আয় করুন
$50000
বন্ধুদের আমন্ত্রণ করার জন্য
ইন্সটাফরেক্স থেকে স্টার্টআপ
বোনাস নিন
কোন বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই!
কোনো বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি
ছাড়াই ট্রেডিং শুরু করতে
গ্রহণ করুন নতুন স্টার্টআপ
বোনাস $1000
বোনাস নিন
৫৫%
ইন্সটাফরেক্স থেকে
প্রতিবার অর্থ জমাদানে
+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
পৃষ্ঠা 10 of 10 প্রথমপ্রথম ... 8910
ফলাফল দেখাচ্ছে 91 হইতে 99 সর্বমোট 99

প্রসংগ: চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্টের ট্রেড ওয়ার!!!

  1. #91 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Tofazzal Mia's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Feb 2018
    মন্তব্য
    500
    অর্জিত পেমেন্টস
    508.88 USD
    ধন্যবাদ
    542
    189 টি পোস্টের জন্য 1,152 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0
    প্রায় দুই বছর ধরে চলা বাণিজ্য বিরোধ শেষে আগামী বুধবার প্রথম ধাপের বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কী থাকছে গত ১৩ ডিসেম্বর ঘোষিত বাণিজ্য চুক্তিতে, চলুন দেখা যাক:
    যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের কর্মকর্তারা বলছেন, চুক্তিতে মেধাস্বত্ব, খাদ্য ও কৃষিপণ্য, আর্থিক সেবা ও বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন, বিরোধ নিষ্পত্তির উপায় নির্ধারণ ইত্যাদি থাকছে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লাইটহাইজার বলেন, এ চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, উভয়পক্ষ যেন বিরোধ নিষ্পত্তির একটি দ্রুত ও কার্যকর উপায় বের করতে পারে, সে বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো। চুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে কৃষি। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য রফতানিতে চীন ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার। কিন্তু বিরোধ শুরু হওয়ার পর চীনের অবস্থান পঞ্চম স্থানে চলে এসেছে। ওয়াশিংটন বলছে, প্রাথমিক পর্যায়ের চুক্তিতে আগামী দুই বছরে ২০১৭ সালের তুলনায় ২০ হাজার কোটি ডলারের বেশি মূল্যের মার্কিন পণ্য আমদানিতে রাজি হয়েছে বেইজিং। এতে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার কোটি ডলারের কৃষিপণ্য থাকছে বলে জানান তারা। তবে এটা বার্ষিক নাকি দুই বছরে হবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। চীনা কর্তৃপক্ষ চুক্তির এ শর্তগুলোর কোনোটিই নিশ্চিত করেনি বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

    এদিকে মার্কিন কৃষকরা ওই পরিমাণ কৃষিপণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম হবেন কিনা তা নিয়ে গত শুক্রবার সন্দেহ পোষণ করেন স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চুক্তির শর্ত সত্যি হলে ২০১২ সালে চীন সর্বোচ্চ পরিমাণ যে কৃষিপণ্য আমদানি করেছিল, তার দ্বিগুণ আমদানি করতে হবে। বাণিজ্য বিরোধ শুরুর আগে ২০১৭ সালে চীনে ১ হাজার ৯৫০ কোটি ডলারের কৃষিপণ্য আমদানি করেছিলেন আমেরিকান কৃষকরা। মার্কিন শুল্কের বিপরীতে চীনের শাস্তিমূলক শুল্কে ২০১৮ সালে কৃষিপণ্য রফতানি ৯০০ কোটি ডলারেরও বেশি হ্রাস পায়। চীনের উপকৃষিমন্ত্রী হান জুন বলেন, আংশিক এ চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রেও চীনের কৃষিপণ্য রফতানি বাড়বে, বিশেষ করে কুকড পোলট্রি, নাশপাতি ও খেজুর। চুক্তির বিভিন্ন শর্ত যে বেইজিংয়ের জন্যও ইতিবাচক, এ বিষয়টি স্বীকার করে জুন বলেন, গত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এই প্রথম উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হলো।
    প্রাথমিক পর্যায়ের চুক্তির অংশ হিসেবে ১৬ হাজার কোটি ডলারের চীনা পণ্যে গতকাল যে ১৫ শতাংশ শুল্কারোপের কথা ছিল, তা বাতিল করছেন ট্রাম্প। সেলফোন ও কম্পিউটারের মতো ইলেকট্রনিকস পণ্যে ওই অতিরিক্ত শুল্কারোপ হলে মার্কিন ভোক্তাদের জন্যই কষ্টকর হতো।
    এছাড়া বড় ছাড়ের অংশ হিসেবে গত ১ সেপ্টেম্বর ১২ হাজার কোটি ডলারের পণ্যে আরোপিত ১৫ শতাংশ শুল্ক অর্ধেক কমানো হচ্ছে। চীনা কর্মকর্তারা যদিও বলছেন, ধাপে ধাপে অন্যান্য শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে; তবে ওয়াশিংটন বলছে, প্রথম দফায় আরোপিত ২৫ হাজার কোটি ডলারের পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক বহাল থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য আমদানিতে বহাল শুল্ক প্রত্যাহার করবে কিনা, তা স্পষ্ট করে বলেননি চীনের উপ-অর্থমন্ত্রী লিয়াও মিন। ১৬ ক্যাটাগরির মার্কিন পণ্যে গত সেপ্টেম্বরে শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিল বেইজিং।
    বুধবার বিশ্বের শীর্ষ দুই অর্থনীতি প্রাথমিক পর্যায়ের বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও চীনের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো ততটা আশাবাদী নয়।
    ফের বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কায় তারা আপত্কালীন পরিকল্পনা নিয়ে রেখেছে বলে জানা গেছে। স্বাক্ষরের পরও চুক্তিটি ভেস্তে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে চীনের ম্যানুফ্যাকচারার ও সাপ্লায়ারদের মধ্যে। এজন্য তারা চুক্তির ইতিবাচক দিকের ভরসায় না থেকে সম্ভাব্য খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং বিদেশে নতুন বাজার খুঁজছে

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


  2. আপনার ধন্যবাদ সরিয়ে ফেলুন

    নিম্নলিখিত 2 সদস্য দরকারী পোস্টের জন্য Tofazzal Mia কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    Unregistered (2 )

  3. <a href="https://www.instaforex.com/">InstaForex</a>
  4. #92 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Montu Zaman's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Feb 2018
    মন্তব্য
    736
    অর্জিত পেমেন্টস
    1,046.51 USD
    ধন্যবাদ
    670
    262 টি পোস্টের জন্য 1,096 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0
    দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা বাণিজ্যযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ২৯ হাজার ৬০০ কোটি ডলার, গত বছর ওয়াশিংটনের সঙ্গে বেইজিংয়ের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত আগের বছরের তুলনায় সাড়ে ৮ শতাংশ কমে ২৯ হাজার ৫৮০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে চীনের শুল্ক প্রশাসনের পরিসংখ্যানে। পরস্পরের পণ্যে পাল্টাপাল্টি শুল্কারোপের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত কমেছে। এদিকে বৈদ্যুতিক পণ্যসহ আরো কিছু চীনা পণ্যে গত মাসে শুল্কারোপ কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছিল ওয়াশিংটন। তবে প্রথম পর্যায়ের বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনায় তা থেকে বিরত থাকে ট্রাম্প প্রশাসন। এছাড়া চীনা পণ্যে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া শুল্কারোপ পূর্ব ঘোষণার চেয়ে অর্ধেকে নামিয়ে এনে ১২ হাজার কোটি ডলারে নির্ধারণ করে ওয়াশিংটন। তবে ২৫ শতাংশ হারে ২৫ হাজার কোটি ডলারের চীনা পণ্যে শুল্কারোপ এখনো বজায় রয়েছে। অন্যদিকে বাণিজ্যযুদ্ধ দেশটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও যেসব কারখানা প্রধানত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা করে, সেগুলো কিছুটা চাপে পড়েছে বলেও জানান সিয়ু। তিনি বলেন, বাণিজ্যযুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের রফতানি কমলেও নতুন বাজার খুঁজে পেতে আমাদের উদ্যোক্তারা যে সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, তা গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের বাজারে চীনের রফতানি বেড়েছে এবং সার্বিক রফতানি এখনো ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে বলে জানান তিনি।

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


  5. আপনার ধন্যবাদ সরিয়ে ফেলুন

    নিম্নলিখিত 2 সদস্য দরকারী পোস্টের জন্য Montu Zaman কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    Unregistered (2 )

  6. #93 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Tofazzal Mia's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Feb 2018
    মন্তব্য
    500
    অর্জিত পেমেন্টস
    508.88 USD
    ধন্যবাদ
    542
    189 টি পোস্টের জন্য 1,152 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0
    দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে চলা বাণিজ্য যুদ্ধের অবসানে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে আমেরিকা ও চীন, কিন্তু এর আগে এই যুদ্ধ অনেক ক্ষতি করেছে। নতুন চীন-মার্কিন চুক্তিতে অনুসারে চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়ে ২০০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে নিয়ে যাবে, যা ২০১৭ সালের সমপরিমান হবে। কৃষিপন্য আমদানি বাড়াবে ৩২ বিলিয়ন ডলার, শিল্পপন্য আমদানি করবে ৭৮ বিলিয়ন ডলার, বিদ্যুৎ আমদানি ৫২ বিলিয়ন ডলার এবং সেবাখাতে চীন আমদানি করবে ৩৮ বিলিয়ন ডলার। নকল ঠেকাতে যথেষ্ট ব্যবস্থা নিতে একমত হয়েছে চীন। আর ট্রেড সিক্রেট চুরির ব্যাপারে কোম্পানিগুলোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া সহজতর করবে। ৩৬০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত চীনা পণ্য আমদানিতে ২৫% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র। অপরপক্ষে চীন, ১০০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত মার্কিন পণ্য আমদানিতে শুল্ক কাঠামো পুনঃবিন্যাস করবে।

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


  7. আপনার ধন্যবাদ সরিয়ে ফেলুন

    নিম্নলিখিত 2 সদস্য দরকারী পোস্টের জন্য Tofazzal Mia কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    Unregistered (2 )

  8. #94 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য DhakaFX's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Oct 2017
    মন্তব্য
    531
    অর্জিত পেমেন্টস
    77.97 USD
    ধন্যবাদ
    893
    186 টি পোস্টের জন্য 669 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0
    Name: nz_uschina_240852.jpg Views: 8 Size: 11.0 কিলোবাইট ID: 10097
    চীনের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যের রফতানি বড় আকারে ধাক্কা খেয়েছে। চীনের বাজারে রফতানি কমে যাওয়ায় আক্রান্ত হয়েছে গম, হুইস্কি থেকে শুরু করে জিনসেং ও গ্যাস। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ উপাত্তে দেখা গেছে, চীনে যুক্তরাষ্ট্রের মার্চেন্ডাইজ রফতানি ১১ শতাংশ কমে ১০ হাজার ৭০০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এতে বড় আকারে ধাক্কা খেয়েছে টেক্সাস, ফ্লোরিডা ও আলাবামার মতো বৃহৎ রফতানিকারক প্রদেশগুলো। চীনে এ রাজ্যগুলোর রফতানি ২৫ শতাংশের বেশি কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার প্রাথমিক ধাপের বাণিজ্য চুক্তি গত শুক্রবার থেকে কার্যকর হয়েছে। চুক্তির প্রথম বছরে ২০১৭ সালের তুলনায় অতিরিক্ত ৭ হাজার ৬৭০ কোটি ডলারের মার্কিন পণ্য আমদানিতে সম্মত হয়েছে চীন। দ্বিতীয় বছরে অতিরিক্ত ১২ হাজার ৩৩০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করবে বেইজিং। ব্লুমবার্গের অন্য এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দেশটির অর্থনীতিতে এরই মধ্যে বৃহদাকারের প্রভাব পড়ায় চুক্তিতে নমনীয়তা প্রত্যাশা করছে চীন।

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


  9. #95 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য DhakaFX's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Oct 2017
    মন্তব্য
    531
    অর্জিত পেমেন্টস
    77.97 USD
    ধন্যবাদ
    893
    186 টি পোস্টের জন্য 669 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0
    নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণজনিত কভিড-১৯-এর কারণে বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনীতির চালচিত্র আমূল পাল্টে গেছে। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত প্রথম ধাপের বাণিজ্য চুক্তি এখনো বাস্তবায়ন করছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রে চীনের রাষ্ট্রদূত চুই তিয়ানকাই বলেন, সম্প্রতি মারাত্মক ও জটিল পরিস্থিতির মধ্যেও প্রথম ধাপের বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টরা কাজ করে যাচ্ছে। চুইয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চীন এখনো যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য কিনছে। একই সঙ্গে চুক্তির অংশ হিসেবে দেশী বাজারে বিদেশী কোম্পানির ওপর আরোপিত বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়া হচ্ছে।

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


  10. #96 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য DhakaFX's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Oct 2017
    মন্তব্য
    531
    অর্জিত পেমেন্টস
    77.97 USD
    ধন্যবাদ
    893
    186 টি পোস্টের জন্য 669 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণে চীনের ‘ভূমিকার’ জন্য বেইজিংকে শাস্তি দিতে নতুন শুল্কারোপের হুমকিও দিয়েছেন ট্রাম্প। বর্তমানে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণে দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যেমন হুমকির মধ্যে পড়েছে, তেমনি স্থবির হয়ে পড়েছে অর্থনীতির চাকা। এ অবস্থায় উৎপাদন ও সরবরাহের ক্ষেত্রে চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনতে সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ থেকে শুরু করে দেশটির বিভিন্ন এজেন্সি কোম্পানিকে কাঁচামাল ও উৎপাদনের ক্ষেত্র হিসেবে চীনের বিকল্প বেছে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। এ পরিবর্তনের জন্য শুল্ক প্রণোদনা ও ভর্তুকি প্রদানের কথাও ভাবা হচ্ছে। মূলত চীননির্ভরতা কমানোর জন্য মার্কিন সরকার সামগ্রিকভাবে এগিয়ে এসেছে। এক্ষেত্রে সরকারি এজেন্সিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ম্যানুফ্যাকচারিং খাত নির্ধারণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পণ্য কীভাবে চীনের বাইরে উৎপাদন করা যায়, সে বিষয়ে পরিকল্পনা করছে।

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


  11. #97 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য DhakaFX's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Oct 2017
    মন্তব্য
    531
    অর্জিত পেমেন্টস
    77.97 USD
    ধন্যবাদ
    893
    186 টি পোস্টের জন্য 669 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0

    বাণিজ্যযুদ্ধের দামামা কিছুটা হলেও কমানোর উদ্যোগ নিয়েছিল বিশ্বের শীর্ষ দুই অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। বিবদমান দেশ দুটি চলতি বছরের শুরুতে ‘ফেজ ওয়ান’ বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। কিন্তু নভেল করোনাভাইরাসের কারণে নতুন করে বিবাদে লিপ্ত হয়েছে তারা। এর প্রভাবে চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলতি মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় অর্জন ধরা হচ্ছিল ‘ফেজ ওয়ান’ চুক্তিকে। দীর্ঘদিনের আলোচনার পর অবশেষে গত জানুয়ারিতে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী লিউ হি।এর আগে একে অন্যের ওপর বাণিজ্য শুল্কের বোঝা চাপিয়ে দেয়ার প্রতিযোগিতায় মেতেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। দুই অর্থনৈতিক পরাশক্তি যেভাবে বাণিজ্যের শীতল যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল, তা ভাবিয়ে তুলেছিল অন্য দেশগুলোকেও। এমন পরিস্থিতিতে দেশ দুটি প্রাথমিক পর্যায়ের চুক্তিতে উপনীত হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন সবাই। হোক না সেটি স্বল্প পরিসরের চুক্তি, কিন্তু দ্বন্দ্ব নিরসনের শুরুটা তো অন্তত হলো।
    তবে নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সে স্বস্তি উবে যেতে চলেছে। শুক্রবার টেলিফোনে ফক্স নিউজ চ্যানেলের মর্নিং নিউজ শো ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’কে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে ট্রাম্প জানান, নভেল করোনাভাইরাস ইস্যু নিয়ে চীনের সঙ্গে তার মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘দেখুন, চীনের সঙ্গে আমার সময়টা ভালো যাচ্ছে না। কয়েক মাস আগে আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলাম। সে সময় পরিস্থিতি এমন ছিল না। চুক্তিটির বাস্তাবায়ন শুরু হলো। এরপর নভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপও দেখা দিল। এটি চুক্তিটির সাফল্যে বড় একটি প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


  12. #98 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য DhakaFX's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Oct 2017
    মন্তব্য
    531
    অর্জিত পেমেন্টস
    77.97 USD
    ধন্যবাদ
    893
    186 টি পোস্টের জন্য 669 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0
    কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভুট্টা ও সয়াবিন আমদানি বাড়িয়ে দিয়েছে চীন। বিশেষত মার্কিন মুলুক থেকে ভুট্টা ও সয়াবিন আমদানি বাড়িয়েছেন চীনা আমদানিকারকরা। চীন-যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্যের বাণিজ্যের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ কথা জানিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এভাবে কৃষিপণ্যের বাণিজ্য বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যযুদ্ধের দামামা অনেকটাই কমে আসতে পারে, যা সামগ্রিক বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য সুখকর হবে। ইউএসডিএর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনা আমদানিকারকরা সব মিলিয়ে ১৬ লাখ ৮ হাজার টন সয়াবিন আমদানি করেছেন। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনের বাজারে আমদানি হয়েছে মোট ১১ লাখ ৩৭ হাজার টন ভুট্টা। সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে এটাই যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনে আমদানির করা ভুট্টা ও সয়াবিনের সর্বোচ্চ পরিমাণ। ওয়াশিংটন-বেইজিংয়ের মধ্যকার বাণিজ্যযুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে কৃষিপণ্যের বাণিজ্য শ্লথ হয়ে আসে। একের পর এক বৈঠক হলেও চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ নিরসনের কার্যকর উদ্যোগের দেখা মিলেনি। এর মধ্যেই দেখা দিয়েছে করোনা মহামারী। এ সংকটের সময় ভুট্টার সরবরাহ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছে বেইজিং। সম্ভাব্য খাদ্য সংকট এড়াতে তাই কৃষিপণ্যটির আমদানি বাড়িয়েছে চীন। অন্যদিকে করোনা তুলনামূলক স্বাভাবিক হয়ে আসায় দেশটিতে পশুখাদ্যের চাহিদা আগের তুলনায় বেড়েছে। মূলত এসব কারণে বাণিজ্য বিরোধের মধ্যেও ভুট্টা ও সয়াবিন আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ঝুঁকেছেন চীনা আমদানিকারকরা।

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


  13. <a href="https://www.instaforex.com/">InstaForex</a>
  14. #99 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য SaifulRahman's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Nov 2017
    মন্তব্য
    421
    অর্জিত পেমেন্টস
    52.63 USD
    ধন্যবাদ
    635
    165 টি পোস্টের জন্য 794 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0
    বাণিজ্যযুদ্ধে জয়ের মালা বেইজিংয়ের গলাতেই, যদিও ২০১৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিখ্যাত একটি টুইট ছিল, ‘বাণিজ্যযুদ্ধ ভালো এবং এখানে জেতা সহজ।’ এরপর থেকে ট্রাম্প চীনের প্রায় ৩৬ হাজার কোটি ডলার মূল্যের পণ্য আমদানিতে শুল্ক আরোপ করতে শুরু করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন পণ্য আমদানিতে চীনও পাল্টা শুল্ক আরোপ শুরু করে। এর মধ্য দিয়েই বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রকাশ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হয়। যদিও বর্তমান সময়ে এসে ট্রাম্পের সেই মন্তব্য ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
    বৃহত্তম দুই অর্থনৈতিক শক্তির মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা ট্রাম্প প্রশাসনের আগে থেকে শুরু হলেও প্রযুক্তি সংস্থাগুলোয় অভূতপূর্ব শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা দেয়ার মাধ্যমে বিরোধকে আরো তীব্র করেছিলেন ট্রাম্প। তবে তিনি যেমনটা আশা করেছিলেন তেমন ফল ফলেনি। কোন নীতি কাজ করেছে আর কোনটি করেনি, সেই নীলনকশা উত্তরসূরি জো বাইডেনের কাছে রেখে যাচ্ছেন তিনি। আর নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাণিজ্যযুদ্ধ চালিয়ে যাবেন কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাত্কারে জানিয়েছিলেন, তিনি অবিলম্বে শুল্কগুলো সরিয়ে নেবেন না এবং পরিবর্তে তিনি প্রথম ধাপের বাণিজ্য চুক্তির পর্যালোচনা করবেন।

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
পৃষ্ঠা 10 of 10 প্রথমপ্রথম ... 8910

মন্তব্য নিয়মাবলি

  • আপনি হয়ত নতুন পোস্ট করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত মন্তব্য লিখতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত সংযুক্তি সংযুক্ত করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত আপনার মন্তব্য পরিবর্তনপারবেন না
  • BB কোড হলো উপর
  • Smilies are উপর
  • [IMG] কোড হয় উপর
  • এইচটিএমএল কোড হল বন্ধ
বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম � উপস্থাপন
ফোরাম সেবায় আপনাকে স্বাগতম যেটি ভার্চুয়াল স্যালুন হিসেবে সকল স্তরের ট্রেডারদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ প্রদান করছে। ফরেক্স হলো একটি গতিশীল আর্থিক বাজার যেটি দিনে ২৪ঘন্টা খোলা থাকে। যে কেউ ব্রোকারেজ কোম্পানির মাধ্যমে এখানে কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। এই ফোরামে আপনি কারেন্সি মার্কেটে ট্রেডিং এবং মেটাট্রেডার ফোর ও মেটাট্রেডার ফাইভের মাধ্যমে অনলাইন ট্রেডিং সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ পাবেন।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম � ট্রেডিং আলোচনা
ফোরামের প্রত্যেক সদস্য বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, যার মধ্যে ফরেক্স সম্পর্কিত ও ফরেক্সের বাইরের বিভিন্ন বিষয়ও রয়েছে। ফোরাম বিভিন্ন মতামত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি অভিজ্ঞ ও নতুন উভয় ধরণের ট্রেডারদের জন্য উন্মুক্ত। পারস্পরিক সহায়তা এবং সহনশীলতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনি যদি অন্যদের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান অথবা ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে ট্রেডিং সম্পর্কিত আলোচনা "ফোরাম থ্রেড" এ আপনাকে স্বাগত।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম � ব্রোকার এবং ট্রেডারদের মধ্যে আলোচনা (ব্রোকার সম্পর্কে)
ফরেক্সে সফল হতে চাইলে, যথেষ্ট কৌশলের সাথে একটি ব্রোকারেজ কোম্পানি বাছাই করতে হবে। আপনার ব্রোকার সত্যিই নির্ভরযোগ্য সেটি নির্ধারণ করুন! এভাবে আপনি অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন এবং ফরেক্সে লাভজনক ট্রেড করতে পারবেন। ফোরামে একজন ব্রোকারের রেটিং উপস্থাপন করা হয়; এটি তাদের গ্রাহকদের রেখে যাওয়া মন্তব্য নিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যে ব্রোকার কোম্পানির সাথে কাজ করছেন সে কোম্পানি সম্পর্কে আপনার মতামত দিন, এটি অন্যান্য ট্রেডারদের ভুল সংশোধন করতে সাহায্য করবে এবং একজন ভালো ব্রোকার বাছাই করতে সাহায্য করবে।

অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম
এই ফোরামে আপনি শুধু ট্রেডিং এর বিষয় সম্পর্কেই কথা বলবেন না, সেইসাথে আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন। বিশেষ থ্রেডে অফটপিং ও করা যায়! আপনার পছন্দের যে কোন হাস্যরস, দর্শন, সামাজিক সমস্যা বা বাস্তব জ্ঞান সম্পর্কিত কথাবার্তা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন, এমনকি আপনি যদি পছন্দ করেন তাহলে ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কেও লিখতে পারবেন!

যোগদান করার জন্য বোনাস বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরামে
যারা ফোরামে লেখা পোষ্ট করবে তারা বোনাস হিসেবে অর্থ পাবে এবং সেই বোনাস একটি অ্যাকাউন্টে ট্রেডিং এর সময় ব্যবহার করতে পারবে. ফোরাম অর্থ মুনাফা লাভ করা নয়, অধিকন্তু, ফোরামে সময় ব্যয় করার জন্য এবং কারেন্সি মার্কেট ও ট্রেডিং সম্পর্কে মতামত শেয়ারের জন্য পুরষ্কার হিসেবে ফোরামিটিস অল্প কিছু বোনাস পায়।