আয় করুন
$50000
বন্ধুদের আমন্ত্রণ করার জন্য
ইন্সটাফরেক্স থেকে স্টার্টআপ
বোনাস নিন
কোন বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই!
কোনো বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি
ছাড়াই ট্রেডিং শুরু করতে
গ্রহণ করুন নতুন স্টার্টআপ
বোনাস $1000
বোনাস নিন
৫৫%
ইন্সটাফরেক্স থেকে
প্রতিবার অর্থ জমাদানে
+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
পৃষ্ঠা 2 of 2 প্রথমপ্রথম 12
ফলাফল দেখাচ্ছে 11 হইতে 14 সর্বমোট 14

প্রসংগ: অনলাইন শপিং ও বাংলাদেশ

  1. #11 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Rokibul7's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Aug 2019
    মন্তব্য
    780
    অর্জিত পেমেন্টস
    289.91 USD
    ধন্যবাদ
    216
    196 টি পোস্টের জন্য 302 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    অনলাইনে কেনাকাটায় অনেক সুবিধা পাওয়া যায় তবে দামটা একটু বেশি রাখলেও পছন্দ অনুসারে পণ্য পাওয়া যায় এবং কিছু কিছু মার্কেটপ্লেস আছে যারা খুবই ভালো পণ্য ডেলিভারি করে থাকে তবে আমাদের বাংলাদেশ দারাজ অনলাইন মার্কেটপ্লেস বর্তমানে হয়েছে একদম পুরোপুরি ভুয়া বিগত একটা অর্ডার দিয়েছিলাম কিন্তু আমাকে একটা প্যাকেট দিয়েছে প্যাকেটের ভিতরে একটা 30 টাকার হেডফোন তার একটা নষ্ট আমাকেও দিতে চাইলাম পাইলাম হেডফোন তবে তবে দারাজবদ বাংলাদেশে অনেক অনলাইন মার্কেটপ্লেস আছে সেগুলো নেই মোটামুটি খুব ভালো পণ্যই দেয় তবে অনেক দাম রাখে আর শুধু বাংলাদেশের নিজস্ব মার্কেটপ্লেসগুলো বাংলাদেশ থেকে এখন দেখা যাচ্ছে যে আলিবাবা অ্যামাজন বড় বড় মার্কেটপ্লেসগুলো ে থেকেও মাল ডেলিভারি নেওয়া যাচ্ছে ঘরে বসে শপিং করার মজাই আলাদা আমাদের দেশ ডিজিটাল শুরু করতেছে তো তবে বাংলাদেশ ও আস্তে আস্তে এগিয়ে যাচ্ছে

  2. #12 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য HASIBURRAHMAN's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Apr 2020
    মন্তব্য
    886
    অর্জিত পেমেন্টস
    551.47 USD
    ধন্যবাদ
    1,435
    797 টি পোস্টের জন্য 1,659 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    Quoteপ্রকৃত পোস্টকারী View Post
    বাংলাদেশ তরুনরা এখন অনলাইন শপিংয়ের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে, কেনানা তারা ঘরে বসেই নিজের বাসার কম্পিউটারে নিজের জন্য পোশাক ও আনুষাঙ্গিক জিনিস এর পাশাপাশি তার পরিবারের জন্যও সহজেই পছন্দ করেতে পারছে এবং সেটা হোম ডেলিভারি পাচ্ছে। এছাড়া বাইরে শপিং করাটা অনেক ঝামেলাপুর্ণ্, কেনানা ব্যবস্ততায় সময় পাওয়া যায় না, বাইরে ভ্যাপসা গরম বা বৃষ্টি ছাড়াও রাস্তায় যানজট আর ভিড় রয়েছে। আর এখন একটি ই-কমার্স সাইট থেকে সে সবকিছু নিজের প্রয়োজন মত কাঙ্খিত পণ্যটি যাচাই করে কিনতে পারছে।
    বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ। অনলাইনে কেনাবেচা বাইরের রাষ্ট্রগুলোতে ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। এই অনলাইন মার্কেট বিভিন্ন দেশে যথেষ্ট জনপ্রিয় ও বটে। অনলাইন মার্কেট আমাদের জন্য যথেষ্ট সুবিধাজনক। তাই অনলাইন মার্কেটে আপনিও এগিয়ে আসতে পারেন। ক্রেতা-বিক্রেতা যে কোন ভূমিকায় এখানে যথেষ্ট প্রফিট আশা করা সম্ভব।

  3. নিম্নলিখিত দরকারী পোস্টের জন্য HASIBURRAHMAN কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    FATEMAKHATUN (04-22-2020)

  4. #13 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Tofazzal Mia's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Feb 2018
    মন্তব্য
    402
    অর্জিত পেমেন্টস
    471.71 USD
    ধন্যবাদ
    248
    117 টি পোস্টের জন্য 603 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন

    করোনাভাইরাস সুসময় নিয়ে এসেছে অনলাইন-ভিত্তিক পণ্য বিক্রেতাদের জন্য। আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে অনেকে বিপণিবিতান ও বাজারে না গিয়ে অনলাইনে পণ্য কেনা বাড়িয়েছেন। হঠাৎ বাড়তি চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা। প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে যারা এত দিন অনলাইনে সামান্য পণ্য সরবরাহ করত, তারাও এখন সক্ষমতা বাড়িয়েছে। কেউ কেউ নতুন করে অনলাইনে বিক্রি শুরু করেছে। কারও কারও দোকান বন্ধ থাকলেও বাসায় পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে। দেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর অনলাইনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটার চাপ শুরু হয়। ২৬ মার্চ সাধারণ ছুটি শুরুর পর অনলাইনে বেচাকেনা বেশ ভালো হয়েছে। এখন শুরু হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পোশাক কেনাকাটা। তার সঙ্গে মুঠোফোন, মুঠোফোনের সরঞ্জাম, টেলিভিশন, রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, গৃহস্থালীর বিভিন্ন উপকরণ অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে অনেক বেশি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এবার ঈদে মোট কেনাবেচায় একটি উল্লেখযোগ্য হিস্যা দখল করবে অনলাইন।

  5. #14 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য BDFOREX TRADER's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Aug 2014
    মন্তব্য
    219
    অর্জিত পেমেন্টস
    238.47 USD
    ধন্যবাদ
    367
    88 টি পোস্টের জন্য 314 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    করোনাভাইরাস এর সময় অনলাইন বিজনেস অনেকটাই জমজমাট ও লাভের হার দিন দিন দ্বিগুণ হচ্ছে। গত ১ বছরে বিশ্বব্যাপী অনলাইনে বিক্রয় হয়েছে প্রায় ২.৩০৪ ট্রিলিয়ন ডলার। অনলাইন বিজনেস সারা বিশ্ব জুড়ে থাকা খুচরা বাজারের একটি বড় অংশ দখল নিতে চলছে। এমনকি, ধারণা করা হচ্ছে ২০১৮ সালে বিশ্বব্যাপী মোট জনসংখ্যার ৪৭.৩% মানুষ অনলাইনে পণ্য ক্রয় করবে। Hostingfacts এর মতে, বর্তমানে বিশ্বে ৯৬৬ মিলিয়ন ওয়েবসাইট রয়েছে এবং এর মধ্যে সারা বিশ্বে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি ওয়েবসাইট অনলাইন বিজনেস পরিচালনা করছে। আর বিশ্বব্যাপী অনলাইন বিজনেসগুলোর সফলতা দেখে আমাদের দেশেও অনলাইন বিজনেসের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে মানুষের। খুবই আনন্দের খবর যে, আমাদের অনেক অনলাইন ব্যবসা উদ্যোক্তাই দারুণ সফলতা পেয়েছে। সেই সাথে, দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে এই ধরণের ব্যবসা। মানুষ এখন দোকানে দোকানে গিয়ে জিনিস-পত্র কেনার থেকে ঘরে বসে পেতেই বেশি পছন্দ করছে। তাছাড়া, জীবনযাত্রায় যে পরিবর্তণ আসছে, তাতে এখন আর ট্র্যাডিশনাল বিজনেসে নতুন করে সফলতা পাওয়া অনেকের জন্যেই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যাইহোক, দ্রুত পরিবর্তিত আমাদের জীবনযাপনের সাথে সম্পৃক্ত এই অনলাইন বিজনেসের প্রতি যদি আপনারও আগ্রহ থেকে থাকে, তবে আসুন অনলাইন বিজনেস কি ও কয়েকটি বিজনেস আইডিয়া জেনে নেই।

    অনলাইন বিজনেস কি?
    অনলাইন বিজনেস হল, যখন কোন ব্যবসায়িক ক্রিয়াকলাপ ইন্টারনেটে ঘটে। অনলাইন বিজনেসের ক্ষেত্রে আপনাকে খুব বেশী মূলধন বিনিয়োগ করতে হবে না। এছাড়া এসব ব্যবসায় আপনি পার্ট-টাইম এবং বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে পরিচালনা করতে পারবেন। অনলাইন বিজনেসকে সাধারণত ২টি ভাগে ভাগ করা যায়-
    ১. পণ্য ভিত্তিক
    ২. সেবা ভিত্তিক
    অনলাইন বিজনেসের ব্যাপারে আপনি যদি এই ছোট ভূমিকা পড়ে কিংবা আগে থেকে মনস্থির করে রাখেন কিন্তু কি ভাবে বা কোন ধরণের ব্যবসায় দিয়ে শুরু করবেন তা মনস্থির করতে না পারেন, তবে আপনার জন্য ২০টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া নিয়ে আমি আজকে হাজির হলাম।
    ১. ই-কর্মাস
    অনলাইন বিজনেস আইডিয়ার কথা বললে, প্রথমেই ই-কমার্সের কথা আসবে। অনলাইন বিজনেসের ক্ষেত্রে প্রথম কাতারে আছে এই ই-কমার্স। আপনি চাইলে ই-কমার্স দিয়ে আপনার অনলাইন বিজনেস শুরু করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে:
    লাভজনক বাজার খুঁজে বিনিয়োগ করুন
    প্রথম দিকে ব্যয়বহুল পণ্য নিয়ে শুরু করবেন না
    পণ্যের বাজার চাহিদা যাচাই করুন
    অনান্য ই-কমার্স সাইটগুলো থেকে আইডিয়া নিন
    ২. হস্তশিল্প
    সেই প্রাচীনকাল থেকে আজকের এই আধুনিক সমাজে হস্তশিল্পের চাহিদা একটুও হ্রাস পায়নি। সৌখিনতা কিংবা নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক অভাব পূরণের ক্ষেত্রে মানুষ এখনও হস্তশিল্পের উপর নির্ভরশীল। আপনি চাইলে অনলাইনে এই বিজনেস শুরু করতে পারেন।
    যারা হস্তশিল্পের কারিগর তাদের নিকট থেকে আপনি সরাসরি পণ্য ক্রয় করে বিক্রয় করতে পারলে লাভের পরিমাণ স্বভাবতই বেশী হবে।
    ৩. বই বিক্রিয়
    যদিও বাজারে নতুন বই বিক্রয়ের অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে কিন্তু তাতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কারণ সফল ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের মতো চিন্তা করে, তবে একটু ভিন্নভাবে। আপনি চাইলে পুরাতন বই বিক্রয় করতে পারেন। পুরাতন বইয়ের চাহিদা কতটা বেশি, আপনি ঢাকার নীলক্ষেতে ঘুরে আসলেই বুঝতে পারবেন।
    আরো জানুন: বই বিক্রয় করে অনলাইনে আয় করার জনপ্রিয় ৩টি উপায়
    পুরাতন বই ক্রয় বিক্রয় করেও আপনার অনলাইন বিজনেস শুরু করতে পারেন। প্রথমদিকে আপনি ফেসবুকের পেইজ কিংবা গ্রুপ দিয়ে শুরু করতে পারেন। পরবর্তীতে মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে, আপনি একটি ওয়েব সাইট খুলে আপনার ব্যবসাকে আরও সম্প্রসারণ করতে পারেন।

    ৪. মৌসুমি পণ্য বিক্রয়
    আপনি অনলাইন বিজনেসকে লোকাল বিজনেস এর সাথে তুলনা করতে পারেন। বর্তমানের লোকাল বিজনেস থেকে অনলাইন বিজনেসে মানুষের আস্থা-বিশ্বাস অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি চাইলে মৌসুমি পণ্য অনলাইনে বিক্রয় করতে পারেন।বিষয়টা আরেকটু পরিষ্কার করলে বুঝতে পারবেন। যেমন ধরুন আপনি গ্রীষ্মকালে আমের ব্যবসা করতে পারেন। সরাসরি রাজশাহী থেকে ফরমালিন মুক্ত আম এনে আপনি তা অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন মৌসুমে যে-সব ফল কিংবা পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়, আপনি সে-সব পণ্য অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন।

    ৫. পাইকারি পণ্য বিক্রয়
    পাইকারি মূল্যে পণ্য বিক্রয় করতে পারলে অনলাইনে গ্রাহক চাহিদা অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। যেমন ধরুন, আপনি গ্রাম থেকে চাল ক্রয় করে ঢাকায় অনলাইনে চাল বিক্রি করতে পারেন। আর চাল সাধারণত মানুষ ১ কেজি বা ২ কেজি কিনে না বরং বস্তা বা মন অনুযায়ী কিনে। তাই এই ধরনের বিজনেস আপনার জন্য উপযোগী হতে পারে।

    ৬. ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী
    অধিকাংশ সময় দেখা যায় মানুষ ফার্মেসীতে গিয়ে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ পায় না, সেক্ষেত্রে অনেক সময় ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আবার অনেক আবাসিক এলাকায় ফার্মেসি থাকে না, জরুরী প্রয়োজনে তখন ওষুধ পাওয়া যায় না।আর এসব ক্ষেত্রে অনলাইন সাইট, ফার্মেসির থেকে বেশী ভূমিকা রাখে। কারণ মানুষ জরুরী প্রয়োজনে অনলাইনে ওষুধের অর্ডার করে, ঘরে বসে ওষুধ পেতে পারে। আর তাই এখনই এই অনলাইন বিজনেস শুরু করে দিতে পারেন।

    ৭. পুরাতন জিনিস বেচা কেনা
    পুরাতন জিনিসের চাহিদা সম্পর্কে ধারণা পেতে আপনি বিক্রয় ডট কমে ঘুরে আসতে পারেন। ওয়েবসাইট খুলে কিংবা প্রাথমিকভাবে আপনি ফেসবুকে পুরাতন জিনিস ক্রয় বিক্রয় করতে পারেন।

    ৮. ঘরে বানানো খাবার
    যান্ত্রিক জীবনে যন্ত্রের উপর মানুষ নির্ভরশীল হলেও মানুষের ভালোবাসা এখনো সে হাতে তৈরি খাবারের প্রতি রয়ে গেছে। আপনি ঘরে আচার, পিঠা কিংবা অন্যান্য সুস্বাদু খাবার তৈরি করে অনলাইনে, ফেসবুকে কিংবা ওয়েবসাইটে প্রচার-প্রচারণা করতে পারেন।

    শহুরে জীবনের কর্মব্যস্ততায় হাতে তৈরি খাবারের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি থাকবে। তাই এ ধরনের অনলাইন বিজনেস আপনার সাফল্যের পথের সিঁড়ি হতে পারে।

    ৯. লন্ড্রি
    শহুরে জীবনে ব্যস্ততা ছাড়া অবসর সময় কল্পনা করা যায় না। আর কর্পোরেট লেবেলে তো ছুটি কালেভদ্রে পাওয়া যায়। মানুষ কাপড় ধোয়া কিংবা ইস্ত্রি করার সময়ও পায় না। আবার অনেক সময়, অলসতার কারণে দোকানেও দিয়ে আসে না। তাই আপনি চাইলে এই সুবর্ণ সুযোগ ব্যবহার করতে পারেন। প্রাথমিকভাবে মহল্লা বা এলাকা ভিত্তিক এই সার্ভিস চালু করতে পারেন এবং আপনি অনলাইনের অর্ডারগুলো মহল্লায় থাকা লন্ড্রি দোকানের সাথে চুক্তি করে কাজ করতে পারেন।

    ১০. অনলাইন ক্লাস
    “অনলাইনে ক্লাস” কথাটা শুনে আপনার হাসি আসতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আপনি চাইলে, এটা আপনার অনলাইন বিজনেসের সবচাইতে বড় মাধ্যম হতে পারে।

  6. আপনার ধন্যবাদ সরিয়ে ফেলুন

    নিম্নলিখিত 6 সদস্য দরকারী পোস্টের জন্য BDFOREX TRADER কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    DhakaFX (06-25-2020),FXBD (06-25-2020),Montu Zaman (06-25-2020),Rakib Hashan (06-25-2020),Unregistered (2 )

+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
পৃষ্ঠা 2 of 2 প্রথমপ্রথম 12

মন্তব্য নিয়মাবলি

  • আপনি হয়ত নতুন পোস্ট করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত মন্তব্য লিখতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত সংযুক্তি সংযুক্ত করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত আপনার মন্তব্য পরিবর্তনপারবেন না
  • BB কোড হলো উপর
  • Smilies are উপর
  • [IMG] কোড হয় উপর
  • এইচটিএমএল কোড হল বন্ধ
বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম � উপস্থাপন
ফোরাম সেবায় আপনাকে স্বাগতম যেটি ভার্চুয়াল স্যালুন হিসেবে সকল স্তরের ট্রেডারদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ প্রদান করছে। ফরেক্স হলো একটি গতিশীল আর্থিক বাজার যেটি দিনে ২৪ঘন্টা খোলা থাকে। যে কেউ ব্রোকারেজ কোম্পানির মাধ্যমে এখানে কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। এই ফোরামে আপনি কারেন্সি মার্কেটে ট্রেডিং এবং মেটাট্রেডার ফোর ও মেটাট্রেডার ফাইভের মাধ্যমে অনলাইন ট্রেডিং সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ পাবেন।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম � ট্রেডিং আলোচনা
ফোরামের প্রত্যেক সদস্য বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, যার মধ্যে ফরেক্স সম্পর্কিত ও ফরেক্সের বাইরের বিভিন্ন বিষয়ও রয়েছে। ফোরাম বিভিন্ন মতামত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি অভিজ্ঞ ও নতুন উভয় ধরণের ট্রেডারদের জন্য উন্মুক্ত। পারস্পরিক সহায়তা এবং সহনশীলতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনি যদি অন্যদের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান অথবা ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে ট্রেডিং সম্পর্কিত আলোচনা "ফোরাম থ্রেড" এ আপনাকে স্বাগত।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম � ব্রোকার এবং ট্রেডারদের মধ্যে আলোচনা (ব্রোকার সম্পর্কে)
ফরেক্সে সফল হতে চাইলে, যথেষ্ট কৌশলের সাথে একটি ব্রোকারেজ কোম্পানি বাছাই করতে হবে। আপনার ব্রোকার সত্যিই নির্ভরযোগ্য সেটি নির্ধারণ করুন! এভাবে আপনি অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন এবং ফরেক্সে লাভজনক ট্রেড করতে পারবেন। ফোরামে একজন ব্রোকারের রেটিং উপস্থাপন করা হয়; এটি তাদের গ্রাহকদের রেখে যাওয়া মন্তব্য নিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যে ব্রোকার কোম্পানির সাথে কাজ করছেন সে কোম্পানি সম্পর্কে আপনার মতামত দিন, এটি অন্যান্য ট্রেডারদের ভুল সংশোধন করতে সাহায্য করবে এবং একজন ভালো ব্রোকার বাছাই করতে সাহায্য করবে।

অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম
এই ফোরামে আপনি শুধু ট্রেডিং এর বিষয় সম্পর্কেই কথা বলবেন না, সেইসাথে আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন। বিশেষ থ্রেডে অফটপিং ও করা যায়! আপনার পছন্দের যে কোন হাস্যরস, দর্শন, সামাজিক সমস্যা বা বাস্তব জ্ঞান সম্পর্কিত কথাবার্তা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন, এমনকি আপনি যদি পছন্দ করেন তাহলে ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কেও লিখতে পারবেন!

যোগদান করার জন্য বোনাস বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরামে
যারা ফোরামে লেখা পোষ্ট করবে তারা বোনাস হিসেবে অর্থ পাবে এবং সেই বোনাস একটি অ্যাকাউন্টে ট্রেডিং এর সময় ব্যবহার করতে পারবে. ফোরাম অর্থ মুনাফা লাভ করা নয়, অধিকন্তু, ফোরামে সময় ব্যয় করার জন্য এবং কারেন্সি মার্কেট ও ট্রেডিং সম্পর্কে মতামত শেয়ারের জন্য পুরষ্কার হিসেবে ফোরামিটিস অল্প কিছু বোনাস পায়।