আয় করুন
$50000
বন্ধুদের আমন্ত্রণ করার জন্য
ইন্সটাফরেক্স থেকে স্টার্টআপ
বোনাস নিন
কোন বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই!
কোনো বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি
ছাড়াই ট্রেডিং শুরু করতে
গ্রহণ করুন নতুন স্টার্টআপ
বোনাস $1000
বোনাস নিন
৫৫%
ইন্সটাফরেক্স থেকে
প্রতিবার অর্থ জমাদানে
+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
ফলাফল দেখাচ্ছে 1 হইতে 5 সর্বমোট 5

প্রসংগ: বাংলাদেশের পোশাক খাত

  1. #1 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Rassel Vuiya's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Feb 2018
    মন্তব্য
    268
    অর্জিত পেমেন্টস
    370.19 USD
    ধন্যবাদ
    336
    123 টি পোস্টের জন্য 657 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন

    বাংলাদেশের পোশাক খাত

    বিশ্ব বাজারে এখনও ভাবমূর্তির সংকট কাটাতে পারেনি দেশের তৈরি পোশাক খাত। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর পাঁচ বছর ধরে চলা সংস্কার প্রক্রিয়ার পরও 'মেড ইন বাংলাদেশ' ট্যাগ নিয়ে অস্বস্তি কাটেনি আন্তর্জাতিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর। তৈরি পোশাকের বড় বাজার ইউরোপিয় ইউনিয়নের ৭০ ভাগ ক্রেতা প্রতিষ্ঠানই নিজেদের পণ্যে বাংলাদেশের নাম ব্যবহারে অনাগ্রহী। রাজধানীতে এইচএসবিসি ও ইউএনডিপি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্লেষকরা বলেন, ইতিবাচক প্রচারণার অভাবেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে...

  2. #2 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Tofazzal Mia's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Feb 2018
    মন্তব্য
    406
    অর্জিত পেমেন্টস
    482.44 USD
    ধন্যবাদ
    252
    121 টি পোস্টের জন্য 632 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    এশিয়ার উন্নয়নশীল বেশ কয়েকটি দেশের জন্যই তৈরি পোশাক একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও রফতানি খাত। এশিয়ার অগ্রসরমান অর্থনীতিগুলোর বেশির ভাগেরই ৫০ শতাংশের বেশি রফতানি আয় আসে এ খাত থেকে। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী রূপ ধারণ করা নভেল করোনাভাইরাসের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে এশিয়ার রফতানিমুখী পোশাক খাত।
    ABF5D413-CD96-4BD7-ACB8-B824F5AF2ACC_w408_r1_s.jpg
    করোনা পরিস্থিতিতে এশিয়ার পোশাক উৎপাদকদের সামনে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুটি বিষয়। প্রথমত, এ অঞ্চলে উৎপাদিত তৈরি পোশাকের সিংহভাগ কাঁচামালই আসে চীন থেকে। আর নভেল করোনাভাইরাসের উত্পত্তি এ চীনে। দেশটিতে ভাইরাসটির সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে শুরু করলে প্রতিরোধের জন্য লকডাউনের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয় সরকার। এতে চীনে একের পর এক বস্ত্র কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। বিশ্বের সবচেয়ে বড় বস্ত্র রফতানিকারক দেশটি থেকে তৈরি পোশাকের কাঁচামাল সরবরাহে এ অচলাবস্থার শুরু গত ফেব্রুয়ারিতে।
    আর এখন যখন করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় চীনে কিছু বস্ত্র কারখানা উৎপাদনে ফিরেছে, তখন তৈরি পোশাক রফতানিকারকদের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে চাহিদা ইস্যু। এশিয়ার তৈরি পোশাকের প্রধান ক্রেতা উন্নত দেশগুলোর রিটেইলাররা, বিশেষ করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা। করোনা হানা দিয়েছে সেখানেও। ভাইরাসটির সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর সেসব দেশের সরকার কঠোরভাবে লকডাউন পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। আর এতে বেশির ভাগ রিটেইলার তাদের দোকানগুলো বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।
    বিদেশী ক্রেতাদের ব্যবসা সংকোচনের প্রভাব পড়েছে এশিয়ার তৈরি পোশাক উৎপাদন খাতে। অনেক রিটেইলারই এখন তাদের কার্যাদেশ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় থাকা পণ্যের কার্যাদেশ বাতিল করে দিচ্ছে তারা। এমনকি শিপমেন্টের জন্য প্রস্তুত এমন পণ্যও তারা আর নিতে চাইছে না। ফলে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো পড়েছে বিপাকে। তারা তাদের কর্মীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছে।

  3. #3 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য DhakaFX's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Oct 2017
    মন্তব্য
    376
    অর্জিত পেমেন্টস
    63.97 USD
    ধন্যবাদ
    451
    97 টি পোস্টের জন্য 325 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা) সূত্রে জানা গেছে, নভেল করোনাভাইরাস সংকটের কারণে দেশের শিল্প ও গার্মেন্টস কারখানাগুলোর বিপুল পরিমাণ রফতানি আদেশ বাতিল হয়। নতুন করে পোশাকের কার্যাদেশ না থাকায় এরই মধ্যে অনেক গার্মেন্টসের কাজ প্রায় শূন্য হয়ে পড়েছে। সরকারি নির্দেশনা মেনে ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এরই মধ্যে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সব ইপিজেড সাধারণ ছুটির আওতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সব গার্মেন্ট কারখানা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে বিজিএমইএ। ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সব রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধও করেছে বেপজা কর্তৃপক্ষ। এ বন্ধকালীন বা ছুটির সময়ে শ্রমিকদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে শ্রমিকদের স্বার্থ বিবেচনায় অনেক কারখানা লে-অফের সুবিধা চাইছে। ইপিজেডের কারখানাগুলো বন্ধ ঘোষণার আগেই অনেক কারখানা লে-অফের অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে। আবেদন বিবেচনায় অনেক কারখানাকে অনুমোদনও দেয়া হয়েছে। তবে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে বেপজা শ্রমিকদের স্বার্থকে সবার আগে দেখছে।

  4. #4 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Rakib Hashan's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Jan 2018
    মন্তব্য
    275
    অর্জিত পেমেন্টস
    563.81 USD
    ধন্যবাদ
    391
    103 টি পোস্টের জন্য 589 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন

    নভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার পর বিশ্ব বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে আসে, যার প্রভাবে একে একে ক্রয়াদেশ হারাতে থাকে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত। তবে এ দুর্যোগকালেও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি বেড়েছে। তবে তা করোনা সংকট শুরুর আগের ক্রয়াদেশের পণ্যের চালান বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। গত ৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের অধীনস্থ অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলসের (ওটিইএক্সএ) এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে দেশটিতে পোশাক আমদানি বেড়েছে ২ দশমিক ১৩ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে দেশটিতে পোশাকের মোট আমদানি হয় ২০৭ কোটি ৪৫ লাখ ৩৬ হাজার ডলার। ২০১৯ সালের একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ২০৩ কোটি ১২ লাখ ৮৯ হাজার ডলার। বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি বাড়লেও চীন, ভারত ও ভিয়েতনাম থেকে আমদানি কমেছে বলে দেখানো হয়েছে ওটিইএক্সএর ওই পরিসংখ্যানে। পোশাক পণ্য আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান উৎস দেশ চীন। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল—এ চার মাসে যুক্তরাষ্ট্রে চীন থেকে পোশাক আমদানি কমেছে ৪৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এছাড়া ভিয়েতনাম থেকে ১ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ভারত থেকে ১৩ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ পোশাক আমদানি কমেছে ওই সময়। ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন থেকে পোশাক আমদানি কমেছে যথাক্রমে ৮ দশমিক ৬৬ ও ২৯ দশমিক ২৭ শতাংশ। তবে কম্বোডিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাকের আমদানি ১৬ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়েছে এ সময়।

  5. আপনার ধন্যবাদ সরিয়ে ফেলুন

    নিম্নলিখিত 2 সদস্য দরকারী পোস্টের জন্য Rakib Hashan কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    Unregistered (2 )

  6. Options
  7. #5 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Mahmud1984fx's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Jul 2019
    অবস্থান
    Badda,Dhaka
    মন্তব্য
    680
    অর্জিত পেমেন্টস
    506.33 USD
    ধন্যবাদ
    380
    470 টি পোস্টের জন্য 1,241 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    বাংলাদেশের পোশাক খাত বিভিন্ন দিক থেকে বর্তমান পৃথিবীতে চরম হুমকির সম্মুখীন। একদিকে যেমন আমাদের পোশাক শিল্পের বিশ্বব্যাপী প্রচার-প্রসার খুবই সীমিত লেভেলে যার কারণে এখনও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৭০% ক্রেতাররা ”মেইড ইন বাংলাদেশ “ ট্যাগ ব্যবহারে আপত্তি জানিয়েছে, অপরদিকে বর্তমানে করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে বিশ্ববাজার এমনিতেই মন্দাভাব সেখানে আমাদের রাষ্ট্রীয় কোন বিশেষ ব্যবস্থা নেই যার মাধ্যমে পৃথিবীর অন্যান্য ক্রেতা রাষ্ট্রগুলোকে আকৃষ্ট করতে পারে।

+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর

মন্তব্য নিয়মাবলি

  • আপনি হয়ত নতুন পোস্ট করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত মন্তব্য লিখতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত সংযুক্তি সংযুক্ত করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত আপনার মন্তব্য পরিবর্তনপারবেন না
  • BB কোড হলো উপর
  • Smilies are উপর
  • [IMG] কোড হয় উপর
  • এইচটিএমএল কোড হল বন্ধ
বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম � উপস্থাপন
ফোরাম সেবায় আপনাকে স্বাগতম যেটি ভার্চুয়াল স্যালুন হিসেবে সকল স্তরের ট্রেডারদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ প্রদান করছে। ফরেক্স হলো একটি গতিশীল আর্থিক বাজার যেটি দিনে ২৪ঘন্টা খোলা থাকে। যে কেউ ব্রোকারেজ কোম্পানির মাধ্যমে এখানে কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। এই ফোরামে আপনি কারেন্সি মার্কেটে ট্রেডিং এবং মেটাট্রেডার ফোর ও মেটাট্রেডার ফাইভের মাধ্যমে অনলাইন ট্রেডিং সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ পাবেন।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম � ট্রেডিং আলোচনা
ফোরামের প্রত্যেক সদস্য বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, যার মধ্যে ফরেক্স সম্পর্কিত ও ফরেক্সের বাইরের বিভিন্ন বিষয়ও রয়েছে। ফোরাম বিভিন্ন মতামত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি অভিজ্ঞ ও নতুন উভয় ধরণের ট্রেডারদের জন্য উন্মুক্ত। পারস্পরিক সহায়তা এবং সহনশীলতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনি যদি অন্যদের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান অথবা ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে ট্রেডিং সম্পর্কিত আলোচনা "ফোরাম থ্রেড" এ আপনাকে স্বাগত।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম � ব্রোকার এবং ট্রেডারদের মধ্যে আলোচনা (ব্রোকার সম্পর্কে)
ফরেক্সে সফল হতে চাইলে, যথেষ্ট কৌশলের সাথে একটি ব্রোকারেজ কোম্পানি বাছাই করতে হবে। আপনার ব্রোকার সত্যিই নির্ভরযোগ্য সেটি নির্ধারণ করুন! এভাবে আপনি অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন এবং ফরেক্সে লাভজনক ট্রেড করতে পারবেন। ফোরামে একজন ব্রোকারের রেটিং উপস্থাপন করা হয়; এটি তাদের গ্রাহকদের রেখে যাওয়া মন্তব্য নিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যে ব্রোকার কোম্পানির সাথে কাজ করছেন সে কোম্পানি সম্পর্কে আপনার মতামত দিন, এটি অন্যান্য ট্রেডারদের ভুল সংশোধন করতে সাহায্য করবে এবং একজন ভালো ব্রোকার বাছাই করতে সাহায্য করবে।

অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম
এই ফোরামে আপনি শুধু ট্রেডিং এর বিষয় সম্পর্কেই কথা বলবেন না, সেইসাথে আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন। বিশেষ থ্রেডে অফটপিং ও করা যায়! আপনার পছন্দের যে কোন হাস্যরস, দর্শন, সামাজিক সমস্যা বা বাস্তব জ্ঞান সম্পর্কিত কথাবার্তা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন, এমনকি আপনি যদি পছন্দ করেন তাহলে ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কেও লিখতে পারবেন!

যোগদান করার জন্য বোনাস বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরামে
যারা ফোরামে লেখা পোষ্ট করবে তারা বোনাস হিসেবে অর্থ পাবে এবং সেই বোনাস একটি অ্যাকাউন্টে ট্রেডিং এর সময় ব্যবহার করতে পারবে. ফোরাম অর্থ মুনাফা লাভ করা নয়, অধিকন্তু, ফোরামে সময় ব্যয় করার জন্য এবং কারেন্সি মার্কেট ও ট্রেডিং সম্পর্কে মতামত শেয়ারের জন্য পুরষ্কার হিসেবে ফোরামিটিস অল্প কিছু বোনাস পায়।