+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর
ফলাফল দেখাচ্ছে 1 হইতে 1 সর্বমোট 1

প্রসংগ: ডিএসইর ‘ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক)’ আবেদনের সময় বেড়েছে

  1. #1 সঙ্কুচিত পোস্ট
    প্রবীণ সদস্য BDFOREX TRADER's Avatar
    নিবন্ধনের তারিখ
    Aug 2014
    মন্তব্য
    398
    অর্জিত পেমেন্টস
    274.80 USD
    ধন্যবাদ
    1,289
    193 টি পোস্টের জন্য 703 বার ধন্যবাদ পেয়েছেন
    সাবস্ক্রাইব করুনসাবস্ক্রাইব করুন
    সাবস্ক্রাইব করা: 0

    ডিএসইর ‘ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক)’ আবেদনের সময় বেড়েছে

    নতুন ‘ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক)’-এর আবেদনের জন্য সময় বাড়িয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদ। সম্ভাব্য আবেদনকারীর সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে আবেদনের সময়সীমা ১৮ মার্চের পরিবর্তে ২৮ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলে ডিএসইর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। গত ২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইর ৯৯০তম পর্ষদ সভায় সংশ্লিষ্ট আইন, স্কিম, বিধিমালা ও প্রবিধানমালা অনুযায়ী যোগ্যতার ভিত্তিতে এক্সচেঞ্জটির অধীনে সিকিউরিটিজ লেনদেন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ট্রেক ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ডিমিউচুয়ালাইজেশন তথা স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনাকে আলাদা করা-সংক্রান্ত আইনে স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের বাইরেও শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ দেয়ার বিধান রয়েছে। এর আওতায় কেউ ব্রোকারেজ সেবা দিতে চাইলে তাকে ট্রেক নিতে হবে। বিধি অনুসারে, ব্রোকার হাউজ চালু করতে হলে স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদেরও ট্রেক নিতে হয়। তবে স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য ও ট্রেকহোল্ডারের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের ভোটাধিকার আছে। স্টক এক্সচেঞ্জ লভ্যাংশ ঘোষণা করলে তারা ওই লভ্যাংশ পেয়ে থাকে। কিন্তু ট্রেকহোল্ডারের ভোটাধিকার ও লভ্যাংশ পাওয়ার অধিকার থাকবে না।
    ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইনের আলোকে ট্রেক ইস্যুর জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সর্বশেষ কমিশন ট্রেক ইস্যু-সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু সেই কমিশন খসড়া বিধিমালা অনুমোদন করে যেতে পারেনি। বর্তমান কমিশনের মেয়াদে গত ১২ নভেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট) বিধিমালা, ২০২০-এর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ট্রেক ইস্যুর বিষয়ে সময়ক্ষেপণের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ জানুয়ারি বিএসইসি এক চিঠিতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে এ-সংক্রান্ত পরিকল্পনা জানানোর নির্দেশ দেয়। চিঠিতে এক্সচেঞ্জ দুটিকে পরিকল্পনা জানানোর জন্য ১৫ দিনের সময় বেঁধে দেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ডিএসই ট্রেক ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
    ট্রেক রুলস অনুযায়ী, প্রতিটি সনদের জন্য নিবন্ধন ফি দিতে হবে ১ কোটি টাকা। তবে ডিএসই শুরু থেকেই ট্রেক মূল্য আরো বেশি থাকার যুক্তি দেখিয়ে বিএসইসির নির্ধারিত ফি নিয়ে বিরোধিতা করে আসছে। এমনকি ডিএসইর পর্ষদের মধ্যেও এ নিয়ে বিরোধ দেখা গেছে। ডিএসইর আপত্তির কারণে আগের কমিশন ট্রেক বিধিমালা প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি। তারা পরবর্তী কমিশনের কাছে এ দায়িত্ব দিয়ে যায়। এরপর অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন ট্রেক বিধিমালা চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ নভেম্বর ট্রেক বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়।
    গেজেট অনুযায়ী, কোম্পানি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কমিশনের অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠান স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক কিনতে পারবে। এ জন্য ১ লাখ টাকা ফিসহ এক্সচেঞ্জ বরাবর আবেদন করতে হবে। আর ১ কোটি টাকা দিতে হবে নিবন্ধন ফি হিসেবে। এই ফির অংক নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে ডিএসই।
    তাদের মতে, সর্বশেষ ২০১৩ সালে ডিএসইর একটি মেম্বারশিপ বিক্রি করা হয়েছে ৩২ কোটির বেশি টাকায়। এমনকি কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির দর হিসেবে একটি ব্রোকারেজ হাউজের দাম রয়েছে ১৫ কোটি টাকা। সেখানে এখন অনেক কমে ট্রেক ইস্যু করা হবে। বিএসইসির খসড়ার আলোকে মতামত দেয়ার জন্য গত ৮ জুলাই ডিএসইর পর্ষদ ৫ কোটি টাকা নিবন্ধন ফিতে ট্রেক বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া আবেদন ফি ১০ লাখ টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যা বিএসইসিকে জানানো হয়।
    তবে নতুন ট্রেকহোল্ডাররা যেহেতু স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডার হবে না এবং তারা শুধু শেয়ার ও ইউনিট বেচাকেনা করার সুযোগ পাবে, ফলে লভ্যাংশ পাবে না, সেহেতু এসব বিষয় বিবেচনায় নির্ধারিত নিবন্ধন ফি যৌক্তিক বলে মনে করছে কমিশন। চূড়ান্ত বিধিমালা অনুযায়ী, ট্রেক নেয়ার জন্য কমপক্ষে ৫ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে ও স্টক এক্সচেঞ্জে ৩ কোটি টাকা জামানত দিতে হবে। তবে বিদেশীদের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রেক নেয়ার ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধন ৮ কোটি টাকা ও শুধু বিদেশীদের ক্ষেত্রে ১০ কোটি টাকার কথা বলা হয়েছে। আর জামানতের ক্ষেত্রে বিদেশীদের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রেক নেয়ার জন্য ৪ কোটি টাকা ও শুধু বিদেশীদের জন্য ৫ কোটি টাকার কথা বলা হয়েছে। আর ট্রেকের বার্ষিক ফি হিসেবে ১ লাখ টাকার কথা বলা হয়েছে।
    স্টক এক্সচেঞ্জ ট্রেক সনদ ইস্যুর লক্ষ্যে দুটি দৈনিক সংবাদপত্রে (ইংরেজি ও বাংলা) ও এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রদান করবে। এক্সচেঞ্জ ট্রেক প্রাপ্তির যোগ্যতা পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই করে সন্তুষ্ট হলে ট্রেক ইস্যু করবে। ট্রেক নেয়ার ছয় মাসের মধ্যে কোনো প্রতিষ্ঠান ব্যবসা শুরু করতে না পারলে তার সনদ বাতিল হয়ে যাবে।

    অর্থ বাজারে ট্রেড করার ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক উপায়ে ট্রেড করতে পারলে এখানে অতিরিক্ত উপার্জন করা সম্ভব। ইন্সটাফরেক্স এর মতো নির্ভরযোগ্য ব্রোকার বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আর্থিক স্বাধীনতার দিকে আপনার পথ উন্মুক্ত হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন।


  2. আপনার ধন্যবাদ সরিয়ে ফেলুন

    নিম্নলিখিত 4 সদস্য দরকারী পোস্টের জন্য BDFOREX TRADER কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন:

    DhakaFX (2021-03-18),FXBD (2021-03-18),Montu Zaman (2021-03-18),Unregistered (1 )

+ প্রসঙ্গে প্রত্যুত্তর

মন্তব্য নিয়মাবলি

  • আপনি হয়ত নতুন পোস্ট করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত মন্তব্য লিখতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত সংযুক্তি সংযুক্ত করতে পারবেন না
  • আপনি হয়ত আপনার মন্তব্য পরিবর্তনপারবেন না
  • BB কোড হলো উপর
  • Smilies are উপর
  • [IMG] কোড হয় উপর
  • এইচটিএমএল কোড হল বন্ধ
বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম – উপস্থাপন
ফোরাম সেবায় আপনাকে স্বাগতম যেটি ভার্চুয়াল স্যালুন হিসেবে সকল স্তরের ট্রেডারদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ প্রদান করছে। ফরেক্স হলো একটি গতিশীল আর্থিক বাজার যেটি দিনে ২৪ঘন্টা খোলা থাকে। যে কেউ ব্রোকারেজ কোম্পানির মাধ্যমে এখানে কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। এই ফোরামে আপনি কারেন্সি মার্কেটে ট্রেডিং এবং মেটাট্রেডার ফোর ও মেটাট্রেডার ফাইভের মাধ্যমে অনলাইন ট্রেডিং সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ পাবেন।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম – ট্রেডিং আলোচনা
ফোরামের প্রত্যেক সদস্য বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, যার মধ্যে ফরেক্স সম্পর্কিত ও ফরেক্সের বাইরের বিভিন্ন বিষয়ও রয়েছে। ফোরাম বিভিন্ন মতামত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি অভিজ্ঞ ও নতুন উভয় ধরণের ট্রেডারদের জন্য উন্মুক্ত। পারস্পরিক সহায়তা এবং সহনশীলতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনি যদি অন্যদের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান অথবা ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে ট্রেডিং সম্পর্কিত আলোচনা "ফোরাম থ্রেড" এ আপনাকে স্বাগত।

বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম – ব্রোকার এবং ট্রেডারদের মধ্যে আলোচনা (ব্রোকার সম্পর্কে)
ফরেক্সে সফল হতে চাইলে, যথেষ্ট কৌশলের সাথে একটি ব্রোকারেজ কোম্পানি বাছাই করতে হবে। আপনার ব্রোকার সত্যিই নির্ভরযোগ্য সেটি নির্ধারণ করুন! এভাবে আপনি অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন এবং ফরেক্সে লাভজনক ট্রেড করতে পারবেন। ফোরামে একজন ব্রোকারের রেটিং উপস্থাপন করা হয়; এটি তাদের গ্রাহকদের রেখে যাওয়া মন্তব্য নিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যে ব্রোকার কোম্পানির সাথে কাজ করছেন সে কোম্পানি সম্পর্কে আপনার মতামত দিন, এটি অন্যান্য ট্রেডারদের ভুল সংশোধন করতে সাহায্য করবে এবং একজন ভালো ব্রোকার বাছাই করতে সাহায্য করবে।

অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরাম
এই ফোরামে আপনি শুধু ট্রেডিং এর বিষয় সম্পর্কেই কথা বলবেন না, সেইসাথে আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় সম্পর্কে কথা বলতে পারবেন। বিশেষ থ্রেডে অফটপিং ও করা যায়! আপনার পছন্দের যে কোন হাস্যরস, দর্শন, সামাজিক সমস্যা বা বাস্তব জ্ঞান সম্পর্কিত কথাবার্তা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন, এমনকি আপনি যদি পছন্দ করেন তাহলে ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কেও লিখতে পারবেন!

যোগদান করার জন্য বোনাস বাংলাদেশ ফরেক্স ফোরামে
যারা ফোরামে লেখা পোষ্ট করবে তারা বোনাস হিসেবে অর্থ পাবে এবং সেই বোনাস একটি অ্যাকাউন্টে ট্রেডিং এর সময় ব্যবহার করতে পারবে. ফোরাম অর্থ মুনাফা লাভ করা নয়, অধিকন্তু, ফোরামে সময় ব্যয় করার জন্য এবং কারেন্সি মার্কেট ও ট্রেডিং সম্পর্কে মতামত শেয়ারের জন্য পুরষ্কার হিসেবে ফোরামিটিস অল্প কিছু বোনাস পায়।