হিরণ পয়েন্ট হল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ লোনা পানির বন সুন্দরবনের দক্ষিণাংশের একটি সংরক্ষিত অভয়ারণ্য। এর আরেক নাম নীলকমল। প্রমত্তা কুঙ্গা নদীর পশ্চিম তীরে, খুলনা রেঞ্জে এর অবস্থান।[১] হিরণ পয়েন্ট, ইউনেস্কো ঘোষিত অন্যতম একটি বিশ্ব ঐতিহ্য
কিভাবে যাবেন: বর্তমানে প্রায় শতাধিক প্রতিষ্ঠান সুন্দরবনে পর্যটন ব্যবসায় নিয়োজিত রয়েছে। ভাল ট্যুর ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের সাথে সহজেই সুন্দরবন ঘুরে আসতে পারবেন। ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে বাগেরহাটগামী বিভিন্ন বাস চলাচল করে। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যায় মেঘনা পরিবহন (০১৭১৭-৩৮৮৫৫৩) ও পর্যটক পরিবহন (০১৭১১-১৩১০৭৮) এর বাস। আর গাবতলি বাস টার্মিনাল থেকে সাকুরা পরিবহন (০১৭১১-০১০৪৫০) এবং সোহাগ পরিবহন (০১৭১৮-৬৭৯৩০২) এর বাস ছাড়ে। চাইলে কমলাপুর থেকে ট্রেনের মাধ্যমে খুলনা আসতে পারেন। খুলনা থেকে রুপসা কিংবা বাগেরহাটের মংলা বন্দর থেকে সুন্দরবন হিরণ পয়েন্ট যাওয়ার লঞ্চ পাবেন। এছাড়া বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা থেকেও সুন্দরবনে যাওয়ার বিভিন্ন নৌযান ভাড়া পাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন:সুন্দরবনের টাইগার পয়েন্টের কচিখালী, হিরণ পয়েন্টের নীলকমল এবং কাটকায় বন বিভাগের রেস্টহাউজে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। নীলকমলে থাকতে চাইলে দেশি পর্যটকদের প্রতি কক্ষের জন্য ৩০০০ টাকা লাগবে আর বিদেশিদের জন্য ৫০০০ টাকা। কচিখালী প্রতি কক্ষের জন্য লাগবে ৩০০০ টাকা আর বিদেশিদের জন্য লাগবে ৫০০০ টাকা। কটকাতে প্রতি কক্ষ নিতে ২০০০ টাকা লাগবে এবং বিদেশীদের জন্য রুম প্রতি ৫০০০ টাকা লাগবে।</p><p>মংলায় থাকার জন্যে পর্যটন কর্পোরেশনের হোটেল আছে এবং পশুর বন্দরে সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল পাবেন। এছাড়া সাতক্ষীরা ও খুলনা নগরীতে অবস্থিত বিভিন্ন মানের হোটেলে রাত্রিযাপনের সুযোগ রয়েছে।