Name: Screenshot_20220504-234933.png Views: 1 Size: 777.3 KB ID: 17694
এমন ঘটনা আগে থেকেই অনুমান করা যাচ্ছিলো রাশিয়া ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধের প্রভাব সকল বিশ্বেই পরবে। চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মূদ্রাস্ফীতি নজিরবিহীন পর্যায়ে বেড়ে গেছে। বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষণা করেছে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে মুদ্রাস্ফীতির হার বেড়ে সাত দশমিক পাঁচ শতাংশে পৌঁছেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইতিহাসে এটাই মুদ্রাস্ফীতি সর্বোচ্চ হার। ১৯৯৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের গড় মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল মাত্র ১.৬ শতাংশ। ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে গ্যাস এবং রাসায়নিক সারের ক্রমবর্ধমান মূল্য উদ্বেগজনক হারে বেড়ে গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এসব পণ্য রাশিয়া থেকেই আমদানি করে। এছাড়াও আমেরিকা রাশিয়া থেকে বিভিন্ন পণ্য বিশেষ করে খাদ্য সামগ্রী আমদানি করে। আমেরিকায় ওইসব পণ্যের দামও নজিরবিহীনভাবে বেড়ে গেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ এখন তৃতীয় মাসে পড়েছে। এ পর্যন্ত ২৫ টি দেশ কিয়েভকে বিভিন্ন রকমের সামরিক অস্ত্র পাঠিয়েছে। যদিও রাশিয়া বরাবরই বলে আসছে ইউক্রেন দখল করার কোন ইচ্ছা তাদের নেই। তারপরও ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগদানের জন্য বারবার অনুরোধ করছে। ওই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমা বহু দেশ রুশ সীমান্তের কাছাকাছি এগিয়ে এসেছে এবং তারা কয়েক মিলিয়ন ডলার ইউক্রেনকে দিয়েছে। তাদের সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তার কারণে রাশিয়া দোনেস্ক ও লুহানস্কের কর্মকর্তাদের সাহায্যের আবেদনে সাড়া দেয় রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। এমনকি দোনবাস অঞ্চলে সামরিক অভিযানেরও নির্দেশ দেয়। তারপরই ইউক্রেনের সামরিক অবস্থানকে টার্গেট করে রুশ ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য সমরাস্ত্র। পুতিন বরাবরই বলে আসছেন বিশেষ এই অভিযানের লক্ষ্য হলো ইউক্রেনকে নাৎসিমুক্ত করা এবং নিরস্ত্রীকরণ করা। রুশ প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন পশ্চিমারা যদি ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয় কিংবা ভাড়াটে সেনা পাঠায় তাহলে ইউক্রেন রক্তাক্ত পরিস্থিতির সম্মুখিন হবে। মস্কো বারবার পশ্চিমা দেশগুলিকে ইউক্রেনকে সশস্ত্র করার বিষয়ে সতর্ক করে বলেছে, পূর্ব ইউক্রেনে বসবাসকারী রুশ বংশোদ্ভুতদের ওপর ইউক্রেন বাহিনী যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন করে কোনোরকম আক্রমণ চালায় তাহলে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে। কিন্তু কিয়েভ তা উপেক্ষা করেছে। পশ্চিমা দেশগুলি বিশেষ করে আমেরিকা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ইউক্রেন সরকারকে ব্যাপক আর্থিক ও সামরিক সহায়তা দিয়ে এসেছে। যুদ্ধের সূচনা থেকেই তারা কিয়েভকে ভাড়াটে বাহিনী দেওয়াসহ সামরিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সামরিক সহায়তা তো আছেই।