+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
ফলাফল দেখাচ্ছে 1 হইতে 3 সর্বমোট 3

প্রসংগ: কাঠামোগত দুর্বলতার ফাঁদে আটকা পড়েছে ব্যাংক

  1. #1 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য BDFOREX TRADER's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Aug 2014
    মন্তব্য
    398
    অর্জিত পেমেন্টস
    274.80 USD
    ধন্যবাদ
    1,289
    193 টি পোস্টের জন্য 703 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0

    কাঠামোগত দুর্বলতার ফাঁদে আটকা পড়েছে ব্যাংক

    ঢাকার মতিঝিল-গুলশান আর চট্টগ্রামের কোতোয়ালি-ডবলমুরিং থানাকে কেন্দ্র করে ঘুরপাক খাচ্ছে দেশের ব্যাংক খাত। এ চারটি থানাভুক্ত এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখাগুলোর মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকার ঋণ, যা দেশের মোট ব্যাংকঋণের ৫৭ শতাংশেরও বেশি। ধনীদের বসবাস ও ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত এসব এলাকায় বিতরণকৃত ঋণ গিয়েছে মূলত বৃহৎ করপোরেট ও ট্রেড ফাইন্যান্সে। দশকের পর দশক ধরে গড়ে ওঠা এ কাঠামোকেই দেশের ব্যাংক খাতের বড় বিপদের কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের ভাষ্যমতে, করোনাসৃষ্ট আর্থিক দুর্যোগ ও পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতি দেশের ব্যাংক খাতে প্রচুর পরিমাণে অলস তারল্য তৈরি করেছে, যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। সুদহার ৫-৬ শতাংশে নামিয়েও এখন বড় করপোরেটকে ঋণ দিতে পারছে না ব্যাংকগুলো। অন্যদিকে ঋণের খরা চলছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান এবং কুটির শিল্প (সিএসএমই) খাতে। কৃষি খাতের দশাও তথৈবচ। এ পরিস্থিতিতে খাত দুটিতে নতুন ঋণ দেয়া দূরের কথা, সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজও বাস্তবায়ন করতে পারেনি ব্যাংকগুলো। এজন্য দায়ী করা হচ্ছে ব্যাংকগুলোর কাঠামোগত সীমাবদ্ধতাকেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের ব্যাংক খাত বেড়ে উঠেছে বৃহৎ শিল্প ও ধনীদের ঋণ দেয়ার মানসিকতা নিয়ে। দেশের ব্যাংকগুলোর কাঠামোগত ভিতও তৈরি হয়েছে বড় ঋণকে কেন্দ্র করে। এ কারণে বড় ঋণের চাহিদা না থাকায় ব্যাংকগুলোর নতুন বিনিয়োগ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। অন্যদিকে সিএসএমই, কৃষি ও মধ্যবিত্তের ব্যক্তিগত ঋণের চাহিদা থাকলেও সেখানে যেতে পারছে না ব্যাংকগুলো। এজন্য মূলত ব্যাংকিং প্রডাক্টে বৈচিত্র্যের অভাব ও ব্যাংকারদের মানসিকতাই সবচেয়ে বেশি দায়ী।

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


  2. আপনার ধন্যবাদ সরিয়ে ফেলুন

    নিম্নলিখিত 4 সদস্য দরকারী পোস্টের জন্য BDFOREX TRADER কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    DhakaFX (2021-02-25),FXBD (2021-02-25),Montu Zaman (2021-02-25),Unregistered (1 )

  3. #2 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য Rakib Hashan's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Jan 2018
    মন্তব্য
    419
    অর্জিত পেমেন্টস
    636.42 USD
    ধন্যবাদ
    811
    219 টি পোস্টের জন্য 1,535 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0
    মূলধন ঘাটতি ২৯ হাজার কোটি টাকা, লভ্যাংশ দিতে পারবে না ১০ ব্যাংক।ছাড় নিয়ে খেলাপি ঋণ কম দেখাতে পারলেও মূলধন ঘাটতি থেকে বেরোতে পারছে না কয়েকটি ব্যাংক। গত ডিসেম্বর শেষে ১০ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দেখা দিয়েছে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা। এ পরিমাণ অর্থ দিয়ে ৫৮টি নতুন ব্যাংকের মূলধন জোগান দেওয়া সম্ভব। ঘাটতিতে থাকা ব্যাংকগুলোর মধ্যে ৭টি সরকারি ও ৩টি বেসরকারি খাতের। লভ্যাংশ দেওয়ার বিষয়টি মূলধন সক্ষমতার সঙ্গে জুড়ে দেওয়ায় এসব ব্যাংক এবার লভ্যাংশ দিতে পারবে না।
    ব্যাংকের মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ অথবা ৪০০ কোটি টাকার মধ্যে যা বেশি, কমপক্ষে সেই পরিমাণ মূলধন রাখতে হয়। ঘাটতি থাকা অবস্থায় লভ্যাংশ দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে অনেক ব্যাংক প্রভিশন সংরক্ষণে বাড়তি সময় নিয়ে লভ্যাংশ দিয়ে আসছিল। করোনার প্রভাব শুরুর পর ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো লভ্যাংশ বিতরণে সীমা আরোপ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০২০ সালের জন্যও ব্যাংক ইচ্ছেমতো লভ্যাংশ দিতে পারবে না।
    Name: 156170342_3836788916415603_8780508218825421575_n.jpg Views: 13 Size: 44.4 কিলোবাইট
    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর শেষে সরকারি ৭টি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ২৫ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা ঘাটতি জনতা ব্যাংকের। সোনালী ব্যাংকের ঘাটতি তিন হাজার ৬৪ কোটি টাকা। অগ্রণী ব্যাংক ডিসেম্বর শেষে তিন হাজার ২ কোটি টাকার ঘাটতিতে পড়েছে। বেসিক ব্যাংকের ঘাটতি এক হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে এক হাজার ৪৫৮ কোটি ও রূপালী ব্যাংকে ঘাটতি রয়েছে ৬৭২ কোটি টাকা। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের ঘাটতি এক হাজার ৬২২ কোটি টাকা। বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে এক হাজার ৩৫ কোটি টাকা ও পদ্মা ব্যাংকে ৩১০ কোটি টাকা ঘাটতি রয়েছে।
    এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রভিশন সংরক্ষণে বাড়তি সময় না নেওয়া ব্যাংকের মূলধন ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১৫ শতাংশের বেশি হলে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ নগদসহ ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে পারবে। গত ডিসেম্বর শেষে এ তালিকায় রয়েছে- সরকারি মালিকানার প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, বিডিবিএলসহ ২০টি ব্যাংক। এর মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে- ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ঢাকা ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, আল-আরাফাহ্* ইসলামী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ও পূবালী ব্যাংক। আর নতুন প্রজন্মের মধুমতি ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, সীমান্ত ও কমিউনিটি ব্যাংকও রয়েছে এ তালিকায়। সাড়ে ১৩ থেকে ১৫ শতাংশের নিচে মূলধন থাকা ব্যাংক সাড়ে ১২ শতাংশ নগদসহ ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে পারবে। এ তালিকায় রয়েছে- ইউসিবিএল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, শাহ্*জালাল ইসলামী ব্যাংক, প্রিমিয়ার ও এসআইবিএল ব্যাংক। মূলধন ১১ দশমিক ৮৭ শতাংশ থেকে সাড়ে ১৩ শতাংশের নিচে হলে ওই ব্যাংক সাড়ে ৭ শতাংশ নগদসহ ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে পারবে। এ তালিকায় রয়েছে- মার্কেন্টাইল, ন্যাশনাল, এনসিসি, ওয়ান, ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম, স্ট্যান্ডার্ড, এসবিএসসি ও এনআরবিসি ব্যাংক। আর ১০ দশমিক ৭২৫ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ৮৭৫ শতাংশের নিচে রয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, আইএফআইসি, ইউনিয়ন, এবি ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক।

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


  4. #3 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য SaifulRahman's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Nov 2017
    মন্তব্য
    495
    অর্জিত পেমেন্টস
    71.91 USD
    ধন্যবাদ
    809
    231 টি পোস্টের জন্য 1,186 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0
    Name: banking-activities.jpg Views: 224 Size: 45.7 কিলোবাইট
    বড় অঙ্কের মূলধন ঘাটতিতে ১১ ব্যাংক, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ২৪ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতিতে পড়েছে ১১টি ব্যাংক। বড় অঙ্কের এই ঘাটতি ব্যাংকগুলোর নাজুক পরিস্থিতিকে উন্মোচিত করেছে।মূলধন ঘাটতিতে থাকা ব্যাংকগুলো হলো- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক ও এবি ব্যাংক।ইতোপূর্বে সংঘটিত দুর্নীতির জের ধরে ব্যাংকগুলো এই বিরাট অঙ্কের মূলধন ঘাটতির মুখে পড়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক মার্চ পর্যন্ত ১১ হাজার ২২৯ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতির সম্মুখীন হয়েছে, যা আগের তিন মাসের চেয়ে চার শতাংশ বেশি।একই সময় সোনালী ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি তিন হাজার ৬৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে তিন হাজার ৬৯৭ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এ সমস্যাটির ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। কারণ, এ ধরনের পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে ব্যাংকিংখাত নিয়ে নেতিবাচক বার্তা দেয়।’তিনি জানান, কোনো দেশে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিদেশি ব্যবসায়ীরা সাধারণত ব্যাংকের মূলধনের ভিত্তি ও খেলাপী ঋণ পর্যবেক্ষণ করে।এ ধরনের মূলধন ঘাটতি তাদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।তবে ইতিবাচক দিক হচ্ছে, তিন মাস আগে দেশের ব্যাংকিং খাতে ১৫ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা মূলধন উদ্বৃত্ত থাকলেও মার্চে তা বেড়ে ১৬ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রেগুলেটরি ফরবিয়ারেন্সের কারণে প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) জনতা ব্যাংকের মূলধন পরিস্থিতি যথেষ্ট উন্নতি হয়।রেগুলেটরি ফরবিয়ারেন্স এমন একটি নীতি, যার মাধ্যমে মূলধন পুরোপুরি নি:শেষ হয়ে গেলেও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অর্থাৎ, ব্যাংকিং নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করার ক্ষেত্রে এটি এক ধরনের ছাড়।প্রত্যেক ব্যাংককে খেলাপী ও সাধারণ ঋণের (যেটি খেলাপী হয়নি) বিপরীতে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা আমানতকারীদের স্বার্থে আলাদা করে রাখতে হয়, যাকে প্রভিশন বলা হয়।এই ধরনের প্রয়োজনীয় প্রভিশন রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক ছাড় দেয় জনতা ব্যাংককে। এর ফলে জনতা ব্যাংকের মূলধন কৃত্রিমভাবে বেড়ে যায়।কিন্তু এই ফরবিয়ারেন্স পাওয়া সত্ত্বেও, গত মার্চে জনতা ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দাঁড়ায় ৪১৭ কোটি টাকা, যা তিন মাস আগে ছিলো পাঁচ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা।তবে, জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুস সালাম আজাদ জানান, গত মাসে আরেকটি রেগুলেটরি ফরবিয়ারেন্স পাওয়ায় ব্যাংকটিতে এখন ছয় হাজার ১৭ কোটি টাকার মূলধন উদ্বৃত্ত রয়েছে।ব্যাংকটিকে গত মাসে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় মূলধন রাখার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমানে যে মূলধন রাখার কথা ছিলো, জনতা ব্যাংক আগামী চার বছরে তা পর্যায়ক্রমে রাখতে পারবে।আজাদ বলেন, ‘নীতিমালার এই ছাড়ের কারণে গত বছর আমরা ১৪ দশমিক ৪৫ কোটি টাকা নিট মুনাফা করেছি।’এদিকে, মার্চে বেসিক ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দাঁড়ায় এক হাজার ৭২ কোটি টাকা। আগের প্রান্তিকের চেয়ে এটি ২৮ দশমিক ১৫ শতাংশ কম।বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনিসুর রহমান জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেসিক ব্যাংককে নিট ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। মূলধন ঘাটতি জের ধরে এই পরিস্থিতির উদ্ভব।তিনি বলেন, ‘আমরা খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছি। ঘাটতি কমাতে সহায়তা করবে এটি।’এ ছাড়া, ব্যাংকটি বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কাছে স্বল্প সুদে আমানত খোঁজ করছে।তবে, ব্যাংকটির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বেসিক ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের বড় অংশ এখন খেলাপী। এর প্রায় ৯০ শতাংশই আদায়যোগ্য নয়।এ সময়ের মধ্যে ব্যাংকটি থেকে অন্তত চার হাজার ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তৎকালীন চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুসহ ব্যাংকটির আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বোর্ড সদস্য এতে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ আছে।২০০৯ সাল থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ব্যাংকটি উচ্চ সুদে দীর্ঘমেয়াদি আমানত ব্যবস্থা নিয়েছিলো। এসব আমানত এখন ব্যাংকের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই উচ্চ সুদ মূলধন ঘাটতির অন্যতম একটি কারণ।ওই ব্যাংক কর্মকর্তা আরও বলেন, বেসিক ব্যাংক যদি সরকারি সংস্থাগুলোর কাছ থেকে স্বল্প খরচে আমানত পেতে সক্ষম হয়, তবে তারা সুন্দরভাবে ব্যালেন্সশিট ব্যবস্থাপনা করতে পারবে। পাশাপাশি, তা মুনাফাও অর্জন সাহায্য করবে।মার্চে ব্যাংকিং খাতে গড় মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাত দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশে দাঁড়ায়, যা ডিসেম্বরে ছিল ১১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এর অর্থ, প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকিংখাতে মূলধনের সামগ্রিক ভিত্তি একটু শক্ত হয়েছে।

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


  5. নিম্নলিখিত দরকারী পোস্টের জন্য SaifulRahman কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    SumonIslam (2021-06-08)

+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর

মন্তব্য নিয়মাবলি

  • আপনি হয়ত নতুন পোস্ট করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত মন্তব্য লিখতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত সংযুক্তি সংযুক্ত করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত আপনার মন্তব্য পরিবর্তনপারবেন না
  • BB কোড হলো উপর
  • Smilies are উপর
  • [IMG] কোড হয় উপর
  • এইচটিএমএল কোড হল বন্ধ
বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম – উপস্থাপন
ফোরাম সেবায় আপনাকে স্বাগতম যেটি ভার্চুয়াল স্যালুন হিসেবে সকল স্তরের ট্রেডারদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ প্রদান করছে। ফরেক্স হলো একটি গতিশীল আর্থিক বাজার যেটি দিনে ২৪ঘন্টা খোলা থাকে। যে কেউ ব্রোকারেজ কোম্পানির মাধ্যমে এখানে কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। এই ফোরামে আপনি কারেন্সি মার্কেটে ট্রেডিং এবং মেটাট্রেডার ফোর ও মেটাট্রেডার ফাইভের মাধ্যমে অনলাইন ট্রেডিং সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ পাবেন।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম – ট্রেডিং আলোচনা
ফোরামের প্রত্যেক সদস্য বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, যার মধ্যে ফরেক্স সম্পর্কিত ও ফরেক্সের বাইরের বিভিন্ন বিষয়ও রয়েছে। ফোরাম বিভিন্ন মতামত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি অভিজ্ঞ ও নতুন উভয় ধরণের ট্রেডারদের জন্য উন্মুক্ত। পারস্পরিক সহায়তা এবং সহনশীলতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনি যদি অন্যদের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান অথবা ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে ট্রেডিং সম্পর্কিত আলোচনা "ফোরাম থ্রেড" এ আপনাকে স্বাগত।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম – ব্রোকার এবং ট্রেডারদের মধ্যে আলোচনা (ব্রোকার সম্পর্কে)
ফরেক্সে সফল হতে চাইলে, যথেষ্ট কৌশলের সাথে একটি ব্রোকারেজ কোম্পানি বাছাই করতে হবে। আপনার ব্রোকার সত্যিই নির্ভরযোগ্য সেটি নির্ধারণ করুন! এভাবে আপনি অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন এবং ফরেক্সে লাভজনক ট্রেড করতে পারবেন। ফোরামে একজন ব্রোকারের রেটিং উপস্থাপন করা হয়; এটি তাদের গ্রাহকদের রেখে যাওয়া মন্তব্য নিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যে ব্রোকার কোম্পানির সাথে কাজ করছেন সে কোম্পানি সম্পর্কে আপনার মতামত দিন, এটি অন্যান্য ট্রেডারদের ভুল সংশোধন করতে সাহায্য করবে এবং একজন ভালো ব্রোকার বাছাই করতে সাহায্য করবে।

অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম
এই ফোরামে আপনি শুধু ট্রেডিং এর বিষয় সম্পর্কেই কথা বলবেন না, সেইসাথে আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন। বিশেষ থ্রেডে অফটপিং ও করা যায়! আপনার পছন্দের যে কোন হাস্যরস, দর্শন, সামাজিক সমস্যা বা বাস্তব জ্ঞান সম্পর্কিত কথাবার্তা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন, এমনকি আপনি যদি পছন্দ করেন তাহলে ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কেও লিখতে পারবেন!

যোগদান করার জন্য বোনাস বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরামে
যারা ফোরামে লেখা পোষ্ট করবে তারা বোনাস হিসেবে অর্থ পাবে এবং সেই বোনাস একটি অ্যাকাউন্টে ট্রেডিং এর সময় ব্যবহার করতে পারবে. ফোরাম অর্থ মুনাফা লাভ করা নয়, অধিকন্তু, ফোরামে সময় ব্যয় করার জন্য এবং কারেন্সি মার্কেট ও ট্রেডিং সম্পর্কে মতামত শেয়ারের জন্য পুরষ্কার হিসেবে ফোরামিটিস অল্প কিছু বোনাস পায়।