-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩ ডিসেম্বর।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1562560860.jpg[/IMG]
ইউরো ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1613-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য মাত্র 10 পিপস পর্যন্ত বেড়েছিল, এরপর আবার মার্কেটে চাপ সৃষ্টি হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে RCM/TIPP থেকে প্রকাশিত অর্থনৈতিক আশাবাদ সূচকের ধারাবাহিক বৃদ্ধির ইতিবাচক খবর প্রথমদিকে ইউরোর বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য সাময়িক বৃদ্ধি ঘটায়, যা ইউরোর মূল্যের বুলিশ প্রবণতার সম্ভাবনায় বাধা সৃষ্টি করে এবং প্রায় সম্পূর্ণভাবে ইউরো ক্রয়ের এন্ট্রি পয়েন্ট পূর্ণরূপে কার্যকর হতে দেয়নি। তবে, ডলারের এই সামান্য মূল্য বৃদ্ধির পরই মার্কেটের ট্রেডাররা বৈশ্বিক ঝুঁকি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার কমার সম্ভাবনাগুলো বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত তাঁদের পূর্বাভাস নতুন করে মূল্যায়ন করে। আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। এর ওপর প্রভাব ফেলবে আজ প্রকাশিতব্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচক—পরিষেবা খাতের PMI, কম্পোজিট PMI এবং উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI)। পাশাপাশি, আজ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে একটি বক্তব্য দেবেন। যদি এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে ইতিবাচক হয়, তাহলে সেটি ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির জন্য বাড়তি সহায়তা কারণ হিসেবে কাজ করবে। অন্যথায়, ইউরোর ওপর আবারও চাপ ফিরে আসতে পারে এবং আমরা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন হতে দেখতে পারি। লাগার্ডের বক্তব্যের দিকে ট্রেডাররা মনোযোগ দেবে—মৌলিক আর্থিক নীতিমালায় নমনীয়করণের কোনো ইঙ্গিত থাকলে সেটি ইউরোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। একইসাথে, এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে ইউরোর জন্য সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো তুলনামূলকভাবে অনুকূলে রয়েছে। ইউরোজোনে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির গতি কমছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্ভবত আরও কিছু সময় "অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের" অবস্থান বজায় থাকবে—যা মধ্যমেয়াদে ইউরোকে সহায়তা দেবে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে বর্তমানে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে এবং মূল রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো ব্রেক করতে পারলে আরও মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা উন্মুক্ত হয়তে পারে। তবে, এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশনেরও সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে যদি PMI ও উৎপাদক মূল্য সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল হয়। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের দিকেই বেশি নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/233117100.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1676-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1655-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1676-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1641-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1655 এবং 1.1676-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1641-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1621-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1655-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1641 এবং 1.1621-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/432303
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৮ ডিসেম্বর।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1084279793.jpg[/IMG]
ইউরো ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.1711 পৌঁছেছিল, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে যায়। এ কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করা থেকে বিরত ছিলাম। পরে, এই পেয়ারের মূল্য একই 1.1711 লেভেলে দ্বিতীয়বার পৌঁছালে বাই সিগন্যালের "পরিকল্পনা 2" বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়া যায়, কারণ তখন MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে ছিল। এর ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য ২০ পিপসের বেশি বৃদ্ধি পায়। ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তাদের ভবিষ্যতের সুদের হার সংক্রান্ত মন্তব্যগুলোতে ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিতের কারণে ডলারের সকালের মোমেন্টাম দুর্বল হয়ে যায়। তবে, কিছুটা দুর্বলতার ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও মার্কিন অর্থনীতি অন্যান্য অনেক উন্নত অর্থনীতির তুলনায় তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল আছে। চলমান সমস্যাগুলোর মধ্যে বেকারত্ব অন্যতম, যা সম্প্রতি বেড়ে চলেছে এবং এর ফলে মার্কিন ডলারের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে। আজ দিনের প্রথমার্ধেই ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবির) মূল সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। যেহেতু এই অনুমিত সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করেছে, তাই এটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে—এমন সম্ভাবনা কম। তবে ক্রিস্টিন লাগার্ডের সংবাদ সম্মেলন সবচেয়ে আকর্ষণীয় হতে যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা অধীর আগ্রহে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির রূপরেখা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পরিকল্পনা এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাব্য সময়সূচি সম্পর্কিত ইঙ্গিত বা বার্তার জন্য অপেক্ষা করছেন—যদি এমন কোনো পরিকল্পনা থেকে থাকে। সেইসঙ্গে ইউরোপীয় অর্থনীতির ভবিষ্যত প্রবণতা নিয়ে লাগার্ডে মন্তব্যগুলোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানগুলোর ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নয়নের ধারা কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী, এবং ইসিবি আগামী বছরের পূর্বাভাস ইতিবাচকভাবে হালনাগাদ করতে পারে। দৈনিক কৌশল অনুসারে, আমি আজ মূলত "পরিকল্পনা 1" এবং "পরিকল্পনা 2" বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দেব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1055977805.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1776-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1751-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1776-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1737-এর লেভেলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1751 এবং 1.1776-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1737-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1716-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1751-এর লেভেলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1737 এবং 1.1716-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/433472
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৯ ডিসেম্বর
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1447687451.jpg[/IMG]
ইউরো ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1779 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য একটি যথাযথ এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলে, EUR/USD পেয়ারের মূল্য প্রায় ১৫ পিপস হ্রাস পেয়েছে। নববর্ষের ছুটির আগের সময়ে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ার বিষয়টি সরাসরি মার্কেটে প্রভাব ফেলছে। অনেক ব্যাংক এবং বড় ট্রেডাররা ইতিমধ্যেই ছুটিতে চলে গেছেন, যার ফলে ট্রেডিং ভলিউম এবং অ্যাসেটের লিকুইডিটি কমে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে, কারেন্সির মূল্যের সামান্য অস্থিরতাও মার্কেটকে যেকোনো দিকে টেনে নিতে পারে। তবে সাধারণত, এই ধরনের মুভমেন্ট অতি দ্রুতই বিপরীতমুখী হয়ে যায়। আজ সকালে ট্রেডাররা প্রাথমিকভাবে ফ্রান্সের বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে মনোযোগ দেবে। যদি প্রকৃত ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় ভিন্ন হয়, তাহলে স্বল্পমেয়াদে ইউরোর বিপরীতে অন্যান্য কারেন্সির মূল্যের লক্ষণীয় ওঠানামা দেখা যায় পারে। তবে বর্তমান "থিন মার্কেট" পরিস্থিতি ট্রেডারদের সতর্ক অবস্থান গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে পরিমিত কৌশল মেনে চলা জরুরি। এই মুহূর্তে বড় ট্রেড ওপেন করা কিংবা কোনো স্পষ্ট প্রবণতাভিত্তিক মুভমেন্টের উপর বাজি ধরা উপযুক্ত নয়। বরং স্বল্পমেয়াদি স্পেকুলেটিভ পজিশনের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত এবং মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতির যেকোনো পরিবর্তনের প্রতি দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ ও ২ বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1111206398.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1808-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1770-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1808-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1748-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1770 এবং 1.1808-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1748-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1711-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1770-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1748 এবং 1.1711-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/434213
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩ এপ্রিল।
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1535 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। গতকাল ট্রেডাররা আবারও প্রকাশিত মার্কিন শ্রমবাজার প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফলকে উপেক্ষা করেছে। যদিও প্রতিবেদনের ফলাফল ইতিবাচক ছিল, তারপরও ট্রেডাররা মার্কিন ডলার ক্রয়ের দিকে তৎপর হয়নি; তারা বরং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির উপর বেশি নজর রেখেছিল। আজ গুড ফ্রাইডে উদযাপনের কারণে ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে, ফলে অস্থিরতা কম থাকবে। আজকের অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ফ্রান্সের শিল্প উৎপাদনের গতিশীলতা সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। এই সূচকটি ফরাসি অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও ছুটির দিন হওয়ার কারণে এটি সামগ্রিক ইউরোপীয় মার্কেটে সীমিত প্রভাব ফেলবে। সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের অনুপস্থিতিতে মার্কেটের ট্রেডাররা মধ্যপ্রাচ্য সংকট সংক্রান্ত খবরের দিকে বেশি মনোযোগ দেবেন। নিম্ন ট্রেডিং ভলিউমের মধ্যেও ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাবলি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিবৃতিগুলো বিনিয়োগকারীদের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1168309659.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1576-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1554-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1576-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ ইউরোর তীব্র মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1525-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1554 এবং 1.1576-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1775625540.jpg[/IMG]
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1525-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1500-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1554-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1525 এবং 1.1500-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442393
-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1085661054.jpg[/IMG]
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৬ এপ্রিল।
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1535 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা ইউরো বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 20 পিপসেরও বেশি হ্রাস পায়। গত শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মার্চে কর্মসংস্থানের তীব্র বৃদ্ধির প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছিল। একই সময়ে বেকারত্ব হার অপ্রত্যাশিতভাবে কমে গিয়েছিল, যা শ্রমবাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকার ইঙ্গিত দেয়। এই অর্থনৈতিক সূচকগুলোর ইতিবাচক ফলাফল আন্তর্জাতিক মঞ্চে মার্কিন ডলারের অবস্থানকে দৃঢ় করেছে এবং বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ পুনরুজ্জীবিত করেছে। কর্মসংস্থানের হার বৃদ্ধি পেয়ে পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গেছে এবং একই সঙ্গে বেকারত্ব হার কমে গেছে—এই দুইটি বিষয়ই মার্কিন অর্থনীতির ইতিবাচক পরিস্থিতি বহাল রেখেছে। আজ ইউরোজোন থেকে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে না, তাই ইরানের ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত থাকবে। চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা তেলের দর এবং প্রভাবশালী অন্যান্য ইন্সট্রুমেন্টের উপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করবে। উত্তেজনা তীব্র হলে আমরা ইউরোর বিপরীতে মার্কিন ডলারের তীব্র দর বৃদ্ধি পেতে দেখতে পারি। উল্লেখ্য যে আগামীকাল হরমুজ প্রণালী অবরোধমুক্ত করার বিষয়ে ট্রাম্পের আলটিমেটাম শেষ হচ্ছে—ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোগুলো লক্ষ্য করে নতুন ও ব্যাপক আক্রমণ করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1555-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1530-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1555-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ ইউরোর তীব্র মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1515-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1530 এবং 1.1555-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1609110185.jpg[/IMG]
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1515-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1492-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি অবনতি হলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1530-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1515 এবং 1.1492-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442531
-
মার্কিন ডলারের ব্যাপক দরপতন হয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1521523863.jpg[/IMG]
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর মার্কিন ডলার তীব্র দরপতনের শিকার হয়। অনিশ্চিত কিন্তু সফল এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলশ্রুতিতে সারা বিশ্বের ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে তৎক্ষণাৎ এই প্রভাব প্রতিফলিত হয়। কারেন্সি ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীরা এই ঘটনাবলী ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং যুদ্ধবিরতির সংবাদটি তীব্র মুভমেন্ট সৃষ্টির অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছে। এরপর ইরান জানায় যে যুদ্ধবিরতির চুক্তির ফলে দুই সপ্তাহের জন্য হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে, যা বিশ্ববাজারে তেলের যোগান বাড়াতে সহায়ক হবে। এই আশ্বাস মার্কিন ডলারের দরপতনের একটি মূল কারণ হিসেবে কাজ করে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনার কারণে তেল পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর দিকে ঘনিষ্ঠ নজর ছিল। আশানুরূপভাবে তেল সরবরাহ বাড়লে জ্বালানির মূল্য স্থিতিশীল হওয়ার ও মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমার প্রত্যাশা তৈরি হয়, যা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত কারেন্সিগুলো—যেম মার্কিন ডলারের—উপর চাপ সৃষ্টি করে। ঝুঁকি গ্রহণ ও উচ্চ রিটার্নের প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীরা এখন তুলনামূলকভাবে স্বল্প ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত অ্যাসেটের প্রতি আস্থা দেখাচ্ছেন, ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পুঁজি বেরিয়ে অন্য মার্কেটে যাচ্ছে। মার্কিন ডলার সূচক 0.9% কমে চার সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে, কারণ যুদ্ধবিরতি চুক্তির ফলে ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ডেরও পতন ঘটে এবং মার্কিন ডলারের চাহিদা আরও কমে যায়। মার্কিন ডলার সেই কারেন্সিগুলোর বিপরীতে সবচেয়ে বেশী দুর্বল হয় যা ঝুঁকির প্রতি সংবেদনশীল—উদাহরণ ্বরূপ ইউরো এবং ব্রিটিশ পাউন্ড। যুদ্ধবিরতির খবরের পর চীনের ইউয়ানের দর মার্কিন ডলারের বিপরীতে তিন বছরের উচ্চতায় উঠে আসে। নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুধবারের বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর আলোচনা করছে—এই খবরের পর নিউজিল্যান্ড ডলারের দর আরও বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে মার্কেটে ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে—যা মার্কিন ডলারের উপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের দর বৃদ্ধি ঘটাচ্ছে। বাস্তবিক অর্থেই হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ কি না এবং কাগজে-কলমে যুদ্ধবিরতি হলেও বাস্তবে এই চুক্তি কতটা টেকসই হবে তার উপর মার্কেটের সার্বিক পরিস্থিতি নির্ভর করবে। তারপরও, চুক্তির ইতিবাচক স্বরূপ থাকা সত্ত্বেও এর দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি অস্পষ্ট রয়ে গেছে। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শুধুমাত্র সাময়িক বিশ্রামও হতে পারে, সংঘাতের পূর্ণ সমাধান নাও হতে পারে। অস্থিরতা বৃদ্ধির যেকোনো লক্ষণ দেখা গেলেই সংবেদনশীল ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে দ্রুত তার প্রভাব পড়বে পরিস্থিতি, এবং নতুন করে সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি মার্কিন ডলারের দর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। EUR/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1705 লেভেলে ফিরিয়ে নেওয়ার দিকে মনোযোগ উচিত। কেবল সেখানে পৌঁছালে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1745 লেভেলে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এরপর এই পেয়ারের মূল্য সম্ভাব্যভাবে 1.1780 পর্যন্ত বাড়তে পারে, কিন্তু বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া সেটি করা কঠিন হবে। সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1810-এর লেভেল নির্ধারণ করা যায়। যদি ইনস্ট্রুমেন্টটির মূল্য প্রায় 1.1670-এ নেমে আসে, আমি আশা করছি বড় ক্রেতারা পদক্ষেপ নেবেন। সেখানে কেউ সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্য 1.1635 পর্যন্ত নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে অথবা 1.1600 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। GBP/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, পাউন্ড ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3450 অতিক্রম করাতে হবে। কেবল তখনই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3475 লেভেলে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে, যার ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া তুলনামূলকভাবে কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরস্থ সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3520-এর লেভেল নির্ধারণ করা যায়। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3420-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবেন; তাঁরা সফল হলে এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর মারাত্নক আঘাত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3390 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে এবং সম্ভাব্যভাবে 1.3370 পর্যন্ত দরপতন হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/442786
-
EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৩ এপ্রিল।
ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1722 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছে। এই কারণেই আমি ইউরো কিনিনি। এতে আশ্চর্যের কিছু নেই যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব আবারও ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে প্রতিফলিত হয়েছে। মার্কিন ডলারের দর ইউরোর বিপরীতে তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীরা সাধারণত মার্কিন ডলারে বিনিয়োগ করেন, যেটিকে তারা অধিক নির্ভরযোগ্য সম্পদ হিসেবে মনে করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ব্যর্থ আলোচনার পরে মূল নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। বিশেষ উদ্বেগের বিষয় হলো বৈশ্বিক জ্বালানি তেল পরিবহনের এক গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী এখনও উন্মুক্ত করার হয়নি; তেহরান এটিকে উন্মুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। পাশাপাশি ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম, বিশেষত ইউরেনিয়ামের সমৃদ্ধিকরণ সংক্রান্ত আলোচনার বিশেষ অগ্রগতি হয়নি। ইউরেনিয়াম সংক্রান্ত অমীমাংসিত থাকায় তেহরানের পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ সংক্রান্ত সদিচ্ছার সম্ভাব্যতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এসব অনিশ্চয়তা সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি ঘটাতে পারে, যার ফলে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোন থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না; ফলে ইউরোর ওপর চাপ বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/542208901.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1729-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1698-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1729-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1683-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1698 ও 1.1729-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1723687794.jpg[/IMG]
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1683-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1649-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্পর্কের অবনতি ঘটলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1698-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1683 এবং 1.1649-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/443163