-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৮ নভেম্বর।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/700961263.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ফরেক্স ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে ওঠা শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3238 লেভেল টেস্ট করেছিল — যা ব্রিটিশ পাউন্ড কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য ১৭ পিপস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। আজ GBP/USD পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য কোনো মুভমেন্টের প্রত্যাশা করা হচ্ছে না, কারণ দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্য থেকে কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। তবে, যুক্তরাজ্য থেকে সরাসরি কোনো সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকলেও, ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের পরোক্ষ প্রভাবের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা উচিত। বিশেষ করে জার্মানির অর্থনৈতিক প্রতিবেদন অথবা যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রতিবেদনের চমকপ্রদ ফলাফল ইউরোর মূল্যের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, যা ক্রস রেটের মাধ্যমে ব্রিটিশ পাউন্ডের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে। টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুসারে, এই পেয়ারের মূল্য একটি সংকীর্ণ রেঞ্জের মধ্যে কনসলিডেট করছে — বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছুটির কারণে ট্রেডিং ভলিউম কম থাকার কারণে এই মুভমেন্ট সীমিত থাকছে। সামগ্রিকভাবে, নতুন কোনো প্রভাবক কারণ না আসা পর্যন্ত GBP/USD পেয়ারের মূল্যের তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল অবস্থা বজায় থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে — যার প্রেক্ষিতে বুধবারে যুক্তরাজ্যের বাজেট প্রকাশের পর সৃষ্টি হওয়া ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা রয়েছে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত "পরিকল্পনা ১" ও "পরিকল্পনা ২" বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3275-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3248-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছাবে তখন আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3275-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ পাউন্ডের মূল্যের শক্তিশালী বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3215-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3248 এবং 1.3275-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3215-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3192-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ পাউন্ডের বিক্রেতাদের খুব একটা সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3248-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3215 এবং 1.3192-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/431932
-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১ ডিসেম্বর।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1369164623.jpg[/IMG]
ব্রিটিশ পাউন্ডের ফরেক্স ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচ থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3218 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ড কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য ৩০ পিপসেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। আজ, যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিতব্য কয়েকটি অর্থনৈতিক সূচকের দিকে ট্রেডাররা মনোযোগ দেবে: সেগুলো হচ্ছে উৎপাদন খাটের PMI, অনুমোদিত মর্টগেজ আবেদনপত্রের সংখ্যা এবং M4 মানি সাপ্লাইয়ের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। PMI সূচক ঐতিহ্যগতভাবে যুক্তরাজ্যের উৎপাদন খাতের পরিস্থিতির একটি মূল সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে, এ সূচকের কিছুটা সতর্ক ও হতাশাব্যঞ্জক পূর্বাভাস দেয়া হচ্ছে। PMI-এর অবনতি ঘটলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে পারে, যা পাউন্ডের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অনুমোদিত মর্টগেজ আবেদন যুক্তরাজ্যের আবাসন খাতের পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা দিবে। অনুমোদনের সংখ্যা হ্রাস পেলে নির্মাণ খাতের কর্মচাঞ্চল্যে ধীরগতির পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে পতনের ইঙ্গিত দিতে পারে। যদিও কারেন্সি মার্কেটে এই সূচকের প্রভাব PMI-এর তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম, তবে এটি সামগ্রিক অর্থনৈতিক চিত্রকে পরিপূরক করে। একইসাথে, M4 মানি সাপ্লাই-এর ফলাফল ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের আর্থিক নীতিমালার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। M4-এর বৃদ্ধি সম্ভাব্যভাবে মুদ্রাস্ফীতিকে উদ্দীপিত করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের উপর অধিক নির্ভর করবো।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1153087388.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3264-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3233-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছাবে তখন আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3264-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3211-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3233 এবং 1.3264-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3211-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3175-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হয়তে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.3233-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3211 এবং 1.3175-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/432063
-
২ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1286328855.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার বা সোমবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি। সোমবার, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন খাতভিত্তিক ব্যবসায়িক কার্যকলাপ সূচক প্রকাশিত হয়েছিল, তবে ট্রেডাররা মূলত মার্কিন ISM সূচকের উপর মনোযোগ দিয়েছিল। এই সূচকটির ফলাফল পূর্বাভাসের চেয়ে দুর্বল ছিল এবং আগের মাসের তুলনায়ও দুর্বল ছিল, তবুও এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরেও, ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল, কারণ মার্কেটের ট্রেডাররা সম্ভবত ইতোমধ্যেই উল্লিখিত প্রতিবেদনের নেতিবাচক ফলাফল এই পেয়ারের মূল্যে নির্ধারণ করেছিল। দুর্ভাগ্যবশত, মার্কেটের কিছু প্রধান ট্রেডারদের কাছে অভ্যন্তরীণভাবে প্রতিবেদনের ফলাফল জানার সক্ষমতার বিপরীতে সাধারণ ট্রেডারদের খুব কম ক্ষমতা রয়েছে। সামগ্রিকভাবে, ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য তিন দিন ধরে স্থির রয়েছে, আরেকটি ফ্ল্যাট রেঞ্জে আটকে আছে। এবার, সাইডওয়েজ চ্যানেলটি 1.3203 এবং 1.3270 লেভেল দ্বারা চিহ্নিত করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনও বিদ্যমান, তবে ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্য খুব অনিচ্ছার সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অস্থিরতার মাত্রাও কম রয়েছে।
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, গতকাল একটি সুনির্দিষ্ট ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময়, এই পেয়ারের মূল্য 1.3203-1.3211 এরিয়া থেকে বাউন্স করেছিল, যা এখন নতুন সাইডওয়েজ চ্যানেলের নিম্ন সীমানা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। পরবর্তীতে এই পেয়ারের মূল্য 1.3259-এ পৌঁছেছিল এবং এমনকি তা অতিক্রম করেও যায়। যাইহোক, প্রায় এক ঘন্টা পরে, একই লেভেলের কাছাকাছি একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল এবং দিনের শেষে, এই পেয়ারের মূল্য 1.3203-1.3211-এর এরিয়ায় ফিরে এসেছিল। ফলে, নতুন ট্রেডাররা দুটি পজিশন ওপেন করতে পারতেন, প্রতিটি পজিশন থেকে প্রায় ৩০-৩৫ পিপ লাভ করা যেত।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/437139466.jpg[/IMG]
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: প্রতি ঘণ্টার টাইমফ্রেমে, স্থানীয়ভাবে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হতে শুরু করেছে, কিন্তু দ্রুত এই পেয়ারের মূল্য অন্য একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জে স্থবির হয়ে পড়েছে। যেমনটি আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো বৈশ্বিক মৌলিক বিষয় ডলারের দীর্ঘায়িত মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে সমর্থন করছে না, তাই আমরা মধ্যমেয়াদে কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের আশা করছি। দৈনিক টাইমফ্রেমে কারেকশন/ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনও নাও শেষ হতে পারে, তবে প্রতি ঘণ্টার টাইমফ্রেমে পরিলক্ষিত যেকোনো স্থানীয় প্রবণতা বিশ্বব্যাপী একই প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে। মঙ্গলবার, নতুন ট্রেডাররা 1.3203-1.3211 এরিয়ায় নতুন ট্রেডিং সিগন্যাল গঠনের আশা করতে পারেন, যা এখন ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের নিম্ন সীমানা হিসাবে বিবেচিত হতে পারে। এই এরিয়া থেকে একটি বাউন্স হলে মূল্যের 1.3259-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে নতুন লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। এই এরিয়ায় নিচে কনসলিডেশন হলে মূল্যের 1.3096-1.3107-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বর্তমানে বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3211, 1.3259, 1.3329-1.3331, 1.3413-1.3421, 1.3466-1.3475, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590। মঙ্গলবার, মাত্র দুটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, দুটিই ইউরোজোনে প্রকাশ করা হবে। নভেম্বরের বেকারত্বের হারের সাথে মুদ্রাস্ফীতির প্রথম অনুমান (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ) প্রকাশিত হবে। আমরা ইতোমধ্যেই লক্ষ্য করেছি যে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির হার ট্রেডারদের মনোভাবের উপর খুব কম প্রভাব ফেলছে, তবে এখনও এটি ট্রেডারদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/432155
-
৫ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1471268452.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট বজায় থাকার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছিল, তবে বুধবার উচ্চমাত্রার অস্থিরতার পর মার্কেট কিছুটা স্থবির হয়ে পড়ে এবং এই পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তা বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তা সত্ত্বেও, ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে স্থানীয় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো বজায় রয়েছে, তাই মূল্য বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এই প্রত্যাশা করাই স্বাভাবিক। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ছিল না বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়নি, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ বেকার ভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদনটির ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় অনেক ইতিবাচক ছিল, কারণ নতুন আবেদনকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এর ফলে দুপুরের দিকে ডলার সাময়িকভাবে কিছুটা সমর্থন পেলেও সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত দুর্বল রয়ে যায়। GBP/USD পেয়ারের মূল্য গত পাঁচ মাস ধরে নিম্নমুখী কারেকশনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল; আর তাই শিগগিরই আবারও বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পরবর্তী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে টানা তৃতীয়বার সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা প্রায় ১০০%—ফলে মার্কিন ডলারের উপর চাপ আরও বাড়তে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1918119030.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বৃহস্পতিবার দুটি যথেষ্ট কার্যকর বাই সিগনাল গঠিত হয়েছিল। প্রথমে, এই পেয়ারের মূল্য 1.3329–1.3331 এরিয়া থেকে একবার রিবাউন্ড করে এবং পরে আবারও একই এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে। উভয় ক্ষেত্রেই নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন। প্রথম ক্ষেত্রে মূল্য ২০ পিপস এবং দ্বিতীয়বার ৪০ পিপস পর্যন্ত বৃদ্ধি। যেহেতু আবারও এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা কম ছিল (যে সম্পর্কে পূর্বেই সতর্ক করা হয়েছিল), তাই মুনাফা নেয়ার জন্য ট্রেডারদের এই ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করতে হয়েছে।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে আবারও GBP/USD পেয়ারের মূল্যের স্থানীয় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। আগেও উল্লেখ করা হয়েছে, মধ্যমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ইতিবাচক প্রেক্ষাপট নেই, সেহেতু এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টেরই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। দৈনিক টাইমফ্রেমে কারেকশন/ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট হয়তো এখনো শেষ হয়নি, তবে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে পরিলক্ষিত যেকোনো স্থানীয় প্রবণতা মূলত বৈশ্বিক পর্যায়ে একই প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবেই বিবেচিত হতে পারে। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা সম্ভবত আবারও 1.3329–1.3331 এরিয়াতে ট্রেড সিগনাল গঠনের জন্য অপেক্ষা করতে পারেন। এই এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন হলে মূল্যের 1.3413-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে নতুন লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। অন্যদিকে, উক্ত লেভেলে নিচে কনসোলিডেশন হলে মূল্যের 1.3259–1.3267 পর্যন্ত নামার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বর্তমানে যেসব ট্রেডিং লেভেল বিবেচনায় রাখা যেতে পারে 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3211, 1.3259-1.3267, 1.3329-1.3331, 1.3413-1.3421, 1.3466-1.3475, 1.3529-1.3543, এবং 1.3574-1.3590। শুক্রবার, যুক্তরাজ্যে আবারও কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, সেইসাথে কোনো ইভেন্টও নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্রে তিনটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে—যেগুলোর প্রতিটির ফলাফলই মার্কেটে সতর্ক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এই প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে রয়েছে PCE মূল্যসূচক, মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোক্তা আস্থা সূচক এবং মার্কিন ভোক্তাদের ব্যক্তিগত আয় ও ব্যয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/432526
-
৮ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/478532087.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার GBP/USD পেয়ারের অত্যন্ত হতাশাজনক ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে—যা ২০২৫ সালের প্রথমার্ধের সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়, যখন মার্কেটে প্রতিদিনই উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং নির্দিষ্ট প্রবণতা দেখা যেত। মার্কিন প্রতিবেদনগুলোর একই ধরনের ফলাফল শুক্রবার মার্কেটে অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, যেখানে GBP/USD পেয়ারে ডলারের দর মাত্র ২৫-৩০ পিপস বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাজ্যের ইভেন্ট ক্যালেন্ডারে কার্যত কিছুই ছিল না, যার ফলে দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের মূল্য উলেখযোগ্যভাবে স্থিতিশীল ছিল। সামগ্রিকভাবে দেখলে, এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং নতুন ট্রেডাররা ভবিষ্যতেও আরও মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারেন। GBP/USD পেয়ারের জন্য প্রাথমিক সাপোর্ট এরিয়া হল 1.3319-1.3331 (আপডেটেড লেভেল), যেখান থেকে আজ এই পেয়ারের মূল্যের নতুন ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টাম শুরু হতে পারে। অবশ্যই, সোমবারে সাধারণত শক্তিশালী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করা বাস্তবসম্মত নয়, তবে মার্কেটের বর্তমান বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে ২০-৩০ পিপস লাভই একটি সন্তোষজনক ফলাফল হিসাবে বিবেচিত হতে পারে। এই সপ্তাহে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যা মার্কেটে উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং আরও উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট সৃষ্টির প্রত্যাশা তৈরি করছে। ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা অনেক বেশি, ফলে স্বল্পমেয়াদী অনুসারে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরও কিছুটা সময় ধরে চলমান থাকতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1212981866.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম লক্ষ্য করলে দেখা যায়, শুক্রবার 1.3319-1.3331 এরিয়া থেকে এই পেয়ারের মূল্য তিনবার বাউন্স করেছিল। প্রথম বাউন্স হয় রাতের প্রথমভাগেই। নতুন ট্রেডাররা এই স্পষ্ট ও সহজ সিগন্যালের ভিত্তিতে লং পজিশনে এন্ট্রি নিতে পারতেন, কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই পেয়ারের মূল্যের সর্বোচ্চ ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট মাত্র ২০ পিপসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। লক্ষ্য করার মতো বিষয় হলো, দিনেরবেলা এই পেয়ারের সর্বনিম্ন মূল্যের কাছাকাছি সিগন্যালগুলো গঠিত হয়েছিল, অর্থাৎ ট্রেডাররা তুলনামূলকভাবে অনুকূল মূল্যে লং পজিশনে এন্ট্রি নিতে পেরেছিল। তবুও, এই সঠিক এন্ট্রির ফলেও বেশি মুনাফা করা সম্ভব হয়নি।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে আবারও স্থানীয় পর্যায়ে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হতে শুরু করেছে। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, মধ্যমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির পক্ষে কোনো শক্তিশালী মৌলিক ভিত্তি নেই, তাই আমরা শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতারই প্রত্যাশাই করছি। দৈনিক টাইমফ্রেমে যেহেতু কারেকশন/ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনও শেষ হয়নি, তা সত্ত্বেও ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে পরিলক্ষিত যেকোনো স্থানীয় প্রবণতা মূলত বৈশ্বিক পর্যায়ে একই প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবেই বিবেচিত হতে পারে। সোমবার নতুন ট্রেডাররা পুনরায় 1.3319-1.3331 এরিয়ায় ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে পারেন। এই এরিয়া থেকে মূল্যের বাউন্স হলে মূল্যের 1.3413-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশনে এন্ট্রির সুযোগ তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.3259-1.3267-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে প্রাসঙ্গিক লেভেলসমূহ হল: 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3413-1.3421, 1.3466-1.3475, 1.3529-1.3543 এবং 1.3574-1.3590। সোমবার যুক্তরাজ্য কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তাই সোমবার পরিপূর্ণভাবে "দুর্বল ট্রেডিংয়ের" সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। তবে পুরো সপ্তাহজুড়ে কিছু উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট রয়েছে, যেগুলো সামনে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা বাড়াতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/432676
-
৯ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/965853037.jpg[/IMG]
সোমবারের ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার কার্যত GBP/USD পেয়ারের প্রায় কোনোই ট্রেডিং কার্যক্রম দেখা যায়নি। ইউরোর তুলনায় ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা আরও কম ছিল। অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ড লাইনের দিকে এই পেয়ারের মূল্য়ের সামান্য দরপতন অব্যাহত রয়েছে, এবং আমরা মনে করি এটি ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার স্থায়িত্বের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত – যেটি ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনার ইঙ্গিতও দিতে পারে। সোমবার ইউরোর দরপতনের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছিল না, তাই আমরা আবারও একটি অযৌক্তিক দরপতনের সাক্ষী হলাম। ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের ঠিক আগে এই ধরণের দরপতন আরও বেশি অযৌক্তিক বলে মনে হচ্ছে, যেখানে ধারাবাহিকভাবে তৃতীয়বারের মতো সুদের হার হ্রাসের ঘোষণা আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল, কারণ সার্বিক পরিস্থিতি এমন না যে তাডলারের পক্ষে কাজ করবে। মনে হচ্ছে মার্কেট মেকাররা নতুন ট্রেডারদের বিভ্রান্ত করতেই এমন পদক্ষেপ নিচ্ছেন। ইউরোর ক্ষেত্রে যে ট্রেন্ড লাইনের ব্রেক ঘটেছে সেটি খুব সম্ভবত একটি ফলস ব্রেকআউট। সোমবার যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশেই কোনোরকম গুরুত্বপূ্র্ণ মৌলিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, সেইসাথে বেশিরভাগ ট্রেডার এখন ফেডের বৈঠকের দিকেই নজর রাখছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2058365819.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে আনুষ্ঠানিকভাবে কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হলেও, পুরো দিনজুড়ে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট লক্ষ্য করলেই স্পষ্টভাবে প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জানা যাবে। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় কেউ কেউ বহু কস্টে একটি সেল সিগন্যাল শনাক্ত করতে পারেন। স্বাভাবিকভাবেই, এটি একটি ভুল সিগন্যাল হিসেবে প্রমাণিত হয়, কারণ সারাদিন ধরে এই পেয়ারের মূল্যের মোট অস্থিরতার পরিমাণ ছিল প্রায় ৪০ পিপস।
মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক চার্টে দেখা যাচ্ছে যে স্থানীয় পর্যায়ে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠনের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। যেমনটি পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, মধ্যমেয়াদে ডলারের বৃদ্ধির পক্ষে এখনও বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ পরিলক্ষিত হচ্ছে না, তাই আমরা এই পেয়ারের মূল্যের বুলিশ মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। দৈনিক টাইমফ্রেমে কারেকশন অথবা ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনো শেষ হয়নি, তবে ঘন্টাভিত্তিক চার্টে যেকোনো স্থানীয় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে একই প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার ইঙ্গিত প্রদান করতে পারে। এই সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় ফেডের বৈঠকের ফলাফল মার্কেটে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠনে সহায়তা করতে পারে। মঙ্গলবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.3319–1.3331 এরিয়ায় ট্রেডিং সিগন্যাল গঠনের প্রত্যাশা করতে পারেন। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.3413-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে নতুন লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। একইভাবে, যদি মূল্য এই এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, সেক্ষেত্রে মূল্যের 1.3259–1.3267-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন নেওয়া যেতে পারে। তবে এটি মনে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে বর্তমানে মার্কেটে অত্যন্ত দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচ্য লেভেলগুলো হলো: 1.2913, 1.2980–1.2993, 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3413–1.3421, 1.3466–1.3475, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590। সোমবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তবে যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে ADP ও JOLTs প্রতিবেদন রয়েছে। যদিও JOLTs থেকে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনকে বর্তমানে কিছুটা পুরনো তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, এবং ADP থেকে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনে মাসিক ফলাফলের বদলে সাপ্তাহিক ফলাফল প্রকাশ করা হবে, এজন্য এগুলোর ফলাফলও তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ হবে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/432782
-
১০ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/686755492.jpg[/IMG]
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি, যদিও মার্কেটে মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনীতিভিত্তিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব বিদ্যমান ছিল। গতকাল ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি বক্তব্য দেন এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে JOLTs ও ADP থেকে শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তবে শুরুতেই আমরা সতর্ক করেছিলাম যে, যুক্তরাষ্ট্রের এসব প্রতিবেদনের ব্যাপারে খুব বেশি প্রত্যাশা করা উচিত হবে না, কারণ এগুলোর বড় একটি অংশ পূর্ববর্তী মাসের অথবা মাত্র এক সপ্তাহের ফলাফল প্রতিফলিত করে। বাস্তবিক অর্থেই, JOLTs থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কিন ডলারকে কিছুটা সহায়তা করেছে (মূলত সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে সৃষ্ট কর্মসংস্থানের সংখ্যা প্রত্যাশার তুলনায় বেশি ছিল), তবে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট পূর্ববর্তী কয়েক দিনের মতোই ছিল। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নরের বক্তব্য থেকেও কোনো নতুন বার্তা পাওয়া যায়নি। এর ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যেই টানা চতুর্থ দিন কারেকশন ভিত্তিক মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে, যদিও মূল্য এখনও ট্রেন্ডলাইনের নিচে স্থির হয়নি। তাই আজ ফেডারেল ওপেন কমিটির বৈঠকের আগে আবারো এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা যায়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1043657928.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে মঙ্গলবার তিনটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। তবে এই তিনটি সিগন্যালের কার্যকারিতাই আশানুরূপ ছিল। যদিও সিগন্যালগুলোর গঠন ছিল মোটামুটি ইতিবাচক ছিল, তবে মার্কেটে অস্থিরতার মাত্রা অত্যন্ত দুর্বল ছিল। প্রথমে, এই পেয়ারের মূল্য 1.3319–1.3331 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেট করে, এরপর একই এরিয়ার নিচে চলে যায় এবং পরবর্তীতে এই এরিয়া থেকে নিচের দিকে বাউন্স করে। তিনটি ক্ষেত্রেই এই পেয়ারের মূল্যের সর্বোচ্চ ২০ পিপস পর্যন্ত মুভমেন্ট হতে দেখা গেছে, যা খুবই সীমিত।
বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে স্থানীয় পর্যায়ে এখনও GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। পূর্বে যেমনটি বলা হয়েছিল, মধ্যমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধিতে সহায়তা করার মতো কোনো বৈশ্বিক মৌলিক উপাদান নেই; তাই আমরা শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টেরই প্রত্যাশা করছি। দৈনিক টাইমফ্রেমে বর্তমানে চলমান কারেকশন/ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনও শেষ হয়নি বটে, তবে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে গঠিত যেকোনো স্থানীয় প্রবণতাই সামগ্রিকভাবে আবারও একই ধরণের প্রবণতা শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে। চলতি সপ্তাহে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠকের ফলাফল এমন একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হতে পারে। বুধবার, নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.3319–1.3331 এরিয়ার মধ্যে ট্রেডিং সিগন্যাল গঠনের প্রত্যাশা করতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার উপরে স্থির হয়, তাহলে মূল্যের 1.3413-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে নতুন লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, এই এরিয়া থেকে মূল্য নিচের দিকে বাউন্স করলে, মূল্যের 1.3259–1.3267-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশনে এন্ট্রি করা যেতে পারে। তবে, এটি মনে রাখা জরুরি যে, দিনের বেলা এই পেয়ারের মূল্যের অস্বাভাবিকভাবে দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কিন্তু সন্ধ্যা নাগাদ মার্কেটে উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং অনিশ্চিত মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বর্তমানে ট্রেডিংয়ের জন্য উপযুক্ত লেভেলগুলো হলো: 1.2913, 1.2980–1.2993, 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3413–1.3421, 1.3466–1.3475, 1.3529–1.3543, এবং 1.3574–1.3590। বুধবার যুক্তরাজ্যে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে, তবে যুক্তরাষ্ট্রে সন্ধ্যায় ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বছরের শেষ বৈঠকের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। একইসাথে ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল বক্তব্য দেবেন এবং ডট-প্লট রিপোর্ট প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/432914
-
১২ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1863858695.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের মধ্যেই GBP/USD পেয়ারের মূল্য়ের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল। আগের বিশ্লেষণগুলোতে আমরা উল্লেখ করেছিলাম যে, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইভেন্টের পরে মার্কেটে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সেই প্রভাব থাকতে পারে। এবারে মার্কেটে কোনো বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা যায়নি, সার্বিকভাবে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠকের ফলাফলের প্রতি মার্কেটের ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া তেমন জোরালো ছিল না। বরং GBP/USD পেয়ারের মূল্য পুনরায় তিন সপ্তাহ ধরে গঠিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অনুসরণ করেছে। আমরা পূর্বেই সতর্ক করেছিলাম যে, দৈনিক টাইমফ্রেমে প্রায় পাঁচ মাসব্যাপী কারেকশন পর ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য পুনরায় বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে, ফেডের বৈঠকের ফলাফলের তোয়াক্কা না করেই আমরা শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। এই সপ্তাহে গুরুত্বপূর্ণ কোনো ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, শুধুমাত্র শুক্রবার সকালে যুক্তরাজ্যে দুটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তবে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মূল সুদের হার কমানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1493643925.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বৃহস্পতিবার মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় ট্রেডিং সিগন্যালগুলো গঠিত হয়। এই পেয়ারের মূল্য প্রথমে নিচ থেকে উপরে গিয়ে 1.3413–1.3421 এরিয়া অতিক্রম করে, এরপর আবার উপরের দিক থেকে এই লেভেলের নিচে নেমে আসে। প্রথম সিগন্যালটি ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছিল, তবে বুধবার সন্ধ্যায় 1.3319–1.3331 এরিয়া থেকে পূর্বেই লং পজিশন ওপেন করা উচিত ছিল। যদি কেউ তা করে থাকেন তাহলে সেল সিগন্যালটি কাজে লাগানো সম্ভব ছিল।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও স্থানীয় পর্যায়ে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার গঠন অব্যাহত রয়েছে। আমরা আগেই বলেছিলাম, মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ বিদ্যমান নেই, ফলে আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতারই প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 লেভেল পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। শুক্রবার নতুন ট্রেডাররা গতকাল গঠিত সেল সিগন্যালের ভিত্তিতে শর্ট পজিশন হোল্ড করে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে মূল্যের 1.3331-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। তবে ব্রিটিশ পাউন্ডের সেই লেভেলে দরপতনের সম্ভাবনা কম, কারণ মার্কেটে এখনো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3413–1.3421 এরিয়ার উপরে কনসলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.3466-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে বর্তমানে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.2913, 1.2980–1.2993, 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3413–1.3421, 1.3466–1.3475, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590। শুক্রবার যুক্তরাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ মাসিক জিডিপি প্রতিবেদন ও শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আমাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দ্বিতীয় প্রতিবেদনটি মার্কেটে স্বল্প মাত্রার প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, তবে সামগ্রিকভাবে এই দুটি প্রতিবেদনের ফলাফল GBP/USD পেয়ারের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলবে এমন সম্ভাবনা খুবই কম।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/433155
-
GBP/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৫ ডিসেম্বর।
ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3362 লেভেলে পৌঁছেছিল, যা ব্রিটিশ পাউন্ড বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলে এই পেয়ারে 17 পিপসেরও বেশি দরপতন ঘটে। এরপর 1.3345 এরিয়া থেকে মূল্যের রিবাউন্ডের ফলে লং পজিশন ওপেন করার মাধ্যমে অতিরিক্ত প্রায় 20 পিপস লাভ করা সম্ভব হয়েছে। পাউন্ড মূলত মার্কিন ডলারের বিপরীতে সামান্য দরপতনের শিকার হয়েছে। ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্যের এই তুলনামূলক স্থিতিশীলতার পেছনে বেশ কিছু কারণ বিদ্যমান। প্রথমত, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সুদের হার কমানোর ক্ষেত্রে আর কোনো বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে না—এই ধারণাটা ইতোমধ্যেই মার্কেটে আংশিকভাবে প্রভাব বিস্তার করেছে, কারণ যুক্তরাজ্যে বিদ্যমান উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এখনো দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং তাই তারা কঠোর আর্থিক নীতিমালা বজায় রাখতে বাধ্য হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনের তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক অর্থনৈতিক ফলাফল পাউন্ডকে সহায়তা করেছে। আগামী কয়েকদিনে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের মোমেন্টাম আরও কয়েকটি মূল বিষয়ের ওপর নির্ভর করবে—যেমন ভবিষ্যতে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড এবং ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্ত, উভয় দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি। এটি মনে রাখা জরুরি যে, মার্কেট সবসময় খবর এবং ট্রেডারদের মনোভাব দ্বারা প্রভাবিত হয়, তাই বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকতে হবে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সকল বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে। আজ, যুক্তরাজ্যের থেকে কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, তাই GBP/USD পেয়ারের ট্রেডাররা আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু করার সুযোগ পেতে পারেন। যেহেতু যুক্তরাজ্য থেকে আজ কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, মার্কেটে পাউন্ডের দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা উন্মুক্ত রয়েছে, বিশেষত যদি ফরেক্স মার্কেটে ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব বজায় থাকে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি আজ মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/657489482.jpg[/IMG]
বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3396-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3371-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছাবে তখন আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3396-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। চলমান প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ পাউন্ডের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3353-এর লেভেলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3371 এবং 1.3396-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2905947.jpg[/IMG]
সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3353-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3326-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের বিক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3371-এর লেভেলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3353 এবং 1.3326-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/433320
-
১৮ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/412344204.jpg[/IMG]
বুধবারের ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার GBP/USD পেয়ার তীব্র দরপতনের শিকার হয়, তারপর কিছুটা পুনরুদ্ধার ঘটে, এবং পরবর্তীতে আবার একটি নতুন নিম্নমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়। এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ইতোমধ্যেই ব্রেক করেছে, ফলে অদূর ভবিষ্যতে একটি কারেকশন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গতকাল যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যা আজ নির্ধারিত ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের বৈঠকে আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়টি অনেকটা স্পষ্ট করে দিয়েছে। এখন প্রায় কোনো সন্দেহ নেই যে ব্রিটিশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল সুদের হার কমাতে যাচ্ছে, যা ব্রিটিশ মুদ্রার জন্য একটি নেতিবাচক বিষয়। যদিও এই সিদ্ধান্ত আংশিকভাবে মার্কেটে পূর্বেই মূল্যায়িত হয়ে থাকতে পারে, তারপরও আজ কিছুটা দরপতন দেখা যেতে পারে, বিশেষ করে যদি ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ট্রেডারদের প্রত্যাশার তুলনায় আরও বেশি 'ডোভিশ বা নমনীয়' অবস্থান গ্রহণ করে—২০২৬ সাল পর্যন্ত। একইসঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির হার এখনও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত নভেম্বর মাসের মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল পরস্পরবিরোধী ছিল, তবে সার্বিকভাবে আমরা সেগুলোকে নেতিবাচক হিসেবেই চিহ্নিত করব। সুতরাং, যদি যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির হার কমে, তাহলে ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালার আরও নমনীয়করণের প্রত্যাশায় মার্কেটে ডলার দরপতন হতে পারে। আজও ট্রেডারদের জন্য একটি ব্যস্ত দিন হতে চলেছে এবং মার্কেটে উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাই বেশি।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/599965588.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার সারাদিনে দুইটি সুস্পষ্ট সেল সিগন্যাল গঠিত হয়। যখনই এই পেয়ারের মূল্যের কিছুটা সক্রিয় মুভমেন্ট শুরু হয়েছে, তখন থেকেই কার্যকর ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হতে শুরু করে। এশিয়ার ট্রেডিং সেশনের শুরুতেই এই পেয়ারের মূল্য 1.3413–1.3421 এরিয়া থেকে বাউন্স করে এবং ইউরোপীয় মার্কেটে ট্রেডিং শুরুর সময় পর্যন্ত এই পেয়ারের মূল্য পিভট পয়েন্ট থেকে খুব একটা দূরে যেতে পারেনি। যার ফলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ পেয়েছেন। মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই এই পেয়ারের মূল্য 1.3319–1.3331 এরিয়ায় পৌঁছায়, তবে ওই লেভেলটি ব্রেক করতে ব্যর্থ হয়। এর ফলে একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়, যা লাভজনক ছিল।
বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী এখন GBP/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নিম্নমুখী কারেকশন শুরু হতে পারে, কারণ এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যে ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে। আগেই বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য দৃঢ় কোনো মৌলিক ভিত্তি নেই, তাই সামগ্রিকভাবে আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টেরই প্রত্যাশা করছি। আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নতুন করে শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যার ফলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্য 1.4000 লেভেলে পৌঁছাতে পারে। বৃহস্পতিবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3319–1.3331 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3413–1.3421-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। তবে যদি মূল্য এই এরিয়া অতিক্রম করে নিম্নমুখী হয়, তাহলে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3259–1.3267-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং লেভেলগুলো হচ্ছে 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3413-1.3421, 1.3466-1.3475, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590। বুধবার যুক্তরাজ্যে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের বৈঠকের ফলাফল ঘোষণা করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই দুটি ইভেন্টই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলোর প্রভাবে মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।
Read more: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/433450