-
ট্রেডারদের জন্য ডেইলী ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬
৫ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/122669724.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার খুবই কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, কেবলমাত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, আর সেটা হলো যুক্তরাষ্ট্রের ISM উৎপাদন সংক্রান্ত সূচক। প্রতিবেদনটি মাসে একবার প্রকাশিত হয় এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সূচকের ফলাফল ৫০.০-এর নিচেই থাকবে, যা নেতিবাচক ফলাফল হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে যদি এই সূচকের মান পূর্বাভাসকৃত 48.3-এর তুলনায় বেশি আসে, তাহলে এটি সাময়িকভাবে মার্কিন ডলারকে কিছুটা সহায়তা দিতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1296847456.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। বিভিন্ন দেশের সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখনো বড়দিন ও নতুন বছরের ছুটির পর থেকে কার্যকরভাবে চালু হয়নি, তাই উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ইভেন্ট কিছুটা দেরিতে অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে বর্তমানে মার্কেটে একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় নিয়ে সক্রিয়ভাবে আলোচনা করা হচ্ছে — সেটি হচ্ছে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর গ্রেফতার এবং গ্রিনল্যান্ড ও কিউবায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা। রাতারাতি এসব ঘটনা ও পরিকল্পনার ওপর মার্কেটের ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে, তাই ট্রাম্পের পররাষ্ট্র নীতির উপর ভিত্তি করে স্বল্পমেয়াদে মার্কিন ডলারের বিনিময় হারে পরিবর্তন ঘটার সম্ভাবনা অব্যাহত রয়েছে। সবকিছু নির্ভর করবে ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের উপর। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে EUR/USD এবং GBP/USD — উভয় কারেন্সি পেয়ারেই দরপতন হতে দেখা যেতে পারে, কারণ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। তবে পুরো সপ্তাহজুড়ে, মার্কিন ডলারের জন্য পরিস্থিতি বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, কারণ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে যেগুলোর ফলাফল মূলত মার্কিন মুদ্রার জন্য নেতিবাচক হতে পারে — যেমন ব্যবসায়িক কার্যক্রম, শ্রমবাজার এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন। EUR/USD পেয়ারের জন্য 1.1655–1.1666 এরিয়া ট্রেডিংয়ের জন্য একটি উপযুক্ত জোন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, আর GBP/USD পেয়ারের জন্য 1.3437–1.3446 এরিয়া কার্যকর ট্রেডিং লেভেল হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।
Read more: https://ifxpr.com/4bgjg7x
-
৬ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/137008868.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা মঙ্গলবার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে এসব প্রতিবেদনের প্রায় কোনোটিই তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর মাসের S&P ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকের দ্বিতীয় মূল্যায়ন প্রকাশিত হবে। তবে দ্বিতীয় মূল্যায়ন খুব কম সময়েই প্রথম মূল্যায়নের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য প্রদর্শন করে করে এবং যুক্তরাষ্ট্রে তো খুব কম কেউ S&P থেকে প্রকাশিত সূচকের প্রতি গুরুত্ব দেয়। এই সূচকের তুলনায় ISM সূচক ট্রেডারদের জন্য বহুগুণ বেশি প্রাসঙ্গিক। জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি বিষয়ক প্রতিবেদন কিছুটা মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারতো, যদি না সাম্প্রতিক ফলাফলগুলো তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকতো। জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের উভয় ক্ষেত্রেই ভোক্তা মূল্যের সূচক (CPI) দীর্ঘদিন ধরেই ২%–এর কাছাকাছি অবস্থান করছে, যা ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা। ফলে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির হার ইসিবির নীতিনির্ধারণে প্রায় কোনোই প্রভাব ফেলছে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1773778707.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ মঙ্গলবারের ক্যালেন্ডারে কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তবে সেগুলোও স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে ফেডের প্রতিনিধি থমাস বারকিনের একটি ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির সদস্যদের অবস্থানের বিশেষ কোনো পরিবর্তন শুধুমাত্র তখনই আসবে, যখন ডিসেম্বরে মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং শ্রমবাজার–সংক্রা ্ত দাপ্তরিক প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হবে। তার আগে, জানুয়ারি মাসে ফেডের পক্ষ থেকে সুদের হার হ্রাসে বিরতি দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বর্তমানে মার্কেটে আলোচিত একটি বিষয় হলো: নিকোলাস মাদুরোর গ্রেপ্তার এবং গ্রিনল্যান্ড ও কিউবায় "শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার" উদ্দেশ্যে ট্রাম্পের পরিকল্পনা। আমরা ইতোমধ্যেই গত রাতেই মার্কেটে এর প্রতিক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেছি। মার্কিন ডলারের দর কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছিল, কিন্তু তারপর খুব দ্রুতই দরপতন শুরু হয়, কারণ লাতিন আমেরিকায় ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়লেও এর কোনোটিই মার্কিন ডলার ক্রয়ের যথেষ্ট কারণ তৈরি করতে পারেনি। উপসংহার চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। চলতি সপ্তাহজুড়েই, মার্কিন ডলার কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে—যার কারণ হিসেবে আসন্ন সামষ্টিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলকে বিবেচনা করা যায়। সোমবারের ট্রেডিং থেকেই বোঝা গেছে, এই আশঙ্কাগুলো অমূলক নয়। ইউরোর ক্ষেত্রে 1.1745–1.1754 -এর একটি চমৎকার ট্রেডিং এরিয়া রয়েছে, অন্যদিকে 1.3529–1.3543 লেভেল থাকা পাউন্ডের ট্রেড করা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4jtTEX8
-
মার্কিন সুদের হার সম্ভবত নিরপেক্ষ স্তরের কাছাকাছি বজায় রয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1672095311.jpg[/IMG]
যেখানে অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলের প্রভাবে মার্কিন ডলার চাপের মধ্যে রয়েছে, সেখানে মিনিয়াপলিস ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নীল কাশকারি গতকাল মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমানে সুদের হার সম্ভবত নিরপেক্ষ স্তরের কাছাকাছি রয়েছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তগুলো সম্পূর্ণভাবে আগত অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে। সোমবার CNBC–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাশকারি বলেন, "সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা ধারাবাহিকভাবে মনে করেছিলাম যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে সার্বিক পরিস্থিতি আমার প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি সহনশীল রয়েছে।" চলতি বছরে তিনি আবারও ফেডারেল রিজার্ভের ভোটাধিকারপ্রাপ্ত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার এই বক্তব্য ফেডের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির গতিপথ নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মাঝে মার্কিন অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মূলত কাশকারির মন্তব্য ফেডারেল রিজার্ভের আসন্ন নীতিমালার নমনীয়করণ সংক্রান্ত পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তার উদ্রেক ঘটিয়েছে। যদি সত্যিই সুদের হার বর্তমানে নিরপেক্ষ স্তরের কাছাকাছি থাকে, তাহলে অতিরিক্ত কোনো পরিবর্তন মূল্যস্ফীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। মার্কেটের ট্রেডাররা বিষয়টিকে একটি সতর্ক সংকেত হিসেবে বিবেচনা করে ফেডের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে তাদের পূর্বাভাস সংশোধন করেছে। কাশকারি আরও বলেন, "এটি আমাকে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বর্তমান মুদ্রানীতি অর্থনীতির ওপর নিচের দিক থেকে খুব একটা চাপ প্রয়োগ করছে না। আমি মনে করি সুদের হার এখন নিরপেক্ষ স্তরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছি।" বর্তমানে প্রায় সকল বিশ্লেষকের ধারণা হচ্ছে, ফেডারেল রিজার্ভ এই মাসে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে—২০২৫ সালের শেষভাগে টানা তিনবার সুদের হার হ্রাসের পরে এটি একটি বিরতির ইঙ্গিত। ফেডের বেশিরভাগ কর্মকর্তার ধারণা, মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেলে ভবিষ্যতে সুদের হার কমানো হতে পারে, তবে কখন এবং কতটা কমানো হবে—এই বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত ফেডের বৈঠকের পর প্রকাশিত অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরে বেকারত্বের হার বেড়ে ৪.৬%–এ পৌঁছেছে—যা ২০২১ সালের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, ভোক্তা মূল্যস্ফীতির হার প্রত্যাশার চেয়ে কম বৃদ্ধি পেয়েছে—যা এখন সুদের হার হ্রাসের পক্ষে আরও যৌক্তিকতা তৈরি করছে। তবে একই সঙ্গে, ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে মার্কিন অর্থনীতি গত দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ছিল, যা মূল্যস্ফীতির পুনরাগমনের আশঙ্কাকে আবার সামনে এনেছে। কাশকারি বলেন, "আমাদের আরও তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, যেন বুঝতে পারি কোন দিকটা শক্তিশালী রয়েছে—মূল্যস্ফীত না শ্রমবাজার—যার ভিত্তিতে আমরা নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারি।" তিনি আরও যুক্ত করেন, "মূল্যস্ফীতির বড় ঝুঁকি হলো এর দীর্ঘস্থায়ীতা—শু ্কের প্রভাব হয়তো কয়েক বছর পর সিস্টেমে প্রকটভাবে দেখা যাবে, তবে আমি মনে করি যে বেকারত্ব হঠাৎ করে বৃদ্ধির ঝুঁকি ইতোমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে।"
EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট এই পেয়ারের ক্রেতাদের এখন মূল্যকে 1.1750 লেভেলের দিকে নিয়ে যাওয়ার উচিত। এই লেভেলে যাওয়ার পরই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1780–এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে। এরপরের লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1810, যদিও মার্কেটের বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া সেখানে পৌঁছানো মূল্যের পক্ষে কঠিন হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1840 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। যদি এই ইন্সট্রুমেন্টটির মূল্য 1.1715 রেঞ্জে নেমে আসে, তাহলে মার্কেটের বড় ক্রেতারা পক্ষ সক্রিয় হতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য সেই লেভেলে থাকা অবস্থায় ক্রেতারা বেশি সক্রিয় না হয়, তাহলে পুনরায় 1.1685 পর্যন্ত দরপতনের অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত হবে অথবা 1.1660 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। GBP/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট পাউন্ডের ক্রেতাদের জন্য তাত্ক্ষণিক লক্ষ্য হবে এই পেয়ারের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল 1.3560 ব্রেক করানো। এই লেভেল অতিক্রমের পরই 1.3590–এর দিকে যাওয়ার সুযোগ আসবে, যদিও এ লেভেলের উপরে গিয়ে আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখা বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3625 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য হ্রাস পেলে মূল্য 1.3530 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা সফল হয় এবং এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হয়, তাহলে সেটি ক্রেতাদের জন্য ধাক্কা হতে পারে, এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য কমে 1.3500 এবং পরবর্তীতে 1.3470–তে পৌঁছাতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4spYqJj
-
৮ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1860097751.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা বৃহস্পতিবার সীমিত সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, এবং এর কোনোটিই খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে এই বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন যে—গতকাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয় অঞ্চলেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু সেসব প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রেক্ষিতে মার্কেটে কার্যত কোনো দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। আজ ট্রেডাররা স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন কিছু প্রতিবেদন হাতে পারে, যেমন ইউরোজোনের বেকারত্ব এবং উৎপাদক মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। আমাদের মতে, এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের ভিত্তিতে মার্কেটে কোনো তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1385393844.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ বৃহস্পতিবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও অনুষ্ঠিত হবে না। নতুন বছরে ইতোমধ্যেই ফেডের বেশ কয়েকজন সদস্য মন্তব্য করেছেন, তবে এই বিবৃতিগুলো বাস্তবিক অর্থে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেনি—বিশেষত যখন ডিসেম্বর মাসে ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের নীতিগত অবস্থান এবং ফেডারেল রিজার্ভের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। এর সঙ্গে আরও যুক্ত হয়েছে—বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি এবং শ্রমবাজার সংক্রান্ত নতুন কোনো প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি। এই বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে, ফেডারেল রিজার্ভের বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে, জানুয়ারির বৈঠকে আর্থিক নীতিমালার নমনীয়করণ বন্ধ রাখা হবে এবং সার্বিকভাবে পুরো বছরের মধ্যে মাত্র একবার মূল সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা ব্যক্ত করা হয়েছে—ফেডের সর্বশেষ ডট-প্লট চার্ট এটিই নির্দেশ করছে। অতএব, ফেডের কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য অথবা পুরো কমিটির অবস্থান ভবিষ্যতে শুধুমাত্র তখনই পরিবর্তিত হতে পারে, যখন নতুন ননফার্ম পেরোল, বেকারত্ব হার এবং ভোক্তা মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। উপসংহার চলতি সপ্তাহের চতুর্থ দিনের ট্রেডিংয়ে, EUR/USD এবং GBP/USD উভয় কারেন্সি পেয়ারেরই দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। ইউরোর মূল্যের সক্রিয় নিম্নমুখী প্রবণতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যও একই পথে অনুসরণ করতে পারে। তবে, আমরা ট্রেডারদেরকে বাই সিগন্যাল উপেক্ষা না করার পরামর্শ দিচ্ছি, কারণ মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য নতুন কোনো কারণ এখনো সৃষ্টি হয়নি, এবং ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতাটিও খুব একটা নির্ভরযোগ্য বলে মনে হচ্ছে না। ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত। ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন। MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত। নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন। স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।
Read more: https://ifxpr.com/3Z793D6
-
৯ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1110163226.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং এর মধ্যে কয়েকটি প্রতিবেদনকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। প্রথমেই ইউরোজোনের প্রতিবেদনগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা যাক—যার মধ্যে রয়েছে জার্মানির শিল্প উৎপাদন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের খুচরা বিক্রয়) সংক্রান্ত প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ না হলেও, তাত্ত্বিকভাবে ইউরোর মূল্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, আমরা নতুন ট্রেডারদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, বর্তমানে টেকনিক্যাল কারণে EUR/USD পেয়ারের দরপতন চলমান রয়েছে—যেখানে এই পেয়ারের মূল্য সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমা থেকে নিচের সীমার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই মুহূর্তে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কেটে খুব একটা প্রভাব ফেলছে না। যুক্তরাষ্ট্রে আজ যেসব প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, সেগুলো একেবারেই উপেক্ষা করার মতো নয়। তবে, আমরা এই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছি না যে—এই প্রতিবেদনগুলো প্রকাশের পরও মার্কেটে খুব বেশি শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া নাও দেখা যেতে পারে, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে মার্কেটে অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় ও দুর্বল ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। নন-ফার্ম পেরোল ও বেকারত্ব হারের প্রতিবেদনের ফলাফল সরাসরি ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালার ওপর প্রভাব ফেলে। ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রাখতে খুব বেশি শক্তিশালী ফলাফলের প্রয়োজন নেই; তবে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমনকি নিরপেক্ষ বা সামঞ্জস্যপূর্ণ ফলাফলের প্রত্যাশাও বেশ কঠিন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/947522135.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ শুক্রবার বেশ কিছু ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত রয়েছে—যেমন: ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফিলিপ লেন, এবং ফেডারেল রিজার্ভের দুই সদস্য নীল কাশকারি ও থমাস বারকিন-এর বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। অবশ্য এ বছর ফেডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির অনেক সদস্যই বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন, তবে ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের ডিসেম্বর মাসের অবস্থান এবং সামগ্রিকভাবে ফেডের নীতিমালার ভিত্তিতে এই সদস্যদের মন্তব্যগুলো খুব একটা বাস্তব গুরুত্ব বহন করে না—বিশেষত তখন, যখন নতুন কোনো প্রতিবেদন নেই যেমন: বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি বা শ্রমবাজার সংক্রান্ত। আজ শ্রমবাজার ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে খুব সম্ভবত ফেড কর্মকর্তাদের এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ করার এবং তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করার মতো পর্যাপ্ত সময় থাকবে না। যাই হোক না কেন, জানুয়ারি মাসে ফেডের মূল সুদের হার কমানো হবে—এমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে না। একইভাবে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক-ও ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে সুদের হারে পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হয় না। উপসংহার সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে EUR/USD এবং GBP/USD এই দুটি কারেন্সি পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। বর্তমানে স্পষ্টভাবে ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যেরও প্রায় একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তবে, আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। তাই, মার্কিন সেশনের সময় উভয় পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট অনেকটাই অনিশ্চিত এবং অপ্রত্যাশিত হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/49teEbE
-
১২ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1449023706.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। এই বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন যে, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোজোনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু EUR/USD ও GBP/USD — এই দুটি প্রধান কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা অত্যন্ত দুর্বল ছিল। সাম্প্রতিক দিন ও সপ্তাহগুলোতে মার্কিন ডলারের দর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে মার্কেটে সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বর্তমানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের উপর নির্ভর করে মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। এবং সেই টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে ইউরোর মূল্যের ছয় মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ। এই নির্দিষ্ট ফ্ল্যাট রেঞ্জের কারণেই ইউরো এবং পাউন্ড — উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্য নিম্নমুখী হচ্ছে, যদিও কিছু ট্রেডার ও বিশ্লেষক এখনো মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনীতিক দৃষ্টিকোণ থেকে উভয় কারেন্সি পেয়ারের দরপতনের কারণ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন।
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবার বেশ কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে — ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লুইস ডি গুইন্ডোস এবং ফেডারেল রিজার্ভের টমাস বারকিন ও রাফায়েল বোস্টিকের বক্তব্য অনুযায়ী। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চলতি বছর ফেডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য ইতোমধ্যেই বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন, এবং বাস্তবিক অর্থে সেগুলোর প্রভাব খুবই সীমিত ছিল, বিশেষ করে ডিসেম্বর মাসে চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বক্তব্য ও ফেডের সামগ্রিক অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে। ২০২৬ সালে ফেডের সুদের হার-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের উপর মূলত তিনটি সূচকের ফলাফল প্রভাব ফেলবে: শ্রমবাজার, বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি। গত সপ্তাহে প্রকাশিত শ্রমবাজারভিত্তিক প্রতিবেদন থেকে কোনো ইতিবাচক বার্তা পাওয়া যায়নি। যদিও বেকারত্ব হার কিছুটা হ্রাস পেয়েছে, তা সত্ত্বেও সূচকটি এখনো গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে অবস্থান করছে। এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি প্রকাশিত হবে এবং এরপরই ফেডের জানুয়ারি মাসের বৈঠকে সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অনুমান করা যেতে পারে। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, এবং পাউন্ডের মূল্যও একই পথ অনুসরণ করতে পারে। আজ সোমবার, ইউরো পেয়ার ট্রেডিংয়ের জন্য 1.1655–1.1666 রেঞ্জ বিবেচনায় রাখা যেতে পারে এবং পাউন্ড পেয়ার ট্রেডিংয়ের জন্য 1.3437–1.3446 রেঞ্জ বিবেচনা করা যেতে পারে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বর্তমানে কোনো পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টকে প্রভাবিত করছে না—গত সপ্তাহেও এটি ট্রেডারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে খুব বেশি ভূমিকা রাখেনি।
Read more: https://ifxpr.com/453A4Ll
-
১৩ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2064325085.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার মাত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে — সেটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI)। এবং এই প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হজচ্ছে। আমরা নতুন ট্রেডারদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে, ফেডারেল রিজার্ভ সাধারণত তিনটি সূচকের ভিত্তিতে তাদের আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণ করে থাকে: মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং শ্রমবাজার। এর মধ্যে শেষ দুটি প্রতিবেদন বিগত সপ্তাহেই প্রকাশিত হয়েছে এবং আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, সেগুলোর ফলাফল খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। এখন কেবল মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনই বাকি রয়েছে।যদি এই প্রতিবেদনে মূল্যস্ফীতি নতুন করে আরও মন্থর হতে দেখা যায় (উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার ৩% থেকে হ্রাস পেয়ে ২.৭% হয়েছিল), তাহলে এটি ফেডের মূল সুদের হার কমানোর সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন ডলার আবারও দরপতনের শিকার হতে পারে। অন্যদিকে, যদি মুদ্রাস্ফীতির হার স্থিতিশীল থাকে বা বৃদ্ধি পায়, তাহলে মার্কেটে ডলার কিছুটা সহায়তা পেতে পারে, তবে সামগ্রিক মৌলিক চিত্রে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/807583629.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবার একাধিক ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে — ফেডারেল রিজার্ভের দুই সদস্য থমাস বারকিন এবং অ্যালবার্টো মুসালেমের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। ফেডের আর্থিক নীতিমালা কমিটির একাধিক সদস্য বছরের শুরুতে ইতোমধ্যেই কিছু মন্তব্য প্রদান করেছেন; তবে জেরোম পাওয়েলের গত ডিসেম্বর মাসের অবস্থানের প্রেক্ষিতে এবং ফেডের সামগ্রিক নীতিমালার আলোকে সেসব মন্তব্য বাস্তবে তেমন কোনো গুরুত্ব বহন করেনি। ২০২৬ সালে ফেডের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে প্রধান তিনটি সূচক হচ্ছে শ্রমবাজার, বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতি। গত সপ্তাহে প্রকাশিত শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোতে সার্বিক পরিস্থিতির কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতির ইঙ্গিত মেলেনি, যদিও বেকারত্ব হার কিছুটা কমেছে — তবুও তা এখনো গত ৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। আজকের মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর, আগামী জানুয়ারি মাসে ফেডের সম্ভাব্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে মার্কেটের ট্রেডারদের মনোযোগ ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, যিনি শিগগিরই মেক্সিকো এবং গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ দিতে পারেন বলে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, তবে এটি নির্ভর করবে হোয়াইট হাউজ থেকে আসা খবর এবং মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর। আজ 1.1655–1.1666 এরিয়ার মধ্যে ইউরোর ট্রেড করার সুযোগ রয়েছে, এবং 1.3437–1.3446 এরিয়ার মধ্যে ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং ট্রেড করা যেতে পারে। গতকাল ইতোমধ্যেই বাই ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল; তাই আজও নতুন সিগন্যাল গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4jA0EBA
-
১৪ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/199852260.jpg[/IMG]
মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার GBP/USD পেয়ারের কিছুটা দরপতন হয়েছে, যা মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে হতে পারে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রদর্শন করেচ চলেছে, যেটি প্রতি ঘণ্টার টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বরের মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি - দেশটির ভোক্তা মূল্য সূচক 2.7%-এ রয়ে গেছে। এই ফলাফলের মানে কী দাঁড়ায়? মূলত কিছুই না। যদি মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেত, তাহলে ফেড কর্তৃক নতুন করে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যেত। যদি মুদ্রাস্ফীতি মন্থর হত, তাহলে ফেড পুনরায় দ্রুত আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণ কার্যক্রম শুরু করতে পারত। প্রথম ক্ষেত্রে, ডলারের দর বৃদ্ধির আশা করা যেতে পারে; দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, দরপতন। কিন্তু যদি তিন সপ্তাহ ধরে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং হয় এবং গড়ে দৈনিক অস্থিরতার পরিমাণ 68 পিপস হয়, তাহলে আমরা কেমন মূল্য বৃদ্ধি বা দরপতনের কথা বলতে পারি? বর্তমানে টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট প্রবণতা বিরাজ করছে না। মার্কেটের ট্রেডাররা কার্যত মৌলিক ঘটনাবলীর প্রতি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1261478722.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, একটি সেল ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়ার নিচে স্থির হয়েছিল। এখানে স্থির হওয়ার সাথে সাথেই নিম্নমুখী মুভমেন্ট বন্ধ হয়ে যায়। আজ, এই পেয়ারের মূল্য সেই এরিয়া থেকে নিচের দিক থেকে বাউন্স করতে পারে, যা একটি নতুন দরপতনের ইঙ্গিত দেবে - স্বাভাবিকভাবেই, দুর্বলভাবে দরপতন হতে পারে।
বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইনের নিচে স্থিতিশীল হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হয়নি। বরং, এখানে আরেকটি ফ্ল্যাট রেঞ্জ গঠিত হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ আপাতত দৃশ্যমান নয়, সে কারণে, আমরা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতারই পূর্বাভাস দিচ্ছি। সার্বিকভাবে, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই GBP/USD পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 লেভেলে নিয়ে যেতে পারে। বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা মূল্যের 1.3319–1.3331 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এর উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.3529–1.3543 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3437–1.3446, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682, 1.3763। বুধবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুচরা বিক্রয় এবং উৎপাদক মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা অন্তত এই পেয়ারের মূল্যের কিছুটা মুভমেন্ট ঘটাতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/49SPHb4
-
মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট শুল্ক বিষয়ক রায় ঘোষণার সম্ভাব্য সময় পিছিয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1763657047.jpg[/IMG]
এদিকে, মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে মার্কিন ডলারের দর কিছু ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের বিপরীতে বৃদ্ধি পেলেও, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট গতকাল আবারও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক সংক্রান্ত মামলাগুলোর ব্যাপারে কোনো রায় দেননি। ফলে তাঁর স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক নীতিমালার ভাগ্য জানার জন্য বিশ্ববাসীকে অবশ্যই অন্তত পরবর্তী সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এই বিলম্বের ফলে বৈশ্বিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে এবং ব্যবসায়িক আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, কারণ এই আরোপিত শুল্কগুলো সরবরাহ খাতে চাপ সৃষ্টি করে ক্রেতা পর্যায়ে পণ্যের মূল্য বাড়াচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টে বিবেচিত মামলাগুলোতে ট্রাম্প যে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর এবং কয়েকটি প্রধান মার্কিন বাণিজ্য অংশীদারের অন্যান্য পণ্যের ওপর আরোপ করেছেন সেই শুল্কগুলোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। মামলাকারীরা যুক্তি দিচ্ছেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাণিজ্য আইনের অধীনে তার ক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছেন এবং সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। যদি সুপ্রিম কোর্ট এসব শুল্ককে বৈধতা দেয়, তাহলে শুল্ক একটি বৈদেশিক নীতির উপকরণ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে এবং অন্যান্য দেশকেও আরও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয়ার প্ররোচনা দিতে পারে। রায় প্রদানে বিলম্ব হওয়ায় নির্মাতা, খুচরা ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সহ বহু অংশীজনদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকরা ভবিষ্যৎ বাণিজ্য খরচ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে তাদের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করতে সংগ্রাম করছে। একই সঙ্গে ভোক্তাদেরকে শুল্ক প্রধান পণ্যের জন্য বেশি দাম দিতে হচ্ছে। কোর্ট এখনও জানায়নি পরবর্তীতে কখন রায় ঘোষণা করা হবে, তবে পরবর্তী শুনানি সম্ভবত আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার বা বুধবার নির্ধারিত হতে পারে, যখন বিচারপতিরা পুনরায় সংবিধিবদ্ধ হবেন। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে কিছু সংস্থার স্টক ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোর্টের রায় না দেয়ার কারণে কনজিউমার কোম্পানি লুলুলেমন অ্যাথলেটিকা ইনকর্পোরেটেড ও ম্যাটেল ইনকর্পোরেটেডের শেয়ারের দরপতন ঘটেছে, এবং পাওয়ার টুল নির্মাতা স্ট্যানলি ব্ল্যাক ও ডেকার ইনকর্পোরেটেডের স্টক আগের বৃদ্ধি হারিয়ে ফেলেছে। মনে করিয়ে দিই, ৫ নভেম্বরের শুনানিতে কোর্ট শঙ্কা প্রকাশ করেছিল যে ট্রাম্প 1977 সালের সেই আইনের অধীনে, যা জরুরি পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপ্রধানকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করে, সেই আইনের ওপর ভিত্তি করে শুল্ক আরোপ করার অধিকার সংর৯ক্ষণ করেন কি না তা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। শুল্ক-সংক্রান্ত বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট যদি ট্রাম্পের বিপক্ষে রায় দেয়, তবে এটি হোয়াইট হাউসে প্রত্যাবর্তনের পর থেকে ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় আইনি পরাজয় হিসেবে বিবেচিত হবে। উল্লেখ্য যে, কোর্টের রায় না দেয়ার ফলে ফরেক্স মার্কেটে কোনো প্রভাব পরিলক্ষিত হয়নি।
EUR/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এখন মূলত এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1650 লেভেলে নিয়ে যাওয়ার দিকে মনোযোগ দেয়া দরকার। কেবল এটি করা গেলেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1680-এ পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1710 পর্যন্ত বাড়তে পারে, তবে বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া এটি করা যথেষ্ট কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1740-এর সর্বোচ্চ লেভেল। যদি ইনস্ট্রুমেন্টটির দরপতন ঘটে, তবে আমি কেবল এই পেয়ারের মূল্য 1.1630-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় বড় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা করছি। সেখানে কেউ সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্য 1.1610-এর লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা উচিত হবে, অথবা 1.1591 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যুক্তিযুক্ত হবে।
GBP/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3440-এ নিয়ে যেতে হবে। কেবল এই লেভেল অতিক্রম করলেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3460-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া যথেষ্ট কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3490 লেভেল নির্ধারণ করা হয়েছে। দরপতনের ক্ষেত্রে মূল্য 1.3415 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা এতে সফল হয়, তাহলে এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর জন্য গুরুতর ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3390-এর দিকে নেমে যাবে, যেখান থেকে 1.3370-এ যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
Read more: https://ifxpr.com/4jRiWyv
-
সুদের হার আরও হ্রাস করা প্রয়োজন
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/233816938.jpg[/IMG]
মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের বেশিরভাগ কর্মকর্তা আরও রক্ষণশীল অবস্থান অবলম্বন করলেও, ফিলাডেলফিয়া ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট আনা পলসন সাম্প্রতিক মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন দেখার পর গতকাল বলেছেন যে তিনি এ বছরে আরও সুদের হার হ্রাসের প্রয়োজন অনুভব করছেন এবং তিনি সতর্কভাবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
পলসন বুধবার বলেছেন, "আমি মুদ্রাস্ফীতির ব্যাপারে সতর্কভাবে আশাবাদী এবং মনে করি বছর শেষে বার্ষিক ভিত্তিতে মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ২%-এর কাছাকাছি থাকবে।" গ্রেটার ফিলাডেলফিয়া চেম্বার অফ কমার্সে অনুষ্ঠিত এক বক্তৃতায় পলসন বলেন যে খাদ্য ও জ্বালানী মূল্যের মতো অস্থির উপাদান বাদ দিলে মূল মুদ্রাস্ফীতির হার সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রত্যাশার তুলনায় বেশি মন্থর হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে এই প্রবণতা মুদ্রাস্ফীতির চাপ শিথিল হওয়ার একটি অনুপ্রেরণাদায়ক লক্ষণ এবং এর ফলে ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালায় কিছুটা নিয়ন্ত্রিত কৌশল অবলম্বনের সুযোগ থাকতে পারে। তিনি যোগ করেছেন যে সুদের হার হ্রাস সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করবে এবং এই সিদ্ধান্ত প্রতিটি বৈঠকে আলাদা করে নেওয়া হবে। সতর্ক আশাবাদের পরও পলসন জোর দিয়ে জানিয়েছেন যে পুনরায় মুদ্রাস্ফীতির তীব্র উত্থানের ঝুঁকির বিরুদ্ধে ফেডকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি মনে করেন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও সরবরাহ শৃঙ্খলের বিভ্রাট মূল্যস্ফীতির হারকে উর্ধ্বমুখী করতে পারে। তিনি বলেছেন, "আমি আশা করছি শ্রমবাজারের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে এবং অর্থনীতি এ বছর প্রায় ২% প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করবে। সবকিছু ঠিকঠাক হলে বছরের শেষ নাগাদ সুদের হারে সামান্য সমন্বয়ের প্রয়োজন হবে।" পলসন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিসেম্বর সভার পর কয়েকজন নীতিনির্ধারকরের একজন, যারা সংকেত দিয়েছেন যে কিছু সময়ের জন্য সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা তাদের পছন্দ—তাতে অর্থনৈতিক আউটলুক আরও পরিষ্কার হবে। ডিসেম্বরে প্রকাশিত পূর্বাভাস অনুযায়ী এই কর্মকর্তা 2026 সালে কেবল একবার সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট হ্রাসের প্রত্যাশা করছেন, যেখানে 2025 সালে তিনবার একই মাত্রায় সুদের হার কমানো হয়েছিল। মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী বার্ষিক ভিত্তিতে ভোক্তা মূল্য সূচক 2.7%-এ পৌঁছেছে। ফেডের কয়েকজন কর্মকর্তা উদ্বিগ্ন যে মুদ্রাস্ফীতির হার অনেক সময় ধরে 2%-এর লক্ষ্যমাত্রার উপরে রয়েছে, আবার অনেকে দুর্বলভাবে কর্মসংস্থান হার বৃদ্ধি এবং উচ্চ বেকারত্বের দিকে ইঙ্গিত করছেন। পলসন বলেছেন, "শ্রমবাজারে নেতিবাচক পরিস্থিতির ঝুঁকি বাড়ছে, এবং এজন্য গত বছর ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি দ্বারা গৃহীত 75-বেসিস-পয়েন্টের সুদের হার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবার গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল। আমি শ্রমবাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকব।" EUR/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এখন মূলত এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1650 লেভেলে নিয়ে যাওয়ার দিকে মনোযোগ দেয়া দরকার। কেবল এটি করা গেলেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1680-এ পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1710 পর্যন্ত বাড়তে পারে, তবে বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া এটি করা যথেষ্ট কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1740-এর সর্বোচ্চ লেভেল। যদি ইনস্ট্রুমেন্টটির দরপতন ঘটে, তবে আমি কেবল এই পেয়ারের মূল্য 1.1630-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় বড় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা করছি। সেখানে কেউ সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্য 1.1610-এর লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা উচিত হবে, অথবা 1.1591 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যুক্তিযুক্ত হবে। GBP/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3440-এ নিয়ে যেতে হবে। কেবল এই লেভেল অতিক্রম করলেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3460-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া যথেষ্ট কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3490 লেভেল নির্ধারণ করা হয়েছে। দরপতনের ক্ষেত্রে মূল্য 1.3415 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা এতে সফল হয়, তাহলে এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর জন্য গুরুতর ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3390-এর দিকে নেমে যাবে, যেখান থেকে 1.3370-এ যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
Read more: https://ifxpr.com/3NNyvLx
-
ইইউ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করার পরিকল্পনা করছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/138237255.jpg[/IMG]
গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের প্রেক্ষিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে সমর্থনকারী দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি প্রদান করলে তার জবাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে—এই সংবাদ প্রকাশের পর মার্কিন ডলার তীব্র দরপতনের শিকার হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করতে পারে, যা ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে জন্য বজ্রপাতের মতো ছিল। বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির উপর ভয়াবহ আঘাতের আশঙ্কায় দ্রুত ডলারভিত্তিক অ্যাসেটগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলস্বরূপ ডলার সূচকের ব্যাপক পতন হয় এবং ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পায়। ওয়াশিংটনের চাপের বিরুদ্ধে ইইউ-এর এমন সিদ্ধান্ত নজিরবিহীন—এটি ঐক্য এবং দৃঢ়তার এক অভূতপূর্ব প্রদর্শনী হবে। এই বিরোধের দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি কী হবে সেই পূর্বাভাস দেয়া কঠিন। চুক্তি ভেস্তে গেলে উভয়পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—কারণ শুল্ক বৃদ্ধি পাবে, বাণিজ্যের পরিমাণ হ্রাস পাবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতাও দেখ যেতে পারে। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বৃহৎ রাজনৈতিক গোষ্ঠী ইউরোপিয়ান পিপলস পার্টির প্রেসিডেন্ট ম্যানফ্রেড ওয়েবার গত শনিবার বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তি করা এখন আর সম্ভব নয়। ওয়েবার লিখেছেন যে ইইউ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে সমর্থন করে, তবু ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড-সম্পর্কিত হুমকির পর এই মুহূর্তে এর বাস্তবায়ন কার্যত অসম্ভব। তিনি আরও বলেছেন যে মার্কিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত ইইউ-এর সম্মতিটিও স্থগিত করা উচিত। উল্লেখযোগ্য যে ইইউ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তি, যেটি গত গ্রীষ্মে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন এবং ট্রাম্পের মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছিল, ইতোমধ্যেই বলবৎ হলেও এখনও সংসদীয় অনুমোদন বাকি আছে। উক্ত চুক্তিতে ইইউ-এর বেশিরভাগ পণ্যের ওপর 15% মার্কিন শুল্ক ধার্য করা হয়েছিল, বিনিময়ে ইইউ-এর পক্ষ থেকে মার্কিন শিল্পভিত্তিক পণ্য ও নির্দিষ্ট কৃষি পণ্যের ওপর শুল্ক প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। ভন ডার লেয়েন, যিনি ইইউ-এর পক্ষে আলোচনা নেতৃত্ব দিয়েছেন, বাণিজ্যযুদ্ধ এড়ানোর উদ্দেশ্যে ওই চুক্তি করেছিলেন। গত শনিবার ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে গ্রিনল্যান্ডকে সমর্থনকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর পণ্যের ওপর 10% শুল্ক কার্যকর করা হবে। তিনি বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে "সম্পূর্ণ ও চূড়ান্ত" ক্রয়ের কোনো চুক্তি না হয় তাহলে শুল্ক 25%-এ বাড়িয়ে দেওয়া হবে। ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণাটির বিরুদ্ধে সমালোচনা করেন এবং তারা এই পদক্ষেপের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করছেন। ভন ডার লেয়েন বলেন যে এই শুল্কসমূহ ট্রান্সঅটলান্টিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বিপজ্জনক হ্রাসের ঝুঁকি বাড়াবে, আর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোন ট্রাম্পের হুমকিগুলো অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়াও জানা গেছে যে ইইউ এমন পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে যার ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর 10% শুল্ক বাস্তবায়ন করেন, তাহলে মার্কিন পণ্যের ওপর €93 billion মূল্যমানের শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। ইইউ শুল্কের পাশাপাশি অতিরিক্ত পদক্ষেপের পরিকল্পনাও করেছে, তবে তাঁরা প্রথমে কূটনৈতিকভাবে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা চালাবে।
EUR/USD-এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1645 লেভেলে পুনরুদ্ধারের বিষয়টি বিবেচনা করা চলতি। কেবল উক্ত লেভেল অতিক্রম করলেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1675-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যেতে সক্ষম হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1700 পর্যন্ত আরো বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বড় ট্রেডারদের সমর্থন না ছাড়া আরও বৃদ্ধি পাওয়া কঠিন হবে। আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.1720-এ পৌঁছাতে পারে। দরপতনের ক্ষেত্রে সম্ভবত কেবল মূল্য 1.1610-এর কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে। যদি সেখানে ক্রেতারা সক্রিয়ভাবে না ক্রয় করেন, তাহলে 1.1580-এ দরপতনের জন্য অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে—অথবা 1.1550 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। GBP/USD-এর ক্ষেত্রে, পাউন্ডের ক্রেতাদের প্রথমে এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3410-এ নিয়ে যেতে পারে দখল করা। কেবল তখনই এই পেয়ারের মূল্য 1.3440-এর দিকে যেতে পারে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.3460-এর কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3380-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জের ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর উপর মারাত্মক আঘাত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3360 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখানে 1.3340 পর্যন্ত দরপতন প্রসারিত হওয়ার সুযোগ রাখে।
Read more: https://ifxpr.com/49IcGod
-
২০ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1592539343.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবারও খুব কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যুক্তরাজ্যে বেকারত্ব, ক্লেইমেন্ট কাউন্টস এবং মজুরি সম্পর্কিত তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। জার্মানি ও ইউরোজোনে ZEW ইনস্টিটিউট থেকে ইকোনোমিক সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। অবশ্যই যুক্তরাজ্যের বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, তবে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কেটের ট্রেডাররা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রতি অত্যন্ত দুর্বলভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং অস্থিরতার মাত্রাও নিম্নস্তরে রয়ে গেছে। এখনও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈদিশিক নীতি ও বাণিজ্যযুদ্ধের উপর দৃষ্টিপাত করা হচ্ছে, যা 2026 সালের শুরু থেকে নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/482879123.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: ক্যালেন্ডার অনুযায়ী মঙ্গলবার কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, কিন্তু এমনও দেখা যাচ্ছে যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিকগুলোর প্রতিও ট্রেডাররা প্রায়শই প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করছে না। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের প্রভাবেও প্রায় কোনোই প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না। ট্রাম্প কর্তৃক নতুন শুল্ক আরোপের কারণে সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন ডলারের সামান্য দরপতন হয়েছে, তবে সামগ্রিকভাবে মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতাই বিরাজ করছে। মনে রাখবেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য ডলার এখনও নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, কিন্তু যখন কোনো দেশের প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছেন অথবা ইরানে অভ্যুত্থানে হস্তক্ষেপের কথা বলছেন, তখন কি সেই দেশের মুদ্রাকে নিরাপদ বলা যায়? ট্রাম্প সম্ভবত তেহরানের বার্তা পাওয়ার পর ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলার পরিকল্পনা বাদ দিয়েছেন, যেখানে তেহরান বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে "যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়" হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন এটি আমেরিকার অংশ হিসেবে একটি নতুন অঙ্গরাজ্য হওয়া উচিত।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যেরই সম্ভবত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, কারণ গতকাল ইউরো এবং পাউন্ডের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তি ঘটেছে। আজ 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ইউরোর ট্রেড করা যেতে পারে। আজ 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে পাউন্ড স্টারলিংয়ের ট্রেড করা যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4qp7uMY
-
মার্কিন বন্ড বিক্রির হুমকির পরে সত্যিই সেই পদক্ষেপ নেয়া হল
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/249918098.jpg[/IMG]
মার্কিন বন্ড বিক্রির হুমকি প্রদানের পর বাস্তবেই সেই কার্যক্রম শুরুর ফলে গতকাল ইউরোর দর মার্কিন ডলারের তুলনায় তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইইউ দেশগুলো সম্ভবত মার্কিন সরকারি ট্রেজারি বন্ড বিক্রি শুরু করবে—মার্কেটে আগে থেকেই এই ধরনের গুঞ্জর শুরু হয়েছিল। গতকাল জানা যায় যে ডেনমার্ক সক্রিয়ভাবে মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করা শুরু করেছে। আকাডেমিকারপেনশন মার্কিন সরকারি বন্ড বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছে। পেনশন ফান্ডটি প্রায় $100,000,000 মূল্যের সিকিউরিটিজ বিক্রি করার এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত এই পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করছে। পেনশন ফান্ডটি সিদ্ধান্তটিকে পুরোপুরি আর্থিক পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে—বাড়তি ঘাটতি এবং মার্কিন সরকারি ঋণ বিষয়ক পরিস্থিতি ট্রেজারি বন্ডের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কঠিন করে তুলছে ও লিকুইডিটি টুল হিসেবে এটির সুবিধা হ্রাস পেয়েছে। আরেকটি অনানুষ্ঠানিক অনুপ্রেরণা হলো মি. ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকি ও গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের দাবিসহ তীব্র মার্কিন-ইউরোপ দ্বন্দ্, উল্লেখ্য যে গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের সার্বভৌম ভূখণ্ড। ডেনমার্কের এই পদক্ষেপ বেশ গুরুত্বপূর্ণ, যদিও তুলনামূলকভাবে ছোট একটি পেনশন ফান্ড এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তবে তা মার্কিন অর্থনীতির জন্য একটি সতর্ক সংকেত। বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা বড় বিনিয়োগকারীদের পদক্ষেপ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে, এবং এমন পদক্ষেপ চেইন-রিয়েকশনের কারণ হতে পারে। যদি অন্যান্য দেশ ও ফান্ডগুলো ডেনমার্কের পথ অনুসরণ করে, তাহলে মার্কিন সরকারি বন্ডের চাহিদা হঠাৎ করে কমে যেতে পারে, যার ফলে বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশ বাড়বে এবং মার্কিন সরকারি ঋণের ব্যয় বেড়ে যাবে।
ডেনিশ ফান্ডের সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক যুক্তি বেশ স্পষ্ট। মার্কিন অর্থনীতি নিয়ে সৃষ্টি অনিশ্চয়তা, ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণের বোঝা এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা—এসব বিষয় স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার খুঁজতে থাকা বিনিয়োগকারীদের জন্য মার্কিন ট্রেজারি বন্ডকে কম আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তুলনামূলকভাবে, ইউরো বিশেষত ইইউ-এর অভ্যন্তরে গভীর অর্থনৈতিক একত্রীকরণ সম্ভাবনার পটভূমিতে ক্রমশ আত্মবিশ্বাসী হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে। ডেনমার্কের এই পদক্ষেপের ফলে ইউরো ও ডলারের ওপর এর প্রভাব ইতোমধ্যেই লক্ষণীয়। মার্কিন অ্যাসেট থেকে বিনিয়োগ সরে যাচ্ছে এবং ইউরোপীয় অর্থনীতির সম্পর্কে সামগ্রিক ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন ডলার দুর্বল হলে বৈশ্বিক পর্যায়ে মার্কিন পণ্যসমূহের আকর্ষণীয়তা আরও বাড়বে, তবে এতে অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়বে। গুরুত্বের দিক হল এটি ইতোমধ্যে তৃতীয় ডেনিশ ফান্ড যা মার্কিন ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ হ্রাস করেছে। ইতিপূর্বে লারেরনেস পেনশন এবং PFA-ও এমন পদক্ষেপ নিয়েছে। স্পষ্টতই, পরিমাপের চেয়ে ঐতিহ্যের প্রভাব বড়: $100,000,000-এর বন্ড মার্কেটে তুচ্ছ, কিন্তু ওই ঐতিহ্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ প্রতিবেদনগুলোতে এখন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে আরেকটি বড় ফান্ড প্রকাশ্যে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডকে ঝুঁকি-মুক্ত অ্যাসেট হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। উপরে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী, যদি অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও একই পথ অনুসরণ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে ঋণের ওপর আরও বেশি সুদ দিতে হবে।
EUR/USD-এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1745 লেভেলে পুনরুদ্ধার করার কথা বিবেচনা করা উচিত। কেবল তাহলেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1765 লেভেলে পৌঁছাতে পারে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1785 পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এই লেভেলের উপরে অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1810-এর লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বিবেচনা করা যায়। এই পেয়ারের দরপতনের ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র মূল্য 1.1714-এর কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। সেখানে কোনো ক্রেতা সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1690 লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে বা 1.1660 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। GBP/USD-এর ক্ষেত্রে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রেতাদের পাউন্ডের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3460 লেভেলে নিয়ে যেতে হবে। কেবল এটি করা গেলে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3490-এর লক্ষ্যমাত্রায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3520-এর লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বিবেচনা করা যায়। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, মূল্য 1.3425-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ঐ রেঞ্জ ব্রেক করলে বুলিশ পজিশনগুলোকে মারাত্মকভাবে লিকুইডেট হয়ে যেতে পারে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3400 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, এবং পরবর্তীতে 1.3380 পর্যন্ত দরপতন প্রসারিত হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4qxf3RK
-
-
২৩ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1986577170.jpg[/IMG]
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার শুধুমাত্র মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে জানা যায় যে মার্কিন অর্থনীতি গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে 4.4% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা পূর্বাভাস অতিক্রম করেছে। ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক বাতিলের ঘোষণা দেয়ার পর ডলারের দর বৃদ্ধির কথা ছিল; কিন্তু ট্রেডাররা উক্ত প্রতিবেদন কিংবা শুল্ক বাতিলের ঘটনার প্রতি তেমন গুরুত্ব দেয়নি। যেমনটি আগে বলেছি, আমরা মনে করি 2026 সালে ডলার আরও দরপতনের শিকার হবে। ট্রাম্পের সুরক্ষাবাদী নীতি বিনিয়োগকারীদের এবং মার্কেট মেকারদের ডলারে ট্রেডিং করার ইচ্ছাকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে—যা একসময় 'নিরাপদ বিনিয়োগ' হিসেবে বিবেচিত হত। নিঃসন্দেহে এটি এখন আর বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ নয়। টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনের উপরে কনসোলিডেট করেছে, ফলে এই কারণেও এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির আশা করা যায়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1049104383.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, যেগুলোর প্রত্যেকটি নতুন ট্রেডাররা সহজেই কাজে লাগাতে পারতেন। মার্কিন সেশনের মধ্যভাগ পর্যন্ত এই পেয়ারের মূল্য কেবল 1.3403-1.3407 এবং 1.3437-1.3446 এরিয়ার মধ্যে বাউন্স করছিল; যেখানে মোট 7টি বাউন্স পরিলক্ষিত হয়। এই প্রতিটি সিগন্যাল থেকেই 10–15 পিপস লাভ করা যেতে পারত। পরে 1.3437-1.3446 রেঞ্জের উপরে কনসোলিডেশন ঘটায় নতুন লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যায়। এই পেয়ারের মূল্য নিকটস্থ লক্ষ্যমাত্রা 1.3484-1.3489-এ পৌঁছায় এবং এমনকি তা অতিক্রমও করে।
শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। মধ্যমেয়াদে ডলারের শক্তিশালী হওয়ার জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না, তাই 2026 সালে আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে বলে আশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই মার্কিন ডলারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শুক্রবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3484-1.3489 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3437-1.3446-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3437-1.3446 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন করলে পূর্বের লং পজিশন হোল্ড করে রাখা যেতে পারে বা নতুন লং ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে, এক্ষেত্রে মূল্যের 1.3529-1.3543-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, এবং 1.3682। শুক্রবার যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জানুয়ারি মাসের সার্ভিস এবং ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচক প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। যুক্তরাজ্যে রিটেইল সেলস প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশিত হবে। প্রতিটি প্রতিবেদনের ফলাফলই এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4r3WRyZ
-
২৬ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1969341219.jpg[/IMG]
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল। মনে রাখা দরকার যে গত সপ্তাহের শুরুতে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছিল, তাই এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করাই যৌক্তিক ছিল। শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়া সত্ত্বেও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি ট্রেডারদের মনোভাবকে কার্যত প্রভাবিত করতে পারেনি। সকালে প্রকাশিত সকল প্রতিবেদন প্রায় নির্দ্বিধায় উপেক্ষিত হয়েছে, কারণ ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে প্রায় কোনোই মুভমেন্ট লক্ষ্য করা যায়নি। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে তুলনামূলকভাবে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন মার্কিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকগুলো (পরিষেবা ও উৎপাদন খাত ভিত্তিক) এবং মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভোক্তা মনোভাব সূচক প্রকাশিত হয়। ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকগুলোর ফলাফল পূর্বাভাসের সাথে প্রায় সঙ্গতিপূর্ণ ছিল, যখন ভোক্তা মনোভাব সূচকের ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে পূর্বাভাস অতিক্রম করে। সুতরাং, এই পেয়ারের দরপতন হলে সেটি অধিকতর যুক্তিযুক্ত হত। তবুও, গত কয়েক সপ্তাহ এবং গত বছর জুড়ে মৌলিক পটভূমিডলারের ওপর চাপ বজায় রেখেছে। অবশেষে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800–1.1830 এরিয়ার কনসলিডেট করেছে, তাই দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান সাত মাসব্যাপী ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচনা করা যেতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/387007506.jpg[/IMG]
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার দিনের শুরুতে ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি ভুল সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, কারণ দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের মূল্য একরকম স্থবির ছিল। পরে একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়, যা থেকে বেশ ভালোই লাভ করা গিয়েছে। মার্কিন ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়, এরপর দিনের বাকি সময় এই পেয়ারের মূল্য কেবল বৃদ্ধিই পেয়েছে। সোমবার রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1851 লেভেল অতিক্রম করে, যা ইঙ্গিত দেয় আজ ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।
সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। গতরাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800–1.1830 এরিয়ার উপরে কনসলিডেট করেছে, 1.1400–1.1830 এরিয়ার ওপরে অবস্থান মজবুত হওয়ায় এই পেয়ারের মূল্য সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছে বলে ধরা হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই আমরা ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। সোমবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1851 লেভেল থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1908-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1851-এর নিচে মূল্য কনসলিডেট করলে মূল্যের 1.1808 ও 1.1745–1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। আজ জার্মানিতে বিজনেস ক্লাইমেট সূচক সংক্রান্ত একটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে; যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত তুলনামূলকভাবে অধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। লক্ষ্যণীয় যে এই পেয়ারের মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি প্রতিদিনই ডলারের দরপতন ঘটাতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3YZDYBq
-
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২৮ জানুয়ারি: S&P 500 এবং নাসডাক সূচকে তীব্র ঊর্ধ্বমুখী অব্যাহত রয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/47018697.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ করেছে। S&P 500 সূচক 0.41% বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে নাসডাক 100 সূচক 0.91% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 0.83% হ্রাস পেয়েছে।বিশ্বব্য পী ইক্যুইটি সূচকগুলোতে মাসিক সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রবণতা এশীয় স্টক মার্কেটে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নিয়ে আসতে ভূমিকা রেখেছে। অনিশ্চিত মার্কিন বাণিজ্য নীতিমালার আশঙ্কায় দরপতনের পর ডলারের দর সামান্য স্থিতিশীল হয়েছে—এটির দর প্রায় চার বছরের মধ্যে সবনিম্ন লেভেলে নেমে গিয়েছিল। ট্রেজারি বন্ডের দর সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে; লভ্যাংশের হার এক বেসিস পয়েন্ট কমে 4.23% হয়েছে। ডলারের মূল্যের স্থিতিশীলতা ইতিবাচক সংকেত হলেও সার্বিক পরিস্থিতি ভঙ্গুর রয়ে গেছে। মার্কিন সরকারের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য নীতিমালা সংক্রান্ত আসন্ন পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চয়তা মার্কিন ডলারের ওপর চাপ বজায় রেখেছে। উপরন্তু, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অস্থিরতা বিরাজ করছে—ইরানের ওপর মার্কিন হামলার ঘটনা ঘটলে তা যেকোনো মুহূর্তে ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটের ভঙ্গুর ভারসাম্যকে নাড়িয়ে দিতে পারে এবং বিনিয়োগকারীরা আবারও ডলার থেকে মূল্যবান ধাতুতে বিনিয়োগ সরিয়ে নেয়া শুরু করতে পারে।MSCI অল কান্ট্রি ওয়ার্ল্ড ইনডেক্স 0.2% বেড়ে রেকর্ড উচ্চতার আরও কাছাকাছি চলে এসেছে। S&P 500 সূচক রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পরে মার্কিন ইক্যুইটি সূচকের ফিউচারগুলোর নতুন উচ্চতার দিকে মুভমেন্ট অব্যাহত রয়েছে। সফটব্যাংক গ্রুপ কর্পোরেশন জানিয়েছে যে কোম্পানিটি ওপেনএআই-তে অতিরিক্ত $30 বিলিয়ন বিনিয়োগের নিয়ে আলোচনা করছে—এর প্রভাবে নাসডাক 100 সূচকের ফিউচারগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। আজকের ফেডের বৈঠকটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যা থেকে বছরের প্রথম মুদ্রানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে, এবং একই সময়ে বৃহৎ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো তাদের আয়ের প্রতিবেদন প্রকাশ করা শুরু করবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2047201752.jpg[/IMG]
অন্যান্য মার্কেটে, স্বর্ণের দর রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে—প্রতি আউন্স $5,200 ছাড়িয়ে গেছে—ডলারের দরপতনের মধ্যে স্বর্ণের মূল্যের তীব্র ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। বছরের শুরু থেকে এই মূল্যবান ধাতুটির মূল্য প্রায় 20% বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং এই সপ্তাহের শুরুতে এটির দর প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স $5,000 ছাড়িয়েছে। একই সময়ে, রূপার দর 50%-এরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। S&P 500 সূচকের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ক্রেতাদের আজকের প্রধান কাজ হল নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল $7,013 লেভেল ব্রেক করিয়ে সূচকটির দর ঊর্ধ্বমুখী করা। ওই লেভেল অতিক্রম করলে আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত পাওয়া যাবে এবং $7,033-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। ক্রেতাদের জন্য অপরিহার্য কাজ হলো সূচকটির দর $7,049-এর উপরে ধরে রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থান শক্তিশালী করবে। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাসের ফলে নিম্নমুখী মুভমেন্ট দেখা গেলে সূচকটির দর $6,993-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে; এই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সূচকটির দর দ্রুত $6,975-এ নেমে যেতে পারে এবং পরবর্তীতে $6,961-এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4qJxQJE
-
২৯ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/646093957.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বৃহস্পতিবারের অল্প কয়েকটি সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং সেগুলোর মধ্যে কোনোটিই তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। মূলত আমরা কেবল মার্কিন আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করতে পারি— তবে এগুলো স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হয়। গতকালের অনুষ্ঠিত ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠকের ফলাফলের ভিত্তিতে মার্কেটে কিছুটা অস্থিরতা প্রত্যাশিত ছিল, তবে ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী ছিল। তাই ট্রেডাররা সম্ভবত ইতোমধ্যেই এই ইভেন্টটিকে মূল্যায়ন করে ফেলেছে এবং আজ টেকনিক্যাল বিষয় ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন কোনো বক্তব্যের ওপর ভিত্তি ট্রেডিং করা হবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/426701734.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বৃহস্পতিবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের মধ্যে তেমন কিছুই লক্ষণীয় নেই। গতকাল সন্ধ্যায় ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক শেষ হয়েছে, এবং এর ফলাফল ট্রেডারদের জন্য সহজেই পূর্বানুমেয় ছিল। জেরোম পাওয়েল মার্চে সুদের হার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করলেও, তাতে ডলার সহায়তা পায়নি। বৈঠকের ফলাফল ঘোষণার পর পুনরায় মার্কিন মুদ্রার দরপতন শুরু হয় এবং বর্তমানে এটির দর গত ৩–৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেভেল কাছাকাছি রয়েছে। অতএব, আমরা সম্পূর্ণভাবে মেনে নিচ্ছি যে ইউরো ও পাউন্ডের মূল্য আজও বাড়তে পারে—বিশেষ করে যদি ট্রাম্প কাউকে আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেন, ইরানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন, অথবা শুল্ক বাড়ান। ডলার এখন খুবই দুর্বল অবস্থায় রয়েছে; মার্কেটে ডলারের জন্য কোনো দৃঢ় সহায়তা দেখা যাচ্ছে না। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষদিকের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারই মূলত টেকনিক্যাল কারণগুলোর ভিত্তি করে ট্রেড করা হবে। ইউরো আজ 1.1970-1.1988 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3814-1.3833 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। অবশ্যই, প্রতিদিনই ডলারের দরপতন হবে বিষয়টি এমন নয়—মাঝে মাঝে বিরতি, কারেকশন এবং পুলব্যাক দেখা যাবে। তবে ইতোমধ্যেই গতকাল একটি কারেকশন ঘটেছে, এবং আজও ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4a7zoX2
-
৩০ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1150565039.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে সেগুলো কোনোটিই প্রকৃতপক্ষে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। আপাতদৃষ্টিতে জার্মানি বা ইউরোজোনের জিডিপি সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে হতে পারে। তবু আমরা নতুন ট্রেডারদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে মার্কেটে সাধারণত জিডিপি প্রতিবেদনের প্রভাবে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় না। জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদকগুলোকেও আপেক্ষিকভাবে শর্তসাপেক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা যেতে পারে। উপরোক্ত প্রতিবেদন কেবল তখনই ইউরোর বিনিময় মূল্যের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে, যখন প্রকৃত ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় ব্যাপকভাবে ভিন্ন হবে। যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদক মূল্য সূচক প্রকাশিত হবে, যা তুলনামূলকভাবে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2008067526.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে উল্লেখ করার মতো তেমন কিছু নেই। ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক বুধবার রাতে সমাপ্ত হয়েছে এবং এই বৈঠকের ফলাফল ট্রেডারদের জন্য সহজেই পূর্বানুমানযোগ্য ছিল। যদিও জেরোম পাওয়েল মার্চে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাব্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তবুও তা ডলারের পক্ষে কোনো সহায়ক প্রভাব ফেলেনি। বিগত 3–4 বছর ধরে ইউরো ও পাউন্ডের বিপরীতে আমেরিকান মুদ্রার দর সর্বনিম্ন লেভেলের কাছাকাছি রয়েছে। তাই আমাদের পূর্ণ প্রত্যাশা রয়েছে যে শীঘ্রই পুনরায় ইউরো ও পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি শুরু হবে, যদিও করেকশন অব্যাহত থাকাটাও যৌক্তিক পরিস্থিতি হতে পারে। তবুও, যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প কোথাও আক্রমণের নির্দেশ দেন, ইরানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন বা আবার শুল্ক বাড়ান, তাহলে ডলার অবশ্যই প্রতিক্রিয়া দেখাবে। ডলারের অবস্থান এখন অনেকটাই দুর্বল রয়েছে এবং দৃশ্যমান কোনো সমর্থন নেই। উপসংহার: সপ্তাহের শেষ ডিনের ট্রেডিংয়ে প্রধানত টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে উভয় পেয়ারের ট্রেড করা হবে বলে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে। ইউরো আজ 1.1908 থেকে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3741-1.3751 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে। অবশ্যই, প্রতিদিনই ডলারের দরপতন হবে বিষয়টি এমন নয়—বিরতি, করেকশন এবং পুলব্যাক থাকবে। তবে মৌলিক প্রেক্ষাপট যেকোনো মুহূর্তে ডলারের আরেকটি দরপতন ঘটাতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4k7aPxT
-
ফেডের মূল লক্ষ্যের ওপর অটল থাকা উচিত
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1447198931.jpg[/IMG]
বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের তুলনায় ডলারের দর বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কেভিন হ্যাসেট বলেছেন যে ফেডারেল রিজার্ভের ব্যালান্স শিট যতটা সম্ভব কার্যকর রাখার দিকে মনোযোগ দেয়া উচিত। হ্যাসেট দাবি করেছেন যে ফেডকে মূল লক্ষ্যগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে — যার মধ্যে রয়েছে আর্থিক স্থিতিশীলতা সুরক্ষিত রাখা, প্রয়োজনের সময় সুদের হার কমানো এবং বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস করা — এবং তিনি বলেন মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুরনো রীতি-নীতি অনুযায়ী শান্তভাবে এগুলো করা উচিত। তিনি বলেন, মৌলিক বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে পরিমিত ও পূর্বানুমেয় নীতিমালা গ্রহণ করলে ফেডের সিদ্ধান্তগুলোর অতিরিক্ত রাজনৈতিকীকরণ এড়ানো যাবে এবং প্রশাসন বা খাতভিত্তিক স্বার্থের চাপ থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে রক্ষা করা যাবে। হ্যাসেট জোর দিয়ে বলেছেন যে ফেডের যেকোনো পদক্ষেপ মূলত রাজনৈতিক বিবেচনার পরিবর্তে অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে ফলাফল ও পূর্বাভাস দ্বারা বিবেচিত হওয়া উচিত। তিনি বলেছেন সিদ্ধান্তগ্রহণে স্বচ্ছতা ও ধারাবাহিকতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপর আস্থা বাড়াবে এবং নীতিমালার কার্যকারিতা উন্নত করবে। হ্যাসেট নিজেও এক সময় ফেড চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর প্রতিযোগীতায় ছিলেন, কিন্তু শুক্রবার ট্রাম্প বলেছেন যে তিনি কেভিন ওয়ার্শকে ফেডের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করবেন। সাক্ষাৎকারে হ্যাসেট ওয়ারশ সম্পর্কে বলেছেন, "তিনি খুব স্বাধীন ও প্রতিবেদন-নির্ভর ব্যক্তি।" হ্যাসেট আরও বলেন মার্কিন প্রশাসন স্থিতিশীল ও পূর্বানুমেয় অর্থনৈতিক পরিবেশকে প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিতার জন্য অপরিহার্য বলে বিবেচনা করে। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে সুদের হার হ্রাস ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ শুধু লক্ষ্য নয়, মার্কিন নাগরিকদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন ও উন্নত জীবনযাত্রার পূর্বশর্ত।
হ্যাসেট আরও যুক্ত করেছেন যে মার্কিন অর্থনীতিতে সম্ভাব্যভাবে একটি ইতিবাচক সরবরাহ বৃদ্ধি ট্রাম্প প্রশাসনের উৎপাদন বৃদ্ধি ও কর হ্রাসের নীতির ফলাফল হতে পারে। তিনি বলেন এসব ব্যবস্থায় উৎসগুলো মুক্ত হয়ে অর্থনৈতিক দক্ষতা বাড়াতে পারে। EUR/USD‑এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1890 লেভেলে পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করা উচিত। উক্ত লেভেল ব্রেক করা হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1950 লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1980‑এ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও বড় ট্রেডাদের সমর্থন ছাড়া এর ওপরে যাওয়া এই পেয়ারের মূল্যের পক্ষে কঠিন হবে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.2030 লেভেল বিবেচনা করা হচ্ছে। দরপতনের ক্ষেত্রে, এই পেয়ারের মূল্য কেবল 1.1840 এরিয়ার আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। যদি সেখানে কোনো ক্রেতারা সক্রিয় না হন, তবে এই পেয়ারের মূল্য 1.1780‑এ নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1730‑থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।GBP/USD‑এর ক্ষেত্রে, পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ক্রেতাদের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3702-এ নিয়ে যেতে হবে। কেবল তখনই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3738‑এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ কঠিন হবে। দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে প্রায় 1.3784 লেভেল নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে মূল্য 1.3650‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর জন্য বড় ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3618 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, পরবর্তীতে 1.3590‑এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4qWEqNg
-
৩ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1546447318.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের শূন্যপদ সংক্রান্ত JOLTS প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর অংশ। তবে, এই সপ্তাহের আসন্ন দিনগুলোতে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মঙ্গলবার জার্মানি, ইউরোজোন বা যুক্তরাজ্যে কোনো আকর্ষণীয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1348512358.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধি থমাস বারকিনের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। তবে আমরা মনে করি বার্কিনের বক্তব্য কারেন্সি মার্কেটে তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না। গত সপ্তাহেই ফেডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং ইসিবি ও ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডও বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসবে। প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য ট্রেডারদের কাছে ইতোমধ্যেই আছে অথবা শীঘ্রই পাওয়া যাবে। এই সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শ্রম ও বেকারত্ব সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং এই প্রতিবেদনগুলোর প্রকাশের পর ফেডের প্রতিনিধিদের মন্তব্য আসার সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কেটে এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে ফেড সম্ভবত এই বছরের প্রথমার্ধে নতুন করে মুদ্রানীতি নমনীয় করবে না, কিন্তু সবকিছু শ্রমবাজারের পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে। যদি জেরোম পাওয়েলের মূল্যায়ন সঠিক হয়ে থাকে এবং শ্রমবাজার পরিস্থিতির পুনরুদ্ধার হয়, তাহলে নিকট ভবিষ্যতে মুদ্রানীতি নমনীয়করণের প্রয়োজন হবে না। এটাও স্মরণ করা জরুরি যে যেকোনো মুহূর্তে ট্রাম্প ইরানের উপরে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন, যা ট্রেডারদের নজর এড়াবে না।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, দুইটি কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের তুলনামূলকভাবে দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ আজ কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। আজ ইউরো 1.1830-1.1837 লেভেলের মধ্যে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3643-1.3652 এরিয়ার মধ্যে ট্রেড করা যাবে। ফান্ডামেন্ট ইভেন্টগুলো যেকোনো মুহূর্তে আবারও ডলারের মূল্যের বড় ধরনের ওঠানামার দিকে নিয়ে যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3NWoEDm
-
-
মার্কিন বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রকাশনা সরকারিভাবে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2115503905.jpg[/IMG]
মার্কিন ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স জানিয়েছে যে জানুয়ারি মাসের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রকাশনা ১১ ফেব্রুয়ারিতে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদনগুলো মূলত ৬ ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ আগামীকাল প্রকাশের কথা ছিল, কিন্তু আংশিক সরকারি শাটডাউনের কারণে এগুলোর প্রকাশনায় বিলম্ব হতে যাচ্ছে। ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স বুধবার এই পরিবর্তনের ঘোষণা দেয়, ঠিক সেই সময়ের পরে যখন শ্রম বিভাগসহ বেশ কয়েকটি এজেন্সির তহবিল পুনবরাদ্ধ করা হয়। এই প্রতিবেদনগুলোর প্রকাশনা পিছিয়ে দেয়ার ফলে ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে কী প্রভাব পড়বে তা স্পষ্ট নয়, কারণ বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকরা মার্কিন অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রবণতা নির্ধারণে সহায়তা করে। এই প্রতিবেদনগুলো বিলম্বে প্রকাশ করা হলে তা মার্কেটে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে, কারণ বিনিয়োগকারীরা শ্রমবাজার পরিস্থিতি সম্পর্কিত নতুন তথ্য থেকে বঞ্চিত হয়। কিছু বিশ্লেষক ধারণা করছেন যে এই প্রতিবেদনগুলো বিলম্বে প্রকাশিত হলে ইকুইটি ও বন্ড মার্কেটে অস্থিরতা বাড়তে পারে; অন্যান্যরা বলছেন এর প্রভাব সীমিত থাকবে, কারণ মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য বিনিয়োগকারীদের কাছে বিকল্প প্রতিবেদন রয়েছে। মার্কিন লেবার ব্যুরো জানিয়েছে যে জানুয়ারির ভোক্তা মূল্যে সূচক (CPI) প্রতিবেদন ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে, যা মূলত ১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশের কথা ছিল। এই সপ্তাহে মার্কিন ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স কর্তৃক প্রকাশিতব্য অন্যান্য প্রতিবেদনগুলোর প্রকাশনার সময় পুননির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ডিসেম্বরের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও লেবার টার্নওভার এবং কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন রয়েছে। এর কারণ হিসেবে আংশিক শাটডাউনই বিবেচিত হচ্ছে। যদিও শাটডাউন মঙ্গলবার রাতেই শেষ হয়ে যায় যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি ফান্ডিং বিলে স্বাক্ষর করেন, তবুও এর ফলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময়সূচী প্রভাবিত হয়েছে। নিয়মিত মাসিক কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনের পাশাপাশি জানুয়ারির প্রতিবেদনে বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক সংশোধনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ঐ সংশোধনগুলোর মাধ্যমে বার্ষিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার প্রাথমিক প্রতিবেদনের তুলনায় কেমন সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে—এটি ডলারের ওপর ব্যাপভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের প্রকাশনা স্থগিত হয়ে যাওয়ায় এখন পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
EUR/USD‑এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস অনুযায়ী, ক্রেতাদের পুনরায় এই পেয়ারের মূল্যকে 1.183 লেভেলে নিয়ে আসার কথা ভাবা উচিত। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1870 লেভেল টেস্ট করার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1910‑এ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ব্যতীত এই পেয়ারের মূল্যের এই লেভেলের ওপরে অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1950 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। দরপতনের ক্ষেত্রে, সম্ভবত মূল্য 1.1780‑এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে দেখা যাবে। সেখানে ক্রেতারা সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1730‑এ নতুন নিম্ন লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1700 থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। GBP/USD‑এর ক্ষেত্রে, পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3625 লেভেলে নিয়ে যাওয়া উচিত। কেবলমাত্র তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3655-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিয়ে যেতে পারবে; এই লেভেলে ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3690 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3595‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর গুরুতর আঘাত হানবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3565 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখান থেকে পরবর্তীতে প্রায় 1.3540‑এর লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/4bEn03a
-
-
-
১৩ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/687681004.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে চতু্র্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদনের প্রথম আনুমানিক ফলাফল প্রকাশিত হবে, তবে গতকাল মার্কেটে যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রতিবেদনের প্রতি যেরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে সম্ভবত আজকেও অনুরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে। এই প্রতিবেদনটিকে অপ্রাসঙ্গিক বলা যায় না, তবে মার্কেটের ট্রেডাররা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অনেকগুলো সামষ্টিক প্রতিবেদনের ফলাফল উপেক্ষা করেছে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে আগত প্রতিবেদনগুলো। দিনের মূল প্রতিবেদন হিসেবে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন বিবেচিত হচ্ছে, যা জানুয়ারির শ্রমবাজার এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত ইতিবাচক সূচকের পর ফেডের মূল অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফেড প্রধানত মুদ্রাস্ফীতি হারের ওপর ভিত্তি করে মুদ্রানীতি সংক্রান্ত আসন্ন সিদ্ধান্তগুলো নেবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/718412214.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে কেবল ফেডের প্রতিনিধি স্টিফেন মিরানের বক্তবই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দূর্ভাগ্যবশত (বা সৌভাগ্যবশত), মিরানের দৃষ্টিভঙ্গি 100% নির্ভুলভাবে ধারণা করা যায়। মিরান মূলত ফেডের মধ্যে ট্রাম্পের প্রধান প্রতিনিধিত্বকারী, যিনি মূল সুদের হার দ্রুত কমানোর জরুরি প্রয়োজন নিয়ে আলোকপাত করবেন—বিশেষত এখন, যখন (জানুয়ারিতে) শ্রমবাজার পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং আজ মুদ্রাস্ফীতির হার 2.4-2.5% পর্যন্ত মন্থর হতে পারে। তবে ফেডের সিদ্ধান্ত একমাত্র মিরানের ওপর নির্ভর করে না, কারণ ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বেশিরভাগ সদস্য মুদ্রানীতি ব্যাপারে তুলনামূলকভাবে হকিশ বা কঠোর দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করেন। অতএব, মিরানের বক্তব্য ট্রেডারদের জন্য কার্যত ততটা প্রাসঙ্গিক হবে না।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে, অন্তত মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত, উভয় কারেন্সি পেয়ারই শান্তভাবে ট্রেড করা হতে পারে। আজ ইউরো 1.1899-1.1908 বা 1.1830-1.1837 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3643-1.3652 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো দৃঢ় ভিত্তি দেখছি না, তবে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কেটে প্রতিক্রিয়া উস্কে দিতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4crx8fO
-
-
১৭ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/190030385.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবু এর মধ্যে অল্প কয়েকটিই গুরুত্বপূর্ণ ও আকর্ষণীয়। আমাদের যুক্তরাজ্যে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদন থেকে শুরু করা উচিত, কারণ সেগুলোই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আজ যুক্তরাজ্যে বেকারত্ব, বেকারভাতার আবেদন ও মজুরি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আমাদের মতে, এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল সম্ভবত মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে না। আজকের অন্যান্য প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনগুলোর (ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রে) প্রভাবেও মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির সম্ভাবনা কম। উদাহরণস্বরূপ, জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে এটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রাথমিক অনুমান যা ট্রেডাররা সাধারণত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেন না। ইউরোপে ZEW ইনস্টিটিউট থেকে অর্থনৈতিক মনোভাব সংক্রান্ত সূচকগুলোর ফলাফল আরও বেশি আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ADP প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, কিন্তু ট্রেডাররা সাধারণত মাসিক প্রতিবেদন ও নন-ফার্ম পে-রোল প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/436977835.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের কয়েকটি বক্তব্য উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার, বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফেড সদস্যদের বক্তব্যে নীতিগত অবস্থানের পরিবর্তন প্রতিফলিত হতে পারে। আমরা মনে করি যে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির হার ২%-এর কাছাকাছি পৌছালে ফেড 'ডোভিশ' বা নীতিগতভাবে নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করতে পারে। ফেড সদস্যগণ নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত দিলে সেটি মার্কেটে মার্কিন ডলার বিক্রি করার আরেকটি কারণ হিসেবে কাজ করবে। ইসিবির ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে মুদ্রাস্ফীতির হার 1.7%-এ নেমে এসেছে। যদি এই ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতি অব্যাহতভাবে কমতে থাকে, তাহলে ইসিবিকে নতুন করে আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করতে বাধ্য হতে পারে, যদিও ক্রিস্টিন লাগার্ডে বর্তমানে এমন একটি পরিস্থিতি এড়ানোর চেষ্টা করছেন।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের খুবই শান্তভাবে ট্রেডিং দেখা যেতে পারে, কারণ আজ উল্লেখযোগ্য ইভেন্টের সংখ্যা বেশ কম। ইউরো 1.1830-1.1831 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3643-1.3652 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে (গতকাল এখানে একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল)। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি দেখতে পাচ্ছি না। আজ আবারও মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4qJ6EtX
-
১৮ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/486125258.jpg[/IMG]
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথমত, যুক্তরাজ্যের ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) বেশ উল্লেখযোগ্য — প্রত্যাশা করা হচ্ছে ব্রিটেনের মুদ্রাস্ফীতির 3%-এ নেমে আসবে, যা পরবর্তী বৈঠকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডকে মূল সুদের হার হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিতে প্ররোচিত করতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই, এটি ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য নেতিবাচক সংবাদ। মুদ্রাস্ফীতির হার যত কম হবে, ব্রিটিশ মুদ্রার সম্ভাব্য দরপতনের মাত্রা তত বেশি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রে বিল্ডিং পারমিট, হাউজিং স্টার্টস, শিল্প উৎপাদন এবং ডিউরেবল গুডস অর্ডস সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হবে — এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল বিকেলের দিকে ট্রেডারদের সেন্টিমেন্টের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1302504677.jpg[/IMG]
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা ইসাবেল স্নাবেল ও ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধি মিশেল বোম্যানের বক্তব্যের ওপর দৃষ্টি দেয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার, বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফেডের সদস্যদের অবস্থানের পরিবর্তন ঘটার প্রত্যাশা করা যায়। আমরা মনে করি, যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি 2%-এর দিকে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফেডের অবস্থান আরও 'ডোভিশ বা নমনীয়' হতে পারে। ফেডের সদস্যের বক্তব্যে নমনীয় অবস্থান প্রতিফলিত হলে মার্কেটে মার্কিন ডলার বিক্রি করার জন্য আরেকটি কারণ হিসেবে কাজ করবে। ইসিবির ক্ষেত্রে, ইউরোজোনের সর্বশেষ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনে সূচকটির হার 1.7%-এ নেমে এসে মন্থরতার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। যদি মুদ্রাস্ফীতির হ্রাস অব্যাহত থাকে, তাহলে ইসিবি নতুন করে মুদ্রানীতি নমনীয় করতে বাধ্য হবে, যদিও বর্তমানে ক্রিস্টিন লাগার্ডে এমন পরিস্থিতি এড়ানোর চেষ্টা করছেন। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারেরই খুবই দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ আজ উল্লেখযোগ্য ইভেন্টের সংখ্যা বেশ কম। ইউরো 1.1830-1.1831 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3643-1.3652 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে (গতকাল এখানে একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল)। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি দেখতে পাচ্ছি না। আজ আবারও মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4ro8a5F
-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1527686387.jpg[/IMG]
ক্রিপ্টো যুদ্ধে আমেরিকা চীনকে পরাস্ত করতে চায়
অক্টোবর থেকেই বিটকয়েন 50%-এরও বেশি দরপতনের শিকার হয়েছে এবং সামগ্রিকভাবে বিটকয়েনের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরুদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা দুর্বল। 4-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে মাঝে মাঝে কয়েকটি "বুলিশ" প্যাটার্ন দেখা গেলেও বিটকয়েনের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট বেশ দুর্বল ছিল ও সেগুলোকে কেবল কারেকশন হিসেবে বিবেচনা করা যায়। আমাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, নিম্নমুখী প্রবণতা অক্ষুন্ন থাকায় এই কারেকশন দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল হতে পারে। সুতরাং আমরা প্রত্যাশা করছি বিটকয়েনের মূল্য পুনরায় $57,500-এর দিকে এবং তারও নিচে নামতে শুরু করবে। এদিকে বিশ্লেষকরা জোর দিয়ে বলছেন যে ক্রিপ্টো খাত নিয়ে মার্কিন-চীনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশ জোরালো হচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেন যে চীনের থেকে কৌশলগতভাবে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে আমেরিকা বিটকয়েন ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে। ভ্যান্স স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, "চীন বিটকয়েন পছন্দ করে না, কিন্তু আমরা করি।" এই বিবৃতির আলোকে ধরা যায় যে মার্কিন আইনসভা ক্রিপ্টো-বান্ধব হয়ে উঠবে এবং ওয়াশিংটন ক্রিপ্টো ক্ষেত্রটিকে প্রতিদ্বন্দ্বীর ওপর নিজেদের আধিপত্য জোরদার করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে দেখছে। আপনি হয়তো জানেন যে খুব বেশিদিন হয়নি যখন বেইজিং সমস্ত ক্রিপ্টো লেনদেন, মাইনিং এবং ক্রিপ্টো ইন্সট্রুমেন্ট ও প্রতিষ্ঠানে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দিয়েছিল। চীন মনে করে যে সকল আর্থিক প্রবাহ সরকারি নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত এবং তারা ত্বরান্বিতভাবে রাষ্ট্রীয় ডিজিটাল কারেন্সির প্রচারণা চালাচ্ছে করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি উল্টো — দেশটি ক্রিপ্টো ট্রেডিংকে সমর্থন, ক্রিপ্টো মার্কেটকে বৈধতা প্রদান এবং ব্যাপক মূলধন প্রবাহের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। তাত্ত্বিকভাবে, মার্কিন ক্রিপ্টো নিয়মনীতি যতই নমনীয় হবে ততই বিটকয়েনের দিকে আর্থিক প্রবাহ যাবে। প্রশ্নটা রয়ে যায়—বিটকয়েনের মূল্যের সর্বোচ্চ সীমা কোথায়। আপনি যদি মাইক্রস্ট্র্যাটে ি না হয়ে থাকেন, তাহলে সম্ভবত সারাবিশ্বের প্রতিটি বিটকয়েন কেনার চেষ্টা করছেন না। বাস্তবে বিনিয়োগকারীদের কতটা বিটকয়েনের প্রয়োজন? তারা কি সব 21 মিলিয়ন কয়েনই কিনে নিতে চায়?
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1149492249.jpg[/IMG]
BTC/USD‑এর ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: বিটকয়েনের মূল্যের পূর্ণাঙ্গ নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। আমরা এখনও $57,500-এর দিকে দরপতনের প্রত্যাশা করছি (যা তিনবছরের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে 61.8% ফিবোনাচ্চি রিট্রেসমেন্ট লেভেল), এবং বর্তমানে প্রবণতা পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এমনকি $57,500 লেভেলও দরপতনের আর চূড়ান্ত মাত্রা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। দৈনিক টাইমফ্রেমে সর্বশেষ বিয়ারিশ FVG শর্ট পজিশনের পয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট হলেও তা বর্তমানে মূল্যের বেশ উপরে আছে। 4-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে তিনটি বিয়ারিশ FVG দেখা যাচ্ছে; তবে এগুলো পূর্ববর্তী প্রবণতা অংশ এবং স্বতন্ত্রভাবে প্রবণতা পুনরুদ্ধারের সূচনা করবে বলে সম্ভাবনা কম।
ETH/USD‑এর ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: দৈনিক টাইমফ্রেমে ইথেরিয়ামের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত আছে। মূল সেল প্যাটার্ন হিসেবে সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে থাকা বিয়ারিশ অর্ডার ব্লকই প্রাধান্য বজায় রাখছে। পূর্বের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে যে ওই সিগন্যাল দ্বারা সৃষ্ট মুভমেন্ট শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। ঐ প্যাটার্ন গঠিত হওয়ার পর থেকে ইথেরিয়ামের মূল্য ইতোমধ্যেই প্রায় 55% (~$2,500) হ্রাস পেয়েছে। নিকটমেয়াদে করেকটিভ বাউন্সের সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় উর্ধ্বমুখী মুভমেন্টগুলো 4-ঘণ্টার টাইমফ্রেমের বুলিশ প্যাটার্ন দিয়ে ট্রেড করা যেতে পারে, তবে আমরা করেকশনের পিছনে ছোটার পরামর্শ দেব না। মধ্যমেয়াদে আমরা আশা করছি দৈনিক টাইমফ্রেমের বিয়ারিশ প্যাটার্নগুলো কার্যকর হবে এবং পুনরায় নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হবে। ইথেরিয়ামের প্রায় $1,400 পর্যন্ত বিস্তৃত দরপতনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
Read more: https://ifxpr.com/3ZJS36A
-
-
-
-
-
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/519177707.jpg[/IMG]
বিটকয়েনের মূল্য কি বটম লেভেলে পৌঁছেছে
গত বছরের অক্টোবর থেকে বিটকয়েন 50%-এরও বেশি দরপতনের শিকার হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত পুনরুদ্ধারের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এই নিম্ন লেভেলের আশেপাশেও 4-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে একটি সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট গঠিত হয়েছে। আমরা মনে করি চলমান কারেকশন বেশ সময়সাপেক্ষ ও জটিল হতে পারে, তবুও নিম্নমুখী প্রবণতা অক্ষুন্ন থাকবে। সুতরাং, আমরা প্রত্যাশা করছি যে বিটকয়েনের দরপতন অব্যাহত এবং $57,500-এর লক্ষ্যমাত্রা ও তারও নিচে দরপতন অব্যাহত থাকবে। K33-এর বিশ্লেষকরা বিটকয়েনের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির বিষয়ে তাদের মতামত প্রদান করেছেন। বিশেষ করে ভেটেল লুন্ড ইঙ্গিত দিয়েছেন যে বর্তমানে বিটকয়েনের মূল্যের 'বিয়ারিশ' প্রবণতা শেষ পর্যায়ে থাকতে পারে, এবং বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্রটি 2022 সালের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। উল্লেখ্য যে সেসময় বিটকয়েনের মূল্য প্রায় $15,000 এরিয়ায় অবস্থান করছিল, দীর্ঘ সময় কনসোলিডেশনের মধ্যে থেকে পরে একটি দীর্ঘস্থায়ী নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি নিশ্চিতভাবেই 2022 সালের কথা মনে করিয়ে দেয়; তবে শুধুমাত্র এই প্যাটার্নের ওপর ভিত্তি করে দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। 2021-2022-এর মধ্যে, একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সম্পন্ন হওয়ার পর বিটকয়েন প্রায় 80% দরপতনের শিকার হয়েছিল; এখন এটির মূল্য "শুধুমাত্র" 50% হ্রাস পেয়েছে—এটাই মূল পার্থক্য। 2021-2022-এর পুরো 'বিয়ারিশ' প্রবণতা প্রায় এক বছর স্থায়ী ছিল; এখন কেবল 5 মাস হয়েছে। 2022 সালের সেপ্টেম্বরে-অক্টোবরে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির হার সর্বোচ্চ স্তর থেকে কমতে শুরু করলে মার্কেটের ট্রেডাররা ফেড কর্তৃক আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণের প্রত্যাশা করছিল। তখন মার্কিন ডলার ইউরো, পাউন্ড ও অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে দরপতনের শিকার হতে শুরু করে, যা চার্টেও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান ছিল। অতএব 2022-এও বিটকয়েনের মূল্যের একটি নতুন 'বুলিশ' প্রবণতা শুরু হবে কিনা তা বেশ তর্কসাপেক্ষ ছিল। এবারও কী তেমন কোনো কারণ আছে—বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের অনবরত আকাশচুম্বী মূল্য বৃদ্ধির পূর্বাভাস ছাড়া? এটাই তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য। লুন্ড আরও উল্লেখ করেছেন যে বিটকয়েন ও এটির ডেরিভেটিভ প্রোডাক্টগুলোতে স্পেকুলেটিভ ট্রেডারদের চাপ ধীরে ধীরে দূর হচ্ছে, অর্থাৎ "দৈনিক ভিত্তিতে ট্রেড করা ট্রেডাররা" মার্কেট থেকে চলে যাচ্ছে। কেবল দীর্ঘমেয়াদি ও বড় বিনিয়োগকারীরাই বিটকয়েন ধরে রেখেছে। এই বক্তব্যটিও বিতর্কিত, কারণ সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বড় বড় ফান্ড ও এমনকি এক্সচেঞ্জগুলোতেও ব্যাপকভাবে বিটকয়েন বিক্রির প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। শুধুমাত্র মাইক্রোস্ট্র্যাট জিই বিটকয়েন ধরে রেখেছে—তাঁরা বিটকয়েন বিক্রি করলে তাদের স্টকের মূল্যে ধস নামবে এবং মাইকেল সেইলরের ব্যবসায়িক মডেলের ওপর আস্থা সম্পূর্ণভাবে ক্ষুণ্ণ হয়ে যাবে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1094153782.jpg[/IMG]
BTC/USD‑এর ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: বিটকয়েনের মূল্যের পূর্ণাঙ্গ নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। আমরা এখনও $57,500-এর দিকে দরপতনের প্রত্যাশা করছি (যা তিনবছরের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে 61.8% ফিবোনাচ্চি রিট্রেসমেন্ট লেভেল), এবং বর্তমানে প্রবণতা পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এমনকি $57,500 লেভেলও দরপতনের আর চূড়ান্ত মাত্রা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। দৈনিক টাইমফ্রেমে পয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট সেলিং এরিয়াগুলোর মধ্যে সর্বশেষ 'বিয়ারিশ' FVG লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা বিটকয়েনের বর্তমান মূল্যের তুলনায় এখনও বেশ উপরে অবস্থিত। 4-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে তিনটি অমীমাংসিত বিয়ারিশ FVG আছে; তবে এই প্যাটার্নগুলো পূর্বের মুভমেন্টের সময় গঠিত হয়েছিল এবং বর্তমান মূল্যের অনেক উপরে অবস্থান করছে—তাই শুধুমাত্র এগুলোর উপর নির্ভর করে প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে বলে মনে হয় না।
ETH/USD‑এর ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: দৈনিক টাইমফ্রেমে ইথেরিয়ামের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত আছে। মূল সেল প্যাটার্ন হিসেবে সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে থাকা বিয়ারিশ অর্ডার ব্লকই প্রাধান্য বজায় রাখছে। আমরা সতর্ক করে বলেছি যে ওই সিগন্যাল দ্বারা সৃষ্ট মুভমেন্ট শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। ঐ প্যাটার্ন গঠিত হওয়ার পর থেকে ইথেরিয়ামের মূল্য ইতোমধ্যেই প্রায় 55% বা $2,500 হ্রাস পেয়েছে। স্বল্পমেয়াদে একটি কারেকশনের অংশ হিসেবে বাউন্সের সম্ভাবনা রয়েছে; তবে ইথেরিয়ামের মূল্য এখন একটি যথেষ্ট সংকীর্ণ সাইডওয়েজ চ্যানেলে অবস্থান করছে। স্বল্পমেয়াদে—বি কয়েনের মতোই—ইথেরিয়ামের ক্ষেত্রেও শুধুমাত্র 4-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে সাইডওয়েজ চ্যানেলের বাউন্ডারিতে হওয়া ডেভিয়েশনের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করা উচিত।
Read more: https://ifxpr.com/3MH0nB3
-
নতুন মার্কিন শুল্কের প্রভাবে হঠাৎ করে বিটকয়েনের দরপতন
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1624356307.jpg[/IMG]
উচ্চমাত্রার অস্থিরতাসম্পন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেট আজ আরেকবার ধসের সম্মুখীন হয়েছে। বিটকয়েনের মূল্য কয়েক হাজার ডলার কমে $68,000 থেকে $64,200 পর্যন্ত নেমে যায়। ইথেরিয়ামও এই ধস থেকে রক্ষা পায়নি এবং এটির মূল্য $1,845 লেভেলে নেমে যায়। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের একটি নতুন ও অত্যন্ত কঠোর বিবৃতির কারণেই ক্রিপ্টো মার্কেটে এইরূপ তীব্র দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের শুল্ক সংক্রান্ত সাম্প্রতিক রায়ের "বিস্তৃত, বিস্তারিত ও পূর্ণ পর্যালোচনা" সম্পন্ন করার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প তৎক্ষণাৎ বৈশ্বিক পর্যায়ে বৈধ সীমার সর্বোচ্চ স্তর 15% শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী যেসব দেশ উল্লিখিত সময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে "শোষণ" করেছে তাদের লক্ষ্যবস্তু করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বার্তাটি স্পষ্ট: বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্পর্ক আরও আক্রমণাত্মক পর্যায়ে প্রবেশ করছে। স্টক মার্কেট হোক কিংবা ক্রিপ্টো মার্কেট—সবখানেই বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকেতগুলোর প্রতি সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এ ধরনের বিবৃতি মার্কেটে অনিশ্চয়তা তৈরি করে এবং ভবিষ্যৎ বাণিজ্য যুদ্ধ, পাল্টা পদক্ষেপ ও বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর সামগ্রিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি। বিনিয়োগকারীরা এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই ঝুঁকি হ্রাসের চেষ্টা করে ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলো থেকে — যেগুলোর মধ্যে ক্রিপ্টোকারেন্সি রয়েছে — দ্রুত বিনিয়োগ সরিয়ে নিয়ে থাকে। তার ওপর ট্রাম্প জোর দিয়ে উল্লেখ করেছেন যে এটি এককালীন পদক্ষেপ হবে না: মার্কিন প্রশাসন আগামি মাসগুলোতে আইনি ভিত্তিতে নতুন শুল্ক প্রবর্তনের পরিকল্পনা করছে। সুতরাং এই ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে। শুল্ক নীতির আরও কঠোর হওয়ার সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী উদ্বেগ সৃষ্টি করছে, তাদেরকে পোর্টফোলিও পুনর্মূল্যায়ন করে নিরাপদ বিনিয়োগস্থল খুঁজতে উৎসাহিত করছে। "মেক আমেরিকা গ্রেটঁ এগেইন — গ্রেটার দ্যান এভার বিফোর" স্লোগানটি মার্কিন সুরক্ষাবাদী নীতির প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সমর্থকরা এটিকে জাতীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করার উদ্যোগ হিসেবে দেখতে পারে; কিন্তু বিশ্ববাজারে এর অর্থ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পতন, ব্যয় বৃদ্ধির ঝুঁকি এবং এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর — যার মধ্যে বিটকয়েন ও ইথেরিয়ামও রয়েছে — মূল্যের কারেকশনের সম্ভাবনা রয়েছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/213767349.jpg[/IMG]
ট্রেডিংয়ের পরামর্শ বিটকয়েন বিটকয়েনের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতারা বর্তমানে এটির মূল্যকে $66,400-এ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যা সরাসরি $68,900-এর দিকে পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত করে দেবে, এরপর $70,600-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে বিটকয়েনের মূল্যের প্রায় $71,100-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা নির্ধারণ করা যায়; যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি মার্কেটে বুলিশ প্রবণতা পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হবে। দরপতনের ক্ষেত্রে, বিটকয়েনের মূল্য $64,400-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মূল্য ওই এরিয়ার নিচে নেমে গেলে বিটকয়েনের মূল্য দ্রুত $62,600-এর দিকে নেমে যেতে পারে। পরবর্তীতে প্রায় $60,100 পর্যন্ত দরপতন হতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1412155197.jpg[/IMG]
ইথেরিয়াম ইথেরিয়ামের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, এটির মূল্য $1,907-এর উপরে স্পষ্টভাবে অবস্থান গ্রহণ করলে $1,998-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে $2,078-এর লেভেল নির্ধারণ করা যায়; যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে মার্কেটে বুলিশ প্রবণতা শক্তিশালী হবে এবং ক্রেতাদের আগ্রহ পুনরুজ্জীবিত হবে। দরপতনের ক্ষেত্রে, মূল্য $1,819-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা করা যায়। ইথেরিয়ামের মূল্য ওই এরিয়ার নিচে নেমে গেলে দ্রুত এটির মূল্য $1,724-এর দিকে নেমে যেতে পারে। পরবর্তীতে প্রায় $1,563 পর্যন্ত দরপতনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। চার্টে যা যা দেখা যাচ্ছে: লাল লাইন সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল নির্দেশ করে, যেখানে মূল্যের মুভমেন্ট থেমে যেতে পারে অথবা সক্রিয় মুভমেন্ট শুরু হতে পারে; সবুজ লাইন ৫০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে; নীল লাইন ১০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে; হালকা সবুজ লাইন ২০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে। সাধারণত, অ্যাসেটের মূল্য এই মুভিং অ্যাভারেজগুলো অতিক্রম করলে বা পৌঁছালে মার্কেটের বর্তমান মোমেন্টাম থেমে যেতে পারে অথবা নতুন প্রবণতার সূচনা হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4rMYn9O
-
-
মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ৩ ,মার্চ: S&P 500 এবং নাসডাক সূচকে মিশ্র প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/813539933.jpg[/IMG]
গতকাল মার্কিন স্টক সূচকগুলোতে মিশ্র প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে। S&P 500 সূচক 0.04% বৃদ্ধি পেয়েছে, নাসডাক 100 সূচক 0.36% বৃদ্ধি পেয়েছে, আর ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক 0.15% হ্রাস পেয়েছে। এশিয়ান সেশনে ফিউচার্স সূচকের উপর চাপ ফিরে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার তীব্রতা বাড়ার ফলে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি গ্রহণ করা বিরত রয়েছে, যার ফলে এশিয়ার ইকুইটি সূচকগুলো দ্বিতীয় দিনের মতো দরপতনের শিকার হয়েছে, যা মার্কিন ও ইউরোপীয় স্টক সূচকের ফিউচার্সকে নিম্নমুখী করেছে। MSCI এশিয়া প্যাসিফিক ইনডেক্স প্রায় 2% হ্রাস পেয়েছে এবং ইরানের উপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর 11 মাসের মধ্যে সবচেয়ে নেতিবাচক প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। উৎসবের পর স্টক মার্কেটে লেনদেন শুরু হওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়া সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—কস্পি সূচক 5%-এরও বেশি দরপতনের শিকার হয়েছে। ভ্যান্টেজ পয়েন্ট অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের মতে, বিনিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে ইরানকে নিয়ে উদ্বেগ কম, বরং এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়ে বিশ্বব্যাপী স্টক মার্কেটগুলোতে সমন্বিত ধস সৃষ্টি করবে কি না তা নিয়েই বেশি আশংকা করা হচ্ছে। সংস্থাটি আরও উল্লেখ করেছে যে বিনিয়োগকারী ধারণা করছিল সংঘর্ষটি অপেক্ষাকৃত স্বল্পমেয়াদি হবে, কিন্তু এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবে নাও পরিণত হতে পারে। মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র "যতদিন প্রয়োজন ততদিন" পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে এবং তিনি চারটি উদ্দেশ্য উপস্থাপন করেছেন যা তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী তেহরানের হুমকি হ্রাস করবে। এই মন্তব্যগুলো দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের আশংকা সৃষ্টি করেছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর উপর চাপ সৃষ্টি করছে। উত্তেজনা বৃদ্ধির আরও একটি সংকেত হিসেবে ইরান পাল্টা হামলার মাত্রা আরও তীব্র করেছে—রিয়াদে মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধের হুমকি রয়েছে—যা তেল ও গ্যাস পরিবহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দর 7%-এরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেল প্রতি $79-এ পৌঁছেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাত নিয়ে আশংকার কারণে সৃষ্ট অস্থিরতার পর চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বিনিয়োগকারী প্রমিসিং মার্কেট ও প্রযুক্তি খাতভুক্ত স্টক বিক্রি করে লাভ নিশ্চিত করতে বাধ্য করছে। বড় চিপ ও হার্ডওয়্যার কোম্পানিগুলো—যেম স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স, এসকে হাইনিক্স, এবং টিএসএমসি—আঞ্চলিক ইনডেক্সে দরপতনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। তবুও দক্ষিণ কোরিয়ার কস্পি ও তাইওয়ানের তাইএক্স সূচকে এই বছর সবচেয়ে বেশি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গিয়েছে, যা যথাক্রমে বছরের শুরু থেকে প্রায় 42% ও 20% বৃদ্ধি। যদি হরমুজ প্রণালীতে পণ্য পরিবহন সংকট স্থায়ী হয়, তাহলে রেকর্ড উচ্চস্তরে থাকা এশিয়ার স্টক মার্কেট সূচকগুলো আরও চাপের সম্মুখীন হতে পারে। সরবরাহ বিঘ্নতা দ্রুত উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে তুলতে পারে, কর্পোরেট মুনাফা হ্রাস করতে পারে, মুদ্রাস্ফীতি বাড়াতে পারে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর দরপতন ঘটাতে পারে—ফলে মার্কিন এক্সচেঞ্জগুলোতেও বিক্রির প্রবণতা শুরু হতে পারে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/364366390.jpg[/IMG]
S&P 500-এর টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য এবং সূচকটির মূল্যকে $6,837-এর দিকে নিয়ে যেতে হলে ক্রেতাদের নিকটতম রেজিস্টেন্স লেভেল $6,819 অতিক্রম করাতে হবে। সূচকটির দর $6,854-এ পৌছাতে পারলে বুলিশ প্রবণতা আরও শক্তিশালী হবে। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, সূচকটির দর প্রায় $6,801-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়া উচিত। সেই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে ইন্সট্রুমেন্টটির দর দ্রুত $6,784-এ নামতে পারে এবং $6,769-এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/4skpKrm
-