 লেভেলে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে। সেখান থেকে পেয়ারটির মূল্য 1.1770 পর্যন্ত উঠতে পারে, তবে মার্কেটের বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া সেটা করা কঠিন হবে। সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা থাকবে 1.1805 লেভেল। তবে যদি এই পেয়ারের মূল্য কমে যায়, তাহলে আমি কেবল মূল্য 1.1705-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের প্রত্যাশা করছি। যদি সেখানে ক্রেতাদের সক্রিয় না হয়, তাহলে পুনরায় এই পেয়ারের মূল্যের 1.1685-এর লেভেলের নিচে নেমে যাওয়ার বা সরাসরি 1.1650 থেকে লং পজিশন ওপেন করার জন্য অপেক্ষা করা উচিত হবে। অন্যদিকে, GBP/USD-এর টেকনিক্যাল চিত্রের ক্ষেত্রে, পাউন্ডের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3405 লেভেলে ব্রেক করাতে হবে। কেবল এই ব্রেকআউটের মাধ্যমেই মূল্যের 1.3425-এর দিকে অগ্রসর হওয়া সম্ভব হবে, যার উপরে ওঠা অনেক কঠিন হবে। সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3450 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের দরপতনের ক্ষেত্রে, মূল্য 1.3360 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করবে। তারা যদি সফল হয়, তাহলে মূল্য এই রেঞ্জ ব্রেক করলে সেটি মার্কেটে বুলিশ পজিশনের জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য আরও কমে 1.3340-এ পৌঁছাতে পারে, পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3310 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4p4JuNT
-
২৪ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/49920497.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বুধবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, শুধুমাত্র একটি স্বল্প গুরুত্বপূর্ণ সূচক প্রকাশের কথা রয়েছে—সেটি হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেকারভাতা আবেদনসংক্রান্ত প্রতিবেদন। আজ ফরেক্স মার্কেটে সন্ধ্যার দিকে ট্রেডিং সেশন শেষ হয়ে যাবে। আগামীকাল ক্রিসমাস, ফলে মার্কেট সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, থিন মার্কেটে আজ পুরো দিনজুড়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের বুলিশ প্রবণতা বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ অধিকাংশ টেকনিক্যাল ও মৌলিক সূচক এখনো ডলারের দরপতনের সম্ভাবনা নির্দেশ করছে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবার কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। সামগ্রিকভাবে, মার্কেটে মূলত ফেডারেল রিজার্ভের অবস্থানকে ঘিরে প্রশ্ন রয়েছে। ফেডের সর্বশেষ বৈঠকটি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলেও, এর পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমবাজার, বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে—যেগুলোর ফলাফলের ফেডের মুদ্রানীতির ওপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে থাকে। তাই, জেরোম পাওয়েল এবং ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির (FOMC) অন্যান্য সদস্যদের সর্বশেষ দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে আমরা এখনো জানি না। তবে, আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার ফেড কর্মকর্তাদের কোনো বক্তব্য নির্ধারিত ছিল না। ছুটির মৌসুম এগিয়ে আসায় অনেক রাজনীতিবিদ ও অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারক ছুটিতে রয়েছেন। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। বর্তমানে স্বল্পমেয়াদে উভয় পেয়ারের মূল্যের বুলিশ প্রবণতা বিরাজ করছে, এবং মার্কেটের ট্রেডারদের বড় একটি অংশ এখনও সক্রিয়ভাবে ট্রেডিং ও ক্রয়-বিক্রয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে। আজ EUR/USD পেয়ার 1.1808 লেভেল থেকে ট্রেড করবে, যেখানে GBP/USD পেয়ার 1.3529–1.3543 এরিয়া থেকে ট্রেড করবে।
Read more: https://ifxpr.com/44KXFQJ
-
২৬ ডিসেম্বর কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/76874885.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। ছুটির মৌসুম এখনও চলমান রয়েছে। চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই দিনের ট্রেডিংয়ে, ছুটির আগের ব্যস্ততা উপলক্ষ্যে মার্কেটে শক্তিশালী অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছিল; তবে বছরের বাকি দিনগুলোতে সেইরকম অস্থিরতা দেখা যাবে না বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1157688773.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবার কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। বড়দিন এবং নববর্ষ উপলক্ষ্যে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকসমূহ ছুটিতে চলে গেছে, ফলে আগামী বছরের আগে আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। মূলত আগামী ৫ জানুয়ারি উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে। উপসংহার: ছুটির সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারের মন্থর ট্রেডিং কার্যক্রম দেখা যেতে পারে। স্বল্পমেয়াদে উভয় পেয়ারের মূল্যেরই এখনও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করলেও, মার্কেটে পুরোপুরিভাবে ছুটির মৌসুম বিরাজ করছে। বর্তমানে "থিন" মার্কেট পরিস্থিতির কারণে আজ কোনো প্রবণতাভিত্তিক মুভমেন্ট নাও দেখা যেতে পারে, তবে এটি পূর্বানুমানযোগ্য নয়। আমাদের ধারণা, আজ মার্কেটে স্থবির পরিস্থিতি বিরাজ করবে।
Read more: https://ifxpr.com/3LkfiAi
-
-
৩০ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/808688949.jpg[/IMG]
সোমবার ছুটির আমেজের মধ্যে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। সারাদিন ধরে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা খুবই কম ছিল, এবং একেবারে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট হতে দেখা গেছে। কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক বা মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব না থাকায়, ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া জানানোর মতো কিছুই ছিল না। সুতরাং, টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে এখনও ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে ছুটির পর ব্রিটিশ মুদ্রার আরও মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। উল্লেখযোগ্য যে, বৈশ্বিক কিছু কারণ ব্রিটিশ কারেন্সিকে মার্কিন ডলারের তুলনায় বেশি সহায়তা করছে। তবে, এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য কোনো মুভমেন্ট দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। যদিও সেই সম্ভাবনা রয়েছে, তবে এই মুহূর্তে পূর্বাভাস দেওয়া অত্যন্ত কঠিন। ট্রেডারদের এখন শুধুমাত্র টেকনিক্যাল বিষয়ের ওপর নির্ভর করে ট্রেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/944584882.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, সোমবার কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। সারাদিন জুড়েই ন্যূনতম অস্থিরতার মধ্যে এই পেয়ারের মূল্য সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে। ফলে, এই পেয়ারের মূল্য কোনো নির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ লেভেল বা এরিয়ায় পৌঁছায়নি।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে দেখা যাচ্ছে যে GBP/USD পেয়ারের মূল্য পূর্বে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বের হয়ে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। আমরা বারবার পূর্বাভাস দিয়েছি যে এই ধরনের পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে যৌক্তিক। কারণ, মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো শক্তিশালী কারণ নেই। তাই সামগ্রিকভাবে আমরা কেবলমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টেরই প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলা যায়, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে GBP/USD পেয়ারের মূল্যকে 1.4000-এর দিকে নিয়ে যেতে পারে। মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3529–1.3543 এরিয়া অতিক্রম করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3574–1.3590-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3529–1.3543 এরিয়া থেকে আবার বাউন্স করে, তখন শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3437–1.3446-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বর্তমানে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো প্রাসঙ্গিক হতে পারে: 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3437-1.3446, 1.3529-1.3543, এবং 1.3574-1.3590। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না কিংবা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। ফলে, মার্কেটে আবারও স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে। বর্তমানে ব্যাপক "থিন মার্কেট" দেখা যাচ্ছে, অর্থাৎ সাধারণ সময়ের তুলনায় এখন মার্কেট মেকাররা তুলনামূলকভাবে সহজেই মূল্যের মুভমেন্ট ঘটাতে সক্ষম — তবে তা শুধুমাত্র তারা চাইলেই ঘটতে পারে। এটি মোটেই নিশ্চিত করে না যে তারা মূল্যের এমন মুভমেন্ট ঘটাতে আগ্রহী।
Read more: https://ifxpr.com/49h6ovw
-
২ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/535440977.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট গত বুধবার অনেকটা EUR/USD পেয়ারের মতোই GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট বেশ বিশৃঙ্খল এবং মিশ্র ধরনের ছিল, তবে অস্থিরতার মাত্রা তুলনামূলকভাবে কমই ছিল। সামষ্টিক অর্থনৈতিক কিংবা মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব একেবারেই অনুপস্থিত ছিল এবং এই মুহূর্তে টেকনিক্যাল চিত্র অনেকটাই পরস্পরবিরোধী। আমরা মনে করি, ছুটির সময়ে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়, কারণ ওই সময় মার্কেটে সাধারণত অনিয়মিত মুভমেন্ট দেখা যায়। মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি—সব টাইমফ্রেমেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাই পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাই আমরা আশা করছি, ছুটি শেষ হওয়ার পরের সপ্তাহে নতুন বছরের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। খুব সম্ভবত সোমবার থেকেই মার্কেটে আরও উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট শুরু হবে, যা ট্রেডারদের জন্য স্পষ্ট ট্রেডিং সিগন্যাল এবং মুনাফার সুযোগ তৈরি করতে পারে। এই মুহূর্তে, মার্কিন ডলারের তুলনায় ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য আরও অধিক আকর্ষণীয় পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2026633176.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার পাউন্ডের কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত করেছিল। প্রশ্ন হলো - বছরের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার আগে এই সিগন্যালগুলো অনুসরণ করে ট্রেড করা কি যৌক্তিক ছিল? স্বাভাবিকভাবেই, সেসব সিগন্যালের মান খুব একটা ভালো ছিল না এবং গত কয়েক সপ্তাহ এবং মাসজুড়েই অস্থিরতার মাত্রাও বেশ কম ছিল। এমনকি ছুটির সপ্তাহে অস্থিরতার মাত্রা আরও কমে গেছে। আমাদের মতে, বাস্তবিক অর্থে ট্রেডিং শুরু করার সঠিক সময় হলো সোমবার, অর্থাৎ ৫ জানুয়ারি।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইনের নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়েছে, তাই টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুসারে নতুন বছরের শুরুতে আনুষ্ঠানিকভাবে পাউন্ডের নতুন দরপতনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে আমরা মনে করি না যে, মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে, তাই আমরা শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টেরই প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা মনে করি যে ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবারও শুরু হতে যাচ্ছে এবং এর ফলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্য 1.4000 লেভেল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। শুক্রবার এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করার কথা চিন্তা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3529–1.3543-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় সেশন শেষ হয়, তাহলে শর্ট পজিশন উপযুক্ত হবে এবং এক্ষেত্রে মূল্যের 1.3319–1.3331-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেড করার জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে 1.2913, 1.2980–1.2993, 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3437–1.3446, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590। শুক্রবার যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তাই মার্কেটে খুবই দুর্বল মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে। মার্কেট থেকে এখনও ছুটির আমেজ পুরোপুরিভাবে যায়নি।
Read more: https://ifxpr.com/4poyjzN