ইন্টারনেটে অর্থ লেনদেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজ পদ্ধতি হচ্ছে “পেপাল”। তবে দূর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য হচ্ছে বাংলাদেশে এর কোন সার্ভিস নেই এবং কবে নাগাদ এটি চালু হবে তা কেউ সঠিক করে বলতে পারে না। আর এজন্য সবচেয়ে বড় খেসারত দিতে হচ্ছে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সারদের ে। পেপাল না থাকার কারণে অনেক রাস্তা ঘুরিয়ে, বিভিন্ন সার্ভিস চার্জ দিয়ে সবশেষে টাকা হাতে পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে পেপালের বিকল্প না খোজে আমাদের আর কোন উপায় থাকে না। পেপালের প্রধান বিকল্প হিসেবে “মানিবুকার্স” নিয়ে এর আগে আমরা “কম্পিউটার জগৎ” এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলাম। এটি পেপালের মতই একটি সহজ ও জনপ্রিয় পেমেন্ট পদ্ধতি। তবে মানিবুকার্সের প্রধান সমস্যা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে এর কোন সার্ভিস নেই, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক কোন ওয়েবসাইট বা সেদেশের কোন ক্লায়েন্টের কাছ থেকে মানিবুকার্সের মাধ্যমে পেমেন্ট পাওয়া যায় না। সুতরাং মানিবুকার্সের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সারদের সমস্যার সমাধান পুরোপুরি হচ্ছে না। বিশেষ করে যারা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের ফি পাশ কাটিয়ে ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে সরাসরি টাকা পেতে চান তাদের জন্য মানিবুকার্স পেপালের ভাল বিকল্প নয়।এই পর্বে তৃতীয় আরেকটি পেমেন্ট পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব যা বাংলাদেশীদের জন্য একটি চমৎকার সমাধান বলা যায়। পদ্ধতিটি হচ্ছে এলার্টপে (www.AlertPay.com)। এটি একটি কানাডাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। ২০০৪ সালে মাত্র ৬ জন কর্মচারী নিয়ে এলার্টপে যাত্রা শুরু করে এখন এটি ৭০ জনের অধিক কর্মচারী এবং ৪৫ লক্ষের বেশি ব্যবহারকারী নিয়ে একটি বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৪,৫০০ নতুন ব্যাবহারকারী এলার্টপে সাইটের রেজিষ্ট্রেশন করছে। বিশ্বের ১৯০ টি দেশে এর সার্ভিস রয়েছে, যাতে ২৩টি মূদ্রায় অর্থ লেনদেন করা যায়। এলার্টপে ৪৬টি দেশে আঞ্চলিক ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান করে থাকে।