আয় করুন
$50000
বন্ধুদের আমন্ত্রণ করার জন্য
ইন্সটাফরেক্স থেকে স্টার্টআপ
বোনাস নিন
কোন বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই!
কোনো বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি
ছাড়াই ট্রেডিং শুরু করতে
গ্রহণ করুন নতুন স্টার্টআপ
বোনাস $1000
বোনাস নিন
৫৫%
ইন্সটাফরেক্স থেকে
প্রতিবার অর্থ জমাদানে
+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
পৃষ্ঠা 1 of 3 123 গতগত
ফলাফল দেখাচ্ছে 1 হইতে 10 সর্বমোট 30

প্রসংগ: বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমে যাবার আশঙ্কা

  1. #1 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Tofazzal Mia's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Feb 2018
    মন্তব্য
    402
    অর্জিত পেমেন্টস
    471.71 USD
    ধন্যবাদ
    248
    117 টি পোস্টের জন্য 603 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন

    বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমে যাবার আশঙ্কা

    রয়টার্সের এক জরিপে অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান ট্রেড ওয়ারের কারনে এবংেউভয়ের কঠোর আর্থিক নীতিমালা গ্রহনের কারেন বিশ্ব অর্থনীতির পরিস্থিতি প্রথমবারের মতো আরেক বার কমে যেতে পারার আশঙ্কা করা হয়েছে। পাঁচ শতাধিক অর্থনীতিবিদের ওপর পরিচালিত জরিপে অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই প্রবৃদ্ধি সংকুচিত হবে বলে ধারণা করছেন। মোট ৪৪টি অর্থনীতি আগামী বছর কেমন থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তাদের মতামত অনুযায়ী, আগামী বছর ১৮ অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি আউটলুক সংকুচিত হবে, ২৩টির অবস্থা অপরিবর্তিত থাকবে এবং বাকি মাত্র তিনটি অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি বাড়তে পারে।

  2. নিম্নলিখিত দরকারী পোস্টের জন্য Tofazzal Mia কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    amreta (03-02-2020)

  3. #2 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Montu Zaman's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Feb 2018
    মন্তব্য
    648
    অর্জিত পেমেন্টস
    1,007.31 USD
    ধন্যবাদ
    389
    194 টি পোস্টের জন্য 564 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    বিশ্ব অর্থনীতি ‘নাজুক পরিস্থিতির’ মধ্যে রয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মুখ্য অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথ। বৈশ্বিক মন্দার পূর্বাভাস না দিলেও তিনি জানিয়েছেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে অনেকগুলো নিম্নমুখী ঝুঁকি রয়েছে। আইএমএফ তাদের বিশ্ব অর্থনৈতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং ২০২০ সালে তা দাঁড়াবে ৩ দশমিক ৬০ শতাংশে। আইএমএফের আগের পূর্বাভাসের তুলনায়ও হ্রাস পেয়েছে চলতি বছরের এবারকার পূর্বাভাস। চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরো অঞ্চলের দেশগুলোসহ উন্নত অর্থনীতিগুলোর প্রবৃদ্ধি দুর্বল হওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর যুক্তরাজ্যের প্রবৃদ্ধি হবে ১ দশমিক ২০ শতাংশ, যা কিনা সংস্থাটির গত জানুয়ারির পূর্বাভাসের তুলনায় ৩০ বেসিস পয়েন্ট কম। ২০২০ সালের সংশোধিত প্রবৃদ্ধিও আগের তুলনায় কমার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।

  4. #3 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য SUROZ Islam's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Jan 2018
    মন্তব্য
    318
    অর্জিত পেমেন্টস
    435.76 USD
    ধন্যবাদ
    301
    97 টি পোস্টের জন্য 444 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    মার্কিন-চীন বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে টালমাটাল বিশ্ব অর্থনীতি। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বিবাদ নিরসনে কয়েক দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও সমাধানের দেখা মেলেনি, উল্টো বাণিজ্যযুদ্ধের তীব্রতা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বিশ্বের শীর্ষ দুই অর্থনীতির মধ্যকার বাণিজ্য বিবাদের কারণে অনেক দেশ লাভবানও হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সুযোগের ফায়দা লোটার দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ভিয়েতনাম। আমদানিকারকরা উচ্চতর শুল্ক এড়ানোর জন্য নিজেদের বাণিজ্য অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনার কারণে এখন পর্যন্ত লাভবান দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে দেশটি।
    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম। চীনের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে দেশটির। নমুরা হোল্ডিংস ইনকরপোরেটেড অর্থনীতিবিদ রব সুব্বারামান, সোনাল ভার্মা ও মাইকেল লুরের করা গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৯ সালের প্রথম প্রান্তিক পর্যন্ত এক বছরে শুল্ক আরোপিত পণ্যের বাণিজ্য ডাইভারশনের কারণে ভিয়েতনাম যে পরিমাণ আদেশ পেয়েছে, তা দেশটির জিডিপির ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। লাভবানদের তালিকায় দ্বিতীয় তাইওয়ান, যারা পেয়েছে জিডিপির ২ দশমিক ১ শতাংশ আদেশ। উভয় অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর চীনের বাড়তি শুল্কারোপের চেয়ে চীনা পণ্যের ওপর মার্কিন বাড়তি শুল্কারোপের কারণে বেশি লাভবান হয়েছে।

  5. #4 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য BDFOREX TRADER's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Aug 2014
    মন্তব্য
    219
    অর্জিত পেমেন্টস
    238.47 USD
    ধন্যবাদ
    367
    88 টি পোস্টের জন্য 314 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বলেছে, চলমান দুর্বল প্রবৃদ্ধি থেকে বিশ্ব অর্থনীতিকে রক্ষার জন্য এ সময় দেশগুলোর মধ্যে গভীরতর সহযোগিতা প্রয়োজন। আর এজন্য শুল্ক কমাতে হবে এবং বাণিজ্য বাধাগুলো দূর করতে হবে। যদিও চলতি বছরের এপ্রিলে দেয়া পূর্বাভাসে আইএমএফ জানিয়েছে, মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্য বিবাদ ও চীনা অর্থনীতির শ্লথ গতির জন্য প্রবৃদ্ধি কমবে। এপ্রিলে দেয়া পূর্বাভাসে সংস্থাটি বলছে চলতি বছর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ, অথচ জানুয়ারির পূর্বাভাসে ৩ দশমিক ৫ শতাংশের কথা বলা হয়েছিল। ওয়াশিংটনভিত্তিক ঋণদাতা সংস্থাটি নিজেদের সর্বশেষ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকে বলছে, ২০২০ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ এবং মধ্য মেয়াদে প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৬ শতাংশে স্থির থাকবে। চীন ও ভারতের মতো অর্থনীতিগুলোর উন্নতির কারণে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বাড়বে।

  6. আপনার ধন্যবাদ সরিয়ে ফেলুন

    নিম্নলিখিত 2 সদস্য দরকারী পোস্টের জন্য BDFOREX TRADER কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    Unregistered (2 )

  7. #5 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য SUROZ Islam's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Jan 2018
    মন্তব্য
    318
    অর্জিত পেমেন্টস
    435.76 USD
    ধন্যবাদ
    301
    97 টি পোস্টের জন্য 444 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের শুল্কনীতি বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর মার্ক কারনি। ট্রাম্পের শুল্কনীতি বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি স্তিমিত করে দিতে পারে বলেও সতর্ক করেন এ কর্মকর্তা। চীন, মেক্সিকো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বাণিজ্যযুদ্ধের প্রভাবকে নীতিনির্ধারকরা খাটো করে দেখেছেন বলে মন্তব্য করেন যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংকপ্রধান। ব্রেক্সিট অনিশ্চয়তায় বিপর্যস্ত যুক্তরাজ্যের অর্থনীতির জন্য বাণিজ্য উত্তেজনা ক্রমেই ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে বলে মন্তব্য করেন এ কর্মকর্তা। বৈশ্বিক অর্থনীতি, ম্যানুফ্যাকচারিং, শিল্প উৎপাদন এবং মূলধনি পণ্যের ক্রয়াদেশ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাওয়ার সঙ্গে তীব্র প্রতিকূল ও অনিশ্চিত বাণিজ্য পরিবেশ সম্পৃক্ত বলে মন্তব্য করেন কারনি। এসব প্রতিবন্ধকতার ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ক্রমেই শ্লথ হয়ে পড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

  8. আপনার ধন্যবাদ সরিয়ে ফেলুন

    নিম্নলিখিত 2 সদস্য দরকারী পোস্টের জন্য SUROZ Islam কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    Unregistered (2 )

  9. #6 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য SUROZ Islam's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Jan 2018
    মন্তব্য
    318
    অর্জিত পেমেন্টস
    435.76 USD
    ধন্যবাদ
    301
    97 টি পোস্টের জন্য 444 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    এ মুহূর্তে পুরো বিশ্ব বাণিজ্যযুদ্ধ ও ব্রেক্সিটবিষয়ক অনিশ্চয়তা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। কিন্তু এর বাইরে আরো একটি আর্থিক সংকট দানা বেঁধে উঠছে, যা সামগ্রিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে। বছরের পর বছর ঋণ নেয়ায় আজ বিশাল ঋণের চাপে পর্যুদস্ত ইতালির সরকার। বর্তমানে দেশটির সরকারি ঋণের পরিমাণ ২ ট্রিলিয়ন পাউন্ড ছাড়িয়েছে, যা ইতালির জিডিপির ১৩০ শতাংশের বেশি। অন্যান্য আরো কিছু কারণসহ গত শতকের সত্তর ও আশির দশকে অনিয়ন্ত্রিত ব্যয়ের কারণে বর্তমানে ইতালির জাতীয় ঋণের পরিমাণ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম। এদিকে দেশটির এত বিশাল অংকের ঋণ ইউরোপীয় কমিশনের (ইসি) জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, ইউরো অঞ্চলের সদস্য দেশগুলোর ঋণ গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করে ইসি।

  10. #7 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Montu Zaman's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Feb 2018
    মন্তব্য
    648
    অর্জিত পেমেন্টস
    1,007.31 USD
    ধন্যবাদ
    389
    194 টি পোস্টের জন্য 564 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    ১২৯টি দেশ নিয়ে পরিচালিত দ্য গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০১৯-এর নতুন প্রতিবেদনটি গত বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থনৈতিক শ্লথগতি, পাল্লা দিয়ে বাণিজ্যযুদ্ধ এবং ব্যাপক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবন বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের মেধাস্বত্বের একজন সহস্পন্সর। গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০১৯ এর তথ্য অনুসারে শীর্ষে রয়েছে সুইজারল্যান্ড, সুইজারল্যান্ডের পরই রয়েছে সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস ও ব্রিটেন। এদিকে চীন আগের ১৭ থেকে ১৪তম স্থানে উঠে এসেছে। বিশ্বের প্রথম সারির উদ্ভাবনী দেশগুলোর মধ্যে চীন ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সের প্রতিবেদনে। উদ্ভাবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশটি উন্নতির স্বাক্ষর রেখেছে বলে জানিয়েছে এ প্রতিবেদন। মৌলিক পেটেন্ট, শিল্প পরিকল্পনা, মৌলিক ট্রেডমার্ক, উচ্চ প্রযুক্তি রফতানি এবং সৃজনশীল পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে দেশটি শীর্ষে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

  11. #8 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য BDFOREX TRADER's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Aug 2014
    মন্তব্য
    219
    অর্জিত পেমেন্টস
    238.47 USD
    ধন্যবাদ
    367
    88 টি পোস্টের জন্য 314 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) জানিয়েছে, এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শ্লথগতির প্রবৃদ্ধি করতে যাচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতি। সংস্থাটির মতে, ম্যানুফ্যাকচারিং কার্যক্রমের শ্লথগতি ও বাড়তে থাকা বাণিজ্য এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমাতে মূল ভূমিকা রাখছে। বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থাটি নিজেদের সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে পূর্বাভাস করেছে যে চলতি বছর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি হবে ৩ শতাংশ। এপ্রিলের পূর্বাভাসে ৩ দশমিক ৩ শতাংশের কথা জানিয়েছিল আইএমএফ। এবার নিয়ে পাঁচবার প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমাল সংস্থাটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হচ্ছে, ২০০৮-০৯ বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর চলতি বছর সবচেয়ে শ্লথগতির প্রবৃদ্ধি হবে। ২০২০ সালের জন্যও প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে আইএমএফ। এপ্রিলে ৩ দশমিক ৬ শতাংশের কথা বললেও আগামী বছর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হবে বলে এবার জানিয়েছে তারা।

  12. #9 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য FXBD's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Oct 2017
    মন্তব্য
    233
    অর্জিত পেমেন্টস
    24.95 USD
    ধন্যবাদ
    416
    77 টি পোস্টের জন্য 264 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক বাণিজ্য উত্তেজনাগুলো ও মুদ্রানীতি প্রশমিত হওয়ায় আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিক থেকে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করবে বলে পূর্বাভাস করেছে মার্কিন বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক মরগান স্ট্যানলি। এর মধ্য দিয়ে গত সাত প্রান্তিকের নিম্নমুখী প্রবণতায় ছেদ পড়বে। যা সিএনবিসি, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এর একটি রিপোর্টে উল্ল্যেখ করা হয়েছে। এছাড়াও গ্লোবাল আউটলুক ২০২০ প্রতিবেদনে মরগান স্ট্যানলির বিশ্লেষকরা জানান, প্রশমিত বাণিজ্য উত্তেজনা (যা বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি পতনের প্রধান কারণ) ব্যবসায় সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা হ্রাসের পাশাপাশি নীতি উদ্দীপনাগুলোকে আরো কার্যকর করবে। চলতি বছরের ৩ শতাংশের তুলনায় আগামী বছরের জন্য ৩ দশমিক ২ শতাংশ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস করেছে ব্যাংকটি।
    এদিকে চলতি বছর শেষে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ছয় বছরের সর্বনিম্ন ২ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়াবে বলে জুলাইয়ে পূর্বাভাস করেছিলেন ব্যাংকটির বিশ্লেষকরা। তবে এ মুহূর্তে পরিস্থিতি সামান্য পুনরুদ্ধার হতে দেখায়, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ৩ শতাংশ বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি আশা করছেন তারা।

  13. আপনার ধন্যবাদ সরিয়ে ফেলুন

    নিম্নলিখিত 9 সদস্য দরকারী পোস্টের জন্য FXBD কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    BDFOREX TRADER (11-19-2019),DhakaFX (11-19-2019),Montu Zaman (11-19-2019),Rakib Hashan (11-19-2019),Rassel Vuiya (11-19-2019),SaifulRahman (11-19-2019),SumonIslam (11-19-2019),SUROZ Islam (11-19-2019),Unregistered (1 )

  14. Device
  15. #10 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য FXBD's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Oct 2017
    মন্তব্য
    233
    অর্জিত পেমেন্টস
    24.95 USD
    ধন্যবাদ
    416
    77 টি পোস্টের জন্য 264 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    ইউরোমনিটর ইন্টারন্যাশনাল বিশ্লেষণ করে দেখেছে যে ২০২০ সালেও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মন্দা ভাব বজায় থাকবে, যদিও চলতি বছর বৈশ্বিক অর্থনীতি চাঙ্গা ভাব দিয়ে শুরু করলেও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করে। ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য শুল্ক ঝুঁকি, মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ব্যবসা ও গ্রাহক আস্থায় পতন এবং মন্থর উৎপাদন প্রবৃদ্ধি—সব মিলিয়ে চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাসের অবনতি ঘটেছে। বিশ্বব্যাপী পরিচালিত ব্যবসা জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, ব্যবসায়িক কার্যক্রমের প্রবৃদ্ধি ও আগামী বছরের জন্য ব্যবসা প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা ২০১৬ সালের পর সর্বনিম্নে দাঁড়িয়েছে।
    Click image for larger version

Name:	news_214459_1.jpg
Views:	20
Size:	31.8 কিলোবাইট
ID:	9610
    ২০১৯ সালের মাঝামাঝি থেকে বাণিজ্য উত্তেজনা বৃদ্ধি, বিশেষত উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মন্থর প্রবৃদ্ধির কারণে ব্যবসা আস্থা, ম্যানুফ্যাকচারিং ও বাণিজ্য প্রবৃদ্ধির আরো অবনতি ঘটেছে। ফলে বৈশ্বিক মন্দা, মন্থর উদীয়মান বাজার ও বৈশ্বিক সংকটের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও সম্প্রতি যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সমঝোতায় চুক্তিহীন ব্রেক্সিট সংক্রান্ত ঝুঁকি কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

  16. আপনার ধন্যবাদ সরিয়ে ফেলুন

    নিম্নলিখিত 9 সদস্য দরকারী পোস্টের জন্য FXBD কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    Montu Zaman (12-19-2019),Rakib Hashan (12-19-2019),Rassel Vuiya (12-19-2019),SaifulRahman (12-19-2019),SumonIslam (12-19-2019),SUROZ Islam (12-19-2019),Tofazzal Mia (12-19-2019),Unregistered (2 )

+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
পৃষ্ঠা 1 of 3 123 গতগত

মন্তব্য নিয়মাবলি

  • আপনি হয়ত নতুন পোস্ট করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত মন্তব্য লিখতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত সংযুক্তি সংযুক্ত করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত আপনার মন্তব্য পরিবর্তনপারবেন না
  • BB কোড হলো উপর
  • Smilies are উপর
  • [IMG] কোড হয় উপর
  • এইচটিএমএল কোড হল বন্ধ
বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম � উপস্থাপন
ফোরাম সেবায় আপনাকে স্বাগতম যেটি ভার্চুয়াল স্যালুন হিসেবে সকল স্তরের ট্রেডারদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ প্রদান করছে। ফরেক্স হলো একটি গতিশীল আর্থিক বাজার যেটি দিনে ২৪ঘন্টা খোলা থাকে। যে কেউ ব্রোকারেজ কোম্পানির মাধ্যমে এখানে কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। এই ফোরামে আপনি কারেন্সি মার্কেটে ট্রেডিং এবং মেটাট্রেডার ফোর ও মেটাট্রেডার ফাইভের মাধ্যমে অনলাইন ট্রেডিং সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ পাবেন।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম � ট্রেডিং আলোচনা
ফোরামের প্রত্যেক সদস্য বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, যার মধ্যে ফরেক্স সম্পর্কিত ও ফরেক্সের বাইরের বিভিন্ন বিষয়ও রয়েছে। ফোরাম বিভিন্ন মতামত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি অভিজ্ঞ ও নতুন উভয় ধরণের ট্রেডারদের জন্য উন্মুক্ত। পারস্পরিক সহায়তা এবং সহনশীলতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনি যদি অন্যদের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান অথবা ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে ট্রেডিং সম্পর্কিত আলোচনা "ফোরাম থ্রেড" এ আপনাকে স্বাগত।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম � ব্রোকার এবং ট্রেডারদের মধ্যে আলোচনা (ব্রোকার সম্পর্কে)
ফরেক্সে সফল হতে চাইলে, যথেষ্ট কৌশলের সাথে একটি ব্রোকারেজ কোম্পানি বাছাই করতে হবে। আপনার ব্রোকার সত্যিই নির্ভরযোগ্য সেটি নির্ধারণ করুন! এভাবে আপনি অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন এবং ফরেক্সে লাভজনক ট্রেড করতে পারবেন। ফোরামে একজন ব্রোকারের রেটিং উপস্থাপন করা হয়; এটি তাদের গ্রাহকদের রেখে যাওয়া মন্তব্য নিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যে ব্রোকার কোম্পানির সাথে কাজ করছেন সে কোম্পানি সম্পর্কে আপনার মতামত দিন, এটি অন্যান্য ট্রেডারদের ভুল সংশোধন করতে সাহায্য করবে এবং একজন ভালো ব্রোকার বাছাই করতে সাহায্য করবে।

অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম
এই ফোরামে আপনি শুধু ট্রেডিং এর বিষয় সম্পর্কেই কথা বলবেন না, সেইসাথে আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন। বিশেষ থ্রেডে অফটপিং ও করা যায়! আপনার পছন্দের যে কোন হাস্যরস, দর্শন, সামাজিক সমস্যা বা বাস্তব জ্ঞান সম্পর্কিত কথাবার্তা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন, এমনকি আপনি যদি পছন্দ করেন তাহলে ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কেও লিখতে পারবেন!

যোগদান করার জন্য বোনাস বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরামে
যারা ফোরামে লেখা পোষ্ট করবে তারা বোনাস হিসেবে অর্থ পাবে এবং সেই বোনাস একটি অ্যাকাউন্টে ট্রেডিং এর সময় ব্যবহার করতে পারবে. ফোরাম অর্থ মুনাফা লাভ করা নয়, অধিকন্তু, ফোরামে সময় ব্যয় করার জন্য এবং কারেন্সি মার্কেট ও ট্রেডিং সম্পর্কে মতামত শেয়ারের জন্য পুরষ্কার হিসেবে ফোরামিটিস অল্প কিছু বোনাস পায়।