বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে একটি সাধারণ দৃশ্য হলো বাজারের সূচক বাড়ুক বা কমুক স্বল্প মূলধনী ও নিম্ন মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ারগুলো প্রায়ই শীর্ষ দরবৃদ্ধির তালিকায় উঠে আসে। কিছু কোম্পানি যারা বছরের পর বছর ধরে লোকসানে রয়েছে এবং তাদের বিনিয়োগকারীদের এক পয়সাও লভ্যাংশ দিতে পারছে না এসব কোম্পানির শেয়ারগুলোও গত ৩ মাসে ২ গুণ বা তার বেশি বেড়েছে। এমনকি এসময় বাজারের সূচক ছিল নিম্নমুখী। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো কোম্পানিগুলো বারবার জানিয়েছে যে তাদের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে কোনো কারণ নেই তবুও, তাদের স্টক আকাশচুম্বী হতে থাকে। সাধারণত যখন কোনো শেয়ারের দামের কারসাজির হানিমুন পিরিয়ড শেষ হয় তখন শেয়ারের মূল্য কমে যায় এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এর চূড়ান্ত শিকার হন। এরপরও, সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাতারাতি লাভের জন্য কারসাজি হয় এমন শেয়ারের পেছনে ছুটে যান। তাদের যুক্তি হচ্ছে ভালো কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে ভালো মুনাফা করা যায় না।
এদিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের এই কারসাজির পেছনে ছোটার প্রবণতা কারসাজিকারীদের কাজ সহজ করে দেয় তাদের অতিমূল্যায়িত শেয়ারগুলো বিক্রির ক্ষেত্রে।