-
EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ৭ নভেম্বর
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/16485116.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ার সবাইকে চমকে দিয়েছে। গত পাঁচ সপ্তাহ ধরে ইউরোপীয় মুদ্রা ধারাবাহিকভাবে দরপতনের শিকার হচ্ছিল, কিন্তু গতকাল এটির মূল্য অপ্রত্যাশিতভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। বিশেষ করে, সোমবার ও বুধবার ট্রেডাররা সব ধরনের সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণ উপেক্ষা করেছিল, এবং গতকাল সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও মৌলিক — উভয় প্রেক্ষাপটই উপেক্ষা করেছে। যেমনটি আমরা আগেও উল্লেখ করেছি, এখন এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট এবং প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফলের মধ্যে কোন স্পষ্ট সম্পর্ক নেই। গতকাল জার্মানির ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন বা শিল্প উৎপাদন এবং ইউরোপীয় রিটেইল সেলস বা খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে উভয় প্রতিবেদনের ফলাফলই প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল ছিল। তবে মার্কেটে এর কোনো প্রভাব পড়েনি, কারণ সারাদিনই ইউরোর মূল্য ঊর্ধ্বমুখী ছিল। যুক্তরাজ্যে, ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড মূল সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে ভোটের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় বেশি "ডোভিশ বা নমনীয়" ছিল। অতীতে, এমন ফলাফল নিয়মিতভাবে পাউন্ডের দরপতনের দিকে নিয়ে যেত। কিন্তু গতকাল আমরা উল্টো দৃশ্য দেখেছি – পাউন্ডের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই অনুযায়ী, এই দুটি কারেন্সি পেয়ারের মূল্যই কেবলমাত্র "নিরেট" টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে মুভমেন্ট প্রদর্শন করছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1708777427.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বৃহস্পতিবার দু'টি ট্রেড সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল; তবে একটি বাই সিগন্যাল আগেই, অর্থাৎ বুধবার সন্ধ্যায় 1.1474 লেভেলের কাছাকাছি গঠিত হয়, যেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়। সুতরাং, নতুন ট্রেডাররা বুধবারেই লং পজিশন ওপেন করতে পারত এবং শুধুমাত্র বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তা হোল্ড করে রাখতে পারত, কারণ দিনের বেলায় কোনো সেল সিগন্যাল গঠিত হয়নি। দিনের শেষে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1527 লেভেল অতিক্রম করেছে, যার ফলে ট্রেডাররা শুক্রবারেও প্রফিটে স্টপ লস সেট করে লং পজিশন হোল্ড করতে পারে।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য আপট্রেন্ড লাইনটি ব্রেক করেছে, এবং সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও মার্কিন ডলারের জন্য প্রতিকূল রয়েছে। তাই শুধুমাত্র টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের প্রভাবেই ইউরোপীয় মুদ্রার আরও দরপতন ঘটতে পারে — দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে অবস্থান করার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। আমরা আশা করছি, এই পেয়ারের মূল্য এই ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বের হলে ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা এই পেয়ারের মূল্যের 1.1571–1.1584-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের আশা করতে পারে, কারণ গত তিন দিনে তিনটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। যদি আজ এই পেয়ারের মূল্য 1.1527 লেভেলের নিচে স্থায়ীভাবে অবস্থান নিতে পারে, তবে শর্ট পজিশন প্রাসঙ্গিক হবে, যেখানে মূল্যের 1.1474-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নোক্ত লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখুন: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1571–1.1584, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, এবং যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স বা ভোক্তা মনোভাব সূচক প্রকাশিত হবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে, এই সপ্তাহ এবং গত এক মাস ধরে, মার্কেটের ট্রেডাররা মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন পুরোপুরিভাবে উপেক্ষা করে চলেছে।
Read more: https://ifxpr.com/4hJjpSa
-
GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ১০ নভেম্বর:
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/266803691.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবারও GBP/USD পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে, তবে ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্য এখনো সুস্পষ্টভাবে একটিমাত্র ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনের নিচে অবস্থান করছে, তাই এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তি নিয়ে এখনই আলোচনা করার সময় আসেনি। লক্ষণীয় বিষয় হলো, পাউন্ড স্টার্লিং—যেমনটি ইউরোতেও দেখা গেছে—গত দেড় মাস ধরে দরপতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ন্যায্যভাবে বলতে গেলে, মাঝে মাঝে কিছু ঘটনা পাউন্ডের দরপতনে ভূমিকা রেখেছে (যেটি ইউরোর ক্ষেত্রে দেখা যায়নি), তবে ইউরোপীয় মুদ্রার তুলনায় পাউন্ডের অনেক বেশি দরপতন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন ডলারের জন্য বৈশ্বিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো বেশ নেতিবাচক রয়েছে। তাই নির্দিষ্ট কোনো ইভেন্টের ভিত্তিতে পাউন্ডের এই দেড় মাসব্যাপী দরপতন ঘটেছে তা বলে কঠিন। শুক্রবার প্রকাশিত একমাত্র প্রতিবেদন ছিল মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের কনজ্যুমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স বা ভোক্তা মনোভাব সূচক, যেটির ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় নেতিবাচক ছিল। ফলে, প্রত্যাশানুযায়ী ডলারের দরপতন ঘটে; তবে এই দরপতন পুরো দিনজুড়ে স্থায়ী থাকলেও, প্রতিবেদনের প্রকাশের পর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ডলারের মূল্যের মোমেন্টাম থেমে যায়। আমাদের মূল্যায়নে, এই মুহূর্তে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট মূলত টেকনিক্যাল কারণের ভিত্তিতেই হচ্ছে, যেখানে ট্রেডাররা প্রায়শই মৌলিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে যাচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1153928353.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে শুক্রবার 1.3096–1.3107 লেভেলের কাছে একটি কার্যকর বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে, মূল্য প্রায় ৪০ পিপস বৃদ্ধি পায়, যা নতুন ট্রেডারদের জন্য তুলনামূলকভাবে সহজেই মুনাফা করার একটি সুযোগ হয়ে দাঁড়ায়।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে এবং গত দেড় মাস ধরে পাউন্ড নানাবিধ কারণেই দরপতনের সম্মুখীন হয়েছে। যেমনটা আগেও বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদে ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য এখনো কোনো বৈশ্বিক কারণ বিদ্যমান নেই; তাই আমরা মধ্যমেয়াদে শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের সম্ভাবনাই বিবেচনায় নিচ্ছি। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্যের "ফ্ল্যাট রেঞ্জে" অবস্থান করার প্রবণতা মূল্যকে নিম্নমুখী করছে—যা মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে পুরোপুরিভাবে অযৌক্তিক একটি পরিস্থিতি। সোমবার, নতুন ট্রেডাররা 1.3096–1.3107 এরিয়া ব্রেকআউটের পর লং পজিশন হোল্ড করতে পারে এবং মূল্যের 1.3203-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে; স্টপ লস ব্রেকইভেনে সেট করাই উপযুক্ত হবে। নতুন ট্রেডিং সিগন্যাল গঠনের জন্য আমাদের 1.3096–1.3107 কিংবা 1.3203–1.3211 এরিয়ার দিকে নজর রাখতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডাররা বর্তমানে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলোতে ট্রেড করতে পারে তা হলো 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3211, 1.3259, 1.3329-1.3331, 1.3413-1.3421, 1.3466-1.3475, 1.3529-1.3543, এবং 1.3574-1.3590। সোমবার যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র—এই দুই দেশেই কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই কিংবা কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, তাই দৈনিক ভিত্তিতে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টগুলো বেশ দুর্বল বা মন্থর হতে পারে। ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্য নতুন করে বৃদ্ধি পেতে পারে, যা মার্কিন ডলারের মূল্যের অযৌক্তিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সমাপ্তির ইঙ্গিত দেবে বলেই আমরা ধারণা করছি।
Read more: https://ifxpr.com/48574EO
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১১ নভেম্বর।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/224796417.jpg[/IMG]
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের অনেক নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1549 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের আরও নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত করে দেয়। এই কারণে আমি ইউরো বিক্রির সিদ্ধান্ত নিইনি। অল্প কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয়বার 1.1549 লেভেল টেস্ট করা হয় এবং সেসময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে অবস্থান করছিল, যার ফলে পরিকল্পনা #2 অনুযায়ী বাই ট্রেড ওপেন করা হয়। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য ১৫ পিপস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। গতকাল সারাদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রকাশিত না হওয়ায় ট্রেডাররা রাজনৈতিক পরিস্থিতির অগ্রগতির খবরের অপেক্ষা করেছে। দিনের মূল খবর ছিল মার্কিন সরকারের অচলাবস্থা নিরসনের পথে অগ্রগতি। সিনেট "শাটডাউন" বন্ধের উদ্দেশ্যে একটি বিল অনুমোদন করেছে। বিলটি এখন প্রতিনিধি পরিষদে ভোটের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে পাশ হওয়ার পর তা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের জন্য প্রেরণ করা হবে। এই সংবাদের প্রতি ফাইন্যানশিয়াল মার্কেটে সংযত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গিয়েছে। দীর্ঘদিনের অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা নিরসনে ক্লান্ত মার্কেটের ট্রেডাররা এটিকে মার্কিন সরকারি কার্যক্রম স্বাভাবিক করার পথে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করেছে। আজ সকালে ZEW ইনস্টিটিউট থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে জার্মানির ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স, কারেন্ট সিচুয়েশন ইনডেক্স, ও সামগ্রিক ইউরোপীয় বিজনেস সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স। এর মধ্যে জার্মানির ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট ইনডেক্সকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই সূচকের পতন ঘটলে তা ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির ভবিষ্যত নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেবে—যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিরোধ, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতার এবং অন্যান্য বহিরাগত কারণের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। অন্যদিকে, সূচকটি বৃদ্ধি পেলে তা জার্মানির কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব অটুট থাকার ইঙ্গিত দেবে। কারেন্ট সিচুয়েশন ইনডেক্স ইউরোজোনের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা প্রতিফলিত করে, যা বর্তমানে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সামলাতে এই অঞ্চলের সক্ষমতা মূল্যায়নে সহায়তা করবে। এই দুইটি সূচক—সেন্টিমেন্ট এবং বর্তমান পরিস্থিতি—এগুলর তুলনামূলক বিশ্লেষণ ইউরোজোনের অর্থনীতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট চিত্র উপস্থাপন করবে। উল্লেখযোগ্যভাবে প্রত্যাশা ও বাস্তব ফলাফলের মধ্যে কোনো বড় ধরনের ভিন্নতা দেখা দিলে এসব ফলাফল মার্কেটে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1163159746.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1599-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1570-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1599-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1552-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1570 এবং 1.1599-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1552-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1528-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1570-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1552 এবং 1.1528-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4ow4Fsv
-
ADP রিসার্চ থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অপ্রত্যাশিত ফলাফলের পর চাপের মুখে মার্কিন ডলার
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1870502151.jpg[/IMG]
মঙ্গলবার ADP রিসার্চ প্রকাশ করে যে এই বছরের অক্টোবর মাসে, প্রতি সপ্তাহে গড়ে 11,250টি কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে, যার পরপরই মার্কিন ডলারের তীব্র দরপতন ঘটে। এই প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত দেয় যে অক্টোবর মাসের দ্বিতীয়ার্ধে শ্রমবাজারে ফের কর্মসংস্থান হ্রাস পাওয়া শুরু করেছে, যা মাসের শুরুর তুলনায় ভিন্ন ফলাফল ছিল। গত সপ্তাহে প্রকাশিত সর্বশেষ মাসিক ADP প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত দুই মাসের পতনের পর অক্টোবর মাসে বেসরকারি খাতে 42,000টি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এই নতুন প্রতিবেদন এমন এক সময়ে প্রকাশিত হল যখন গত কয়েক সপ্তাহে একাধিক কোম্পানি কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিষ্ঠান চ্যালেঞ্জার, গ্রে অ্যান্ড ক্রিসমাস ইনকর্পোরেটেডের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দশকের মধ্যে অক্টোবর মাসেই সবচেয়ে বেশি কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা এসেছে, যা শ্রমবাজারের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সতর্কবার্তা দীর্ঘস্থায়ী মুদ্রাস্ফীতি এবং তা নিয়ন্ত্রণে উচ্চ সুদের হারের প্রেক্ষাপটে এসেছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে ফেডারেল রিজার্ভের আগ্রাসী নীতিমালা শ্রমবাজারের পরিস্থিতিকে আরও দুর্বল করতে পারে, কারণ কর্মী ছাঁটাই এখন বড় প্রযুক্তি প্রতিবেদন থেকে শুরু করে উৎপাদন খাত পর্যন্ত—প্রায় সব খাতেই প্রভাব ফেলছে। চাকরি হারানোর এই প্রবণতা আরও উদ্বেগজনক বিষয়, কারণ এটি শ্রমবাজারকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং চাকরি হারানো ব্যক্তিদের সহায়তার প্রয়োজনীয়তার দিকেই নির্দেশ করে। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে সংগৃহীত পৃথক এক তথ্যে প্রকাশ পেয়েছে যে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৭১% বিশ্বাস করেন আগামী বছরে বেকারত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে—যা ১৯৮০ সালের পর সর্বোচ্চ। মার্কিন ইতিহাসের দীর্ঘস্থায়ী সরকারি কার্যক্রম বন্ধ থাকার ফলে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন, বিশেষ করে কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিবেদনের প্রকাশনা বিলম্বিত হয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা ADP-এর প্রকাশিত তথ্যসহ অন্যান্য বিকল্প সূচকের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হয়েছেন। গত মাসে ADP ঘোষণা দিয়েছিল যে তারা প্রতি চার সপ্তাহ পরপর বেসরকারি খাতে নিয়োগে পরিবর্তনের চলমান গড় হার প্রকাশ করবে। গোল্ডম্যান শ্যাক্স গ্রুপ ইনকর্পোরেটেডের অর্থনীতিবিদদের মতে, সরকার পরিচালিত ফার্লো প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী কর্মীদের হিসাব অন্তর্ভুক্ত করলে, অক্টোবর মাসে মার্কিন কর্মসংস্থান ৫০,০০০ হারে হ্রাস পেয়েছে। এখন তারা শ্রমবাজার পরিস্থিতির আরও অবনতির ঝুঁকি বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিচ্ছেন। এই সব বিষয় ইঙ্গিত দিচ্ছে ডিসেম্বরে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা আগের চেয়ে অনেক বেশি, যা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের বিপরীতে মার্কিন ডলারের আরও এক দফা দরপতনের কারণ হতে পারে।
EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল পূর্বাভাস EUR/USD পেয়ারের বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্রের দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যাচ্ছে, ক্রেতাদের এখন এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1590 লেভেলে নিয়ে আসা উচিত। একমাত্র এই লেভেলে যেতে পারলেই মূল্যের 1.1620 লেভেলের দিকে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1640 পর্যন্ত উঠতে পারে, তবে বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এটি অর্জন করা বেশ কঠিন হবে। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1668 লেভেল। যদি এই ইনস্ট্রুমেন্টের দরপতন হয়ে মূল্য 1.1570 এরিয়ায় নেমে আসে, তাহলে বড় ক্রেতাদের কার্যক্রম পরিলক্ষিত হতে পারে। যদি মূল্য সেই লেভেলে থাকা কোনো শক্তিশালী ক্রেতা সক্রিয় না হয়, তাহলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1540 লেভেলে নেমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই ভালো হবে অথবা 1.1520 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। GBP/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল পূর্বাভাস GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের বর্তমান টেকনিক্যাল পরিস্থিতি অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের প্রথমেই 1.3150 লেভেলের রেজিস্ট্যান্স ব্রেক করার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। একমাত্র এরপরই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3181-এর দিকে যাইয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে, যদিও মূল্যের এই লেভেলের ওপরে উঠা তুলনামূলকভাবে বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হতে পারে 1.3215 লেভেল। যদি মার্কেটে দরপতন ঘটে, তাহলে বিক্রেতারা মূল্য 1.3120 লেভেলে থাকা অবস্থায় মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে, এই রেঞ্জ ব্রেক হলে সেটি ক্রেতাদের অবস্থানের জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করবে, এবং GBP/USD পেয়ারের 1.3085 লেভেল পর্যন্ত দরপতন হতে পারে, যেখানে 1.3050 পর্যন্ত আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/49M9LMD
-
AUD/USD – অস্ট্রেলিয়ান ডলার আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে: শ্রমবাজার প্রতিবেদন 'অজি মুদ্রাকে' বাড়তি সহায়তা দিতে পারে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/456324915.jpg[/IMG]
স্বল্পমেয়াদে 0.6520 লেভেলে নেমে আসার পর, অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মূল্য আবারও 66 ফিগারের কাছাকাছি পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। এই কারেকটিভ পুলব্যাকটি মার্কিন ডলার সূচকের সামগ্রিক শক্তিশালী বৃদ্ধির ফলে হয়েছে, যা মূলত ফেডারেল রিজার্ভের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বৈঠকের ফলাফলের প্রতিক্রিয়ায় ঘটেছে। ওই বৈঠকে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়েছে, তবে শাটডাউন চলমান থাকার কারণে ডিসেম্বরে আর্থিক নীতিমালা আরও নমনীয় করার সম্ভাবনা নিয়ে ফেড সংশয় প্রকাশ করেছে। অক্টোবরের বৈঠকের আগে ডিসেম্বরে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনাকে ৯৫% হিসেবে ধরা হয়েছিল, তাই ফেডের এই সতর্কবার্তাগুলো ডলারের জন্য ইতিবাচক বলে বিবেচিত হয়। তবে পরবর্তী সময়ে ফেডের কর্মকর্তাদের মন্তব্য এবং (বিশেষত) সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ডলারের ক্রেতাদের আশাবাদে কিছুটা পানি ঢেলে দিয়েছে। ISM ম্যানুফ্যাকচারিং সূচকের ফলাফল নেতিবাচক ছিল, ADP থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেসরকারি খাতে মাত্র ৪০,০০০ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, এবং নিয়োগ এজেন্সিগুলোর প্রতিবেদন শ্রমবাজারের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। এমনকি ISM সার্ভিস সূচকের ফলাফল ইতিবাচক হলেও এবং সূচকটি আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছালেও, পরিষেবা খাতের কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে—অক্টোবরে যেটির ফলাফল ছিল মাত্র 48.2। এই প্রতিবেদনগুলোর হতাশাজনক ফলাফলের প্রেক্ষিতে, ফেডের অনেক কর্মকর্তাই তাদের বক্তব্যে নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং শ্রমবাজারের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এদের মধ্যে ছিলেন স্টিফেন মিরান, ক্রিস্টোফার ওয়ালার, মাইকেল বার, মিশেল বোয়ম্যান এবং মেরি ডালি। তাঁরা সবাই কর্মসংস্থানের অবনতির বিষয়টি নিয়ে জোর দিয়েছেন, যদিও মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকিও তুলে ধরেছেন। মিরান ও ওয়ালার প্রকাশ্যেই ডিসেম্বরে আরও সুদের হার কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অর্থাৎ, সামগ্রিক মৌলিক চিত্র পরিবর্তিত হয়েছে—এবং তা ডলারের জন্য অনুকূল নয়। এর ফলে AUD/USD পেয়ারের মূল্য পূর্বের গতিপথ বদলে এখন আবার 66 ফিগারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ান ডলারের দর বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া (RBA)-র সরব "হকিশ বা কঠোর" অবস্থান এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ। অক্টোবরে অনুষ্ঠিত রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার বৈঠকের পর, দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মিশেল বুলক সতর্ক অবস্থানে থেকে ডিসেম্বরে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। সেইসঙ্গে প্রকাশিত কার্যবিবরণীতেও মাঝারি মাত্রা "হকিশ বা কঠোর" অবস্থান প্রতিফলিত হয়েছে, কারণ তৃতীয় প্রান্তিকে অস্ট্রেলিয়ায় মুদ্রাস্ফীতির গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তৃতীয় প্রান্তিকে কোর CPI বা ভোক্তা মূল্য সূচক প্রান্তিক ভিত্তিতে 1.0% হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বার্ষিক ভিত্তিতে ৩.০% বৃদ্ধি পেয়েছে। সূচকটির দুটি উপাদানই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার বৈঠকের ফলাফল প্রকাশের পর অনেক বিশ্লেষক ধারণা করছেন যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্তত ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদের হার কমাবে না—যখন চতুর্থ প্রান্তিকে অস্ট্রেলিয়ার মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তবে, যদি শ্রমবাজার পরিস্থিতির দুর্বল হওয়ার সংকেত পাওয়া যায়, তাহলে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার হকিশ বা কঠোর অবস্থান কিছুটা নমনীয় হতে পারে। তাই আসন্ন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন যেকোনো দিকেই AUD/USD পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতা বাড়াতে সক্ষম। 'অস্ট্রেলিয়ার নন-ফার্ম' পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফল যদি নেতিবাচক হয় তবে তা ক্রেতাদের বা বিক্রেতাদের জন্য যথেষ্ট কার্যকর হতে পারে। প্রাথমিক পূর্বাভাস 'অজি মুদ্রার' পক্ষেই রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, অক্টোবরে দেশটির বেকারত্বের হার সামান্য কমে 4.4% হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে গত মাসে তা বহু মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ 4.5%-এ পৌঁছেছিল। অংশগ্রহণের হারও গত মাসের 67.0% থেকে বেড়ে 67.1% হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সংখ্যা +20,000 হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে সেপ্টেম্বরে এটি ছিল 14,000। যদিও এটিকে শক্তিশালী ফলাফল বলে গণ্য করা যায় না, তবুও এটি কোনোভাবেই নেতিবাচক নয়, বিশেষ করে আগস্টে যখন নিয়োগের সংখ্যা 5.4 হাজার হ্রাস পেয়েছে। এখানে পূর্ণকালীন বনাম খন্ডকালীন নিয়োগের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, সেপ্টেম্বরে পূর্ণকালীন কর্মসংস্থানের সংখ্যা 8,700 বেড়েছে এবং খন্ডকালীন কর্মসংস্থানের সংখ্যা 6,300 বেড়েছে। এই তথ্যটি অস্ট্রেলিয়ান ডলারকে অতিরিক্ত সহায়তা দিয়েছে, কারণ পূর্ণকালীন চাকরি সাধারণত উচ্চ বেতন এবং আরও বেশি সামাজিক সুরক্ষা প্রদান করে, যা মজুরি বৃদ্ধির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সুতরাং, আসন্ন প্রতিবেদনের ফলাফল যদি পূর্বাভাসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয় (বৃদ্ধি কথা না বিবেচনা করা হলেও), তাহলে অস্ট্রেলিয়ান ডলারের দর মার্কিন ডলারের বিপরীতেও বৃদ্ধি পাবে। আমার মতে, এখনও AUD/USD পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা বজায় রয়েছে। টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, AUD/USD পেয়ারের মূল্য চার ঘণ্টার চার্টে ইচিমোকু ক্লাউডের ওপরের সীমানা অতিক্রম করেছে এবং এখন ইচিমোকু সূচকের সব লাইন এবং বলিঙ্গার ব্যান্ডের মিড ও আপার লাইনের মাঝে রয়েছে, যা লং পজিশন ওপেন করারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রথম লক্ষ্যমাত্রা হলো 0.6560 (চার ঘণ্টার টাইমফ্রেমে বলিঙ্গার ব্যান্ডের আপার লাইন)। মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 0.6600 (D1 টাইমফ্রেমে কুমো ক্লাউডের উপরের সীমানা, যা বলিঙ্গার ব্যান্ডের আপার লাইনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ)।
Read more: https://ifxpr.com/4p6kHJB
-
EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ১৪ নভেম্বর:
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1964449993.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবারও EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল, এবং মূল্যের অস্থিরতা ও বৃদ্ধির প্রবণতাও বেড়েছে। নতুন ট্রেডারদের মনে রাখা জরুরি যে, এই পেয়ারের মূল্যের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি এবং ডলারের দরপতন নির্দেশ করে। অর্থাৎ, মার্কিন সরকারের শাটডাউনের সমাপ্তির খবরে গতকালও ডলারের দরপতন অব্যাহত ছিল। এই ধরনের মুভমেন্ট বিশ্লেষণ করতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই, কারণ এতে সাধারণভাবেই কোনো যৌক্তিকতা নেই। সহজ কথায়, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও স্থানীয় সংবাদ এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে কোনো প্রভাব ফেলেনি। ট্রেডাররা নিজের মতো করে ট্রেড করছে এবং স্থানীয় মৌলিক ও অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল উপেক্ষা করছে। একই সময়ে, যখন যেকোনো মূল্য বৃদ্ধিই যৌক্তিক মনে হয় তখন যেকোনো দরপতনই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অযৌক্তিক, কারণ বৈশ্বিক মৌলিক উপাদানগুলো ডলারের জন্য এখনও স্পষ্টভাবে নেতিবাচক। তাই, এক বা দুই দিনের মধ্যে স্থানীয় মৌলিক ও অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বর্তমানে পরিলক্ষিত মার্কেটে প্রায় সব ধরনের মুভমেন্টকেই অযৌক্তিক বলা যেতে পারে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির আলোকে এই পেয়ারের মূল্যের যেকোনো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সম্পূর্ণরূপে যুক্তিসঙ্গত। দৈনিক টাইমফ্রেমে মার্কেটে এখনও ফ্ল্যাট মুভমেন্ট বজায় রয়েছে, যার মাধ্যমে এসব অযৌক্তিক মুভমেন্টের ব্যাখ্যা করা যায়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/508936785.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বৃহস্পতিবার দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশন শুরু হওয়ার সময়, এই পেয়ারের মূল্য 1.1571-1.1584 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে এবং দিনের শেষে মূল্য নিকটতম লক্ষ্যমাত্রা – 1.1655-1.1666 এরিয়ায় পৌঁছে যায়, যেখান থেকে আবারও রিবাউন্ড হয়। ফলে, নতুন ট্রেডারদের জন্য লং পজিশন ওপেন করে প্রায় ৫০ পিপস লাভ করার সুযোগ তৈরি হয়। 1.1655 লেভেল থেকে রিবাউন্ডের ক্ষেত্রেও ট্রেড করা যেত, কিন্তু এই সিগন্যালটি বেশ দেরিতে গঠিত হয়েছিল এবং স্থানীয় পর্যায়ে চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে পরস্পরবিরোধী ছিল।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে স্থানীয় পর্যায়ে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্য অন্তত ১৫০ পিপস বাড়তে পারে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক। তাই শুধুমাত্র টেকনিক্যাল কাঠামোর ভিত্তিতে ইউরোর দরপতন হতে পারে – দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জে অবস্থান করার প্রবণতা এখনো প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে। তবে, আমরা আশা করছি এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে চলমান মুভমেন্ট শীঘ্রই শেষ হবে এবং ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবার শুরু হবে, এমনকি ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেও কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1655-1.1666 এরিয়ায় ট্রেড করতে পারেন। এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া রিবাউন্ড করলে মূল্যের 1.1584-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। আর, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ার উপরে স্থিতিশীলভাবে অবস্থান গ্রহণ করে, তাহলে মূল্যের 1.1745-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988 শুক্রবার, ইউরোজোনে তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা দিনের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন। আমরা আগেও দেখেছি, ট্রেডাররা প্রায়শই স্থানীয় প্রতিবেদনের ফলাফল উপেক্ষা করছে, তাই টেকনিক্যাল কাঠামোই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
Read more: https://ifxpr.com/4qXNf9J
-
স্বর্ণের সক্রিয় দরপতন অব্যাহত রয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/100863052.jpg[/IMG]
মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার হ্রাসের প্রত্যাশা কমে যাওয়ায় টানা তৃতীয় দিনের মতো স্বর্ণের দরপতন হচ্ছে। দীর্ঘ ৪৩ দিন ধরে শাটডাউনের পর নতুন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির একটি স্পষ্ট চিত্র উপস্থাপন করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সর্বশেষ সেশনে ২%-এর বেশি দরপতনের পর স্বর্ণের মূল্য আরও ০.৮% হ্রাস পেয়েছে। ট্রেডাররা এখন ডিসেম্বর মাসে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনার প্রতি আস্থা হারাচ্ছেন, কারণ ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তারা ঋণের খরচ কমানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আশাবাদী কোনো বার্তা দিচ্ছেন না। সাধারণত, নিম্ন সুদের হার মূল্যবান ধাতুগুলোকে বিনিয়োগকারীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। পূর্বের মতোই উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকেরা অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছেন, যা মার্কিন ইতিহাসের দীর্ঘতম শাটডাউনের মধ্যে থমকে ছিল। সেসময় ফেডের কর্মকর্তাদের বক্তব্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে। পূর্বে যে আত্মবিশ্বাস দেখা গিয়েছিল, যেন আর্থিক নীতিমালার নমনীয়করণ অবশ্যম্ভাবী—সেই দৃষ্টিভঙ্গি এখন অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেছে। বর্তমানে ফেডের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনার বিষয়ে আরও সতর্কভাবে কথা বলছেন এবং নতুন করে প্রকাশিতব্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছেন। এই দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তা স্বর্ণের উপরও প্রভাব ফেলেছে। যারা আগে প্রকাশিত অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে নিজেদের কৌশল নির্ধারণ করতেন, তারা এখন কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দ্বিধাগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চিত্র যথেষ্ট পরিমাণে স্পষ্ট না হওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারী অপেক্ষা করার কৌশল গ্রহণ করেছে এবং স্পষ্ট সংকেত না পাওয়া পর্যন্ত মার্কেটের বাইরে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তবুও, এ বছর এখন পর্যন্ত স্বর্ণের মূল্য ৫৫% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এই ধাতুটির মূল্য ১৯৭৯ সালের পর সবচেয়ে সেরা বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের চেষ্টা করছে। গত মাসে $4,380-এর উপরে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পেছনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সক্রিয় ক্রয় এবং বিনিয়োগকারীদের মূল্যবান ধাতুগুলোর প্রতি ঝোঁক ভূমিকা রেখেছে—বিশেষ করে আর্থিক অস্থিরতা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে। বর্তমান স্বর্ণের মূল্যের কারেকশনের মধ্যেও স্বর্ণের মূল্যের মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো অক্ষুণ্ণ রয়েছে। ফেডের 'ডোভিশ বা নমনীয়' অবস্থান গ্রহণের প্রত্যাশা এবং নিরাপদ বিনিয়োগের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক স্বর্ণের মূল্যের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে জিইয়ে রেখেছে, কারণ স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিকোণ দুটির কোনোটিই এখনো স্পষ্ট নয়। বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের প্রথমে $4,124 লেভেলের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স ব্রেক করাতে হবে। স্বর্ণের মূল্য সফলভাবে এই লেভেল অতিক্রম করলে লক্ষ্যমাত্রা হবে $4,186 লেভেল, যা ব্রেক করে মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা $4,249-এর লেভেল। যদি স্বর্ণের দরপতন অব্যাহত থাকে, তাহলে মূল্য $4,062 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। এই লেভেল সফলভাবে ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে এটি ক্রেতাদের জন্য বড় ধরনের আঘাত হবে এবং স্বর্ণের মূল্য $4,008-এ নেমে যাবে, যা থেকে আরও দরপতন হয়ে $3,954 লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/48hrYR7
-
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৮ নভেম্বর
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 154.83 লেভেল টেস্ট করে, যা ডলার কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে এবং এই পেয়ারের মূল্য ৫০ পিপসেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। জাপানের জিডিপির তীব্র পতন এবং যুক্তরাষ্ট্রে এম্পায়ার ম্যানুফ্যাকচারিং ইনডেক্সের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রতিবেদন, পাশাপাশি ফেডারেল রিজার্ভ প্রতিনিধিদের বক্তব্য—এই সমস্ত বিষয় USD/JPY পেয়ারে ইয়েনের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছে। এম্পায়ার ম্যানুফ্যাকচারিং ইনডেক্স বেড়ে 18.6 পয়েন্টে পৌঁছেছে, যেখানে বিশ্লেষকরা মাত্র 6.1 পয়েন্টে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। এটি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে উৎপাদন খাতে দৃঢ় প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয় এবং সামগ্রিকভাবে মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনার সংকেত দেয়। একই সাথে, সুদের হার হ্রাসের বিষয়ে মুদ্রানীতিতে সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ফেডের প্রতিনিধিদের বক্তব্য বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করেছে। এই সমস্ত উপাদানের সম্মিলিত প্রভাব ডলারের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/583113314.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 155.60-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 155.23-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 155.60-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 155.01-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 155.23 এবং 155.60-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/102297619.jpg[/IMG]
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 155.01-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 154.66-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 155.23-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 155.01 এবং 154.66-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/47M5Yhb
-
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৯ নভেম্বর।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1955630905.jpg[/IMG]
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে ওঠা শুরু করেছিল ঠিক তখনই এই পেয়ারের মূল্য 155.39-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা মার্কিন ডলার ক্রয়ের জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে এবং এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য ৩০ পিপসেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। গতকাল ব্যাংক অফ জাপানের গভর্নর কাজুয়ো উয়েদার বক্তব্য জাপানি ইয়েনকে কোনো সহায়তা দিতে পারেনি, ফলে এটি ডলারের বিপরীতে মূল্য হারাতে থাকে। উয়েদা প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে জানিয়েছেন যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধীরে ধীরে উদার মুদ্রানীতির মাধ্যমে প্রদত্ত অর্থনৈতিক সহায়তার পরিমাণ কমানোর পরিকল্পনা করছে। এই পদক্ষেপ ব্যাংক অফ জাপানের সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়ে দৃঢ় অবস্থানকে প্রকাশ করে। যদিও, একাধিক বিশেষজ্ঞের মতে, দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি বছরে এই ধরনের কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা কম, এবং প্রথমবার সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাব্য সময় ধরা হচ্ছে ২০২৬ সালের মার্চ মাস। সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়ে কঠোর অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও ইয়েনের দরপতনের কারণ হিসেবে আংশিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ থেকে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ সুদের হার বজায় রাখার প্রত্যাশার কারণে ডলারের সামগ্রিক শক্তিশালী অবস্থানকে বিবেচনা করা যায়। যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যে মুদ্রানীতির ব্যবধান এখনও জাপানি মুদ্রার উপর চাপ সৃষ্টি করছে, ফলে এটি বিনিয়োগকারীদের কাছে কম আকর্ষণীয় হয়ে পড়ছে। তা সত্ত্বেও, ব্যাংক অফ জাপানের সামগ্রিক দিকনির্দেশনা অনুযায়ী মুদ্রানীতির নমনীয়করণেরই স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়। প্রশ্নটি কেবলমাত্র গতি এবং সময় নিয়ে — যা নির্ভর করবে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর, যেমন মুদ্রাস্ফীতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 155.90-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 155.49-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 155.90-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 155.21-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 155.49 এবং 155.90-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/730792719.jpg[/IMG]
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 155.21-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 154.80-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 155.49-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 155.21 এবং 154.80-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/48n3gPi
-
USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২০ নভেম্বর
USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উল্লেখযোগ্য উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 156.09-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি ডলার ক্রয় করিনি এবং এর ফলে এই পেয়ারের মূল্যের একটি কার্যকর ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট কাজে লাগাতে পারিনি। অক্টোবর মাসের ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির (FOMC) বৈঠকের বিবরণ প্রকাশের পর জাপানি ইয়েনের দর মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেভেলে নেমে আসে। ট্রেডাররা এতে স্পষ্ট ইঙ্গিত দেখতে পেয়েছেন যে ফেডারেল রিজার্ভ চলতি বছরের শেষ দিকে সুদের হারের হ্রাসের পদক্ষেপ স্থগিত করতে পারে, যার ফলে ডলারের দর আরও বৃদ্ধি পায়। USD/JPY পেয়ারের মূল্য হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে, ব্যাংক অফ জাপানের বোর্ড সদস্য জুনকো কোয়েডা ডিসেম্বর মাসের বৈঠকে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন এবং মুদ্রানীতির স্বাভাবিকীকরণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, তবুও এই বার্তায় ইয়েনের দর তেমনভাবে প্রভাবিত হয়নি। মার্কেটের ট্রেডাররা এই স্পষ্ট বার্তাটি উপেক্ষা করে বৈশ্বিক বিষয়গুলোতে দৃষ্টি দেয়া অব্যাহত রাখে, বিশেষ করে ফেডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত প্রত্যাশার দিকে। এটি স্পষ্ট যে, ইয়েনের মূল্য দৃঢ়ভাবে বৃদ্ধির জন্য, ব্যাংক অফ জাপান (BoJ) থেকে আরও স্পষ্ট ও দৃঢ়ভাবে আর্থিক নীতিমালা স্বাভাবিকীকরণের প্রস্তুতির প্রমাণ প্রয়োজন, সেই সঙ্গে মার্কিন ডলারের দরপতন হওয়াও প্রয়োজন, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশ অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে। তবে কোয়েডার মন্তব্য ব্যাংক অফ জাপানের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের কথাই তুলে ধরে। জাপানে মুদ্রাস্ফীতি ধারাবাহিকভাবে ২%-এর লক্ষ্যমাত্রার উপরে রয়েছে, এবং ইয়েন দুর্বল হয়ে পড়ায় আমদানি পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবার ও ব্যবসায়িক খাতের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। মূল প্রশ্ন হলো, ব্যাংক অফ জাপান কবে এবং কী গতিতে সুদের হার বাড়ানো শুরু করবে, যাতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে। ডিসেম্বরের আসন্ন বৈঠক হবে ব্যাংক অব জাপানের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেই বৈঠকে বাস্তবেই সুদের হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়, তবে ইয়েনের দর হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেতে পারে এবং ইয়েনভিত্তিক অ্যাসেটগুলোর পুনর্মূল্যায়ন শুরু হতে পারে। অন্যথায়, মার্কেটের ট্রেডাররা ইয়েন ক্রয় করতে অনিচ্ছা প্রদর্শন করবে এবং ব্যাংক অব জাপানের মৌখিক হস্তক্ষেপকে উপেক্ষা করেই চলবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1444903191.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 158.36-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 157.76-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 158.36-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 157.24-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 157.76 এবং 158.36-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 157.24-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 156.70-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/562290125.jpg[/IMG]
পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 157.76-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 157.24 এবং 156.70-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4pj865R
-
২১ নভেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/453483854.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সপ্তাহের চতুর্থ দিনের ট্রেডিংয়ে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট প্রথম তিন দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি সক্রিয় ছিল, তবে সেটি মাত্র আধা ঘণ্টার জন্য হয়েছে। মনে করিয়ে দিই, গতকাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমন কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যার জন্য ট্রেডাররা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিল এবং সেই প্রতিবেদনগুলো ছাড়া আবারও তাঁরা সক্রিয়ভাবে ট্রেডিং শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেনি। এগুলো হলো নন-ফার্ম পেরোলস এবং বেকারত্বের হার সংক্রান্ত প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনগুলো মূলত সেপ্টেম্বর মাসেই প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল এবং আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম যে এগুলো থেকে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়, কারণ প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ইতোমধ্যেই বেশ পুরনো হয়ে গেছে। তবে, আমরা মার্কেটে এমন একটি শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার প্রত্যাশা করেছিলাম, বিশেষ করে যেখানে প্রকাশিত সূচকগুলোর মান প্রত্যাশার তুলনায় ভিন্ন ছিল। আমরা প্রত্যাশার তুলনায় ভিন্ন ফলাফল দেখেছি, কিন্তু মার্কেটে কোনো শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেখিনি। মূলত, প্রতিবেদন প্রকাশের পর এই পেয়ারের মূল্যের পুরো মুভমেন্ট ৪০ পিপসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, যেটি আমরা প্রায় প্রতিদিনই দেখতে পাই। সারাদিনের সামগ্রিক ভোলাটিলিটিও আবারও কম ছিল এবং প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল শুধু পুরনোই নয়, বরং একটি অপরটির সাথে পরস্পরবিরোধীও ছিল। যেমন—নতুন কর্মসংস্থানের সংখ্যা পূর্বাভাসের তুলনায় ২.৫ গুণ বেশি হলেও, বেকারত্বের হার প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1669726682.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে বৃহস্পতিবার চারটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল; তবে প্রশ্ন থেকে যায়—এগুলো কীভাবে লাগানো যেতে পারে, যদি সারাদিনের ভোলাটিলিটি ৫০ পিপসের বেশি না হয়? এই পেয়ারের মূল্য প্রথমে 1.1527 এরিয়া থেকে বাউন্স করে ২০ পিপস কমে যায়। এরপর 1.1527 এরিয়া ব্রেক করার পর মুভমেন্ট আরও কমে যায়। সুতরাং, মূল সমস্যা সিগন্যাল বা লেভেল নয়, বরং মার্কেট স্থবির অবস্থায় রয়েছে। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের পুনরায় দরপতন হচ্ছে এবং সম্ভবত একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও অত্যন্ত নেতিবাচক রয়ে গেছে; তাই মূলত কেবলমাত্র টেকনিক্যাল কারণের ভিত্তিতেই ইউরোর দরপতন দেখা যেতে পারে—দৈনিক টাইমফ্রেমে বিদ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ এখনো প্রাসঙ্গিক রয়েছে। তবে আমরা এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের সমাপ্তি এবং 2025 সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাবর্তনের প্রত্যাশা করছি। এমনকি এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1527-1.1531 এরিয়া থেকে ট্রেডিং শুরু করতে পারেন। যদি এই এরিয়ার ওপরে মূল্যের কনসোলিডেশন হয়, তাহলে মূল্যের 1.1571-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি মূল্য 1.1571-1.1584 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1474-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দ একটি বক্তৃতা প্রদান করবেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হলো ইউরোজোনের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচক এবং আমেরিকার কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স, যেগুলো মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4pcmY6F
-
২৪ নভেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1757639045.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট গত সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য আবারও নিম্নমুখী হয়েছে। এর পেছনে কি কোনো যৌক্তিক কারণ ছিল? শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তবে প্রায় সবগুলো প্রতিবেদনের ফলাফল একে অপরের সাথে পরস্পরবিরোধী ছিল। ইউরোজোনে প্রকাশিত দুটি বিজনেস অ্যাক্টিভিটি ইনডেক্স সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল সম্পূর্ণভাবে বিপরীতমুখী ছিল, আর একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি ইনডেক্স সংক্রান্ত প্রতিবেদন একে অপরের সাথে সাংঘর্ষিক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স বা ভোক্তা মনোভাব সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল ছিল (যার ফলে ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট বজায় রাখা সম্ভব হয়নি), এবং জার্মানির উভয় বিজনেস অ্যাক্টিভিটি ইনডেক্সের বড় ধরনের পতন দেখা গিয়েছে। সম্ভবত এসব বিষয়ে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দরপতনে অবদান রেখেছে। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন ডলারের দর আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বৃদ্ধি প্রদর্শন করছে, বিশেষ করে মার্কেটে ক্রমবর্ধমান চলতি বছরের শেষ বৈঠকে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক "ডোভিশ বা নমনীয়" অবস্থান গ্রহণের প্রত্যাশা এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাড়তে থাকা বেকারত্বের প্রেক্ষাপটে। দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জে অবস্থান করার প্রবণতা এখনও অব্যাহত রয়েছে, তাই তাত্ত্বিকভাবে এই পেয়ারের মূল্য 1.1400 লেভেল পর্যন্ত কমে যেতে পারে, যার ওপর অবস্থান করায় ফ্ল্যাট রেঞ্জ এখনও প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে। তবে আমাদের পূর্বানুমান অনুযায়ী এই সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যেই এই পেয়ারের মূল্য অন্তত 1.1800 পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে প্রত্যাশা করছি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/526595236.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে শুক্রবার দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে 1.1527-1.1531 এরিয়াতে একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয় এবং মার্কিন সেশনে একই ধরণের আরেকটি সিগন্যাল গঠিত হয়। উভয় ক্ষেত্রেই এই পেয়ারের ১৫-২০ পিপস দরপতন হয়েছিল। রাতে একটি বাই সিগন্যালও গঠিত হয়েছিল, তবে সেটি থেকেও উল্লেখযোগ্য মুনাফা পাওয়া যায়নি। মূল সমস্যা হলো—মার্কেটে এখনও দুর্বল মুভমেন্ট বিরাজ করছে।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্য আবারও কমে যাচ্ছে এবং সম্ভবত একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক, তাই মূলত কেবল টেকনিক্যাল কারণেই ইউরোর দরপতন হচ্ছে—দৈনিক টাইমফ্রেমের ফ্ল্যাট রেঞ্জ এখনও প্রাসঙ্গিক রয়েছে। তবে আমরা এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের সমাপ্তি এবং 2025 সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। এর মধ্যে, ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেও মাঝেমধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট ঘটতে পারে। সোমবার, নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1527-1.1531 এরিয়া থেকে ট্রেডিং শুরু করতে পারেন। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1571-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। তবে, যদি মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1474-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970-1.1988। সোমবার ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে একটি বক্তব্য দেবেন এবং জার্মানির Ifo ইনস্টিটিউটের বিজনেস ক্লাইমেট ইনডেক্স সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তবে আমরা এগুলোকে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনায় নিচ্ছি। তাই আজও এই পেয়ারের মূল্যের ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার মাত্রা কম থাকার সম্ভাবনাই বেশি।
Read more: https://ifxpr.com/48vJZLI
-
২৫ নভেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/30857848.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার পুনরায় EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছিল, কিন্তু ফলাফল হিসেবে আরেকবার আমরা মার্কেটে স্থবির অবস্থা দেখতে পেয়েছি। যেমনটা আমরা দেখতে পাচ্ছি, মার্কেটে হয় কোনো মুভমেন্ট হয় না নয়তো অযৌক্তিক মুভমেন্ট দেখা যায়। সোমবার কার্যত ট্রেডিং করার কোনো অবস্থা ছিল না। দিনজুড়ে সামগ্রিক ভোলাটিলিটির মাত্রা ছিল ৫০ পিপসের নিচে, এবং এই পেয়ারের মূল্য শুক্রবারের প্রতিষ্ঠিত রেঞ্জের মধ্যেই স্থির ছিল। সামষ্টিক অর্থনীতি প্রেক্ষাপট প্রায় অনুপস্থিত ছিল, জার্মানিতে ব্যবসায়িক আস্থা সূচক প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু সেটিও এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে কোনো প্রভাব ফেলেনি। মৌলিকভাবে বিশ্লেষণেরও কিছু ছিল না। এদিকে, দৈনিক টাইমফ্রেমে মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে অবস্থান করার প্রবণতা বজায় রয়েছে। এমনটি গত কয়েক মাস ধরেই চলছে, এবং বর্তমানে শিগগিরই এই পরিস্থিতি অবসানের কোনো লক্ষণ নেই। ফলে মার্কেটে দুর্বল ও অযৌক্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। দুর্ভাগ্যবশত, ফ্ল্যাট মার্কেটের বাস্তবচিত্র এটাই। বর্তমানে এই ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট শুধুমাত্র স্থানীয় নয়, বরং বৈশ্বিক পর্যায়েও দেখা যাচ্ছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/542623769.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে সোমবার দিনব্যাপী কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল; তবে যৌক্তিক কারণে ট্রেডাররা উল্লেখযোগ্য লাভ অর্জন করতে পারনি। শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 লেভেল এরিয়া থেকে বাউন্স করেছিল, পরে এটি ব্রেক করে যায় এবং পরবর্তীতে বিপরীত দিক থেকেও আবার ব্রেক করে। প্রতিটি ক্ষেত্রে, মূল্য সর্বাধিক প্রায় ১৫ পিপস সঠিক দিক বরাবর অগ্রসর হয়েছিল। আমরা আগেই উল্লেখ করেছি যে, সমস্যা ট্রেডিং সিগন্যাল বা লেভেলগুলোতে নয়, বরং মার্কেটে সক্রিয় মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে না।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের আবারও দরপতন হচ্ছে এবং সম্ভবত একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই মূলত কেবল টেকনিক্যাল কারণেই ইউরোর দরপতন হচ্ছে—দৈনিক টাইমফ্রেমের ফ্ল্যাট রেঞ্জ এখনও প্রাসঙ্গিক রয়েছে। তবে আমরা এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের সমাপ্তি এবং 2025 সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। এর মধ্যে, ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেও মাঝেমধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট ঘটতে পারে। মঙ্গলবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1527-1.1531 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারেন, কারণ অন্য কোনো কার্যকর বিকল্প আপাতত নেই। যদি এই এরিয়ার উপরে এই পেয়ারের মূল্যের কনসলিডেশন হয়, তাহলে মূল্যের 1.1571-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তবে মূল্যের 1.1474-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন কার্যকর হয়ে উঠবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নোক্ত লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908 এবং 1.1970-1.1988। মঙ্গলবার ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্রে তিনটি তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে—উৎপাদন মূল্য সূচক (PPI), খুচরা বিক্রয় এবং ADP (সাপ্তাহিক) শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন। যদিও এই প্রতিবেদনগুলোর গুরুত্ব সর্বোচ্চ নয়, তবে বর্তমানে এর বাইরে আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন নেই। আমরা অনুমান করছি, এই প্রতিবেদনগুলোর প্রভাবে মার্কেটে সংযত প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে।
Read more: https://ifxpr.com/43MxXuS
-
USD/CHF পেয়ারের বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1301464498.jpg[/IMG]
আজ দ্বিতীয় দিনের মতো USD/CHF পেয়ারের মূল্যের প্রায় তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ 0.8100-এর রাউন্ড লেভেলের ঠিক ওপর থেকে কারেকশনের অংশ হিসেবে দরপতন অব্যাহত রয়েছে। এই দরপতনের প্রধান কারণ হচ্ছে মার্কিন ডলারের প্রতি বিদ্যমান নেতিবাচক মনোভাব। মার্কিন ডলার সূচক (DXY), যা অন্যান্য প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের মূল্য নির্ধারণ করে, এই সপ্তাহে নতুন সর্বনিম্ন লেভেলে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর এই ঘটনা ঘটেছে, যা ফেডারেল রিজার্ভের "ডোভিশ বা নমনীয়" অবস্থান গ্রহণের সম্ভাবনা আরো জোরালো করেছে। বিশেষভাবে, উৎপাদক মূল্যসূচক (PPI) নির্দেশ করে মুদ্রাস্ফীতি মন্থর হচ্ছে, যখন সেপ্টেম্বরের খুচরা বিক্রয় সূচক প্রত্যাশার তুলনায় কম বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিরিক্তভাবে, কনফারেন্স বোর্ডের কনজিউমার কনফিডেন্স বা ভোক্তা আস্থা সূচক সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে, কারণ শ্রমবাজার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে, যা ফেডকে আরেকবার আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করার সুযোগ করে দিয়েছে। এদিকে, নিউ ইয়র্ক ফেডের প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস গত শুক্রবার জানিয়েছেন যে, অদূর ভবিষ্যতে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে এবং এটি মুদ্রাস্ফীতিকে লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে বাঁধাগ্রস্ত করবে না। এর আগে, ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালার উল্লেখ করেন যে শ্রমবাজার এখন এতটাই দুর্বল অবস্থায় যে ডিসেম্বরে সুদের হার ০.২৫% হ্রাস যথার্থ হবে। এরপর মঙ্গলবার ফেডের বোর্ড সদস্য স্টিফেন মিরান এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের প্রতি সমর্থন জানান, এবং দাবি করেন শ্রমবাজার ও অর্থনৈতিক অবস্থা অবনতির কারণে ব্যাপক মাত্রায় সুদের হার হ্রাস করা দরকার, যাতে মুদ্রানীতিকে একটি নিরপেক্ষ পর্যায়ে আনা যায়। ট্রেডাররা দ্রুত সাড়া দিয়েছেন: বর্তমানে প্রায় ৮৫% সম্ভাবনা রয়েছে যে ডিসেম্বরে ফেড সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমাবে। অন্যদিকে, সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (SNB) আসন্ন বৈঠকে মূল সুদের হার ০.০০%-এ অপরিবর্তিত রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে, এবং বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন ২০২৭ সালের আগে কোনো পরিবর্তন আসবে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/902987826.jpg[/IMG]
এই পরিস্থিতি স্বল্প-মেয়াদে USD/CHF-এর আরো দরপতনের প্রত্যাশা জোরালো করে তুলেছে। ট্রেডিংয়ের কার্যকর সুযোগের জন্য বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ আসন্ন মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দিকে মনোযোগ দেয়া উচিত — বিশেষ করে বেকার ভাতা আবেদন ও নতুন আবাসন বিক্রি সংক্রান্ত পরিসংখ্যানের প্রতি। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ডলারের মূল্যের মুভমেন্টের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের দৃষ্টিকোণ থেকে, দৈনন্দিন চার্টে অসিলেটরগুলো পজিটিভ জোনে রয়েছে, এবং এই পেয়ার ১০০-দিনের SMA ও ৯ এবং ১৪ পিরিয়ডের EMA-এর ওপরে ট্রেড করছে, যা বুলিশ প্রবণতার সম্ভাবনা নিশ্চিত করছে। USD/CHF-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেল 0.8100-এর রাউন্ড লেভেলে রয়েছে; এর ওপরে মূল্য বাড়লে নভেম্বর মাসের সর্বোচ্চ লেভেল 0.8125-এর দিকে যেতে পারে। ৯-দিনের EMA-এ এই পেয়ারের মূল্যের সাপোর্ট রয়েছে; এর নিচে পরবর্তী সাপোর্ট হিসেবে ১০০-দিনের SMA এবং তারপর 0.8000-কে বিবেচনা করা হচ্ছে। নিচের টেবিলে দেখা যাচ্ছে এই সপ্তাহে মার্কিন ডলারের দর প্রধান মুদ্রার তুলনায় কেমন ছিল। এর মধ্যে মার্কিন ডলারের দর ক্যানাডিয়ান ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/49B780h
-
২৭ নভেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1735418640.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত ছিল, যদিও দিনের মধ্যে এই পেয়ার সাময়িকভাবে দরপতনের সম্মুখীন হয়েছিল। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব তুলনামূলকভাবে দুর্বল ছিল। মূলত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত টেকসই পণ্যের অর্ডার সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনই উল্লেখযোগ্য ছিল, যা প্রত্যাশামাফিক মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করলেও সামগ্রিক পরিস্থিতিকে তেমনভাবে প্রভাবিত করেনি। কী দেখা গেছে? প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা ভালো এসেছে, যার ফলে ডলারের দর কিছুটা বেড়েছে। তবে, ঘন্টাভিত্তিক চার্টে কয়েক দিন আগে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে; দৈনিক চার্টে এখনো মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করছে এবং দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যায়ে এখনো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং, এই পেয়ারের মূল্যের সামান্য কারেকশন হয়েছে এবং ফের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। আমরা এখনো দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, স্বল্প ও মধ্য-মেয়াদে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে, কারণ বর্তমানে এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্য 1.1400-1.1830 রেঞ্জের নিচের সীমানায় এসে পৌঁছেছে, তবে দীর্ঘমেয়াদে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2082105762.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার কমপক্ষে তিনটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। শুরুতে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1584 লেভেল থেকে রিবাউন্ড করে, এরপর 1.1571-1.1584 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেশন করে। উভয় সিগন্যালই শেষ পর্যন্ত ভুল প্রমাণিত হয়েছে, যেখানে দ্বিতীয়টি মার্কিন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে সক্রিয় হয়। আবারো 1.1571-1.1584 এরিয়াতে তৃতীয় বাই সিগন্যাল গঠিত হয়, এটি কাঙ্ক্ষিত দিকে তেমন শক্তিশালী মুভমেন্ট সৃষ্টি করেনি, যদিও এখনো সেটিকে ভুল সিগন্যাল ধরা যাচ্ছে না — আজও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে এবং লং পজিশন এখনো ওপেন রাখা যেতে পারে। মূলত, মার্কিন টেকসই পণ্যের অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল বুধবারের পুরো টেকনিক্যাল চিত্রকেই কিছুটা ব্যাহত করেছে।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, নতুন করে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কিন ডলারের জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক রয়েছে, যার মানে কেবলমাত্র টেকনিক্যাল কারণেই ইউরোর দরপতন হতে পারে — দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং অব্যাহত রয়েছে। তবে, আমাদের প্রত্যাশা এই ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট শেষ হয়ে ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে। বৃহস্পতিবার, নতুন ট্রেডাররা আবারো 1.1571-1.1584 এরিয়া থেকে ট্রেডিং শুরু করতে পারেন। এই এরিয়ার ওপরে মূল্যের কনসোলিডেশন হলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, মূল্যের 1.1655-1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। একই এরিয়ায় নতুন করে রিবাউন্ড হলে পুনরায় লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে, এই এরিয়ার নিচে কনসোলিডেশন হলে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে, যেখানে মূল্যের 1.1531-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, আজ ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলোর দিকে মনোযোগ দেয়া উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। বৃহস্পতিবার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। ফলে, আজ মার্কেটে অস্থিরতার মাত্রা কিছুটা সীমিত থাকতে পারে, তবে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4oobhbA
-
২৮ নভেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1156842998.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার খুবই সীমিত মাত্রার অস্থিরতার সাথে EUR/USD কারেন্সি পেয়ার প্রায় সম্পূর্ণভাবে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে ট্রেড করেছে। গতকাল সকালে আমরা সতর্ক করেছিলাম যে এ ধরনের মুভমেন্ট প্রত্যাশিত, কারণ বৃহস্পতিবার কোনো নির্ধারিত মৌলিক বা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। শুধুমাত্র সকালে জার্মানি থেকে কনজিউমার কনফিডেন্স বা ভোক্তা আস্থা সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, তবে সেটির ফলাফল পূর্বাভাস অনুযায়ী হওয়ায় এটি ট্রেডারদের জন্য খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। এই কারণে, ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD-এর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠনের ধারা অব্যাহত থাকলেও, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে বর্তমানে ইউরোর দর সেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে না, যেভাবে বিগত কয়েক মাসে মার্কিন ডলারের মূল্য একপ্রকার "আকাশ থেকে পতিত" হয়ে বৃদ্ধি দেখিয়েছে। তাই এখন এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট আসন্ন ইভেন্ট ও প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ঠিক একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশন শুরুতে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1571-1.1584 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করেছিল কিন্তু মূল্য মাত্র প্রায় ১০ পিপস বৃদ্ধি পেয়েছিল। আবারও মনে করিয়ে দিই, যখন মার্কেট স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করছে, তখন ট্রেডারদের কাছে কোনো লেভেল বা সিগন্যাল থাকলেও, সেগুলোর কার্যকারিতা সীমিত থাকে। আজ সকালেও, এই পেয়ারের মূল্য পুনরায় 1.1571-1.1584 এলাকার কাছাকাছি অবস্থান করছে, তাই আবারও একটি বাউন্স দেখা যেতে পারে। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, নতুন করে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কিন ডলারের জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক রয়েছে, যার মানে কেবলমাত্র টেকনিক্যাল কারণেই ইউরোর দরপতন হতে পারে — দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং অব্যাহত রয়েছে। তবে, আমরা আশা করছি এই ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট শেষ হয়ে ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে। মার্কেটে এখনো স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। শুক্রবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1571-1.1584 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারেন। এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেলের উপরে কনসলিডেট করলে মূল্যের 1.1655-1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। এই লেভেল থেকে মূল্য বাউন্স করলে, আবারও লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেলের নিচে নেমে গেলে কনসলিডেশন করলে শর্ট পজিশন গ্রহণযোগ্য হবে, যেখানে মূল্যের 1.1531-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, and 1.1970-1.1988। শুক্রবার ইউরোজোন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তবে জার্মানিতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। জার্মানি ইউরোজোনের একটি দেশ হলেও এটি ইউরোপীয় অর্থনীতির "ইঞ্জিন" হিসেবে পরিচিত। তাই দেশটির মুদ্রাস্ফীতি, খুচরা বিক্রি এবং বেকারত্ব সম্পর্কিত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল প্রকাশের পরে মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4pCwaku
-
মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইয়েনের দর বৃদ্ধি পেয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/366162736.jpg[/IMG]
আজ জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর কাজুয়ো উয়েদা সুদের হার বৃদ্ধির স্পষ্ট ইঙ্গিত দেওয়ার পরই জাপানি ইয়েনের দর হঠাৎ করে বেড়ে যায়। তিনি জানান, ব্যাংক অব জাপানের ডিসেম্বর বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। বিনিয়োগকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখান এবং আক্রমণাত্মকভাবে ইয়েন কেনা শুরু করেন, যার ফলে এটির দর মার্কিন ডলার এবং অন্যান্য প্রধান মুদ্রার বিপরীতে বৃদ্ধি পায়। মার্কেটের ট্রেডাররা উয়েদার এই মন্তব্যকে এমন সংকেত হিসেবে নিয়েছে যে, বহু বছর ধরে চলা অতিমাত্রায় নমনীয় আর্থিক নীতিমালার যুগ শেষের পথে রয়েছে। দেশজুড়ে বাড়তে থাকা মুদ্রাস্ফীতির চাপ এবং ইয়েনের আরও দরপতনের আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা অভ্যন্তরীণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে। উয়েদা জোর দিয়ে বলেন, ব্যাংক অব জাপান মূল্যস্ফীতি এবং মজুরির হারের প্রবণতা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, এবং যদি তারা নিশ্চিত হন যে মূল্যস্ফীতি টেকসইভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাহলে নীতিমালায় পরিবর্তনের বিষয়টি তারা বিবেচনায় নিতে প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বরের বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ হবে, যেহেতু তখন পর্যন্ত ব্যাংক অব জাপানের বোর্ড সদস্যদের হাতে বিশ্লেষণের জন্য আরও বেশি প্রতিবেদন থাকবে। "কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাব্য সুবিধা ও অসুবিধাগুলো পর্যালোচনা করবে এবং পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা, মূল্যস্ফীতি এবং অর্থবাজারের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে,"—সোমবার নাগোইয়া শহরে স্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলের সামনে এই মন্তব্য করেন উয়েদা। তিনি আরও যোগ করেন, "সুদের হারের যেকোনো বৃদ্ধি 'নমনীয় নীতিমালার মাত্রা' সংশোধনের প্রতিফলন হবে, কারণ প্রকৃত সুদের হার এখনও অনেক নিচু পর্যায়ে রয়ে গেছে।" ব্যাংকের অব জাপানের সুদের হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক অর্থবাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। জাপান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ঋণদাতা দেশ, এবং উচ্চ সুদের হার অন্যান্য নিম্ন সুদের হারসম্পন্ন দেশ থেকে মূলধন বহির্গমনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। এটি স্টক এবং বন্ডের মতো জাপানি অ্যাসেটের মূল্যেও প্রভাব ফেলতে পারে। একই সময়ে, সুদের হার বৃদ্ধির মাধ্যমে ইয়েনের মূল্যের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা ও দেশের অভ্যন্তরে মূল্যস্ফীতির চাপ কমানো সম্ভব হতে পারে। তবে এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকেও মন্থর করতে পারে, কারণ উচ্চ সুদের হার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের ঋণ গ্রহণের খরচ বাড়িয়ে তোলে। জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত নীতিমালার প্রেক্ষাপটে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সমর্থনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ক্ষমতাসীন জোটের কিছু সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা মনে করছেন, মার্কেটে বিভ্রান্তি এড়াতে ব্যাংক অব জাপানের পক্ষ থেকে জানুয়ারি মাসে সুদের হার বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা আরও উপযুক্ত হবে, বিশেষ করে যখন দেশটির সরকার সম্প্রতি মহামারি-পরবর্তী সবচেয়ে বড় ব্যয়ের প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। জানুয়ারির সিদ্ধান্ত উয়েদার পক্ষে প্রসঙ্গত বার্ষিক মজুরি আলোচনা (যা সাধারণত মার্চে সমাপ্ত হয়) থেকে প্রাথমিক প্রবণতা বিশ্লেষণের জন্য আরও সময় দেবে। তবুও, অব্যাহত উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং দুর্বল ইয়েন আগেভাগেই নীতিমালার পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে। USD/JPY-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের প্রথমে এই পেয়ারের মূল্যের 155.70-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেল ব্রেক করাতে হবে। এতে তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 156.10-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিয়ে যেতে পারবে, যার উপরে ব্রেকআউট করানো যথেষ্ট কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হলো 156.70 লেভেল। যদি এই পেয়ারের মূল্য কমে যায়, তাহলে মূল্য 155.40-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করবে। তারা যদি এতে সফল হয়, তাহলে এই রেঞ্জ ব্রেক হয়ে গেলে এটি ক্রেতাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে এবং USD/JPY পেয়ারের মূল্য 155.05-এর লেভেলে নেমে যেতে পারে, পরবর্তীতে সম্ভাব্যভাবে 154.70 পর্যন্ত দরপতন হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/49Ubgsx
-
২ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1009752068.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল এবং এমনকি সারা দিন ধরে বেশ উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট হতেও দেখা গেছে। এই মুভমেন্টগুলো বোঝা সহজ ছিল না, কারণ দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি শুরু হয়েছিল এবং তারপরে উল্লেখযোগ্য দরপতন ঘটে। গতকাল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন ছিল ISM উৎপাদন কার্যকলাপ সূচক, যা সন্ধ্যার দিকে প্রকাশিত হয়েছিল। এই সূচকটির ফলাফল প্রত্যাশার চেয়েও নেতিবাচক ছিল এবং এর প্রভাবে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটা উচিত ছিল। তবে, এই সূচকটি প্রকাশ হওয়ার আগেই ডলারের দরপতন শুরু হয়েছিল এবং পরে এটির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল। এখানেই অযৌক্তিকতা রয়েছে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে মার্কেটের ট্রেডাররা ISM সূচক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই এটির নেতিবাচক ফলাফল সম্পর্কে ধারণা করতে পেরেছিল। এর মাধ্যমে দিনের প্রথমার্ধে ডলারের দরপতন ব্যাখ্যা করা যায়। তারপরে, মুনাফা গ্রহণ শুরু হয়েছিল, যে কারণে ISM প্রতিবেদনের ফলাফল আসলে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি ঘটাতে শুরু করেছিল। যতক্ষণ এই পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ড লাইনের উপরে অবস্থান করে ততক্ষণ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকে। তবে, দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত রয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/203012886.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি সুনির্দিষ্ট ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শুরুতে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়া থেকে বাউন্স করেছিল, যা নতুন ট্রেডারদের শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ করে দিয়েছিল। দিনের শেষে, এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ৩৫ পিপ কমে গিয়েছিল, যার ফলে এই একটি ট্রেড থেকে বেশ ভালোই মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি মার্কিন ডলারের জন্য বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই এখনও কেবল টেকনিক্যাল কারণে এই পেয়ারের দরপতন হতে পারে - দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং অব্যাহত রয়েছে। তবে, আমরা আশা করছি এই ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট শেষ হবে এবং ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবার শুরু হবে। মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করছে। মঙ্গলবার, নতুন ট্রেডাররা আবার 1.1571-1.1584 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারেন। এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করলে মূল্যের 1.1655-1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে উল্লিখিত এরিয়ার নিচে কনসলিডেশন হলে মূল্যের 1.1527-1.1531-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। মঙ্গলবার দুটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে, দুটিই ইউরোজোনে প্রকাশিত হবে। প্রথমে (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ) আমরা নভেম্বরের মুদ্রাস্ফীতির পরিসংখ্যান এবং বেকারত্বের হার হাতে পাব। আমরা আগেই উল্লেখ করেছি যে মুদ্রাস্ফীতির হার এখন ট্রেডারদের মনোভাবের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে না, তবে এখনও এটি ট্রেডারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।
Read more: https://ifxpr.com/48yKW4Q
-
৩ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/116646536.jpg[/IMG]
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার "শোক সভার" মত নিস্তেজভাবে GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রথমত, কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই এই পেয়ারের আরও একবার দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। দ্বিতীয়ত, মার্কেটের ট্রেডাররা পূর্বে দু'বার সাপোর্ট হিসেবে বিবেচিত 1.3203 লেভেলটিকে কার্যত উপেক্ষা করেছে। তৃতীয়ত, একটি স্থানীয় রেঞ্জ গঠনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। চতুর্থত, গতকাল এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা ছিল ৪৩ পিপস। এই ধরনের পরিস্থিতিতে খুব বেশি আশাব্যঞ্জকভাবে ট্রেডিং করার সুযোগ ছিল না। তবুও উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টার মাধ্যমে এখনও ব্রিটিশ পাউন্ড মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। তাই ধীরে হলেও এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, এই পেয়ারের মূল্য খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে মনে হচ্ছে না এবং স্বল্প সময়ে লাভজনক ট্রেডিংয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে না। বরং, সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে মন্থর ও ক্রমাগত "দুর্বল" মুভমেন্ট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1615093485.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়েছিল, তবে এই পেয়ারের মূল্যের মোট অস্থিরতার মাত্রা ৪৩ পিপসের মোট বিবেচনায় এই সিগন্যালগুলো থেকে লাভ করা বেশ কঠিন ছিল। 1.3203–1.3211 লেভেল এলাকায় দুইটি সেল সিগনাল গঠিত হয় এবং গভীর রাতে একটি বাই সিগনাল গঠিত হয়। উভয় সেল সিগনালের সময় এই পেয়ারের মূল্য সর্বোচ্চ ১৫ পিপসের মতো কমেছিল, যা থেকে ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করা সম্ভব হয়নি। তবে নতুন ট্রেডাররা যদি সন্ধ্যার আগেই তাদের শর্ট পজিশনগুলো ক্লোজ করে দিতেন, তাহলে কোনো লোকসানের সম্মুখীন হওয়ার কথা নয়, কারণ তখনই এটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে, মার্কেটে আর কোনো বড় ধরণের মুভমেন্ট হবে না।
বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্যের স্থানীয় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো গঠিত হচ্ছে, তবে এটির মূল্য আবার একটি নতুন রেঞ্জে আটকে গেছে। পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে মার্কিন ডলারের মূল্যের স্থিতিশীল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো মৌলিক কারণ নেই, তাই মধ্যমেয়াদে আমরা শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকার প্রত্যাশা করছি। দৈনিক টাইমফ্রেমে কারেকশন বা রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্টের এখনো সমাপ্তি ঘটেনি, তবে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে গঠিত যেকোনো স্থানীয় প্রবণতা, পুনরায় বৈশ্বিক পর্যায়ে একই প্রবণতা শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে। বুধবার, নতুন ট্রেডাররা 1.3203–1.3211 এরিয়া থেকে নতুন ট্রেডিং সিগনাল গঠনে প্রত্যাশা করতে পারেন, যেটিকে এখন ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান রেঞ্জের নিম্ন সীমা হিসেবে বিবেচনা করা যায়। যদি এই এরিয়া থেকে মূল্যের বাউন্স হতে দেখা যায়, তাহলে মূল্যের 1.3259-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অপরদিকে, যদি মূল্য এই লেভেলের নিচে কনসলিডেট করে, তবে মূল্যের 1.3096–1.3107-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বর্তমানে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3211, 1.3259, 1.3329-1.3331, 1.3413-1.3421, 1.3466-1.3475, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590। বুধবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না অথবা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে ISM পরিষেবা কার্যক্রম সূচক, ADP শ্রমবাজার প্রতিবেদন এবং শিল্প উৎপাদন সম্পর্কিত প্রতিবেদন।
Read more: https://ifxpr.com/3MzM8NM
-
৪ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1553885725.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের স্থানীয় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে সামান্য একটি পুলব্যাকের পর পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। এটি মনে রাখা জরুরি যে, দৈনিক টাইমফ্রেমে 1.1400 এবং 1.1830 এর মধ্যে একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জ রয়েছে, যা গত পাঁচ মাস ধরে বজায় রয়েছে। এই সাইডওয়েজ চ্যানেলের নিচের সীমানার কাছে এই পেয়ারের মূল্যের বিপরীতমুখী মোমেন্টাম শুরু হওয়ার পর, শুধুমাত্র টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই রেঞ্জের উপরের সীমানার দিকে ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করা যেতে পারে। তাছাড়া, গত পাঁচ মাসে ইউরোর বিপরীতে ডলারের মূল্যের সঠিকভাবে করেকশন হয়নি এবং মৌলিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিলে, এই পর্যায়ে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের সম্ভাবনাই বেশি। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ADP থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের সংখ্যা 32,000 কমেছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক একটি ফলাফল। অন্যান্য প্রতিবেদনগুলোর (ISM ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক এবং শিল্প উৎপাদন) ফলাফল তুলনামূলকভাবে কিছুটা ভালো ছিলো; তবে, ১০ ডিসেম্বর ফেডারেল রিজার্ভ চলতি বছরের শেষ বৈঠকে বসবে, তাই শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন এই মুহূর্তে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নন-ফার্ম পেরোল ও বেকারত্বের হার সংক্রান্ত প্রতিবেদন ফেডের বৈঠকের আগে প্রকাশিত হবে না, যার অর্থ হলো—ফেডারেল রিজার্ভ ADP থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেবে, যেটির ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় দুর্বল এসেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1029887150.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, দিনের মধ্যে একটি মাত্র বাই সিগনাল গঠিত হয়েছে। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 রেঞ্জ ব্রেক করে, যা নতুন ট্রেডারদের লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ দিয়েছে। তবে, এই পেয়ারের মূল্য এই রেঞ্জ ব্রেক করে উপরের দিকে যাওয়ার পর মূলত মুভমেন্ট থেমে যায়। তা সত্ত্বেও, আজ যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে, তাহলে পুনরায় মুভমেন্ট শুরু হতে পারে।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠন অব্যাহত রয়েছে। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নেতিবাচক রয়ে গেছে; তাই, আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল কারণগুলোও এখন ইউরোর পক্ষে কাজ করছে, কেননা দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জ এখনও বিদ্যমান রয়েছে, যেটির নিম্নসীমা থেকে এই পেয়ারের মূল্যের বিপরীতমুখী মোমেন্টাম শুরু হওয়ার পর শীর্ষ সীমার দিকে মুভমেন্টের যৌক্তিক পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। বৃহস্পতিবারে, নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1655-1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেডিং করতে পারেন। এই এরিয়া থেকে এই পেয়ারের মূল্য বাউন্স করলে মূল্যের 1.1745-1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অপরদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1584-1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে। আজ 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখতে হবে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970-1.1988। বৃহস্পতিবার ইউরোজোনে খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে, পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই দুটি প্রতিবেদনের স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হওয়ায় মার্কেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কম। আজ নতুন ট্রেডারদের টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর উপরে বেশি মনোযোগ দিতে হবে।
Read more: https://ifxpr.com/3Md9zwt
-
৫ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/888106728.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের আবারও "না মাছ, না মাংস" ধরনের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। সারাদিনব্যাপী সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব অত্যন্ত দুর্বল ছিল, যার কারণে মার্কেটে নতুন পজিশন ওপেন করার মতো কোনও যথাযথ ভিত্তি তৈরি হয়নি। সার্বিকভাবে এই সপ্তাহে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যার বেশিরভাগই মার্কেটে তেমন কোনো প্রভাব ফেলেনি। ইউরোজোনে প্রকাশিত প্রায় সব প্রতিবেদনের ফলাফল (যার মধ্যে কয়েকটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল) ট্রেডাররা উপেক্ষা করেছে, আর মার্কিন প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল কিছুটা মিশ্র ধরনের ছিল, যা মার্কেটে অনিশ্চিত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ISM উৎপাদন সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল এসেছে, কিন্তু পরিষেবা খাতের অনুরূপ সূচকটির ফলাফল ট্রেডারদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। মূল প্রতিবেদন হিসেবে যেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—তা হলো ADP থেকে প্রকাশিত কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন, যদিও সাধারণভাবে এটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয় না। কিন্তু বর্তমানে এটিই একমাত্র প্রতিবেদন যার মাধ্যমে মার্কিন শ্রমবাজার সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। এই সূচকের ফলাফল প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী ডলারের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনও ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট কার্যকর রয়েছে, ফলে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রাও কম রয়ে গেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1534506901.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়। প্রথমে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়ায় রিবাউন্ড করে এবং পরে এই রেঞ্জ ব্রেক করে ওপরে উঠে যায়। তবে উভয় ক্ষেত্রেই মূল্য ১৫ পিপস-ও ওপরে ওঠেনি যাতে ব্রেক-ইভেন পয়েন্টে স্টপ লস সেট করা যায়। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্যের সামগ্রিক অস্থিরতার পরিমাণ ছিল মাত্র ৪০ পিপস।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো নেতিবাচক রয়ে গেছে; ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল দিক থেকেও ইউরো সহায়তা পাচ্ছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনো বজায় রয়েছে, এবং নিচের সীমানা থেকে মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পর এখন এই রেঞ্জের শীর্ষ সীমানার দিকে মুভমেন্ট হওয়াই যৌক্তিক। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা সম্ভবত আবারও 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেড ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কারণ অন্য কোনো কার্যকর ট্রেডিং এরিয়া আপাতত নেই। এই এরিয়া থেকে যদি মূল্য নিচের দিকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অপরদিকে, এই এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশনের হলে মূল্যের 1.1745 পর্যন্ত যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য যে লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা উচিত: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970–1.1988। শুক্রবার, ইউরোজোনের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত হবে ব্যক্তিগত আয় এবং ব্যয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন, কোর পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেনডিচার প্রাইস ইনডেক্স (PCE) এবং মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোক্তা আস্থা সূচক। যদিও এই প্রতিবেদনগুলোকে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না, তবে এগুলোর ফলাফল মার্কেটে কিছুটা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/49Zqpsr
-
৮ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1583138528.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার আবারও খুবই স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার সাথে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করা হয়েছে, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট ৪০ পিপসও অতিক্রম করেনি। বাস্তবে, আমরা কয়েক মাস ধরেই এই পেয়ারের মূল্যের সীমিত মাত্রার অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা করছি এবং দুঃখজনকভাবে, এই পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ কিছু করার নেই। মার্কেটে এখনও এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে এবং পরপর ছয় মাস ধরে দৈনিক টাইমফ্রেমে 1.1400 থেকে 1.1830-এর সাইডওয়েজ রেঞ্জ মধ্যে ট্রেড করার প্রবণতা বজায় রয়েছে। ফলে, নতুন ট্রেডারদের জন্য বর্তমানে শুধুমাত্র সীমিত রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্টের প্রত্যাশা করাই উপযুক্ত। শুক্রবার কিছুটা ভিন্ন পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল, কারণ সেদিন মৌলিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি সক্রিয় ছিল। ইউরোজোনে তৃতীয় প্রান্তিকের চূড়ান্ত জিডিপি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে PCE মূল্যসূচক ও ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে ভোক্তা মনোভাব সূচক প্রকাশিত হয়েছে। তবে বর্তমানে, এই ধরনের (বিশেষ করে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন) সামষ্টিক প্রতিবেদন ট্রেডিংয়ে খুব বেশি প্রভাব ফেলছে না। ভোক্তা মনোভাব সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে ইতিবাচক ছিল এবং এতে ডলারের দর ২০ পিপস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু মূল প্রশ্ন হলো—মাত্র ২০ পিপসের এমন মুভমেন্টের প্রতি আসলে কতজন ট্রেডার আগ্রহী?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1673638864.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম লক্ষ্য করলে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঠিক কেমন মুভমেন্ট হয়েছে। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, সিগন্যাল গঠনের পর সৃষ্ট মুভমেন্ট মার্কেটের স্বাভাবিক নয়েজের চেয়েও দুর্বল ছিল। এই পেয়ারের মূল্য কেবলমাত্র 1.1655-1.1666 রেঞ্জ থেকে ১৮ পিপস কমেছিল। নতুন ট্রেডাররা এর ফলে সামান্য মুনাফা অর্জন করতে পারত, তবে সিগন্যাল গঠিত হওয়ার জন্য দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হত।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যেটা ট্রেন্ডলাইন দ্বারা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই আমরা EUR/USD পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল দিক থেকেও এই মুহূর্তে ইউরো ইতিবাচক সহায়তা পাচ্ছে, কারণ দৈনিক চার্টে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনও চলমান রয়েছে এবং এই রেঞ্জের নিচের সীমার কাছাকাছি মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পর উপরের সীমার দিকে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার নতুন ট্রেডারদের আবারও 1.1655-1.1666 এরিয়ার প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত হবে, কারণ আপাতত বিকল্প কোনো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং লেভেল নেই। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1584-1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশনে এন্ট্রি করা যেতে পারে। অপরদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার ওপরে কনসলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1745-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে প্রাসঙ্গিক লেভেলসমূহ হল: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908 এবং 1.1970-1.1988।সোমবার শুধুমাত্র একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে — সেটি হচ্ছে জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। যদিও গত শুক্রবার চারটি আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও এই পেয়ারের মূল্যের মাত্র ৩০ পিপসের মতোই মুভমেন্ট হয়েছে, তাহলে একটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদনের প্রভাবে সোমবার কী ধরনের প্রতিক্রিয়ার আশা করা যায়?
Read more: https://ifxpr.com/44PhW7B
-
৯ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/666286786.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে কারেকশন অব্যাহত ছিল। তবে এই পর্যায়ে এটি নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনও অটুট রয়েছে। গতকাল এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ড লাইনের নিচে অবস্থান গ্রহণ করেছে, ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে এখন নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। তবুও, আমরা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের প্রতি নতুন ট্রেডারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। মার্কেটে এখনও খুব দুর্বল মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে, তাই এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যেখানে ট্রেন্ড লাইনের ব্রেক ঘটলেই প্রকৃতপক্ষে প্রবণতার পরিবর্তনের ঘটবে তা নয় বরং দীর্ঘমেয়াদী কারেকশন এবং প্রাথমিকভাবে দুর্বল মোমেন্টামের কারণে এমন পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে এই সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং তুলনামূলকভাবে ডলারের আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও, সোমবার জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। যদিও এই প্রতিবেদনটি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে সূচকটি পূর্বাভাসের তুলনায় ইতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। স্বাভাবিকভাবেই, মার্কেটের ট্রেডাররা EUR/USD পেয়ারের মূল্যকে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী করতে পারত। দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য এখনও ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে রয়েছে, তাই 1.1800 লেভেলের (রেঞ্জের উপরের সীমানা) দিকে মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/943072785.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, গতকাল একটি মাত্র সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশন জুড়ে 1.1655-1.1666 এরিয়ায় মূল্যের রিবাউন্ডের মাধ্যমে এই সিগন্যালটি গঠিত হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ২৫ পিপস হ্রাস পায়, তাই এই সিগন্যাল থেকে সামান্য মুনাফা করা সম্ভব হয়েছিল। তবে বর্তমানে উল্লেখযোগ্য মুনাফার আশা করা ঠিক নয়, কারণ মার্কেটে এখনও স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক চার্টে দেখা যাচ্ছে যে, ট্রেন্ড লাইন ব্রেক করলেও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক প্রেক্ষাপট এখনও নেতিবাচক রয়েছে, ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল কারণগুলোও ইউরোর পক্ষে কাজ করছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত রয়েছে, এবং এই রেঞ্জের নিচের সীমায় গিয়ে মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পর উপরের সীমার দিকে মুভমেন্টের আশা করা যুক্তিযুক্ত হবে। মঙ্গলবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1655–1.1666 এরিয়ার ওপর ভিত্তি করে ট্রেডিং করতে পারেন, কারণ আপাতত কার্যকর কোনো বিকল্প লেভেল নেই। যদি মূল্য এই এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে, তাহলে মূল্যের 1.1584–1.1591 পর্যন্ত যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। আর যদি মূল্য এই এরিয়ার ওপরে স্থিতিশীলভাবে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1745 পর্যন্ত যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যাবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে প্রাসঙ্গিক লেভেলসমূহ হল: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970-1.1988। মঙ্গলবার ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্রে JOLTs এবং চাকরির শূন্যপদ সংক্রান্ত তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, সেইসাথে বেসরকারী খাতে কর্মসংস্থানের পরিবর্তন সংক্রান্ত সাপ্তাহিক ADP প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হবে। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3KiBfzu
-
১০ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবারও EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের বেশ দুর্বল এবং প্রায় সম্পূর্ণভাবে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে নিম্নমুখী মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা অত্যন্ত কম ছিল, আর গত পাঁচ দিনে কার্যত কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট ঘটেনি। ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির আসন্ন বৈঠক এর অন্যতম কারণ হতে পারে, যেটির ফলাফল ঘোষণার আগে মার্কেটের ট্রেডাররা ঝুঁকি নিতে ইচ্ছুক নয়, কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বল্পমেয়াদে কোন পথ অনুসরণ করবে—তা নিয়ে এখনও কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই। বিকল্পভাবে, এটি হয়তো দৈনিক টাইমফ্রেমে পরপর ছয় মাস ধরে চলমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্টের প্রতিফলনও হতে পারে। মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির মুদ্রানীতির নিয়ে কোনো উদ্বেগ ছিল না। ট্রেডাররা বুঝে নিয়েছিল যে, ফেডারেল রিজার্ভ শ্রমবাজারকে সহায়তা করতে বাধ্য হয়ে মূল সুদের হার কমাবে। তবে এই দুই মাসে মুদ্রানীতি নমনীয়করণের প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন ডলারের দর অত্যন্ত স্থিতিশীলও ছিল এবং এমনকি এটির দর কিছুটা বৃদ্ধিও পেয়েছিল, যা এখনো যৌক্তিক পরিস্থিতি বলে মনে হয় না। তাই, আজ সন্ধ্যায়ও অযৌক্তিক মুভমেন্ট দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। যদি আজকের বৈঠকে ফেড ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করে, আর তাও যদি মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পায়, তারপরও আমরা অবাক হব না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/717715334.jpg[/IMG]
EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, গতকাল একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় 1.1655–1.1666 এরিয়ায় রিজেকশন থেকে এই সিগন্যালটি সৃষ্টি হয়েছিল। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ২৫ পিপস নিচে কমে যায়, যা থেকে সামান্য মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয়। তবে বর্তমানে মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা এতটাই কম যে বেশি মুনাফা অর্জনের প্রত্যাশা করাও বাস্তবসম্মত নয়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1986005261.jpg[/IMG]
বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনও গঠিত হচ্ছে, যদিও মূল্য ট্রেন্ডলাইনকে অতিক্রম করেছে। মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনীতিভিত্তিক প্রেক্ষাপট এখনও অত্যন্ত দুর্বল নেতিবাচক রয়েছে; ফলে আমরা এখনও এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল দিক থেকেও চলমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট ইউরোকে সমর্থন করছে —যেখানে এই রেঞ্জের নিম্নসীমায় পৌঁছানোর পর বিপরীতমুখী হয়ে উপরের সীমা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধিকে যুক্তিসংগত হিসেবে বিবেচনা করা যায়। বুধবার, নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1655–1.1666 এরিয়ায় ট্রেড করার চেষ্টা করতে পারে, কারণ ইতোমধ্যেই এই পেয়ারের মূল্য পরপর পাঁচ দিন এই এরিয়ার কাছাকাছি রয়েছে। যদি এই এরিয়া থেকে একটি বাউন্স হয়ে মূল্য নিম্নমুখী, তবে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন হয়, তবে মূল্যের 1.1745-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশনে এন্ট্রির সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970–1.1988। বুধবার ইউরোজোনে তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বছরের শেষ বৈঠকের ফলাফল ঘোষণা করা হবে, যা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3KLGis9
-
১১ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1104934794.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঠিক সেইরকম মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে, যেমনটি অধিকাংশ ট্রেডার প্রত্যাশা করেছিল। এটি উল্লেখযোগ্য যে, মার্কেটের ট্রেডাররা সব সময় ফেডের বৈঠকের ফলাফলের প্রতি খুব স্পষ্ট বা যৌক্তিকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় না। গতকাল এমনই এক পরিস্থিতির উদাহরণ দেখা গেছে—গত কয়েক মাসে ফেডারেল রিজার্ভ যখনই মুদ্রানীতি নমনীয় করেছে, ডলারের দর তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এইবার ঠিক উল্টো পরিস্থিতি দেখা গেল—যদিও ফেড ২০২৬ সালের আগে সুদের হার আর না কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তবুও ডলারের দরপতন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, প্রত্যাশিত অনুযায়ী সুদের হার টানা তৃতীয়বারের মতো কমানো হয়েছে, কিন্তু কিছুটা আগেভাগেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এখনো পর্যন্ত শ্রমবাজার, বেকারত্ব বা মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত তেমন কোনো নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি, তাই ফেড খুব একটা সুনির্দিষ্ট এবং বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। ফলে, তারা ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির শঙ্কায় আগেইভাগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেহেতু এই সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে "ডোভিশ বা নমনীয়", তাই মার্কিন ডলারের দরপতন যৌক্তিক ছিল। আমরা গত দুই সপ্তাহ ধরে শুধুমাত্র দৈনিক টাইমফ্রেমে 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের নিম্নসীমা থেকে টেকনিক্যাল রিভার্সালের উপর ভিত্তি করে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়ে আসছিলাম।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1076151068.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট গতকাল ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। যখন ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় মূল্য 1.1655 লেভেল থেকে বাউন্স করে তখন প্রথম সিগন্যাল গঠিত হয়। এরপর এই পেয়ারের মূল্য ১৫ পিপস কমে যায়—ফলে কোনো লোকসান হয়নি, এমনকি ফেডের সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে এই ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে সামান্য লাভ করাও সম্ভব ছিল। ফেডের ঘোষণার পর মার্কিন ডলার বিক্রি করার সুযোগ তৈরি হয় এবং একই সময়ে 1.1655–1.1666 এরিয়ায় একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়। ফলে, নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন, যা থেকে এখন পর্যন্ত মুনাফা করা যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যদিও এই পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইন অতিক্রম করেছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক, তাই ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট থেকেও ইউরো সহায়তা পাচ্ছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনো অব্যাহত আছে এবং এই রেঞ্জের নিম্নসীমা থেকে মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পরে উপরের সীমার দিকে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির আশা করা যায়। বৃহস্পতিবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেডিং করতে পারে, কারণ টানা ছয় দিন ধরে এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ায় অবস্থান করছে। যদি এই এরিয়া থেকে মূল্য বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1745–1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ রয়েছে। আর যদি মূল্য এই লেভেলের নিচে স্থিতিশীল হয়, তাহলে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হল: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970–1.1988। বৃহস্পতিবার ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়নি। ফলে মার্কেটে আবারও স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে, এবং আজকের ট্রেডিং কেবলমাত্র টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের ওপর নির্ভর করবে।
Read more: https://ifxpr.com/4iNacca
-
১২ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1164060859.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার সন্ধ্যায় ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল। মনে করিয়ে দেই, ফেডের বছরের শেষ বৈঠকের ফলাফলকে পুরোপুরিভাবে "ডোভিশ বা নমনীয়" বলা যায় না। ফেড সুদের হার কমালেও ২০২৬ সালে সুদের হার হ্রাসের ক্ষেত্রে কার্যত দীর্ঘমেয়াদি বিরতির ঘোষণা দিয়েছে। আগামী বছরের কেবলমাত্র একবার মুদ্রানীতি নমনীয়করণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা মার্কিন ডলারের জন্য ইতিবাচক সংবাদ। তবুও, এবারে মার্কেটের ট্রেডাররা এমনভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে যেন ফেড ৪–৫ বার সুদের হার কমানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য যে, আগের দুটি বৈঠকেও ফেড সুদের হার হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, এবং এরপরই ডলারের দর বৃদ্ধি পায়। তাই বর্তমানে মার্কিন কারেন্সির দরপতন মূলত দৈনিক টাইমফ্রেমে চলমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক ট্রেডিংয়ের সাথে সম্পর্কিত। এই পেয়ারের মূল্য 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের নিম্নসীমা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তাই ফেডের বৈঠকের আগেই এই চ্যানেলের উপরের সীমার দিকে মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা অনুমান করা যেত। দীর্ঘমেয়াদে, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবার শুরু হবে বলে আশাবাদী, যেখানে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800 লেভেল ব্রেক করলে আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ধারাবাহিকতা দেখা যেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1525005001.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, গতকাল মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় প্রথম ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 রেজিস্ট্যান্স এরিয়াতে পৌঁছায়, কিন্তু এরপর আর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখতে পারেনি। শুক্রবার সকালে, এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করেছে। এর আগের বাই সিগন্যালটি বুধবার সন্ধ্যায় গঠিত হয়েছিল। যারা এই সিগন্যালের ভিত্তিতে লং পজিশন ওপেন করেছিলেন, তারা প্রায় 60 পিপস মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/308338004.jpg[/IMG]
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে, যদিও এই সপ্তাহে মূল্য ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক, তাই আমরা এই পেয়ারের আরও মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল বিষয়গুলো এ মুহূর্তে ইউরোকে সহায়তা করছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক ট্রেডিং এখনো চলমান রয়েছে এবং এই রেঞ্জের নিম্নসীমা থেকে মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পরে উপরের সীমার দিকে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির আশা করা যায়। শুক্রবার নতুন ট্রেডাররা 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারেন। যদি মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1655–1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই লেভেলের উপরে মূল্যের কনসলিডেশন হয়, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। শুক্রবার ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই কিংবা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না। শুধুমাত্র জার্মানিতে নভেম্বর মাসের মুদ্রাস্ফীতির অনুমান সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ফলে, আজ মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে এবং সম্পূর্ণরূপে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে ট্রেডিং করা যেতে পারে। ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী: সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত। ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন। MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত। নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন। স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।
Read more: https://ifxpr.com/453ZGHI
-
১৫ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/211654474.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সির পেয়ারের মূল্যের স্বল্পমাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করেছে এবং একেবারে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। মার্কেটের এই ধরণের পরিস্থিতি অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়, কারণ ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে একটি দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, যেখানে দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে, সামগ্রিকভাবে এই পেয়ারের মূল্যের মোমেন্টাম দুর্বলই রয়ে গেছে। গত সপ্তাহে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল, যেটি মূলত ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক এবং এর ফলাফল থেকে উদ্ভূত প্রতিক্রিয়ার কারণে হয়েছিল। ওই দুই দিনে স্বাভাবিকভাবেই অস্থিরতার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে শুক্রবার আমরা সার্বিক পরিস্থিতি পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে দেখেছি। আবারো মার্কেটে কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট ছিল না। এই সপ্তাহে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, ফলে অস্থিরতার মাত্রা পুনরায় বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে ট্রেডারদের এখন টেকনিক্যাল বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত – কারণ একই ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনো অব্যাহত রয়েছে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1800-1.1830 রেঞ্জের (সাইডওয়েজ চ্যানেলের ঊর্ধ্বসীমা) ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত থাকবে এবং আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহে আবারও এই রেঞ্জের নিম্ন সীমার দিকে এই পেয়ারের দরপতন হতে দেখতে পারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/170923811.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। প্রথমে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়ার কাছ থেকে দুইবার রিবাউন্ড করে, তবে এটি দুপুরের পরে ঘটেছিল, যখন এটি ইতোমধ্যেই ১০০% স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে মার্কেটে কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যাবে না। তাছাড়া, উইকেন্ডে মার্কেটে ট্রেডিং বন্ধ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্টের মধ্যে পজিশন ওপেন করা মূলত কার্যকর কৌশল নয়।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার গঠন বজায় রয়েছে, যদিও গত সপ্তাহে মূল্য ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছিল। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বেশ নেতিবাচক, তাই আমরা এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল দিক থেকেও বর্তমানে ইউরোর জন্য সহায়ক অবস্থা বিরাজ করছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত রয়েছে এবং এই রেঞ্জের নিম্ন সীমা থেকে একটি রিবাউন্ড হলে, তা যুক্তিযুক্তভাবে ঊর্ধ্ব সীমার দিকে মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা নির্দেশ করে। সোমবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেডিং করতে পারে। এই এরিয়া থেকে মূল্যের দুইবার বাউন্স হওয়ার মাধ্যমে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। তবে যদি মূল্য এই এরিয়ার উপরে কনসলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডারদের নিম্নোক্ত লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। সোমবার কেবলমাত্র একটিমাত্র প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে—সেটি হচ্ছে ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। সেই অনুযায়ী, আজ মার্কেটে বেশি অস্থিরতা বিরাজ করবে এমন সম্ভাবনা খুবই কম।
Read more: https://ifxpr.com/48OCvm0
-
১৮ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/869602412.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কিছুটা নিম্নমুখী কারেকশন হয়েছে, তবে সামগ্রিকভাবে এখনও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করেছে, যা উপরের চার্টেও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। গতকাল ইউরো উল্লেখযোগ্যভাবে দরপতনের শিকার হয়েছিল, যদিও এই পেয়ারের মূল্যের উপর সামষ্টিক অর্থনৈতিক বা মৌলিক প্রেক্ষাপট খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি। ট্রেডারদের হয়তো মনে হয়েছে যে একটি নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হচ্ছে—যার কিছুটা সম্ভাবনা ছিল বলা যায়—, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমায় পৌঁছেছিল। তবে এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেই দীর্ঘ ছয় মাস ধরে এই পেয়ারের ট্রেড করা হচ্ছে, তাই অবশেষে মূল্য এই রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে যাবে—এটাই স্বাভাবিক। সে কারণে, আমরা মনে করি এখনই হতাশ হওয়ার বা নতুন করে শক্তিশালী দরপতনের প্রত্যাশা করার সময় আসেনি। এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা বিরাজমান থাকতে পারে। আজ যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে চলেছে, যা মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং ডলারের দরপতন ঘটাতে পারে। যদি মূল্যস্ফীতির হার নিম্নমুখী হয়, তাহলে জানুয়ারিতে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক আরেকবার সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা বাড়বে। আজ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে—যদিও বড় ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত প্রত্যাশিত নয়, তবে সবসময়ই চমকের সম্ভাবনা থেকে যায়। এই পেয়ারের মূল্য এখনও ট্রেন্ডলাইনের উপরে অবস্থান করছে, তাই এখনও দরপতনের জন্য কোনো স্পষ্ট ভিত্তি পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1520144869.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার রাতের দিকে একটি কার্যকর সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে বাউন্স করে এবং নতুন ট্রেডারদের শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ দেয়। তবে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1666-এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি এবং দিনশেষে আবার পূর্ববর্তী অবস্থানে ফিরে আসে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যত কোনো মৌলিক কারণ ছাড়াই এই পেয়ারের মূল্যের পুনরুদ্ধারকে আমরা ভবিষ্যতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচনা করছি।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও নেতিবাচক রয়ে গেছে, ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করছি। বর্তমানে এই পেয়ারের মূল্য 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের লাইনে পৌঁছেছে, তাই এখন মূল্য হয় এই চ্যানেল ব্রেক করবে, অথবা উক্ত ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেই অবস্থান করবে। বৃহস্পতিবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। এই এরিয়া থেকে মূল্য বাউন্স করলে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1655–1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। তবে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার উপরে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং লেভেলগুলো হচ্ছে 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। বৃহস্পতিবার ইউরোপে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে, যেটির ফলাফল ইউরোপীয় মুদ্রার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে নভেম্বর মাসের গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতি নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট মার্কেটে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4oZB760
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ
ইউরো ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.1711 পৌঁছেছিল, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে যায়। এ কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করা থেকে বিরত ছিলাম। পরে, এই পেয়ারের মূল্য একই 1.1711 লেভেলে দ্বিতীয়বার পৌঁছালে বাই সিগন্যালের "পরিকল্পনা 2" বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়া যায়, কারণ তখন MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে ছিল। এর ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য ২০ পিপসের বেশি বৃদ্ধি পায়। ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তাদের ভবিষ্যতের সুদের হার সংক্রান্ত মন্তব্যগুলোতে ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিতের কারণে ডলারের সকালের মোমেন্টাম দুর্বল হয়ে যায়। তবে, কিছুটা দুর্বলতার ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও মার্কিন অর্থনীতি অন্যান্য অনেক উন্নত অর্থনীতির তুলনায় তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল আছে। চলমান সমস্যাগুলোর মধ্যে বেকারত্ব অন্যতম, যা সম্প্রতি বেড়ে চলেছে এবং এর ফলে মার্কিন ডলারের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে। আজ দিনের প্রথমার্ধেই ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবির) মূল সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। যেহেতু এই অনুমিত সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করেছে, তাই এটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে—এমন সম্ভাবনা কম। তবে ক্রিস্টিন লাগার্ডের সংবাদ সম্মেলন সবচেয়ে আকর্ষণীয় হতে যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা অধীর আগ্রহে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির রূপরেখা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পরিকল্পনা এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাব্য সময়সূচি সম্পর্কিত ইঙ্গিত বা বার্তার জন্য অপেক্ষা করছেন—যদি এমন কোনো পরিকল্পনা থেকে থাকে। সেইসঙ্গে ইউরোপীয় অর্থনীতির ভবিষ্যত প্রবণতা নিয়ে লাগার্ডে মন্তব্যগুলোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানগুলোর ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নয়নের ধারা কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী, এবং ইসিবি আগামী বছরের পূর্বাভাস ইতিবাচকভাবে হালনাগাদ করতে পারে। দৈনিক কৌশল অনুসারে, আমি আজ মূলত "পরিকল্পনা 1" এবং "পরিকল্পনা 2" বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দেব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1776-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1751-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1776-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1737-এর লেভেলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1751 এবং 1.1776-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1737-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1716-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1751-এর লেভেলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1737 এবং 1.1716-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2069366359.jpg[/IMG]
Read more: https://ifxpr.com/4j3do3r
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২২ ডিসেম্বর।
ইউরো ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1705 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। শুক্রবার বিকেলে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত ভোক্তা মনোভাব সূচক সম্পর্কিত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল মার্কিন ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। তবে, এই সূচকের পতনের ফলাফল—যা যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে ভোক্তাদের উদ্বেগ প্রতিফলিত করে—বিশ্লেষকরা তাদের স্বল্পমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত পূর্বাভাস সংশোধন করতে উদ্বুদ্ধ হয়নি। ফলে, ফরেক্স মার্কেটে এই প্রতিবেদনের প্রভাব সীমিত ছিল। আজ, ইউরোজোন থেকে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের অভাবে দিনের প্রথমার্ধে মার্কেটে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ওঠানামা বা অস্থিরতা প্রত্যাশিত নয়। ট্রেডাররা সম্ভবত অন্যান্য বিষয়ের উপর—বিশেষ করে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের—দিক মনোযোগ দেবে। ইউরোজোন থেকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের সম্ভাবনা না থাকায়, সম্ভবত বাহ্যিক প্রভাবশালী উপাদানগুলোই বিনিয়োগকারীদের মনোভাব নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকায় থাকবে এবং স্বল্পমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণ করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আজ আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/922343611.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1749-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1726-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1749-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1712-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1726 এবং 1.1749-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1897488660.jpg[/IMG]
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1712-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1688-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1726-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1712 এবং 1.1688-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4pVdlJK
-
EUR/USD পেয়ারের বিশ্লেষণ: আবারও চাপের মুখে মার্কিন ডলার, এই পেয়ারের মূল্য 1.17 এরিয়ায় পৌঁছেছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1994450339.jpg[/IMG]
গত সপ্তাহে EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1800-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেল (D1 টাইমফ্রেমে বোলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন) ব্রেক করতে ব্যর্থ হয়, যার পর বিক্রেতারা মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং এই পেয়ারের মূল্যকে 1.17 লেভেলের দিকে নিয়ে আসে। তবে তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.16 লেভেলে বা 1.1690-এর সাপোর্ট লেভেল অতিক্রম করাতে পারেনি (একই টাইমফ্রেমে কুমো ক্লাউডের উপরের সীমা)।
শুক্রবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1704 লেভেলে পৌঁছানোর পর ট্রেডিং শেষ হয়। মূলত বেশ দুর্বল ভিত্তির উপর নির্ভর করে গত সপ্তাহে এই পেয়ারের দরপতন ঘটেছে। মার্কিন ডলার সূচক তিন দিন (বুধবার থেকে শুক্রবার) বেশ শক্তিশালী অবস্থানে ছিল, কিন্তু এই ধরনের গতিশীলতাকে সহায়তা করার মতো কোনো বাস্তব পদ্ধতিগত কারণ ছিল না। এখানে মার্কেটের ট্রেডারদের "বিষয়ভিত্তিক" মূল্যায়ন মূল ভূমিকা রেখেছে, যাদের অধিকাংশ মার্কেটের পরিস্থিতিকে ডলারের জন্য "ইতিবাচক" হিসেবে দেখেছেন। উদাহরণস্বরূপ, যদিও নভেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার 4.6%-এ পৌঁছেছে (যা ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ), যা নেতিবাচক সংকেত, তবুও ট্রেডাররা কর্মসংস্থান সৃষ্টি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন, যেটির ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে সামান্য ইতিবাচক (+64,000 পরিবর্তে +50,000) ছিল। যদিও এই উপাদানটি তথাকথিত "ইতিবাচক" ছিল, তবুও মার্কেটে কোনো আশাবাদের তৈরি হয়নি। প্রথমেই, কর্মসংস্থানের সংখ্যা 64,000 বৃদ্ধি কিন্তু মার্কিন শ্রমবাজারের অস্থিতিশীলতা নির্দেশ করে। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে 212,000 এবং ডিসেম্বরে 307,000টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল। দ্বিতীয়ত, ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্সে (BLS) প্রচলিত হিসাব কৌশলগুলো কর্মসংস্থানের প্রকৃত চিত্রকে অতিমূল্যায়ন করতে পারে। ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের মতে, সরকারিভাবে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল হয়তো "অতিরিক্ত আশাবাদী", যার মাপকাঠি বিশেষ করে ৫০,০০০ থেকে ৬০,০০০ কর্মসংস্থান পর্যন্ত অতিরঞ্জিত হতে পারে। এর পেছনে রয়েছে ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশনের হিসাব না থাকা, এবং অস্থায়ী ও ফ্রিল্যান্স ভিত্তিক চাকরির যথাযথভাবে গণনা না হওয়া (যেমন: উবার বা আপওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ)।
এই ভিন্নতা বিবেচনায় ধরলে, প্রকৃত চিত্র অনেক বেশিই হতাশাজনক হতে পারে। কয়েকটি অনুমান অনুযায়ী, এবছরের বসন্ত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বাস্তবে প্রতিমাসে ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ কর্মসংস্থান হ্রাস পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, নভেম্বরের নন ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কিন ডলারের জন্য সহায়ক নয়, কারণ এতে ডলার শক্তিশালী হওয়ার মতো কোনো পূর্বশর্ত নেই। একই কথা নভেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক বা CPI প্রতিবেদনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যা একই সপ্তাহে প্রকাশিত হয়েছিল। এতে দেখা যায় বার্ষিক ভিত্তিতে ভোক্তা মূল্যস্ফীতির হার কমে ২.৭%-এ এসেছে (অক্টোবরে ছিল ৩.০%), এবং মূল সূচক ২.৬%-এ নেমে এসেছে (গত মাসে ছিল ৩.০%)। যদিও ট্রেডাররা এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের প্রতি তুলনামূলক সহনশীলভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং টেকনিক্যাল ফ্যাক্টরের কথা বলেছে (যেমন সাময়িক শাটডাউনের প্রভাব), তথাপি নভেম্বরের CPI-এর কাঠামো আরও স্পষ্টভাবে দেখায় যে, মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির গতি ক্রমাগত ধীরগতির দিকে যাচ্ছে, বিশেষ করে মূল এবং চাহিদা-সংবেদনশীল উপাদানগুলোর মধ্যে। সংস্থানির্ভর পরিষেবা খাত— যেমন: আবাসন, ভাড়া ও স্বাস্থ্যসেবা—যে ুলো স্থানীয় চাহিদা ও মজুরির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত, সেখানে মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধির গতি হ্রাস পাওয়ার অর্থ হলো অর্থনীতির অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাচ্ছে। এখানে আবারও ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের দিকে নজর দেওয়া যায়, যেখানে ঘণ্টাপ্রতি আয় খুবই দুর্বল বৃদ্ধির সংকেত দিয়েছে—মাসিক ভিত্তিতে মাত্র ০.১% (যা ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন) এবং বাৎসরিক ভিত্তিতে ৩.৫% (২০২১ সালের মে মাসের পর সর্বনিম্ন)। এই সবকিছু মিলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, মার্কেটের ট্রেডাররা গত সপ্তাহের প্রধান প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ভুলভাবে মার্কিন ডলারের পক্ষে ব্যাখা করেছে। আপাতত, শ্রমবাজার ও মূল্যস্ফীতির সূচকগুলো অপেক্ষাকৃত ফেডের মাঝারি "হকিশ বা কঠোর" অবস্থানকে সমর্থন করলেও, বাস্তবে এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল "ডোভিশ বা নমনীয়" নীতির পক্ষেই দাঁড়ায়, সুতরাং মুদ্রানীতি নমনীয় করলেই পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাবে।
এই কারণেই EUR/USD পেয়ারের বিক্রেতারা মূল্যকে 1.16 লেভেলের দিকে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়েছে, যদিও গত সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্য নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করেছে। ঠিক একই কারণে, আজ EUR/USD পেয়ারের ক্রেতারা আবারও মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছে, যা সামগ্রিক মার্কিন ডলার দুর্বলতার প্রেক্ষিতে ঘটেছে। মার্কিন গ্রীনব্যাকের জন্য মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো নেতিবাচক রয়েছে—CPI এবং NFP প্রতিবেদনের ফলাফলের বৈপরীত্য এখনো ডলারের মৌলিক ভিত্তিকে পুনর্নির্মাণে ব্যর্থ হয়েছে। সে কারণে দরপতনের সময় লং পজিশন ওপেন করা এখনো প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, বর্তমানে দৈনিক চার্টে এই পেয়ারের মূল্য বোলিঙ্গার ব্যান্ডের মধ্যবর্তী ও উপরের লাইনের মধ্যে অবস্থান করছে, এবং ইচিমোকু সূচকের সব লাইনগুলোর উপরে রয়েছে, যেখানে ইতোমধ্যে বুলিশ "প্যারেড অব লাইন্স" সংকেত গঠিত হয়েছে। কারেক্টিভ বাউন্সগুলোকে কাজে লাগিয়ে এখন লং এন্ট্রি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, যেখানে মূল্যের 1.1750-এর (H4 টাইমফ্রেমে বোলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন) এবং 1.1800-এর (D1 টাইমফ্রেমে বোলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন) দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করাযায়।
Read more: https://ifxpr.com/49njfNQ
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৪ ডিসেম্বর।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2126297526.jpg[/IMG]
ইউরো ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1782 লেভেল টেস্ট করে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন অর্থনীতি গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে—যা ডলারের দর বৃদ্ধির মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই প্রবৃদ্ধির পেছনে মূল অবদান ছিল স্থিতিশীল ভোক্তা ব্যয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বার্ষিক ভিত্তিতে ৪.৩% বেড়েছে। অর্থনৈতিক কার্যকলাপের প্রধান অংশ অর্থাৎ ভোক্তা ব্যয় সুস্পষ্টভাবে বেড়েছে, যেক্ষেত্রে হ্রাসমান মুদ্রাস্ফীতি মূল ভূমিকা পালন করেছে — যা আবারও যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের মধ্যে দৃঢ় আস্থা প্রদর্শন করে। জিডিপির এই প্রবৃদ্ধিতে সরকারি ব্যয় এবং রপ্তানি কার্যক্রমের সম্প্রসারণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আজ ইউরোপীয় অঞ্চল থেকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, কিন্তু তা EUR/USD পেয়ারের মূল্যের চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে থামিয়ে দিতে পারবে না। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না মানেই মার্কেট নিষ্ক্রিয় থাকবে — বিষয়টি এমন নয়। বরং, মার্কেটের ট্রেডাররা সম্ভবত মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতি, ভূ-রাজনৈতিক অবস্থা এবং যেকোনো প্রাসঙ্গিক খবরের প্রতি আরও বেশি মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করবেন। দৈনিক ট্রেডিং কৌশল অনুযায়ী, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের দিকেই গুরুত্ব দেব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1855-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1809-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1855-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1785-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1809 এবং 1.1855-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1785-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1750-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1809-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1785 এবং 1.1750-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4qJFpjt
-
২৬ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের খুবই সীমিত মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে, যেখানে এই পেয়ার প্রায় ২০–৩০ পিপস দরপতন প্রদর্শন করে। ক্রিসমাস উপলক্ষ্যে মার্কেটে স্বল্প ট্রেডিং কার্যক্রমের কারণে প্রায় কোনোই অস্থিরতা দেখা যায়নি। সেদিন কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও অনুষ্ঠিত হয়নি। বৃহস্পতিবার মার্কেট বন্ধ ছিল এবং আজ রাতেই পুনরায় ট্রেডিং শুরু হয়েছে। বলা যায়, ছুটির মৌসুম শুরু হয়ে গেছে — যার অর্থ হলো, স্বাভাবিকের তুলনায় আরও কম ট্রেডিং কার্যক্রম বিরাজ করছে এবং এই সময় এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মায়টা অত্যন্ত কম থাকতে পারে। যদি মার্কেটের ট্রেডাররা ট্রেডিংয়ের জন্য কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি খুঁজে পায়, তাহলে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করেই সম্ভাব্য মুভমেন্টের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হবে। ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, তাই বাই সিগনালগুলোই বর্তমানে বেশি প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মতো, শুক্রবারেও কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না এবং কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত নেই।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/680852838.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার একটি ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়েছিল — মূল্য 1.1808 লেভেল থেকে বাউন্স করার ফলে এই সিগন্যাল গঠিত হয়। এটি এশিয়ান ট্রেডিং সেশনের সময় ঘটেছিল এবং এই সিগন্যাল থেকে ট্রেড করে লাভ হয়েছে, কারণ এরপর এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ২০ পিপস কমে যায় — যেটি নতুন ট্রেডাররা সহজেই কাজে লাগাতে পারতেন। শুক্রবার রাতে কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট বা ট্রেডিং সিগন্যাল দেখা যায়নি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2037269756.jpg[/IMG]
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য খুব শীঘ্রই পুনরায় 1.1800–1.1830 এরিয়ার পৌঁছাতে পারে — যেটি দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমানা নির্দেশ করে। এইবার এই পেয়ারের মূল্য ছয় মাসব্যাপী দৃশ্যমান সাইডওয়েজ চ্যানেল ব্রেকআউট করে বের হয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক রয়েছে, ফলে আমরা মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকার প্রত্যাশা করছি। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1808 লেভেল থেকে ট্রেডিংয়ের কথা বিবেচনা করতে পারেন — যেখান থেকে বুধবার এই পেয়ারের মূল্য বাউন্স করেছিল। এই লেভেল থেকে মূল্যের বাউন্স হতে দেখা দিলে সেটি একটি সেল সিগনাল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে; তবে স্বল্পমেয়াদে আমরা এখনও এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1851-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। আজ ইউরোজোন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে না বা কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে না। ফলে আজ আমরা এই পেয়ারের মূল্যের খুব দুর্বল ও সীমিত মুভমেন্টের প্রত্যাশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/44LNRWK
-
২৯ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1772578592.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার GBP/USD পেয়ারের মূল্য EUR/USD পেয়ারের মতই অতি সামান্য মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে — কার্যত তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি, আর খুবই স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করেছে। এই ধরনের পরিস্থিতি খুব একটা অস্বাভাবিক নয়, কারণ গত সপ্তাহজুড়ে কেবল মঙ্গলবারই সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব বজায় ছিল, বুধবার ট্রেডিং সেশন আগেভাগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং বৃহস্পতিবার ছুটির দিন ছিল। এই সপ্তাহেও অনুরূপ পরিস্থিতি প্রত্যাশিত। একদিকে, সামষ্টিক ও মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কার্যত অনুপস্থিত; বুধবারের ট্রেডিং সেশন সংক্ষিপ্ত হবে; বৃহস্পতিবার আবার ছুটি রয়েছে; এবং শুক্রবার সম্ভবত মার্কেট বন্ধ থাকবে। সুতরাং, সোমবার এবং মঙ্গলবার কিছুটা মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, তবে এরপর মার্কেটে আবার ছুটির মৌসুমের প্রভাব দেখা যাবে। ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো বজায় রয়েছে, তাই স্বল্পমেয়াদেও নতুন ট্রেডাররা এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখতে পারেন — দীর্ঘমেয়াদের কথাই না বললাম। তবে, আমাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মূল প্রবণতাভিত্তিক মুভমেন্টগুলো ৫ জানুয়ারি থেকে পুনরায় শুরু হতে পারে, যখন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে শুরু করবে এবং ক্রিসমাস ও নববর্ষের ছুটির রেশ কাটিয়ে মার্কেটে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1610580487.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী, শুক্রবার একটি সেল সিগনাল গঠিত হয়েছিল, যদিও সেটিতে সামান্য পর্যায়ের ত্রুটি ছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.3529 লেভেল থেকে বাউন্স করে প্রায় ৩০ পিপস নিচে কমে গিয়েছিল — যা নতুন ট্রেডাররা পজিশন ওপেন করে অর্জন করতে পারতেন। ছুটির মৌসুম চলাকালে এই ধরনের লাভ বেশ চমৎকার অর্জন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী, GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং এখন এই পেয়ারের মূল্য পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। আমরা পূর্ববর্তী আলোচনার ভিত্তিতে এই পরিস্থিতিকে যৌক্তিক বলে মনে করছি। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য বৈশ্বিকভাবে কোনো শক্তিশালী কারণ নেই; তাই আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা ধরে নিচ্ছি যে ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পুনরায় প্রত্যাবর্তন ঘটবে, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 লেভেল পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। সোমবারের ট্রেডিংয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, যদি মূল্য 1.3529–1.3543 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয় তাহলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3574–1.3590-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে নতুন করে বাউন্স করে, তাহলে নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3437–1.3446-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী, বর্তমানে নিম্নলিখিত লেভেলগুলোতে ট্রেডিংয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে: 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3437-1.3446, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590। সোমবার যুক্তরাজ্য অথবা যুক্তরাষ্ট্র — কোনো দেশেই কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে। ফলে, মার্কেটে দুর্বল মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে। বর্তমানে "থিন" মার্কেট পরিলক্ষিত হচ্ছে, যার মানে মার্কেট মেকাররা তুলনামূলকভাবে সহজেই মুভমেন্ট সৃষ্টি করতে পারে — যদিও এর মানে এই নয় যে, তারা নিশ্চিতভাবে তেমনটি করতে চায়।
Read more: https://ifxpr.com/49vUK11
-
৩০ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2065062833.jpg[/IMG]
সোমবার আবারও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য কোনো মুভমেন্ট দেখা যায়নি, তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক্যাল সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। সারাদিন ধরে যে অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন দ্বারা প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে ইউরো মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সহায়তা পাচ্ছিল, মূল্য আবারও সেই ট্রেন্ডলাইনে পৌঁছায় এবং সেখান থেকে বাউন্স করে। এই বাউন্সটি পুনরায় ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির জন্য একটি শক্তিশালী টেকনিক্যাল ভিত্তি প্রদান করেছে। যদি ৩০–৩১ ডিসেম্বর ইউরোর মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়, তবে খুব সম্ভবত পাউন্ডের মূল্যও একইভাবে বাড়বে। মূলত সোমবারের ট্রেডিংয়ের ব্যাপারে বিশ্লেষণ করার মতো তেমন কিছু নেই; কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক কিংবা মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব বজায় ছিল না, ছুটির আমেজ এখনো চলছে এবং অস্থিরতার মাত্রাও সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিল। তবে এখনো ইউরোর মূল্যের শক্তিশালী বৃদ্ধির সম্ভাবনা বজায় রয়েছে, এবং এটির মূল্য এখনও 1.1800–1.1830 রেঞ্জের খুব কাছাকাছি রয়েছে, যা গত ছয় মাসব্যাপী দৃশ্যমান 1.1430–1.1800-এর চ্যানেলের আপার বাউন্ডারি। তাই আমরা প্রায় নিশ্চিত যে খুব শিগগিরই এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া অতিক্রম করবে এবং ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবার শুরু হবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/163010019.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে সোমবার দু'টি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। এক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে দুইবার বাউন্স করে। প্রথম বাউন্সের ফলে মূল্য প্রায় ২৫ পিপস কাঙ্ক্ষিত দিকেই এগোয়, আর দ্বিতীয়বার তুলনামূলকভাবে কম মুভমেন্ট প্রদর্শন করে, তবে মঙ্গলবার মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশায় সেই বাই পজিশনটি ওপেন করে রাখা যেত। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে ট্রেন্ডলাইন থেকে গুরুত্বপূর্ণ বাউন্স গঠিত হয়েছে, সুতরাং ভবিষ্যতে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী, এখনো EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। খুব শিগগির এই পেয়ারের মূল্য আবারও 1.1800–1.1830 এরিয়ায় পৌঁছাতে পারে — যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের আপার বাউন্ডারি। এইবার এই পেয়ারের মূল্য ছয় মাসব্যাপী দৃশ্যমান সাইডওয়েজ চ্যানেল ব্রেকআউট করে বের হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো বেশ নেতিবাচক থাকায়, আমরা মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মঙ্গলবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1745–1.1754 এরিয়ায় ট্রেডের সুযোগ খুঁজতে পারেন। এই এরিয়া থেকে যদি আবার এই পেয়ারের মূল্য বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করাটা যথাযথ হবে। গতকাল ইতোমধ্যেই এই ধরনের দুইটি বাউন্স হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। মঙ্গলবার ইউরোজোন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। সুতরাং, আজ আমরা আবারও এই পেয়ারের মূল্যের খুব দুর্বল মুভমেন্টের প্রত্যাশা করতে পারি।
Read more: https://ifxpr.com/4923Imw
-
২ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2141587554.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কিছুটা অস্বাভাবিক এবং মিশ্র ধরনের মুভমেন্ট লক্ষ্য করা গেছে, তবে মনে রাখতে হবে যে এটা ৩১ ডিসেম্বর ছিল। এটাই সার্বিক পরিস্থিতির মূল কারণ। স্বাভাবিকভাবেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোজোনে ঐদিন কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত ছিল না, যা একদম প্রত্যাশিত ছল। সন্ধ্যায় মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হয় এবং পুনরায় কেবল রাতের বেলা সেশন শুরু হয়, এরপর আবার ছুটির জন্য সেশন বন্ধ হয়ে যায়। অতএব ছুটির পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলেও বাস্তবিক অর্থে ছুটির আমেজ এখনো বিরাজমান রয়েছে। সাপ্তাহিক ট্রেডিংয়ের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে যে, এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্য একটি অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, কিন্তু আমরা এটিকে প্রবণতা পরিবর্তনের সংকেত হিসেবে বিবেচনা করছি না। দৈনিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী EUR/USD পেয়ার এখনো 1.1400 থেকে 1.1830 লেভেলের মধ্যে অবস্থিত সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমানায় ট্রেড করছে। খুব শিগগির, যখন মার্কেটে পুরোপুরিভাবে ছুটির আমেজ বিদায় নেবে, তখন এই পেয়ারের মূল্যের আবারও এই এরিয়ায় নতুনভাবে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী সপ্তাহ থেকে ট্রেডাররা নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন পেতে শুরু করবেন, তাই আবারও মার্কেটে শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1484607033.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বুধবার 1.1745–1.1755 এরিয়া থেকে দুইটি রিবাউন্ডের ফলে দুইটি সেল ট্রেড সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। যারা মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এবং নতুন বছরের ঠিক আগে ট্রেড করতে চেয়েছিলেন, তাদের জন্য এই সিগন্যালগুলো কার্যকর হতে পারত। গতকাল রাতে EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1755 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা একটি বাই সিগন্যাল ছিল। তবে আজ মূলত দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, তাই আমরা ইউরোর শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি না।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যদিও এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যে ট্রেন্ডলাইন অতিক্রম করেছে। খুব শিগগির এই পেয়ারের মূল্য পুনরায় দৈনিক ফ্ল্যাট চ্যানেলের উপরের সীমা 1.1800–1.1830 এরিয়ায় পৌঁছাতে পারে। এবার সম্ভাবনা রয়েছে যে, এই পেয়ারের মূল্য ছয় মাস ধরে দৃশ্যমান এই সাইডওয়েজ চ্যানেল থেকে বের হয়ে যাবে। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক; ফলে আমরা মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। শুক্রবার নতুন ট্রেডাররা 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। ফলে আজও মার্কেটে খুব দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/49CltsQ