অনেকদিন থেকেই ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট চলছে। তবে করোনা আতঙ্কে দেশের ব্যাংকগুলো থেকে নগদ টাকা তুলে নেয়ার প্রবণতা বহুগুণ বেড়েছে। কয়েক দিন থেকে ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকা এ প্রবণতা গতকাল আরো তীব্র হয়। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী টাকা সরবরাহ করতে অনেক ব্যাংকই হিমশিম খাচ্ছে। অনেক দিন থেকেই তারল্য সংকট চলছে দেশের আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারেও (কলমানি)। নগদ টাকার জন্য ব্যাংকগুলোর একমাত্র ভরসা এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ অবস্থায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যাংকগুলোকে দিনে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ ধার দিতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। ব্যাংকাররা বলছেন, পুঁজিবাজারের মতোই দেশের কলমানি বাজার ধসে পড়েছে। এ বাজার শুকিয়ে যাওয়ার পেছনে করোনাভাইরাসের প্রভাবই একমাত্র কারণ নয়। সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত তুলে নিচ্ছে। আমানতের সুদহার কমানোর বিরূপ প্রভাবও পড়েছে ব্যাংকিং খাতে। এছাড়া বেসরকারি খাতে ঋণ না দিয়ে সরকারি বিল-বন্ড কিনে নেয়ার প্রবণতাও এর কারণ। সামগ্রিক পরিস্থিতিকে দেশের অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতের জন্য বিপজ্জনক বলেই মনে করছেন তারা।